Tag: CAPF

CAPF

  • Manipur Violence: শান্তি ফেরাতে অশান্ত মণিপুরে যাচ্ছে আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Manipur Violence: শান্তি ফেরাতে অশান্ত মণিপুরে যাচ্ছে আরও ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত মণিপুরে (Manipur Violence) শান্তি ফেরাতে আরও ২০ কোম্পানি সশস্ত্র পুলিশ ফোর্স (CAPF) পাঠাচ্ছে কেন্দ্র। এমনই খবর জানিয়েছেন মণিপুর স্বরাষ্ট্র দফতরের এক কর্তা। তিনি জানান, ২০ কোম্পানি সিএপিএফ (CAPF) শীঘ্রই রাজ্যে পৌঁছবে। সেই বাহিনী মোতায়েন করা হবে সন্ত্রাসে দীর্ণ জেলাগুলিতে।

    আরও ২০ কোম্পানি বাহিনী (Manipur Violence)

    জানা গিয়েছে, যে ২০ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হচ্ছে, তার মধ্যে ১৫ কোম্পানি সিআরপিএফ, বিএসএফ ৫ কোম্পানি। এক বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, সিআরপিএফ অসম থেকে মণিপুরে পৌঁছবে, আর বিএসএফ আসবে ত্রিপুরা থেকে। কেন্দ্রের তরফে এই মর্মে মণিপুর সরকারকে বিস্তারিত জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। সিএপিএফের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত মোতায়েন পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে কেন্দ্রের তরফে অনুরোধ করা হয়েছে রাজ্য সরকারকে।

    কী বলছেন মণিপুরের স্বরাষ্ট্র দফতরের কর্তা

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, যে অতিরিক্ত ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে, তা নিয়ে সব মিলিয়ে মণিপুরে পাঠানো হবে মোট ২১৮ কোম্পানি আধা-সামরিক বাহিনী। এর মধ্যে রয়েছে সিআরপিএফ, আরএএফ, বিএসএফ, আইটিবিপি এবং এসএসবি। মণিপুরের স্বরাষ্ট্র দফতরের এক কর্তা বলেন, “মণিপুরে অতিরিক্ত সিএপিএফ মোতায়েনের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সিদ্ধান্তটি সোমবার জিরিবাম জেলার সন্দেহভাজন কুকি জঙ্গিদের সঙ্গে সিআরপিএফের মধ্যে সংঘর্ষের তিন দিনের মধ্যেই এসেছে।”

    আরও পড়ুন: ইউনূসের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের আওয়ামি লিগের

    পুলিশ জানিয়েছে, সোমবারের ঘটনার পর ১০ জন অপহৃত বা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন। মণিপুরের পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল (অপারেশনস) আইকে মুইভা জানান, ঘটনার পর জাকুরাধোর গ্রামে তল্লাশি অভিযান চালানোর সময় (Manipur Violence) দুই বৃদ্ধের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এখানেই বেশ কিছু বাড়িতে আগুন লাগিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তিনি জানান, আরও এক ব্যক্তিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য এক নাগরিক নিজেই থানায় ফিরে এসেছেন। বর্তমানে তিন নারী ও তিন শিশু নিখোঁজ রয়েছে। তাদের খোঁজে চলছে তল্লাশি অভিযান। প্রসঙ্গত, সোমবার সিআরপিএফের শিবিরে (CAPF) হামলা চালায় কুকি জঙ্গিরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে সিআরপিএফ। সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ১০ জঙ্গির (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

     
     
  • Agniveer: প্রাক্তন অগ্নিবীরদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ সিএপিএফ-এর কনস্টেবল পোস্টে, ঘোষণা কেন্দ্রের

    Agniveer: প্রাক্তন অগ্নিবীরদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ সিএপিএফ-এর কনস্টেবল পোস্টে, ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন অগ্নিবীরদের (Ex-Agniveers) জন্য দশ শতাংশ সংরক্ষণের কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার। সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সে (Agniveer) এই সংরক্ষণ মিলবে কনস্টেবল পোস্টে। সিআইএসএফের ডিরেক্টর জেনারেল নীনা সিং এবং বিএসএফের নীতিন আগারওয়াল যৌথভাবে এই ঘোষণা করেছেন।

    কী বলছেন নীনা সিং (Agniveer)?

    নীনা সিং এদিন এক প্রেস বিবৃতিতে (Agniveer) বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক খুবই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাক্তন অগ্নিবীরদের নিয়োগের বিষয়ে। সিআইএসএফ কেন্দ্র সরকারের সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রস্তুতি (Agniveer) নিচ্ছে, প্রাক্তন অগ্নিবীরদের নিয়োগ করার ক্ষেত্রে।’’ এর পাশাপাশি নীনা সিং প্রাক্তন অগ্নিবীরদের বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা নিয়েও এদিন বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘শারীরিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে তাঁদেরকে বয়সে ছাড় দেওয়া হবে।’’ ডিডি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন নীনা সিং।

    অগ্নিবীর প্রকল্প কেন্দ্রের মোদি সরকার চালু করে ২০২২ সালের জুন মাসে

    প্রসঙ্গত, অগ্নিবীর প্রকল্প কেন্দ্রের মোদি সরকার চালু করে ২০২২ সালের জুন মাসে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল সেনাতে তারুণ্যে জোর দেওয়া (Agniveer)। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাড়ে ১৭ বছর থেকে ২১ বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ পেতে পারেন দেশের তরুণরা। পরবর্তীকালে তার মধ্যে থেকে ২৫ শতাংশকে বেছে নেওয়া হবে পরবর্তী ১৫ বছরের জন্য। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত সমালোচনার উর্ধ্বে ছিল না। বাকি ৭৫ শতাংশ অগ্নিবীরদের কী হবে সে নিয়েই প্রশ্ন তোলে দেশের বিরোধীরা।

    বিএসএফের ডিরেক্টর জেনারেল নীতিন আগরওয়াল কী বলছেন?

    অন্যদিকে বিএসএফের ডিরেক্টর জেনারেল নীতিন আগরওয়াল বলেন, ‘‘অগ্নিবীর প্রকল্পের মাধ্যমে বেশ লাভই হয়েছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স এবং অন্যান্য সিকিউরিটি ফোর্সের। অগ্নিবীররা (Ex-Agniveers) চার বছরের জন্য অভিজ্ঞতার সুযোগ পাচ্ছেন, তাঁদেরকে শেখানো হচ্ছে শৃঙ্খলা, তেমনই তাঁরা প্রশিক্ষণও পাচ্ছেন। এটা বিএসএফের জন্য খুব ভালো হচ্ছে যে তারা একেবারে ট্রেনিংপ্রাপ্ত জওয়ানদের পেয়ে যাচ্ছে। এর পরে তাঁদেরকে খুব কম প্রশিক্ষণই দেওয়া হচ্ছে এবং সীমান্তে মোতায়ন করা হচ্ছে।’’ এর পাশাপাশি নীতিন আগরওয়াল আরও বলেন, ‘‘আমরা অপেক্ষা করছি তাঁদেরকে নিয়োগ করার জন্য এবং স্বল্পকালীন ট্রেনিং দেওয়ার জন্য।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAPF: ভোট-হিংসায় রাশ টানতে ফলাফলের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে বাহিনী, জানাল কমিশন

    CAPF: ভোট-হিংসায় রাশ টানতে ফলাফলের পরেও রাজ্যে মোতায়েন থাকবে বাহিনী, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার জন্য গোটা দেশে খ্যাতি রয়েছে বাংলার! বিরোধীদের এহেন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সেই হিংসা ঠেকাতে রাজ্যে মোতায়েন থাকবে ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF)। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে বাহিনী থাকবে ৬ জুন পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে ফল বের হবে ৪ জুন।

    রাজ্য চলছে শেষ দফার নির্বাচন (CAPF)

    পয়লা জুন, শনিবার লোকসভা নির্বাচন হচ্ছে দেশের বিভিন্ন আসনে। রাজ্যের ৯টি আসনেও চলছে নির্বাচন। ১৭ হাজার ৪৭০টি বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। এর মধ্যে স্পর্শকাতর বুথ রয়েছে ৩ হাজার ৭৪৮টি। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে ৯৬৭ কোম্পানি। ৩৩ হাজার ২৯২ জন রাজ্য পুলিশ কর্মীও মোতায়েন করা হয়েছে নির্বাচনে (CAPF)। কমিশন জানিয়েছে, সপ্তম তথা শেষ দফায় সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন ১০জন। পুলিশ পর্যবেক্ষক ৫জন। খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ১১ জন। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কমিশনে জমা পড়েছে ৪০ হাজার ৪৬২টি অভিযোগ। এর মধ্যে ৩৫ হাজার ৯৮৬টি অভিযোগের ব্যবস্থা নিয়েছে কমিশন।

    বিধানসভা নির্বাচনে হিংসা

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের স্মৃতি এখনও ফিকে হয়ে যায়নি। সেই নির্বাচনে বাংলার বিভিন্ন পকেটে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পরেও বিরোধীদের ওপর অত্যাচার হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধীরা। এনিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও দায়ের হয়েছিল। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনেও ভোট হয়ে যাওয়ার পর কয়েকটি কেন্দ্রে অশান্তি হয়েছে বলে জেনেছে কমিশন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তার পরেই ভোটের ফল বেরনোর দু’দিন পর পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।

    আর পড়ুন: “পুলিশ গ্রিন করিডর করে টাকা এনেছে”, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিজেপি প্রার্থী

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে যে ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে, তার মধ্যে সিআরপিএফ-ই ১১৫ কোম্পানি, বিএসএফ ১১৮ কোম্পানি, সিআইএসএফ ৭১ কোম্পানি, আইটিবিপি ৩৬ কোম্পানি, এসএসবি ৬০ কোম্পানি। এদিকে, শেষ দফার নির্বাচনে ওয়েবকাস্টিংয়ের ওপর আরও বেশি করে জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ পর্বে ক্যামেরা নিয়ে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না বলেও প্রিসাইডিং অফিসারদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে (CAPF)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah on Agniveer: আধা-সামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে নিয়োগে অগ্রাধিকার ‘অগ্নিবীর’দের

    Amit Shah on Agniveer: আধা-সামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে নিয়োগে অগ্রাধিকার ‘অগ্নিবীর’দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ‘ (Agnipath) প্রকল্পের আওতায় দেশের যুব সম্প্রদায়কে চার বছরের জন্য তিন প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রক (Ministry of Defence)। প্রথম ছয় মাস প্রশিক্ষণের পরে তাঁরা ‘অগ্নিবীর’ (Agniveer) হিসাবে পরিচিত হবেন। চার বছরের জন্য এই পদে থাকবেন তাঁরা। চার বছর পর অন্য চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন অগ্নিবীররা। আধা-সামরিক বাহিনী (Central para military forces) ও আসাম রাইফেলসে (Assam Rifles) নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন ‘অগ্নিবীর’-রা। তাঁদের দেওয়া হবে বাড়তি সুবিধা, বুধবার ট্যুইট বার্তায় এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    [tw]


    [/tw]

    এদিন ট্যুইটারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের যুব প্রজন্মের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য অগ্নিপথ প্রকল্প হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। সেই প্রেক্ষিতে আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিয়েছে, অগ্নিপথ প্রকল্পের আওতায় চার বছরের মেয়াদ পূর্ণ করা অগ্নিবীরদের সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স (CAPF) এবং আসাম রাইফেলসে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

    আরও পড়ুন: সেনায় ৪ বছর দিক যুবারা, “অগ্নিপথ” প্রকল্পের ঘোষণা রাজনাথের

    মঙ্গলবার ভারতের সামরিক বাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে নয়া ‘অগ্নিপথ’ মডেলের ঘোষণা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। সঙ্গে ছিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (General Manoj Pande, বায়ুসেনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরী (ACM VR Chowdhury) এবং নৌসেনার প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার (Admiral R Hari Kumar)। সেই ‘অগ্নিপথ’ মডেলের আওতায় দেশের যুব সম্প্রদায়কে চার বছরের জন্য তিন প্রতিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োগ করা হবে। প্রথম ছয় মাস প্রশিক্ষণের পরে তাঁরা ‘অগ্নিবীর’ হিসাবে পরিচিত হবেন। চার বছর চাকরির পর একাংশকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। তাঁদের দেওয়া হবে মোটা অঙ্কের ‘প্যাকেজ’।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দাবি, বর্তমানে সামরিক বাহিনীতে সেনাদের গড় বয়স ৩২ বছর ৷ সরকারের লক্ষ্য আগামী ছয় থেকে সাত বছরের মধ্যে এই গড় বয়স ২৬ বছরে নামিয়ে আনা ৷ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Ministry of Home Affairs) সূত্রে খবর, অগ্নিবীরদের একাংশকে পরিবহণ মন্ত্রক, শুল্ক দফতরের মতো বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থায় নিয়োগ করার বন্দোবস্ত করবে সরকার। অবসরের পর ব্যবসা করতে চাইলে অগ্নিবীররা পাবেন ব্যাংক ঋণের বিশেষ সুবিধা। কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও অগ্নিবীর আহত বা নিহত হলে তিনি বা তাঁর পরিবার ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর এক জন সদস্যের সমান ক্ষতিপূরণ, ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পাবেন, বিনামূল্যে ৪৮ লক্ষ টাকার জীবনবিমাও।

    দু’বছর ধরে দেশে সেনা নিয়োগ বন্ধ। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে (Indian Army) দেড় লক্ষ শূন্যপদ রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (Cabinet Committee on Security) সিদ্ধান্ত নিয়েছে, চলতি বছরে ৪৬ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে। তাঁদের জন্য ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের আওতায় সেনার নিয়ন্ত্রণে তৈরি হবে সম্পূর্ণ নতুন একটি বাহিনী। নতুন বাহিনীর উর্দি হবে ভারতীয় সেনার ধাঁচেই। তবে থাকবে চিহ্নিতকরণের জন্য পৃথক ব্যাজ ও রঙের ‘ইনসিগনিয়া’। তবে এ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।

  • Trishakti corps: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    Trishakti corps: সমন্বয় বাড়াতে শিলিগুড়িতে কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর সঙ্গে যৌথ মহড়া সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক মহড়া চাক্ষুষ করলেন উত্তরবঙ্গের (North Bengal) আমজনতা। শিলিগুড়ির (Siliguri) কাছে তিস্তা ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে (Teesta field firing range) সম্প্রতি হয়ে গেল ওই মহড়া। ভারতীয় সেনার (Indian Army) ত্রিশক্তি কোরের (Trishakti corps) সঙ্গে ওই মহড়ায় যৌথভাবে অংশ নেয় কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF)। সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি ও সক্ষমতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যেই আয়োজন করা হয়েছিল এই বিশেষ মহড়ার। যার পোশাকি নাম “কৃপাণ শক্তি” (EX KRIPAN SHAKTI)।

    যৌথবাহিনীর ওই মহড়ায় প্রথমে সক্ষমতা প্রদর্শন করে ত্রিশক্তি কোরের সদস্যরা। লক্ষ্যবস্তুতে তাঁরা কত দ্রুত আঘাত হানতে পারেন, তারই প্রমাণ দেন এই সেনা জওয়ানরা। লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষিপ্র গতিতে আঘাত হানতে পারার কারণেই এই বাহিনীর এত নামডাক। এদিন এই বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্নরকমের সামরিক হাতিয়ার ও সরঞ্জাম ব্যবহার করে দেখান। বন্দুক, মর্টার, ইনফ্যান্ট্রি কমব্যাট ভেহিক্যালস, হেলিকপ্টার সহ বিভিন্ন সেনা-সরঞ্জাম। কেবল শব্দ শুনেই কীভাবে লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে হয় (sensor to shooter), এদিন মহড়া হয়েছে তারও।

    এদিনের এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Central Armed Police Forces) জওয়ানরাও। দক্ষতার প্রমাণ দেন এই জওয়ানরাও। বিপদ ঘনালে এই দুই বাহিনী যে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে তার মোকাবিলা করতে প্রস্তুত, এদিন মূলত মহড়া হয়ে গেল তারই।

    মহড়া শেষে আয়োজন করা হয়েছিল অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শনের। আমজনতাও তিস্তা রেঞ্জে গিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন হাতিয়ার চাক্ষুষ করেন। মহড়ার সময় উপস্থিত ছিলেন সেনা লেফটেন্যান্ট জেনারেল তরুণ কুমার আইচ, ত্রিশক্তি কোরের জেনারেল কমান্ডিং অফিসার সহ দস্থ সেনাকর্তারা। কর্তাদের পাশাপাশি মহড়া চাক্ষুষ করেছেন বিএসএফ (BSF), সশস্ত্র সীমা বল (SSB), স্থানীয় সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের লোকজন। উপস্থিত ছিলেন স্কুল-কলেজের এনসিসি (NCC) ক্যাডেটরাও।

    সেনার এক মুখপাত্র জানান, মহড়ার মূল লক্ষ্য ছিল বাহিনীর বিভিন্ন বিভাগের জওয়ানদের মনোবল বাড়ানো। বিদেশি যে কোনও শক্তির মোকাবিলা করতে আমাদের সেনা যে প্রস্তুত, সেই বার্তাও দেওয়া হয়।

     

LinkedIn
Share