Tag: Cancer

Cancer

  • Cancer Research: ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ! গবেষণায় নয়া দিশা দেখাল মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল

    Cancer Research: ১০০ টাকায় ক্যান্সারের ওষুধ! গবেষণায় নয়া দিশা দেখাল মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার আক্রান্তদের (Cancer Research) নতুন দিশা দেখাচ্ছে ভারতের টাটা ইন্সটিটিউট। ১০ বছর ধরে গবেষণার পর ওষুধ আবিষ্কার করেছেন ভারতীয় চিকিৎসকেরা। মুম্বইয়ের টাটা মেমোরিয়াল সেন্টারের তরফে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় বার ক্যান্সারের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে একটি ওষুধ আবিষ্কার করেছে তারা। রেডিয়েশন এবং কেমোথেরাপির মতো চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেবে ওই ওষুধ। 

    কীভাবে কাজ করবে নয়া ওষুধ

    টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালের সিনিয়র ক্যান্সার (Cancer Research) সার্জন রাজেন্দ্র বড়ভে সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে জানান, “গবেষণার জন্য ইঁদুরের মধ্যে মানুষের ক্যান্সার কোষ ঢোকানো হয়েছিল। এই কোষ তাদের মধ্যে একটি টিউমার তৈরি করে। তখন ইঁদুরগুলিকে রেডিয়েশন থেরাপি, কেমোথেরাপি ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। দেখা গিয়েছে, এই ক্যান্সার কোষগুলি মারা গেলে সেগুলি ক্রোমাটিন নামক ক্ষুদ্র কণায় টুকরো হয়। এই কণাগুলি রক্তের মাধ্যমে শরীরের অন্য অংশে যেতে পারে এবং সুস্থ কোষকে ক্যান্সারে পরিণত করতে পারে। এই ভাবে দ্বিতীয় বার ক্যান্সার হওয়ার পথ কী ভাবে রোখা যায়, তার সমাধান খুঁজতে শুরু করেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা ইঁদুরকে রেসভিরাট্রল এবং কপার-সহ প্রো-অক্সিডেন্ট ট্যাবলেট দেন। দেখা যায়, এই ট্যাবলেট ক্রোমাটিন কণাকে ধ্বংস করতে সক্ষম হচ্ছে।” 

    কত টাকায় মিলবে ওষুধ

    ক্যান্সার (Cancer Research) নাম শুনলে সকলেরই হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। অভাবের সংসারে অনেকে চিকিৎসার করানোর কথা ভাবতেই পারেন না। গবেষক বড়ভে জানান, ক্যান্সার চিকিৎসার খরচ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে কোটি টাকাও ছাড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু এই নতুন ট্যাবলেটটি সর্বত্র ১০০ টাকায় পাওয়া যাবে। এই ওষুধ কাজ করবে ফুসফুস, পাকস্থলী ও মুখের ক্যান্সারেও। আপাতত এফএসএসআই (Food Safety and Standards Authority of India)-র অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে এই ওষুধ। অনুমোদন পেলে চলতি বছরের জুন-জুলাই মাস থেকেই সেটি ব্যবহার করা সম্ভব হবে। আধুনিক চিকিৎসায় ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব হলেও জটিলতা বাড়ায় ‘সাইড এফেক্ট’। সুস্থ হওয়ার পরও কঠিন হয়ে ওঠে বেঁচে থাকাটাই। মারণ ব্যাধিকে জব্দ করতে নিরন্তর গবেষণা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। এবার ক্যান্সার নিয়ে গবেষণায় নতুন আলো দেখাল মুম্বইয়ের টাটা ক্যান্সার ইনস্টিটিউট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Cancer Day 2024: আজ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস, দিনটির তাৎপর্য জানেন?

    World Cancer Day 2024: আজ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস, দিনটির তাৎপর্য জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ৪ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস (World Cancer Day 2024)। ২০০০ সালে প্রথম ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আস্ত একটি দিন ধার্য হয়। সেই দিনটি হল ৪ ফেব্রুয়ারি। সেই থেকে আজ পর্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পালিত হয়ে আসছে দিনটি। ক্যান্সার নির্ণয়, ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে গৃহীত ব্যবস্থা, ক্যান্সারের চিকিৎসা, সর্বোপরি মারণ এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে দিনটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফি বছর বিশ্বে ক্যান্সারের বলি হন বহু মানুষ। রোগ যদি প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়ে, শুরু হয় উপযুক্ত চিকিৎসা, তাহলে প্রাণহানির আশঙ্কা অনেক কমে যায়।

    এ বছরের থিম

    প্রতি বছর বিশ্ব ক্যান্সার (World Cancer Day 2024) দিবসের একটি থিম থাকে। এবারের থিম হল, ‘ক্লোজ দ্য কেয়ার গ্যাপ: এভরিওয়ান ডিজার্ভস এক্সেস টু ক্যান্সার কেয়ার’। দ্য ইউনিয়ন ফর ইন্টারন্যাশনাল ক্যান্সার কন্ট্রোলের চলতি বছরের অ্যাজেন্ডা হল, টুগেদার, উই চ্যালেঞ্জ ইন পাওয়ার। ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি বছর বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয় বিশ্বজুড়ে। অনলাইন এবং অফলাইন দু’ভাবেই পালিত হয় নানা কর্মসূচি।

    ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা কমছে

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বে প্রতি বছর যত মানুষের মৃত্যু হয়, তার সিংহভাগেরই কারণ ক্যান্সার। নানা কারণে বিশ্বে বাড়ছে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তবে যেহেতু মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে, রোগ নির্ণয়ের সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয়ে যাচ্ছে চিকিৎসা, তাই ক্যান্সার আক্রান্ত বহু রোগী ক্রমেই হয়ে উঠছেন সুস্থ।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্য ৩৫ আসন, চূড়ান্ত কমিটি গড়ল বঙ্গ বিজেপি

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, পুরুষদের মধ্যে ফুসফুস, প্রস্টেট, কোলেস্টেরল এবং লিভার ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর মহিলাদের মধ্যে বাড়ছে ব্রেস্ট, কোলোরেক্টাল, ফুসফুস, থাইরয়েড এবং সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা।

    ক্যান্সারের কিছু প্রাথমিক লক্ষণ দেখে বোঝা যায় (World Cancer Day 2024) রোগী আক্রান্ত হয়েছেন মারণ ব্যাধিতে। লক্ষণগুলি হল, শরীরের কোনও অংশে হঠাৎ ফোলা, দুর্বলতা, পায়খানার অভ্যাসে পরিবর্তন, হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া, অনাকাঙ্খিত রক্তপাত, শরীরের কোনও স্থানে ব্যথা, যন্ত্রণা, নতুন করে আঁচিল হওয়া, ক্ষুধামান্দ্য, বদহজম এবং এমন কোনও ক্ষত, যা দীর্ঘদিন চিকিৎসা করানোর পরেও সারছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Junior Mahmood: প্রয়াত বর্ষীয়ান কৌতুক অভিনেতা ‘জুনিয়র মেহমুদ’

    Junior Mahmood: প্রয়াত বর্ষীয়ান কৌতুক অভিনেতা ‘জুনিয়র মেহমুদ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন কিংবদন্তী অভিনেতা নঈম সৈয়দ (Naeem Sayyed)। চলচ্চিত্র জগতে তিনি পরিচিত ছিলেন ‘জুনিয়র মেহমুদ’ (Junior Mahmood) নামে। ‘মেরা নাম জোকার’, ’হাথি মেরে সাথি’, ’কারাভান’-এর মতো একাধিক সিনেমায় কাজ করেছেন তিনি। পাঁচ দশক ধরে চলচিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। মাত্র ৬৭ বছর বয়সে ক্যানসার কেড়ে নিল প্রাণ।

    শিশু শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তা

    ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন নঈম। কিছু দিন আগে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতাল থেকে বাড়ি নিয়ে যান। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়।  শুক্রবার ভোরবেলা মুম্বইয়ে নিজের বাড়িতেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পাঁচ দশকের অভিনয় জীবনে ২৫০টিরও বেশি ছবিতে কাজ করেছিলেন নঈম। এর মধ্যে ‘কাটি পতঙ্গ’, ‘মেরা নাম জোকার’, ‘পরওয়ারিশ’, এবং ‘দো অর দো পাঁচ’-এর মতো বহু সফল ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। ১৯৬৭ সালে সঞ্জীব কুমার, বলরাজ সাহানী এবং ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায় অভিনীত ‘নৌনিহাল’ ছবিতে শিশু অভিনেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন নঈম। শিশু শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয়তাও লাভ করেন তিনি। তাঁর নাম জুনিয়র মেহমুদ হয় ১৯৬৮ সাল থেকে। যখন তিনি মেহমুদের সঙ্গে ‘সুহাগ রাত’ সিনেমায় কাজ করেছিলেন, তখন থেকে তিনি এই নামে পরিচিত। শুধুমাত্র সিনেমা নয় বিভিন্ন জনপ্রিয় সিরিয়ালেও কাজ করেছিলেন নঈম।

    আরও পড়ুন: আত্মহত্যা না খুন! চিনের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং-এর মৃত্যু নিয়ে প্রশ্নের মুখে প্রেসিডেন্ট জিনপিং

    শোকস্তব্ধ বলিউড

    অভিনেতার ছোট ছেলে জানিয়েছেন, ক্যানসারের কারণে মাত্র ১ মাসেই তাঁর ৩০-৪০ কেজি ওজন কমে গিয়েছিল। গত ১৭ দিন ধরে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে তিনি গেছেন। মাত্র ১৮ দিন আগে তাঁরা অভিনেতার ফোর্থ স্টেজ ক্যানসারের ব্য়াপারে জানতে পারে। সেই মূহুর্তে তাঁদের হাতে করার মতো কিছুই ছিল না। ডাক্তারই তাঁদেরকে বলেছিলেন বাড়িতে রেখে অভিনেতার খেয়াল রাখতে। মেডিক্যাল রিপোর্টে জানা যায়, অভিনেতা লিভার ও ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত। তাঁর অন্ত্রে একটি টিউমার ছিল। জন্ডিসেও ভুগছিলেন তিনি। শুধু কৌতুকশিল্পী হিসাবে নয়, পরে পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবেও দর্শকদের বিনোদন জুগিয়ে গিয়েছেন জুনিয়র মেহমুদ। ২০১৯ সাল পর্যন্ত সিনেমা-সিরিয়ালে চুটিয়ে অভিনয় করে গিয়েছেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বলিউড।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • GST Council Meet: খরচসাপেক্ষ অনলাইনে গেমিং, সস্তা হচ্ছে ক্যানসারের ওষুধ, সিনেমাহলে খাওয়া-দাওয়া

    GST Council Meet: খরচসাপেক্ষ অনলাইনে গেমিং, সস্তা হচ্ছে ক্যানসারের ওষুধ, সিনেমাহলে খাওয়া-দাওয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সস্তা হচ্ছে ক্যানসার-সহ বিভিন্ন দূরারোগ্য ব্যধির ওষুধ। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে জিএসটি (GST) পরিষদের বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ (Nirmala Sitharaman) জানান, ক্যানসার, দূরারোগ্য ব্যধির ওষুধ এবং বিশেষ ধরনের চিকিৎসার জন্য খাবারের উপর জিএসটি আর থাকছে না। 

    সস্তা ক্যানসারের ওষুধ

    জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে একাধিক বিষয়ে কর-হার কমানোর সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যবহার হওয়া ওষুধের দাম। ক্যানসার ও ফুড ফর স্পেশাল মেডিক্যাল পারপাসে এতদিন ১২ শতাংশ জিএসটি ধার্য করা হত। যা থেকে জিএসটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি জনসাধারণের মুখে হাসি ফোটাবে সিনেমাহলে খাওয়া-দাওয়ার খরচের ক্ষেত্রে জিএসটি কমানোর সিদ্ধান্ত। বিভিন্ন সিনেমাহলের মধ্যে যে সমস্ত রেস্তোঁরা বা ফুডচেন রয়েছে তারা এতদিন খাওয়া বা পানীয়র জন্য ১৮ শতাংশ জিএসটি ধার্য করত। যা ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। এছাড়া রান্না না করা বা না ভাজা খাবার। সম্ভবত তা বলতে রেডি টু কুক খাবারের কথাই বোঝানো হচ্ছে। আগে এই সব খাবারের উপর ১৮ শতাংশ হারে পণ্য পরিষেবা কর ধার্য করা হত। তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হচ্ছে। এছাড়া ইমিটেশন জরি তথা নকল জরির উপর পণ্য পরিষেবা কর বর্তমানের ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।

    দামি অনলাইন গেম

    তবে, সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেই কেন্দ্রের তরফে অনলাইন গেমিং, ঘোড়া দৌড় ও ক্যাসিনোর উপরে ২৮ শতাংশ জিএসটি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  দীর্ঘদিন ধরেই অনলাইন গেমিং, ঘোড়া দৌড়ের উপরে জিএসটি বসানোর পরিকল্পনা করছিল কেন্দ্র, অবশেষে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হল। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানান, ২৮ শতাংশ জিএসটি গেমিং প্ল্যাটফর্মের উপরে ভিত্তি করেই বসবে। কোন খেলায় দক্ষতার প্রয়োজন আর কোন খেলা ভাগ্যের জোরে জেতা যায়, তা আলাদাভাবে বিচার করা হবে না। এই সিদ্ধান্তের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রবল হতাশ অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রি। তবে জিএসটিতে এই বৃদ্ধি ‘নৈতিকতার ভিত্তিতে’ই করা হয়েছে, বলে দাবি কাউন্সিলের। 

    আরও পড়ুুন: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, চলল গুলি, মৃত তিন আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    কোন কোন জিনিসের দাম কমছে? 

    ১) ক্যানসারের ওষুধ এবং বিরল রোগের ওষুধের উপর কোনওরকম জিএসটি ধার্য করা হবে না। ফলে ওই ওষুধগুলির দাম কমবে। 
    ২) বেসরকারি সংস্থাগুলির স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ পরিষেবায় জিএসটি কার্যকর হবে না। 
    ৩) রান্না না করা স্ন্যাকসের দামের উপর থেকে জিএসটি কমিয়ে পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে। যা আগে ১৮ শতাংশ ছিল। না ভাজা স্ন্যাকসের ক্ষেত্রেও একই হারে জিএসটি ধার্য করা হয়েছে। 
    ৪) জরি সুতোর জিএসটি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা আগে ১২ শতাংশ ছিল, এখন তা পাঁচ শতাংশ করা হয়েছে।
    ৫) কয়েকটি ক্ষেত্রে সিনেমা হলে খাবারের উপর জিএসটি কমে যাচ্ছে। ১৮ শতাংশ থেকে কমে পাঁচ শতাংশ করা হযেছে।

    কোন জিনিসের দাম বাড়ছে?

    এবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাতে শুধুমাত্র অনলাইন গেমিং, হর্স রেসিং এবং ক্যাসিনোয় বাড়তি খরচ হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cancer: ক্যান্সার আক্রান্তের সামনে চিকিৎসা বিজ্ঞানের নয়া দিশা “প্রোটন বিম থেরাপি”

    Cancer: ক্যান্সার আক্রান্তের সামনে চিকিৎসা বিজ্ঞানের নয়া দিশা “প্রোটন বিম থেরাপি”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যান্সার (Cancer) এক এমন মারাত্মক রোগ, যার সঙ্গে লড়াই শুধু আক্রান্তের নয়, আক্রান্তের পরিবারেরও। এই মারণ রোগ এখন বর্তমানে এতটাই ছড়িয়ে পড়েছে যে, খোঁজ নিলে আশপাশে বেশ কয়েকটি বাড়িই মিলবে, যে বাড়ির সদস্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষ করে টিউমার থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে। তবে এখন এই রোগ থেকে মানুষ অনেকটাই ঝুঁকিহীন। কারণ বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে নানান চিকিৎসা পদ্ধতিরও আবিষ্কার হয়েছে, যা সহজেই মানুষকে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ থেকে অনায়াসেই সুস্থ করতে পারে। এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির ফলস্বরূপই আমরা আজ পেয়েছি “প্রোটন বিম থেরাপি”। এই থেরাপির মাধ্যমে অনেক ক্যান্সার রোগীকে আজ নতুন জীবন দান করা সম্ভব হয়েছে।

    কী এই প্রোটন বিম থেরাপি (Cancer)?

    প্রোটন বিম থেরাপি হল এক ধরনের উচ্চ রেডিয়েশন থেরাপি, যা বর্তমানে চিকিৎসা শাস্ত্রে ব্যবহৃত হয় ক্যান্সার (Cancer) আক্রান্ত কোষকে মেরে ফেলার জন্য। এটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন শক্তির রশ্মি যা অনায়াসে আক্রান্ত কোষকে মেরে ফেলতে পারে। প্রোটন থেরাপি এক ধরনের বাহ্যিক রশ্মি বিকিরণ থেরাপি, যার সাহায্যে শরীরের বাইরে থেকেই ব্যথাহীন ভাবে ত্বকের ওপর থেকেই বিকিরণ করা সম্ভব।

    প্রোটন থেরাপির (Cancer) উদ্দেশ্য কী?

    টিউমার থেকে উৎপন্ন ক্যান্সারকে ধ্বংস করতে এটি সাহায্য করে। টিউমারকে অস্ত্রোপচারের আগেই সঙ্কুচিত করা সম্ভব এই থেরাপির সাহায্যে। সাধারণত অনেক সময় কেমোথেরাপি নেওয়ার পরও ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। কিন্তু এই প্রোটন বিম থেরাপির মাধ্যমে সেই ঝুঁকিকে (Cancer) একেবারেই কমিয়ে ফেলা সম্ভব। এই থেরাপি ক্যান্সার কোষ বা টিউমারের ডিএনএ পুরোপুরি নষ্ট করে দিতে পারে। তার সঙ্গে আক্রান্ত জায়গার আশেপাশে আরও সুস্থ টিস্যু তৈরিতে এটি সাহায্য করে।

    কী ধরনের ক্যান্সারের (Cancer) ক্ষেত্রে এই থেরাপি ব্যবহার করা যেতে পারে?

    গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণত শিশুদের ক্যান্সার (Cancer) বা পেডিয়াট্রিক টিউমার, ব্রেন টিউমার, স্পাইনাল টিউমার, স্কাল বা করোটিতে টিউমার ইত্যাদিতে এই থেরাপি কার্যকর। একাধিক রেডিয়েশন দেওয়ার পরেও যাদের টিউমার বারবার ফিরে আসে, তাদের ক্ষেত্রে এই প্রোটন বিম থেরাপি খুবই উপযোগী। প্রস্টেট ক্যান্সার, কিছু ধরনের স্তন ও ফুসফুস ক্যান্সার, হেড অ্যান্ড নেক ক্যান্সার, প্যাংক্রিয়াটিস ক্যান্সার, এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যান্সার, সার্ভাইক্যাল ক্যান্সার-এর ক্ষেত্রেও এটি এখন বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।

    কী কী পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে এই থেরাপিতে?

    কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে এই থেরাপিতে (Cancer), যেগুলিও জেনে নেওয়া প্রয়োজন। যেমন শরীরে ক্লান্তি ভাব, সারা শরীরে ব্যথা অনুভব করা, চুল পড়া, মাথা ব্যথা, হজমের সমস্যা, ডায়ারিয়া প্রভৃতি।

    ভারতের কোথায় এই প্রোটন বিম থেরাপি (Cancer) চিকিৎসা হয় এবং খরচ কত? 

    ভারতের নানা মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালে এই চিকিৎসা পদ্ধতি (Cancer) আছে। তার মধ্যে অ্যাপোলো হসপিটাল থেকে শুরু করে অনেক হাসপাতালেই এর সুবিধা উপলব্ধ। এই প্রোটন বিম থেরাপি অনেকটাই ব্যয়বহুল, যা এখনও ভারতবর্ষে সর্বসাধারণের পক্ষে বহন করা খুব একটা সহজলভ্য নয়। ভারতে প্রোটন থেরাপির মোট খরচ প্রায় ১৫ লক্ষ থেকে ৩০ লক্ষ পর্যন্ত হতে পারে। এটি বিভিন্ন হাসপাতালে বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তাই এ সম্পর্কে স্পষ্ট করে বলা সহজ নয়। 

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tobacco: তামাক ছাড়লে ক্যানসারের ঝুঁকি কমবে ৪০ শতাংশ! জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা

    Tobacco: তামাক ছাড়লে ক্যানসারের ঝুঁকি কমবে ৪০ শতাংশ! জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার থাকুক ডায়েটে! তামাকজাত (Tobacco) যে কোনও পদার্থকেই বাদ দিতে হবে ফি-দিনের তালিকা থেকে! ৩১ মে ওয়ার্ল্ড নো টোবাকো ডে-তে একথাই প্রচার করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তামাক বা তামাকজাত যে কোনও ধরনের পণ্য যেমন বিড়ি, সিগারেট, পানমশলা বা গুটখার মতো পণ্য বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি। তাই সুস্থ জীবনের জন্য তামাককে সম্পূর্ণ বর্জন করার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল।

    কী ঝুঁকি বাড়ছে তামাকের (Tobacco) জন্য? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তামাক ক্যানসারের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। ফুসফুস, গলা, মুখ, পেটে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তামাক। নিয়মিত তামাক সেবন করলে মুখ ও গলা ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাছাড়া তামাক সেবন হার্টের জন্যও ক্ষতিকারক। নিয়মিত তামাক (Tobacco) সেবন করলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাছাড়া ফুসফুসের নানা সংক্রমক রোগ ও বক্ষঃরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তামাক সেবনের অভ্যাস থাকলে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তামাক সেবনের অভ্যাস দেহের একাধিক অঙ্গের উপর কুপ্রভাব ফেলে। তাই তামাক সুস্থ জীবনযাপনের পরিপন্থী। ওয়ার্ল্ড নো টোবাকো ডে-তে এমনটাই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    এ রাজ্যে তামাক (Tobacco) সেবনের হার কেমন? 

    গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোবাকো সার্ভের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশজুড়ে তামাক (Tobacco) বর্জন নিয়ে সচেতনতা জরুরি। তবে, পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। কারণ, ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশের তুলনায় এ রাজ্যে তামাকজাত দ্রব্য, বিশেষত সিগারেটে অভ্যস্তের সংখ্যা অনেক বেশি। যা বেশ উদ্বেগের কারণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মোট তামাকজাত দ্রব্যে অভ্যস্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৩৩.৫ শতাংশ। এর মধ্যে সিগারেটে অভ্যস্ত ৫.২ শতাংশ। নিয়মিত বিড়িতে অভ্যস্ত ১৪.৪ শতাংশ। আর ধোঁয়াবিহীন তামাক অর্থাৎ, পানমশলা, গুটখা জাতীয় তামাক সেবনে অভ্যস্ত ২০.১ শতাংশ। অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লি, চণ্ডীগড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কারণ, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় তামাক নিয়ে অসচেতনতা এ রাজ্যের পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক করে তুলছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল? 

    তামাক বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি। তাই প্রথম থেকেই সে দিকে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে ক্যানসার-শল্য চিকিৎসক গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেন, “ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা প্রতি বছর বাড়ছে। তামাক ক্যানসারের অন্যতম কারণ। তামাক (Tobacco) বর্জন করতে না পারলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়বে। তাই প্রথম থেকেই এ নিয়ে সতর্ক হতে হবে। কিশোর কাল থেকেই যদি সচেতনতা থাকে, তাহলে এ অভ্যাস তৈরি হবে না। তাই স্কুলপর্ব থেকেই পড়ুয়াদের এ নিয়ে সচেতন করা জরুরি। স্কুলপর্ব থেকে প্রয়োজন কর্মশালা। যাতে তারা এ বিষয়ে সজাগ থাকে। কম বয়সীদের মধ্যে বন্ধুদের অভ্যাস, জীবনযাপন সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। তাই তাদের সতর্ক করতে পারলে কাজ অনেকটাই সহজ হবে।” আরেক ক্যানসার চিকিৎসক তাপস দাস বলেন, “সরকারি-বেসরকারি সব মহলেই সচেতনতা জরুরি। তামাক বর্জন একদিনের জন্য নয়। সারা বছর এ নিয়ে সব মহলে সক্রিয়তা দরকার। বিশেষত পার্ক, রাস্তা, মেলা, বাস স্টপ এসব জায়গায় তামাক সেবন করলে যাতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। ” 
    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, একদিকে আইনি পদক্ষেপ, আরেক দিকে সচেতনতা বদলে দিতে পারে রাজ্যের ছবি। স্কুলপর্ব থেকে সচেতনতা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তামাক সচেতনতা গড়ে তুলবে। আবার প্রাপ্তবয়স্ক কেউ তামাকে অভ্যস্ত থাকলে, তাঁরাও সজাগ হবেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিয়ে এই নেশা থেকে মুক্তি সম্ভব। পাশপাশি কড়া আইন থাকলে রাস্তাঘাটে, পার্কে বা প্রকাশ্য কোনও জায়গায় তামাক সেবন করা যাবে না। যা সার্বিকভাবে রাজ্যের ধূমপানের ছবি বদলে দেবে। তবে, এসবের জন্য প্রয়োজন সরকারের সক্রিয়তা ও সদিচ্ছা। যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Women Health: মাল্টিভিটামিনের অভাবে ভুগছেন প্রতি ১০ জন মহিলার ৭ জনই! কীভাবে রুখবেন? 

    Women Health: মাল্টিভিটামিনের অভাবে ভুগছেন প্রতি ১০ জন মহিলার ৭ জনই! কীভাবে রুখবেন? 

     

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    ভারতে প্রতি দশজন মহিলার মধ্যে সাতজন মাল্টিভিটামিনের অভাবে ভুগছেন। সম্প্রতি চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি সংস্থা দেশজুড়ে সমীক্ষা চালিয়ে এই তথ্য পেয়েছে। ওই সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রতি দশজন মহিলার মধ্যে সাতজন মাল্টিভিটামিনের অভাবে ভুগছেন (Women Health)। বিশেষত ভিটামিন বি ১২, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি ৯ (ফলিক অ্যাসিড)-এর অভাব বেশি দেখা যাচ্ছে। আর ভিটামিনের অভাবের জেরেই ত্বকের সমস্যা, চুল পড়া, হাড়ের রোগ এমনকী ক্যানসার বা অ্যালঝাইমারের মতো সমস্যাও হতে পারে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে নজর না দিলে বড় বিপদ অপেক্ষা করছে। 

    কী বলছে সমীক্ষা রিপোর্ট? 

    ওই বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্ট বলেছে, গোটা দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ ভিটামিন স্বল্পতায় ভুগছেন (Women Health)। মহিলাদের মধ্যে ভিটামিনের অভাব আরও বেশি। বিশেষত ২০-৪৫ বছর মহিলাদের মধ্যে ভিটামিন ডি ও ফলিক অ্যাসিডের অভাব অত্যন্ত বেশি। কম বয়স থেকেই ভিটামিনের অভাব সমস্যা তৈরি করছে। অনেকেই তিরিশের চৌকাঠ পেরিয়ে হাড়ের সমস্যায় ভুগছেন। পেশিতে টান, ঠিকমতো বসতে না পারা, কিছুক্ষণ হাঁটলেই পায়ে যন্ত্রণার মতো নানা উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। 

    চিকিৎসকদের আশঙ্কা কোথায়? 

    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, মাল্টিভিটামিনের অভাব দেহে নানা জটিল রোগ তৈরি করতে পারে। অস্ট্রিয় পোরেসিসের মতো হাড়ক্ষয়ের রোগ হতে পারে। যার জেরে হাঁটাচলার শক্তি হারাতে পারেন। এমনকী ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয় ভিটামিনের ঘাটতি (Women Health)। তবে, প্রৌঢ়কালে অ্যালঝাইমারের মতো স্মৃতিশক্তি হারানোর ঝুঁকি বাড়ে অনেকখানি! তাই প্রথম থেকেই সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। 

    কীভাবে রাখবেন নিজের খেয়াল? 

    চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন বদলে দিতে পারে পরিস্থিতি (Women Health)। নিজের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনে বাড়তি নজর অনেক বিপদ আটকে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, খাবারে বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরি। সকালের জলখাবারে ব্রকোলি, গাজরের মতো সব্জি থাকুক। পাউরুটি কিংবা রুটির সঙ্গে ব্রকোলি, গাজর, বিনসের মতো সব্জির তরকারি খাওয়া দরকার। এসব সব্জি ভিটামিনে সমৃদ্ধ। বিশেষত ব্রকোলিতে আছে ভিটামিন বি। নিয়মিত কলা, পেয়ারা, আপেল, লেবু খাওয়া দরকার। লেবু, আপেল ও কলা যেমন ভিটামিন সমৃদ্ধ, তেমনি ক্যালসিয়াম ও আয়রনও প্রচুর। দিনে এগুলির মধ্যে যে কোনও একটি ফল অবশ্যই খেতে হবে। তাছাড়া, মটরশুঁটি, রাজমা, ডালের মতো দানাশস্য নিয়মিত খাওয়া জরুরি। দানাশস্য ভিটামিনের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করবে। নিয়মিত দুধ খেতে হবে। দুধে থাকে ক্যালসিয়াম, যা হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি কমায়। ডিম কিংবা পনিরের মতো খাবারকেও নিয়মিত মেনুতে রাখতে হবে। তবে খাবারের পাশপাশি নজর দিতে হবে যোগাভ্যাসে। নিয়ম করে দিনে তিরিশ মিনিট হাঁটতে হবে। কিছুটা সময় যোগাভ্যাসে বরাদ্দ করতে হবে। তবেই সুস্থ জীবন সম্ভব।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cancer: শিশুদের মধ্যেই ক্যান্সারের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে, গবেষণায় উঠে এল নতুন তথ্য

    Cancer: শিশুদের মধ্যেই ক্যান্সারের প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে, গবেষণায় উঠে এল নতুন তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বিশ্বে মানুষ যে রোগগুলোতে মারা যায়, তার মধ্যে অন্যতম কারণ হল ক্যান্সার। একসময় ছিল যখন শিশুদের মধ্যে এই রোগ বিরল প্রায় দেখা যেত না। কিন্তু বর্তমানে এর একেবারে বিপরীত। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ক্যানসার হওয়ার বেসি সম্ভাবনা এখ শিশুদের মধ্যেই বেশি দেখা যাচ্ছে।

    প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় তিন লাখের বেশি শিশু (০-১৮ বছর বয়সী) বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। আবার শূন্য থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুদের ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যু হারও বেড়ে চলেছে। যদিও প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার শনাক্ত হলে এই মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব।

    আরও পড়ুন: জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা নিয়ে হাজির সিরাম, আজ থেকে শুরু হচ্ছে ট্রায়াল

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ১৯৯০ সালের পর থেকেই ৫০ বছরের কম বয়সী প্রাপ্তবয়স্কেদের মধ্যে ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে। অর্থাৎ এই ক্যান্সারগুলোর মধ্যে অন্যতম হল কিডনি, লিভার, ব্রেস্ট, কোলন ক্যান্সার ইত্যাদি। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, ক্যান্সার হওয়ার প্রধান কারণগুলো হল ধূমপান, মদ্যপান, অপর্যাপ্ত ঘুম, ওবেসিটি, ওজন বৃদ্ধি, প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া ইত্যাদি। এছাড়াও বর্তমানে কম বয়সীদের মধ্যে ক্যান্সার হওয়ার অন্য কারণ হল জীবনধারা। ১৯৫০ সালের পর থেকে হঠাৎ করেই চিনিযুক্ত সফট ড্রিঙ্কস, জাঙ্কফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া বেড়ে গিয়েছে, যার ফলে প্রায়ই সবার মধ্যে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, ওবেসিটি হতে দেখা যাচ্ছে। এই জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে ও তাঁদের লাইফস্টাইলের পরিবর্তনের ফলে মাইক্রেবায়োমে পরিবর্তন দেখা যায়।

    ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের বেশির ভাগ ক্যানসারই জন্মগত। এ ছাড়া ভেজাল খাদ্য, খাদ্যে বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার, বায়ুদূষণ বৃদ্ধির ফলে শিশুদের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।

    আরও পড়ুন: জানেন কি, কয়েকটি সহজ পদ্ধতি মেনেই আপনি হারাতে পারেন ফুসফুসের ক্যান্সারকে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Non-Communicable Disease: সাবধান! সংক্রামক রোগের পাশাপাশি ভয় ধরাচ্ছে ‘নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ’

    Non-Communicable Disease: সাবধান! সংক্রামক রোগের পাশাপাশি ভয় ধরাচ্ছে ‘নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে মানুষের মৃত্যুর অন্যতম কারণ কী, তা নিয়ে একটি রিপোর্ট পেশ করা হল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফ (World Health Organisation) থেকে। জানা গিয়েছে, প্রতি ২ সেকেন্ডে ১জন করে ৭০ বছরের কম বয়সী মারা যান নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ-এ।

    নন-কমিউনিকেবেল ডিজিজ (non communicable disease) কী?

    এগুলো এমন ধরনের রোগ যা এক ব্যক্তির দেহ থেকে আর এক ব্যক্তির দেহে যায় না। এগুলো সংক্রামক রোগ নয়। হৃদরোগ (cardiovascular disease), ক্যানসার, শ্বাসজনিত সমস্যা এবং ডায়াবেটিস- এই ধরনের রোগের সংখ্যা হঠাৎ করেই অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে ভারতে, এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এগুলো সবকটাই নন-কমিউনিকেবেল ডিজিজ (non communicable disease)।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে যে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে, সেখানে লেখা আছে, “লক্ষ লক্ষ মানুষ – বিশেষ করে যেসব দেশে রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা, উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা নেই সেই দেশেই এই জাতীয় রোগে মারা যায় বেশি সংখ্যক মানুষ। প্রতি বছর ৭০ বছরের কম বয়সী ১৭ মিলিয়ন মানুষ এনসিডিতে মারা যায় এবং ৮৬ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছ তারা নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে বাস করে।”

    আরও পড়ুন: কোলেস্টেরলের মাত্রা কত হলে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন জানেন?

    এতে উল্লেখ করা আছে যে, এই ননকমিউনিকেবল ডিজিসের মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার রোগ (হৃদরোগ এবং স্ট্রোক), ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসযন্ত্রের রোগ- বিশ্বে প্রায় তিন-চতুর্থাংশ মৃত্যুর কারণ। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান এনসিডির পিছনের কারণগুলি হল সামাজিক, পরিবেশগত , বাণিজ্যিক এবং জেনেটিক। কিন্তু প্রতি ছয়জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় – অর্থাৎ ৯৩ লক্ষ পরিবার প্রতি বছর ক্যান্সারে মারা যাচ্ছে।

    তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই সব রোগ এড়ানো যায় সুস্থ জীবনযাপনের মাধ্যমে। এছাড়াও পুষ্টিকর খাবার, সময়মতো খাবার খাওয়া, নিজের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ নজর রাখার মাধ্যেমে সুস্থভাবে জীবনযাপন করা সম্ভব। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share