Tag: CCTV Surveillance

  • Jammu Kashmir: ৩ জুলাই থেকে শুরু অমরনাথ যাত্রা, নজিরবিহীন নিরাপত্তার বলয়ে পুরো পথ

    Jammu Kashmir: ৩ জুলাই থেকে শুরু অমরনাথ যাত্রা, নজিরবিহীন নিরাপত্তার বলয়ে পুরো পথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে অমরনাথ যাত্রা। চলবে ২৮ অগাস্ট পর্যন্ত। এই পবিত্র তীর্থযাত্রাকে (Amarnath Yatra) ঘিরে এবার নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) প্রশাসন এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা। আগামী দু’মাসে লক্ষাধিক ভক্ত অমরনাথ গুহা মন্দিরে দর্শনে যাবেন জম্মু থেকে পাহেলগাঁও এবং বালতাল রুট ধরে। সেই কারণে গোটা যাত্রাপথে বহুস্তরীয় নিরাপত্তার বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তা বলয় (Jammu Kashmir)

    প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রিয়েল-টাইম নজরদারি, ওয়াচ টাওয়ার, উন্নত যানবাহন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা, আরএফআইডি ট্র্যাকিং এবং কড়া পরিচয় যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যদিও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কাছে যাত্রাকে কেন্দ্র করে কোনও নির্দিষ্ট জঙ্গি হামলার সতর্কতা নেই, তবুও কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। উল্লেখ্য, গত বছর পহেলগাঁওয়ের বৈসরন উপত্যকায় পর্যটকদের ওপর জঙ্গি হামলার ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে।

    কিউআর-কোডযুক্ত ট্যাম্পার-প্রুফ পরিচয়পত্র

    এই (Jammu Kashmir) প্রথমবার তীর্থযাত্রার সঙ্গে যুক্ত ঘোড়াওয়ালা, পিঠু শ্রমিক ও অন্যান্য পরিষেবা প্রদানকারীদের জন্য কিউআর-কোডযুক্ত ট্যাম্পার-প্রুফ পরিচয়পত্র চালু করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, এর ফলে পরিষেবা প্রদানকারীর ছদ্মবেশে কোনও জঙ্গি অনুপ্রবেশ করতে পারবে না। কিউআর কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির যাবতীয় তথ্য মিলবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে উঁচু ওয়াচ টাওয়ার ও ‘মাচান মোর্চা’ তৈরি করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত মক ড্রিল ও নজরদারি মহড়া চালাচ্ছে।

    ‘নো-ফ্লাই জোন’

    এছাড়াও, পুরো অমরনাথ যাত্রাপথকে ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এবারও হেলিকপ্টার পরিষেবা বন্ধ থাকছে। তীর্থযাত্রীদের কনভয় চলাচলের সুবিধার্থে শ্রীনগর-জম্মু জাতীয় সড়ক এবং উপত্যকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় (Amarnath Yatra) বিশেষ ট্রাফিক বিধিনিষেধও জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীগুলির মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ, এবং গোয়েন্দা তথ্য আদানপ্রদানই এবার যাত্রা সফল করার প্রধান চাবিকাঠি বলেই (Jammu Kashmir) ধারণা প্রশাসনের।

     

  • NEET ReTest: কংগ্রেসের র‍্যালির ট্র্যাফিকে আটকে নিট পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী, বেঙ্গালুরুতে তীব্র বিতর্ক

    NEET ReTest: কংগ্রেসের র‍্যালির ট্র্যাফিকে আটকে নিট পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী, বেঙ্গালুরুতে তীব্র বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের একটি রাজনৈতিক সমাবেশের (Congress Rally) জেরে তীব্র যানজট। সেই জটে আটকে পড়ে মাত্র দু’মিনিট দেরিতে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোয় নিট ইউজি ২০২৬ রি-টেস্টে (NEET ReTest) বসতে পারলেন না তিন ছাত্রী। বেঙ্গালুরুর আরসি গভর্নমেন্ট কলেজ (RC Government College) পরীক্ষাকেন্দ্রের ঘটনা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবক মহলেও।

    পরীক্ষায় বসতে পারলেন না ৩ ছাত্রী (NEET ReTest)

    রবিবার নিটের রি-টেস্টের জন্য পরীক্ষার্থীদের দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে বলা হয়েছিল। পরীক্ষাকেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী, ঠিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে মেন গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ওই তিন ছাত্রী ১টা ৩২ মিনিটে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছন। তাই তাঁদের আর পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হয়নি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, দুপুর ১টা ২৯ মিনিটে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমের মাধ্যমে শেষবারের মতো ঘোষণা করা হয় যে ঠিক ১টা ৩০ মিনিটে গেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবুও যানজটের কারণে ওই তিন ছাত্রী সময়মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে পারেননি। পরীক্ষা মিস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় তিন ছাত্রী মরিয়া হয়ে মেন গেটের রেলিং টপকে কেন্দ্রের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাঁরা ক্যাম্পাসে ঢুকেও পড়েন। কিন্তু ততক্ষণে পরীক্ষা হলের গেট সিল করে দেওয়া হয়েছিল। নিটের নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পর কোনও পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় না। তাই তাঁদের ফিরে যেতে হয়।

    কংগ্রেসের র‍্যালির কারণে ব্যাপক ট্র্যাফিক জ্যাম

    ওই ছাত্রীদের অভিভাবকদের অভিযোগ, তাঁরা যথেষ্ট সময় হাতে নিয়েই বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু শহরে কংগ্রেসের র‍্যালির কারণে ব্যাপক ট্র্যাফিক জ্যাম হওয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছতে দেরি হয়ে যায়। শুধু আরসি গভর্নমেন্ট কলেজ নয়, বেঙ্গালুরুর মল্লেশ্বরম এলাকার এমইএস পিইউ কলেজ (MES PU College) পরীক্ষাকেন্দ্রেও বহু পরীক্ষার্থী শেষ মুহূর্তে পৌঁছন। জ্যামে আটকে পড়ায় অনেকেই কার্যত দৌড়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছন। ফলে বড়সড় বিপর্যয় এড়ানো গিয়েছে।

    কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    ঘটনায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন  বেঙ্গালুরু দক্ষিণের বিজেপি সাংসদ তেজস্বী সূর্য। তাঁর অভিযোগ, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী যখন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, তখন কংগ্রেসের উচিত ছিল অন্য কোনও দিন র‍্যালির আয়োজন করা (NEET ReTest)। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি দিন বেছে নিয়েছে, যেদিন নিট রি-টেস্ট হচ্ছে। এর ফলে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছে (Congress Rally) এবং বহু পরীক্ষার্থী আতঙ্কের মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছেছেন। তিনি পরীক্ষক সংস্থাকে ধন্যবাদও জানান। কারণ কয়েকটি কেন্দ্রে দেরিতে পৌঁছনো ছাত্রছাত্রীদের সাহায্য করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময়ও দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তেজস্বী সূর্য বলেন, “এই ঘটনার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের প্রতি সংবেদনশীলতার অভাবই।”

    বিমানবন্দরে ঠায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি পদক্ষেপও চর্চায় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী দুপুর ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছলেও, তিনি সঙ্গে সঙ্গে নিজের সরকারি বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হননি (NEET ReTest)। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাজনিত কারণে রাস্তায় বিশেষ ট্র্যাফিক ব্যবস্থা ও সাময়িক বিধিনিষেধ জারি করা হয়। পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, তাই তিনি প্রায় ৪৫ মিনিট বিমানবন্দরেই ঠায় বসে থাকেন। দুপুর ২টো নাগাদ, যখন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছনোর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গিয়েছে, তখনই তিনি বিমানবন্দর ছাড়েন। উল্লেখ্য, ওডিশা ও পশ্চিমবঙ্গ সফর শেষে দিল্লিতে ফিরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    নিট রি-টেস্ট

    প্রসঙ্গত, নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষা হয়েছিল গত ৩ মে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় সেই পরীক্ষা বাতিল করা হয়। সেই কারণেই এদিন আয়োজন করা হয়েছিল রি-টেস্টের। দেশের ৫৫১টি শহরের ৫,৪৪০টি কেন্দ্রে এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয় (NEET ReTest)। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনটিএ একাধিক কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল। পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভির নজরদারি, ইসিআইএল এবং বিইএলের সরবরাহ করা জ্যামার, মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি, প্রত্যেক (Congress Rally) পরীক্ষা কক্ষে দু’জন করে ইনভিজিলেটর এবং অতিরিক্ত তদারকি কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধও জারি করা হয়েছিল (NEET ReTest)।

     

  • NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    NEET Re Exam: আজ নিট, ২২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা, আস্থার পরীক্ষায় এনটিএ-কেন্দ্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট ইউজি ২০২৬ এর রি-টেস্ট আজ, রবিবার (NEET Re Exam)। ২২ লাখেরও বেশি মেডিক্যাল ভর্তি-প্রত্যাশী অংশ নেন এই পরীক্ষায়। এই পরীক্ষাটি কেবল পরীক্ষার্থীদের জন্যই নয়, এনটিএ (National Testing Agency) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও একটি বড় চ্যালেঞ্জ (Security)। কারণ মে মাসে হওয়া পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ এবং পরবর্তীকালে পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় সৃষ্টি হয়েছিল আস্থার সঙ্কট। সেই সঙ্কট কাটিয়ে উঠতেই এবার ছিল নজিরবিহীন নিরাপত্তার ব্যবস্থা।

    কড়া নিরাপত্তায় পরীক্ষা (NEET Re Exam)

    প্রশ্নফাঁস বিতর্কের জেরে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, ছাত্রদের প্রতিবাদ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও উঠেছিল। কেন্দ্র জানিয়েছিল, স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েই আগের পরীক্ষা বাতিল করে ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। সেই মতো হয় রি-টেস্ট। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের তিন ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় দেওয়া হলেও, বিশেষভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীরা পায় অতিরিক্ত এক ঘণ্টা ৫ মিনিট। এনটিএর তরফে পরীক্ষার্থীদের দুপুর দেড়টার মধ্যেই পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আগেই। এদিন যাচাই করা হচ্ছে অ্যাডমিট কার্ড, বৈধ পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্ট সাইজের দু’টি ছবি। নির্ধারিত সময়ের পরে কোনও পরীক্ষার্থীকেই যে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হবে না, তাও আগেই জানিয়ে দিয়েছিল পরীক্ষক সংস্থা। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে সেগুলি বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়।  দেশজুড়ে ৫,৪৪০টি পরীক্ষাকেন্দ্র এবং বিদেশের ১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হচ্ছে। সব মিলিয়ে মোট ৫৫১টি শহরে এই পরীক্ষা হচ্ছে।

    ব্রজ্র আঁটুনি

    এনটিএ জানিয়েছে, ৯৫ হাজারেরও বেশি পরীক্ষাকক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মোট ১,৩৮,৫৬০টি সিসিটিভি ক্যামেরার লাইভ ফিড জাতীয়, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে পর্যবেক্ষণ করা (Security) হচ্ছে। ইলেকট্রনিক জালিয়াতি রুখতে ৫১,৩১১টি জ্যামার মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি পুলিশ, আধাসামরিক বাহিনী, ভারতীয় বায়ুসেনা এবং ডাক বিভাগের কর্মীরাও নিরাপত্তা এবং লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত রয়েছেন (NEET Re Exam)। প্রতি পরীক্ষাকেন্দ্রে গড়ে ৪০ থেকে ৫০ জন নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। পরীক্ষাকক্ষে থাকছেন দু’জন করে ইনভিজিলেটর। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বে রয়েছেন ১০ জনেরও বেশি অতিরিক্ত পরীক্ষাকর্মী। পরীক্ষার্থীদের পরিচয়পর্ব যাচাই আরও কড়া করা হয়েছে। প্রায় ৩৮,৭৯৫ জন ফ্রিস্কিং স্টাফ এবং ৪৮,৪৪৮ জন বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের পাশাপাশি ফেস অথেনটিকেশন ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। এনটিএর নির্দেশ মতো প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে একজন করে সেন্টার সিস্টেমস অফিসার (CSO) থাকছেন। তিনি দিনভর সিসিটিভি পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সমস্যার দ্রুত সমাধান করবেন।

    সংস্থার প্রধান লক্ষ্য

    এদিকে, পরীক্ষার ঠিক আগের দিন একটি ঘটনাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। নাগপুরের এক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ, তাঁর পরীক্ষাকেন্দ্র আবুধাবিতে। যদিও, ওই পরীক্ষার্থীর দাবি, পছন্দের কেন্দ্র হিসেবে তিনি বেছে নিয়েছিলেন নাগপুর, ওয়ার্ধা এবং ভান্ডারা শহরকে (NEET Re Exam)। অভিযোগ ওঠার পর দ্রুত ঘটনার তদন্ত করে এনটিএ জানায়, পরীক্ষার্থীর নিজস্ব লগইন থেকেই কেন্দ্র পরিবর্তনের আবেদন করা হয়েছিল, এবং সেই অনুযায়ীই আবুধাবি কেন্দ্র বরাদ্দ হয়েছিল। পরে অনুরোধ পাওয়ার পর তাঁকে নাগপুরেই নতুন কেন্দ্র দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, প্রশাসনিক জটিলতার কারণে কোনও পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা যেন নষ্ট না হয়, সেটাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

    রাহুলের বার্তা

    এদিকে, প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শুভেচ্ছা জানিয়ে কেন্দ্রকে সতর্ক করেছেন (NEET Re Exam)। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “আমি আশা করি তোমাদের পরীক্ষা খুব (Security) ভালো হবে। আমরা তোমাদের পাশে আছি এবং তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে চাই।” কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে রাহুল বলেন, “দয়া করে নিশ্চিত করুন, এবার যেন কোনও গলদ না হয়। ছাত্রছাত্রীরা ইতিমধ্যেই যথেষ্ট মানসিক চাপের মধ্যে রয়েছে (NEET Re Exam)।”

     

LinkedIn
Share