Tag: Case

Case

  • SSC Recruitment Case: ‘‘এসএসসি অটোনমাস বডি, আমরা ইন্টারফেয়ার করি না’’! দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা মমতার, লাভ হবে কি?

    SSC Recruitment Case: ‘‘এসএসসি অটোনমাস বডি, আমরা ইন্টারফেয়ার করি না’’! দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা মমতার, লাভ হবে কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আজ, বৃহস্পতিবার ‘সুপ্রিম’ রায়ে বাতিল হয়ে গেল ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষকের চাকরি (SSC Recruitment Case)। দেশের শীর্ষ আদালতের রায়টি মানবিকতার স্বার্থে তিনি মেনে নিতে পারছেন না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। নিয়োগ কেলেঙ্কারির দায় ঝেড়ে ফেলতে এদিন তড়িঘড়ি জরুরি বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে নির্দেশ দেন, দ্রুত নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার কথা স্কুল সার্ভিস কমিশনকে বুঝিয়ে বলা হোক। তারাই সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে নিয়োগ হবে। সুপ্রিম কোর্টে ‘রামধাক্কা’ খেয়ে বোধহয় ‘সম্বিত’ ফিরেছে মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি জানান, এসএসসি স্বশাসিত সংস্থা। তাদের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষায়, “এসএসসি অটোনমাস বডি, আমরা ইন্টারফেয়ার করি না।”

    ‘বিলম্বিত বোধদয়’ নাকি দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা! (SSC Recruitment Case)

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন ‘বিলম্বিত বোধদয়ে’র পরেই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রশ্ন হল, শীর্ষ আদালতে গোঁত্তা খাওয়ার পরে এখন কি নিজের গদি বাঁচাতে এসএসসিকে বলির পাঁঠা করছেন মুখ্যমন্ত্রী? এসএসসি যদি অটোনমাস বডি হয়, তাহলে তা এতদিন বলা হয়নি কেন?  সরকার যদি হস্তক্ষেপ না করে, তাহলে টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার অভিযোগে কেন জেলে বন্দি রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক বড়-মেজ-ছোট নেতা? কেনই বা একটি স্বশাসিত সংস্থার হয়ে এত দিন ধরে সরকারি কোষাগার থেকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে মামলা লড়ছিল রাজ্য সরকার? কেনই বা দিল্লি থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছিল বাঘা বাঘা আইনজীবীদের? ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসএসসির মাথায় কারা ছিলেন, কার বা কাদের অঙ্গুলিহেলনে নিয়োগ হচ্ছিল, সবই জানেন রাজ্যবাসী। ফলে, সুপ্রিম-ধাক্কা খেয়ে এখান দায় ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছেন মমতা, মত বিরোধীদের। সরকার ‘স্পনসর্ড’ কেলেঙ্কারির পর্দা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় এখন মুখ্যমন্ত্রীর সব রাগ গিয়ে পড়ছে বিরোধীদের ওপর! প্রত্যক্ষভাবে না হলেও, পরোক্ষভাবে তাঁর রাগ গিয়ে পড়ছে বিচারপতি থেকে শুরু করে আইনজীবীদের একাংশের ওপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, পায়ের তলার মাটি সরে গেলে এমনটাই হয়। এদিনও মুখ্যমন্ত্রী ফের একবার নিশানা করেছেন বাম-বিজেপিকে। নাম করেই তোপ দেগেছেন সিপিএমের বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং বিজেপির সুকান্ত মজুমদারকে।

    মমতার নিশানায় বিকাশ-সুকান্ত

    এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বিকাশবাবু কেস করেছিলেন। তাঁর জন্যই আজ এতগুলো চাকরি গেল। উনি তো বিশ্বের বৃহত্তম (বৃহত্তম শব্দটি এখানে প্রযোজ্য কিনা, তা বলতে পারবেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং) আইনজীবী। কেন যে নোবেল প্রাইজ পাচ্ছেন না এখনও…আমি ভাবছি, একটা রেকমেন্ড করব।” এদিন মুখ্যমন্ত্রী নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকেও। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শুধু ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল বললে ভুল হবে। কারণ এঁদের সঙ্গে কয়েক লাখ পরিবার জড়িত। মনে রাখবেন, তাঁরা অচল হয়ে গেলে বিজেপি-সিপিএমও সচল থাকবে না। কোনও ঘটনা ঘটলে, দায়িত্ব আপনাদের হবে (Mamata Banerjee)। আর এসবের জবাব আপনারা পাবেন (SSC Recruitment Case)।”

    পাল্টা তোপ সুকান্তর

    এদিকে, ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষক চাকরি খোয়ানোয় রাজ্য প্রশাসন ও এসএসসি কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় তুলেছেন সুকান্ত। তাঁর হুঁশিয়ারি, রামনবমী মিটলেই এ নিয়ে আন্দোলনে নামব। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “আজ মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট এই যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২৫ হাজার ৫৭৩ জনের যে চাকরি চলে গেল, যাঁরা ২০১৬ সাল থেকে চাকরি করছেন, তাঁদের পরিবার রয়েছে। আজকে যোগ্য যাঁরা, যাঁরা পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদেরও চাকরি চলে গেল। শুধুমাত্র তৃণমূল পার্টির লোকেরা অযোগ্যদের– যাঁরা পয়সা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের চাকরি বাঁচানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২৬ হাজার মানুষের চাকরির বলিদান দিয়ে দিলেন। এজন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই যে ২৬ হাজার পরিবার পথে বসে গেল, তার জন্য দায়ী তৃণমূল কংগ্রেস এবং তাদের সর্বময় কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর চ্যালাচামুণ্ডারা। যাঁরা লাখ লাখ টাকা নিয়ে কয়েকজন অযোগ্যকে চাকরি (Mamata Banerjee) পাইয়ে দিয়েছিলেন।”

    প্রশ্ন তুলে দিলেন সুকান্ত

    সুকান্ত বলেন, “আমার প্রশ্ন হল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্কুল সার্ভিস কমিশন, রাজ্য সরকার কেন যোগ্য ও অযোগ্যদের পৃথকীকরণ করে দিল না (SSC Recruitment Case)? যদি আজ মহামান্য আদালতের সামনে রাজ্য সরকার এই পৃথকীকরণ করে দিত, তাহলে তো ২৫ হাজার ৫৭৩ জনের চাকরি চলে যেত না। শুধুমাত্র অযোগ্যদের চাকরি চলে যেত, যোগ্যদের চাকরি বহাল থাকত (SSC Recruitment Case)।” সুকান্ত বলেন, “আজকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের দুষ্কৃতী, জোচ্চোরদের জন্য এতগুলি পরিবার রাস্তায় বসল। আমরা ছেড়ে দেব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চেয়ার থেকে উৎখাত করব।”

  • Teachers Recruitment Case: বাতিল ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Teachers Recruitment Case: বাতিল ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল, নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের রায়ই বহাল রইল সুপ্রিম কোর্টে (Teachers Recruitment Case)। বাতিল হয়ে গেল রাজ্যের প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-অশিক্ষকের চাকরি। বৃহস্পতিবার ২০১৬ সালের এসএসসিতে নিয়োগের পুরো প্যানেলই বাতিল করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। বলল, পুরো প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা হয়েছে। ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। ২৬ হাজার চাকরি বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ জানিয়েছে, তিন মাসের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, যাঁরা অন্য সরকারি চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালে এসএসসির মাধ্যমে স্কুলের চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা চাইলে পুরনো কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারবেন।

    ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ (Teachers Recruitment Case)

    ২০১৬ সালের এসএসসির শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। দীর্ঘ শুনানির পর সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়াই বাতিল করে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এর ফলে বাতিল হয়ে গিয়েছিল ২৫ হাজার ৭৫৩ জনের চাকরি। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। গত ১০ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ আদালতে শেষ হয়েছিল এই মামলার শুনানি। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট যে তালিকা প্রকাশ করে, তাতে বলা হয়েছিল, বৃহস্পতিবার সকালে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সেই মতোই ঘোষণা করা হল রায়।

    যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব হয়নি

    ঘোষিত রায়ে বলা হয়েছে, যোগ্য-অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব হয়নি। ২০১৬ সালের এসএসসি পেয়ে যাঁরা চাকরি করছিলেন, তাঁরা নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্যতা পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু না হওয়া পর্যন্ত সবাই বেতন পাবেন (Teachers Recruitment Case)।ফেব্রুয়ারিতেই এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল। তবে রায় ঘোষণা স্থগিত রেখেছিল শীর্ষ আদালত। বুধবার জানানো হয়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সেই মতোই ঘোষিত হয় রায়।

    সিবিআইয়ের বক্তব্য

    সুপ্রিম কোর্টে এই মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের বক্তব্য ছিল, এসএসসির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে (Supreme Court)। অনেকে সাদা খাতা জমা দিয়েই চাকরি পেয়েছেন। তাই ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের এই মামলায় হাইকোর্টের রায় বহাল থাকা উচিত। রাজ্য সরকারের তরফে আদালতে জানানো হয়, এতজন শিক্ষকের চাকরি এক সঙ্গে বাতিল করা হলে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়তে পারে। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিলের রায়ে ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া বালিল করে রায় দিয়েছিল। যাঁরা মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলে চাকরি পেয়েছিলেন, যাঁরা সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের বেতন ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের চার সপ্তাহের মধ্যে ১২ শতাংশ হারে সুদ-সহ বেতন ফেরত দিতে বলা হয়েছিল (Teachers Recruitment Case)।

    মামলায় নানা জটিলতা

    হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করে রাজ্যের শিক্ষা দফতর, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। দফায় দফায় মামলা করেন চাকরিহারারাও। প্রাথমিক শুনানির পরে গত বছরের ৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ চাকরি বাতিলের নির্দেশের ওপর অন্তবর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল (Supreme Court)। চাকরি বাতিলের এই মামলায় নানা জটিলতা ছিল। এর মধ্যে অন্যতম হল যোগ্য ও অযোগ্যদের বাছাইয়ের সমস্যা। কারা যোগ্য, অযোগ্যই বা কারা, সেটা কীভাবে বাছাই করা হবে, সেই প্রশ্নের উত্তরও মেলেনি। শুনানির শেষ দিন পর্যবেক্ষণে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, এই মামলায় আসল তথ্য জানা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেহেতু আসল উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট উদ্ধার করা যায়নি। তাই কোন ওএমআর শিটকে আসল বলে ধরে নেওয়া হবে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসএসসিকে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে কমিশনের আইনজীবী জানিয়েছিলেন, ‘র‌্যাঙ্ক জাম্প’ ও প্যানেল-বহির্ভূত নিয়োগের তথ্য তাঁদের কাছে রয়েছে। কিন্তু ওএমআর শিট কারচুপির তথ্য কমিশনের কাছে নেই (Teachers Recruitment Case)।

    নিয়োগ দুর্নীতির ‘স্পনসর’ খোদ রাজ্য সরকার!

    গত ২৭ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ জিজ্ঞেস করেছিল নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে কিনা। নতুন করে পরীক্ষা নিতে হলে কী কী সমস্যা হতে পারে, তাও জানতে চেয়েছিলেন তিনি। সেই সময় প্রধান বিচারপতির এজলাসে মূল মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানিয়েছিলেন, যাঁরা চাকরির জন্য আবেদন করেছিলেন, তাঁদের ফের নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। সেই সময় তিনি নিয়োগের পুরো প্যানেলই (Supreme Court) বাতিল করতে সওয়াল করেছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, এই দুর্নীতি এমনভাবে করা হয়েছে, যাতে কেউ অবৈধ নিয়োগ খুঁজে বের করতে না পারে। এত বড় নিয়োগ দুর্নীতির ‘স্পনসর’ খোদ রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, যে পরিমাণ দুর্নীতি হয়েছে, তা এখন আর শুধরে নেওয়ার অবকাশ নেই তাই নতুন করে পরীক্ষার কথাও বলা হয়েছে (Teachers Recruitment Case)।

  • Recruitment Case: দিলেন গোপন জবানবন্দি, এবার রাজসাক্ষী হতে চান পার্থর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য

    Recruitment Case: দিলেন গোপন জবানবন্দি, এবার রাজসাক্ষী হতে চান পার্থর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) বিপদ বাড়াতে চলেছেন তাঁরই জামাই! নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় (Recruitment Case) তিনি আগেই জবানবন্দি দিয়েছেন। এবার রাজসাক্ষী হচ্ছেন পার্থর জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য। এই মামলায় অভিযুক্তদের তালিকায় তিনিও ছিলেন। তবে রাজসাক্ষী হলে তিনি আর অভিযুক্ত থাকবেন না।

    অতিরিক্ত চার্জশিট (Recruitment Case)

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় পঞ্চম অতিরিক্ত চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে ইডি। কীভাবে, কোন সংস্থার মাধ্যমে আর্থিক তছরুপ হয়েছে, ওই চার্জশিটে তা উল্লেখ করা হয়। এই অতিরিক্ত চার্জশিটে অভিযুক্ত করা হয় কল্যাণময়কেও। আমেরিকা প্রবাসী কল্যাণময় বর্তমানে কলকাতায়। ইডি সূত্রে খবর, পার্থর জামাইকে একাধিকবার জেরা করে জানা গিয়েছে, নানা সময়ে বিভিন্ন লোকজনকে নগদে টাকা দিতেন পার্থ। সেই টাকাই ফিরে আসত পার্থর স্ত্রী বাবলির নামে তৈরি বাবলি চ্যাটার্জি মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট-এ। এভাবেই ওই ট্রাস্ট হয়ে উঠেছিল দুর্নীতির আখড়া। অন্তত নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি যে চার্জশিট পেশ করেছে, তাতেই এমন দাবি করা হয়েছে।

    কালো টাকা কীভাবে সাদা করা হল

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার আরও দাবি, নিয়োগ দুর্নীতির কালো টাকা পার্থর প্রয়াত স্ত্রীর নামে (Recruitment Case) তৈরি ট্রাস্ট এবং কল্যাণময়ের নানা সংস্থার মাধ্যমে সাদা করা হয়েছিল। কল্যাণময় ও তাঁর সংস্থার নামে অভিযোগও দায়ের হয়। সম্প্রতি আইনজীবী মারফত পার্থর জামাই আবেদন করেছিলেন, গোপন জবানবন্দির মাধ্যমে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তিনি আদালতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেশ করতে চান। বিচারক তাঁর ওই আবেদন মঞ্জুর করেন। এর পরেই তিনি কলকাতা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতকে দ্রুত কল্যাণময়ের গোপন জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দেন।

    কিছুদিন আগেই পার্থর জামাই আবেদন করেছিলেন প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজসাক্ষী হতে চেয়ে। পরবর্তীতে তা মঞ্জুর হয় ব্যাংকশালে ইডির বিশেষ আদালতে। জানা যায়, নিজের অপরাধ মার্জনা করার আবেদনও জানান কল্যাণময়। এর পরেই ইডির বিশেষ আদালতে বিচারক জানান, কল্যাণময় একজন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দিতে পারেন। তাঁর আবেদন অনুযায়ী, আদালত নির্দেশ দেয়, তিনি নগর ও দায়রা আদালতে ২০ নম্বর জুজিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি দেবেন (Partha Chatterjee)। সেই নির্দেশ মোতাবেক মঙ্গলবার গোপন জবানবন্দি দেন কল্যাণময় (Recruitment Case)।

  • Mhow Violence Case: “তোমাদের শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা আমাদের ছিল”! মহো হিংসায় দায়ের এফআইআর

    Mhow Violence Case: “তোমাদের শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা আমাদের ছিল”! মহো হিংসায় দায়ের এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রীড়াপ্রেমীদের ওপর হিংসার ঘটনায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর। যাদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে (Mhow Violence Case), তাদের মধ্যে রয়েছে তায়্যুব, বাবলু, গোলু, আহমেদ দরবারি, পাপ্পু, আজহার নূর, জামশাদ রেইন, আবদুল রশিদ কুরেশি ওরফে মালাও। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩-এর বিভিন্ন ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এই ধারাগুলি বেআইনি জমায়েত, দাঙ্গা, আঘাত করা এবং অপরাধমূলক ভয় দেখানোর মতো বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত। এফআইআরে নাম রয়েছে আনিস, শেরু, লাল্লু, সৈয়দ নাজিম, ইমরান, আফজল, সোহেল, রফিক এবং আর একজন ইমরান সহ অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের (MP)।

    জয়ের আনন্দ উদযাপন করতে মিছিল (Mhow Violence Case)

    গত ৯ মার্চ, আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫-এ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়ী হয় টিম ইন্ডিয়া। এর পরেই মধ্যপ্রদেশের মহোয় ভারতীয় ক্রিকেট দলের জয়ের আনন্দ উদযাপন করতে মিছিল বের করেন ক্রীড়াপ্রেমীরা। মিছিল এলাকার একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় হিংসার ঘটনা ঘটে। মিছিল লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। প্রাণ ভয়ে পালিয়ে যান মিছিলে থাকা ক্রীড়াপ্রেমীরা (Mhow Violence Case)। তাঁদেরই কয়েকজনের পড়ে থাকা বাইকে এবং বাসেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। হিন্দুদের কয়েকটি দোকানেও আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার জেরে দায়ের হয়েছে এফআইআর। অভিযোগকারীর মতে, মুসলিম সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য মিছিলে থাকা লোকজনের উদ্দেশে অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় গালিগালাজ করছিল।

    ‘আজ আমরা তোমাদের একটা শিক্ষা দেব’

    তারা বারবার চিৎকার করে বলছিল, “আমরা এ জন্য আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিলাম। তোমরা চিৎকার করবে, আনন্দ করবে, আর আজ আমরা তোমাদের একটা শিক্ষা দেব।” মিছিলে থাকা লোকজন এর প্রতিবাদ করলে, মসজিদের সামনে জড়ো হওয়া লোকজন আগে থেকেই জোগাড় করে রাখা ইট-পাথর ছুড়তে থাকে মিছিল লক্ষ্য করে। ইটের ঘায়ে জখম হন মিছিলে থাকা বেশ কয়েকজন ক্রীড়াপ্রেমী। অভিযোগকারী স্বয়ং কাঁধে চোট পেয়েছেন। অভিযোগকারী বলেন, মসজিদের সামনে জড়ো হওয়া লোকগুলো বলছিল আজ তোমরা বেঁচে গেলে। কিন্তু এর পর আমাদের সামনে আর কখনও কোনও শোভাযাত্রা করলে তোমাদের একেবারে শেষ করে দেব।” ইন্দোরের (MP) পুলিশ সুপার রূপেশ কুমার দ্বিবেদী বলেন, “গত রাতে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ১৭ জনের নাম রয়েছে। আমরা ১২ জনকে হেফাজতে নিয়েছি (Mhow Violence Case)।”

  • Bofors Case: বোফোর্স মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নথির খোঁজে আমেরিকার দ্বারস্থ ভারত

    Bofors Case: বোফোর্স মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নথির খোঁজে আমেরিকার দ্বারস্থ ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোফোর্স মামলায় (Bofors Case) গুরুত্বপূর্ণ নথির খোঁজে আমেরিকার দ্বারস্থ হল ভারত (India)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারত এ ব্যাপারে একটি জুডিশিয়াল অনুরোধ পাঠিয়েছে। বোফোর্স কেলেঙ্কারি ৬৪ কোটি টাকার মামলা। সরকার আটের দশকের শেষের দিকে কংগ্রেস সরকারের আমলে সুইডেন থেকে ১৫৫ মিমি ফিল্ড আর্টিলারি গান কেনার সঙ্গে জড়িত এই কেলেঙ্কারির তদন্ত পুনরুজ্জীবিত করতে চাইছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    ‘রোগেটরি লেটার’ (Bofors Case)

    সূত্রের খবর, দিন কয়েক আগে একটি বিশেষ আদালত থেকে জারি করা হয় ‘রোগেটরি লেটার’ (Letter Rogatory)। সেটি পাঠানো হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে। ভারতীয় সংস্থা সেই কেসের বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। এই তথ্য মার্কিন প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থা ফেয়ারফ্যাক্সের প্রধান মাইকেল হার্শম্যানের কাছে ছিল। এই তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছিল যে সুইডিশ অস্ত্র নির্মাতা এবি বোফোর্স ভারত থেকে ৪০০টি হাউইৎজার কামানের অর্ডার পাওয়ার জন্য ঘুষ দিয়েছিল বলে অভিযোগ (Bofors Case)।

    হার্শম্যানের দাবি

    ২০১৭ সালে হার্শম্যান দাবি করেছিলেন, খবর ছড়িয়ে পড়তেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী “রেগে গিয়েছিলেন”। হার্শম্যানের দাবি, তিনি সুইস ব্যাঙ্কে মোঁ ব্লঁ (Mont Blanc) নামের একটি অ্যাকাউন্ট খুঁজে পেয়েছিলেন। এই অ্যাকাউন্টেই বোফোর্সের দেওয়া ঘুষের অর্থ জমা রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। হার্শম্যান আরও দাবি করেছিলেন, তৎকালীন কংগ্রেস সরকার তাঁর তদন্তকে নস্যাৎ করার চেষ্টা করেছিল (India)।

    এজেন্সিটি প্রথমবার দিল্লির আদালতের সঙ্গে অক্টোবর মাসে যোগাযোগ করেছিল। মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনার কথা তাদের জানিয়েছিল। এই পদক্ষেপটি হার্শম্যানের কারণে নেওয়া হয়েছিল। তিনি ভারতীয় এজেন্সিগুলির সঙ্গে সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছিলেন।

    প্রসঙ্গত, ‘লেটার রোগেটরি’ হল একটি আনুষ্ঠানিক, লিখিত অনুরোধ যা একটি দেশের আদালত অন্য দেশের আদালতের কাছে পাঠায় প্রমাণ সংগ্রহ বা ফৌজদারি মামলার তদন্ত এবং বিচারের সুবিধার্থে সহায়তার জন্য।

    ১৯৯০ সালে এই মামলা নথিভুক্ত (India) করেছিল সিবিআই। ১৯৯৯ ও ২০০০ সালে চার্জশিট দাখিল করে। রাজীব গান্ধীকে নির্দোষ ঘোষণা করার পর একটি বিশেষ আদালত হিন্দুজা ভাইদের-সহ বাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগও খারিজ করে দেয় (Bofors Case)।

  • ED: রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের তৎপর ইডি, তল্লাশি হাওড়ার ৩ জায়গায়

    ED: রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ফের তৎপর ইডি, তল্লাশি হাওড়ার ৩ জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন কেলেঙ্কারি (Ration Case) মামলায় ফের তৎপর ইডি (ED)। দিন কয়েক আগেই জামিনে ছাড়া পেয়েছেন ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তারপর বুধবার সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন ইডির আধিকারিকরা। হাওড়ার অন্তত তিন জায়গায় হানা দিয়েছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার নজরে রয়েছে ব্যবসায়ীদের বাড়ি এবং গোডাউনও।

    জামিনে ছাড়া পেয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় (Ration Case)

    ২০২৩ সালের ২৭ অক্টোবর রেশন কেলেঙ্কারি মামলায় ইডি গ্রেফতার করে তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয়কে। তার পর থেকে জেলেই ছিলেন তিনি। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি বিশেষ ইডি আদালত ৫০ লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং ২৫ হাজার টাকার দুটি জামিন বন্ডে শর্তসাপেক্ষে তাঁর জামিন মঞ্জুর করে। তারপর কয়েকদিন কাটতে না কাটতেই রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে ফের তৎপর হল ইডি।

    হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় ইডির হানা

    এদিন সকালে ইডির দফতর থেকে বিভিন্ন দিকে বেরিয়েছে একাধিক দল। সকাল সকালই একটি দল পৌঁছে যায় হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের দক্ষিণ সন্তোষপুরে কৃষ্ণপদ মাল নামে এক ধান ব্যবসায়ীর বাড়িতে। অন্য একটি দল হানা দেয় তাঁর গোডাউনে। এছাড়াও, হাওড়ার একটি সমবায় সমিতিতে চলছে ইডির (ED) অভিযান।

    ইডির আর একটি দল হানা দিয়েছে হাওড়ারই শ্যামপুরের সসাটিতে ব্যবসায়ী পার্থেন্দু জানার বাড়িতেও। কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনে বিভিন্ন রাইস মিলে বিক্রি করেন পার্থেন্দু। তিনি ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত। এদিন যখন ইডির দল তাঁর বাড়িতে হানা দেয়, তখন অবশ্য বাড়িতে ছিলেন না তিনি। তাঁর পরিবার জানিয়েছে, মহাকুম্ভে গিয়েছেন পার্থেন্দু।

    ২০২০ সালে নদিয়া থেকে ৭৬২ কিলো কালোবাজারির আটা উদ্ধারকে কেন্দ্র করেই রেশন কেলেঙ্কারির তথ্য আসে পুলিশের হাতে। প্রথমে নদিয়ার তিনটি থানায় দায়ের হয় অভিযোগ। পরে অভিযোগ ওঠে, রেশনের ২০ থেকে ৪০ শতাংশ গম সরিয়ে ফেলে তাতে সরকারি ছাপ দিয়েই বিপুল টাকায় বিক্রি করা হত কালোবাজারে। এরই তদন্তভার পায় ইডি। তারপরেই গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয়কে। গ্রেফতার (Ration Case) করা হয় বাকিবুর রহমান, শঙ্কর আঢ্য-সহ বেশ কয়েকজনকে (ED)।

  • Supreme Court: ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় বড় কথা বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় বড় কথা বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত (SSC Recruitment Case) ২৬ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আসল ওএমআর শিট না থাকার সমস্যার কথা তুলে ধরলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না। তিনি জানান, আসল তথ্য জানা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, সে ক্ষেত্রে আদালত কী করতে পারে?

    সিবিআইয়ের বক্তব্য (Supreme Court)

    পশ্চিমবঙ্গে এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করছে সিবিআই। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে এ কথা জানান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার আইনজীবী। ২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় হাইকোর্টের রায়কেই সমর্থন করছে সিবিআই। তদন্তকারী এই সংস্থার আইনজীবী বলেন, “নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি হয়েছে। হাইকোর্টের রায় যথার্থ। ওই রায়ই বহাল রাখা হোক।”

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি

    তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য শোনার পর প্রধান বিচারপতি জানান, সমস্যা হল আসল ওএমআর শিট নেই। সে ক্ষেত্রে কোন ওএমআর শিটকে আসল বলে ধরে নেওয়া হবে? তিনি বলেন, “এসএসসি না কি পঙ্কজ বনসলের সংস্থার কাছে তথ্য রয়েছে অনেক সন্দেহ রয়েছে! পঙ্কজ বনসলের সংস্থা থেকে পাওয়া তথ্য নিয়ে সন্দেহ আছে। আসল তথ্য জানা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় আমরা কী করতে পারি?” চারটি বিভাগে কত নিয়োগ হয়েছিল, সে বিষয়টিও সিবিআই এবং এসএসসি কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চান প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না (Supreme Court)।

    গত ২৭ জানুয়ারি এই মামলার শুনানি ছিল দেশের শীর্ষ আদালতে। সেদিন প্রধান বিচারপতি জানতে চেয়েছিলেন, নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে কি না। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া কতটা কঠিন, তাও জানতে চেয়েছিলেন তিনি। সেদিন মূল মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানিয়েছিলেন, অনেকে চাকরির আবেদন না করেও, নিয়োগপত্র পেয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে যাঁরা চাকরির আবেদন করেছিলেন, তাঁদের ফের নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া যেতে পারে। ওই শুনানিতে তিনি পুরো প্যানেলই বাতিল করার জন্য সওয়াল (SSC Recruitment Case) করেন। তিনি বলেছিলেন, “পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে। তাই পুরো প্যানেলই বাতিল করা উচিত (Supreme Court)।”

  • Calcutta High Court: হাইকোর্টের গুঁতো খেয়েই ফিরল হুঁশ, বারাকপুর পুলিশ ছুটল অভিযুক্তকে ধরতে

    Calcutta High Court: হাইকোর্টের গুঁতো খেয়েই ফিরল হুঁশ, বারাকপুর পুলিশ ছুটল অভিযুক্তকে ধরতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতির ধমক খেয়ে হুঁশ ফিরল পুলিশের। বুধবার আদালত থেকে পুলিশকে ভর্ৎসনা করে বলা হয়েছিল, ‘পুলিশ পুরো মেডেল পাওয়ার মতো কাজ করেছে!’ গত ছয়মাস ধরে যে খুনের মামলার কোনও গতি-প্রকৃতি ছিল না, বিচারপতির গুঁতোয় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ সক্রিয় হল। আজ বৃহস্পতিবার বারাকপুর পুলিশ মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার এবং খুনের ধারা যুক্ত করার কথা বলে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়েছে।

    কী বললেন বিচারপতি (Calcutta High Court)

    হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি দেবাংশু বসাক বলেন, “একজনকে ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে নীচে ফেলা হয়েছে, এরপর নীচে নেমে পেটানো হল। এরপরও পুলিশ খুনের ধারা যোগ করার অভিযোগ পেল না! এটাই কি এই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা! সেই সঙ্গে বিচারপতি দেবাংশু বসাক, বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার পর্যবেক্ষণ করে বলেন, “এই ঘটনায় সকল অভিযুক্তদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু পুলিশ কিছুই করেনি। মামলায় সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত।” উল্লেখ্য এক ব্যক্তিকে ছাদ থেকে ফেলে পিটিয়ে খুন করা হয়েছিল। বারাকপুর পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। কিন্তু গত ছয়মাস ধরে মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়নি। খুনের মামলায় পুলিশের সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিচারপতি।

    ২৪ ঘণ্টার মধ্যেও পুলিশ তৎপর

    আদালতে বিচারপতির (Calcutta High Court) ধমকের পর আজ বৃহস্পতিবার বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট রিপোর্ট দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জানায় যে গতকাল আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয়েছে। খুনের ওই মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং খুনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্যবারাকপুর সিপি গত ছয়মাসে যা করেননি কার্যত আদালতের ধমক খেয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় হয়েছেন। ফলে পুলিশ প্রশাসন যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে, তা আরও একবার স্পষ্ট বলে এলাকার মানুষ দাবি করে।

    ঘটনা কী ঘটেছিল?

    মামলা সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনা ঘটেছিল ২০২৩ সালের ২৩ জুন, খড়দহ থানার টিটাগড়ের লক্ষ্মীঘাট এলাকায়। বাড়িভাড়াকে ঘিরে বচসার কারণে আহত হন গোবিন্দ যাদব। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে আরজিকর হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছিল, মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ খুনের ধারা যোগ করেনি পুলিশ। এরপর মামলা গড়ায় উচ্চ আদালতে। এই মামলায় পুলিশকে তীব্র ধমক দেওয়ার ঘটনায় রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বিচারপতি (Calcutta High Court) মন্তব্যে শোরগোল পড়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: নিশীথ-মামলায় সহযোগিতা করছে না রাজ্য পুলিশ! হাইকোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই

    Nisith Pramanik: নিশীথ-মামলায় সহযোগিতা করছে না রাজ্য পুলিশ! হাইকোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nishith Pramanik) কনভয়ে হামলার মামলায় হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলল সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, মামলার নথি হস্তান্তর করছে না রাজ্য পুলিশ। অন্যদিকে এই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে রাজ্য সরকার। 

    আদালতের নির্দেশকে মান্যতা দেওয়া হোক

    বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে সিবিআইয়ের অভিযোগ, নিশীথ প্রামাণিকের (Nishith Pramanik) মামলায় সিবিআইয়ের সঙ্গে কোনও সহযোগিতা করছে না রাজ্য পুলিশ। মামলার নথি হস্তান্তর করছে না। সব ক্ষেত্রে এই অসহযোগিতা কাম্য নয়। আদালতে অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় জানান, ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য। তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, যেহেতু এখনও পর্যন্ত কোনও স্থগিতাদেশ নেই, তাই এই আদালত চায়, তার নির্দেশকে মান্যতা দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পরই হামলা! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু দুজনের, জখম একাধিক কর্মী, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোচবিহারের দিনহাটায়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ডেপুটি নিশীথ প্রামাণিকের (Nishith Pramanik) কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির কাচ ভাঙার পাশাপাশি, গুলি চালানো এবং বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। নিশীথের গাড়িতে হামলার ঘটনায় মোট তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে দু’টি অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। ডিভিশন বেঞ্চ দু’টি মামলারই তদন্তভার সিবিআইকে দেয়। তৃতীয় মামলাটিও সিবিআইকে দেওয়ার আবেদন নিয়ে এ দিন বিচারপতি মান্থার এজলাসে মামলা করেন ২৩ জন বিজেপি সমর্থক। এ দিন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী বলেন, ‘ডিভিশন বেঞ্চে এই এফআইআর সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। আদালতের কাছে রাজ্য তথ্য গোপন করেছে।’ যদিও বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, আপাতত ২০ এপ্রিল পর্যন্ত এই মামলার তদন্ত স্থগিত থাকবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share