Tag: Canada

Canada

  • India Canada Relation: কানাডাবাসীর জন্য ফের ই-ভিসা পরিষেবা চালু করল ভারত, বার্তা ট্রুডোকে!

    India Canada Relation: কানাডাবাসীর জন্য ফের ই-ভিসা পরিষেবা চালু করল ভারত, বার্তা ট্রুডোকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র দু’ মাসের মধ্যেই কানাডাবাসীর জন্য ই-ভিসা পরিষেবা চালু করল ভারত (India Canada Relationship)। কানাডায় শিখ নেতা খুনের পর তলানিতে ঠেকে ভারত-কানাডা সম্পর্ক। তার জেরে ২১ সেপ্টেম্বর কানাডার নাগরিকদের ই-ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল নয়াদিল্লি। পরে বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, ২৬ অক্টোবর থেকে কানাডার নাগরিকদের ‘এন্ট্রি ভিসা’, ‘বিজনেস ভিসা’, ‘মেডিকেল ভিসা’ ও ‘কনফারেন্স ভিসা’ দেওয়া হবে। কানাডায় ভারতের রাষ্ট্রদূত সঞ্জয়কুমার বর্মা বলেছিলেন, “কেবল চারটি ক্ষেত্রে ফের ভিসা দেওয়া চালু হয়েছে।” তবে বুধবার থেকে সব নাগরিককেই ই-ভিসা পরিষেবা দেওয়ার কথা জানাল ভারত। এই ভিসা ফের চালু হলে ভারত ভ্রমণ করতে পারবেন কানাডার নাগরিকরা।

    কানাডাকে বার্তা

    এদিকে, বুধবার সন্ধ্যায় উদ্বোধন হবে ভার্চুয়ালি জি২০ বৈঠকের। বৈঠকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং উপস্থিত থাকবেন না। তবে যোগ (India Canada Relation) দেবেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে গরহাজির থাকবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও। যদিও কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দেবেন বলে নিশ্চিত করেছে সে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়। এহেন আবহে ই-ভিসা পরিষেবা চালু করে নয়াদিল্লি কানাডাকে বার্তা দিতে চাইছে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    ভারত-কানাডা সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুন মাসে কানাডায় খুন হন ‘খালিস্তান টাইগার ফোর্সে’র প্রধান হরদীপ সিং নিজ্জর। তিনি কানাডার সারের গুরু নানক শিখ গুরুদ্বার সাহিবের প্রধান ছিলেন। গুরুদ্বার চত্বরের মধ্যেই গুলি করে খুন করা হয় তাঁকে। ওই ঘটনায় ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে কানাডা। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী সংসদে নিজ্জর খুনে ভারতের হাত রয়েছে বলে দাবি করেন। ট্রুডোর দাবিকে অবাস্তব ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে নস্যাৎ করে নয়াদিল্লি। কানাডার অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণও চায় ভারত। কানাডার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তলানিতে ঠেকে ভারত-কানাডা সম্পর্ক।

    আরও পড়ুুন: ধর্মতলায় ‘শাহি’ সমাবেশ নিয়ে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের বিরুদ্ধে প্রধান বিচারপতির দুয়ারে রাজ্য

    কানাডা থেকে গম আমদানি কমিয়ে দেয় ভারত। বিপাকে পড়েন কানাডার কৃষকরা। কারণ কানাডা থেকে সব চেয়ে বেশি গম আমদানি করে ভারত। তার জেরে ফসলের উচ্চমূল্য পান কানাডার কৃষকরা। আমদানি কমাতেই কানাডায় কমে যায় গমের দাম। তার পরেই সুর নরম করে কানাডা। ই-ভিসা পরিষেবা ফের চালু করে ভারত কানাডাকে বার্তা পাঠাল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (India Canada Relation)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: খড়দায় বসে বিদেশি নাগরিকদের অ্যাকাউন্ট সাফ! কোটি কোটি টাকার প্রতারণা

    Khardah: খড়দায় বসে বিদেশি নাগরিকদের অ্যাকাউন্ট সাফ! কোটি কোটি টাকার প্রতারণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়দায় (Khardah) বসে বিদেশের অ্যাকাউন্ট সাফ করে দিত প্রতারকরা। মূলত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার নাগরিকদের অ্যাকাউন্ট সাফ করার অভিযোগ উঠেছে এই প্রতারকদের বিরুদ্ধে। মূলত, প্রতারণা জগতের মাস্টার মাইন্ড হিসেবে পরিচিত জামতারা গ্যাং। পুলিশকে ঘোল খাইয়ে বহু মানুষের অ্যাকাউন্ট সাফ করার অনেক ঘটনা রয়েছে এই গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে। জামতা়ড়া গ্যাংকে টেক্কা দেওয়ার মতো গ্যাং তৈরি হয়ে গিয়েছিল খড়দায়। পুলিশ টের পর্যন্ত পায়নি। করোনার সময় এই গ্যাং মার্কিন মুলুকে সব থেকে বেশি প্রতারণা করেছিল। গত চার বছর ধরে সক্রিয় ছিল এই প্রতারণা চক্র। সবমিলিয়ে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার প্রতারণা হয়েছে বলে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে জানা গিয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, ভয়েস চেঞ্জার, অডি গাড়ি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দেরাদুনের পাঁচ তারা একটি হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিটকয়েন এবং হাওলার মাধ্যমে ওই টাকা যেত বলে পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে।

    কীভাবে প্রতারণা করত? (Khardah)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা মূলত ভয়েস চেঞ্জারের মাধ্যমে বিদেশীদের সঙ্গে  কথা বলত। তাঁদের কম্পিউটারের অ্যান্টি ভাইরাসের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে, নতুন করে অ্যান্টি ভাইরাস দেওয়ার জন্য তারা লিংক পাঠাত। সেই লিংকে ক্লিক করলেই অ্যাকাউন্টের ডিটেলস চলে আসত প্রতারকদের কাছে। এরপর খড়দায় (Khardah) বসেই কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিত প্রতারকরা। আমেরিকা এবং কানাডার ৭০-৮০ জন প্রবীণ নাগরিকের প্রতারিত হওয়ার হদিশ মিলেছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে পুলিশ কমিশনারেটের কর্তাদের আশঙ্কা। কোটি কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগে দেরাদুন থেকে ৬ জনকে গ্রেফতার করে বারাকপুর সিটি পুলিশের গোয়েন্দারা।

    কীভাবে হদিশ মিলল প্রতারকদের?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ অক্টোবর একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে খড়দহ থানা এলাকার বলরাম হাসপাতালের কাছে একটি কল সেন্টারে হানা দেয় খড়দা থানার পুলিশ। সৈয়দ শাহাবাজ হাসান নামে এক প্রতারকের বাড়িতে চলত এই কল সেন্টার। সেখানে খড়দা,(Khardah) টিটাগড়ের পাশাপাশি কলকাতার গড়ফার একজনেক হদিশ পাওয়া গিয়েছে। তদন্তে নেমে প্রথমে গ্রেফতার করা হয় ১০ জনকে। এরপর এই কেসের তদন্তভার কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগকে দেওয়া হয়। তারপর তদন্তে নেমে ২৫ অক্টোবর গোয়েন্দা বিভাগ আরবাজ হাসান নামে একজনকে সল্টলেকের একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই আন্তর্জাতিক প্রতারণা চক্রের হদিশ পায়। এরপর গত তিনদিন আগে উত্তরাখণ্ডের দেরাদুনের  একটি পাঁচ তারা হোটেল থেকে আরও ৬ জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, সৈয়দ শাহাবাজ হাসান, সোনু জয়সওয়াল, কৃষ্ণ কুমার সিং, অনীশ ঠাকুর, ফরহাদ হাসান ও হর্ষ দিনানি। এই ছয়জনকে শনিবার ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানিয়ে পাঠানো হচ্ছে বারাকপুর আদালতে।

    কী বললেন বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তা?

    বারাকপুরের গোয়েন্দা প্রধান শ্রীহরি পান্ডে এক সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, গত ১৮ই অক্টোবর খড়দার (Khardah) একটি কলসেন্টারে হানা দিয়ে পুলিশ প্রচারণা চক্রের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। একটি অডি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার প্রবীণ ব্যক্তিদের থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ২০১৯ সাল থেকে এই কল সেন্টার কাজ করে। এই চক্র দীর্ঘ চার বছর ধরে এরা খড়দা থেকে চালাচ্ছিল। এই চক্রের সঙ্গে আর কেউ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khalistani Terrorists Threat: “১৯ নভেম্বর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে চড়বেন না”, হুমকি খালিস্তানপন্থী জঙ্গি পান্নুনের

    Khalistani Terrorists Threat: “১৯ নভেম্বর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে চড়বেন না”, হুমকি খালিস্তানপন্থী জঙ্গি পান্নুনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সব শিখদের বলছি আগামী ১৯ নভেম্বর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে চড়বেন না। ওই দিন বিশ্বজুড়ে অবরোধ হবে। ১৯ নভেম্বর এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে করে যাতায়াত করবেন না, নাহলে আপনার প্রাণের ঝুঁকি থাকতে পারে।” ভারতকে এই হুমকি-বার্তা দিয়েছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি গুরুপতওয়ান্ত সিং পান্নুন (Khalistani Terrorists Threat)।

    পান্নুনের হুমকি

    তাঁর দাবি, ১৯ নভেম্বর দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকবে এবং এই বিমানবন্দরের নামও বদলে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, ১৯ তারিখেই রয়েছে আইসিসি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। খেলা হবে আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। অবশ্য এই প্রথম নয়, এর আগেও একবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হুমকি দিয়েছিলেন এই খালিস্তানপন্থী জঙ্গি। ভারতে নিষিদ্ধ ‘শিখস ফর জাস্টিসে’র প্রধান পান্নুন ১০ অক্টোবর বলেছিলেন, ‘ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ থেকে ভারত যেন শিক্ষা নেয়, নাহলে একই অবস্থা হবে এ দেশেরও।’ ভাইরাল হওয়া ওই দিনের ভিডিওয় পান্নুনকে বলতে শোনা যায়, ‘বেআইনিভাবে অধিকৃত পঞ্জাব থেকে প্যালেস্তাইনের জনগণ জেগে উঠেছে। তাঁরা প্রত্যাঘাত শানাবেন। হিংসা শুধুই হিংসার জন্ম দেয়।’ সেদিন আঙুল উঁচিয়ে গুলি ছোড়ার মতো ভঙ্গি করতেও দেখা যায় খালিস্তানপন্থী এই জঙ্গিকে (Khalistani Terrorists Threat)।

    ঘোষিত অপরাধী পান্নুন

    পঞ্জাবের অমৃতসরে জন্ম পান্নুনের। পরে চলে যায় আমেরিকায়। গ্রহণ করে মার্কিন নাগরিকত্ব। বর্তমানে সে রয়েছে কানাডায়। ২০১৯ সাল নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের এই নেতা চলে আসে এনআইএর স্ক্যানারে। তার বিরুদ্ধে পঞ্জাবে হামলা চালানোর জন্য অর্থ সংগ্রহ করা, তরুণদের সন্ত্রাসবাদে দীক্ষিত করা সহ নানা অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি পান্নুনের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরওয়ানা জারি করে এনআইএ আদালত। গত বছর তাকে ঘোষণা করা হয় ঘোষিত অপরাধী।

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন কানাডায় প্রকাশ্যে খুন হয় খালিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। তার পর থেকেই বাড়বাড়ন্ত পান্নুনের (Khalistani Terrorists Threat)।

    আরও পড়ুুন: ভোটের মুখে মাওবাদীদের হাতে খুন ছত্তিশগড়ের বিজেপি নেতা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

      

     

  • Nijjar Killing: নিজ্জর খুনে হাত রয়েছে বেজিংয়ের! দাবি চিনা বংশোদ্ভূত ইউটিউবারের

    Nijjar Killing: নিজ্জর খুনে হাত রয়েছে বেজিংয়ের! দাবি চিনা বংশোদ্ভূত ইউটিউবারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর (Nijjar Killing) খুনে হাত রয়েছে চিনের। অন্তত এমনই দাবি করলেন জেনিফার জেং নামে এক ইউটিউবার। তাঁর দাবি, ভারতের সঙ্গে পশ্চিমী বিশ্বের সম্পর্ক খারাপ করতেই এ কাজ করেছে ড্রাগনের দেশ।

    কাঠগড়ায় চিনা কমিউনিস্ট পার্টি

    তিনি বলেন, “তাইওয়ান নিয়ে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সামরিক নীতি মেনেই চিনা কমিউনিস্ট পার্টি (CCP) একাজ করছে। যাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সম্পর্কের সূতো ছিঁড়ে যায়।” চিনে জন্ম এই সাংবাদিকের। তিনি সমাজকর্মীও। বর্তমানে আমেরিকায় থাকেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম এক্সে যে ভিডিও তিনি পোস্ট করেছেন, তাতে বলেছেন, “কানাডায় খুন হওয়া নিজ্জর সিংয়ের হত্যাকাণ্ড সিসিপি (CCP) থেকেই হয়েছে। এটি অনুমান করা হচ্ছে যে এই হত্যাকাণ্ড সিসিপির এজেন্টের মাধ্যমেই করা হয়েছে।”

    ভারত-কানাডা সম্পর্ক

    জুনের ১৮ তারিখে কানাডার কলম্বিয়া প্রদেশে খুন হয় নিজ্জর। তার প্রভাব পড়ে ভারত-কানাডা সম্পর্কে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদে দাবি করেন, নিজ্জর খুনের নেপথ্যে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাত থাকতে পারে। মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নিজ্জরকে তিনি কলমিস্ত্রি বলেও দাবি করেন। ট্রুডোর অভিযোগ নস্যাৎ করে দেয় ভারত। জানিয়ে দেয়, নিজ্জর খুনে ভারতের হাত রয়েছে এমন প্রমাণ পেলে তা যেন ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নয়াদিল্লিতে থাকা কানাডার রাষ্ট্রদূতদের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেয় ভারত। কমিয়ে দেয় কানাডা থেকে ডাল রফতানির পরিমাণও। সব মিলিয়ে গাড্ডায় পড়ে ট্রুডো সরকার।   

    ভারতকে বিপাকে ফেলতে (Nijjar Killing) ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’ দরবার করে কানাডা। যদিও আমেরিকা, ব্রিটেন সহ ওই জোটের চার দেশ কানাডার পাশে দাঁড়ায়নি। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যাবাদী আখ্যা দেয় শ্রীলঙ্কাও। বিশ্বের বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলি পাশে না দাঁড়ানোয় এবং এশিয়ায় সেভাবে কাউকে পাশে না পেয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে কার্যত এক ঘরে হয়ে পড়ে কানাডা। এর পরেই সুর নরম করে ট্রুডোর দেশ। তারা জানিয়ে দেয়, ভারতের সঙ্গে সদ্ভাব বজায় রাখতে তারা  আগ্রহী।

    আরও পড়ুুন: আলিপুরদুয়ার সমবায়ে দুর্নীতির তদন্তে নেমে ‘প্রাণভোমরা’ হাতে এল সিবিআইয়ের, কী তা জানেন?

    এমতাবস্থায় কার্যত হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন এই ইউটিউবার। দিন কয়েক আগেই তিনি জানিয়েছিলেন, ভারতের সঙ্গে পশ্চিমী বিশ্বের সম্পর্ক খারাপ করতে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির তরফে পদস্থ অফিসারদের পাঠানো হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই তৈরি হয় ব্লু প্রিন্ট (Nijjar Killing)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • India Canada Relationship: ‘ভারতের সঙ্গে ব্যক্তিগত কূটনীতি চাই’, সুর আরও নরম করে বলল কানাডা

    India Canada Relationship: ‘ভারতের সঙ্গে ব্যক্তিগত কূটনীতি চাই’, সুর আরও নরম করে বলল কানাডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বোধহয় বলে ঠেলার নাম মধুসূদন! খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনের জেরে ভারতের সঙ্গে কানাডার (India Canada Relationship) সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। বিশ্বরাজনীতিতেও ক্রমেই একঘরে হয়ে পড়ছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। সেই কারণেই দিন কয়েক আগে সুর নরম করে ট্রুডো সরকার। তার পরেও কানাডাকে চাপে রাখে ভারত।

    ভারতের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক চায় কানাডা!

    নয়াদিল্লিতে থাকা সে দেশের রাষ্ট্রদূতের সংখ্যা কমাতে বলে মোদি সরকার। তার পরেই আরও টোন ডাউন করল কানাডা সরকার। জানিয়ে দিল, ভারতের সঙ্গে ব্যক্তিগত কূটনীতি চালানোর কথা। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যক্তিগত কূটনীতির কথা বলে প্রকৃতপক্ষে নয়াদিল্লির সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠকে বসে সমস্যা মেটাতে চাইছে অটোয়া। কানাডার বিদেশমন্ত্রী মেলানি জোলি বলেন, “আমরা ব্যক্তিগত স্তরে ভারতের সঙ্গে কথা চালিয়ে যাব। কারণ আমরা মনে করি, কূটনৈতিক আলোচনা ব্যক্তিগত স্তরে হলে সেটা সব চেয়ে বেশি ফলপ্রসূ হয়।” মঙ্গলবারই নয়াদিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্কের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন কানাডার (India Canada Relationship) প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো স্বয়ং।

    কী বলেছিলেন ট্রুডো?

    তিনি বলেছিলেন, “বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ভারত। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারত এখন উদীয়মান শক্তি। কানাডা চায় তাদের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় পরিস্থিতি নিয়ে গত বছর আমাদের বৈঠকও হয়েছে।” তিনি এও বলেছিলেন, “ভারতের সঙ্গে সংঘাত আর বাড়াতে চাই না আমরা। কানাডা দায়িত্ব সহকারে ও গঠনমূলকভাবে নয়াদিল্লির সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুুন: উত্তরবঙ্গ ভাসছে, রাজভবন অভিযানে ব্যস্ত তৃণমূলের নেতারা, তোপ সুকান্তর

    প্রসঙ্গত, গত ১৮ জুন কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় একটি গুরুদ্বারের সামনে ভারত থেকে পলাতক খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরকে গুলি করে খুন করে দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। তার পরেই ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে কানাডা। সে দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে স্বয়ং ট্রুডো বলেন, “কানাডার নাগরিক হরদীপ সিং নিজ্জরের মৃত্যুতে ভারতের ভূমিকা থাকতে পারে।” ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নিজ্জরকে তিনি কলের মিস্ত্রি বলেও অভিহিত করেন। এর পরেই ভারত-কানাডা সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। কানাডার মিথ্যে ও মনগড়া অভিযোগের ভিত্তিতে কড়া জবাব দেয় ভারত। যার জেরে ক্রমেই সুর নরম করে চলেছে ট্রুডো সরকার (India Canada Relationship)। এদিকে, দিন কয়েক আগে অটোয়ায় লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরে হামলার ঘটনায় খালিস্তানপন্থী এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে কানাডা প্রশাসন। যদিও গোপন রাখা হয়েছে তার পরিচয়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Canada Row: ‘৪০ জন কূটনীতিককে সরাও, নাহলে…’, সংঘাতের আবহে কানাডাকে বলল ভারত

    India Canada Row: ‘৪০ জন কূটনীতিককে সরাও, নাহলে…’, সংঘাতের আবহে কানাডাকে বলল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গদি বাঁচাতে নিজ্জর খুনে ভারতকে দুষেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। পরে অবশ্য সুর নরম করে কানাডা সরকার (India Canada Row)। যদিও তার আগেই বিশ্বরাজনীতিতে একঘরে হয়ে পড়েছেন ট্রুডো। সদস্য হওয়া সত্ত্বেও পাশে পাননি ‘ফাইভ আইজ’-এর বাকি চার সদস্যকে। ট্রুডোর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছে শ্রীলঙ্কাও। 

    কানাডাকে হুঁশিয়ারি ভারতের

    এহেন আবহে কানাডাকাণ্ডে কড়া পদক্ষেপ করল ভারত। কূটনীতিকদের সংখ্যা কমাতে ট্রুডো সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে ভারত। তা না হলে কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কানাডায় ভারতীয় কূটনীতিকের সংখ্যা ৩০। অথচ নয়াদিল্লির দূতাবাসে কানাডিয়ান কূটনীতিকের সংখ্যা এর প্রায় তিনগুণ। এই সংখ্যাই কমাতে বলেছে ভারত। 

    কী বলছে বিদেশ মন্ত্রক?

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, “কানাডায় (India Canada Row) ভারতের যে সংখ্যক কূটনীতিক রয়েছেন, সেই তুলনায় নয়াদিল্লিতে কানাডার কূটনীতিকের সংখ্যা ঢের বেশি। তাই দু’ দেশের মধ্যে সমতা রাখা উচিত। সেই কারণেই ভারত থেকে প্রায় ৪০ জন কানাডার কূটনীতিককে সরানোর কথা বলা হয়েছে।”

    জুন মাসে কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশে খুন হন খালিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর। এই খালিস্তানপন্থী নেতা খুনে ভারতের হাত থাকতে পারে বলে সম্প্রতি সে দেশের পার্লামেন্টে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। শুধু তাই নয়, খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জরকে কলমিস্ত্রি বলেও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। কানাডা সরকারের অভিযোগ খারিজ করে দেয় নয়াদিল্লি। তার জেরে কূটনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে ভারত-কানাডার। অভিযোগের স্বপক্ষে ট্রুডো সরকারকে প্রমাণও দিতে বলে ভারত।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দেশে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে’’, বিহারের জাতিগত সমীক্ষা নিয়ে বিরোধীদের তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    এমতাবস্থায় কানাডায় (India Canada Row) বসবাসকারী হিন্দু ও শিখ ধর্মাবলম্বীদের সে দেশ ছাড়ার হুমকি দিয়েছে খালিস্তানপন্থী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। তার পরেই ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। দিন কয়েক আগে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পরে ওয়াশিংটনে তিনি বলেন, “বাধ্যবাধকতা ছিল। আমাদের কূটনীতিক, দূতাবাসের ওপর হিংসার প্রচার করা হচ্ছিল। কীভাবে ওঁরা দফতরে গিয়ে ভিসা দেওয়ার কাজ করবেন। এটা আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্ন। ভিয়েনা চুক্তির প্রশ্ন। ভিয়েনা চুক্তি অনুযায়ী আমাদের কূটনীতিক, দূতাবাসকে নিরাপত্তা দিতে হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: ‘‘অন্য দেশ থেকে বাক স্বাধীনতা শিখতে যাব না’’, কানাডার উদ্দেশে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘‘অন্য দেশ থেকে বাক স্বাধীনতা শিখতে যাব না’’, কানাডার উদ্দেশে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাক স্বাধীনতা নিয়ে ট্রুডো সরকারকে তুলোধনা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে এক অনুষ্ঠানে বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “মত প্রকাশের স্বাধীনতা কাকে বলে, তা অন্যের থেকে শেখার দরকার নেই। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র রয়েছে ভারতে। ফলে বাক স্বাধীনতার গুরুত্ব আমরা ভালোভাবেই জানি।”  

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    পাঁচদিনের মার্কিন সফরে গিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। সেখানেই শনিবার ফের তিনি বলেন, “আমরা গণতন্ত্রে বাস করি। বাক স্বাধীনতা কী, তা আমাদের অন্য কোনও দেশের কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই। আমাদের মনে হয় না বাক স্বাধীনতা কোনও ধরনের হিংসায় উসকানি দিতে পারে না। আমাদের কাছে তা স্বাধীনতার অপব্যবহার, স্বাধীনতা রক্ষা নয়।” সান ফ্রান্সিসকোয় ভারতীয় কনসুলেটে বসে বিদেশমন্ত্রী কানাডায় ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের খালিস্তানি হুমকি দেওয়া প্রসঙ্গেও কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনারা যদি আমার জায়গায় থাকতেন, তবে কী করতেন? যদি আপনাদের দূতাবাসে, আপনাদের রাষ্ট্রদূতদের হুমকি দেওয়া হত, তাহলে আপনারা কী করতেন?”

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-নেতা হাফিজ সইদের সন্ত্রাসী ছেলেকে অপহরণ করে হত্যা! তোলপাড় পাকিস্তানে

    বিদেশমন্ত্রীর দাবি

    বিদেশমন্ত্রীর কথায়, “গত ১০ বছরে শিখদের সমস্যা সমাধান করতে নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদের মধ্যে অল্প কয়েকজনই বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সন্ত্রাসবাদের কথা বলছে। এটাকে গোটা সম্প্রদায়ের সমস্যা বলে ভাবা ঠিক নয়। নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এটা দেখা উচিত।” উল্লেখ্য, কানাডার সঙ্গে সংঘাতের আবহে গতকাল মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন জয়শংকর। এই প্রসঙ্গে আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মার্কিনিরা এই সমস্যার দিকে সেভাবে নজর দিচ্ছেন না। আমরা কানাডার দিকে তাকালে সেখানে হিংসা, বিচ্ছিন্নতাবাদ আর সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়ার মতো ঘটনা দেখতে পাই। আর আমেরিকানরা তাকালে অন্য কিছু দেখতে পান। যদি কেউ বলেন, এটা জি-৭ ভুক্ত দেশে ঘটতে পারে, তবে সেটা অন্য কিছু ভাবার ইঙ্গিত দেয়।” 

    স্কটল্যান্ডে ভারতীয় হাই কমিশনারকে বাধা 

     এবার স্কটল্যান্ডে দেখা গেল খলিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সক্রিয়তা। তাঁদের নিশানায় ব্রিটেনে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার বিক্রম দুরাইস্বামী। ব্রিটেনের ভারতীয় হাই কমিশন সূত্রের খবর, শুক্রবার দুরাইস্বামীকে স্কটল্যান্ডের একটি গুরুদ্বারে প্রবেশ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়। ভারতীয় হাই কমিশনারকে গুরুদ্বার পরিচালন সমিতির কয়েক জন সদস্য জানিয়ে দেন, তিনি স্বাগত নন। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ভারতে নিষিদ্ধ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (Sikhs for Justice)-এর সমর্থকেরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • US India Meet: জয়শঙ্কর-ব্লিঙ্কেন বৈঠকে উঠলই না নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ, হতাশ ট্রুডোর দেশ!

    US India Meet: জয়শঙ্কর-ব্লিঙ্কেন বৈঠকে উঠলই না নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ, হতাশ ট্রুডোর দেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধাক্কা খেলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো! খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে ভারতের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন তিনি। ভেবেছিলেন, পাশে পাবেন বন্ধু আমেরিকাকে। দিন কয়েক আগে বুক বাজিয়ে বলেওছিলেন, ব্লিঙ্কেন-জয়শঙ্কর বৈঠকে (US India Meet) অবশ্যই উঠবে নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ। বৃহস্পতিবার পূর্ব নির্ধারিত সূচি মেনে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক হয় মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে। সূত্রের খবর, দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে নানা বিষয় আলোচনা হলেও, ওঠেনি নিজ্জর প্রসঙ্গ।   

    আলোচনা ইতিবাচক, বলছে আমেরিকা 

    ভারত আমেরিকার ‘বিশেষ কৌশলগত মিত্র’। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই কারণে নয়াদিল্লিকে চটাতে চায়নি জো বাইডেনের দেশ। তাই জয়শঙ্কর ব্লিঙ্কেন বৈঠকে ওঠেনি নিজ্জর খুনে কানাডার অভিযোগের প্রসঙ্গ। এদিন বৈঠক শেষে মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ম্যাথু মিলার বলেন, “প্রতিরক্ষা, মহাকাশ গবেষণা এবং দুষণমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।”

    জয়শঙ্কর-সালিভান বৈঠক

    এদিন জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভানও। বৈঠকের আগে (US India Meet) ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেছিলেন, “গত কয়েক বছরে কানাডায় পরিকল্পিত অপরাধের সংখ্যা ব্যাপক বেড়েছে। বিচ্ছিন্নতাবাদ, উগ্রপন্থার কারণেই এই অপরাধ এবং হিংসা। কানাডা থেকে কী কী অসামাজিক কার্যকলাপ চলে তা জানিয়ে জঙ্গি নেতাদের চিহ্নিত করে প্রত্যর্পণ করতেও আবেদন জানানো হয়েছে।” বৈঠক শেষে এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লেখেন, “ওয়াশিংটন সফর শুরু হল আমেরিকার নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভানের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রবল সম্ভাবনার দিকটি খতিয়ে দেখে তা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নিয়ে কথা হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানের পাশ থেকে সরে গেলেন ‘কমরেড’ও! অথৈ জলে ইসলামাবাদ

    গত জুন মানে কানাডায় খুন হয় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন ট্রুডো। কানাডার অভিযোগকে মনগড়া ও মিথ্যে বলে জানিয়ে দেয় ভারত। কানাডার এই অভিযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি মিত্র দেশগুলি। কানাডা ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’র সদস্য। এই চার সহযোগী দেশকেও পাশে পায়নি ট্রুডোর দেশ। কানাডার প্রধানমন্ত্রীকে মিথ্যেবাদী বলে দেগে দিয়েছে শ্রীলঙ্কাও। এমতাবস্থায় জয়শঙ্কর-ব্লিঙ্কেনের বৈঠকে (US India Meet) নিজ্জর খুনের প্রসঙ্গ না ওঠায় প্রত্যাশিতভাবেই হতাশ কানাডা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Canada Row: “বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির সংগঠিত অপরাধে জর্জরিত কানাডা”, নিউইয়র্কে জয়শঙ্কর

    India Canada Row: “বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির সংগঠিত অপরাধে জর্জরিত কানাডা”, নিউইয়র্কে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে আরও বিপাকে কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর সরকার (India Canada Row)। নিজ্জর খুনে ভারতকে দুষে ট্রুডো যখন বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন, সেই সময় ভারতের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে আমেরিকা। আজ, বৃহস্পতিবার মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি অ্যান্টনি ব্লিকেনের সঙ্গে ওয়াশিংটনে বৈঠকে বসতে চলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বৈঠকের বিষয়বস্তু নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে ভারত এবং কানাডা দুই দেশই। তবে আমেরিকার বন্ধু দুই দেশ ভারত ও কানাডার মধ্যে যে সম্পর্কের শৈত্য চলছে, সে প্রসঙ্গ উঠতে পারে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

    বিশ্বরাজনীতিতে একা ট্রুুুুুুুুডো!

    জুন মাসে কানাডায় (India Canada Row) খুন হয় খালিস্তানি জঙ্গি নিজ্জর। ওই ঘটনায় ভারতের হাত রয়েছে বলে সংসদে দাবি করেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। অভিযোগের সারবত্তা নেই বলে দাবি করে নয়াদিল্লি। তার পর থেকে ভারত-কানাডা সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। তবে কানাডার ওই অভিযোগের পরেও বন্ধু দেশের পাশে দাঁড়ায়নি আমেরিকা। নিজ্জর খুনে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, ভারতকে আঘাত করে এমন একটি কথাও বলেনি জো বাইডেনের দেশ। ট্রুডোর পাশে দাঁড়ায়নি ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’র কানাডা বাদে বাকি চার দেশের কেউই। এহেন আবহে ভারত-মার্কিন বৈঠক বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের।

    কানাডার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিল ভারত 

    এদিকে, সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের (India Canada Row) বিরুদ্ধে কানাডা সরকার কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ ভারত। মঙ্গলবার নিউইয়র্কে তিনি বলেন, “বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির সংগঠিত অপরাধে জর্জরিত কানাডা।” এজন্য ভারত যে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা যেভাবে কানাডিয়ান হিন্দু, শিখ এবং ভারতীয় কূটনীতিকদের হুমকি দিচ্ছে, তাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন জয়শঙ্কর। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণে যে কানাডা সরকার সন্ত্রাসবাদী ও বিচ্ছন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করছে না, তাও জানিয়ে দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। নিজ্জর খুনে কানাডার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রথমত, এটা ভারত সরকারের নীতির পরিপন্থী। আর দ্বিতীয়ত, আমরা তো কানাডা সরকারকে বলেইছি যে ভারতের হাত হয়েছে এমন কোনও প্রমাণ পেলে আমাদের দাও, আমরা তা পরীক্ষা করে দেখব।”

    আরও পড়ুুন: চাঁদ-সূর্যের পরে এবার পরের লক্ষ্য শুক্র অভিযান, ঘোষণা ইসরো প্রধানের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Justin Trudeau: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    Justin Trudeau: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ছিলেন নাইট ক্লাবের বাউন্সার (Justin Trudeau)। শখের বশে বক্সিংও খেলতেন। দিয়েছেন স্নোবোর্ড প্রশিক্ষণও। অভিনয় করেছেন একটি সিনেমায়ও। পরে বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতিতে আসেন। তবে বাউন্সার হিসেবে কাজ করার সময় তিনি কোকেনের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েন বলে দাবি নেটিজেনদের একাংশের।

    একা হয়ে পড়ছেন ট্রুডো!

    আজও সেই নেশার কবল থেকে বের হতে পারেননি তিনি। এত গুণের আধার যিনি, তিনি কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। খালিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জর খুনে দিন কয়েক আগে যিনি খাস সংসদে দাঁড়িয়ে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন ভারতের দিকে। এই ইস্যুতে ট্রুডোকে ‘মিথ্যেবাদী’ বলে দেগে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। ‘ফাইভ আইজ অ্যালায়েন্সে’র সদস্য হওয়া সত্ত্বেও যাঁর পাশে দাঁড়ায়নি আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ব্রিটেন।

    সর্বনাশা কোকেনের নেশা

    সর্বনাশা কোকেনের নেশা যে ট্রুডোর (Justin Trudeau) পিছন ছাড়েনি, তার প্রমাণ মিলেছে সম্প্রতি ভারতের এক কূটনীতিকের দাবিতে। জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন ট্রুডো। সেই সময় তিনি বিমান ভর্তি করে কোকেন নিয়ে এসেছিলেন বলে দাবি ভারতীয় কূটনীতিক দীপক ভোরার। অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে কানাডা সরকার।

    বছর কয়েক আগে প্রকাশিত হয় ট্রুডোর আত্মজীবনী। সেখানে শখের বক্সিং শেখার প্রসঙ্গের উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেছেন, “কীভাবে লড়াই করে এগিয়ে যেতে হয়, তা বক্সিং থেকে শিখেছি। ওখানে বিষাক্ত পাঞ্চগুলি এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল আয়ত্ত করতে হয়েছিল। পরবর্তীকালে যা আমাকে কূটনীতি বুঝতে সাহায্য করে। যাবতীয় সতর্কতার পরেও ঘুষি লাগলে বুঝতে হবে আপনার কূটনীতি ব্যর্থ হতে চলেছে।”

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে আরও গাড্ডায় ট্রুডো, পাশে পেলেন না ‘ফাইভ আইজ’ অ্যালায়েন্সকেও

    সুদানের প্রাক্তন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীপক ভোরার দাবি, চলতি মাসে জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে আসা কানাডার প্রধানমন্ত্রীর বিমান কোকেনে ভর্তি ছিল। দু’ দিন নিজের ঘর থেকে বের হতে পারেননি তিনি। ভোরা বলেন, “শিশুদের মতো আচরণ করছিলেন ট্রুডো। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিষয়ে তাঁর কোনও খেয়ালই ছিল না। তাঁকে বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত লাগছিল।” তিনি বলেন, “আমার স্ত্রী ওঁকে দিল্লি বিমানবন্দরে দেখেছে। ও জানিয়েছে, ট্রুডোকে তখন মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন বলে মনে হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, ট্রুডোর বিমানে ভর্তি ছিল কোকেন। তিনি রাষ্ট্রপতির নৈশাহারেও যাননি। কেউ কেউ বলছেন, ড্রাগ নেওয়ার কারণে তাঁর কোনও হুঁশ ছিল না।” ভোরা বলেন, “জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারত সফরে এসে তিনি একাকীত্ব বোধ করছিলেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share