Tag: Cattle smuggling case

Cattle smuggling case

  • Anubrata Mondal: নজরে নগদ ২০ কোটি! আরও জেরা বাকি, ফের কি ইডি হেফাজতে কেষ্ট?

    Anubrata Mondal: নজরে নগদ ২০ কোটি! আরও জেরা বাকি, ফের কি ইডি হেফাজতে কেষ্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শুক্রবার ফের অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) হেফাজতে চাইতে চলেছে ইডি। সরকারি-বেসরকারি ব্যাঙ্কে বিভিন্ন সময়ে অনুব্রতর নানা অ্যাকাউন্টে ২০ কোটি টাকা নগদ জমা পড়েছে বলে দাবি ইডির। সেই টাকার বিষয়ে বিশদে জানতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বোলপুর এবং তার আশপাশের ব্যাঙ্কে ২০১৬ থেকে ২০২০ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ধাপে ধাপে জমা পড়েছে এই ২০ কোটি টাকা। এক ব্যাঙ্ক কর্মীকে জেরা করে জানা গিয়েছে কখনও বাড়িতে ডেকে বা চালকের হাত দিয়ে ব্যাঙ্কে টাকা পাঠাতেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। জমা টাকার মধ্যে ৩ কোটি টাকা সুকন্যার নামে এফডি করা হয়েছে, দাবি ইডি-র।

    কোথা থেকে এল এত টাকা

    কেন্দ্রীয় এজেন্সি সূত্রের দাবি, এই টাকা ছাড়াও ২০১৪ সালের ১০ থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে, বোলপুরের কালিকাপুর মৌজায় প্রচুর জমি কেনা হয়েছিল। যার দামের বেশিরভাগটাই মেটানো হয় নগদে। ইডি সূত্রের দাবি, ভোলে ব্যোম রাইস মিলকে সামনে রেখে অনুব্রতর স্ত্রী ছবি মণ্ডলের নামে কেনা হয়েছিল জমি। ইডি সূত্রের দাবি, অনুব্রত মণ্ডলের নামে ২৪টি, তাঁর মেয়ে সুকন্যার নামে ২৬টি, প্রয়াত স্ত্রী ছবি মণ্ডলের নামে ৬টি সম্পত্তির হদিশ পাওয়া গেছে। তদন্তকারীদের মনে প্রশ্ন, গরু পাচারকাণ্ডের কালো টাকা, সাদা করতেই কি কেনা হয়েছিল বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি! অনুব্রতের (Anubrata Mondal) সম্পত্তি ও তাঁর অ্যাকাউন্ট নিয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি।

    আরও পড়ুন: বীরভূমের ‘প্রধানমন্ত্রী’ এখন ভুল বকছেন! অনুব্রতকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আইনজীবীদের সঙ্গে কথা অনুব্রতের

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আদালতের নির্দেশ মতো  অনুব্রতর আইনজীবীরা তাঁর সঙ্গে একান্তে আধঘণ্টা কথা বলেন। দিনভর অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) ঠিক কোন কোন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি, শরীরে কোনও সমস্যা রয়েছে কিনা, ওষুধ ও খাবার হিসেবে সমস্যা হচ্ছে কিনা সেইসব বিষয় ভালভাবে বুঝে নিতে বাঙালি আইনজীবী সম্পৃক্তা ঘোষালকে সঙ্গে নিয়ে অনুব্রতর সঙ্গে দেখা করলেন সিনিয়র আইনজীবী মুদিত জৈন। তবে কী কথা হয়েছে তা বিস্তারিত জানা যায়নি। শুক্রবার ইডি-র হেফাজতে অনুব্রতের তিন দিনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।  সূত্রের খবর, এই তিন দিনের মধ্যে অনুব্রতকে বিশেষ জেরা করে উঠতে পারেননি তদন্তকারীরা। তাঁকে এখনও বিস্তারিত ভাবে জেরা করা বাকি। তাই ফের তাঁকে হেফাজতে নিতে চলেছে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: ছয় দিনে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনেন অনুব্রত! আর কী কী তথ্য ইডির হাতে?

    Anubrata Mondal: ছয় দিনে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনেন অনুব্রত! আর কী কী তথ্য ইডির হাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ছয় দিনে অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকার সম্পত্তি কেনেন বলে দাবি ইডির।  শুধু তাই নয়, বীরভূমের (Birbhum News) তৃণমূল (TMC) সভাপতি অনুব্রত, এই পুরো লেনদেনই নগদে সারেন বলে দাবি তদন্তকারীদের। গরু পাচার মামলায় (cattle Smuggling Case) আপাতত দিল্লিতে অনুব্রত (Anubrata Mondal)।

    এত টাকার উৎস কোথায়

    ইডি সূত্রে খবর , গরুপাচার করে যে টাকা উঠেছে, সেই টাকা কার কার, কোন কোন প্রভাবশালীর কাছে গিয়েছে সেই প্রশ্নের সামনে পড়তে হয় অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। এছাড়াও ২০১৪ ও ২০১৬-তে পরিবার ও নিজের সম্পত্তি বৃদ্ধিতে টাকার উৎস নিয়েও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ২০১৪ সালের ১০ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে, ছয় দিনে সাড়ে ৬ কোটির সম্পত্তি কেনেন অনুব্রত। সেই লেনদেনের বেশ কিছু নথিও ইডির হাতে এসেছে। ইডি সূত্রে জানা যাচ্ছে, বোলপুরের কালিকাপুর মৌজায় কেনা হয়েছিল ওই সমস্ত জমি। কিন্তু নগদে এত টাকা কোথা থেকে এল, প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে ইডি-ও। তদন্তকারীদের দাবি, ভোলে ব্যোম চালকলকে সামনে রেখে স্ত্রী ছবি মণ্ডলের নামে ওই সমস্ত জমি কেনেন অনুব্রত। নিজের নামেও কেনেন জমি। 

    আরও পড়ুন: প্রশ্নবাণে চোখ ছলছল! ইডির জেরায় ভেঙে পড়লেন কেষ্ট মণ্ডল

    গরুপাচারের থেকে পাওয়া টাকাতেই অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এবং পরিবারের সম্পত্তি বৃদ্ধি বলে দাবি করে আসছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লিতে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার পরে সেইসব অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও ইডির আরও অভিযোগ ডিডে বাজার মূল্যের থেকে এইসব জমির কম মূল্য দেখানো হয়েছে। ২৩ লক্ষ টাকার সম্পত্তিকে ৮ লক্ষ টাকা দেখানো হয়েছে বলে দাবি ইডির। সূত্রের খবর, অনুব্রতর কাছ থেকে মূলত টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইছে ইডি। কয়েক বছরের মধ্যে কী ভাবে রকেটের গতিতে অনুব্রতর(Anubrata Mondal) সম্পত্তি বেড়েছে, টাকা কোথা থেকে এসেছে, রাজনৈতিক নেতা অনুব্রতর রোজগারই বা কী, এসবই জানতে চাইছেন ইডি-র তদন্তকারীরা।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী অনুব্রত মণ্ডল নাকি জানিয়েছেন, তিনি কিছুই মনে করতে পারছেন না। এব্যাপারে ইডির আধিকারিকদের অভিযোগ, তদন্তে সহযোগিতা করছেন না অনুব্রত মণ্ডল। বিষয়টি আদালতেও জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্টকে জেরা করতে গঠন ৬ সদস্যের বিশেষ দল! কী কী প্রশ্ন করবে ইডি?

    Anubrata Mondal: কেষ্টকে জেরা করতে গঠন ৬ সদস্যের বিশেষ দল! কী কী প্রশ্ন করবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার গভীর রাতে অনুব্রত মণ্ডলকে ইডি হেফাজতে নেওয়ার পরই আজ সকাল থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে জেরা। আবার সেই জেরার মাঝেই তাঁকে আজ আধ ঘণ্টার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সরকারি হাসপাতালে। এর পর ফের শুরু হয়েছে জেরা। সূত্রের খবর, কেষ্টকে জেরায় এবার বিশেষ দল গড়েছে ইডি। ৬ সদস্যের বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দলের নেতৃত্বে দুঁদে আইপিএস, ইডির স্পেশাল ডিরেক্টর সনিয়া নারাং। তবে সরকারিভাবে কেউই এই খবরের সত্যতা স্বীকার করেননি। দিল্লি অফিসে অনুব্রত মণ্ডলকে জেরা করবেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, অনুব্রতর জন্য প্রশ্নবাণ তৈরি করেছে ইডি। 

    কী কী প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হবে অনুব্রতকে?

    জানা গিয়েছে, তাঁকে জিজ্ঞেস করা হবে এনামুল হকের সঙ্গে পরিচয় কীভাবে? গরু পাচারে প্রোটেকশন মানি পেয়েছেন কি না? আয়ের উত্‍স কী? একাধিক রাইস মিল কার টাকায় কেনা? বিরাট অঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটের উত্‍স কী ইত্যাদি। জানা যাচ্ছে, গোটা জেরাপর্বের ভিডিও রেকর্ডিং করা হবে। এছাড়াও এনামুল হক, সায়গল হোসেন, হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি ও আরও বেশ কয়েকজন সাক্ষীর বক্তব্যের ভিত্তিতে অনুব্রতকে প্রশ্ন করবে ইডি। সবথেকে প্রথমে যে প্রশ্নটা করা হতে পারে, তা হল এনামুল হককে কীভাবে চেনেন অনুব্রত? সিবিআইও আগে এই প্রশ্ন করেছিল। দ্বিতীয় প্রশ্নটি সায়গল হোসেনের কল রেকর্ড নিয়ে। দেখা গিয়েছে, এনামুল হকের সঙ্গে ২০১৭-১৮ সালে সায়গল হোসেনের ৭৫ বার কথা হয়েছে। সায়গলের মোবাইল ব্যবহার করে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে একাধিকবার এনামুল হকের কথা হয়েছে। ফলে প্রশ্ন, এতবার কী নিয়ে কথা হয়েছে? এরপর অনুব্রত মণ্ডলের কাছ থেকে তাঁর গত পাঁচ বছরের আয়করের হিসাব চেয়ে ছিলেন তদন্তকারীরা। সেই থেকে তাঁর আয়বৃদ্ধির ব্যাপারে প্রশ্ন করা হবে তাঁকে। এছাড়াও অন্যের পাওয়া লটারিও নিজে মোটা টাকায় কিনে নিয়েছেন অনুব্রত, সেটা জানতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশিই রাইস মিল-সহ বিভিন্ন সম্পত্তি নিয়েও জেরা করা হবে অনুব্রতকে।  

    আরও পড়ুন: ভেঙে পড়ছে সাম্রাজ্য! অনুব্রত প্রসঙ্গে মমতাকে খোঁচা অমিত মালব্যর

    হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কেষ্টকে

    বুধবার ‘হোলি’ তথা ছুটির দিন হলেও ইডির অফিসারেরা অনুব্রতকে তাঁদের সদর দফতরে জেরা করা শুরু করেছেন। তবে বিচারক অনুব্রতের দৈনিক স্বাস্থ্যপরীক্ষা করানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তাই সকালের কিছু পরে তাঁকে রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে আধঘণ্টা ধরে স্বাস্থ্যপরীক্ষার পরে আবার অনুব্রতকে ইডির সদর দফতরে এনে জেরা করা শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: মধ্যরাতে নাটকীয় শুনানি! ১০ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ অনুব্রতকে

    Anubrata Mondal: মধ্যরাতে নাটকীয় শুনানি! ১০ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ অনুব্রতকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে নাটকীয় শুনানি পর্বের শেষ হল মঙ্গলবার মধ্যরাতে। গতকাল গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া এবং শুনানি নিয়ে টানটান নাটক চলে। এই মামলার এবং হেভিওয়েট নেতার গুরুত্ব অনুধাবন করেই রাতে বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতির ভার্চুয়াল শুনানি করা হয়। কিন্তু পরে রাত দেড়টা নাগাদ সশরীরে দিল্লির বিচারকের বাড়িতেই হাজিরা দিতে হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। তার পর বিচারকের বাড়িতেই মাঝরাত অবধি চলে শুনানি পর্ব। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক রাকেশ কুমার রায় দেন আগামী ১০ মার্চ অবধি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর হেফাজতেই থাকবেন কেষ্ট। তবে ৩ দিন ইডি হেফাজতের নির্দেশের পরেও এ প্রসঙ্গে নিরুত্তর থেকেছেন অনুব্রত মণ্ডল।

    বিচারকের বাড়িতে অনুব্রতের শুনানি

    গতকাল অনুব্রতকে নিয়ে রাজধানী পৌঁছে যাওয়ার পরেই বিচারক রাকেশ কুমারের এজলাসে শুনানির আবেদন জানায় ইডি। কিন্তু বুধবার হোলি উপলক্ষে আদালত ছুটি। তাই মঙ্গলবার রাতেই তারা রাকেশ কুমারের এজলাসে ভার্চুয়ালি হাজির করায় অনুব্রতকে। রাত ১১টা ২০ নাগাদ শুরু হয় সেই শুনানি। কিন্তু আধঘণ্টার মধ্যেই সেই শুনানি মাঝপথে স্থগিত হয়ে যায়। সিদ্ধান্ত হয়, দু’পক্ষই যাবে বিচারকের বাড়ি। শেষে রাত ১টা নাগাদ অশোকবিহারে বিচারক রাকেশ কুমারের বাড়িতে অনুব্রতকে নিয়ে ইডি আধিকারিকেরা যান। অনুব্রতের আইনজীবীও সঙ্গে ছিলেন। বিচারকের সামনে সশরীরে হাজির করানো হয় অনুব্রতকে। প্রথমে অনুব্রতকে ১৪ দিনের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার আইনজীবী। তাতে আপত্তি জানান অনুব্রতের আইনজীবী মুদিত জৈন। শেষপর্যন্ত তাঁকে আগামী ১০ মার্চ ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সকাল ১০টায় আবার ইডিকে রাউস অ্যাভিনিউ কোর্টে অনুব্রতকে হাজির করাতে হবে।

    ইডির আইনজীবীর বক্তব্য

    ১১টা ২০ নাগাদ ভার্চুয়ালি শুনানির শুরুতেই বিচারক রাকেশ কুমার বলেন, “অনেক দিন পরে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দিলাম। তাই একটু সমস্যা হচ্ছে।” তবে অনুব্রতের আইনজীবী মুদিত বলেন, “এই মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরা হওয়া উচিত নয়। সশরীরে হাজিরা দেওয়ার কথা।” ওই আইনজীবীর অভিযোগ, মক্কেলের সঙ্গে তাঁর কোনও কথা বলা হয়নি। তিনি কথা বলার সুযোগই পাননি। অনুব্রতের আইনজীবী এ-ও জানান, মঙ্গলবার টানা সফর করতে হয়েছে তাঁর মক্কেলকে। তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। অনুব্রত অসুস্থ। তাঁকে সময় দেওয়া হোক। এখন হাজিরা বাতিল করা হোক বলে আর্জি জানান মুদিত।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে অনুব্রত মণ্ডল কেমন থাকবেন জানালেন দিলীপ ঘোষ

    এরপরেই ইডির আইনজীবীর সওয়াল, “করোনা পরিস্থিতিতে অনেক সময় ভার্চুয়াল পদ্ধতি কাজে লাগানো হয়েছে। অনুব্রতের আইনজীবীই তো সশরীরে হাজির হননি!” বিচারকের উদ্দেশে ইডির আইনজীবী বলেন, “তা হলে ৩০ মিনিট সময় দিন। অনুব্রতকে নিয়ে আপনার বাড়ি আসছি।” এর পরেই ঠিক হয় অনুব্রতকে নিয়ে বিচারক রাকেশ কুমারের বাড়িতে যাবে ইডি। শেষ হয়ে যায় ভার্চুয়াল শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: পুলিশ ইডি চাপান-উতোর, অনুব্রতর দিল্লিযাত্রা কবে?

    Anubrata Mondal: পুলিশ ইডি চাপান-উতোর, অনুব্রতর দিল্লিযাত্রা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশ-ইডি (ED)-র ঠেলাঠেলি। তার জেরে তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) কবে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে, তা নিয়ে উঠে গেল বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন। গরু পাচার কেলেঙ্কারি মামলায় ধৃত অনুব্রতকে পুলিশ না ইডি-কে দিল্লি নিয়ে যাবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চাপান-উতোর। পুলিশ আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, আসানসোল জেল থেকে নিরাপত্তা দিয়ে অনুব্রতকে তারা কলকাতায় নিয়ে যেতে পারবে না। পুলিশের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিও জানিয়ে দিল, নিরাপত্তা দিয়ে অনুব্রতকে তারাও দিল্লি নিয়ে যেতে পারবে না।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। দিল্লিযাত্রা ঠেকাতে জোড়া মামলা দায়ের করেন অনুব্রত। একটি কলকাতা হাইকোর্টে, অন্যটি দিল্লি হাইকোর্টে। শনিবার কলকাতা হাইকোর্ট অনুব্রতর আর্জি খারিজ করে দেয়। বিচারপতি বিবেক চৌধুরী নির্দেশ দেন, প্রয়োজন মনে করলে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারবে ইডি। তবে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার আগে কলকাতার কেন্দ্রীয় কোনও হাসপাতাল থেকে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরেই অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়। ওই দিনই আসানসোল জেলে চিঠি পাঠায় ইডি।

    আরও পড়ুুন: আরজেডি-র সঙ্গ ছেড়ে ফের বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন নীতীশ?

    জানতে চাওয়া হয়, কখন জেল কর্তৃপক্ষ অনুব্রতকে রওনা করাবেন? সূত্রের খবর, আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ ইডিকে সাফ জানিয়ে দেয় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতিকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না পুলিশ। ইডি যেন নিজেই দায়িত্ব নেয়। রবিবার ইডিও হাত তুলে নেয়। তারা জানিয়ে দেয়, অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব তাদের নয়। পরে আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা জানায়, যেভাবে সায়গল হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেভাবেই অনুব্রতকেও নিয়ে যেতে হবে। জটিল এই সমস্যার সমাধানে আইজি কারাকে চিঠি দিয়েছেন আসানসোল জেল কর্তৃপক্ষ। সোমবার এ ব্যাপারে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছে ইডি।

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। তাঁর বিরুদ্ধে ১৯ ডিসেম্বর জারি হয় প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট। তার পরেও তা কেন কার্যকর করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে দিল্লি আদালত। হলফনামা দিয়ে পুরো বিষয়টি আদালতে জানানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় ইডির আইনজীবীকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Anubrata Mondal: ইডিকে দিল্লি-যাত্রার সবুজ সঙ্কেত, আবেদন নাকচের সঙ্গে অনুব্রতকে জরিমানাও হাইকোর্টের

    Anubrata Mondal: ইডিকে দিল্লি-যাত্রার সবুজ সঙ্কেত, আবেদন নাকচের সঙ্গে অনুব্রতকে জরিমানাও হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে দিল্লি যেতেই হচ্ছে কেষ্টকে। দিল্লি যাত্রা আটকাতে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল৷ কিন্তু সেই আবেদনে সাড়া দিল না কলকাতা হাইকোর্ট৷ বরং মামলা সংক্রান্ত তথ্য লুকনো এবং আদালতের সময় অপচয়ের জন্য অনুব্রত মণ্ডলকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী৷

    আরও অস্বস্তিতে অনুব্রত মণ্ডল

    এদিন কলকাতা হাইকোর্টে জোর ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলের। খারিজ হয়ে গেল অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) আবেদন। অনুব্রত মণ্ডলকে কোনও আইনি রক্ষাকবচ দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। দিল্লি যাত্রা আটকাতে কোনও নির্দেশ দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। ফলে আপাতত গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা থাকছে না। তাই ইডি যে কোনও দিন জেরা করার জন্য তাঁকে দিল্লি নিয়ে যেতে পারে।

    তবে শুধু যে আবেদন খারিজ হয়েছে, তা নয়, তাঁকে জরিমানাও করা হয়েছে। কারণ আদালতের পর্যবেক্ষণ, দিল্লি এবং কলকাতা, দুই হাইকোর্টের দুই রাজ্যের শীর্ষ আদালত থেকে তথ্য লুকিয়ে হয়রানি করেছেন অনুব্রত। ফলে তাঁকে ১ লক্ষ টাকার জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি বিবেক চৌধুরী।

    বিচারপতির প্রশ্নের মুখে কেষ্টর আইনজীবী

    শনিবার আদালতে শুনানি চলাকালীন তৃণমূল নেতার আইনজীবী জানান, শারীরিক ভাবে অনুব্রত অসুস্থ। যার প্রেক্ষিতে ইডি জানায় প্রয়োজনে দিল্লি এইমসে চিকিৎসার বন্দোবস্ত হবে অনুব্রতের (Anubrata Mondal)। বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর এজলাসে অনুব্রতের আইনজীবী জানান, দিল্লি হাইকোর্টে ইডি মৌখিক ভাবে আশ্বাস দিয়েছিল ওই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাজিরা করানো হবে।

    এরপরেই বিচারপতি বিবেক চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ, এটা গুরুত্বপূর্ণ মামলা। আর নির্দেশনামাতেও কিছু নেই। ৪ মাস ধরে ইডির মৌখিক আশ্বাসের পর আলাদা করে নির্দেশনামায় বিষয়টি উল্লেখ করা প্রয়োজন হল কেন? বিচারপতির প্রশ্ন, “এখানে বার বার দেখেছি মৌখিক আশ্বাস নির্দেশনামায় উল্লেখ করতে বলেন। তবে দিল্লি হাইকোর্টে এটা করলেন না কেন? যেখানে আপনাদের অভিযোগ হচ্ছে ইডি আপনাদের মিথ্যা মামলায় জড়াচ্ছেন।”

    পাল্টা অনুব্রতর আইনজীবী জানান, “আমরা পেশাগত সৌজন্যতার ওপর ভরসা রেখেছিলাম। গত ২১ ডিসেম্বর জেল কর্তৃপক্ষকে ইডি ইমেল করে জানায় এখনই কোনও পদক্ষেপ করা হবে না। কিন্তু তারপরও কেন এমন করছে ইডি? ১৭ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্টে শুনানি রয়েছে। ওই দিন পর্যন্ত রক্ষাকবচ দেওয়া হোক।”

    অন্য দিকে, অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) নিশানা করেন ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, “এক অন্য হাইকোর্ট থেকে অন্য হাইকোর্টে আবেদন করছেন অনুব্রত। তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ছুটির দিনে আদালতের সময় নষ্ট করা হয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে বলব, বড় জরিমানা করা উচিত।” প্রশ্ন করেন, “পছন্দের রায় না পেতেই কি বার বার আদালত পরিবর্তন? এমনকি, শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে জানানো হয়েছে এখান থেকে মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। অথচ শুনানি হচ্ছে। অনুব্রত একজন নীতিহীন বিচারপ্রার্থী।”

    এরপর দুপক্ষের বক্তব্য শুনে বিচারপতি বিবেক চৌধুরী অনুব্রতর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন ও কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি আদালত। উল্টে একই মামলা ২টি আদালতে করে আদালতের সময় নষ্ট করায় অনুব্রতকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Anubrata Mondol: অবশেষে দিল্লির পথে কেষ্ট! গরু পাচারকাণ্ডে ইডির আবেদনে সম্মতি আসানসোল আদালতের

    Anubrata Mondol: অবশেষে দিল্লির পথে কেষ্ট! গরু পাচারকাণ্ডে ইডির আবেদনে সম্মতি আসানসোল আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় আপাতত দিল্লি যেতেই হচ্ছে তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে।  অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যেতে ইডির করা আবেদনে বৃহস্পতিবার সম্মতি দিল আসানসোল আদালত। যার ফলে কেষ্টর দিল্লিযাত্রা এখন সময়ের অপেক্ষা বলা চলে। শুক্রবারই তাঁকে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে। 

    দিল্লির পথে অনুব্রত!

    দু’দিন আগে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট ইডিকে প্রশ্ন করেছিল, অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কেন এখনও দিল্লি (Delhi) নিয়ে গিয়ে জেরা করা হয়নি? কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে আদালতে জানানো হয়, দিল্লি আসা রুখতে আগেই দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করে রেখেছেন অনুব্রত। সেই মামলা বিচারাধীন। বিচারপতি প্রশ্ন করেন, সেই মামলায় তো কোনও রায় বেরোয়নি, দিল্লি হাইকোর্টে কোনও স্থগিতাদেশও দেয়নি। অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে আসা যেতেই পারে। সেখানে কোনও বাধা থাকতে পারে না। এরপরই দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের নির্দেশ নিয়ে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে (CBI Court) আর্জি জানিয়েছিল ইডি। বৃহস্পতিবার তাতে সবুজ সঙ্কেত দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। 

    আরও পড়ুন: অযোগ্য ৬১৮ জন শিক্ষকের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করল এসএসসি

    গরু পাচার মামলায় যৌথ ভাবে তদন্ত চালাচ্ছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি। ওই মামলায় গ্রেফতার অন্যতম অভিযুক্ত তথা অনুব্রতের এক সময়ের দেহরক্ষী সহগল হোসেন রয়েছেন তিহাড় জেলে। গত ২০ ডিসেম্বর আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইডি। তখনই শিবঠাকুর মণ্ডল নামে এক তৃণমূলি পঞ্চায়েত প্রধানের করা খুনের চেষ্টার অভিযোগে অনুব্রতকে আসানসোল জেলে গিয়ে গ্রেফতার করে দুবরাজপুর থানার পুলিশ। এর পর তাকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। কিন্তু এবার আর শেষ রক্ষা হল না। সবকিছু গুছিয়ে নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকে আগামী কাল শুক্রবার দিল্লি নিয়ে যাবে ইডি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: মাইনে এক হাজার, অথচ ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ! অনুব্রতর পরিচারকের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ!

    Anubrata Mondal: মাইনে এক হাজার, অথচ ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ! অনুব্রতর পরিচারকের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলার তদন্তে নেমে বীরভূমের সিউড়ি সমবায় ব্যাঙ্কে তিনশোর বেশি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের খোঁজ পেয়েছিল সিবিআই। গরুপাচারের কালো টাকা সাদা করার কাজে ব্যবহার করা হতো ওই অ্যাকাউন্টগুলি। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়েই এবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) পরিচারকের ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট ফ্রিজ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (CBI)।

    টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন

    সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে অনুব্রত মণ্ডলের পরিচারকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অনুব্রতর ওই পরিচারকের নাম বিজয় রজক। তাঁর অ্যাকাউন্টে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা রয়েছে। কিন্তু এই টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে তদন্তকারী আধিকারিকদের মনে। ওই টাকার উৎস কী? কিভাবে এল তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। 

    সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রতর পরিচারক হিসেবে মাসে মাত্র কয়েক হাজার টাকা আয় হলেও ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। এমন কি, এখনও ওই অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা রয়েছে৷ গরুপাচারের টাকাই এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। কারা কারা এই টাকা নিতেন এবং কোথায় সেই টাকা গুলি যেত সেটাকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তদন্তকারীদের অনুমান পরিচারকের পরিচয়পত্র দিয়ে এই অ্যাকাউন্ট খুলে গরু পাচারের টাকা কেষ্টর নির্দেশেই লেনদেন করা হত। এত টাকার লেনদেন রজতের আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন বলে মনে করছে সিবিআই। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে যাতে কোনও টাকা তোলা না যায় বা অন্যত্র সরানো না যায়, বীরভূমের সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে সেই নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷

    আরও পড়ুুন: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    এর আগে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সিউড়ি সমবায় ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন  যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই এই অ্যাকাউন্ট গুলো খোলা হয়েছিল। যাঁদের নামে অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছে তাঁরা কেউ জানেন না তাঁদের নামে রয়েছে অ্যাকাউন্ট। পঞ্চায়েত অফিসে আধার কার্ড জমা দিয়েছিলেন তাঁরা। সেই আধারকার্ড দেখিয়েই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয় বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: জামিন হল না কেষ্টর! ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ সিবিআই আদালতের

    Anubrata Mondal: জামিন হল না কেষ্টর! ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ সিবিআই আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ১৪ দিন জেলবন্দি হয়ে থাকতে হবে কেষ্টকে। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। সূত্রের খবর, এদিন জামিনের জন্য কোনও আবেদনই করা হয়নি। আগের জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে শুক্রবার তাঁকে আবার আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। সেই শুনানিতেই এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। গরু পাচারের এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৩ মার্চ।

    জামিনের আবেদন করলেন না অনুব্রতের আইনজীবী

    সূত্রের খবর, গতবারের মত এবারও অনুব্রতর আইনজীবী জামিনের আবেদন করেননি। এছাড়াও সিবিআই সূত্রে খবর, শুক্রবার অনুব্রতের বিরুদ্ধে বেশ কিছু নথি আদালতে জমা করা হয়েছে। সম্প্রতি হদিশ পাওয়া শতাধিক বেনামি ও ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথিও রয়েছে। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, সেই সব অ্যাকাউন্ট থেকে অনুব্রত ও তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’দের চালকলের টাকার লেনদেন হয়েছে। সেই তথ্যই আদালতকে দেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির পর শাসকদলের নেতাকে আরও ১৪ দিন জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের নয়া মোড়! সিবিআইয়ের জালে বাগদার ‘রঞ্জন’

    অনুব্রতকে জেরা সিবিআইয়ের

    প্রসঙ্গত, গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতারির পর আসানসোল সংশোধনাগারে রয়েছেন অনুব্রত। অনু্ব্রতর গ্রেফতারির পর তাঁর ঘনিষ্ঠ সায়গল হোসনকে তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। অনুব্রতকেও দিল্লি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে ইডি। ইতিমধ্যেই তাঁর মেয়েকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর আগেই সিবিআই দাবি করেছিল, আগের ১৭৭ বাদে সম্প্রতি আরও ১১৫টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে৷ ওই ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলি থেকে চারটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকা পাঠানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করে সিবিআই। আর এই অ্যাকাউন্টগুলোর মাধ্যমে গরু পাচারের টাকা লেনদেন হত বলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অনুমান। আবার গতকাল, বৃহস্পতিবার আসানসোল সংশোধনাগারে গিয়ে অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। কিন্তু সদুত্তর মেলেনি বলে দাবি সিবিআইয়ের।

    প্রসঙ্গত, এদিন অনুব্রতর পাশাপাশি তাঁর এককালের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করানো হয়। গরু পাচারকাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের করা মামলায় বর্তমানে তিহার জেলে রয়েছেন সায়গল। 

  • Anubrata Mondal: কেষ্ট কাণ্ডে নয়া মোড়! ১১৫ টি বাফার অ্যাকাউন্টের হদিশ, বিস্ফোরক দাবি সিবিআইয়ের

    Anubrata Mondal: কেষ্ট কাণ্ডে নয়া মোড়! ১১৫ টি বাফার অ্যাকাউন্টের হদিশ, বিস্ফোরক দাবি সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে এল নয়া মোড়। কেষ্টর বিরুদ্ধে আরও এক বিস্ফোরক তথ্য আদালতে জানিয়েছে সিবিআই। গরুপাচারের টাকা লেনদেনের জন্য আরও ১১৫টি বাফার অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। আরও অবাক করা বিষয়, এই অ্যাকাউন্টগুলি করোনা কালে মাত্র ২ দিনে খোলা হয়েছিল। আরও জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য পঞ্চায়েতে যে নথি জমা করেছিলেন উপভোক্তারা, সেই নথি দিয়েই এই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছিল। লক্ষ-লক্ষ টাকা এই অ্যাকাউন্টগুলিতে ঢুকেছে। ইতিমধ্যেই এই অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত সমস্ত নথি সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে আসানসোল সিবিআই আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। ফের এমন বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য দিল সিবিআই

    এদিন আসানসোল আদালতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ জানায় সিবিআই। আদালতে কেন্দ্রীয় সংস্থা দাবি করেছে আরও ১১৫টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। এই সব অ্যাকাউন্টের তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে আদালতে। সিবিআই আদালতকে জানিয়েছে, ওই ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলি থেকে চারটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টে নিয়মিত টাকা পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে জানিয়েছে, করোনা অতিমারির সময় দু’দিনের মধ্যে এই ১১৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল।

    সিবিআই আদালতে আরও দাবি করেছে, গরু পাচারের টাকাই এই অ্যাকাউন্টগুলিতে রাখা হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে জানিয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তৈরির জন্য পঞ্চায়েত অফিসে জমা হওয়া নথি থেকে এই ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছে। সিবিআই দাবি করেছে, এখনও পর্যন্ত ১৬ জন অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে চিহ্নিত করা গিয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকেরই দাবি অ্যাকাউন্টগুলি তাঁদের খোলা নয় এবং টাকাও তাঁদের নয়। তাঁরা কেবল ছাপ দিয়েছেন।

    রাজীব চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    গরু পাচার কাণ্ডে উঠে এসেছে রাজীব চট্টোপাধ্যায়র নাম। সিবিআই জানিয়েছে, এই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ রাজীব ভট্টাচার্যের অ্যাকাউন্টে ৬৬ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। তদন্তকারীরা আদালতে জানিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রীর চিকিৎসায় টাকা দিয়েছিলেন যে রাজীব চট্টোপাধ্যায় তাঁর অ্যাকাউন্টেও গিয়েছে গরু পাচারের টাকা। এই সব সমবায় ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকেই ঘুর পথে গরু পাচারের টাকা ঢুকেছে কেষ্টর অ্যাকাউন্টে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তদন্তকারীরা।

    অন্যদিকে এই অ্যাকাউন্টগুলি যে প্রভাব খাটিয়ে তৈরি করা হয়েছে সেকথা স্বীকারও করে নিয়েছেন ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। উল্লেখ্য, এর আগে অনুব্রত মণ্ডলের গরু পাচার কাণ্ডে ১৭৪ টি এবং ৫৪টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল।

    ফের ১৪ দিনের জেল কেষ্টর

    এদিন গরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শুক্রবার অনুব্রতকে আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে পেশ করা হয়। সওয়াল জবাব শেষে আদালত কেষ্টর ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। অর্থাৎ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অবধি অনুব্রতকে আসানসোল কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে বন্দি হয়ে থাকতে হবে। এদিন আদালতে অনুব্রতের জামিনের আবেদন করেননি তাঁর আইনজীবীরা। ১৭ ফেব্রুয়ারি কেষ্টকে আবার আদালতে পেশ করা হবে।

LinkedIn
Share