Tag: central election commission

central election commission

  • Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Loksabha Vote) সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জন্যই সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যে এবিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠিও পাঠিয়েছে কমিশন। লোকসভা ভোটে বাংলায় ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চায় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের বেড়ে চলা রাজনৈতিক সন্ত্রাসকে এভাবেই সিলমোহর দিল কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি হয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কমিশনের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি।

    জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বাংলায় বেশি বাহিনী চাইল কমিশন

    কমিশনের (Election Commission) এদিনের সিদ্ধান্তে দেখা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বেশি বাহিনী চাওয়া হয়েছে বাংলার জন্য। অর্থাৎ বাংলায় শান্তিতে ভোট করানো যে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং তা আরও একবার বোঝা গেল কমিশনের সিদ্ধান্তে (Loksabha Vote)। উপত্যকায় সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করানোর জন্য ৬৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের জন্য কমিশন চেয়েছে ২৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিহার এবং ছত্তিসগড়ের জন্য যথাক্রমে ২৯৫ ও ৩৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

    লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যে বিধানসভা ভোট

    ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সঙ্গেই অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, ওড়িশা এবং সিকিমে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার জন্য ২৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমের জন্য যথাক্রমে ৭৫ ও ১৭ কোম্পানি বাহিনী (Loksabha Vote), ঝাড়খণ্ড ও পঞ্জাবের জন্য ২৫০ কোম্পানি বাহিনী চেয়েছে কমিশন (Election Commission)। মণিপুরের জন্য কমিশন চেয়েছে ২০০ কোম্পানি। গুজরাটে ভোট করাতে ২০০ কোম্পানি বাহিনীই চাওয়া হয়েছে।

    যত দফায় ভোট হোক, ৯২০ কোম্পানি বাহিনী সবসময়ই মোতায়েন থাকবে রাজ্যে

    কমিশনের তরফ থেকে কেন্দ্রকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তাতে দেশ জুড়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন করাতে অন্তত ৩ হাজার ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি বাহিনী থাকছে। এখনও পর্যন্ত ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়নি। ফলে এ রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা এখনও অজানা। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, যত দফাতেই ভোট হোক না কেন, সব দফাতেই ওই ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Loksabha Vote) থাকবে। গোটা ভোট পর্ব মিটলেই রাজ্য ছাড়বে তারা।

    কী বলছে বিজেপি?

    কমিশনের(Election Commission) এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘স্বাভাবিক ভাবেই বাংলায় অন্য রাজ্যের তুলনায় বেশি বাহিনী লাগবে। কারণ বাংলা চালায় তৃণমূল। সেখানে আইনশৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি। গত বিধানসভা ভোট মিটতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাওয়ার পর আমরা ভোট পরবর্তী হিংসা দেখেছি। রাজ্যের মানুষ যাতে সুষ্ঠু ভাবে নিজের ভোট (Loksabha Vote) নিজে দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বেশি বেশি বাহিনী প্রয়োজন।’’ বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনও দেখেছে। তবে এই বাহিনী শুধু মোতায়েন করলেই হবে না, বাহিনী যেন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করা হয়, কমিশনের কাছে দাবি বিজেপির

    Loksabha Vote: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করা হয়, কমিশনের কাছে দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের কথায় যেন বিশ্বাস না করে কমিশন, সোমবার এমনই দাবি জানাল রাজ্য বিজেপি। কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে এই দাবি জানান বিজেপির প্রতিনিধিরা (Loksabha Vote)। আগেই ঠিক ছিল ৪ মার্চ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা বৈঠক করবেন রাজনৈতিক দলগুলি সঙ্গে। সেইমতো এদিন সমস্ত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন। বিজেপির তরফ থেকে বৈঠকে হাজির ছিলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বিজেপি সূত্রে খবর, রাজ্যজুড়ে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, ভোট পরবর্তী হিংসা এবং ভোটের দিন সন্ত্রাস- এই সমস্ত কিছুকেই তুলে ধরা হয়েছে কমিশনের সামনে।

    কী বললেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়?

    বিজেপির প্রতিনিধি জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, “সাধারণ মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট (Loksabha Vote) দিতে পারে, আমরা তাই বলেছি।” জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির প্রসঙ্গও তোলা হয়েছে ফুল বেঞ্চের সামনে। জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় আরও বলেন, “২০২১, পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা দেখেছে সাধারণ মানুষ। শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারের ঘটনা প্রমাণ করেছে পুলিশ ক্রিমিনালদের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করাতে এসে যেন পর্যবেক্ষকরা নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করে।রাজ্য পুলিশের কথায় যেন তারা বিশ্বাস না করেন। তারা যেন বিরোধী দলের ইনপুট, নিজেদের ইনপুট -এর উপর ভরসা করে।”

    পুলিশের ওপর ভরসা না করতে আবেদন কমিশনকে 

    সোমবার সকাল সাড়ে ন’টা থেকে রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে একের পর এক বৈঠক সারতে থাকে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা। নির্বাচন কমিশনের সামনে এক দফায় পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Loksabha Vote) করানোর প্রস্তাব রাখে তৃণমূল কংগ্রেস। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। সারা দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন পশ্চিমবঙ্গে। এখানকার আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সেখানে সারা রাজ্যে এক দফায় ভোট করানোর দাবি একেবারেই অযৌক্তিক বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এরিয়া ডমিনেশনের কাজে যেন লোকাল আইসিদের কথায় ভরসা না করে কমিশন, এমন আবেদনও করেছে বিজেপি। পাশাপাশি অবজারভারদের সঙ্গে আধা সেনার সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো ভোটারদের কথাও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: রবিবারই রাজ্যে আসছে ফুল বেঞ্চ, কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    Loksabha Vote: রবিবারই রাজ্যে আসছে ফুল বেঞ্চ, কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই, দেশে বেজে যাবে নির্বাচনের দামামা। তার আগে, রবিবার রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এসবের মধ্যেই বকেয়া জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোনায়াই এখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কমিশনের।

    রবিবার রাজ্যে কমিশনের ১৩ সদস্যের টিম

    রাত পোহালেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। কমিশন সূত্রে খবর, ৩ মার্চ রাত সাড়ে দশটা নাগাদ কলকাতায় আসছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। তবে দুপুর নাগাদ রাজ্যে পা রাখবেন ইসি, ডেপুটি ইসি, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সদস্য সহ মোট ১৩ জন সদস্য। রবিবার দুপুর আড়াইটে থেকে চারটের মধ্যে তাঁরা কলকাতায় আসবেন বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে (Loksabha Vote)। ফুল বেঞ্চের সদস্যদের মধ্যে থাকছেন অরুণ গোয়েল, ধর্মেন্দ্র শর্মা, নীতেশ ব্যাস প্রমুখ। সেক্ষেত্রে ৩ মার্চের বৈঠক রাজীব কুমারের অনুপস্থিতিতেই হতে পারে। তবে, পরের দিনের যে বৈঠক, তার সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকছে বলেই জানা গিয়েছে।

    আগামী ২ দিন পর পর বৈঠক কমিশনের

    সূত্রের খবর, সোমবার ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবে কমিশন। এই বৈঠকের পরেই হবে জেলাশাসক ও পুলিশ অফিসারদের নিয়ে আলাদা বৈঠকে বসবে কমিশন। পুলিশ কমিশনার, ডিভিশনাল কমিশনার, আইজি-রা থাকবেন সেই বৈঠকে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কমিশন পৃথক বৈঠক করবে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি-র সঙ্গে (Loksabha Vote)।

    কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    এই পরিস্থিতিতে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা চিন্তায় ফেলেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং রাজ্য প্রশাসনকে। তার কারণ, এক সপ্তাহ আগেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে নির্দেশ দিয়েছিল ফুল বেঞ্চ রাজ্যে আসার আগে যেন অতি অবশ্যই জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানাকে শূন্যতে পৌঁছে দেওয়া হয়। অর্থাৎ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রয়েছে যাদের বিরুদ্ধে তাদেরকে গ্রেফতার করা (Loksabha Vote)। সেই মোতাবেক গত সপ্তাহের শুক্রবার রাজ্যের সব জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং নোডাল অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করে উক্ত নির্দেশকে কার্যকর করতে বলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। যখন এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তখন সংখ্যাটা ছিল লক্ষাধিক যা এই মুহূর্তে ৪৬ হাজারের কাছাকাছি বলেই জানা গিয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এক্সিকিউটেড জামিন অযোগ্য মামলার সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩৬৬।

    গতকালই রাজ্যে চলে এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এদিকে, গতকালই রাজ্যে চলে এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটারদের (Loksabha Vote) মধ্যে ভয় দূর করতে এবং সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোট ঘোষণার আগে কমিশনের এমন পদক্ষেপ কার্যত নজিরবিহীন। কমিশনের সিদ্ধান্তেই বোঝা যাচ্ছে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক। এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। সূত্রের খবর, জামিন অযোগ্য ধারায় মামলার সংখ্যা কমানোর বিষয় নিয়ে রাজ্য পুলিশ যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ নিচ্ছে। যাতে ভোটাররা ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন এবং নিজেদের ভোট দিতে পারেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা লোকসভা ভোট! রাজ্যে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

    Loksabha Vote: মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা লোকসভা ভোট! রাজ্যে নোডাল অফিসার নিয়োগ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের জন্য রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসারের নাম স্থির করল নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে নবান্নের পাঠানো ছ’জন পুলিশকর্তার নামই বাতিল করেছে কমিশন। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Vote) এডিজি (লিগ্যাল) আনন্দ কুমারের নামে সিলমোহর দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, কমিশন যে রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও। মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেই নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১৯ সালের মতো ২০২৪ সালেও ৭ দফাতেই হতে পারে ভোট (Loksabha Vote)। প্রসঙ্গত, জম্মু -কাশ্মীরের থেকেও ভোটে বেশি বাহিনী পশ্চিমবঙ্গের জন্য চেয়েছে কমিশন। এক কথায় যা নজিরবিহীন। লোকসভা ভোটে রাজ্যের জন্য ৯২০ কোম্পানি বাহিনী চেয়েছে কমিশন।

    ২৪ ফেব্রুয়ারি জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের প্রস্তুতি বৈঠক

    অন্যদিকে, ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে আসার আগে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি সমস্ত জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সশরীরে বৈঠকে থাকার নির্দেশ দিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) কার্যালয়। এনিয়ে গতকাল শুক্রবারই সিইও আরিজ আফতাব ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই বৈঠকটি করেন। ফুলবেঞ্চের কাছে তাঁরা কী রিপোর্ট দেবেন, তা খতিয়ে দেখতেই সম্পন্ন হবে ২৪ ফেব্রুয়ারির বৈঠক। প্রসঙ্গত, রাজ্যে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Vote) ক্ষেত্রে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে আইনশৃঙ্খলার উপর।

    নোডাল অফিসার আনন্দ কুমার

    অন্যদিকে, শুক্রবারই প্রাথমিক ভাবে ভোট প্রস্তুতির সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেন সিইও। জেলাশাসকদের কী কী প্রয়োজন রয়েছে, অসমাপ্ত কী কাজ রয়েছে এসমস্ত কিছু জানতে চান তিনি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যে পুলিশের নোডাল অফিসার হিসেবে প্রথম দফায় তিন পুলিশকর্তার নাম পাঠায় মমতা সরকার। কিন্তু কমিশন ওই নামগুলি গ্রহণ করেনি। এরপরে দ্বিতীয় দফায় আরও তিন পুলিশকর্তার নাম রাজ্য পাঠায় তা-ও বাতিল করে দেয় কমিশন। সূত্রের খবর, তৃতীয় দফায় আরও তিন পুলিশকর্তার নাম পাঠানো হয়েছিল, তার মধ্যে থেকেই আনন্দ কুমারকে নোডাল অফিসার হিসেবে মনোনীত করল কমিশন। রাজ্য পুলিশের তরফে কোথায় কত বাহিনী মোতায়েন হবে, ভোটে (Loksabha Vote) পুলিশকর্তাদের বদলি— এসব কিছুই দেখভাল করবেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি! রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

    Lok Sabha Elections 2024: লোকসভা ভোটের ঢাকে কাঠি! রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের দুই কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকায় নাম সংযুক্তিকরণ, পরিমার্জন ও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আসছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দুই ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার। রবিবার রাজ্যে আসছেন নীতেশ ব্যাস এবং ধর্মেন্দ্র শর্মা। সোমবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক সহ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Lok Sabha Elections 2024) অন্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা। জেলাগুলির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত রিপোর্টও খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। এজন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে জেলাশাসকদেরও।  

    লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। কমিশন সূত্রে খবর, লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতেই বাংলায় আসছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজ্যে আসছেন জাতীয় নির্বাচন কমশনের দুই ডেপুটি ইলেকশন কমিশনার। পরের দিন সকাল ৯টা থেকে ম্যারাথন বৈঠক করবেন তাঁরা। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের সব জেলাশাসকরা। লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) কাজ কতটা এগিয়েছে, কোন কোন দিকে বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন, মূলত সেই সব বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে বৈঠকে। আগামী লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে জুলাই মাস থেকেই। ওই মাসেই রাজ্যের সব জেলাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। ১ অগাস্ট থেকে শুরু হয়েছে ইভিএম পরীক্ষার কাজও। আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে সেই কাজ। কিছু দিন আগেই শেষ হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ফল প্রকাশও হয়ে গিয়েছে।

    শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের তোড়জোড় 

    ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া থেকে ফল (Lok Sabha Elections 2024) প্রকাশ পর্যন্ত যেভাবে রাজনৈতিক হিংসায় রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা, লোকসভা নির্বাচনে সেরকম যাতে না হয়, তাই কোনও ফাঁক-ফোকর রাখতে চাইছে না জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সাগরদিঘি নির্বাচন যেভাবে শান্তিপূর্ণ ও রক্তপাত বিহীন হয়েছে, সেইভাবেই সাধারণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে চায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, কিছুদিন আগেই ৮০ হাজার ৯০৯টি বুথের উল্লেখ করে রাজ্যে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের চিঠি দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। এক লক্ষ ১৪ হাজার ৯৯৪টি কন্ট্রোল ইউনিটও খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। পরীক্ষা করা হবে লাখ দেড়েক ভিভিপ্যাটও। এসব কাজের পাশাপাশি ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজও চালানো হবে। 

    আরও পড়ুুন: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রক্তের, মোদিকে সাফ জানালেন হাসিনা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share