Tag: Car Accident

Car Accident

  • Vaibhavi Upadhyay: গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ খ্যাত অভিনেত্রী বৈভবী উপাধ্যায়

    Vaibhavi Upadhyay: গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ খ্যাত অভিনেত্রী বৈভবী উপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর পর মৃত্যুর খবরে বিষাদগ্রস্ত মুম্বইয়ের বিনোদন জগৎ। টেলিভিশন দুনিয়ায় শোকের ছায়া। ভয়ঙ্কর পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ (Sarabhai Vs Sarabhai) খ্যাত অভিনেত্রী বৈভবী উপাধ্যায়ের (Vaibhavi Upadhyay)। মঙ্গলবার হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় বৈভবীর মৃত্যু হয়। গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। গাড়িতে বৈভবীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর হবু স্বামী। দুর্ঘটনায় তাঁরও মৃত্যু হয়। একদিন আগেই জনপ্রিয় টেলি অভিনেতা আদিত্য সিং রাজপুতের বাড়ির বাথরুম থেকে উদ্ধার হয়েছিল তাঁর নিথর দেহ। সেই শোক কাটতে না কাটতেই ফের দুঃসংবাদ বি-টাউনে।

    ঘুরতে গিয়েই দুর্ঘটনা

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার, ২৩ মে দুর্ঘটনার শিকার হন বৈভবী উপাধ্যায়। ৩২ বছরের ওই অভিনেত্রী (Vaibhavi Upadhyay) ঘুরতে যেতে ভালবাসতেন। চলতি সপ্তাহেই তিনি তাঁর হবু স্বামীর সঙ্গে হিমাচল প্রদেশে ঘুরতে গিয়েছিলেন। রাস্তায় একটি বিপজ্জনক বাঁক নেওয়ার সময়ে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় বলে খবর। দুঃসংবাদটা পেয়েই চণ্ডীগড় ছোটেন অভিনেত্রীর ভাই। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর শেয়ার করেন প্রযোজক জেডি মাজেঠিয়া। ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ সিরিয়ালে তিনি বৈভবীর (Vaibhavi Upadhyay) সহকর্মী ছিলেন। ইনস্টাগ্রামে একটি স্টোরিতে তিনি আবেগঘন পোস্ট করে লেখেন, ‘আমি হতভম্ব! ও ভীষণ ভাল মনের একজন মানুষ আর দুর্দান্ত অভিনেত্রী ছিল, যে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের প্রাপ্য সম্মানটা পেল না।’ তিনি আরো লেখেন, ‘এত জীবনীশক্তিতে পরিপূর্ণ একজন মানুষ। জীবন এতটাই অনির্দিষ্ট হতে পারে যে বিশ্বাস করা যায় না। একজন অভিনেত্রী এবং খুব ভাল বন্ধু বৈভবী, যাকে এখনো মনে রাখা হয়েছে সারাভাই ভার্সেস সারাভাই তে ওর চরিত্র জ্যাসমিনের জন্য’।

    আরও পড়ুন: বলিউডে ফের রহস্যজনক মৃত্যু! বাথরুমে মিলল অভিনেতা আদিত্য সিং রাজপুতের দেহ

    ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ সিরিয়ালে জ্যাসমিনের চরিত্রে রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন বৈভবী (Vaibhavi Upadhyay)। টেলিভিশনে কাজের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজ ও দীপিকা পাডুকোনের সঙ্গে বলিউড সিনেমা ছপকেও কাজ করেছেন বৈভবী। তাঁর অভিনয় দক্ষতা দাগ কেটেছিল দর্শকের মনে। ‘আদালত’, ‘সিআইডি’, ‘ক্যায় কসুর হ্যায় আমলা কা’ ইত্যাদি বহু সিরিয়ালের পরিচিত মুখ ছিলেন বৈভবী। বুধবার অভিনেত্রীর পরিবার তাঁর মরদেহ মুম্বই নিয়ে আসবে। সেখানেই হবে তাঁর শেষকৃত্য।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Car Horror: ‘‘দেহ আটকে রয়েছে জানতাম, তবুও থামিনি’’, স্বীকার দিল্লি দুর্ঘটনার অভিযুক্তদের

    Delhi Car Horror: ‘‘দেহ আটকে রয়েছে জানতাম, তবুও থামিনি’’, স্বীকার দিল্লি দুর্ঘটনার অভিযুক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্ঘটনার পরই তারা অঞ্জলির দেহ দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু পুলিশে মামলার ভয়ে তারা এতটাই ভীত ছিল যে দেহটি চাকায় জড়ানো অবস্থায় দেখেও গাড়ি থামায়নি। যতক্ষণ না দেহটি রাস্তার ধারে ছিটকে পড়ে যায়, ততক্ষণ অবধি ঘষটাতে ঘষটাতে মৃতদেহটিকে নিয়ে যায় তাঁরা। ১ জানুয়ারির রাতে নয়া দিল্লির কাঞ্জাওয়ালা এলাকায় গাড়ি দুর্ঘটনায় স্বীকারোক্তি অভিযুক্তদের। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খারাপভাবে গাড়ি চালানো, মদ্যপান করে গাড়ি চালানো ও গাফিলতির কারণে মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    যা বললেন অভিযুক্তেরা

    দিল্লির সুলতানপুরীতে অঞ্জলি সিংকে (Anjali Singh) বর্ষবরণের রাতে যেভাবে গাড়ির তলায় ছেঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা দেখে শিউরে উঠেছে দেশবাসী। প্রথমে অঞ্জলির স্কুটারে ধাক্কা মারে গাড়িটি। অঞ্জলি পড়ে গিয়ে গাড়ির তলায় আটকে যান। অভিযোগ, ওই অবস্থাতেই তাঁকে ছেঁচড়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার রাস্তা এগিয়ে যায় ঘাতক গাড়িটি। তার পরে অঞ্জলির দেহ ফেলে রেখে পালায় অভিযুক্তরা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে পুলিশের কাছে অভিযুক্তেরা জানিয়েছিলেন, তাঁরা বুঝতে পারেননি গাড়ির চাকায় কেউ আটকে রয়েছেন। গাড়িতে তারস্বরে গান বাজছিল, তাই বাইরের কিছুই তাঁরা শুনতে পাননি বলে দাবি করেছিলেন। পরে পুলিশের জেরার মুখে বয়ান বদল করে তারা। এক অভিযুক্তের কথায়, ‘যখন বুঝতে পারি গাড়ির চাকায় কেউ আটকে আছে, তখন বারবার ইউটার্ন নিচ্ছিলাম। আমরা ভেবেছিলাম তাতেই গাড়ির চাকায় আটকে থাকা দেহটা পড়ে যাবে মাটিতে। কিন্তু কিছুতেই সেটা হচ্ছিল না। তাতেই আরও ভয় পেয়ে যাই আমরা।’

    আরও পড়ুন: সামনেই চিনা নববর্ষ, করোনার মধ্যেই ভ্রমণ সংক্রান্ত একাধিক বিধিনিষেধ তুলে নিল জিনপিং সরকার

    অঞ্জলি ছিলেন মৌলানা আজাদ কলেজের ছাত্রী। ৩১ তারিখ একটি নিউ ইয়ার পার্টিতে বান্ধবীর সঙ্গে গিয়েছিলেন অঞ্জলি। ভোররাতে যখন দুর্ঘটনাটি ঘটে তখন অঞ্জলির স্কুটির পিছনে ছিলেন তাঁর বান্ধবী নিধি। কিন্তু দুর্ঘটনার পর ভয়ে তিনিও পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে পুলিশের বয়ানে জানিয়েছেন নিধি। এই ঘটনায় পুলিশ গ্রেফতার করেছে দীপক খন্না, অমিত খন্না, মনোজ মিত্তল, মিঠুন, কৃষ্ণ, আশুতোষ এবং অমিতকে। তাঁরা ১ জানুয়ারির দিন ঘাতক গাড়িটিতে ছিলেন। একটি সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। সেখানে দেখা গিয়েছে, রোহিণীর কাছে গাড়ি বদলে অটোতে চেপে পালিয়ে যায় অভিযুক্তেরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Rishabh Pant: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ঋষভ পন্থ! একবাক্যে পুলিশকে জানালেন কীভাবে ঘটেছে গাড়ি দুর্ঘটনা

    Rishabh Pant: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ঋষভ পন্থ! একবাক্যে পুলিশকে জানালেন কীভাবে ঘটেছে গাড়ি দুর্ঘটনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে ভারতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্থ। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দিল্লি-দেরাদুন হাইওয়েতে রুরকির কাছে। নিজেই ড্রাইভ করে উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি ফিরছিলেন ঋষভ। আচমকাই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। ধরে যায় আগুন। বরাত জোরে বেঁচে যান ঋষভ। গাড়ির গতিবেগ খুব বেশি ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর ধামি ট্যুইট করে এই খবর দেন।

    আঘাত গুরতর

    মাথায়, পিঠে, পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন ঋষভ। আপাতত বিপন্মুক্ত হলেও ঋষভের অস্ত্রোপচার হতে পারে। এখনও পর্যন্ত যে সব ছবি সামনে এসেছে, তা সত্যিই শিউরে ওঠার মতোই। গাড়িটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে রয়েছেন ঋষভ। মাথায় ব্যান্ডেজ করা। পিঠে লাল ক্ষত স্পষ্ট। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের কাজ শুরু করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, গাড়িটি ডিভাইডারে ধাক্কা মারতেই আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর পাশাপাশি ঋষভকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। উত্তরাখণ্ডের ডিজি অশোক কুমার জানিয়েছেন, উইন্ড স্ক্রিন ভেঙে উদ্ধার করা হয় ঋষভ পন্থকে।

    আরও পড়ুন: ফুটবল-বিশ্ব সম্রাটহীন! ৮২ বছর বয়সে চলে গেলেন পেলে

    পুলিশ সূত্রে খবর

    উত্তরাখণ্ড পুলিশের ডিজিপি অশোক কুমার বলেন, “ভোর ৫.৩০ মিনিটে ঋষভ পন্থের গাড়ি দুর্ঘটনাটি ঘটে। রুরকির মহম্মদপুর জটের কাছে ঘটে সেই দুর্ঘটনাটি। পন্থ পুলিশকে বলেন যে, গাড়ি চালানোর সময় তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। সেই কারণেই ডিভাইডারে ধাক্কা মারে গাড়িটি। প্রথমে রুরকির একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে সেখান থেকে দেহরাদুনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁকে।” উত্তরাখণ্ডের পুলিশ জানিয়েছে যে, পন্থ গাড়িতে একাই ছিলেন।

    সময়টা ভাল নয়

    সত্যিই সময়টা ভালো যাচ্ছে না ভারতীয় দলের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানের। খারাপ ফর্মের কারণে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ এবং ওয়ান ডে সিরিজে ভারতীয় দলে জায়গা পাননি। তাঁকে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ট্রেনিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেশ চাপেই রয়েছেন ঋষভ। এরই মধ্যে তিনি উত্তরাখণ্ডে গিয়েছিলেন ছুটি কাটাতে। সেখান থেকে শুক্রবার দিল্লি ফিরছিলেন। তখনই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটার ঋষভের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Car Accident: ভবিষ্যতবাণীই হল সত্যি! বিএমডব্লিউ-তে ৩০০ কিমির গতি তুলতে গিয়ে হল মর্মান্তিক মৃত্যু

    Car Accident: ভবিষ্যতবাণীই হল সত্যি! বিএমডব্লিউ-তে ৩০০ কিমির গতি তুলতে গিয়ে হল মর্মান্তিক মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতবাণীই হল সত্যি! মৃত্যুর আগেই ফেসবুকে লাইফে বলেছিল “চারজনই মরব”, আর তারপরেই ঘটল মর্মান্তিক ঘটনা (Car Accident)। বিএমডব্লিউ-এর গতি সর্বোচ্চ কত হয়, তা দেখতেই এক ভয়াবহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হল চার ব্যক্তি। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশের সুলতানপুরে পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়েতে। গত শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর গাড়ির দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে চারজনের। দুঃখের বিষয় যে, মৃত্যুর আগেই তাঁদের ফেসবুক লাইফে বলতে শোনা গিয়েছিল যে, “চারো মারেঙ্গে (আমরা চারজনই মারা যাব)”। আর এটিই সত্যি হয়ে যায়।

    সম্প্রতি, সাইরাস মিস্ত্রির ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনা (Car Accident) হওয়ার পরেও যে মানুষ শিক্ষা পায়নি, তা এই ঘটনা দেখলেই বোঝা যায়। জানা যায়, গত শুক্রবার, পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেসওয়েতে বিএমডব্লিউ গাড়িটি চলছিল ২৩০কিমি গতিতে। আর গাড়িতে উপস্থিত চার বন্ধু সুলতানপুর থেকে দিল্লি যাচ্ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন আবার ফেসবুক লাইফ করছিলেন ও ভিডিও-তে তাঁরা বিএমডব্লিউ গাড়িটির সর্বোচ্চ গতি রেকর্ড করতে চেয়েছিলেন। তাঁরা প্রতি ঘণ্টায় ২৩০ কিলোমিটার বেগ তুলেছিলেন। তবে, তাঁদের মধ্যে একজন ৩০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগ তুলতে চেয়েছিলেন। তখনই তাঁকে চারজনের মরার কথাটি বলতে শোনা যায় ভিডিওতে। আর এরপরে সত্যিই এই ঘটনাটি ঘটে। একটি কন্টেইনার ট্রাক ধাক্কা দেয় বিএমডব্লিউ গাড়িটিকে, আর তারপরেই মৃত্যু হয় তাঁদের।

    আরও পড়ুন: বিয়েবাড়ির যাত্রী বোঝাই বাস পড়ল উত্তরাখন্ডের খাদে 

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিহারের রোহতাসের একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ৩৫ বছর বয়সী অধ্যাপক ডাঃ আনন্দ প্রকাশ বিএমডব্লিউ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। ফেসবুক লাইভে তাঁদের একজনকে এও বলতে শোনা গেছে, স্পিডোমিটার পরবর্তীতে এই গানটিতে ৩০০ কিমি প্রতি ঘণ্টায় ছুঁতে পারে। আপনার সিট বেল্ট বেঁধে রাখুন। (“ইয়ে গান পে ৩০০ পাহুচা দেগা। থোড়া কানেক্ট তোহ কর, সিট বেল্ট লাগা লিজিয়ে”)। আর এর কিছুক্ষণ পরই দ্রুতগামী গাড়িটি বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকে ধাক্কা দেয়। ফলে তাঁরা চারজনই ছিটকে বেরিয়ে যায় গাড়ি থেকে, আর সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁদের। মৃতদের নাম আনন্দ প্রকাশ (৩৫), অখিলেশ সিং (৩৫) এবং দীপক কুমার (৩৭), চতুর্থ মৃতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে, ডিএম জানিয়েছেন।

    অন্যদিকে, সুলতানপুরের এসপি সোমেন বর্মা জানিয়েছেন, ট্রাকচালক এই ঘটনার পরই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গিয়েছে ও তার নামে মামলাও দায়ের করা হয়েছে। ফরেন্সিক স্টেট ল্যাবরেটরির সহায়তায় বিএমডব্লিউ এবং কন্টেইনার ট্রাককে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

LinkedIn
Share