Tag: central force

central force

  • Loksabha Election: ১ মার্চ ১০০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে, নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত কমিশনের

    Loksabha Election: ১ মার্চ ১০০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে, নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বিগ্ন কমিশন। ভোট করাতে কমিশন আগেই চেয়েছে ৯২০ কোম্পানি বাহিনী। সূত্রের খবর, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট (Loksabha Election) প্রকাশের আগেই আসছে ১০০ কোম্পানি বাহিনী। ১ মার্চ আসছে ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর ঠিক ৭ দিনের মাথায়, ৭ মার্চ আসছে আরও ৫০ কোম্পানি বাহিনী। কোনও কোনও মহলের মতে, রাজ্যে এসেই এরিয়া ডমিনেশন শুরু করবে বাহিনী। সাধারণ ভাবে ভোট ঘোষণা হওয়ার পরেই যে কোনও রাজ্যে বাহিনী যায়। তবে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে আগে ভাগেই আসছে বাহিনী। এক্ষেত্রে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা হল, বিগত বছরগুলিতে ভোটে শাসক দলের বিরুদ্ধে যে ধরনের সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছে, তা সারা দেশ দেখেছে। সম্প্রতি, পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে ঝরেছে প্রচুর রক্ত। লোকসভা ভোটে যাতে বাংলার মানুষ শান্তিতে ভোট দিতে পারেন, তাই কমিশনের তরফে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাংলাকে।

    আরও পড়ুন: “হাথরাস, উন্নাওয়ে অপরাধীরা গ্রেফতার হয়, এখানে নয়”, বললেন শ্রীনিবাসন

    জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ আসছে ৩ মার্চ 

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ আসছে ৩ মার্চ। সেদিনই সর্বদলীয় বৈঠক করার কথা তাদের। ভোটপ্রস্তুতি নিয়ে কমিশনের বৈঠক হবে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে। একইসঙ্গে এ রাজ্যের নির্বাচনী ব্যবস্থাও খুঁটিয়ে (Loksabha Election) দেখবে তারা। সেইমতোই  যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেদিন।

    ৮০ হাজারেরও বেশি বুথ রয়েছে রাজ্যে

    লোকসভা ভোটে কমিশনের এমন সিদ্ধান্তে বুক বাঁধছেন বিরোধীরাও। বুথ থেকে গণনাকেন্দ্র সব কিছুই দখলে নেয় তৃণমূলের গুণ্ডারা। এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে শাসক সন্ত্রাসকে ঠিকই মোকাবিলা করবে বলে মনে হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মার্চের শুরুতেই ভোট ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে। মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই তা ঘোষণা হতে পারে। জানা গিয়েছে, এ রাজ্যে ৮০ হাজারের বেশি বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে ভোট হবে এবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    Election Commission: পিছিয়ে জম্মু-কাশ্মীরও! লোকসভা ভোটে বাংলায় সর্বাধিক বাহিনী চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে (Loksabha Vote) সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের জন্যই সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যে এবিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠিও পাঠিয়েছে কমিশন। লোকসভা ভোটে বাংলায় ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চায় কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের বেড়ে চলা রাজনৈতিক সন্ত্রাসকে এভাবেই সিলমোহর দিল কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি হয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। কমিশনের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি।

    জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বাংলায় বেশি বাহিনী চাইল কমিশন

    কমিশনের (Election Commission) এদিনের সিদ্ধান্তে দেখা গিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের চেয়েও বেশি বাহিনী চাওয়া হয়েছে বাংলার জন্য। অর্থাৎ বাংলায় শান্তিতে ভোট করানো যে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং তা আরও একবার বোঝা গেল কমিশনের সিদ্ধান্তে (Loksabha Vote)। উপত্যকায় সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করানোর জন্য ৬৩৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যের জন্য কমিশন চেয়েছে ২৫২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিহার এবং ছত্তিসগড়ের জন্য যথাক্রমে ২৯৫ ও ৩৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

    লোকসভার সঙ্গেই চার রাজ্যে বিধানসভা ভোট

    ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সঙ্গেই অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল প্রদেশ, ওড়িশা এবং সিকিমে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশার জন্য ২৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমের জন্য যথাক্রমে ৭৫ ও ১৭ কোম্পানি বাহিনী (Loksabha Vote), ঝাড়খণ্ড ও পঞ্জাবের জন্য ২৫০ কোম্পানি বাহিনী চেয়েছে কমিশন (Election Commission)। মণিপুরের জন্য কমিশন চেয়েছে ২০০ কোম্পানি। গুজরাটে ভোট করাতে ২০০ কোম্পানি বাহিনীই চাওয়া হয়েছে।

    যত দফায় ভোট হোক, ৯২০ কোম্পানি বাহিনী সবসময়ই মোতায়েন থাকবে রাজ্যে

    কমিশনের তরফ থেকে কেন্দ্রকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছে তাতে দেশ জুড়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন করাতে অন্তত ৩ হাজার ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি বাহিনী থাকছে। এখনও পর্যন্ত ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হয়নি। ফলে এ রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা এখনও অজানা। কমিশন (Election Commission) জানিয়েছে, যত দফাতেই ভোট হোক না কেন, সব দফাতেই ওই ৯২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Loksabha Vote) থাকবে। গোটা ভোট পর্ব মিটলেই রাজ্য ছাড়বে তারা।

    কী বলছে বিজেপি?

    কমিশনের(Election Commission) এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘‘স্বাভাবিক ভাবেই বাংলায় অন্য রাজ্যের তুলনায় বেশি বাহিনী লাগবে। কারণ বাংলা চালায় তৃণমূল। সেখানে আইনশৃঙ্খলার কী পরিস্থিতি, তা আমরা দেখতে পাচ্ছি। গত বিধানসভা ভোট মিটতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যাওয়ার পর আমরা ভোট পরবর্তী হিংসা দেখেছি। রাজ্যের মানুষ যাতে সুষ্ঠু ভাবে নিজের ভোট (Loksabha Vote) নিজে দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে বেশি বেশি বাহিনী প্রয়োজন।’’ বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত ভোটে বাংলায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনও দেখেছে। তবে এই বাহিনী শুধু মোতায়েন করলেই হবে না, বাহিনী যেন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    ECI: লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে সিআরপিএফের নিয়ন্ত্রণে, সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে গোনা আর মাত্র ক’টা দিন। তারপরেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের বাজনা বেজে যাবে। ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) বেশ কিছু নজরকাড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগেই নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রত্যেক বুথেই থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও ২০১৯ এবং ২০২১ সালে এই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও তাকে সম্পূর্ণভাবে মনিটর করেছে বিএসএফ। কিন্তু এবার আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সব কিছুই মনিটর করবে সিআরপিএফ। শাসক থেকে বিরোধী, সকলেই বিএসএফের দিকে বিভিন্ন সময়ে আঙুল তুলেছে। আর সব কিছু পর্যালোচনা করেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা রিটার্নিং অফিসার থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী যেখানে যেখানে মোতায়েন হবে, তার সব কিছুই মনিটার করবে একমাত্র সিআরপিএফ।

    যোগাযোগ রক্ষার কাজও করবে সিআরপিএফ (ECI)

    পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনী সংক্রান্ত সব বিষয়ে কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কাজ করবে সিআরপিএফ। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগে থেকেই সব দিকের সব কাজ আগে থাকতেই শেষ করে রাখতে চাইছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধি এবং অতি সক্রিয়তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন করেছিল রাজ্যের শাসক দল। অন্যদিকে রাজ্যের শাসক তথা বিরোধী তর্জার মাঝেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, আসন্ন ২০২৪’ এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা থেকে শুরু করে সব কিছুই এবার মনিটর করবে সিআরপিএফ।

    আশায় বুক বাঁধছে মানুষ (ECI)

    এখন দেখার বিষয় একটাই, সম্প্রতি রাজ্যের শেষ হওয়া পঞ্চায়েত ভোটে মানুষের মধ্যে যে ছবি এখনও ঢুকে রয়েছে, সেই আতঙ্ককে দূর করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিজস্ব যে ভূমিকা তা যথাযথ ভাবে পালন করে আদপে সিআরপিএফ কতটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে এবং আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ECI) গরিমাকে ধরে রাখতে কতটা তৎপর হতে পারে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের যে ভূমিকা এখন থেকেই সাধারণ মানুষ দেখছে, তাতে আশায় বুক বাঁধছে মানুষ, হয়তো বা এবার রাজ্যে অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং রক্তপাতহীন লোকসভা নির্বাচন সম্পন্ন হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Central force: পানিহাটির স্কুলে প্রায় একমাস ধরে বন্ধ রয়েছে পঠনপাঠন, কেন জানেন?

    Central force: পানিহাটির স্কুলে প্রায় একমাস ধরে বন্ধ রয়েছে পঠনপাঠন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। ফলাফল ঘোষণাও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, এখনও স্কুলে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। আর বাহিনী এলাকা দখল করে থাকার কারণে লাটে উঠেছে পড়াশুনা। এমনই ঘটনা ঘটেছে পানিহাটির নাটাগড়ের স্বামী বিবেকানন্দ সেবা সমিতি ফর গার্লস স্কুলে। মাসখানেক ধরে এই স্কুলে কোনও পঠনপাঠন হচ্ছে না। ফলে, পড়ুয়ারা ক্ষুব্ধ।

    কী বললেন স্কুল পড়ুয়ারা?

    পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) আসা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এমনিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুরসভার কোনও বিষয় নেই। কিন্তু, বাস্তবে দেখা যায় পানিহাটি পুরসভা এলাকার এই স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার ব্যবস্থা করা হয়। গত ২৮ জুন স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। তারপর থেকে এই স্কুলে পঠন-পাঠন কার্যত লাটে উঠেছে। পড়ুয়াদের বক্তব্য, সমস্ত স্কুলে ক্লাস চলছে। অনেক স্কুলে পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয়েছে। আর আমাদের স্কুলে ক্লাস শুরু হওয়া তো দূরের কথা, কবে স্কুল খুলবে তা আমরা ঠিক মতো করতে বলতে পারছি না। এমনকী বহু স্কুলে প্রজেক্টের কাজ হয়ে গিয়েছে। আমাদের এসব কবে তা স্কুল কর্তৃপক্ষ বলতে পারছে না। আমরা খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আমাদের বক্তব্য, এমনিতেই গত দেড় মাস গরমের ছুটির কারণে স্কুল বন্ধ ছিল। আর এখন কোনও কিছুই নেই। শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী স্কুলে রয়েছে বলে আমাদের স্কুল বন্ধ রয়েছে। ফলে, পঞ্চম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সব ক্লাস বন্ধ রয়েছে। আমাদের দাবি, অবিলম্বে স্কুল খোলার ব্যবস্থা করতে হবে।

    কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক?

    অন্যদিকে, স্কুলের প্রধান শিক্ষক আশিস ভট্টাচার্য বলেন, আমাদের স্কুল পুরসভা এলাকায়। আর ভোট হয়েছে পঞ্চায়েত এলাকায়। সেখানে পুরসভার কোনও বিষয় নেই। তাহলে আমাদের এই স্কুলে কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) রাখার ব্যবস্থা করা হল? আর ভোট পর্ব শেষ হওয়ার পরও এখনও বাহিনী যাওয়ার নামগন্ধ নেই। এসব কী হচ্ছে?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: কাঁথির বুথে নেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, ভোট বয়কট ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা

    Purba Medinipur: কাঁথির বুথে নেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, ভোট বয়কট ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন ব্যাপক গন্ডগোলের জেরে আজ পুনরায় ভোট ঘোষণা করা হয়েছে কাঁথি (Purba Medinipur) দেশপ্রাণ ব্লকের আমতলীয়া পশ্চিম বুথে। কিন্তু বুথে পর্যাপ্ত বাহিনী না থাকায় ভোটাররা ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন। মহিলারাও লাঠি-বঁটি নিয়ে প্রতিবাদ করেন। অপর দিকে এগরায় স্ট্রং রুমের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশকে লক্ষ্য করে চলল ইটবৃষ্টি! পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের লাঠিচার্জ। এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য। 

    কাঁথিতে (Purba Medinipur) কী ঘটল?

    ভোট কর্মী এবং পুলিশ কর্মীরা উপস্থিত হলেও বুথে হাজির হননি কোনও ভোটার। কারণ নিরাপত্তার অভাব অনুভব করছেন সাধারণ ভোটাররা। বুথে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ভোট বয়কটের পথে হেঁটেছেন দলমত নির্বিশেষে গ্রামের মানুষজন। বঁটি-ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদে গ্রামের রাস্তায় দেখা গেল এলাকার মহিলাদের। নির্বাচনের দিনে তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।

    এগরায় (Purba Medinipur) কী হয়েছে?

    ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোট মিটলেও অশান্তি থামছে না। স্ট্রং রুম পাহারাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম ঘটনা ঘটে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এগরাতে। রাতের অন্ধকারে ব্যালট বাক্সে কারচুপির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ফলে এগরা দু’নম্বর ব্লকের বালিঘাই হাইস্কুলে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। এখানে প্রধান অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কর্মীরা স্ট্রং রুমের মধ্যে যায়। কিন্তু বিজেপি কর্মীদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। স্ট্রং রুমের মধ্যে তৃণমূল ঢুকে ব্যালট বাক্সে কারচুপি করছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের ওপর শুরু হয় ইটবর্ষণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কার্যত রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে কেন্দ্র। ভোটের পরে ব্যালট পরিবর্তন যাতে না করতে পারে তৃণমূল, সেই জন্য এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: চোরমুক্ত পঞ্চায়েত গড়তে অনুব্রতর গড়ে জোর কদমে প্রচারে নামল বিজেপি

    BJP: চোরমুক্ত পঞ্চায়েত গড়তে অনুব্রতর গড়ে জোর কদমে প্রচারে নামল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোরমুক্ত পঞ্চায়েত গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে ভোট প্রচার শুরু হল বীরভূমে। হাতে আর মাত্র কয়েকটা দিন। তারপরেই ৮ জুলাই রাজ্য জুড়ে হতে চলেছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। বীরভূম জেলা পরিষদের ২৭ নম্বর জেডপি আসনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণকান্ত সাহাকে নিয়ে প্রচার শুরু করেছে বিজেপি নেতৃত্ব (BJP)। বীরভূমের মোহাম্মদ বাজার ১৮ এবং ১৯ নম্বর বুথে এদিন জোর কদমে প্রচার চালায় গেরুয়া শিবির। এই দুটি বুথ আদিবাসী অধ্যুষিত। এদিন প্রত্যেকটি পাড়ায় মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে জনসংযোগ করেন বিজেপি নেতারা। 

    কীভাবে ক্ষোভের কথা জানাল মানুষ?

    জব কার্ড সহ ১০০ দিনের কাজের টাকা, আবাস যোজনা, বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা সহ নানা প্রকল্প নিয়ে ক্ষোভ রয়ে গিয়েছে মানুষের মনে। বিজেপিকে (BJP) সমর্থন করার কারণে অনেক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। স্কুলগুলিতে নাকি ভালো পড়াশোনা হয় না। ভাতা নয়, বরং ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে যাতে শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নত করা হয়, তারই দাবি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও হাসপাতালে গিয়ে পরিষেবা না পাওয়া নিয়েও অভিযোগ উঠে আসে।

    কী আবেদন জানাল গেরুয়া শিবির?

    বীরভূম জেলা পরিষদের ২৭ নম্বরের তিনটি পঞ্চায়েতের মানুষের কাছে তাই গেরুয়া শিবিরের আবেদন, পদ্মফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে মানুষ যেন মোদিজির আত্মনির্ভর ভারত এবং চোর মুক্ত বীরভূম জেলা গড়তে সহায়তা করেন। এমনটাই জানান বীরভূম জেলা পরিষদের২৭ নম্বর জেডপি আসনে বিজেপি (BJP) মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণকান্ত সাহা। ক্ষমতায় এলে আগামী দিনে স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা এই দুটি ব্যবস্থাকে সাজিয়ে তোলার আশ্বাস দিলেন তিনি।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চ বোলপুর এলাকায়

    অন্যদিকে, আগামী ৮ ই জুলাই রাজ্যে এক দফায় ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্য পুলিশ দিয়ে ভোট করানোর কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর অনুমোদন দিয়েছে আদালত। উল্লেখ্য, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (BJP) ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি তুলছিলেন। আদালতও সেই দাবিতেই সিলমোহর দেয়। যার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার চিঠি লেখেন। রাজ্যের পাশাপাশি বীরভূমের পঞ্চায়েত নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে করতে শুরু হল তৎপরতা। শনিবার বোলপুরের এসডিপিও নিখিল আগরওয়াল ও বোলপুর থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাসের নেতৃত্বে বোলপুরের রায়পুর-সুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন গ্রামে কেন্দ্রীয় বাহিনী রুট মার্চ করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bardhaman: নবজোয়ারে দু’হাজার পুলিশ, আর নির্বাচনে মাত্র ২২০০ আধা সেনা? কটাক্ষ অগ্নিমিত্রার

    Bardhaman: নবজোয়ারে দু’হাজার পুলিশ, আর নির্বাচনে মাত্র ২২০০ আধা সেনা? কটাক্ষ অগ্নিমিত্রার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলায় জেলায় এক কোম্পানি আধা সেনা দিয়ে পঞ্চায়েত ভোট কি সম্ভব? এই প্রশ্নের উত্তরে আসানসোলের (Bardhaman) বিজেপি বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল কটাক্ষের সুরে বলেন, তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচিতে যুবরাজের নিরাপত্তার জন্য মোতায়ন দু’হাজার রাজ্য পুলিশ। অন্যদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যের মানুষের নিরাপত্তার জন্য মাত্র ২২০০ আধা সেনা। সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! 

    কী বললেন বিধায়িকা?

    বিজেপি নেত্রী (Bardhaman) বলেন, রাজ্যে এই নির্বাচনের সময় নতুন জুটি তৈরি হয়েছে রাজীব সিনহা ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! এই জুটি রাজ্যের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে বাজারে নেমেছে। গণতন্ত্রকে হত্যা ও মানুষ খুনের খেলায় মত্ত এই জুটিকে আটকাতে বাংলার মানুষ সর্বত্র নামছেন। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোট ২২ কোম্পানি আধা সেনা দিয়ে করলে অবশ্যই রক্তগঙ্গা বইবে, যদি না অতিরিক্ত আধা সেনা আসে। এই বিষয়ে আমরা আদালতের দারস্থ হব।

    প্রশাসনকে নিয়ে কী বললেন?

    দেগঙ্গায় আইএসএফ এবং তৃণমূলের ফের খণ্ডযুদ্ধ নিয়ে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদিকা অগ্নিমিত্রা পল বলেন, ১২ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই! বিজেপির বুকের পাটা আছে বলেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে এককভাবে মনোনয়ন জমা করছে। অন্যদিকে তৃণমূল নির্বাচনে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নেমেছে। পুলিশ-প্রশাসন এবং তৃণমূল প্রার্থীরা একত্রিত হয়েছে বলেই মনোনয়ন জমা করতে পেরেছে। দুদিনের মধ্যেই তৃণমূল ১০০% জায়গায় তাদের প্রার্থীর মনোনয়ন জমা করতে পেরেছে। তা না হলে দু-মিনিট করে সময়ে কীভাবে তৃণমূল প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা করতে পারে! অন্যদিকে এই পুলিশ পশ্চিম বর্ধমানে (Bardhaman) বিরোধীদের মনোনয়ন জমা করার কাজে বাধা দিতে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে গেছে।

    তৃণমূল বিধায়কের দল ছাড়া নিয়ে কী বললেন?

    হুগলির বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল ছাড়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। এ নিয়ে বিজেপি বিধায়িকা বলেন, তিনি দলে থাকবেন, না বেরিয়ে যাবেন, তা তৃণমূলের একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু যাঁরা তৃণমূলের প্রথম দিন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে লড়াই করে এসেছেন, তাঁদের জায়গা বর্তমানে মঞ্চের নিচে। কেবল মাত্র যুবরাজের জায়গা মঞ্চের উপরে। বর্তমানে যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সুপার মুখ্যমন্ত্রী, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও উপরে।

    বুধবার বর্ধমানের (Bardhaman) বিজেপি সদর কার্যালয়ে রাঢ়বঙ্গের দলীয় বৈঠকে যোগ দিতে আসেন বিধায়িকা অগ্নিমিত্রা পল। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, বীরভূমের দুবরাজপুরের বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহা। এছাড়াও আসানসোল, বীরভূম ও বর্ধমান সদর জেলার সভাপতি  এবং  অন্যান্য নেতৃত্বরা বৈঠকে ছিলেন বলে জানা গেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sagardighi Bypoll: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যেই সাগরদিঘিতে ভোটগ্রহণ শুরু

    Sagardighi Bypoll: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্যেই সাগরদিঘিতে ভোটগ্রহণ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গিয়েছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন (Sagardighi Bypoll)। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে সাড়ে ৬টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। সাগরদিঘির ২৪৬টি বুথেই থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force)। থাকছে মহিলা পরিচালিত একটি বুথ। ভোটের নিরাপত্তায় প্রস্তুত থাকছে ২২টি ক্যুইক রেসপন্স টিম। ১০০ শতাংশ বুথেই হবে ওয়েব কাস্টিং। বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে জারি থাকছে ১৪৪ ধারা। 

    শুরু ভোটগ্রহণ

    মুর্শিদাবাদ জেলার এই কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত সাহার প্রয়াণে এই উপনির্বাচন হচ্ছে। এই ভোটে নিজেদের আসন ধরে রাখতে মরিয়া শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এই কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর সম্পর্কের আত্মীয়। এখানে বাম কংগ্রেস জোট প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন বাইরন বিশ্বাস। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী দিলীপ সাহা। তাঁর প্রচারে এখানে দিনভর এক করেছে গেরুয়া শিবির। একুশের ভোটে এই কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থানে ছিল বিজেপি। এবারও তৃণমূল-বিজেপি লড়াইটাই মূল।

    আরও পড়ুন: নিশীথের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল! রাজ্য সরকারকে কড়া বার্তা

    উপনির্বাচন হলেও সাগরদিঘিতে ঘটনার ঘনঘটা। রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেই নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে সাগরদিঘি থানার ওসিকে সরিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। মকপোলের মধ্যে দিয়ে উপনির্বাচন শুরু হয় সাগরদিঘিতে। সাগরদিঘি বিধানসভার হোসেনপুর ২১০ ও ২১১ নম্বর বুথে কংগ্রেস প্রার্থী বায়রণ বিশ্বাস বুথের ভিতরে প্রবেশ করায় এলাকায় উত্তেজনা। বোখারা অঞ্চলের ৬৩ নম্বর বুথের ভিতরে আলো কমের অভিযোগ তোলে তৃণমূল কর্মীরা। সাগরদিঘি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ৮৭ নম্বর বুথে ইভিএম উল্টো করে রেখে দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। সাগরদিঘির ৫৩ নম্বর বুথে মক পোল না করেই ভোটগ্রহণ শুরুর অভিযোগ উঠেছে।

    উত্তর-পূর্বের দুই রাজ্য নাগাল্যান্ড ও মেঘালয়ে আজ ভোট হচ্ছে। দুটি রাজ্যেই ৬০টি করে আসন। নাগাল্যান্ডে ক্ষমতায় ছিল এনডিপিপি-বিজেপি ও মেঘালয়ে ছিল এনপিপি-বিজেপি জোট সরকার। ত্রিপুরায় গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোট হয়ে গিয়েছে। এই তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোট ও সাগরদিঘির উপনির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে আগামী ২ মার্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Loksabha Vote: রবিবারই রাজ্যে আসছে ফুল বেঞ্চ, কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    Loksabha Vote: রবিবারই রাজ্যে আসছে ফুল বেঞ্চ, কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই, দেশে বেজে যাবে নির্বাচনের দামামা। তার আগে, রবিবার রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এসবের মধ্যেই বকেয়া জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোনায়াই এখন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কমিশনের।

    রবিবার রাজ্যে কমিশনের ১৩ সদস্যের টিম

    রাত পোহালেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। কমিশন সূত্রে খবর, ৩ মার্চ রাত সাড়ে দশটা নাগাদ কলকাতায় আসছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। তবে দুপুর নাগাদ রাজ্যে পা রাখবেন ইসি, ডেপুটি ইসি, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি, সোশ্যাল মিডিয়া টিমের সদস্য সহ মোট ১৩ জন সদস্য। রবিবার দুপুর আড়াইটে থেকে চারটের মধ্যে তাঁরা কলকাতায় আসবেন বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে (Loksabha Vote)। ফুল বেঞ্চের সদস্যদের মধ্যে থাকছেন অরুণ গোয়েল, ধর্মেন্দ্র শর্মা, নীতেশ ব্যাস প্রমুখ। সেক্ষেত্রে ৩ মার্চের বৈঠক রাজীব কুমারের অনুপস্থিতিতেই হতে পারে। তবে, পরের দিনের যে বৈঠক, তার সময়সূচি অপরিবর্তিত থাকছে বলেই জানা গিয়েছে।

    আগামী ২ দিন পর পর বৈঠক কমিশনের

    সূত্রের খবর, সোমবার ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবে কমিশন। এই বৈঠকের পরেই হবে জেলাশাসক ও পুলিশ অফিসারদের নিয়ে আলাদা বৈঠকে বসবে কমিশন। পুলিশ কমিশনার, ডিভিশনাল কমিশনার, আইজি-রা থাকবেন সেই বৈঠকে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কমিশন পৃথক বৈঠক করবে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজি-র সঙ্গে (Loksabha Vote)।

    কমিশনের চিন্তায় জামিন-অযোগ্য মামলা

    এই পরিস্থিতিতে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা চিন্তায় ফেলেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং রাজ্য প্রশাসনকে। তার কারণ, এক সপ্তাহ আগেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে নির্দেশ দিয়েছিল ফুল বেঞ্চ রাজ্যে আসার আগে যেন অতি অবশ্যই জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতারি পরোয়ানাকে শূন্যতে পৌঁছে দেওয়া হয়। অর্থাৎ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রয়েছে যাদের বিরুদ্ধে তাদেরকে গ্রেফতার করা (Loksabha Vote)। সেই মোতাবেক গত সপ্তাহের শুক্রবার রাজ্যের সব জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং নোডাল অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করে উক্ত নির্দেশকে কার্যকর করতে বলেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব। যখন এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তখন সংখ্যাটা ছিল লক্ষাধিক যা এই মুহূর্তে ৪৬ হাজারের কাছাকাছি বলেই জানা গিয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এক্সিকিউটেড জামিন অযোগ্য মামলার সংখ্যা ৭৩ হাজার ৩৬৬।

    গতকালই রাজ্যে চলে এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    এদিকে, গতকালই রাজ্যে চলে এসেছে ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটারদের (Loksabha Vote) মধ্যে ভয় দূর করতে এবং সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন করতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোট ঘোষণার আগে কমিশনের এমন পদক্ষেপ কার্যত নজিরবিহীন। কমিশনের সিদ্ধান্তেই বোঝা যাচ্ছে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক। এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের। সূত্রের খবর, জামিন অযোগ্য ধারায় মামলার সংখ্যা কমানোর বিষয় নিয়ে রাজ্য পুলিশ যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ নিচ্ছে। যাতে ভোটাররা ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন এবং নিজেদের ভোট দিতে পারেন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচন কবে? চলতি মাসের শেষেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    Lok Sabha Election 2024: লোকসভা নির্বাচন কবে? চলতি মাসের শেষেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের (Lok Sabha Eection 2024) নির্ঘণ্ট প্রকাশ হওয়ার আগে রাজ্যে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বাংলার বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে মানুষ ভয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। আতঙ্কের পরিবেশ গ্রাম বাংলায়। বিরোধীদের এই অভিযোগে উদ্বিগ্ন জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তাই  দ্রুত, সম্ভবত চলতি মাসের শেষের দিকেই রাজ্যে আসতে চলেছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি অংশ।

    কবে আসছে বাহিনী

    গত লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Eection 2024) দিন ঘোষণার পরে রাজ্যে এসেছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। এবার অনেক আগেই চলে আসছে কেন্দ্রীয় জওয়ানেরা। এবার রাজ্যে নির্বাচনের সময় মোতায়েনের জন্য রেকর্ড ৯২০ কোম্পানি বাহিনী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে চেয়েছে কমিশন।  ৪ মার্চ রাজ্যে আসছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। ৫ মার্চ তারা বৈঠক করবে সব রাজনৈতিক দল, পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে। সূত্রের দাবি, স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল বুথের তালিকা হাতে নিয়েই বৈঠকে বসতে চাইছে তারা। সে জন্য ইতিমধ্যেই সমস্ত স্পর্শকাতর, সংবেদনশীল বুথের তালিকাও চাওয়া হয়েছে জেলা শাসকদের কাছে। 

    আরও পড়ুন: প্রবল তুষারপাত! সিকিমে আটকে বহু, ৫০০ পর্যটককে উদ্ধার সেনার

    কোথায় মোতায়েন বাহিনী

    কমিশন সূত্রে খবর, যে সমস্ত এলাকায় আইন শৃঙ্খলা নিয়ে সমস্যা আছে সেখানে রুট মার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্পর্শকাতর বুথের উপর নির্ভর করেই লোকসভা কেন্দ্রগুলিতে আধা সেনা মোতায়েন করা হবে। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনারদের নিয়ে সশরীরে বৈঠক করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী (Lok Sabha Eection 2024) আধিকারিক। ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় যে অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হচ্ছে সেই এলাকাগুলিকে মার্ক করে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। কমিশন সূত্রে খবর, এবারের বুথ-তথ্যের সঙ্গে ২০১৯-এর লোকসভা ও ২০২১-এর বিধানসভা ভোটের পরিস্থিতির তুলনা করা হবে। প্রয়োজনে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share