Tag: carles cuadrat

carles cuadrat

  • ISL 2023-24: মোহনবাগানের পথ কঠিন! ৩২ সেকেন্ডে গোল করেও ওড়িশার বিরুদ্ধে হার ইস্টবেঙ্গলের

    ISL 2023-24: মোহনবাগানের পথ কঠিন! ৩২ সেকেন্ডে গোল করেও ওড়িশার বিরুদ্ধে হার ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিগের শীর্ষে থাকা ওড়িশার বিরুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার পরেও জেতা হল না লাল-হলুদের (ISL 2023-24)। ওড়িশার বিরুদ্ধে ৩২ সেকেন্ডে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আইএসএলে সেটাই ইস্টবেঙ্গলের দ্রুততম গোল। কিন্তু জয় অধরাই থেকে গেল। ২-১ গোলে ওড়িশার কাছে হেরে আইএসএ প্লে-অফ থেকে ছিটকে গেল ইস্টবেঙ্গল। লাল-হলুদ শিবিরের হতাশা দেখা গিয়েছে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যেও। আইএসএলে ওড়িশার বিপক্ষে এই ম্যাচ ইস্টবেঙ্গল জিতলে পয়েন্ট তালিকায় লাভ হতো মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের।

    ইতিহাস গড়েও জয় অধরা

    বৃহস্পতিবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচ শুরু হতেই সকলকে চমকে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। পিভি বিষ্ণু ৩২ সেকেন্ডের মাথায় একক দক্ষতায় দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেও তাঁর এই মনে রাখার মতো গোল দলের কাজে এল না। ৪০ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা আনেন ওডিশার দলের ব্রাজিলীয় ফরোয়ার্ড দিয়েগো মরিসিও ও ৬১ মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে গোল করে দলকে জয় এনে দেন ম্যাচের সেরা ফুটবলার মিডফিল্ডার প্রিন্সটন রেবেলো। ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্ডারদের ভুল কাজে লাগিয়েই এই দু’টি গোল পায় ওডিশা এফসি।

    প্লে-অফের পথ কঠিন

    এই ম্যাচ হারের ফলে ইস্টবেঙ্গলের সামনে সমূহ বিপদ। গত ম্যাচে জিতে ছ’নম্বর জায়গাটার দৌড়ে তারা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার ওড়িশার কাছে হেরে তাদের সেরা ছয়ে যাওয়ার রাস্তা ফের বেশ কঠিন হয়ে গেল। তাদের পরবর্তী তিনটি ম্যাচ এফসি গোয়া, মোহনবাগান এসজি ও কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে। পরের তিন ম্যাচেই তাদের সামনে কঠিন প্রতিপক্ষ। এই তিন ম্যাচে অসাধ্য সাধন করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামতে হবে ক্লেটন সিলভাদের। সেই চ্যালেঞ্জ জিততে পারলে তবেই তাদের প্লে-অফে জায়গা পাকা হতে পারে। 

    মোহনবাগানেরও শক্ত লড়াই

    বৃহস্পতিবার ম্যাচে চলতি লিগের দশ নম্বর জয় পেয়ে ১৭ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের শীর্ষেই রয়ে গেল সের্খিও লোবেরার দল। শনিবার পাঞ্জাব এফসি যদি মুম্বই সিটি এফসি-র বিরুদ্ধে হেরে যায়, তা হলে সে দিনই প্লে-অফে জায়গা পাকা করে ফেলবে ওড়িশা। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। তারা ১৬টা খেলে ৩২ পয়েন্ট পেয়েছে। এরপর রয়েছে মোহনবাগান। ১৫ ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট তাদের। ওড়িশার বিপক্ষে যদি ইস্টবেঙ্গল জিতত তাহলে মোহনবাগানের কাছে সুযোগ থাকত মার্চের প্রথম দিনেই তালিকায় শীর্ষে উঠে যাওয়ার।

    মোহনবাগান ১ মার্চ তাদের ১৬তম ম্যাচ খেলতে নামবে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচটা জিতলে তাদের পয়েন্ট হবে ৩৩। আর কলিঙ্গবাহিনী যদি ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারত তাহলে তাদের পয়েন্ট হত ৩২। সেক্ষেত্রে শীর্ষে উঠে যেত মোহনবাগান। যদি ওড়িশা ড্র করত, তাহলে তাদের পয়েন্ট হতো ৩৩। সেক্ষেত্রে দেখা হত গোল পার্থক্য। কিন্তু এখন জামশেদপুর এফসিকে হারাতে পারলে মোহনবাগান দ্বিতীয় স্থানে উঠে যাবে। তবে মোহনবাগান শীর্ষে উঠতে না পারলেও তারা ওড়িশার থেকে একটা ম্যাচ কম খেলেছে। ফলে একটা সুযোগ থাকবে সবুজ-মেরুনের। সেক্ষেত্রে বাকি ম্যাচগুলোতে জিতলে লিগ তালিকার শীর্ষে উঠতে পারবে মোহনবাগান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal vs Mohun Bagan: খেতাবের দৌড়ে এগিয়ে থাকাই লক্ষ্য মোহনবাগানের, চমক দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল

    East Bengal vs Mohun Bagan: খেতাবের দৌড়ে এগিয়ে থাকাই লক্ষ্য মোহনবাগানের, চমক দিতে পারে ইস্টবেঙ্গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গলের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে থেকে রবিবার মাঠে নামবে মোহনবাগান। তবে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নয়। স্বাভাবিক খেলাই খেলতে চায় সবুজ-মেরুন। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল আইএলএল-এ কয়েক কদম পিছনে রয়েছে। দুটো দলের লক্ষ্য আলাদা। মোহনবাগান চায় তিন পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে পৌঁছতে। আর ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য প্রথম ছয়ে শেষ করা। কলকাতা ডার্বিতে পিছিয়ে থেকে নামছে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের আগের দিন সে কথা মেনেও নিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতও।

    কী বলছেন কুয়াদ্রাত

    রবিবারের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ‘আন্ডারডগ’ কি না এই প্রশ্নের উত্তরে মোহনবাগানের প্রশংসা করে কুয়াদ্রাত বলেন, “আমার মনে হয় ঠিক। বিশেষত দুটো দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দেখলে সেটাই মনে হবে। সত্যি কথাটা স্বীকার করে নেওয়া উচিত। তবে আমি দলের খেলোয়াড়দের বিশ্বাস করি। জানি ওরা প্রতিটা ম্যাচেই নিজেদের সেরাটা দিচ্ছে। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে আমাদের। এই মরসুমে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে যা যা পরিকল্পনা করেছি সবই কাজে লেগেছে। ডুরান্ড কাপের ফাইনালে হারলেও আমরা অনেক ভাল খেলেছি। এখনও পর্যন্ত এই মরসুমে বড় ম্যাচে আমরা এগিয়ে। তবু রবিবারের ম্যাচে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।” ইস্টবেঙ্গলের কোচ আত্মবিশ্বাসী যে তাঁর দল প্রথম ছয়ে শেষ করবে। বলেছেন, “মানছি শেষ কয়েকটা ম্যাচের ফলাফল ভাল যায়নি। কিন্তু শেষ কয়েকটা জায়গা নিয়ে প্রবল লড়াই হচ্ছে। এটা ফুটবলের জন্য ভাল। আমার খেলোয়াড়েরা অনুপ্রাণিত। এখনও পর্যন্ত ডার্বিতে ভাল খেলেছি। ওরা লিগ-শিল্ডের জন্য লড়াই করছে। আমরা প্রথম ছয়ের জন্য। তাই একটা তফাত তো থাকবেই। অঙ্কের হিসাবে এখনও প্রথম ছয়ে শেষ করার সম্ভাবনা রয়েছে আমাদের।”

    কী বলছেন হাবাস

    মোহনবাগানের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস স্পষ্ট জানিয়েছেন, ডার্বি নিয়ে আলাদা করে কোনও আবেগ তাঁর নেই। তাঁর লক্ষ্য তিন পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষস্থানে ওঠা। অধিনায়ক শুভাশিস বসুর মুখেও একই কথা। চলতি মরসুমে চারটি ডার্বির দু’টিতে জিতেছে ইস্টবেঙ্গল। একটিতে মোহনবাগান। একটি ড্র। আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বি ২-২ ড্র হওয়ার পর দ্বিতীয় ডার্বিতে জিততে মরিয়া মোহনবাগান। আবেগের চেয়েও এই ম্যাচে জিতলে তারা লিগ-শিল্ড জেতার ব্যাপারে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে। এটাই উদ্দেশ্য বিদেশি কোচের। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ওয়েবসাইটে মোহনবাগানের অধিনায়ক শুভাশিস বলেছেন, “এখন প্রতিটা পয়েন্টই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। লিগ-শিল্ডের দৌড়ে আমরা রয়েছি। তাই ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই ঝাঁপাব, যাতে শীর্ষে উঠতে পারি। ডার্বি কলকাতার সমর্থকদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটানো আমাদের দায়িত্ব। গত বার পারিনি। আশা করি এ বার পারব।”

    অঙ্ক বলছে, রবিবার ডার্বিতে ড্র করলেই প্লে-অফে জায়গা পাকা করে নিতে পারে সবুজ-মেরুন শিবির। এই মুহূর্তে লিগ টেবলে চারটি দলের সর্বোচ্চ ৩৩ পয়েন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মোহনবাগানের পয়েন্টও এখন ৩৩। তারা যদি ডার্বিতে এক পয়েন্ট নিয়ে ৩৪-এ পা দেয়, তা হলে আর তাদের পরের দলগুলির পক্ষে মোহনবাগানের নাগাল পাওয়া সম্ভব হবে না। ফলে মোহনবাগানের প্লে-অফে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত হয়ে যাবে। অন্যদিকে শেষ ছয়ে থাকতে গেলে ইস্টবেঙ্গলকে এই ম্যাচ জিততেই হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal vs Mohun Bagan: আবেগের কাছ হার মানলেন রেফারি! আইএসএল ডার্বি ড্র, কী বলছেন দুই কোচ?

    East Bengal vs Mohun Bagan: আবেগের কাছ হার মানলেন রেফারি! আইএসএল ডার্বি ড্র, কী বলছেন দুই কোচ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু-বার পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করেছে সবুজ মেরুন। ড্র করেই মাঠ ছেড়েছে মোহনবাগান। খুশি কোচ আন্তোনিও হাবাস। অন্যদিকে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে প্রথম বার ডার্বি থেকে পয়েন্ট ঘরে তুলেছে ইস্টবেঙ্গল। শনিবার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে আয়োজিত বড় ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং ইস্টবেঙ্গল এফসি দুই দলই ২-২ গোলে ড্র করে। 

    কোচ কুয়াদ্রাতের আস্থা

    শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে। কিন্তু যে গোলে সমতা ফিরিয়েছে মোহনবাগান তা নিয়ে একেবারেই খুশি হতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গলের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে কুয়াদ্রাত বলেন, “আমাদের কাছে গোলের কয়েকটা পরিষ্কার সুযোগ এসেছিল। আমরা সেগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। নন্দকুমারের সুযোগটা গোল করা উচিত ছিল। আমরাই তিন পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিলাম।”  বলেছেন, “আমরা তিন পয়েন্টের জন্যই খেলছিলাম। প্রথম থেকেই গোল করার চেষ্টা করছিলাম। দুর্ভাগ্যবশত সাউল চোট পেয়ে গেল। একটা বিদেশিকে হারালে তার প্রভাব ম্যাচে পড়েই। কিন্তু বাকি ফুটবলারেরা দারুণ খেলেছে। আমরা ম্যাচটা নিয়ন্ত্রণ করেছি অনেকটা সময়।”

    না-পসন্দ হাবাসের

    রেফারিং নিয়ে ক্ষুব্ধ মোহনবাগানও। সবুজ মেরুন কোচ বলেন, ‘এত সময় নষ্টের পর মাত্র ৭ মিনিট অতিরিক্ত দেওয়া হল। অন্তত ১২-১৪ মিনিট দেওয়া উচিত ছিল। আর ইস্টবেঙ্গলকে যেটা পেনাল্টি দেওয়া হল, ওটা মোটেও পেনাল্টি ছিল না।’ দলের ড্রয়ে শুরুর ধাক্কাও ভুলছেন না হাবাস। বলছেন, ‘চোটের জন্য শুরুতেই আনোয়ারকে তুলে নিতে হল। দ্বিতীয়ার্ধে ব্রেন্ডন হ্যামিলকেও পরিবর্তন করতে হল।’ 

    শনিবাসরীয় কলকাতা ডার্বিতে দুই দলের মধ্যেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেল। ম্যাচের শুরুতেই ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অজয় ছেত্রী। তবে মাত্র ১৭ মিনিটে সেই গোল শোধ করলেন মোহনবাগানের আলবেনিয়ান স্ট্রাইকার আর্মান্দো সাদিকু। ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ইস্টবেঙ্গল অ্যাডভান্টেজ পজিশনে চলে যায়। দীপক টাংরির ভুলে পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। আর ৫৫ মিনিটে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন লাল-হলুদ অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা। তবে শেষ মুহূর্তে দিমি পেত্রাতোসের গোলে মুখ রক্ষা হয় মোহনবাগানের।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বির আগে সরগরম ময়দান! আজ ফের মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান

    East Bengal vs Mohun Bagan: ডার্বির আগে সরগরম ময়দান! আজ ফের মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে আজ, শনিবার বড় ম্যাচ। কলকাতা ডার্বিতে সরগরম ময়দান। লিগ তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে লাল-হলুদ। কয়েক কদম এগিয়ে রয়েছে মোহনবাগান। দলে ফিরেছেন জাতীয় দলে খেলা সাত ফুটবলার। সাহাল সামাদ, অনিরুদ্ধ থাপা প্রথম একাদশে থাকতে পারেন। সঙ্গে মনবীর সিংহও রয়েছেন। আশিস রাই খেলতে পারবেন না। তবে আনোয়ার আলি এবং সাহালকে নিয়ে সমস্যা নেই। ম্যাচের আগে কঠোর অনুশীলন করেছে দুই দল। কোনওভাবেই হার মানতে নারাজ কোনও পক্ষ।

    কী বললেন ইস্টবেঙ্গল কোচ

    শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই কুয়াদ্রাত বললেন, “ইস্টবেঙ্গল একটা বড় ক্লাব। এত সমর্থক তাদের। অনেক দিন পরে ক্লাব একটা ট্রফি জিতেছে। সমর্থকেরা আনন্দ করার একটা সুযোগ পেয়েছেন। শনিবার জিততে পারলে ওরা আবার আনন্দ করতে পারবেন। এখন ওঁরা গর্বিত। এখন ওঁরা অন্য ক্লাবের সমর্থকদের সামনে গিয়ে গর্ব করে বলতে পারবেন, আমরাও চ্যাম্পিয়ন।” অন্য ক্লাব বলতে, তিনি যে মোহনবাগানকে বুঝিয়েছেন তা বলাই যায়। বড় ম্যাচ জয়ের পর পরের ম্যাচে হার মানতে হলে ভাল লাগবে না। এ বিষয়ে সাবধানী কোচ বলেন, “বড় ম্যাচের পর ঠোক্কর খাওয়ার কথা জানি। এমনিতে কোনও একটা ট্রফি জিতে পরের ম্যাচেও ঠোক্কর খাওয়ার কথাও জানি। ২০১৯ সালে বেঙ্গালুরুর হয়ে আইএসএল জেতার পর সুপার কাপে আই লিগের একটা দলের কাছে হেরে গিয়েছিলাম। কিন্তু ফুটবলারদের মনঃসংযোগ ঠিক রাখাই আমার কাজ। ওরা আইএসএলের জন্য তৈরি। আরও একটা কঠিন ম্যাচ খেলতে নামবে। আমাদের কাছে তিন পয়েন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ।”

    মোহনবাগান কোচের দাবি

    সুপার কাপে হারের কথা ভুলে নতুন লক্ষ্য নিয়ে শুরু কলকাতা ডার্বি। দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মোহন কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। মোহনবাগানের কোচ হিসাবে প্রথম ম্যাচেই কড়া পরীক্ষার মুখে হাবাস। তিনি বলেন, “কোনও ম্যাচে হারার কথা ভেবে খেলতে নামি না। মনে রাখবেন, আমি এখনও ইস্টবেঙ্গলের কাছে হারিনি। ট্রফির জন্য লড়াই করতে নামলে সব ম্যাচে জয়ের কথা ভেবেই নামতে হয়।” জাতীয় দলে থাকা সাত ফুটবলার ফিরেছেন। অতীতে মোহনবাগানকে কোচিং করানো হাবাস মেনে নিচ্ছেন, আগের বারের থেকে ভারতীয় ফুটবলারদের অনেক উন্নতি হয়েছে। বলেছেন, “গত বারের থেকে এ বার ভারতীয় ফুটবলারের মান ভাল হয়েছে। বিশেষত মোহনবাগানের কথা বলব। অনেকেই জাতীয় দলের হয়ে ভাল খেলেছে। আমাদের দলটা খুবই ভাল। অনেক প্রতিভাবান ফুটবলার রয়েছে।”


    ম্যাচের আগে নিজেকে চাপে ফেলতে চাইছেন না হাবাস। তাঁর কথায়, “নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। কাল আমাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ। আমাদের ফোকাসে শুধু কালকের ম্যাচে। ডার্বির আগে নিজের উপরে চাপ কমানোর চেষ্টা করছি। সব সময়েই আমার লক্ষ্য থাকে দলকে সেরা ফর্মে রাখা। এত বড় ম্যাচের আমরা নিজেদের সব রকম ভাবে তৈরি রাখছি। জানি যে আমরা বিপক্ষের থেকে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে। কিন্তু অন্য দল নিয়ে নয়, আমি ভালবাসি নিজের দলকে নিয়ে ভাবতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal FC: বিশৃঙ্খলা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে! উৎসব শেষ চার মিনিটেই, কুয়াদ্রাতের লক্ষ্য ডার্বি

    East Bengal FC: বিশৃঙ্খলা ইস্টবেঙ্গল তাঁবুতে! উৎসব শেষ চার মিনিটেই, কুয়াদ্রাতের লক্ষ্য ডার্বি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। এক যুগ পর আবার ট্রফি নিয়ে শহরে ফিরল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। সুপার কাপে টিমকে চ্যাম্পিয়ন করলেন কার্লেস কুয়াদ্রাত। সোমবার বিকেলে লাল-হলুদ টিম কলকাতায় পা দিতেই শুরু হয়ে গেল মাত্রাছাড়া উৎসব। বিমানবন্দরের রঙ লাল-হলুদ। টিমকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য় লাল-হলুদ আবির, স্মোকবম্ব,পতাকায় ছেয়ে দেওয়া হয় বিমানবন্দর। বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমর্থকরা। প্রায় হাজার দশেক সমর্থক ভিড় করেছিলেন বিমানবন্দরে। প্রায় ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয় কুয়াদ্রাত, ক্লেটন, গিলদের। অবশেষে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও পুলিশি তৎপরতায় এক-একজনকে এসকর্ট করে বের করে নিয়ে আসা হয় বিমানবন্দর থেকে।

    লক্ষ্য ডার্বি

    সবেমাত্র সুপার কাপ জয় করেছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু, এখন দলের আত্মতুষ্টির কোনও জায়গাই নেই। কারণ সামনেই আবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ডার্বি। জয়ের আনন্দেও ডার্বি ম্যাচের চিন্তা লাল-হলুদের কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাতের। তিনি বলেন, “মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য আমাদের একেবারে প্রস্তুত থাকতে হবে। আমরা আপাতত খুব ভালো পারফরম্যান্স করছি। অনেকদিন পর আমরা আবার জিততে পেরেছি। তবে এরপর কলকাতায় ঘরের মাঠে মোহনবাগানের সামনে আমদের লড়াই যে কঠিন হবে, সেটা আমরা খুব ভালো করেই জানি। ডার্বি ম্যাচে জয়লাভ করা সত্যিই খুব কঠিন। তবে আমরা এই ম্য়াচটা জেতার আপ্রাণ চেষ্টা করব।”

    ক্লাব তাঁবুতে বিশৃঙ্খলা

    সোমবার সন্ধ্যায় ইস্টবেঙ্গল মাঠের উৎসব ক্ষণিকেই মিলিয়ে গেল। সমর্থকদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস আর ক্লাব কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার অভাবে দ্রুত উৎসব শেষ করতে বাধ্য হলেন ক্লাব কর্তারা। সোমবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল মাঠে পা রাখেন কোচ কার্লেস কুয়াদ্রাত। তার চার মিনিট আগে ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার (নিতু) সুপার কাপ ট্রফিটি নিয়ে গিয়ে রাখেন সাজানো চারটি টেবিলের মাঝখানে। কোচের পিছু পিছুই মাঠে ঢোকেন ক্লেটন সিলভা, সৌভিক চক্রবর্তী, সাউল ক্রেসপোরা। ব্যস! অমনি দেখা যায় র‌্যাম্পার্টের দিকের কর্নার ফ্ল্যাগের সামনে দিয়ে কিছু ইস্টেবঙ্গল সমর্থক মাঠে ঢুকছেন। কয়েক সেকেন্ডের ম‌ধ্যে তা যেন গ্যালারিতে সংক্রামিত হয়ে যায়। কেউ ফেন্সিং টপকান, তো কেউ উচ্ছ্বাসের ঠেলায় গ্রিলে লাগানো পলকা তালা ভেঙে দেন। বাঁধ ভেঙে যায়। কুয়াদ্রাতদের ঘিরে ফেলেন কয়েক হাজার ইস্টবেঙ্গল সমর্থক। কোনওরকমে কেক কেটে উৎসবে ইতি টানেন কর্তারা। তবে চার মিনিটের মধ্যে ইস্টবেঙ্গল টিম মাঠ থেকে তাঁবুতে চলে গেলেও আবেগের উদযাপন চলতেই থাকে। আতসবাজি, আবিরে দোল-দীপাবলী একাকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal FC: ট্রফিহীন যুগের অবসান! সুপার কাপ জয়ের পরই প্লেয়ার বদল ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় স্তরে ১২ বছর পর  ট্রফি জিতল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার সুপার কাপের ফাইনালে ৩-২ গোলে ওড়িশার বিপক্ষে জয়লাভ করে লাল-হলুদ শিবির। মশাল জ্বলে সমর্থকদের ঘরে ঘরে। ওডিশার হয়ে গোল করলেন দিয়েগো মরিশিও এবং জাহু। আর ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একটি করে গোল করেন নন্দকুমার এবং সাউল ক্রেসপো এবং অধিনায়ক ক্লেইটন সিলভা।

    কোচের পছন্দে নতুন প্লেয়ার

    ইস্টবেঙ্গল সুপার কাপ জেতার দিনেই লাল-হলুদ থেকে সরে যাওয়া নিশ্চিত হল বোরহা হেরেরার। ইস্টবেঙ্গল থেকে লোনে এফসি গোয়া দলে যোগ দিচ্ছেন এই মিডফিল্ডার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্প্যানিশ বোরহার বদলে আর এক স্প্যানিশ ফুটবলারকে সই করতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। গত বছর তিনি খেলেছেন আমেরিকার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস), যে লিগে এখন খেলেন লিয়োনেল মেসি, লুই সুয়ারেসরা। বোরহার মতোই তিনি মিডফিল্ডার। কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত এই ফুটবলারকে বেছে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

    রবিবার সুপার কাপের ফাইনাল ম্যাচে কার্লেস কুয়াদ্রাতের দল ওডিশা এফসি’র বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন দিয়েগো মরিশিয়ো। প্রথমার্ধে ওড়িশা ১-০ গোলে লিড নিয়ে নেয়। ৫২ মিনিটে ম্য়াচে সমতা ফেরান নন্দকুমার। মহেশ তাঁর দিকে গোল করার জন্য বলটা একেবারে সাজিয়ে দিয়েছিলেন।

    ৬২ মিনিটে ম্যাচের স্কোর কার্ড ২-১ করে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৬০ মিনিটে বোরহাকে বক্সের মধ্যে বাজেভাবে ফাউল করে মোর্তাদা ফল। সেকারণে লাল-হলুদ ব্রিগেডকে পেনাল্টি দেওয়া হয়। আর সেই সুযোগ কাজে লাগাতে বিন্দুমাত্র ভুল করলেন না সাউল ক্রেসপো। ম্যাচের একেবারে শেষবেলায় পেনাল্টি পায় ওড়িশা। সমতা ফেরান জাহু। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। অবশেষে ১১০ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন ক্লেইটন সিলভা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Bengal: সাফল্যের স্বপ্ন দেখছে লাল হলুদ ব্রিগেড! ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব পেয়ে গর্বিত কারলেস কুয়াদ্র

    East Bengal: সাফল্যের স্বপ্ন দেখছে লাল হলুদ ব্রিগেড! ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্ব পেয়ে গর্বিত কারলেস কুয়াদ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু বছরের চুক্তিতে ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) কোচ হলেন কারলেস কুয়াদ্র (Carles Cuadrat)। যা লাল হলুদ সমর্থকদের মনে আশার সঞ্চার ঘটিয়েছে। কারণ বিগত কয়েক বছর ধরে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব জাতীয় স্তরে কোনও বড় সাফল্য পায়নি। তার উপর ক্লাব ও ইনভেস্টর ঝামেলা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর ইমামী ইনভেস্টর হয়ে স্টিফেন কনস্ট্যান্ট টাইনকে কোচ করেছিল। কিন্তু সাফল্য তো দূরে থাক, আই এস এল এ খুব খারাপ পারফরম্যান্স করে ইস্টবেঙ্গল। তার ফলে হতাশা ক্রমশ বাড়ছিল সমর্থকদের। সেই কারণেই কোচ বদলের পথে হাঁটে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। স্টিফেন কনস্ট্যান্ট টাইনকে আগে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তার চাকরির মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। সেইমতো মঙ্গলবার ব্রিটিশ কোচের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই দিনই নতুন কোচ হিসেবে কারলেস কুয়াদ্র-র নাম ঘোষণা করা হয়। 

    কারলেস কুয়াদ্র-এর সাফল্য

    অতীতে কারলেস কোচিং করিয়েছেন বেঙ্গালুরু এফসিতে। ২০১৬ সালে আলবার্ট রোকার সরকারি হিসেবে সুনীল ছেত্রীদের সঙ্গে ভারতের মাটিতে কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত বেঙ্গালুরু এফসির হেড কোচ ছিলেন কুয়াদ্র। তাঁর কোচিংয়ে ২০১৮-১৯ মরসুমে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বেঙ্গালুরু এফসি। শুধু তাই নয় এএফসি কাপের ফাইনালে বেঙ্গালুরুকে তুলে ভারতীয় ফুটবলে নজির গড়েছিলেন তিনি। সুপার কাপ জয়ী বেঙ্গালুরু এফসি দলের সঙ্গেও ছিলেন কুয়াদ্র। এমনকী তাঁর কোচিংয়ে এএফসি কাপের বাছাই পর্বের ম্যাচে পারো এফ সি কে ৯-১ ব্যবধানে হারিয়েছিল বেঙ্গালুরুর দলটি। সেবার ও সুনীল ছেত্রীদের হেড স্যারের ভূমিকায় ছিলেন এই কোচ।

    আরও পড়ুন: ভারতের উচ্চতম ফুটবল ময়দান নিয়ে ট্যুইট মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যানের! কোথায় জানেন?

    ২০২১ সালে সাইপ্রাসের একটি ক্লাবে যোগ দেন কুয়াদ্র। পরে সরকারি কোচ হিসেবে ডেনমার্কের একটি দলে যোগ দেন। ফের ভারতে ফিরছেন কুয়াদ্র। ইস্টবেঙ্গলের কোচ হয়ে। হাইপ্রোফাইল এই কোচকে ঘিরে সাফল্যের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে লাল হলুদ ব্রিগেড। কুয়াদ্র বলেছেন, ‘আগামী দু’বছরের জন্য ইস্টবেঙ্গলের কোচ হতে পেরে আমি সত্যিই খুব গর্বিত। ভারতের এত বড় একটা ক্লাব, যারা এত বছরে এতগুলি ট্রফি জিতেছে, তাদের থেকে কোচিংয়ের প্রস্তাব পাওয়া খুব সম্মানের বিষয়। ভারতে ফিরতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত। এই দেশটিকে খুব ভালবাসি এবং বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে ভারতে। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কোটি কোটি সমর্থকের মুখে হাসি ফেরানোর চেষ্টা করব। কাজ শুরু করার জন্য অপেক্ষা করছি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share