Tag: cctv

cctv

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে জরুরি পরিষেবায় সাড়া দিতে সময় কমানোর লক্ষ্যমাত্রা শুভেন্দুর, ৯০০ গাড়ি নামাল পুলিশ

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে জরুরি পরিষেবায় সাড়া দিতে সময় কমানোর লক্ষ্যমাত্রা শুভেন্দুর, ৯০০ গাড়ি নামাল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হবে রাজ্যের পুলিশকে। বর্তমানে জরুরি পরিষেবায় সাড়া দিতে পুলিশের গড়ে প্রায় ৯০ মিনিট সময় লাগে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই সময় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে নতুন জরুরি সহায়তা ব্যবস্থা চালু করল রাজ্য সরকার। শনিবার কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এক অনুষ্ঠানে জরুরি সাড়া প্রদান সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ব্যবস্থার অধীনে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ৯০০টি যানবাহন (Police Reform)। তার মধ্যে রয়েছে ৪৫০টি চারচাকার গাড়ি এবং সমসংখ্যক মোটরবাইক।

    পুলিশের কর্মদক্ষতা (Suvendu Adhikari)

    অনুষ্ঠানে কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের কর্মদক্ষতার তুলনা টেনে শুভেন্দু বলেন, কলকাতা পুলিশের হাতে বেশি সংখ্যক কর্মী ও যানবাহন থাকায় তারা ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দিতে পারে। রাজ্য পুলিশের ক্ষেত্রেও একই রকম দ্রুত পরিষেবা নিশ্চিত করার উপর জোর দেন তিনি।

    পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও গুজরাট ছয় থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেয়। বাংলা কেন তা করতে পারবে না?” দ্রুত পরিষেবা দেওয়ার জন্য পুলিশকর্মীদের আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, ৯০০টি যানবাহন দিয়ে এই উদ্যোগের সূচনা হল মাত্র। আগামী এক বছরের মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি থানায় চারটি করে মোটরবাইক এবং চারটি করে গাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই যানবাহন চালানোর জন্য ১,৫০০ জন চালক নিয়োগের প্রস্তাবেও রাজ্য মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে বলে জানান তিনি।

    থানার পরিকাঠামো উন্নয়নেও জোর

    রাজ্যের একাধিক থানার বেহাল পরিকাঠামো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, অনেক থানায় ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধার অভাব রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অবস্থাও সন্তোষজনক নয়। কলকাতার ওয়াটগঞ্জ ও একবালপুর থানা পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, ওই থানাগুলির ভবন প্রায় একশো বছরের পুরনো বলে মনে হয়েছে। পাশাপাশি, সেখানে পর্যাপ্ত নজরদারি ক্যামেরা এবং অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রেরও অভাব রয়েছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই সমস্ত কিছুরই পরিবর্তন করতে হবে।”

    উপনির্বাচনে শান্তি বজায় রাখায় পুলিশের প্রশংসা

    সম্প্রতি রাজ্যের দু’টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় পুলিশকর্তাদের প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। রক্তপাত ছাড়া ভোটপর্ব শেষ করার জন্য পুলিশকর্তাদের কৃতিত্ব দেন তিনি। রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা এবং ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক জাভেদ শামিম-সহ একাধিক পদস্থ আধিকারিকের ভূমিকার প্রশংসা করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের সঙ্গে অসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের আরও ভালো সমন্বয়ের উপরেও জোর দেন তিনি। তাঁর মতে, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ করা সম্ভব হবে।

    ১১ হাজারেরও বেশি কনস্টেবল নিয়োগ

    পুলিশে নিয়োগ প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, আগের সরকারের তুলনায় বর্তমান সরকার নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এনেছে। দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যে ১১ হাজারেরও বেশি পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ করা হবে।

    মাদকাসক্তি এবং মহিলাদের উপর হামলার ঘটনায় রাজ্য সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা ফের স্পষ্ট করেন শুভেন্দু। এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোনওরকম আপস করা হবে না বলে জানান (Police Reform) তিনি।

    আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ধর্ষণ ও খুনের শিকার চিকিৎসকের পরিবারের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন রাজ্যের প্রথম পদ্ম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    Varanasi: বারাণসীতে নিকাশি নালা বন্ধের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ, বস্তাভর্তি বালি উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীতে ইচ্ছাকৃতভাবে নিকাশি নালার পথ বন্ধ করে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার (Varanasi) সাফাই অভিযানের সময় শহরের একাধিক এলাকার মূল নিকাশি নালার ভিতর থেকে বালিভর্তি বস্তা, পাথর, কাঠের গুঁড়ো, প্লাইউড এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুরসভার আধিকারিকদের অনুমান, পরিকল্পিতভাবেই নালাগুলি (Waterlogging Investigation) আটকে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।

    শিবালা, সরায়নন্দন এবং নাগওয়া-সহ প্রায় ছ’টি ওয়ার্ডে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় এই ধরনের প্রতিবন্ধকতা নজরে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরের নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত করা এবং জল জমিয়ে দেওয়ার সম্ভাব্য ষড়যন্ত্র নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন বারাণসী পুরসভা কর্তৃপক্ষ। পুলিশও ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।

    উদ্ধার ১২ বস্তা বালি (Varanasi)

    শুক্রবার রাতে, ১১ সেপ্টেম্বর, শিবালা ওয়ার্ডের ৭৫ নম্বর এলাকায় আগরওয়াল রেডিও এবং রত্নাকর পার্কের কাছে নিকাশি নালা পরিষ্কারের সময় প্রায় ১২ বস্তা বালি উদ্ধার করেন পুরসভার কর্মীরা। বস্তাগুলি মূল নিকাশি নালার ভিতরে রাখা ছিল।

    বারাণসীর মেয়র অশোক তিওয়ারি বলেন, নালার ভিতরে যেভাবে বস্তাগুলি রাখা হয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছে ইচ্ছাকৃতভাবেই নালাটি বন্ধ করা হয়েছিল। তাঁর কথায়, “প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি একটি বড় ষড়যন্ত্রের অংশ। মূল নিকাশি নালা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নোংরা জল সংযোগকারী গলিগুলিতে উপচে পড়ে। এর ফলে জনজীবন ব্যাহত হয় এবং বিভিন্ন এলাকায় জল জমে যায়।”

    পুরসভার অভিযোগ অনুযায়ী, নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত করার পাশাপাশি জলকল দফতর এবং শহর প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যও থাকতে পারে এই ঘটনার পিছনে।

    ষড়যন্ত্রের দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ

    বারাণসী পুরসভার জলকল দফতরের পক্ষ থেকে ভেলুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই ধারাটি জলমগ্নতা ঘটিয়ে (Varanasi) ক্ষতিসাধনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

    ভেলুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক দুর্গা সিং বলেন, “এই ঘটনায় অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩২৬(গ) ধারায় জলমগ্নতা ঘটিয়ে ক্ষতিসাধনের অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।”

    দোষীদের চিহ্নিত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন পুলিশ ও পুরসভার আধিকারিকরা। আধিকারিকেরা জানিয়েছেন, অন্য কয়েকটি ওয়ার্ডের নিকাশি নালার ভিতর থেকেও বালি, পাথর, প্লাইউড, কাঠের গুঁড়ো এবং প্লাস্টিকের বর্জ্য উদ্ধার হয়েছে।

    কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পুর কমিশনারের

    বারাণসীর পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল এই ঘটনার পিছনে সমাজবিরোধীদের হাত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। নিকাশি নালাগুলি কীভাবে এবং কারা বন্ধ করল, তা চিহ্নিত করতে পুরসভার পক্ষ থেকে তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    নিকাশি নালা পরিষ্কার করা এবং নিচু এলাকাগুলিতে জমে থাকা জল সরানোর কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মেয়র অশোক তিওয়ারি ও পুর কমিশনার হিমাংশু নাগপাল। পুরসভা এবং জলকল দফতরের কর্মীরা নিকাশি ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    পুর কমিশনার বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, কাউকে নিকাশি নালা কিংবা সরকারি সম্পত্তিতে ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ বা ক্ষতিসাধন করতে দেখলে সঙ্গে সঙ্গে পুরনিসভাকে জানাতে হবে (Waterlogging Investigation)। এই ঘটনায় জড়িত কাউকে শনাক্ত করা গেলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও (Varanasi) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

     

  • Bareilly Businessman Murder: ‘জিনে’র নির্দেশে খুন! সকালে হাঁটতে বেরিয়ে নৃশংসভাবে খুন ব্যবসায়ী , গ্রেফতার তরুণ-সহ ২

    Bareilly Businessman Murder: ‘জিনে’র নির্দেশে খুন! সকালে হাঁটতে বেরিয়ে নৃশংসভাবে খুন ব্যবসায়ী , গ্রেফতার তরুণ-সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের বেরেলিতে বছর সত্তরের এক ব্যবসায়ীকে (Bareilly Businessman Murder) নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ বছর উনিশের এক তরুণকে গ্রেফতার করেছে (Mohammad Arman)। ধৃতের দাবি, একটি “জিন” তাকে রক্ত ঝরানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই সামনে যাকে প্রথম সে পেয়েছিল, তাকেই হত্যা করে বলে জেরায় জানিয়েছে অভিযুক্ত। যদিও পুলিশ স্পষ্ট করেছে, অভিযুক্তের এই দাবি এখনও প্রমাণিত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না। ফরেন্সিক ও অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে মিলিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    হাঁটতে বেরিয়ে খুন (Bareilly Businessman Murder)

    নিহত সিয়ারাম শ্রীবাস্তব গত ২৪ জুলাই সকালে প্রতিদিনের মতো হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। বেরেলির ভোজিপুরা এলাকার ধৌরাতান্ডা জাতীয় সড়কের কাছে হাঁটতে গিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘক্ষণ বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজখবর শুরু করেন। পরে রাস্তার ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। ময়নাতদন্তে জানা যায়, তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এক ডজনেরও বেশি বার কোপানো হয়েছিল। বেরেলির প্রবীণ পুলিশ সুপার অনুরাগ আর্যের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু হয়। প্রথমে প্রতিবেশীদের দিকটি খতিয়ে দেখা হলেও, তাদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ মেলেনি। এরপর বিশেষ অভিযানকারী দল, স্থানীয় পুলিশ এবং অপরাধ দমন শাখা এলাকার নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে। তদন্তের সূত্র ধরে মহম্মদ আরমানকে চিহ্নিত করা হয়। পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণের সঙ্গে অভিযুক্তের গতিবিধি এবং তার গাড়ির মিল পাওয়া যায়। এরপর গ্রেফতার করা হয় তাকে।

    রক্ত চাইত জিন!

    জেরায় আরমান জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সে একটি “জিনে”র কণ্ঠস্বর শুনতে পেত। তার দাবি, ওই অদৃশ্য সত্তা বারবার রক্ত চাইত এবং শেষ পর্যন্ত সামনে যাকে প্রথম দেখবে, তাকে হত্যা করার নির্দেশ দেয়। পুলিশের দাবি, সেই নির্দেশ মেনে আরমান প্রথমে নিজের গাড়ি দিয়ে সিয়ারামকে ধাক্কা মারে। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে পরপর আঘাত করে তাঁকে খুন করে। তবে এই বর্ণনা মূলত অভিযুক্তের জবানবন্দির ভিত্তিতে পাওয়া গিয়েছে। ঘটনাটির সঙ্গে তা মেলে কি না, তা ফরেন্সিক ও অন্যান্য প্রমাণের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে (Bareilly Businessman Murder)। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পর আরমান একটি ধর্মীয় স্থানে গিয়ে ধূপ জ্বালায়। তার বিশ্বাস ছিল, সে “জিনে”র রক্তের চাহিদা পূরণ করেছে। পরে বাড়ি ফিরে বাবাকে পুরো ঘটনাটি জানায়। পুলিশের অভিযোগ, ছেলে খুন করার কথা স্বীকার করার পরেও তার বাবা ইমতিয়াজ আহমদ পুলিশকে খবর দেননি। বরং প্রমাণ নষ্ট করতে এবং অপরাধের তথ্য গোপন করতে ছেলেকে সাহায্য করেন। এই অভিযোগে ইমতিয়াজ আহমদকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত চলাকালীন পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বলে দাবি করা (Mohammad Arman) ধারালো অস্ত্র এবং সেই গাড়িটিও উদ্ধার করেছে, যেটি দিয়ে প্রথমে সিয়ারামকে ধাক্কা মারা (Bareilly Businessman Murder) হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।

     

  • Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    Election Commission: সিসিটিভি বন্ধ করে শারীরিক নিগ্রহ! মমতার সব ‘ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত’ অভিযোগ খারিজ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসীর কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েও গদি ছাড়েননি রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হেরো তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! উল্টে তাঁর এবং তাঁর দল তৃণমূলের (নিন্দুকেরা অবশ্য বলেন, কোম্পানি) হারের জন্য কাঠগড়ায় তোলেন নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission)। সেই কারণেই হেরে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা ইস্তফা দেননি বুধবার সকাল পর্যন্তও।

    নির্বাচন কমিশনের সাফ কথা (Election Commission)

    যদিও তাদের বিরুদ্ধে মমতার তোলা সব অভিযোগই খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সিসিটিভি বন্ধের অভিযোগ ভিত্তিহীন, কল্পনাপ্রসূত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না বলা পর্যন্ত গণনা থামানো হয়নি। তারপর তাঁকে জানিয়ে, গাইডলাইন মেনে ফের শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেন, “আমি ৩২ হাজার ভোটে জিতছিলাম। তারপরেই বিজেপির প্রার্থী ২০০-র বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কাউন্টিং সেন্টারে ঢুকে হুমকি দেওয়া শুরু করে। কাউন্টিং সেন্টারে যাওয়ার সময় আমাকে আটকে দেয়। আমাকে নিগ্রহ করা হয়। তখন সিসিটিভি বন্ধ ছিল। আমি বলেছিলাম যে কাউন্টিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি থাকব। কিন্তু আমার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে বের করে দেয়। দল কর্মীদের সঙ্গে আছে। আমরা লড়াই করে ফিরব। এখানে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, যেমন অন্য রাজ্যেও হয়েছিল।”

    মমতার তোলা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন

    দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (DEO) পক্ষ থেকে দেওয়া রিপোর্টে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভবানীপুরে মমতার তোলা অভিযোগগুলি ভিত্তিহীন। কমিশনের সাফ কথা, ভোট গণনার পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ম-আইন মেনে অত্যন্ত স্বচ্ছ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা কখনওই বন্ধ করা হয়নি। ভবানীপুরের প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ধস্তাধস্তির যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কমিশন এও জানিয়েছে, প্রার্থীর জেদের কারণে গণনার কাজ কিছুক্ষণের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে পরে নিয়ম মেনে তাঁকে জানিয়েই আবারও গণনার কাজ শুরু করা হয়েছিল (Election Commission)।

    ভবানীপুরে গোহারা মমতা

    প্রসঙ্গত, সোমবার, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার দিন গোটা দেশের (Mamata Banerjee) নজর ছিল হাইভোল্টেজ কেন্দ্র ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই দ্বৈরথ হয়েছে মমতা ও তাঁর প্রাক্তন সতীর্থ, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর। গণনা শুরুর পর থেকেই সমানে সমানে টক্কর চলছিল মমতা-শুভেন্দুর। যদিও শেষ দিকে এগোতে থাকেন শুভেন্দু। তার পর আর তাঁর নাগাল পাননি মমতা। হাজার পনেরো ভোটে হেরে যান ‘বাংলার নিজের মেয়ে’ মমতা। রাজ্যে গোহারা হারে তাঁর দল, তৃণমূলও। মঙ্গলবার বিকেলে কালীঘাটে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেছিলেন, “বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের এই লড়াই ছিল না। নির্বাচন কমিশন এখানে একটা কালো ইতিহাস তৈরি করল। মানুষের অধিকার লুট করেছে। ভোটের আগে সব জায়গায় রেড করে, সব অফিসারকে বদলে দেয়। বিজেপি আর কমিশনের মধ্যে বেটিং হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কাজে (Mamata Banerjee) লাগিয়ে ভোট লুঠ করেছে।’ এর পরেই তিনি বলেন, “আমরা তো হারিনি! হারলে পদত্যাগ করতাম (Election Commission)।”

     

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

  • Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

    Election Commission: বুথের ভেতরে ও বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক, ভোটমুখী বাংলায় নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসএইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এবার ভোটের চূড়ান্ত প্রস্তুতি দেখতে জ্ঞানেশ কুমারের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ রাজ্যে আসছে। এই অবস্থায় নির্বাচনকে অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশন (Election Commission) আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আসন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের (Polling Booth) ভেতরে এবং বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরার (CCTV) নজরদারি এখন থেকে বাধ্যতামূলক।

    নিশ্ছিদ্র নজরদারি (Election Commission)

    শুধুমাত্র বুথের প্রবেশপথ নয়, বুথের অভ্যন্তরেও ক্যামেরা বসাতে হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হল, ভোটগ্রহণের সময় কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়ম ঘটছে কি না, তা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা। সোমবার সব জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার–সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। আর সেখানেই রাজ্যে ভোটের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এদিন বুথে নজরদারি জোরদার করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজের কথা বলা হয়। সেই সঙ্গে বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অভজারভাররা। বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রস্তুতিতে স্পষ্ট এবার কোমর বেঁধেই নামতে চলেছে কমিশন (Election Commission)। তাই বাহিনী বৈঠকে কড়া বার্তার কথা বলা হয়েছে।

    ওয়েবকাস্টিং (Webcasting)

    প্রতিবার ভোটে বুথের ভিতরে বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি দেখা যায়। বুথের ভিতরে ভোটারদের বিশেষ দলের হয়ে ভোট দেওয়াকে বাধ্যতা মূলক করা হয়। এই ঘটনা যাতে এই বার না ঘটে তাই কমিশনের তরফে করা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বুথে কেউ অভাব্য আচরণ করলে এবার থেকে সরাসরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংবেদনশীল বুথগুলোতে সরাসরি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকবে, যার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকরা দূর থেকেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে পারবেন। সিসিটিভি ফুটেজগুলো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সংরক্ষিত রাখতে হবে, যাতে প্রয়োজনে যে কোনও অভিযোগের তদন্তে সেগুলোকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ক্যামেরা এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে কারচুপির সুযোগ না থাকে, তবে একইসঙ্গে ভোটারের গোপনীয়তা অর্থাৎ তিনি কাকে ভোট দিচ্ছেন যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    বিগত নির্বাচনগুলোতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভোট লুঠ বা বুথ দখলের যে অভিযোগগুলো উঠেছিল, তা মোকাবিলা করতেই কমিশনের এই কড়া অবস্থান। এই ব্যবস্থার ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও বেশি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, ঝাড়গ্রাম-ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দু’শো জন জুডিশিয়াল অফিসার আসছেন আগামী ৬ মার্চ। যে সব জায়গায় বিবেচনাধীন কেস রয়েছে সেখানে জুডিশিয়াল অফিসার থাকবেন। একই ভাবে যে যে জায়গায় বুথ তৈরি করা হয়েছে সেখানকার প্রস্তুতি এখনও পর্যন্ত সন্তোষজনক নয়। বুথগুলিতে জল ও বিদ্যুৎ-এর সঙ্কট রয়েছে। ফলত, সবটা খতিয়ে দেখতে হবে এবং তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

LinkedIn
Share