Tag: Cbi raid

Cbi raid

  • CBI Raid: সোমবার সাতসকালে নিউটাউনে সিবিআইয়ের তল্লাশি, ১০০ কোটির আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ

    CBI Raid: সোমবার সাতসকালে নিউটাউনে সিবিআইয়ের তল্লাশি, ১০০ কোটির আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সাতসকালে নিউটাউনে সিবিআইয়ের হানা (CBI Raid)। ১০০ কোটির আর্থিক প্রতারণার মামলায় তল্লাশি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কোটি কোটি টাকা আর্থিক প্রতারণার মামলায় কলকাতা শহরে অভিযানে নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এই আর্থিক প্রতারণার মামলায় কারা অভিযুক্ত, তা এখনও জানা যায়নি।

    ঠিক কোথায় তাল্লাশি (CBI Raid)?

    সূত্রে জানা জানা গিয়েছে, সকাল ৯ টার সময় নিজাম প্যালেস থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী (CBI Raid) সংস্থার কয়েকজন আধিকারিক বেরিয়ে যান। তাঁরা নিউ টাউনের কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি করেন। আর্থিক প্রতারণা মামলায় অভিযুক্ত, নিউটাউন সংলগ্ন এলাকায় দত্তাবাদের এক ব্যাঙ্ক কর্মীর বাড়িতে সকাল ১০ টায় অভিযান চালানোর কাজ শুরু করেন। তবে এই আর্থিক প্রতারণার মামলায় ঠিক কারা কারা অভিযুক্ত, সেই খবর এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি।

    তৃণমূল বিধায়ক ও কাউন্সিলারের বাড়িতে তল্লাশি

    গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদে ডোমকলের তৃণমূল বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের বাড়িতে সিবিআই (CBI Raid) বিরাট অভিযান চালিয়েছিল। সেই সময় এই বিধায়ক বিধানসভায় ছিলেন বলে খবর। বিকেলে রীতিমতো টাকা গোনার মেশিন নিয়ে অভিযান চালান তদন্তকারী অফিসাররা। সূত্রের আরও খবর, তাঁর বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এমনকী বিধায়কের বাথরুম থেকে উদ্ধার হয় নগদ আট লক্ষ টাকা। সেই সঙ্গে পাওয়া গিয়েছে প্রচুর সোনার গহনা। এছাড়াও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা তল্লাশি আভিযান চালিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী তৃণমূল কাউন্সিলার দেবরাজ চক্রবর্তীর দুটি বাড়িতে। বাদ যায়নি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের কাউন্সিলার বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের বাড়িও। সূত্রের খবর এসএসসি শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি পাওয়া গিয়েছে।

    দেশ জুড়ে সিবিআই তল্লাশি

    উল্লেখ্য, সারা দেশ জুড়ে দুর্নীতি এবং আর্থিক প্রতারণার মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। বেশ কিছু রাজ্য বিশেষ করে দিল্লি, বিহার, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, মহারাষ্ট্র, তেলঙ্গানা রাজ্যে অনেক নেতা, মন্ত্রী দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হয়েছেন। উল্লেখ্য দিল্লির আপ পার্টির নেতা মনীশ সিসোদিয়া, সত্যেন্দ্র জৈন, সঞ্জয় সিং প্রমুখ গ্রেফতার হয়েছেন সিবিআই-ইডির হাতে। এই রাজ্যও তার ব্যতিক্রম নয়। সিবিআই (CBI Raid), ইডি ব্যাপক ভাবে জেলায় জেলার পাশাপাশি কলকাতায়ও তল্লাশির কাজ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jafikul Islam: মারুতি ভ্যানের চালক থেকে কোটিপতি! তৃণমূল বিধায়কের উত্থান যেন সিনেমার চিত্রনাট্য

    Jafikul Islam: মারুতি ভ্যানের চালক থেকে কোটিপতি! তৃণমূল বিধায়কের উত্থান যেন সিনেমার চিত্রনাট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের নতুন ‘নায়ক’ ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম (Jafikul Islam)। নায়ক এই কারণেই, তাঁর উত্থান কাহিনী সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানাবে। ডোমকলের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের গোবিন্দপুরের বাড়িতে একটি কয়েন বুথ দিয়ে জীবন শুরু। তারপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সেখান থেকে গরুর হাটের মুন্সি, মুড়ির কল। তার পরে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া, হাইকোর্ট থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা, কাশ্মীরে নিরুদ্দেশ, তৃণমূলের প্রয়াত প্রাক্তন সাংসদ মান্নান হোসেনের হাত ধরে রাজনীতিতে প্রবেশ। শোনা যায়, শুরুতে মারুতি ভ্যানের চালক হিসেবেও বেশ কিছু সময় কাজ করেছেন। সব মিলিয়ে ঘটনাবহুল জীবন। আর আজ? আজ তিনি যে সব জিনিসের মালিক, সেই তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। কী আছে তাতে শুনবেন? 

    ১২টি কলেজের মালিক? (Jafikul Islam)

    জাফিকুল ইসলাম সব মিলিয়ে ১২টি কলেজের মালিক বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে সাতটি বিএড কলেজ, তিনটি প্যারামেডিক্যাল কলেজ এবং দুটি ডিগ্রি কলেজ। ২০০৪ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যেই তিনি একের পর এক কলেজ করে ফেলেন। গোড়া থেকেই তিনি ছিলেন কংগ্রেসের সমর্থক। সেই সুবাদে তাঁর কলেজের মাঠ সভা-সমাবেশের জন্য ব্যবহার করতেন মান্নান হোসেন। এইভাবেই দু’জনের কাছাকাছি আসা। রাজনীতিতে ঢুকেছিলেন কাউন্সিলার হয়ে। এই ১৪ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই জিতেছিলেন তিনি। এরপরই তৃণমূলের যোগদান। পরে বিধায়ক হলেন ২০২১ সালের নির্বাচনে। শুধু বাইরে এত সম্পত্তি করেছেন, এমনটাই নয়। তাঁর দুধ সাদা প্রাসাদোপম বাড়িটি দেখলেও চোখ ধাঁধিয়ে যাবে। এই বাড়িরই বেড রুম থেকে শুরু করে, এমনকি টয়লেটেও পাওয়া গিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। মিলেছে প্রচুর সোনাদানাও। টাকা গোনার জন্য মেশিন এনেও দীর্ঘক্ষণ পরে সব টাকা গোনা সম্ভব হয়েছে। শেষ যা হিসেব বিভিন্ন সূত্র মারফত মিলেছে, তাতে তাঁর বাড়ি (Jafikul Islam) থেকে পাওয়া গিয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।

    টার্নিং পয়েন্ট মুড়ির কল? (Jafikul Islam)

    এলাকার বাসিন্দারা মনে করেন, জাফিকুলের জীবনের টার্নিং পয়েন্ট হল মুড়ির কল। ব্যাঙ্ক থেকে এর জন্য তিনি নিয়েছিলেন ৫৩ লক্ষ টাকা লোন। কিন্তু প্রশ্ন উঠতে পারে, সেই সময় তাঁর তো কিছুই ছিল না। তা হলে ব্যাঙ্ক থেকে এই বিরাট অঙ্কের লোন তিনি পেলেন কীভাবে? জানা গিয়েছে,  এই নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। কারণ, ব্যাঙ্ক অভিযোগ পায়, তিনি নাকি মসজিদের সম্পত্তি নিজের নামে দেখিয়ে ওই লোন নিয়েছেন। ব্যাঙ্ক তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে। হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এই সময়ই তিনি (Jafikul Islam) নিরুদ্দেশ হয়ে যান। অনেকে বলেন, তিনি  নাকি কাশ্মীরে চলে গিয়েছিলেন। যাই হোক, পরে ফিরে এসে তাঁকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। রকেট গতিতে শুরু হয় তাঁর উত্থান। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI Raid: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    CBI Raid: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ হাতে পেয়ে সোমবার ভোরেই মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার খোঁজ মিলল দ্বিতীয় মোবাইলেরও। ১৪ এপ্রিল সিবিআইয়ের নজর এড়িয়ে তৃণমূল বিধায়ক দুটি মোবাইল বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। শুক্রবার রাত থেকে ওই পুকুরের জল বের করার কাজ শুরু হয়। মোবাইল উদ্ধার করা কী সম্ভব, তা নিয়ে তিনদিন ধরে চর্চা হয়েছে। সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরাও তিনটে পাম্প নামিয়ে পুকুর থেকে জল তোলার উদ্যোগ নেন। আর এই কাজে হাত লাগিয়েছিলেন স্থানীয় শ্রমিক এবং মত্স্যজীবীরা। রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পুকুরের ভিতর থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে, বাকী আরও একটি মোবাইলের খোঁজে নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়। সেই মতো সিবিআই (CBI Raid) ফের পুকুর থেকে মোবাইল খোঁজার উদ্যোগ নেয়। অবশেষে আরও একটি মোবাইলও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখন পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্কের খোঁজে পুকুরে জোরদার তল্লাশি চলছে। বিস্তারিত আসছে।

    কার খোঁজে পুকুরে ফের তল্লাশি?

    শুক্রবার বেলা ১২ টা নাগাদ সিবিআই (CBI Raid)  বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে হানা দেয়। দিনভর চলে তল্লাশি। তৃণমূল বিধায়ককে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। শুক্রবার বিকেলের দিকে সিবিআই আধিকারিকদের নজর এড়িয়ে তৃণমূল বিধায়ক তাঁর দুটি মোবাইল এবং পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দেন। এরপরই সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা মোবাইলের খোঁজে পুকুরে জল বের করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নামানো হয় তিনটি পাম্প। শনিবার সকালের মধ্যে জল অনেকটাই কমে যায়। প্রথমদিকে ৪ জন শ্রমিক এবং একজন মত্স্যজীবী মোবাইল খোঁজার কাজ শুরু করেন। কিন্তু, তা পর্যাপ্ত নয় বলে শ্রমিকের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়। পুকুরে নামানো হয় জেসিবি। রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ প্রথম ফোনটি উদ্ধার হয়। তবে, এই ফোনটি সম্ভবত বিধায়কের নিজের নয়। সেটি বিধায়কের স্ত্রীর ফোন। আর মোবাইলের সঙ্গে রবিবার পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছিল দুটি বোয়াল, ২২টি কই মাছ, ৩০টি শিঙি, দুটি শোল মাছ। পরে, দ্বিতীয় মোবাইলের খোঁজে পুকুরে ২২ জন শ্রমিককে নামানো হয়। তারমধ্যে সঞ্জীব বাগদি নামে এক শ্রমিকের হাতেই দ্বিতীয় মোবাইলটি ওঠে। পুকুরের মধ্যে মোবাইলের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক ফেলেছিলেন। তার খোঁজে পুকুরে নতুন করে ফের তল্লাশি শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI Raid: পুকুর থেকে উদ্ধার একটি মোবাইল, তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে কোন ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই?

    CBI Raid: পুকুর থেকে উদ্ধার একটি মোবাইল, তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে কোন ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সেই পুকুরের দিকে শুধু এলাকাবাসী নয়, রাজ্যের মানুষের নজর ছিল। ওই পুকুরের জল তুলে মোবাইল উদ্ধার করা কী সম্ভব, তা নিয়ে শনিবার দিনভর চর্চা হয়েছে। সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরাও তিনটে পাম্প নামিয়ে পুকুর থেকে জল তোলার উদ্যোগ নেন। আর এই কাজে হাত লাগিয়েছিলেন স্থানীয় ৪ জন শ্রমিক এবং একজন মত্স্যজীবী। দুদিন ধরে টানা কাজ করার পর রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পুকুরের ভিতর থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আরও একটি মোবাইল পুকুরে রয়েছে বলে সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা আশঙ্কা করছেন। সেই মোবাইলের খোঁজে এদিন সকাল থেকে পুকুরে তল্লাশি চলছে।

    মোবাইল উদ্ধারের পর কী করল সিবিআই (CBI Raid)?

    শুক্রবার বেলা ১২ টা নাগাদ সিবিআই তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আচমকা হানা দেয়। বাড়িতে চলে তল্লাশি। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বিধায়ককে। আর সিবিআইয়ের (CBI Raid) নজর এড়িয়ে কীভাবে কৌশলে নিজের দুটি মোবাইল পুকুরে তৃণমূল বিধায়ক ফেলেছিলেন? কীভাবে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন? এদিন তৃণমূল বিধায়ককে বাড়ির ছাদে তুলে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে সিবিআই (CBI Raid)। এমনকী পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলটি বিধায়ককে দেখিয়ে সনাক্ত করেন সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা।  আর পুনর্নির্মাণের সমস্ত কিছু সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা ভিডিও রেকর্ডিং করে রাখেন। সেই সংক্রান্ত নথিতে তৃণমূল বিধায়ককে স্বাক্ষর করানো হয়।

    পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলে তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা কী বললেন?

    প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইলে হার্ডওয়্যার যদি ঠিকঠাক থাকে, তথ্য পেতে কোনও সমস্যা হবে না। আর মোবাইল চালু অবস্থায় কাদায় ফেলা হলে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মোবাইলে একাধিক আইসি ও ইন্টার্নাল স্টোরেজ নষ্ট হয়ে গেলে তা থেকে তথ্য উদ্ধার করা বেশ কষ্টকর। তবে, জানা গিয়েছে, মোবাইল জলে ডুবে থাকলেও ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মোবাইল থেকে তথ্য পেতে খুব বেশি সমস্যা হয় না। এক্ষেত্রে ঘটনাস্থলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উদ্ধার হওয়া মোবাইল খতিয়ে দেখছেন। আরও একটি মোবাইল কখন উদ্ধার হয় সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Corruption: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই আচমকা হানা দিল তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে

    Recruitment Corruption: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই আচমকা হানা দিল তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দাবদাহে মানুষ পথে বের হতে পারছেন না। ঠিক এরকমই একটা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সিবিআই-এর তদন্ত কিন্তু থেমে নেই। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Corruption) মামলার শিকড়ে পৌঁছতে ঠা ঠা রোদের মধ্যেও সিবিআই আচমকা হানা দিল তৃণমূলের এক বিধায়কের বাড়িতে। বাড়ির দরজা বন্ধ করে চলল জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশি। তল্লাশি চলে তাঁর অফিসেও। যাঁর বাড়িতে এই তল্লাশি চলল, তিনি হলেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞ্চার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। একইসঙ্গে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও সিবিআইয়ের একটি টিম পৌঁছে যায় বলে জানা গিয়েছে।

    কীভাবে জড়াল তৃণমূল বিধায়কের নাম

    নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Corruption) মামলায় তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সামগ্রিক পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নেয়। উঠে আসে তৃণমূলের তাবড় নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের বিষয়। উঠে আসে কৌশিক ঘোষ বলে একজনের নাম, যিনি আবার জীবনকৃষ্ণ সাহার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে জানতে পারে সিবিআই। শুধু তাই নয়, কৌশিকের সঙ্গে বিধায়কের ঘনিষ্ঠতার নানা প্রমাণও সিবিআই-এর হাতে আসে। সিবিআই জানতে পারে, জীবনকৃষ্ণ সাহা এবং কৌশিক ঘোষ-দুজনে মিলেই চাকরি বিক্রির একটা চক্র গড়ে তুলেছিলেন। হাইকোর্টের নির্দেশে যাঁদের চাকরি গিয়েছিল, তাদের মধ্যে জীবনকৃষ্ণ সাহার আত্মীয় যেমন রয়েছেন, তেমনই রয়েছেন কৌশিকের আত্মীয়রাও। প্রথমে কুন্তল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে সিবিআই জানতে পারে কৌশিক ঘোষের নাম। আর তাঁর নাম উঠতেই স্বাভাবিকভাবে চলে আসে তৃণমূল বিধায়কের নাম। সেই সূত্রেই তাঁর বাড়িতে এদিনের এই সিবিআই অভিযান বলে জানা গিয়েছে। 

    অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূল বিধায়কের 

    এদিন অভিযান চলাকালীন জীবনকৃষ্ণ সাহা বাড়িতেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Corruption) মামলায় কৌশিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হওয়ায় অনেকেই তাঁর কাছে আসেন। ফলে কারও সঙ্গে ছবি দেখালে এটা প্রমাণ হয় না, ওই ব্যক্তি তাঁর ঘনিষ্ঠ। যদিও এলাকার মানুষের দাবি, দুজনের ঘনিষ্ঠতার কথা কারোরই অজানা নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Operation Chakra: সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান চালালো সিবিআই

    Operation Chakra: সাইবার ক্রাইমের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান চালালো সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সাইবার ক্রাইমের (Cyber Crime) বিরুদ্ধে দেশ জুড়ে অভিযান চালাল সিবিআই (CBI)। সংবাদ সূত্রে জানা গিয়েছে দেশের ১০৫ টি স্থানে এখন পর্যন্ত অভিযান (Operation) চালানো হয়েছে। ৮৭ টি স্থানে সিবিআই একক ভাবে অভিযান চালালেও দিল্লিতে পাঁচটি, আন্দামান ও নিকোবরে চারটি, চণ্ডীগড়ে তিনটি, কর্ণাটকে ১২ টি এবং পাঞ্জাব ও আসামে দুটি করে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সিবিআই যৌথ অনুসন্ধান চালিয়েছে।

    এর মধ্যেই রাজস্থানের একটি কল সেন্টারে অভিযান চালিয়ে দেড় কেজি সোনা সহ আরও দেড় কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। ইন্টারপোল ও এফবিআই এর নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়েছে। সিবিআইয়ের এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন চক্র’ (Operation Chakra)।

    [tw]


    [/tw]

    সিবিআই সূত্রে খবর, সাইবার জালিয়াতির প্রচুর প্রমাণ ইতিমধ্যেই হাতে এসেছে  এদিনের এই অভিযান। অভিযানে আরও দুটি কলসেন্টারে (Call Centre) অভিযান চালিয়ে সেগুলিকে সিজ করেছে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এর মধ্যে একটি পুনে এবং একটি আহমেদাবাদে। এই দুটি কল সেন্টারই আমেরিকায় (America) বসবাসকারী নাগরিক থেকে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিত বলে সূত্রের খবর। কল সেন্টারগুলি ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করে সাধারণ মানুষদের প্রতারণা করত।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, সিবিআই অপারেশন গরুড় (Operation Garuda) নামে আরও একটি অপারেশন চালাচ্ছে। এই অভিযানের মাধ্যমে এখনও পর্যন্ত ১৭৫ জনের উপর ড্রাগ মাফিয়াদের গ্রেপ্তার করেছে। প্রায় ৬ হাজার ৬০০ জনকে পুলিষ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। ড্রাগ মাফিয়াদের বিপুল পরিমাণে মাদক জাতীয় দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করেছে সিবিআই আধিকারিকেরা।

    [tw]


    [/tw]

    এরই পাশাপাশি অপারেশন মেঘচক্র (Operation Megh Chakra) নামে একটি অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযান শিশুদের যৌন নির্যাতন গ্যাজেট সহ মোবাইল, ল্যাপটপ সহ ইলেকট্রনিক গ্যাজেট বাজেয়াপ্ত অরা হয়েছে।সারা ভারতের  ২১ টি রাজ্য জূড়ে ৫৯টি স্থান জুড়ে তল্লাশি অভিযানটি চালানো হয়েছে।এই ঘটনায় প্রায় ৫০ জনের মতো সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    বর্তমানে আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) গোরুপাচার (Cattle Smuggling) কান্ডে মুখ্য অভিযুক্ত অনুব্রত মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই, অপরদিকে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জীকে এসএসসি ও প্রাইমারী টেট কেলেঙ্কারীর নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিজ হেফাজতে নিয়েছিলেন সিবিআই। বিরোধী দল কেন্দ্রীয় সরকারের এই তদন্তকারী সংস্থার উপর পক্ষপাতদুষ্টের মতো ঘোরতর অভিযোগ আনলেও সিবিআই নিরপেক্ষতার সাথে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্রর কলকাতার আবাসনে সিবিআই হানা, সংসদ প্রশ্নকাণ্ডে চলছে তল্লাশি

    Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্রর কলকাতার আবাসনে সিবিআই হানা, সংসদ প্রশ্নকাণ্ডে চলছে তল্লাশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। ওই মামলাতেই তৃণমূল প্রার্থীর আলিপুরের বাসস্থানে তল্লাশি চলছে শনিবার। সিবিআইয়ের (CBI Raid) একটি দল শনিবার সকালে আলিপুরে ‘রত্নাবলী’ নামে একটি আবাসনে যায়। জানা যাচ্ছে, সেখানে ন’তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মহুয়ার বাবা দীপেন্দ্রলাল মৈত্র। সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের একটি দল গিয়েছে।

    কেন তল্লাশি

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে লোকপালের নির্দেশে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই বিষয়কে সামনে রেখেই মহুয়া মৈত্রর বাবা দীপেন্দ্রলাল মিত্রের আলিপুরে ফ্ল্যাটে এলেন সিবিআই আধিকারিকেরা। মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এমনিতেই প্রাথমিক তদন্তের কাজ শুরু করে দিয়েছিল সিবিআই (CBI Raid)৷ সূত্রের খবর, লিখিত নির্দেশে সিবিআইকে ছ’মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল৷ পাশাপাশি, তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত লোকপালের কাছে রিপোর্ট জমা দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ 

    সংসদে টাকা নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে গত ১৯ মার্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল লোকপাল। বরখাস্ত হওয়া তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘গুরুতর’ বলে বর্ণনা করা হয় লোকপালের নির্দেশিকায়। মহুয়া প্রথম থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন। মহুয়ার বিরুদ্ধে প্রথম ওই অভিযোগ তোলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। তিনি দাবি করেন, দুবাইয়ের শিল্পপতি দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেছেন মহুয়া। পরিকল্পনামাফিক সংসদে ‘নিশানা’ করেন শিল্পপতি গৌতম আদানিকে। অভিযোগ, সবটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে অস্বস্তিতে ফেলার জন্য।

    আরও পড়ুন: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Aditi Munshi: বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির পরই অদিতি মুন্সীর ছুটির আর্জি মঞ্জুর স্পিকারের

    Aditi Munshi: বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির পরই অদিতি মুন্সীর ছুটির আর্জি মঞ্জুর স্পিকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়ে ছুটির আর্জি জানিয়েছিলেন রাজারহাট গোপালপুরের বিধায়ক তথা সঙ্গীত শিল্পী অদিতি মুন্সী (Aditi Munshi)। শুক্রবার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ছুটি মঞ্জুর করেছেন। কিন্তু কেন ছুটি চাইলেন অদিতি। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে অদিতির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে বৃহস্পতিবার হানা দেয় সিবিআই। সেখানেই থাকেন অদিতিও। বাড়িতে তল্লাশির একদিন আগেই ছুটি চেয়েছিলেন তিনি। আর তা মঞ্জুর হল তল্লাশির পরের দিন। 

    অসুস্থ অদিতি

    অদিতি (Aditi Munshi) চিঠিতে জানান, তাঁকে যেন শীতকালীন অধিবেশনে যোগদান করা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কারণ, তিনি অসুস্থ। আর এই অবস্থায় বিধানসভায় গিয়ে অধিবেশনে যোগদান করা সম্ভব নয়। চিকিৎসকরা বিশ্রাম নিতে বলেছেন। যদিও কতদিনের জন্য এই বিশ্রাম নিতে হবে, বিধায়ক তাঁর চিঠিতে তা কিছু জানাননি। তাঁর  এই আবেদন মঞ্জুর করেছেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুদিন আগেই গলার সমস্যায় ভুগছিলেন অদিতি। বেশ কিছুদিন অনুষ্ঠানও বন্ধ রেখেছিলেন। তবে সম্প্রতি জানা যায়, এখন তিনি সুস্থ। আজ, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর থেকে টানা অনুষ্ঠান করবেন তিনি। অসুস্থতার জন্য যেসব শো বাতিল করেছিলেন, সেখানেও যাবেন। এসবের মধ্যেই হঠাত চিঠি গেল বিধানসভায়, কিছুদিন বিশ্রাম চাইলেন অদিতি।

    আরও পড়ুন: বালুর কেবিনে সিসি ক্যামেরা! পিজির ফুটেজ দেখবে ইডিও, নির্দেশ আদালতের

    কত দিনের ছুটি

    ঘটনাচক্রে, বৃহস্পতিবার সকালে অদিতির (Aditi Munshi) স্বামী বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর তথা মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীর রাজারহাটের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। দেবরাজকে নিয়ে যায় তাঁদের দমদমপার্কের অন্য একটি বাড়িতেও। যেখানে সম্ভবত বিধায়ক তথা শিল্পী অদিতির গানের স্টুডিও রয়েছে। তার পরে শেষ বিকেলে দেবরাজের দু’টি বাড়ি থেকেই বেরিয়ে যায় সিবিআই। বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে। সাধারণত অধিবেশন চলাকালীন বেশি দিন কোনও কারণে কোনও বিধায়ক উপস্থিত না থাকলে ছুটির জন্য আবেদন করেন বিধায়করা। সেখানে তারিখের উল্লেখ থাকে। অর্থাৎ কত তারিখ থেকে কত তারিখ অবধি ছুটি তা লিখে দিতে হয়। তবে অদিতির এদিনের আবেদনে সেই তারিখের কোনও উল্লেখ ছিল না বলেই জানা গিয়েছে। তাই জল্পনা আরও বেড়েছ। হঠাতই কেন ছুটি নিলেন অদিত আর কতদিন তিনি আড়ালে থাকবেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Debraj Chakraborty: জেল খাটা থেকে দলবদল! জানুন অদিতি মুন্সীর স্বামী, অভিষেক-ঘনিষ্ঠ দেবরাজের উত্থান

    Debraj Chakraborty: জেল খাটা থেকে দলবদল! জানুন অদিতি মুন্সীর স্বামী, অভিষেক-ঘনিষ্ঠ দেবরাজের উত্থান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির (recruitment scam) তদন্তে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই। সেই তালিকাতেই রয়েছেন বিধাননগর পুরসভার তৃণমূলের মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীও (Debraj Chakraborty)। এদিন সকালেই দেবরাজের তেঘরিয়ার বাড়িতে পৌঁছে যান সিবিআইয়ের (CBI) আধিকারিকরা। ঘটনাচক্রে দেবরাজ চক্রবর্তী তৃণমূলের শিল্পী-বিধায়ক অদিতি মুন্সীর (Aditi Munshi) স্বামী। তল্লাশির মাঝেই বেলা ১টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরোতে দেখা যায় দেবরাজকে। সঙ্গেই ছিলেন সিবিআই-এর আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, দেবরাজের আর একটি বাড়িতে তল্লাশি চালাতেই তাঁকে সঙ্গে নিয়ে রওনা দিয়েছে সিবিআই।

    দেবরাজের উত্থান

    এক সময় কৃষিমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুর আপ্তসহায়ক ছিলেন দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty)। ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতিও। ২০১৩ সালে বিধাননগর পুরনিগম এলাকায় একটি উপনির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়ে পূর্ণেন্দুর কাছে দরবার করেছিলেন দেবরাজ। তৃণমূল তাঁকে তখন টিকিট দেয়নি। টিকিট না পেয়ে দল ছেড়ে দেন দেবরাজ। ২০১৫ সালে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসের হাত ধরেন তিনি। বিধাননগর পুরনিগম এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এই যুবনেতা। ভোটের দিনই দেবরাজকে গ্রেফতার করেছিল বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ। বন্দি অবস্থায় তাঁকে ভোটে লড়তে হয়েছিল। ভোটে জিতে বিধাননগরের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এই যুব নেতা। জামিনে মুক্ত হয়ে কাউন্সিলর হিসাবে শপথ নেন তিনি। 

    তৃণমূলে দ্বিতীয় ইনিংস

    ২০১৫ সালে ভোটে জেতার কয়েক মাসের মধ্যেই ফের তৃণমূলে যোগ দেন দেবরাজ। তৃণমূলে ভবনে এসে তৃণমূলের তৎকালীন যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘাসফুলের পতাকা হাতে তুলে নেন। তখন থেকেই অভিষেকের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত দেবরাজ, ধীরে ধীরে রাজনীতির ময়দানে নিজের জায়গা পাকা করেন।

    অদিতিকে বিয়ে

    কীর্তনশিল্পী অদিতি মুন্সীর সঙ্গে দেবরাজের বিয়ে হয় ২০১৮ সালে। ততদিনে সঙ্গীতের জগতে অদিতি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছেন। তাঁর গলায় কীর্তন শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে বার বার। স্বামী দেবরাজের হাত ধরেই ধীরে ধীরে রাজনীতির ময়দানে পা রাখেন অদিতিও। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে টিকিট দেয় তৃণমূল। ভোটে জিতেও আসেন অদিতি। জল্পনা ছড়িয়েছিল, অদিতিকে টিকিট দেওয়ার জন্য দেবরাজই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দরবার করেছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিধাননগর পুরনিগমের ভোটে দ্বিতীয় বার নির্বাচিত হয়ে মেয়র পারিষদ হন অদিতির স্বামী দেবরাজ। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগকাণ্ডে ২ তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত ও দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে সিবিআই

    কেন তল্লাশি

    সূত্রের খবর, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের ‘চেইন’ ধরেই দেবরাজের (Debraj Chakraborty) বাড়িতে তল্লাশি করছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, তাঁরা আসলে জানতে চাইছেন, ‘ফাইনাল বেনিফিশিয়ারি’র নামটা। অর্থাৎ কার কাছে শেষ দুর্নীতির টাকাটা পৌঁছেছিল। সেই সূত্রেই চলছে তল্লাশি। গত বছর ভোট পরবর্তী অশান্তি মামলায়ও দেবরাজকে তলব করেছিল সিবিআই। বাগুইআটি থানা এলাকার বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের তরফে খুনের অভিযোগ তোলা হয়। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই তাঁকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    SSC Scam: সাড়ে ১৪ ঘণ্টার ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ! সকালে তাপসের বাড়ি থেকে বেরোল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাড়ে ১৪ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের শেষে তেহট্টের তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। নিয়োগ-দুর্নীতি (Recruitment Scam) প্রসঙ্গে তাপস সাহাকে (Tapas Saha) শুক্রবার বিকেল থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। শনিবার সকাল ৬টা নাগাদ তাঁর বাড়ি থেকে বেরোন কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। কিন্তু তেহট্ট ছাড়েনি সিবিআই। বরং এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, এরপর ফের তাপসের বাড়িতে যেতে পারে সিবিআই-এর দল।

    রাতভর তল্লাশি

    শুক্রবার বিকেল ৩টে ৩৫ মিনিটে নদিয়ার তেহট্টে তাপসের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। বাড়ি লাগোয়া দলীয় কার্যালয়ে প্রথমে ঢোকেন তদন্তকারীরা। তারপর যাওয়া হয় তাপসের বাড়িতে। রাতে তাপসকে সঙ্গে নিয়ে বেতাইয়ের ডক্টর বি.আর.আম্বেদকর কলেজে তল্লাশি চালাতে যায় সিবিআই। কলেজের কোষাধক্ষ্য সহ মোট চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারপর ফের তাপসের বাড়িতে আসে সিবিআই। রাতভর চলে জিজ্ঞাসাবাদ। তাপস সাহার বাড়ির পাশে পুকুর পাড়েও তল্লাশি চালায় সিবিআই। শুক্রবার যেখানে কিছু নথি পোড়ানোর অভিযোগ ওঠে সেই ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। পোড়া নথির বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করে সিবিআই। তাপসের বিধানসভা এলাকার দুই ঘনিষ্ঠ মিঠু শাহ এবং মলয় বিশ্বাসকে নিয়েও বিধায়ককে একাধিক প্রশ্ন করা হয়। সিবিআইয়ের ১২ জন অফিসারের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘জীবনকৃষ্ণের মোবাইলের তথ্য উদ্ধার হলে তৃণমূল উঠে যাবে’! কেন বললেন সুকান্ত?

    কী মিলল

    রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৬৮টি নথি উদ্ধার করেছে সিবিআই। তবে সেগুলি মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। আগের নথি নাকি নতুন তা খতিয়ে দেখছেন অফিসাররা।তাপসের দুটি ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল বিধায়ক তাপস সাহার ‘ঘনিষ্ঠ’ প্রবীর কয়ালের বাড়িতেও অভিযান চালায় সিবিআই। প্রবীরের বাড়ি ছাড়াও তাঁর দু’জন পরিচিতের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ সিবিআই আধিকারিকেরা তল্লাশি শেষে ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে যান। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু নথি এবং মোবাইল ফোন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share