Tag: CCTV Footage

CCTV Footage

  • RG Kar Case: ‘সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করা হয়েছে, বদলে দেওয়া হয়েছে রক্তের নমুনা, ঘর’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    RG Kar Case: ‘সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করা হয়েছে, বদলে দেওয়া হয়েছে রক্তের নমুনা, ঘর’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Case) মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় প্রথম থেকেই প্রতিবাদী হয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। তথ্য-প্রমাণ লোপাট করে তদন্তকে ভুল পথে পরিচালিত করেছে পুলিশ— এই দাবিতে পুলিশমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করে লালবাজার ও স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেছিল বিজেপি। এবার বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বললেন, “তিলোত্তমাকে ধর্ষণ করা হয়েছে এক জায়গায়, আর তারপর দেহ সরিয়ে ফেলা হয়েছে অন্য স্থানে।” শুধু তাই নয়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আরও দাবি, বদলে দেওয়া হয় রক্তের নমুনা, পোশাক। নষ্ট করা হয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ।

    ‘বদলাপুরে রামনাম সত্য করে দিয়েছে পুলিশ’ (RG Kar Case)

    সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে সিবিআই-এর পেশ করা রিপোর্টে প্রধান বিচারপতি অত্যন্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তদন্তকারী সংস্থা জানায় এই হত্যাকাণ্ডে (RG Kar Case) বৃহৎ ষড়যন্ত্র রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, চিকিৎসক তরুণীর নির্মম হত্যার বিচারের দাবিতে রবিবার বিজেপির পক্ষ থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে বিরাট মিছিলের আয়োজন করা হয়। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বক্তব্য রাখার সময় বলেন, “উত্তরপ্রদেশে একটা ঘটনা এলে যোগীজি কী করেন দেখতে পাচ্ছেন। অসমেও এমন ঘটনার যোগ্য দৃষ্টান্ত পেয়েছি। পুকুরে চুবিয়ে চুবিয়ে জল খাইয়েছে পুলিশ। মহারাষ্ট্রে আমাদের সরকার, বদলাপুরে রামনাম সত্য করে দিয়েছে পুলিশ। আর একটা অদ্ভুত রাজ্যে আমরা বাস করি যেখানে সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারদের সুরক্ষা নেই। টানা ৩৬ ঘণ্টা ডিউটি করার পর ডাক্তার বোনকে ধর্ষণের শিকার হতে হয়।”

    আরও পড়ুনঃ সুপ্রিম-শুনানির আগের রাতে কলকাতায় মশাল হাতে মহামিছিল জুনিয়র ডাক্তারদের

    ‘ভাবতে পারেন কোন রাজ্যে আমরা রয়েছি

    একই ভাবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “কী অদ্ভুত, ঘটনায় (RG Kar Case) অভিযুক্ত হিসেবে গ্রফতার একজন রাজ্য সরকারের নিরাপত্তারক্ষী সিভিক ভলান্টিয়ার। তার সঙ্গে জেলে রয়েছেন টালা থানার ওসি এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। রক্ষকের হাতেই শিকার হচ্ছেন এই রাজ্যের মহিলারা। ভাবতে পারেন আপনারা আক্রান্ত হলে কোথায় যাবেন? থানায় নিশ্চই, অথচ থানার ওসি নিজেই মামলায় অভিযুক্ত। আরজি করের ঘটনা নজিরবিহীন, বিরল থেকে বিরলতম। সিবিআইয়ের রিপোর্ট পড়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা অত্যন্ত ডিস্টার্ব’। ভাবুন রিপোর্টে কী আছে। আমি বলছি, একটা ঘরে অত্যাচার হয়েছে আর অন্যঘরে নিয়ে গিয়ে দেহ রাখা হয়েছে। জামা কাপড় বদলে দেওয়া হয়েছে। রক্তের নমুনা বদলে দেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ভাবতে পারেন কোন রাজ্যে আমরা রয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি করের করিডরে দাঁড়িয়ে সঞ্জয়! সেই অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে

    RG Kar Incident: আরজি করের করিডরে দাঁড়িয়ে সঞ্জয়! সেই অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Incident) নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে। বিচার চেয়ে লাগাতার আন্দোলন করছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। এই আবহের মধ্যে ৯ অগাস্ট আরজি করের অভিশপ্ত ভোরের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ফুটেজ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    সিসি ফুটেজে কী দেখা যাচ্ছে?

    প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ভোর ৪টে ৩ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত সঞ্জয়কে চারতলার সিঁড়ি দিয়ে আসতে এবং যেতে দেখা গিয়েছে। তার গায়ে টিশার্ট এবং জিন্স রয়েছে। হাতে ঝুলছে হেলমেট। তার মানে বাইকে চেপে এসেছিল মূর্তিমান। গলায় হেডফোন। নির্লিপ্ত মুখে আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Incident) করিডরে প্রবেশ করছে সিভিক ভলান্টিয়ার। তবে, কি কলকাতা পুলিশ লেখা সেই বাইক? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার দেহের কাছ থেকে উদ্ধার করে সংগ্রহ করা হয়েছিল হেডফোনের ছেঁড়া অংশ। সেই সূত্র ধরে কলকাতা পুলিশের ফোর্থ ব্যাটেলিয়নের ব্যারাক থেকে সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ফুটেজে ধৃতের গলায় যে হেডফোন ঝুলছে, তারই ছেঁড়া অংশ মিলেছিল ঘটনাস্থলে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ৮ অগাস্ট রাতে একাধিক বার সঞ্জয় হাসপাতালে ঢুকেছিল এবং বেরিয়েছিল। তার মধ্যে রাত ৮টা নাগাদ সে চেতলার এক যৌনপল্লিতে গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অতীতেও মহিলাদের সঙ্গে অভব্য ব্যবহার করার ‘রেকর্ড’ রয়েছে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের।

    আরও পড়ুন: নেপালের বাস দুর্ঘটনায় মৃত ৪১ ভারতীয়, শোকবার্তা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

    ফাঁসি দিলে দিন (RG Kar Incident)

    তদন্তকারীদের দাবি, এতবড় ঘটনার হওয়ার পরও সঞ্জয়ের মধ্যে অনুশোচনার লেশমাত্র ছিল না। এমনকী অভিযুক্ত একেবারে ভাবলেশহীন। রীতিমতো সে বলে দিচ্ছে, ফাঁসি দিলে দিন। এদিকে অভিযুক্তের পেশার বিষয়টি কার্যত এড়িয়ে গিয়েছিলেন পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। তবে, সূত্রের খবর, ওই যুবক কলকাতা পুলিশের আওতাধীন সিভিক ভলান্টিয়ারের কাজ করত। আরজিকরে তার অবাধ যাতায়াত। যখন খুশি বের হত, যখন খুশি ঢুকত। কিন্তু অত রাতে আরজি করের (RG Kar Incident) সেমিনার হলে ঢুকে পড়ল, কেউ কিছু বলল না? তবে কি আরজি কর চালাচ্ছে এরাই? প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। শুক্রবার ভোরে আরজিকরে ঢুকেছিল ওই অভিযুক্ত। সে ভেতরে ৩০-৩৫ মিনিট ছিল। পরে বেরিয়ে আসে।

    বিভ্রান্ত করছে ধৃত সিভিক

    হেফাজতে থাকাকালীন বার বার বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। সিবিআই (CBI) সূত্রে খবর, আরজি কর হাসপাতালে (RG Kar Incident) প্রবেশের কারণ, সময় নিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে ধৃত। সেমিনার হলের প্রবেশের কারণ নিয়েও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছে সে। যদিও সিবিআইয়ের হাতে ঘটনার রাতের সিসিটিভি ফুটেজ (CCTV Footage) রয়েছে। তাতে অভিযুক্তকে চারতলায় আসতে এবং যেতে দেখা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, বিভ্রান্তি কাটিয়ে সঠিক তথ্য উদ্ধার করতেই পলিগ্রাফ করতে চাইছেন তদন্তকারীরা। এদিকে ধৃতের সম্পর্কে তার প্রতিবেশীদের দাবি, সঞ্জয় এলাকায় সে নিজেকে কলকাতা পুলিশের কর্মচারী বলত। এও বলত যে, ও সব কিছু করতে পারে। মহিলাদের ওপর অত্যাচার করাটা তার কাছে কোনও ব্যাপার নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Swati Maliwal Assault Case: বিকৃত করা হয়েছে সিসিটিভির ফুটেজ! স্বাতী নিগ্রহকাণ্ডে দাবি দিল্লি পুলিশের

    Swati Maliwal Assault Case: বিকৃত করা হয়েছে সিসিটিভির ফুটেজ! স্বাতী নিগ্রহকাণ্ডে দাবি দিল্লি পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ বিকৃত করা হয়ে থাকতে পারে। আপের রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল নিগ্রহকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত বিভব কুমার বিকৃত করতে পারে সিসিটিভির ফুটেজ। অন্তত এমনই দাবি দিল্লি পুলিশের (Swati Maliwal Assault Case)। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশেই এসব করা হয়েছে বলেও দাবি পুলিশের। 

    সিসিটিভির ফুটেজে বিকৃতির ছাপ (Swati Maliwal Assault Case)

    গত ১৩ মে কেজরিওয়ালের বাড়িতে আপ সুপ্রিমোর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত সচিব বিভবের হাতে স্বাতী নিগৃহীত হন বলে অভিযোগ। ওই দিনের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, সেখানেই মিলেছে ‘বিকৃতি’র ছাপ। আদালতে জমা দেওয়া রিমান্ড নোটে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভির ফুটেজের একটি অংশ ফাঁকা (blank)। স্বাতীরও দাবি, ডিলিট করা হয়েছে সিসিটিভির ফুটেজ (Swati Maliwal Assault Case)।

    কী বলছেন স্বাতী?

    সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “এক কালে তিনি নির্ভয়ার জন্য সুবিচার চেয়ে পথে নেমেছিলেন। ১২ বছর পর ওঁরা তাঁর জন্য পথে নামছেন, যিনি সিসিটিভি ফুটেজ নষ্ট করে দিয়েছেন। ফোন ফরম্যাট করিয়েছেন। ভাবি, মণীশ সিসোদিয়ার জন্য এরকম করতে পারতেন! তিনি সেখানে থাকলে আমার সঙ্গে এত খারাপ কিছু হত না।” প্রসঙ্গত, দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জেলে রয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী সিসোদিয়া।

    আর পড়ুন: মুসলিম কট্টরপন্থীদের চাপে এবং ভোট পেতে সাধুদের অপমান করছেন মমতা, তোপ মোদির

    আদালতে পুলিশ জানিয়েছে, ডিজিটাল ভিডিও রেকর্ডার হাতে না পাওয়ায় ১৩ মে-র ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখতে পারেনি তারা। দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে বসানো সিসিটিভির ক্যামেরার ফুটেজ থাকে পিডব্লিউডির অধীনে। এই বিভাগেরই এক জুনিয়র ইঞ্জিনিয়র পেনড্রাইভে পুলিশকে একটি ভিডিও দিয়েছেন, যাতে কিছুই দেখা যায়নি। উল্লেখ্য, এই ডিভিআর জোগাড় করার এক্তিয়ার নেই ওই জুনিয়র ইঞ্জিনিয়রের।

    ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কেজরিওয়ালের ব্যক্তিগত সচিব নিযুক্ত হন বিভব। সরকারি কর্মীকে কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে গত এপ্রিলে অপসারণ করা হয় তাঁকে। তার পরেও বিভব কেন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে ছিলেন, প্রশ্ন পুলিশের। শনিবারই বিভবকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আদালত তাঁকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। বিভব তদন্ত সহযোগিতা করছেন না বলেই জানিয়েছে পুলিশ (Swati Maliwal Assault Case)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Hiran Chatterjee: “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন”, দাবি হিরণের

    Hiran Chatterjee: “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন”, দাবি হিরণের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে রাজ্যে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Vote 2024)। আর এরই মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) পাল্টা জবাব দিলেন ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Hiran Chatterjee)। সম্প্রতি ঘাটালে দেবের (Dev) সমর্থনে প্রচার করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। প্রচার চলাকালীন ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। এবার অভিষেকের সেই কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিলেন হিরণ।

    অভিষেকের বক্তব্য (Hiran Chatterjee)

    গত ৭ এপ্রিল ঘাটালে হিরণের (Hiran Chatterjee) নাম না করেই অভিষেক বলেছিলেন, ‘‘এখানে যাঁকে বিজেপি (BJP) দাঁড় করিয়েছে, তিনি ছ’-আট মাস আগে আমার দফতরে এসেছিলেন। তৃণমূলে (TMC) ঢোকার জন্য এলেও আমি দরজা বন্ধ করে দিয়েছি।” এখানেই তিনি থেমে থাকেননি। অভিষেক সেদিন আরও জানিয়েছিলেন, দরকার হলে সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ্যে আনবেন তিনি।

    হিরণের পাল্টা বক্তব্য

    তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই দাবি খারিজ করে বিজেপি প্রার্থী হিরণ (Hiran Chatterjee) পাল্টা দাবি করে বলেন, “অভিষেকই আমাকে বার বার ফোন করে ডেকেছিলেন। তাই আমি তাঁর দফতরে গিয়েছিলাম। দলকে পুরো বিষয়টি জানিয়ে গিয়েছিলাম। অভিষেক যেদিন সিসিটিভির ফুটেজ দেবেন, আমি সেদিন সমস্ত প্রমাণ দেব। উনি কত বার আমায় ফোন করেছেন, কেন আমায় ডাকছিলেন, কী কী বলেছেন, সমস্ত রেকর্ড আমার কাছেও আছে। আমাদের পার্টির কিছু নির্দিষ্ট কৌশল আছে। আমরা কিছু জিনিস মেনে চলি। আমরা পাবলিসিটির জন্য ভুলভাল কথা বলি না।”

    আরও পড়ুনঃ অন্ধকার গর্ভগৃহে রামলালার ললাটে তিলক আঁকল সূর্যরশ্মি, বিজ্ঞানের আশ্চর্য প্রয়োগ

    ‘প্রমাণ’ হাজির করার হুঁশিয়ারি

    উল্লেখ্য, গত বছর একটি ছবি ঘিরে তৈরি হয়েছিল জল্পনা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কার্যালয়ে গিয়েছিলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়, এমনই দাবি করা হয়েছিল। এবারের লোকসভা ভোটের প্রচার চলাকালীন সেই বিষয়টিই তুলে ধরেন অভিষেক। আর তাঁর পাল্টা জবাব দিয়ে ‘প্রমাণ’ হাজির করানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঘাটালের (Ghatal) এই বিজেপি প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: জোড়া খুনের ঘটনায় উধাও সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Uttar Dinajpur: জোড়া খুনের ঘটনায় উধাও সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উধাও হয়ে গিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ! পুলিশের ভূমিকায় অত্যন্ত বিরক্ত প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েত ভোট কেন্দ্রের বুথে লাগানো হয়েছিল সিসিটিভি। নজরদারিতে হয়েছে ভোট গ্রহণ পর্ব। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে (Uttar Dinajpur) ভোটের দিনেই খুন হয়েছিলেন দুই রাজনৈতিক কর্মী। আজ সোমবারে হাইকোর্টে এই জোড়া খুনের মামলায় আদতে সিসিটিভির ফুটেজ দিতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। এর ফলেই পুলিশকে আদলাতের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হল। উল্লেখ্য, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের সময় মনোনয়ন থেকে ভোটদান এবং ফলাফলের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু খুন, হত্যা এবং ভোট লুটের মামলা হাইকোর্টে গেছে বলে জানা গিয়েছে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Uttar Dinajpur)?

    আদলাত সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুরের (Uttar Dinajpur) জগির বস্তিতে ভোটের দিন খুন হয়েছিল দুই ভাই। একজন ছিলেন জমির উদ্দিন তৃণমূল কর্মী এবং অপর আরেক জন ছিলেন সামসুর হক কংগ্রেস সমর্থক। ভোটের দিনে বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় তাঁদের। এই খুনের ঘটনায় আদালতে পুলিশ জানিয়েছে সিসিটিভি ফুটেজ হারিয়ে গিয়েছে। অথচ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে পুলিশের তদন্ত করার নির্দেশ ছিল। পুলিশ নামে মাত্র তদন্ত করেছে। ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করার কথা বললেও পুলিশ তা করতে পারেনি। আদলাতের বক্তব্য ঠিক এমনটাই। সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আদালত মামলায় গোপন জবানবন্দী নেওয়ার কথা বললেও খুনে যারা অভিযুক্ত তাদেরকেই সাক্ষী করেছে পুলিশ। রাজনীতির একাংশের মানুষের বক্তব্য পুলিশ দুষ্কৃতীদের হয়ে কাজ করছে।

    আদলাত কী বলেছে?

    ইসলামপুরের গোয়ালপুকুরের (Uttar Dinajpur) নির্বাচনের দিনে খুনের ঘটনায় পুলিশকে তীব্র সমালোচনা করে হাইকোর্টের বিচারপতি বলেন, “ভোটের দিনে দুই ভাইয়ের খুন হতে হয়েছিল। আর পুলিশ বলছেন দুই পক্ষের মধ্যে গোলমালে মারা গিয়েছেন! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আর কিছু বলার নেই।” বিচারপতি আরও জিজ্ঞেস করেন, “গোপন জবানবন্দী নেওয়া হয়েছে কিনা?” উত্তরে উকিল বলেন বয়ান নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পালটা বিচারপতি বলেন, “মৃত পরিবারের বক্তব্যকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য কাজ করছে পুলিশ। পুলিশ নিজের ইচ্ছেতে গল্প সাজিয়েছেন।” বর্তমানে পুলিশ সুপারকে তদন্তের ভার দিলেও সিসিটিভি ফুটেজ আদৌ উদ্ধার হবে কিনা তা এখনও সংশয়ের বিষয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Accident: দিল্লিতে ফুটপাতে থাকা তিন শিশুকে ধাক্কা বেসামাল গাড়ির, সিসিটিভি ফুটেজে ভয়ঙ্কর দৃশ্য

    Delhi Accident: দিল্লিতে ফুটপাতে থাকা তিন শিশুকে ধাক্কা বেসামাল গাড়ির, সিসিটিভি ফুটেজে ভয়ঙ্কর দৃশ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাজধানীতে আবার ঘটল হিট অ্যান্ড রানের ঘটনা! দুর্ঘটনার (Delhi Accident) শিকার তিন শিশু। রাস্তার পাশে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে রোদ পোয়াচ্ছিল তিন শিশু। হঠাৎ করেই বেসামাল গাড়ি উঠে যায় ফুটপাতে। গাড়িটি ছিল একটি মারুতি গাড়ি। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয় ওই তিন শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির গুলাবিবাগ এলাকায়। এই মর্মান্তি ঘটনার ভিডিও ওই এলাকার সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে।  

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লির (Delhi Accident) প্রতাপনগরের বাসিন্দা গাজেন্দ্রর গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছে ওই তিন শিশু। বয়স যথাক্রমে ১০ বছর, ৬ বছর এবং ৪ বছর। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই গজেন্দ্রর গাড়িটি ফুটপাতে চলে আসে এবং সেই গাড়ির ধাক্কায় তিন শিশু গুরুতর আহত হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে পুলিশ। আহত শিশুদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা এখন চিকিৎসাধীন। বর্তমানে তারা বিপদমুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ঘটনায় ইতিমধ্যে গজেন্দ্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: পোষ্য নিয়ে বিমানে উঠতে বাধা, এয়ার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বেঙ্গালুরুর পরিবার

    কী ঘটে?     

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য,দুর্ঘটনাটি ঘটে সকাল নটার সময়। সিসিটিভি (Delhi Accident) ফুটেছে দেখা গিয়েছে, গুলাবি বাগের লীলাওয়াতি স্কুলের পাশ দিয়ে মারুতি ব্রিজা গাড়িটি চালিয়ে আসছিলেন গজেন্দ্র। দ্রুতগতিতে আসা গাড়িটি হঠাৎ করেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে যায়। তারপরই ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা তিন শিশুকে ধাক্কা মারে গাড়িটি। গুরুতর আহত হয় ওই তিন শিশু। স্থানীয় বাসিন্দারাই তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান। অন্যদিকে, গজেন্দ্রর গাড়ি ধরে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। এরপরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে, এলাকার বাসিন্দারা গজেন্দ্রকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

     

    গজেন্দ্র মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ এক প্রত্যক্ষদর্শীর। তাঁর কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। গজেন্দ্রকে ইতিমধ্যে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং গোটা ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Delhi Murder: প্লাস্টিকে বাবার মাথা ভরে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছেলে, দিল্লি হত্যার রোমহর্ষক ভিডিও প্রকাশ পুলিশের

    Delhi Murder: প্লাস্টিকে বাবার মাথা ভরে ঘুরে বেড়াচ্ছে ছেলে, দিল্লি হত্যার রোমহর্ষক ভিডিও প্রকাশ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একের পর এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষ্মী হয়েছে রাজধানী দিল্লি। শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যার পর আরও এক হত্যার ঘটনায় কেঁপে উঠেছিল শহর। দিল্লিতে সৎবাবাকে হত্যা (Delhi Murder) করে দেহ ১০ টুকরো করার অভিযোগে গত সোমবার গ্রেফতার হয়েছেন দীপক দাস ও তার মা পুনম দাস। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে দিল্লি পুলিশ। 

    ভিডিওতে দেখা যায়, দিল্লির একটি মাঠে প্লাস্টিক ব্যাগ (Delhi Murder) নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন দীপক। কি‌ছুক্ষণ পর ব্যাগটি মাঠ থেকে তুলে নিয়ে আবার হাঁটতে শুরু করেন তিনি। সিসিটিভি ফুটেজে এই দৃশ্য দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই মাঠের মধ্যে তার সৎবাবার কাটা মাথা পুঁতে দিতে গিয়েছিলেন দীপক। 

    আরও পড়ুন: ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ এখনই নয়, কেন বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়?  

    জুন মাসে মায়ের কথায় সৎবাবা অঞ্জন দাসকে হত্যা (Delhi Murder) করেন দীপক। দিল্লির পাণ্ডব নগরের বাসিন্দা ছিলেন তারা। পুনমের দাবি, অঞ্জন তাঁকে না জানিয়েই তাঁর গয়না বিক্রি করে দিয়েছিলেন। গয়না বিক্রির টাকা অঞ্জন তাঁর প্রথম স্ত্রীকে পাঠাতেন। বিহারে আট ছেলে-মেয়ে নিয়ে সংসার ছিল অঞ্জনের প্রথম স্ত্রীর। সংসার চালানোর টাকা দিতে অঞ্জন গয়না বিক্রি করেছিলেন বলে অভিযোগ পুনমের। 

    কী ঘটেছে? 

    বিষয়টি জানতে পেরেই স্বামীর ওপর রেগে গিয়েছিলেন পুনম। ছেলে দীপকের সঙ্গে পরিকল্পনা করে অঞ্জনকে হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। পুলিশ জানতে পারে,অঞ্জনের পানীয়তে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিলেন অভিযুক্তরা। অঞ্জন অজ্ঞান হয়ে গেলে তার গলায় কুঠার দিয়ে কোপ মেরে হত্যা (Delhi Murder) করা হয়। সারা রাত ধরে মরদেহ থেকে রক্ত বের হয়ে যাওয়ার পর পরদিন সকালে ছুরি এবং অন্য একটি ধারালো অস্ত্র দিয়ে অঞ্জনের দেহ ১০ টুকরো করা হয়। তারপর সেসব পলিথিনের ব্যাগে ভরে ফ্রিজে রেখে দেন পুনম ও দীপক। পুলিশ জানিয়েছে, ধারালো অস্ত্রটির খোঁজ মিললেও হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি এখনো পাওয়া যায়নি। দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া দেহের অংশের ছয়টি টুকরা খুঁজে পেয়েছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

      
     

  • Satyendar Jain: কয়েদিকে আরামের মালিশ! জেলে সত্যেন্দ্র জৈনের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

    Satyendar Jain: কয়েদিকে আরামের মালিশ! জেলে সত্যেন্দ্র জৈনের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্রে জৈন (Satyendar Jain)। দিন কাটছে হাজতে। এই কথাটা শুনেই যদি আপনার সিনেমায় দেখা বন্দিদের দুরাবস্থার করুণ ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তাহলে আপনি ভুল ভাবছে। জেলের মধ্যেও মন্ত্রীর জীবন কাটছে রাজার হালে। হাজতেই পাঁচতারা হোটেলের পরিষেবা পাচ্ছেন দিল্লি সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তাঁর জন্যে রয়েছে গোটা শরীর মালিশের বিশেষ ব্যবস্থা। অন্তত দিল্লির তিহার জেলের ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ সে গল্পই শোনাচ্ছে। 

    আর্থিক তছরুপের দায়ে ৩০ মে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার হন সত্যেন্দ্র জৈন। তারপর থেকেই তাঁর ঠিকানা তিহার জেল। ১৩ সেপ্টেম্বরের তিহার জেলের একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে মন্ত্রী একটি বছানায় আরামে শুয়ে রয়েছেন এবং তাঁর পায়ে মালিশ করছেন এক ব্যক্তি।  

     

    বিজেপির নিশানায় আম আদমি পার্টি

    বিষয়টিতে কেজরিওয়াল সরকারকে এক হাত নিয়েছে কেন্দ্রীয় শাসক দল। বিজেপি নেতা সেহজাদ পুনাওয়ালা ট্যুইটে লেখেন, “কারাগারে ভিভিআইপি আচরণ! তিহার জেলে থাকাকালীন শরীর মালিশ? যে পাঁচ মাস জামিন পায়নি, সেই বন্দিকে এমন সুবিধা! এটি আম আদমি পার্টির আসল চেহারা দর্শায়।”   

     

    এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়াল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং ভিভিআইপি সংস্কৃতির অবসানের জন্য দল তৈরি করেছিলেন। কিন্তু এখানে একজন দুর্নীতিবাজ সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন।”

    নিজেরদের সাফাইয়ে কী বলল আপ?

    এদিকে নিজেদের সাফাই দিয়ে আম আদমি পার্টি (AAP) দাবি করে, যে সত্যেন্দ্র জৈনের চিকিৎসার কারণে এই মালিশ দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা বিজেপি এই মন্তব্যের সমালোচনা করে বলে, “এভাবে কারও অসুস্থতা নিয়ে তামাসা করা ঠিক নয়।” বিষয়টির তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর। তিহার জেলের সুপারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরপরেও আম আদমি পার্টি নিজেদের দাবিতে অনড়। এখনও একই সুরে তাঁরা বলে চলেছেন যে, সত্যেন্দ্র জৈনকে কোনও ভিআইপি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না জেলে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

     

LinkedIn
Share