Tag: Calcutta

Calcutta

  • Calcutta High Court: আমহার্স্ট স্ট্রিটকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি, শুনানি শুক্রেই?

    Calcutta High Court: আমহার্স্ট স্ট্রিটকাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি, শুনানি শুক্রেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় মৃত্যুর ঘটনায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হল বিজেপি। বৃহস্পতিবার আইনজীবী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল জনস্বার্থ মামলা দায়ের করতে চেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন হাইকোর্টের। তার পরেই মামলা দায়ের করার অনুমতি দেয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।

    বিজেপির তিন দাবি

    শুক্রবার হাইকোর্টে শুনানি হতে পারে এই মামলার। এই মামলায় প্রধানত তিনটি আর্জি জানানো হয়েছে। প্রথমত, ময়নাতদন্তের ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কমান্ড হাসপাতালে করতে হবে ময়না তদন্ত। শেষত, আদালতে জমা দিতে হবে আমহার্স্ট স্ট্রিট থানর সিসিটিভি ফুটেজ। বুধবার আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায় ডেকে পাঠিয়ে এক যুবককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। মৃতের নাম অশোক কুমার সিংহ। ঘটনার জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে কলেজস্ট্রিট।

    পরিবারের অভিযোগ

    পরিবারের দাবি, চুরির মোবাইল কেনার অভিযোগে (Calcutta High Court) থানায় ডেকে পাঠানো হয় অশোককে। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ই বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি জানায় বিজেপি। অপসারণের দাবি তোলা হয় আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার ওসিকে। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “যদি রাজ্যের হাসপাতালেও ময়নাতদন্ত হয়, তাহলে যেন চিকিৎসক আসেন কমান্ড হাসপাতাল থেকেই। আর যদি ভিডিওগ্রাফিও হয়, তাহলে তা কিন্তু সাধারণ মানুষ কিংবা জজ সাহেব কিছু বুঝবেন না, বুঝবেন একজন চিকিৎসকই। চিকিৎসক হোন কেন্দ্রের হাসপাতালেরই।”

    আরও পড়ুুন: বালিশ-চাদরের পর এবার মোবাইল দাও! বালুর বায়নাক্কায় অতিষ্ঠ জেল কর্তৃপক্ষ

    পুলিশের দাবি, অশোককে মারধর করা হয়নি। অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে যান তিনি। মাথা ফেটে যায়, মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরিয়ে আসে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত ঘোষণা করা হয় তাঁকে। যদিও থানায় করা একটি ফেসবুক লাইভে দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির দেহ পড়ে রয়েছে থানার একটি ঘরের মেঝেয়। তাঁর দু চোখ খোলা। দেহ নিথর। রজনী সাউ নামে মৃতের এক আত্মীয়া বলেন, “একটা সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ কীভাবে থানায় ঢোকার দশ মিনিটের মধ্যেই মারা যেতে পারেন! পুলিশ না মেরে থাকলে ওঁর মুখ দিয়ে রক্ত উঠছিল কেন (Calcutta High Court)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: “স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিকাঠামো না থাকা সরকারের ব্যর্থতা,” রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: “স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিকাঠামো না থাকা সরকারের ব্যর্থতা,” রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। স্বাস্থ্য (Health Services) সম্পর্কিত একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম বলেন, “জনগণকে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া রাজ্যের সাংবিধানিক দায়বদ্ধতার মধ্যে পড়ে। কীভাবে এবং কী পরিষেবা দিতে হবে রাজ্যকে তা মনে করিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব আদালতের নয়”। আদালত জানিয়েছে, পরিকাঠামো না থাকা সরকারের ব্যর্থতা।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির মন্তব্য…

    যদি পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকে তাহলে সেটা সরকারের ব্যর্থতা এবং এটা ধরে নিতে হবে যে সরকার তার জনগণকে পর্যাপ্ত পরিষেবা দিতে পারছে না। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এলাকার বাসিন্দাদের আপৎকালীন সমস্ত জরুরি পরিষেবা দেওয়ার মতো পরিকাঠামো প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে থাকা উচিত”।

    নদিয়ার তাহেরপুরের প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের করুণ ও ভগ্নপ্রায় দশা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষোভ দীর্ঘ দিনের। তাঁদের অভিযোগ, জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েও সুরাহা হয়নি। এই মর্মে ২০১৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন নবীন চাকি নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা।

    আরও পড়ুুন: খেজুরির ৬১ বিজেপি কর্মীকে ঘরে ফেরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের, দিতে হবে নিরাপত্তাও

    এদিন রাজ্যের সব প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করার জন্য স্বাস্থ্য সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। নির্দেশিকায় বলতে হবে, রাজ্যের কোনও প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিকাঠামোগত বা কর্মীর অভাব থাকলে তা যেন স্বাস্থ্য সচিবকে জানানো হয়। স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে পাওয়া রিপোর্টের নির্যাস রাজ্যকে জানাবেন সচিব এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধান করতে হবে সমস্যার। তাহেরপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিকাঠামোগত সব চাহিদা মেটানোর নির্দেশও দিয়েছে আদালত (Calcutta High Court)। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি ঠিকঠাক চলছে কিনা বা পর্যাপ্ত কর্মী রয়েছে কিনা, তা নজরদারি করার নির্দেশও দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    মার্চ মাসেই জানা গিয়েছিল, রাজ্যে আরও ২৩টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এ জন্য স্বাস্থ্য দফতর বরাদ্দ করেছে ২৩ কোটি টাকা। রাজ্যের তরফে ১৭টি জেলার বিভিন্ন ব্লকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি তৈরির ছাড়পত্রও দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, কোচবিহার, দার্জিলিং, হুগলি, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর দিনাজপুর, ডায়মন্ড হারবার ও রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলায় ওই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি নির্মাণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘কেবল সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করে সমস্যা মিটবে না’, মন্তব্য বিচারপতি মান্থার  

    Calcutta High Court: ‘কেবল সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করে সমস্যা মিটবে না’, মন্তব্য বিচারপতি মান্থার  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আসল সমস্যা পুলিশে (Police) নিয়োগ না করা। শুধুমাত্র সিভিক ভলান্টিয়ার (Civic Volunteer) নিয়োগ করে সমস্যা মিটবে না। সরশুনা থানার বিরুদ্ধে ওঠা একটি মামলার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার এমন মন্তব্য করেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। তিনি বলেন, রাজ্যের আসল সমস্যা পুলিশে নিয়োগ না করা। ফলে এক্ষেত্রে চুক্তিভিক্তিক কর্মীদের ওপরে ভরসা করতে হচ্ছে। পুলিশের কাজ সিভিক ভলান্টিয়াররা করছে। কনস্টেবল, এসআই এবং এএসআই নিয়োগ করা না হলে উপায়ও নেই।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি বলেন…

    বিচারপতি মান্থা বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয় আনিস খানের মৃত্যুর ঘটনায়ও দুজন সিভিক ভলান্টিয়ার ওই রাতে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, পুলিশের ঘাটতি মেটাচ্ছে সিভিক ভলান্টিয়ার। তাই পুলিশে নিয়োগ না করলে এভাবে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের নিয়ে নিচুতলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার চেষ্টা হলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। বিচারপতির (Calcutta High Court) পর্যবেক্ষণ, যতদিন না সরকার পুলিশে নিয়োগের ব্যাপারে উদ্যোগী হবে, ততদিন এই এক বছরের চুক্তি ভিত্তিক লোকদের দিয়েই নিচুতলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার চেষ্টা হবে।

    প্রসঙ্গত, ২১ মার্চের শুনানিতে এই মামলায়ই রাজ্যের আইজিকে সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়ে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দিয়েছিলেন মান্থা। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য সিভিক ভলান্টিয়ারদের কোন কোন কাজে ব্যবহার করা হয়, সে ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। আদালতে এদিন এই বিষয়টিই স্পষ্ট করা হয়।

    আরও পড়ুুন: ‘আরএসএস সদস্যরা অপরাধী নন’, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের, দিল মিছিলের অনুমতিও

    কয়েক দিন আগে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে সরশুনা থানার বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, দু জন সিভিক ভলান্টিয়ার ওই যুবককে তুলে নিয়ে যায়। সঙ্গে ছিল পুলিশও। তার পর থেকে আর ওই যুবকের খোঁজ পাওয়া যায়নি। তার পরেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয় যুবকের পরিবার। এর পরেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের দায়িত্ব বেঁধে দিয়ে রাজ্য পুলিশকে নির্দেশিকা তৈরির নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কী ভূমিকা রয়েছে, কোন কোন কাজে তাঁদের ব্যবহার করা হয়, সে প্রসঙ্গেও রাজ্য পুলিশের কাছে জানতে চেয়েছিল উচ্চ আদালত।

    উল্লেখ্য, গত বছরই আমতার ছাত্র নেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যুতে তোলপাড় হয় রাজ্য। আনিসের পরিবারের অভিযোগ, রাতে পুলিশের পোশাকে বাড়িতে ঢুকেছিল কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে সিভিক ভলান্টিয়াররাও ছিলেন। তাঁকে ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। রাজ্যের তরফে আনিসকাণ্ডে পুলিশি গাফিলতির কথা আদালতে স্বীকার করে নিয়েছিলেন অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, রাজ্যে আরও বাড়বে তাপমাত্রা  

    Weather Update: বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, রাজ্যে আরও বাড়বে তাপমাত্রা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭২ ঘণ্টায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়বে রাজ্যের তাপমাত্রা (Weather Update)। পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় এই বৃদ্ধির হার আরও সামান্য বাড়তে পারে। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত কলকাতার তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে ৩৯ ডিগ্রির কোঠায় পৌঁছাবে। ১৪ তারিখের পর তা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলতে পারে। শুক্রবার বাঁকুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রি। রাতের দিকে তাপমাত্র ছিল ২৩ ডিগ্রির আশেপাশে।

    তাপমাত্রা (Weather Update)…

    কেবল দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও আপাতত বৃষ্টির সম্ভবনা নেই। রবিবার শুধু দার্জিলিং জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাকি রাজ্যে শুষ্ক গরম। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তপ্ত বাতাস বইতে পারে। চৈত্রের শেষ তো বটেই, বাংলা নববর্ষেও তাপপ্রবাহের আশঙ্কা গোটা রাজ্যে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানান আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের বিজ্ঞানী দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী বুধবার থেকে শনিবার কলকাতায়ও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘরে।

    আরও পড়ুুন: সাত রাজ্যে টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র, কর্মসংস্থান হবে ২০ লক্ষ তরুণের

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দুই পর্যায়ে বাড়বে তাপমাত্রা। ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। তিন-চার দিনে তা বাড়তে পারে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১০ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলা সহ উপকূল সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গের মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত বাড়বে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বাংলার ছয় থেকে সাতটি জেলায় স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বা তারও বেশি বাড়তে পারে তাপমাত্রা। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। জানা গিয়েছে, রাজ্যে থাকবে গরম ও শুকনো আবহাওয়া।

    উধাও হবে এ রাজ্যে যে ধরনের আর্দ্রতাজনিত (Weather Update) অস্বস্তি থাকে, তা। আগামী সপ্তাহে কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘর। ১৫ এপ্রিলের মধ্যে গরমের জেরে ত্বকে জ্বালা ভাব আসতে পারে। সূতির জামা ও বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত যতটা কম সম্ভব বাইরে বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santragachi: শেষ হল ভোগান্তির, বড়দিনের আগেই খুলে গেল সাঁতরাগাছি সেতু

    Santragachi: শেষ হল ভোগান্তির, বড়দিনের আগেই খুলে গেল সাঁতরাগাছি সেতু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খারাপ হয়ে গিয়েছিল সাঁতরাগাছি (Santragachi) সেতুর এক্সপ্যানসন জয়েন্টগুলি। সেই কারণে শুরু হয়েছিল সেতু সংস্কারের কাজ। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে হচ্ছিল কাজ। শেষমেশ শুক্রবার ভোরে খুলে দেওয়া হয় কলকাতায় (Calcutta) ঢোকার গুরুত্বপূর্ণ এই সেতু। এদিন ভোর পাঁচটা থেকে সেতুর দুই লেনেই গাড়ি চলাচল করতে শুরু করে। সেতু খুলে দেওয়ায় মাসাধিক কাল ধরে যে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল যাত্রীদের, তার অবসান হল এদিন কাকভোরে।

    সাঁতরাগাছি সেতু…

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৯ তারিখে শুরু হয়েছিল সাঁতরাগাছি সেতুর এক্সপ্যানসন জয়েন্টগুলি সংস্কারের কাজ। তার জেরে বন্ধ করে দেওয়া হয় পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল। সেতু সংস্কারের জন্য যান নিয়ন্ত্রণও করা হচ্ছিল। রাত ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হচ্ছিল যান চলাচল। সাঁতরাগাছির এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮০ হাজার গাড়ি চলাচল করে। এমন গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে সংস্কারের কাজ চলায় মাসাধিক কাল ধরে যানজট ছিল নিত্য সঙ্গী। শেষমেশ অবসান হল সেই যানজটেরই।

    আরও পড়ুন: চোখ রাঙাচ্ছে করোনা, কী কী বিধি জারি করল কেন্দ্র?

    প্রথমে ঠিক ছিল, সেতু খোলা হবে নতুন বছরের আগেই। তার বেশ কয়েকদিন আগেই শেষ হয়ে যায় কাজ। তাই খুলে দেওয়া হয়েছে সেতু। সেতু খোলা নিয়ে বৃহস্পতিবারই পূর্তমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, শেষ হয়েছে সেতু সংস্কারের কাজ। শুক্রবার থেকেই স্বাভাবিকভাবে সাঁতরাগাছি (Santragachi) সেতুতে যান চলাচল করবে। সেই মতো এদিন সকালেই খুলে গিয়েছে  সেতু। আপাতত ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে হাওড়া সিটি পুলিশ। নজরদারি চলবে চলতি মাসের ৩১ তারিখ পর্যন্ত।

    ২০১৬ সালে একবার কোনা এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থাকা সাঁতরাগাছি সেতুর এক দিকের ২১টি এক্সপ্যানশন জয়েন্ট বদলানোর কাজ হয়েছিল। সেবারও সেতুর একটি দিকের লেন বন্ধ করে কাজ হয়েছিল। এবার ফের অন্য একটি দিকের লেনের কাজ হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই দফায় সেতুর একটি লেন বন্ধ রেখে ২০টি করে মোট ৪০টি এক্সপ্যানশন জয়েন্ট বদলানো হয়েছে। গাড়ি চলাচলের ভার, কম্পন, তাপমাত্রার তারতম্য নিয়ন্ত্রণ করে সেতুর ভারসাম্য বজায় রাখে এই এক্সপ্যানশন জয়েন্ট। এ জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, সেতুর রাস্তার উপরিভাগ আগের থেকে মসৃণ হয়েছে ঢের বেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share