Tag: Central Bureau of Investigation

Central Bureau of Investigation

  • Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    Mahua Moitra: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন! এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্নকাণ্ডে এবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে তদন্ত করবে সিবিআই। জানা গিয়েছে এমনই নির্দেশ রয়েছে লোকপালের। প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট মিললেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে অপরাধের মামলা দায়ের করা হবে কিনা। জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে যখন তদন্ত চলবে তখন সিবিআই মহুয়াকে গ্রেফতার করতে পারবে না কিন্তু তথ্য খোঁজা এবং বিভিন্ন নথি পরীক্ষা তথা জিজ্ঞাসাবাদের মতো কাজগুলি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা করতে পারবে। তদন্ত যেহেতু লোকপালের নির্দেশ অনুযায়ী হচ্ছে, তাই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে ‘অ্যান্টি কোরাপশন বডি’র কাছে।

    আরও পড়ুুন: “সব খেয়েছে হাওয়াই চটি, আসল চোর মমতা” তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    দর্শন হিরানন্দানির হলফনামা

    প্রসঙ্গত, মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ সামনে আনেন ঝাড়খণ্ডের বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জয় অনন্ত দেহাদ্ররি অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ দেন। দুবাই কেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানির কাছ থেকে মোটা টাকা এবং অন্যান্য সুবিধার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করতেন মহুয়া মৈত্র। শুধু তাই নয় তাঁর দিল্লির বাংলো সংস্কারের জন্য নগদ ২ কোটি টাকাও নিয়েছিলেন মহুয়া (Mahua Moitra)। এর পাশাপাশি বিদেশ ভ্রমণের জন্যও টাকা নেন তিনি। এ কথা নিজের দেওয়া হলফনামাতে স্বীকারও করেন দুবাই -কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরা হিরানন্দানি।

    উচ্চাকাঙ্খী মহুয়া

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আক্রমণ এবং আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ৬৩টি প্রশ্নের মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই সাজিয়ে দিয়েছিল দর্শন হিরানন্দনির সংস্থা। ওই হলফনামায় হিরানন্দানি আরও দাবি করেন যে মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra) ছিলেন উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং খুব দ্রুত তিনি জাতীয় স্তরে বিখ্যাত হতে চেয়েছিলেন। সেজন্য শর্টকাট পদ্ধতি হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ শুরু করেন। প্রসঙ্গত, মহুয়াকে পরবর্তীকালে এথিক্স কমিটি ডেকে পাঠালে, সেখানেও সাংসদের বিরুদ্ধে শিষ্টাচার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে প্যানেল।

    আরও পড়ুন: মরুরাজ্যে বিক্ষিপ্ত অশান্তি, রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পড়ল ৬৮ শতাংশ

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Liquor Scam: দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের জেরার মুখে কেসিআর কন্যা কে কবিতা

    Delhi Liquor Scam: দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের জেরার মুখে কেসিআর কন্যা কে কবিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি মদ কেলেঙ্কারি মামলায় (Delhi Liquor Scam) সিবিআই জেরার মুখে পড়ে তেলঙ্গানা মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর-এর কন্যা কে কবিতা। গতকাল, রবিবার বেলা ১১ টা নাগাদ হায়দ্রাবাদে কবিতার বানজারা হিলসের বাসভবনে সিবিআই গিয়ে পৌঁছয় ও টানা ৭ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। গতকালের জেরা পর্ব ঘিরে বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। কেসিআর কন্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে যুক্ত রয়েছেন ও এই মামলায় কবিতা প্রায় ১০০ কোটি টাকা দিয়েছে আম আদমি পার্টি-কে। সূত্রের খবর, গতকাল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ে তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।

    সিবিআই জেরার মুখে কে কবিতা…

    দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে (Delhi Liquor Scam) কবিতার নাম উঠে এসেছে গত ৩০ নভেম্বর। এরপরেই ১১ ডিসেম্বর তাঁকে জেরা করা হবে বলে নোটিশ পাঠিয়েছিল সিবিআই। আর এর উত্তরে কবিতাও জানিয়েছিলেন যে, ১১ ডিসেম্বর তিনি তাঁর বাড়িতে থাকবেন ও দিল্লি আবগারি মামলার তদন্তে সহযোগিতা করবেন। অবশেষে গতকাল, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাসভবনে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, কবিতাকে কিছু তথ্যের পাশাপাশি তাঁর মোবাইল ফোনও জমা দিতে বলেছে সিবিআই। টিআরএস সূত্রের খবর, টিআরএস শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, অযথা বাসভবনের বাইরে ভিড় না করার জন্য। দলের তরফেও সিবিআইকে এই মামলায় সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় উঠে এল কেসিআরের মেয়ে কে কবিতার নাম

    অন্যদিকে এই মামলায় (Delhi Liquor Scam) কবিতার বিরুদ্ধে ইডিও তদন্ত করছে। তাই ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কবিতা তাঁর মোবাইল ফোন একাধিক বার পরিবর্তন করেছেন। অন্যদিকে, জেরার একদিন আগেই শনিবার তাঁর বাড়ির চারপাশে কবিতার সমর্থনে পোস্টার ছেয়ে যায়। তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি বা টিআরএস-এর কর্মী-সমর্থকরা তাঁর ছবি নিয়ে স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “এক যোদ্ধার মেয়ে কখনও ভয় পাবে না। আমরা কবিতার সঙ্গে রয়েছি।”

    মামলাটি কী?

    দিল্লির আবগারি দুর্নীতির মামলায় ইডি দিল্লি আদালতে রিপোর্ট পেশ করে। সেখানে কে কবিতার নাম উঠে আসে। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত হলেন অমিত অরোরা। ফলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি দাবি করেছে যে, কেসিআরের মেয়ে কে কবিতা “সাউথ গ্রুপ” এর একজন বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন ও তিনি অন্য এক ধৃত ব্যবসায়ী বিজয় নায়ারের মাধ্যমে দিল্লির ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতাদের অন্তত ১০০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। এখনও পর্যন্ত কবিতা সহ মদ কেলেঙ্কারিতে সাত অভিযুক্তের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে দিল্লির ডেপুটি সিএম মণীশ সিসোদিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী, বিজয় নায়ার এবং হায়দ্রাবাদের ব্যবসায়ী অভিষেক বোয়নাপল্লির নাম রয়েছে।

LinkedIn
Share