Tag: Cattle smuggling case

Cattle smuggling case

  • Cattle Smuggling Case: সিবিআই-এর কাছে সম্পত্তির খতিয়ান জমা দিলেন অনুব্রত কন্যা

    Cattle Smuggling Case: সিবিআই-এর কাছে সম্পত্তির খতিয়ান জমা দিলেন অনুব্রত কন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গ্রেফতার পর থকেই তদন্তকারীদের নজরে ছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)। তাঁর বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি নিয়ে আগে থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছিল। পেশায় একজন শিক্ষিকা হয়েও এত বিপুল সম্পত্তি কোথায় থেকে পেলেন তা নিয়েই প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছিল। আর এই সম্পত্তির সন্ধান করতে হন্যে হয়ে পড়েছিলেন তদন্তকারীর দল। সুকন্যাকে এই সম্পত্তির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলেও তিনি মুখে কুলুপ আঁটেন ও তাঁর থেকে তেমন কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। আর তার ফলেই সুকন্যাকে তাঁর সম্পত্তির হিসেব পেশ করতে নোটিস দেওয়া হয়েছিল সিবিআই-এর (CBI) তরফে। আর আজ সেই সম্পত্তি সংক্রান্ত নথি দেওয়া হল সিবিআই-এর অফিসে।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আজ, বুধবার নিজাম প্যালেসে সব সম্পত্তির হিসাব দিয়েছেন সুকন্যা। তাঁর নামে থাকা টাকা, সম্পত্তি, গত ৫ বছরের আয়করের হিসেবও দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এদিন তিনি নিজে আসেননি সিবিআই দফতরে। তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে এই নথি পাঠান তিনি।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত-কন্যার ব্যাংকের নথি চাইল সিবিআই! মেয়ের অ্যাকউন্ট থেকেই কি লেনদেন?

    উল্লেখ্য, কয়েকটি সংস্থা ও একটি রাইস মিলের ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর নাম এর আগেই পাওয়া গিয়েছে। আর সেকারণেই আয়-ব্যয়ের নথি খতিয়ে দেখতে চায় সিবিআই। এরপর তাঁর বাড়ি গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞসাবাদ করার পরেই তাঁর সমস্ত সম্পত্তির হিসাব দেখতে চায় সিবিআই। এর আগেও সুকন্যা মণ্ডলের অ্যাকাউন্ট, ব্যবসা ও কোম্পানি সংক্রান্ত সমস্ত নথি চেয়ে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু তখন নথি জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। এমনকি তাঁর নামে অনেক ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হদিশও পাওয়া যায়। ফলে যেসব ব্যাংকে তাঁর অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেইসব ব্যাংকেও হানা দিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। এবার তিনি সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন তথ্যও দিয়েছেন সিবিআই-কে। এছাড়া যেসব রাইস মিল তাঁর নামে পাওয়া গিয়েছিল, সেই সংক্রান্ত নথিও পেশ করেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, তবে শুধু আয়-ব্যয় নথি নয়, বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের দিকেও নজর রেখেছিলেন সিবিআই। এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সুকন্যা দাবি করেছিলেন যে, এবিষয়ে হিসাব রক্ষক মণীশ কোঠারি সব জানেন। পরে এনাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। তবে শুধুমাত্র কেষ্ট কন্যা সুকন্যা নয়, সিবিআই-এর নজরে রয়েছেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যবসায়ীও। তাঁদেরও তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। তবে আজকের এই নথিতে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

  • Cattle Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় নয়া মোড়, এবার সায়গলের স্ত্রী-মাকে তলব ইডির

    Cattle Smuggling Case: গরুপাচার মামলায় নয়া মোড়, এবার সায়গলের স্ত্রী-মাকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের (Saigal Hossain) মা ও স্ত্রীকে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। জানা গিয়েছে সায়গলের মা এবং স্ত্রীর নামে বিপুল সম্পত্তির হদিস পেয়েছেন গোয়েন্দারা। আর সেই সম্পত্তির উৎস কী তা জানতেই এই তলব। ঠিক কবে ডেকে পাঠানো হয়েছে সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। সূত্রের খবর ইডির এই তলবের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) দ্বারস্থ হতে পারে সায়গলের পরিবার। 

    এর আগে সিবিআই- এর তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল সায়গলের সম্পত্তির পরিমাণ ১০০ কোটিও ছাড়িয়ে যেতে পারে। কী করে একজন দেহরক্ষীর কাছে এই বিপুল পরিমাণ টাকা এল তা ভাবাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। 

    আরও পড়ুন: রাজ্য নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের শাখা! দাবি সুকান্তর, আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী?

    এদিকে দফায় দফায় কেষ্ট কন্যা সুকন্যাকে (Sukanya Mondal) জেরা করেও সম্পত্তির উৎসর বিষয়ে কিছুই জানতে পারছেন না সিবিআই গোয়েন্দারা। এর আগে ১৭ অগাস্ট বাড়ি গিয়ে সুকন্যাকে জেরা করেন গোয়েন্দারা। ফের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে সুকন্যাকে জেরা শুরু করেছে সিবিআই। কিন্তু এখনও বিষয়ে মুখ খোলেননি সুকন্যা।  ‘ভোলে বোম’ এবং’ শিব শম্ভু’ রাইস মিলের বিষয়েও মুখ খোলেননি তিনি। এই দুটি চালকলের যৌথ মালিক অনুব্রত কন্যা এবং বিদ্যুৎবরণ গায়েন। একজন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক এবং একজন পুরসভা কর্মী কোনও  ঋণ না নিয়ে কী করে ৫ কোটি টাকার মিল কিনলেন, সেই প্রশ্ন গোয়েন্দারা বার বার করলেও কোনও সদুত্তর দেননি সুকন্যা। 

    অনুব্রতর দুর্নীতির বিরুদ্ধে একের পর এক ঠোস প্রমাণ এসেছে সিবিআই- এর হাতে। বাবা-মেয়ের ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের হদিসও পেয়েছে গোয়েন্দারা। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতির সব দুর্নীতিতেই যে তাঁর মেয়ে সমান অংশীদার সে বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযানে আহত নেতা-কর্মীদের বাড়িতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, কী বললেন তাঁরা?

    গরুপাচার (Cattle Smuggling Case) মামলায় উত্তাল রাজ্য। ইতিমধ্যেই শাসক দলের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর দেশরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। দু’জনেই এই মুহূর্তে আসানসোল সংশোধনাগারে রয়েছেন। এতদিন এই মামলায় তদন্ত চালাচ্ছিল সিবিআই (CBI)। কিছুদিন ধরেই জল্পনা ছিল যে কোনও মুহূর্তে মামলায় তদন্তে নামতে পারে ইডি (ED)। ইডির সায়গলের স্ত্রী-মাকে তলবে সেই জল্পনাতেই শিলমোহর পড়ল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Cattle Smuggling: দুটি গাড়ি দিয়েছিলেন নেতাকে,  অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মলয় পিটকে তলব সিবিআই-এর

    Cattle Smuggling: দুটি গাড়ি দিয়েছিলেন নেতাকে, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মলয় পিটকে তলব সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার (Cattle Smuggling Case) মামলায় আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। সিবিআই (CBI) স্ক্যানারে আসছেন একের পর এক অনুব্রত ঘনিষ্ঠ। নেতার ঘনিষ্ঠ মহলের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন পেশার মানুষ। ব্যবসায়ী থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধার কে নেই অনুব্রতর বন্ধু তালিকায়! গরু পাচার মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে তত ভিন্ন ভিন্ন নাম হাতে আসছে গোয়েন্দাদের। এবার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী মলয় পিটকে তলব করল সিবিআই। এর আগে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে এক পলিটেকনিক কলেজে হানা দিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। অনেকদিন ধরেই গোয়েন্দাদের নজরে ছিলেন মলয় পিট (Malay Peet)। কলেজে গিয়ে তাঁকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ফের সিবিআই ক্যাম্পে তলব করা হল তাঁকে।  

    আরও পড়ুন: কেষ্টর পুজো কাটবে গারদেই! ফের খারিজ অনুব্রত মণ্ডলের জামিন

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে মলয় পিটের। তৃণমূল সরকারের আমলেই শান্তিনিকেতনে মেডিকেল কলেজও তৈরি করেছেন মলয় পিট। এছাড়াও রয়েছে দুটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। একটি হল ‘স্বাধীন ট্রাস্ট’ এবং অপরটি ‘সতীর্থ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা দুটির অধীনেই রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। 

    এর আগে শান্তিনিকেতন মেডিক্যাল কলেজ তৈরির সময় অনুব্রতকে পাশে থাকার কৃতিত্ব দিয়েছেন খোদ ব্যবসায়ী। সূত্রের খবর, ওই মেডিক্যাল কলেজ তৈরিতে অনুব্রত মণ্ডল আর্থিক সাহায্য করেছেন বলেও জানতে পেরেছে সিবিআই। সেই আর্থিক লেনদেন সম্পর্কেই এ দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মলয় পিটকে বলে জানা গিয়েছে। মেডিক্যাল কলেজ তৈরির এই বিপুল টাকা কোথা থেকে এল, প্রশ্ন করা হবে সে বিষয়ে। কোন পথে হয়েছিল লেনদেন  পুঙ্খানুপুঙ্খ জানতে চান গোয়েন্দারা। গতকাল তলব করা হয়েছিল বেশ কিছু ব্যাংক কর্মীকে। আজ নিশানায় মলয় পিট।  

    আরও পড়ুন: কয়েক হাজার টাকা মাসমাইনেতে কীভাবে রাইস মিলের মালিক? অনুব্রত-কন্যা সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের
     
    বোলপুরে ভোলে ব্যোম রাইস মিলের গ্যারাজে সতীর্থ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে কেনা একটি গাড়ি ও স্বাধীন ট্রাস্টের নামে থাকা আর একটি গাড়ি দেখতে পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। সাংবাদিকরা মলয়কে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি স্বীকার করে নেন যে, ওই দুটি গাড়ি তিনিই দিয়েছিলেন অনুব্রতকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-কন্যার ব্যাংকের নথি চাইল সিবিআই! মেয়ের অ্যাকউন্ট থেকেই কি লেনদেন?

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-কন্যার ব্যাংকের নথি চাইল সিবিআই! মেয়ের অ্যাকউন্ট থেকেই কি লেনদেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলার (Cattle smuggling case) তদন্ত দ্রুত গুটিয়ে আনাই লক্ষ্য সিবিআইয়ের (CBI)। আর সেই কারণেই কেন্দ্রীয় সংস্থা অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার থেকে ব্যাংকের নথি চেয়ে নোটিস পাঠাল। যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। গোয়েন্দাদের ধারণা, গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলের যাবতীয় আর্থিক লেনদেন হয়েছে মেয়ে সুকন্যার অ্যাকাউন্ট থেকে। শুধু তাই নয়, সিবিআই আধিকারিকরা আরও মনে করছেন, বিদেশি মুদ্রাও কেষ্ট কন্যার অ্যাকাউন্টে লেনদেন হয়েছে। বোলপুরে (Bolpur) কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা অস্থায়ী ক্যাম্পে গত কয়েকদিন ধরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মীদের জেরা করেন। সেখান থেকেই গরুপাচার কাণ্ডে বিদেশি মুদ্রা ব্যবহারের তথ্য সামনে এসেছে।

    আরও পড়ুন: দুটি গাড়ি দিয়েছিলেন নেতাকে, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ মলয় পিটকে তলব সিবিআই-এর

    দিন সাতেক আগে বোলপুরের বাড়িতে গিয়ে সুকন্যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন তদন্তকারীরা। তাঁর বক্তব্যে বেশ কিছু অসঙ্গতি নজরে এসেছিল সিবিআইয়ের। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রের খবর, বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের অ্যাকাউন্টে সেই অর্থে বড় কোনও অর্থের খোঁজ এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। সিবিআই কর্তারা মনে করছেন, যাবতীয় লেনদেন হয়েছে কেষ্ট কন্যা সুকন্যার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে সিবিআই আরও জানতে পেরেছে, বেশ কয়েকটি সম্পত্তির মালিক অনুব্রত। কিন্তু এই সম্পত্তি কেনার অর্থ তিনি কোথা থেকে এবং কীভাবে পেলেন? আয়কর রিটার্ন জমা করার ক্ষেত্রে তথ্য গোপান করা হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: কাবুলের তালিবানের চালানেই সন্দেশখালির সরিফুলের নাম, মাদক তদন্তে নতুন মোড়

    কেষ্ট কন্যা সুকন্যার নামেও রয়েছে একাধিক রাইস মিল সহ বিভিন্ন সম্পত্তি। প্রশ্ন উঠছে, প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা হয়ে তিনি কীভাবে এত বিপুল সম্পত্তির মালিক হলেন? অর্থের উৎস কোথায়? এই রহস্য উন্মোচন করাই লক্ষ্য এখন সিবিআই কর্তাদের। কারণ, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা নিশ্চিত, অনুব্রত মণ্ডল এবং সুকন্যা মণ্ডল গরুপাচার কাণ্ডে সরাসরি যুক্ত। ইতিমধ্যেই সিবিআই গ্রেফতার করেছে তৃণমূল নেতাকে। তিনি এখন জেল হেফাজতে। সুকন্যা সুকৌশলে বার বার সিবিআইকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও, রেহাই পাবেন না বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত-কন্যার কোটি টাকার এফডি ফ্রিজ়, সিবিআই নজরে মা কালীর গয়নার উৎসও

    Anubrata Mondal: অনুব্রত-কন্যার কোটি টাকার এফডি ফ্রিজ়, সিবিআই নজরে মা কালীর গয়নার উৎসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের (Sukanya Mondal) নামে কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের হদিশ পেল সিবিআই (CBI)। পিতা-পুত্রীর নথিভুক্ত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির খোঁজ মিলেছিল আগেই। বৃহস্পতিবার মিলল নগদ টাকার হদিশ। এদিকে, ফি বছর কালীপুজোর সময় তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) যে মা কালীর বিগ্রহকে প্রচুর পরিমাণ সোনার গয়না পরাতেন, তার উৎস জানতে বোলপুরের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে জেরা করেছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা।

    গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। তাঁর নামে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। কেবল তিনি নন, তাঁর প্রয়াত স্ত্রী এবং কন্যা সুকন্যার নামেও পাওয়া গিয়েছে সম্পত্তির হদিশ। তবে এতদিন যা পাওয়া যাচ্ছিল না, তা হল নগদ টাকা। এবার মিলল তার খোঁজও। তবে অনুব্রতর নামে নয়, এক কোটি টাকার স্থায়ী আমানতের খোঁজ মিলেছে সুকন্যার নামে। বৃহস্পতিবার বোলপুরের ইন্ডিয়ান ব্যাংকের শাখায় যান কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা। খতিয়ে দেখেন ব্যাংকের বিভিন্ন নথিপত্র। তখনই নজরে আসে সুকন্যার নামে কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিটের। তার পরেই ফ্রিজ করে দেওয়া হয় অ্যাকাউন্টটি।

    এদিকে, বোলপুরের নিচুপট্টি এলাকায় রয়েছে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখা। তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি গ্রেফতার হওয়ার পরেই ওই শাখার ওপর নজর ছিল সিবিআইয়ের। কারণ এই ব্যাংকেই অ্যাকাউন্ট রয়েছে অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের। ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে বছরে কত টাকা লেনদেন হয়েছে, তার খোঁজও এদিন নেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা।  

    আরও পড়ুন : কয়লাপাচার কাণ্ডে মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা, এবার কি গ্রেফতার রাজ্যের আইনমন্ত্রী? 

    ফি বার দ্বীপান্বিতা অমাবস্যায় ঘটা করে কালী পুজো করেন অনুব্রত। প্রতিবার বিগ্রহকে সাজানো হয় ৫৭০ ভরি সোনার গয়নায়। এই পরিমাণ সোনার গয়নার বর্তমান বাজারমূল্য তিন কোটি টাকার কাছাকাছি। মা কালীর এই গয়না যিনি গড়িয়েছিলেন, সেই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকেও জেরা করেছে সিবিআই। দেখতে চাওয়া হয় এই বিপুল পরিমাণ সোনার গয়নার রসিদও। সব গয়নাই তাঁর কাছে গড়ানো হয়েছিল কিনা, নাকি অন্য আরও কোনও স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকেও বিগ্রহের গয়না কেনা হয়েছিল, তাও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Anubrata Mondal Case: কেন অনুব্রতর স্ত্রীর চিকিৎসা খরচ বহন? গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআই-তলব ব্যবসায়ী রাজীব ভট্টাচার্যকে

    Anubrata Mondal Case: কেন অনুব্রতর স্ত্রীর চিকিৎসা খরচ বহন? গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআই-তলব ব্যবসায়ী রাজীব ভট্টাচার্যকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার কাণ্ডে (Cattle Smuggling Case) সিবিআইয়ের (CBI) নজরে আরও এক ব্যবসায়ীর নাম। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, রাজীব ভট্টাচার্য (Rajeev Bhattacharya) নামের ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রয়াত স্ত্রীর চিকিৎসা করিয়েছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তৃণমূল নেতার স্ত্রীর চিকিৎসার জন্যে প্রায় ৬৬ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী। এমনটাই জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। 

    ইতিমধ্যেই এই বিষয়ক রসিদও এসে পৌঁছেছে গোয়েন্দা সংস্থার হাতে। দু’বছর আগে ক্যানসার আক্রান্ত হয়ে মারা যান অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী ছবি মণ্ডল। বীরভূম ছাড়াও কলকাতার একাধিক হাসপাতালে ছবি মণ্ডলের চিকিৎসা করিয়েছিলেন অনুব্রত। সিবিআই গোয়েন্দাদের দাবি, নিউটাউনের এক ক্যানসার হাসপাতলে ছবি মণ্ডলের চিকিৎসার খরচ বহন করেছিলেন রাজীব। রাজীব ভট্টাচার্যেরও চালকল আছে বলেও দাবি করেছেন গোয়েন্দারা। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রত-কন্যার কোটি টাকার এফডি ফ্রিজ়, সিবিআই নজরে মা কালীর গয়নার উৎসও

    সিবিআই আরও দাবি করেছেন, অনুব্রতের হয়ে তাঁর একাধিক চালকলের দেখাশোনা করতেন রাজীব। ওই ব্যবসায়ীকে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। ফের আরও একবার এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে রাজীবকে তলব করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা। 

    সিবিআই সূত্রে খবর, এই রাজীব ভট্টাচার্যের নামে ১০ থেকে ১২টি রাইস মিল রয়েছে ৷ এমনকি ইতিমধ্যেই রাজীব ভট্টাচার্যের নামে ব্যাংকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারী সংস্থা ৷ রাজীব ভট্টাচার্যের আয়কর রিটার্নের ফাইল খতিয়ে দেখেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৷ আর তাতেই হাসপাতালে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসে।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারকাণ্ডে এবার বেসরকারি ব্যাংক কর্তাদের তলব সিবিআইয়ের! কী জানতে চাইল তারা? 

    আচমকা অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রীর চিকিৎসার বিল কেন মেটাতে গেলেন রাজীব ভট্টাচার্য? তাহলে কি অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে কোনওভাবে যোগসূত্র রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর ৷ এই প্রশ্নগুলিই রাজীবকে করতে পারেন সিবিআই গোয়েন্দারা। এ নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলকেও একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন গোয়েন্দারা ৷ কিন্তু কোনও জবাব আসেনি অনুব্রতর তরফ থেকে।   

    গোয়েন্দারা মনে করছেন, কোটি কোটি কালো টাকা সাদা টাকায় বদলেছেন ব্যবসায়ী রাজীব ভট্টাচার্য৷ এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই বুধবার বিকেল ৩টের সময় তাঁকে বোলপুরে সিবিআই এর অস্থায়ী ক্যাম্পে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে ৷ তবে তিনি হাজিরা দেন কিনা এখন সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন গোয়েন্দারা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Cattle smuggling case: গরু পাচারকাণ্ডে এবার বেসরকারি ব্যাংক কর্তাদের তলব সিবিআইয়ের! কী জানতে চাইল তারা?

    Cattle smuggling case: গরু পাচারকাণ্ডে এবার বেসরকারি ব্যাংক কর্তাদের তলব সিবিআইয়ের! কী জানতে চাইল তারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বোলপুর (Bolpur) গেল সিবিআইয়ের (CBI)প্রতিনিধি দল। তবে বৃহস্পতিবার কোনও তল্লাশি অভিযান চালায়নি তারা। শান্তিনিকেতনে (Shantiniketan) রতন কুঠি গেস্ট হাউসেই বেসরকারি ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। গরু পাচার কাণ্ডে (cattle smuggling case) অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কত টাকা রয়েছে  তা জানতেই বেসরকারি ব্যাংকের আধিকারিকদের ডেকে পাঠায় সিবিআই।  জানতে চাওয়া হয়,অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে কবে কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট মারফত কত টাকা লেনদেন হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মিথ্যে বয়ান দিতে দেবযানীকে চাপ সিআইডি-র! সিবিআইকে বিস্ফোরক চিঠি মায়ের

    প্রসঙ্গত, এর আগে অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুর এবং সিউড়ির মোট চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের আধিকারিককে ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই । এ বার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পাশাপাশি বেসরকারি ব্যাংকের আধিকারিকদেরও (Private Bank Officials) ডেকে পাঠাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। মূলত অনুব্রত মণ্ডল ও সায়গল হোসেনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেই তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। 

    আরও পড়ুন: দুয়ারে ইডি-সিবিআই! জেলে যেতে পারেন? নেতাদের জন্য রইল শরীর ঠিক রাখার টোটকা

    সূত্রের খবর, অনুব্রত ও সায়গলের বাড়িতে এবং বিভিন্ন রাইস মিলে তল্লাশি চালিয়ে যে সমস্ত ব্যাঙ্কের নথি উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতেই ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের তলব করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে অনুব্রত ও সায়গলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেন এবং ব্যাঙ্কের সমস্ত নথি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের নামে কোন ব্যাংকে কত টাকা রয়েছে তা-ও জানতে চাওয়া হয়। বীরভূমে সিবিআই-এর অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে ওই ব্যাংক কর্মীরা গিয়ে বেশকিছু নথি জমা দিয়েছেন, বলে খবর। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সেই সব নথি স্ক্যান করে ই-মেইল মারফত কলকাতা এবং দিল্লির সদর দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সিবিআই-এর দাবি, গরু পাচারের টাকার লভ্যাংশ ঢুকেছিল অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৷ সেই টাকা কবে কে জমা দিত এবং সেই টাকা ঘুরপথে কোন কোন প্রভাবশালীর কাছে যেত, তা জানার জন্যই এই ব্যাংক আধিকারিকদের তলব করা হয়েছিল ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: জামিনের আবেদন খারিজ সিবিআই আদালতে, ফের জেলেই ফিরতে হল অনুব্রতকে

    Anubrata Mondal: জামিনের আবেদন খারিজ সিবিআই আদালতে, ফের জেলেই ফিরতে হল অনুব্রতকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খারিজ হয়ে গেল জামিনের আবেদন। ফের জেলের ছোট্ট কুঠুরিতেই ফিরতে হল তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal)। ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে বুধবার ফের আসানসোলে সিবিআইয়ের (CBI) বিশেষ আদালতে তোলা হয় গরু পাচার কেলেঙ্কারিতে (Cattle Smuggling Scam) সিবিআইয়ের হাতে ধৃত অনুব্রতকে। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে চাওয়া হয় জামিন। জামিনের আবেদন খারিজ করে বিচারক তাঁকে ফের ১৪ দিনের জেলা হেফাজতের নির্দেশ দেন। ২১ সেপ্টেম্বর ফের তাঁকে তোলা হবে আদালতে। তৃণমূল নেতার জামিনের বিরুদ্ধে সওয়াল করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে বলা হয়, এখন যদি অনুব্রত মণ্ডলের জামিন হয়ে যায় তাহলে তদন্ত একদমই করা যাবে না।

    সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক এদিন জানতে চান, বাংলাদেশে গরু পাচারে কীভাবে জড়িত অনুব্রত? তখনই সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, হাট থেকে গরু যেত বাংলাদেশ সীমান্তে। সেখানে শুল্ক দফতর কোনও পদক্ষেপ করলে বাধা দেওয়া হত তাদের। শুল্ক আধিকারিকদের রীতিমতো হুমকি দিতেন অনুব্রত এসবের প্রমাণ স্বরূপ সিবিআই সিডির কথা উল্লেখ করে। যদিও বাংলাদেশে যে গরু পাচার করা হত, তার কোনও নির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ সিবিআইয়ের হাতে নেই বলেই দাবি করেন অনুব্রতর আইনজীবী। তবে সিবিআইয়ের দাবি, এনামূলের সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে অনুব্রতর।

    আরও পড়ুন : গরুপাচার মামলায় এবার সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর

    এদিকে, এদিন অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য আদালতে জমা দিয়েছে সিবিআই। অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে প্রচুর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলেও আদালাত জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের দাবি, এনামুলের সঙ্গে তৃণমূল নেতার যে টাকার লেনদেন হয়েছে, সে তথ্যও রয়েছে। সিবিআইয়ের দাবি, অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেন মধ্যস্থতার কাজ করতেন। অনুব্রতর হয়ে টাকা তুলতেন তিনিই। সিবিআইয়ের আইনজীবী কালীচরণ মিশ্র বলেন, এর প্রমাণ রয়েছে সিডিতেই। প্রসঙ্গত, গত কয়েক দিনের মধ্যেই অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারীরা। অনুব্রত, তাঁর মেয়ে এবং প্রয়াত স্ত্রীর নামেও মিলেছে প্রচুর সম্পত্তির হদিশ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Anubrata Mondal: গরুপাচার মামলায় এবার সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর

    Anubrata Mondal: গরুপাচার মামলায় এবার সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় আরও এক কেষ্ট-ঘনিষ্ঠকে গ্রেফতার করল সিবিআই। এদিন সকালে বোলপুরের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে প্রায় দু ঘণ্টা তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। এই বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ওরফে মনু অনুব্রতর ছায়াসঙ্গী হিসেবে পরিচিত। আয়-ব্যয় সংক্রান্ত নথি যাচাই করে, দু ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর আটক করা হয় তাঁকে। আয়-ব্যয় সংক্রান্ত নথি যাচাইয়ের জন্য নিয়ে যাওয়া হয় কনসালট্যান্টের অফিসে।

    বোলপুরে একসঙ্গে ৪ জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। তৃণমূল কাউন্সিলরের বাড়ি ছাড়াও তৃণমূল কর্মী সুদীপ রায় ও অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ সুজিত দে- র বাড়িতেও চলছে সিবিআই তল্লাশি। সিবিআই সূত্রে দাবি, গরুপাচার মামলার তদন্তে উঠে এসেছে অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ এই তিনজনের নাম। সেই কারণেই এই অভিযান। একইসঙ্গে তল্লাশি চলছে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও অনুব্রতর হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারির বোলপুরের বাড়িতে।

    আরও পড়ুন: পারলে আমাকে জেলে ভরো…মমতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন নাড্ডা?

    সিবিআই গোয়েন্দাদের দাবি, অনুব্রত ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের বিপুল সম্পত্তির নথি গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। অনুব্রতর একার নামেই ২৪টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এছাড়া অনুব্রত-কন্যা সুকন্যার নামে ২৬টি সম্পত্তির নথি পেয়েছেন গোয়েন্দারা। অনুব্রতর স্ত্রী ছবি মণ্ডলের নামেও ১২টি সম্পত্তি রয়েছে। অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের নামে ৪৭টি সম্পত্তি রয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে রয়েছে ৩২টি সম্পত্তি! বিদ্যুতের স্ত্রী মহুয়া গায়েনের নামে ২টি জায়গায় সম্পত্তি রয়েছে। অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কমলকান্তি ঘোষ ও তাঁর পরিবারের নামে ১৮টি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা।   

    আরও পড়ুন: অনুব্রত মামলায় বিচারককে হুমকি চিঠি-কাণ্ডে ধৃত আইনজীবী! আটক তাঁর সহকারীও 

    মঙ্গলবার আসানসোলে অনুব্রতকে জেরা করেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের এত বিপুল সম্পত্তির উৎস কী, তার সন্ধানে রয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও সংশোধানাগারে জেরা করেন সিবিআই গোয়েন্দারা। তার পর দিনই কেষ্ট-ঘনিষ্ঠদের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই।       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Nadda on Mamata: পারলে আমাকে জেলে ভরো…মমতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন নাড্ডা? 

    Nadda on Mamata: পারলে আমাকে জেলে ভরো…মমতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কী বললেন নাড্ডা? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবারই তাঁকে গ্রেফতার করার জন্য বিজেপিকে (BJP) চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এদিন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত একটি জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন মমতা। সেখানেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানান তিনি। এদিন তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল বিজেপি। 

    দলের হেভিওয়েট দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এবং ইডি। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তৃণমূলের পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) গ্রেফতার হয়েছেন এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে (SSC Scam)। আর তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandol) গ্রেফতার হয়েছেন গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case)। দুজনকেই প্রথমে তলব করেছিল সিবিআই। পরে করা হয় গ্রেফতার। এদিনের সমাবেশে সেই প্রসঙ্গ টেনে গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে আমরা বিজেপিকে শূন্যে নামিয়ে আনব। তারা চায়, তৃণমূলের অন্য নেতাদেরও গ্রেফতার করতে। এর পরেই বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মমতা বলেন, এসো, আমাকে গ্রেফতার কর, যদি পার। আমি জেল থেকে বিজেপিকে গোহারা হারাব। তৃণমূল নেত্রী বলেন, এর পর ওরা মলয় (ঘটক) এবং ফিরহাদ (হাকিম)কে গ্রেফতার করতে চায়। অভিষেককেও…। মমতা বলেন, অভিষেককে ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠিয়েছে, নোটিশ পাঠিয়েছে তার স্ত্রীকেও। আমি বলছি, এমনকী তাদের ছেলেকেও নোটিশ পাঠাবে।

    আরও পড়ুন : সিবিআই থেকে জেল হেফাজত হতেই কেষ্ট-‘কলঙ্ক’ ঝেড়ে ফেলতে চাইছে তৃণমূল?

    দিল্লি দখল যে তাঁর প্রধান লক্ষ্য এদিন তাও গোপন করেননি মমতা। বলেন, আমার মূল লড়াই দিল্লির জন্য। দিল্লি থেকে বিজেপিকে তাড়াব। ২০২৪ সালে বিজেপিকে আমরা দিল্লি থেকে দূর করব। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা ভয় ছড়ানোর চেষ্টা করছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি লোকসভা নির্বাচন জিততে চায় প্রত্যেকে জেলের ভিতরে রেখে। আমি বলছি, তোমার যদি ধৃষ্টতা থাকে, তাহলে আমাকেও জেলে ঢোকাও। আমরা দেখব, নির্বাচনের ফল কী হয়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, আমরা লড়াই করব, এবং আমরা জিতব এবং বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করব।           

    তৃণমূল নেত্রীর এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে গেরুয়া শিবির। এই মুহূর্তে ত্রিপুরা সফরে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, বিজেপি তৃণমূলের জনবিরোধী নীতি, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা এবং মহিলাদের ওপর নৃশংসতার বিরোধী। তাঁর তোপ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। অথচ তাঁর রাজ্যেই মহিলা পাচারের ঘটনা দেশের মধ্যে সব চেয়ে বেশি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share