Tag: Cancer Treatment

Cancer Treatment

  • Breast Cancer Treatment: স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসায় নতুন পথের সন্ধান দুই বাঙালি বিজ্ঞানীর, কেমন সেই পদ্ধতি?

    Breast Cancer Treatment: স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসায় নতুন পথের সন্ধান দুই বাঙালি বিজ্ঞানীর, কেমন সেই পদ্ধতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্তন ক্যান্সারের (Breast Cancer Treatment) চিকিৎসায় ‘সুপ্রামলিকিউলার হাইড্রোজেল থেরাপি’ নিয়ে নতুন রকম গবেষণার পথে আইআইটি গুয়াহাটি ও কলকাতার বোস ইনস্টিটিউট। এ সংক্রান্ত গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে লন্ডনের ‘রয়াল সোসাইটি অফ কেমিস্ট্রি’-র বিজ্ঞান পত্রিকা ‘মেটেরিয়াল্স হরাইজনস’-এ। গবেষণাটি দু’টি ভাগে হচ্ছে। ‘হাইড্রোজেল’ তৈরি করা এবং সেটির কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণায় রয়েছেন আইআইটি গুয়াহাটির রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক দেবপ্রতিম দাস ও তাঁরই দুই ছাত্রী তনুশ্রী দাস ও ঋত্বিকা কুশওয়াহা। অন্যদিকে, ‘হাইড্রোজেল’ পদ্ধতিটির বাস্তব প্রয়োগ করে কী ফল পাওয়া যাচ্ছে, সে নিয়ে পরীক্ষা করছেন কলকাতার বোস ইনস্টিটিউটের গবেষক কুলদীপ জানা ও তাঁর ছাত্র সত্যজিৎ হালদার এবং অনুপকুমার মিশ্র।

    নয়া গবেষণায় সাফল্য

    স্তন ক্যান্সারের (Breast Cancer Treatment) দুই রকম চিকিৎসা পদ্ধতি আছে— অস্ত্রোপচার ও কেমোথেরাপি। অস্ত্রোপচার করলেই যে ক্যান্সার কোষ নির্মূল হবে, তা নয়। এর পরেও কেমোথেরাপি বা রেডিয়োথেরাপি দিতে হয়, যা যথেষ্টই যন্ত্রণাদায়ক ও খরচসাপেক্ষও। বস্তুত শরীরে বিষ প্রয়োগ করেই বিষক্ষয়ের চেষ্টা হয়। এতে যেমন শরীরের উপর অত্যাচার হয়, তেমনই মানসিক ভাবেও ভেঙে পড়েন রোগী। কাজেই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কেবল শরীরে নয়, মনেও হয়। নয়া গবেষণা প্রসঙ্গে আইআইটি গুয়াহাটির অধ্যাপক দেবপ্রতিম দাস বলেন, “ক্যান্সারের চিকিৎসায় সুপ্রামলিউকিউলার জেল নিয়ে গবেষণা করে আমরা যা ফল পেয়েছি, তা আগে কখনও হয়নি বলেই আমার ধারণা। পলিমার জেল নানা রকম গবেষণার কাজেই ব্যবহার করা হয়েছে, কিন্তু ক্যান্সার সংক্রান্ত গবেষণায় এর প্রয়োগ করে আশানুরূপ ফল পাওয়া গিয়েছে।”

    ‘হাইড্রোজেল’-এর বিশেষত্ব

    আর পাঁচটি জেলের মতো নয়। এক ধরনের ত্রিমাত্রিক পলিমার, যা ছোট ছোট পেপটাইড দিয়ে তৈরি। প্রোটিনের ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ হল পেপটাইড। সেই পেপটাইড দিয়েই তৈরি হয়েছে হাইড্রোজেল। এর মধ্যে জলীয় ভাবই বেশি। সহজ করে বললে থকথকে জেলির মতো। এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। বোস ইনস্টিটিউটের গবেষক কুলদীপ জানা বলেন, “হাইড্রোজেল খুব নরম বস্তু, তরলও নয় আবার শক্তও নয়। এর ভিতরে পলিমারের নেটওয়ার্ক আছে। জেলের ভিতর ওষুধ ভরে দিলে ওই নেটওয়ার্কের জালিতে গিয়ে ওষুধটি সেঁটে যাবে। শক্ত করে আটকে বসবে, বাইরে বেরোবে না। এ বার জেলিটা শরীরে ইনজেক্ট করলে সেটি ওষুধটিকে নিয়ে সোজা চলে যাবে ক্যান্সার কোষের কাছে। সেখানে গিয়ে ফেটে যাবে এবং ওষুধটি ছিটকে বার করে একেবারে টিউমারের উপর ফেলবে।”

    কীভাবে ধ্বংস হবে ক্যান্সার কোষ

    গবেষণাগারে বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে সুপ্রামলিকিউলার হাইড্রোজেল। এটি যত ক্ষণ বাইরে রাখা হবে, তত ক্ষণ জেলির মতো জমে থাকবে। সিরিঞ্জে ভরার পরেই সেটি তরল হবে এবং সহজে ইনজেক্ট করা যাবে। আবার সুচের ডগা দিয়ে বেরোনো মাত্রই ফের জমে গিয়ে জেলি হয়ে যাবে। এই জেলি এমন এক আধার, যা তার পেটের ভিতর ওষুধ পুরে নিয়ে দৌড়বে ক্যান্সার কোষের দিকে। সরাসরি আঘাত করে ধ্বংস করবে টিউমার কোষকে। গবেষকেরা জানাচ্ছেন, ক্যান্সার কোষ একটি সঙ্কেত ছাড়ে, যেটি বুঝতে পারবে হাইড্রোজেল। সেই সঙ্কেতটির নাম হল ‘গ্লুটাথায়োন’। এক রকম ট্রাইপেপটাইড, যা শরীরেই তৈরি হয়। ক্যান্সার কোষে এর মাত্রা খুব বেড়ে যায়। হাইড্রোজেল দেখবে যে কোষে গ্লুটাথায়োনের মাত্রা অস্বাভাবিক রকম বেশি, সেখানে গিয়েই সেটি ফেটে যাবে আর ওষুধও বেরিয়ে আসবে ভিতর থেকে।

    ইঁদুরের উপর পরীক্ষা

    হাইড্রোজেলটি কী ভাবে কাজ করছে, সে গবেষণা করছেন কলকাতার বোস ইনস্টিটিউটের গবেষক কুলদীপ জানা। তিনি বললেন, “ইঁদুরের উপর পরীক্ষা হয়েছে। ওষুধটির একটিমাত্র ডোজ ইনজেক্ট করে দেখা গিয়েছে, ১৮ দিনের মাথায় টিউমার কোষের ৭৫ শতাংশ নির্মূল হয়েছে। ইনভিট্রো সেল কালচার মডেলে পরীক্ষাটি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সাফল্যের মুখ দেখেছি আমরা। এর পরে মানুষের উপর পরীক্ষাও হবে।”

    আরও পড়ুন: ঝঞ্ঝায় দক্ষিণে বাড়তে পারে পারদ, বৃষ্টি-বরফের সম্ভাবনা উত্তরে, পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

    মানুষের উপর প্রয়োগ

    হাইড্রোজেল থেরাপি নিয়ে গবেষণা ২০১৯ সাল থেকে শুরু হয়। এখনও গবেষণাটি চলছে। গবেষকেরা জানিয়েছেন, আরও অনেকগুলি স্তরেই গবেষণা হবে। হাইড্রোজেলের ‘পেটেন্ট’ পাওয়া গিয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার কাছে তা পাঠানোও হয়েছে। আইআইটি গুয়াহাটি ও বোস ইনস্টিটিউটের অনুমতিসাপেক্ষে বাণিজ্যিক ভাবে তাঁরা এই নিয়ে কাজও করতে পারেন। এর পরের ধাপ হল মানুষের শরীরে পরীক্ষা করে দেখা। তার জন্য নানা জায়গায় আবেদন করতে হয়। সে কাজ চলছে। যদিও তা সময়সাপেক্ষ, তবুও আশাবাদী গবেষকেরা। আগামী দিনে ক্যান্সারের ওষুধটি সাধারণের নাগালে এলে, তা কম খরচে বহু জনের প্রাণ বাঁচাতে পারে বলে বিশ্বাস গবেষকদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cancer: মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে, ক্যান্সারজয়ীদের গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ

    Cancer: মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে, ক্যান্সারজয়ীদের গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপে কামড়ালে বিষে যতজনের না মৃত্যু হয়, তার চেয়ে বেশি মৃত্যু হয় আতঙ্কে। ক্যান্সার (Cancer) নামটা শুনলেও আতঙ্কে অর্ধমৃত হয়ে যান আক্রান্তরা, এমনকী তাঁদের বাড়ির লোকজনও। কিন্তু ক্যান্সারের আরোগ্য শুধু যে সম্ভব তা নয়, এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পরে একেবারে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাও সম্ভব। সেটা দেখাতেই অনুষ্ঠান হয়ে গেল কলকাতার মহাজাতি সদনে। নতুন বছরের প্রথম রবিবার, ৭ জানুয়ারির অনুষ্ঠান মনে করিয়ে দিল রবীন্দ্রনাথের সেই অবিস্মরণীয় পংক্তি-“যত বড়ো হও, তুমি তো মৃত্যুর চেয়ে বড়ো নও। আমি মৃত্যু-চেয়ে বড়ো”।

    গান গাইলেন হৃদয় দিয়ে (Cancer)

    ক্যান্সার (Cancer) জটিল রোগ হলেও এখন যে আর মারণ রোগ নয়, সেকথা শোনালেন এই রোগ থেকে যাঁরা মুক্তি পেয়েছেন, তাঁরা, নিজের মুখে। দুবেলা মরার আগে না মরে তাঁরা যে শুধু মৃত্যুকে জয় করেছেন তা নয়, সযত্নে লালন করেছেন মননকেও। তাই গান-আবৃত্তিতে মুখর প্রেক্ষাগৃহ শুনল তাঁদের হৃদয়ের গান, হৃদয়ের ছন্দ। মনে করিয়ে দিল মান্না দে’র কণ্ঠে গাওয়া সেই অমর গান-“হদয়ের গান শিখে তো গায় তো সবাই/ ক’জনা হৃদয় দিয়ে গাইতে পারে?” অনুষ্ঠানে হৃদয় দিয়ে গান গাইলেন ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া মানুষজন।

    স্বাভাবিক জীবনেও ফেরা যায় (Cancer)

    রক্তের বিবিধ রোগ, বিশেষ করে ব্লাড ক্যান্সারের (Cancer) মতো মারণ রোগও রুখে দেওয়া যায় প্রকৃত চিকিৎসার মাধ্যমে। জটিল ক্যান্সার রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসা ক্যান্সারজয়ীরা শোনালেন তাঁদের ক্যান্সার জয়ের কাহিনি। রবিবার কলকাতার মহাজাতি সদনে ‘উজ্জীবন’ নামে এক অনুষ্ঠানে তাঁরা জানান, ক্যান্সারের আরোগ্য শুধু যে সম্ভব তাই নয়, এই রোগ থেকে সেরে ওঠার পরে একেবারে স্বাভাবিক জীবনেও ফেরা যায়।

    বার্ষিক মিলন উৎসব

    বিগত কয়েক বছর ধরে উপযুক্ত চিকিৎসায় ক্যান্সার রোগীদের সারিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে এনেছেন যিনি, সেই বিশিষ্ট রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সৌম্য ভট্টাচার্য-র ডাকে কয়েকশো ক্যান্সার সারভাইভার রবিবার এসেছিলেন এই বার্ষিক মিলন উৎসবে। এখানে তাঁরা নিজেদের ক্যান্সার জয়ের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। অনেকেই জানান, দেশ-বিদেশে চিকিৎসা করিয়েও যখন তাঁদের ক্যান্সার রোগ সারছিল না, তখন সৌমবাবুর সান্নিধ্যে এসে চিকিৎসার মাধ্যমে তাঁরা ধীরে ধীরে ক্যান্সারকে জয় করেছেন। সৌম্য ভট্টাচার্য বলেন, সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার মাধ্যমে যে জটিল থেকে শুরু করে জটিলতর ক্যান্সার (Cancer) রোগকেও সারিয়ে তোলা যায়, এই ক্যান্সারজয়ীরাই তার উদাহরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cancer Rediotherapy: রেডিওথেরাপিতেই শেষ নয়! ক্যান্সার চিকিৎসায় তার পরেও কী ধরনের সমস্যা হয়?

    Cancer Rediotherapy: রেডিওথেরাপিতেই শেষ নয়! ক্যান্সার চিকিৎসায় তার পরেও কী ধরনের সমস্যা হয়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ক্যান্সার চিকিৎসায় অস্ত্রোপচারের পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় রেডিওথেরাপির (Cancer Rediotherapy)। উন্নত ও আধুনিক এই চিকিৎসার ফলে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের মোকবিলা সহজ হয়।চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জরায়ু, থাইরয়েড, মুখ ও গলার ক্যান্সার কিংবা স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচারের পর রেডিওথেরাপি অত্যন্ত জরুরি। দেহের অন্য অংশকে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ থেকে বাঁচাতে প্রয়োজন রেডিওথেরাপি। কিন্তু রেডিওথেরাপিতেই শেষ নয়। ক্যান্সার রোগীর সুস্থ স্বাভাবিক জীবন কাটাতে রেডিওথেরাপির পরবর্তী চিকিৎসাও জরুরি। সম্পূর্ণ চিকিৎসা হলে তবেই রোগী সুস্থ জীবন কাটাতে পারবেন।

    রেডিওথেরাপির (Cancer Rediotherapy) পর কোন ধরনের শারীরিক সমস্যা হয়? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ক্যান্সারের অস্ত্রোপচারের কয়েক সপ্তাহ কিংবা কয়েক মাস পরে শুরু হয় রেডিওথেরাপি। রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী কতখানি রেডিওথেরাপি প্রয়োজন, চিকিৎসকরা সেই সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু রেডিওথেরাপির পর রোগীর একাধিক শারীরিক সমস্যা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রেডিওথেরাপির পর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীর বুকে এক ধরনের চাপা ব্যথা অনুভব হয়, বুকের মাঝখানে কিছু আটকে রয়েছে এমন অস্বস্তি বোধ হয়। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁদের কাশি হয়। দীর্ঘকালীন কাশি বা গলা খুসখুসের মতো উপসর্গ দেখা যায়। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যাও অনেকের হয়। ফুসফুসের সমস্যা দেখা যায়। অর্থাৎ, প্রায় হাঁপানির মতো নানা সমস্যা, এমনকি নিউমোনিয়াও দেখা দেয়। এছাড়াও চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রেডিওথেরাপির (Cancer Rediotherapy) পরে চুল পড়ে যাওয়া, ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া, শুষ্কতা, চামড়া কুঁচকে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

    কীভাবে সমস্যার (Cancer Rediotherapy) মোকাবিলা করা যাবে? 

    ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসা প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদী হওয়ার জেরে সম্পূর্ণ চিকিৎসা হয় না। ক্যান্সার রোগ নির্ণয় হয় দেরিতে। আবার যেসব ক্যান্সারে উপসর্গ প্রকাশ হয়, সেগুলোর ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার এবং রেডিওথেরাপির (Cancer Rediotherapy) মতো জরুরি চিকিৎসা হয়। কিন্তু তার পরবর্তী সমস্যায় গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, রেডিওথেরাপির পরবর্তীতে যেসব সমস্যা রোগীর হয়, সেগুলো চিহ্নিত করা এবং তার চিকিৎসা জরুরি। রেডিওথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জেরে ফুসফুস কিংবা বক্ষঃরোগের সমস্যা হয়। কিন্তু এই সমস্যার চিকিৎসা সম্ভব। নির্দিষ্ট ওষুধের মাধ্যমে এই সমস্যাগুলোর মোকাবিলা সম্ভব। পাশপাশি ত্বক ও চুলের যে সমস্যা দেখা যায়, সেগুলোর নির্দিষ্ট ওষুধ রয়েছে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীর এই ধরনের সমস্যার চিহ্নিতকরণ হয় না। ফলে, ক্যান্সার মোকাবিলার পরেও রোগীর সুস্থ জীবন যাপনে জটিলতা তৈরি হয়। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ক্যান্সারের রোগ নির্ণয় করে তার সম্পূর্ণ চিকিৎসা করালে স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্ভব। সচেতনতা ও সতর্কতাই সেই পথ সহজ করে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।
  • Cancer Research: ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ! গবেষণায় নয়া দিশা দেখাল মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল

    Cancer Research: ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ! গবেষণায় নয়া দিশা দেখাল মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার আক্রান্তদের (Cancer Research) নতুন দিশা দেখাচ্ছে ভারতের টাটা ইন্সটিটিউট। ১০ বছর ধরে গবেষণার পর ওষুধ আবিষ্কার করেছেন ভারতীয় চিকিৎসকেরা। মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারের তরফে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় বার ক্যান্সারের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে একটি ওষুধ আবিষ্কার করেছে তারা। রেডিয়েশন এবং কেমোথেরাপির মতো চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেবে ওই ওষুধ। 

    কীভাবে কাজ করবে নয়া ওষুধ

    টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালের সিনিয়র ক্যান্সার (Cancer Research) সার্জন রাজেন্দ্র বড়ভে সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে জানান, “গবেষণার জন্য ইঁদুরের মধ্যে মানুষের ক্যান্সার কোষ ঢোকানো হয়েছিল। এই কোষ তাদের মধ্যে একটি টিউমার তৈরি করে। তখন ইঁদুরগুলিকে রেডিয়েশন থেরাপি, কেমোথেরাপি ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। দেখা গিয়েছে, এই ক্যান্সার কোষগুলি মারা গেলে সেগুলি ক্রোমাটিন নামক ক্ষুদ্র কণায় টুকরো হয়। এই কণাগুলি রক্তের মাধ্যমে শরীরের অন্য অংশে যেতে পারে এবং সুস্থ কোষকে ক্যান্সারে পরিণত করতে পারে। এই ভাবে দ্বিতীয় বার ক্যান্সার হওয়ার পথ কী ভাবে রোখা যায়, তার সমাধান খুঁজতে শুরু করেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা ইঁদুরকে রেসভিরাট্রল এবং কপার-সহ প্রো-অক্সিডেন্ট ট্যাবলেট দেন। দেখা যায়, এই ট্যাবলেট ক্রোমাটিন কণাকে ধ্বংস করতে সক্ষম হচ্ছে।” 

    কত টাকায় মিলবে ওষুধ

    ক্যান্সার (Cancer Research) নাম শুনলে সকলেরই হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। অভাবের সংসারে অনেকে চিকিৎসার করানোর কথা ভাবতেই পারেন না। গবেষক বড়ভে জানান, ক্যান্সার চিকিৎসার খরচ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু এই নতুন ট্যাবলেটটি সর্বত্র ১০০ টাকায় পাওয়া যাবে। এই ওষুধ কাজ করবে ফুসফুস, পাকস্থলী ও মুখের ক্যান্সারেও। আপাতত এফএসএসআই (Food Safety and Standards Authority of India)-র অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এই ওষুধ। অনুমোদন পেলে চলতি বছরের জুন-জুলাই মাস থেকেই সেটি ব্যবহার করা সম্ভব হবে। আধুনিক চিকিৎসায় ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব হলেও জটিলতা বাড়ায় ‘সাইড এফেক্ট’। সুস্থ হওয়ার পরও কঠিন হয়ে ওঠে বেঁচে থাকাটাই। মারণ ব্যাধিকে জব্দ করতে নিরন্তর গবেষণা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। এবার ক্যান্সার নিয়ে গবেষণায় নতুন আলো দেখাল মুম্বইয়ের টাটা ক্যান্সার ইনস্টিটিউট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cancer Drug: ‘মিরাকেল’, ক্যান্সারড্রাগ ট্রায়াল শেষে বললেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা  

    Cancer Drug: ‘মিরাকেল’, ক্যান্সারড্রাগ ট্রায়াল শেষে বললেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসাশাস্ত্রের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী আবিষ্কার। এক ওষুধেই নির্মূল হবে ক্যান্সারের (Cancer) মতো মারণ-ব্যাধি। ক্যান্সারের চিকিৎসায় (Cancer Treatment) স্বর্গপ্রাপ্তির মতো এক ঘটনা। এবার এই “মিরাকেল ড্রাগ”-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ ওষুধের ট্রায়ালে অংশ নেওয়া ভারতীয় বংশোদ্ভূত রোগী।

    মলদ্বারে ক্যান্সার (Rectal Cancer) এমন ১৮ জন রোগীর ওপর পরীক্ষা করার পরই এই দাবি করেছেন নিউ ইয়র্কের স্লোয়ান কেটেরিং ক্যান্সার সেন্টারের (Memorial Sloan Kettering Cancer Center) চিকিৎসকরা। ওই ঐতিহাসিক পরীক্ষামূলক ক্যানসার চিকিৎসার অংশ ছিলেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলাও।

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ক্যান্সার নিরাময়কারী এই ওষুধের নাম ডস্টারলিম্যাব (Dostarlimab)। ১৮ জন মলদ্বারে ক্যান্সারেররোগীকে ৩ সপ্তাহ অন্তর ৬ মাস ধরে এই ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা ক্যান্সার-মুক্ত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকরা। বৃহত্তর ট্রায়ালে সেই পরীক্ষা সফল হয় কিনা, সেদিকে এখন তাকিয়ে আছেন চিকিৎসকরা।    

    আরও পড়ুন: বিশ্বে প্রথমবার এক ওষুধেই উধাও ক্যান্সার! চমকে দেওয়া দাবি গবেষকদের

    নিউ ইয়র্কের মেমোরিয়াল স্লোয়ান কেটারিং ক্যান্সার সেন্টারে ট্রায়ালে অংশ নেওয়া ১৮ জন রোগীর একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা নিশা ভারুগিস (Nisha Varughese)। সংবাদ সংস্থাকে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন নিশা। 

    ক্যান্সার থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পুরো ঘটনাকে ‘মিরাকেল’ বলে অভিহিত করেছেন নিশা। যেদিন প্রথম ক্যান্সার মুক্ত হয়েছিলেন, প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি। সেদিনের স্মৃতিচারণায় নিশা বারুগেজ বলেন, “ওই দিন হঠাৎ দেখলাম টিউমারটা নেই। আমি ভাবছিলাম, কোথায় গেল টিউমারটা? তারপর মনে হয়েছিল, ওটা ভিতরে কোথাও লুকিয়ে রয়েছে, দেখা যাচ্ছে না। পরে ডাক্তাররা আমায় জানান, টিউমারটি আর নেই। এটা সত্যিই মিরাকল।” 

    নিশা ভারুগেজ এবং ট্রায়াল নেওয়া সকলেই মলদ্বারের ক্যান্সারের রোগী ছিলেন। শুধুমাত্র মলদ্বারেই স্থানীয়ভাবে ছড়িয়েছিল ক্যান্সার, আর অন্য কোনও অঙ্গে ছড়ায়নি। কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন, শল্য চিকিৎসা-সহ বিভিন্নরকম পদ্ধতিতে প্রথমে ক্যান্সার নির্মূল করার চেষ্ঠা করেছিলেন এই রোগীরা। কোনও লাভ হয়নি। উল্টে অন্ত্র-প্রস্রাবের সমস্যা এমনকি যৌন ক্ষমতা হারাতে বসেছিলেন। এমন সময়ই ওই রোগীদের ওপর করা হয় ওই পরীক্ষা। পরীক্ষায় ১০০ শতাংশ পাশ করেছেন গবেষকরা। 

    আরও পড়ুন: ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে চান? রোজ পাতে রাখুন এই খাবারগুলো

    গবেষকরা জানিয়েছেন, ডস্টারলিম্যাব ওষুধে গবেষণাগারে তৈরি কিছু অণু থাকে, যেগুলি মানবদেহে অ্যান্টিবডির বিকল্প হিসাবে কাজ করে। ইমিউনোথেরাপি (Immunotherapy) শরীরের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উপযোগী করে তোলে।

    মানবদেহের ইমিউন কোষে একটি ‘চেকপয়েন্ট’ নামক সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকে। ওই চেকপয়েন্টই ইমিউন কোষগুলিকে, মানবদেহের স্বাভাবিক কোষগুলি আক্রমণ করা থেকে প্রতিহত করে। ক্যান্সারের কোষগুলি এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে ইমিউন কোষগুলির কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দিতে পারে। ফলে, টিউমারগুলি গোপনে বেড়ে উঠতে পারে।

    ইমিউনোথেরাপি, ক্যান্সার কোষগুলিকে শনাক্ত করে, ইমিউন কোষগুলি দিয়ে সেই কোষগুলিকে আক্রমণ করায়। এই গবেষণা দলের অন্যতম সদস্য তথা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ আন্দ্রেয়া সেরসেক জানিয়েছেন, “ইমিউনোথেরাপিতে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক দ্রুত টিউমারগুলি সংকুচিত হয়েছে।”

LinkedIn
Share