Tag: CBI SIT probe

CBI SIT probe

  • Chandranath Rath Murder Case: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়, তদন্তভার নিল সিবিআই, গঠন বিশেষ সিট

    Chandranath Rath Murder Case: চন্দ্রনাথ রথ খুনে বড় মোড়, তদন্তভার নিল সিবিআই, গঠন বিশেষ সিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের (Chandranath Rath Murder Case) তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে নিল সিবিআই। রাজ্য পুলিশের সুপারিশের ভিত্তিতেই এই মামলার তদন্তভার কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে সিবিআই তদন্তের (CBI Investigation) দায়িত্ব গ্রহণ করছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এই মামলার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, যার নেতৃত্বে রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিক পঙ্কজ কুমার সিং।

    সিবিআই সিট গঠন

    সিবিআই সূত্রে খবর, দিল্লি, পটনা, রাঁচি, ধানবাদ ও লখনউ-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মোট সাতজন অভিজ্ঞ অফিসারকে নিয়ে গঠিত হয়েছে এই বিশেষ টিম। কলকাতা জ়োনের যুগ্ম নির্দেশকের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে দলটি। তদন্তের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আরও আধিকারিক যুক্ত করা হতে পারে। ইতিমধ্যেই মধ্যমগ্রাম থানার পাশাপাশি সিআইডি-র হাতে থাকা সমস্ত নথি দ্রুত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    গ্রেফতার তিন অভিযুক্ত

    উল্লেখ্য, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন চন্দ্রনাথ রথ। তদন্তে জানা গিয়েছে, তাঁর গাড়ির সামনে আচমকা একটি চারচাকা গাড়ি এসে দাঁড়ায়, ফলে তাঁর গাড়ি থেমে যায়। ঠিক সেই সময় দুই দিক থেকে বাইকে চেপে আসে হামলাকারীরা এবং চন্দ্রনাথ ও তাঁর চালককে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চন্দ্রনাথের। গুরুতর জখম চালক এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম ময়ঙ্করাজ মিশ্র, ভিকি মৌর্য ও রাজ সিং। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের মধ্যে অন্তত একজন পেশাদার শুটার। ময়ঙ্ক ও ভিকিকে বিহারের বক্সার জেলা থেকে এবং রাজকে উত্তরপ্রদেশের বালিয়া থেকে ধরা হয়েছে। আদালত ধৃতদের ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।

    ৮ থেকে ৯ জন জড়িত!

    প্রথমে মামলার তদন্তে রাজ্য পুলিশ একটি সিট গঠন করেছিল, যেখানে এসটিএফ ও সিআইডি-র আধিকারিকরাও যুক্ত ছিলেন। সেই টিমই তিন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, গোটা ঘটনায় মোট ৮ থেকে ৯ জন জড়িত থাকতে পারে। খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল বলেও সন্দেহ। ওই গাড়ি থেকে বালি টোল প্লাজ়ায় অনলাইনে পেমেন্টের সূত্র ধরেই অভিযুক্তদের হদিশ মেলে বলে জানা গিয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত, ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং একাধিক সূত্রের ভিত্তিতে বিহার ও উত্তরপ্রদেশে অভিযান চালানো হয়েছিল। এবার এই বহুচর্চিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে সিবিআই।

  • SSC Group D: গ্রুপ-ডি মামলায় সিবিআই তদন্তে অখুশি হাইকোর্ট, সিট পুনর্গঠন বিচারপতির

    SSC Group D: গ্রুপ-ডি মামলায় সিবিআই তদন্তে অখুশি হাইকোর্ট, সিট পুনর্গঠন বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment scam) মামলায় ফের একবার সিবিআই তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। এদিন গ্রুপ ডি (SSC Group D) মামলার তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Ganguly)। শুধু উষ্মাপ্রকাশ করেই ক্ষান্ত হলেন না, একেবারে সিটের ২ সদস্যকে সরিয়ে দিলেন বিচারপতি, আনলেন নতুন চারজনকে। 

    কোন মামলার প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ?

    সন্দীপ প্রসাদ নামে এক চাকরিপ্রার্থীর করা মামলার শুনানিতে গত বছর ২২ নভেম্বর গ্রুপ ডি (SSC Group D) মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই মামলার শুনানিতে উঠে আসে ৫৪২ জন বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন গ্রুপ ডি-তে। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, এদের সবাইকেই ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক সিবিআই। এই প্রেক্ষিতে গত ১৭ জুন সিট গঠন করা হয়।

    আরও পড়ুন: কামড়ের পর এবার পুলিশের চিমটি! চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে ধুন্ধুমার কালীঘাট

    হাইকোর্ট সিবিআইকে জানায়, ছয় মাসের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করতে হবে। এদিন বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ৫৪২ জনের চাকরি বাতিল করা হয়েছিল। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কতজনকে ডেকে ডিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। উত্তরে, সিবিআইয়ের আইনজীবী ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল বলেন, ১৬ জনকে। 

    এটা শুনেই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি। বলেন, শুধুমাত্র ১৬!  ১৮ মে থেকে তদন্তে মাত্র ১৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন? তখন সিবিআই আইনজীবী বলেন, সেপ্টেম্বরে মাদার সার্ভার বাজেয়াপ্ত করে বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের তদন্ত চলছে। কিন্তু বিচারপতি বলেন, এটা আপনার অবস্থান। এখনও ৫৪২ জনের ১০ কিংবা ৫ শতাংশকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়ে ওঠেনি কেন? ৬ মাস অতিক্রান্ত। সিবিআই তদন্তের কিছুই করেনি। সিবিআই ৬ মাস পর কি করছে!

    কী নির্দেশ দিল আদালত?

    এরপরই, বিচারপতি জানিয়ে দেন, এই মামলায় (SSC Group D) সিবিআই সিটের পুনর্গঠন করে দেবে আদালত। সেই মতো, সিবিআইকে তাঁর নির্দেশ ছিল, ৪ জন এমন আধিকারিকের নাম দিতে হবে যাদের ‘সিট’-এ নিয়োগ করা যায়। বিচারপতি জানিয়ে দেন, সিবিআই ডিআইজির নেতৃত্বে তদন্ত হবে। আগামী ২১ দিনে ৫২৬ জন অবৈধভাবে নিযুক্ত গ্রুপ ডি চাকরি প্রাপকদের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ সিবিআইকে। গ্রুপ ডি, গ্রুপ সি সহ এসএসসি সব বেআইনিভাবে নিযুক্তদের ব্যাচে ব্যাচে জিজ্ঞাসাবাদ করুক সিবিআই, চায় আদালত। আদালতের নির্দেশ, যারা সহযোগিতা করবে না তাদের গ্রেফতার করুক সিবিআই। 

    আরও পড়ুন: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নিজেদের হাইকোর্ট ভাবে! তোপ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    এই প্রেক্ষিতে এদিন সিবিআই সিট পুনর্গঠন করেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নতুন করে ‘সিট’-এ নিয়োগ করা হয়েছে, অংশুমান সাহা (ডেপুটি এসপি), বিশ্বনাথ চক্রবর্তী (ইন্সপেক্টর), প্রদীপ ত্রিপাঠি (ইন্সপেক্টর), ওয়াসিম আকরাম খান (ইন্সপেক্টর)। ২ অফিসারকে বাদ দিয়েছেন তিনি। তাঁরা হলেন, কে সি ঋষিনামল ও ইমরান আশিক। আদালতের নির্দেশ, এরা কোনওভাবেই এই সংক্রান্ত তদন্ত করতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তকারী অফিসার কেসি ঋষিনামল। অন্যদিকে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তকারী অফিসার ইমরান আশিক। এঁরা দুজন সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী।

    পাশাপাশি, সিবিআই ডিআইজি অখিলেশ সিং-কে ‘সিট’-এর প্রধান করা হয়েছে। আদালতের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, নিয়োগ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তিনি এই তদন্ত থেকে সরে যেতে পারবেন না। এছাড়াও অন্য কোনও মামলায় তাঁকে যুক্ত করতে পারবে না সিবিআই। এছাড়া, তাঁকে আদালতের অনুমতি ছাড়া বদলিও করা যাবে না। ৭ দিনের মধ্যে দায়িত্ব নেবেন অখিলেশ সিং। 

LinkedIn
Share