Tag: central force

central force

  • Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    Panchayat Election 2023: পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৩৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি হল। অন্যদিকে একসঙ্গে এত কোম্পানি বাহিনী দেওয়া কেন্দ্রের পক্ষে সম্ভব নয় বলে মত প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তাই তাঁর দাবি, একাধিক দফায় পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat ELection 2023) হোক রাজ্যে।

    নয়া বিজ্ঞপ্তি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের 

    কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ৩১৫ কোম্পানি বাহিনীর মধ্যে সিআরপিএফ থাকবে ৫০ কোম্পানি, বিএসএফ থাকবে ৬০ কোম্পানি। ২০ কোম্পানি আইটিবিপি, ২৫ কোম্পানি এসএসবি , ২০ কোম্পানি আরপিএফ আসছে রাজ্যে। ২০ কোম্পানি আরপিএফ, সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স থাকবে মোট ২০০ কোম্পানি। বাকি ১২ টি রাজ্য থেকে স্পেশাল আর্মড পুলিশ ফোর্স থাকবে ১১৫ কোম্পানি। আগেই ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এরপর আরও ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দেওয়া হয়। ফলে, পঞ্চায়েত ভোটে এবার ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। ২০১৩-র পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে ৮২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল। এবার, তার থেকে ২ কোম্পানি বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে। 

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের গুঁতো! কেন্দ্রের কাছে আরও ৮০০ কোম্পানি বাহিনীর দাবি কমিশনের

    সুকান্তর দাবি

    অন্যদিকে, এদিন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘একসঙ্গে ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া সম্ভব নয় কেন্দ্রের। কোনও সরকারই একসঙ্গে ৮০০ কোম্পানি দিতে পারবে না। গতবারে ৫ দফায় ভোট হয়েছিল, এবারও একাধিক দফায় ভোট হোক।’ তাঁর যুক্তি আলাদা আলাদা দিনে ভোট হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে সুষ্ঠুভাবে ভোট হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ‘‘৮০০ কোম্পানি দিয়ে হবে না’’! পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কী মত শুভেন্দুর?

    Panchayat Election 2023: ‘‘৮০০ কোম্পানি দিয়ে হবে না’’! পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কী মত শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানালেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘৮০০ কোম্পানি দিয়ে কিছু হবে না। আমি কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন সে ব্যাপারে কিছু বলছি না। আমাদের দাবি, ১০০% বুথ কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত করতে হবে’। 

    ১০০% বুথ কেন্দ্রীয় বাহিনী

    গত কয়েকদিন ধরে, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরামহীন আইনি লড়াইয়ের সাক্ষী হয়েছে বাংলা। তবে, কোথাও কোনও সুরাহা পায়নি রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। এরপর গতকালই বাহিনী নিয়ে কমিশনকে কার্যত গাইডলাইন বেঁধে দেয় হাইকোর্ট। অবশেষে পঞ্চায়েত ভোটের জন্য ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চিঠি দেয় কমিশন। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘২০১৩ সালের পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) থেকে এবারে কয়েক হাজার বুথ বেড়ে ৬১ হাজার হয়েছে। ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত ভোট প্রথমে তিন দফা ছিল, তারপরে ওটা বেড়ে পাঁচ দফায় ভোট হয়েছিল। সে ক্ষেত্রে বাহিনী ব্যবহারে সময় পাওয়া গিয়েছিল’। কিন্তু এবার যেহেতু এক দফায় ভোট তাই রাজ্য নির্বাচন কমিশন এখনও পর্যন্ত যে পরিমাণ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর কথা বলেছে তা পর্যাপ্ত নয় বলেই মনে করছেন শুভেন্দু । 

    সেক্টর অফিস মনিটরিংয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে শুভেন্দুর দাবি, ‘রাজ্যের সমস্ত বুথে আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন করার পাশাপাশি সমস্ত সেক্টর অফিস কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মনিটরিং করতে হবে। কুইক রেসপন্স টিম যেটা থাকে সেটাও কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পরিচালিত করতে হবে। ভোট লুট, রাজনৈতিক হিংসা, শাসকদলের বাইক বাহিনীর তাণ্ডব, রক্তপাত ঠেকাতে প্রতিটি থানাতে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনও রাখতে হবে’।  শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন তাঁর বিশ্বাস, গণতন্ত্রকে রক্ষা ও প্রতিষ্ঠা করার জন্য বিচারব্যবস্থার নজরদারিতে যেভাবে পঞ্চায়েত ভোট পর্ব চলছে তাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিষয়টিতেও আদালত যথাযথ ভূমিকা পালন করবে।

    আরও পড়ুুন: হাইকোর্টের গুঁতো! কেন্দ্রের কাছে আরও ৮০০ কোম্পানি বাহিনীর দাবি কমিশনের

    আন্তর্জাতিক দল কটাক্ষ

    তৃণমূল কংগ্রেসকে আন্তর্জাতিক দল বলেও কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার বিকেলে বনগাঁয় বিজেপির এক সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি বলেন, সৌদিতে থাকা ব্যক্তি তৃণমূলের হয়ে মনোনয়ন পেশ করেছে মিনাখাঁয়। তৃণমূল তো আন্তর্জাতিক দল হয়ে গেছে। এদিন শুভেন্দুবাবু বলেন, ‘১৫ জুন মনোনয়ন পর্ব শেষ হয়ে গেলেও ১৭ জুন পর্যন্ত তৃণমূল প্রার্থীরা মনোনয়ন (Panchayat Election 2023) জমা দিয়েছে। আর আজ কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে পাওয়া গেল, সৌদি আরবে বসে এই জেলার বসিরহাটে মইনুদ্দিন মোল্লা তোলামূলের প্রার্থী হয়ে গেছে। ভাবতে পারেন? কে বলে তৃণমূলের রাষ্ট্রীয় দলের তকমা চলে গিয়েছে? মইনুদ্দিন মোল্লার দয়ায় তৃণমূল তো আন্তর্জাতিক দল হয়ে গেছে’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: হাইকোর্টের গুঁতো! কেন্দ্রের কাছে আরও ৮০০ কোম্পানি বাহিনীর দাবি কমিশনের

    Panchayat Elections 2023: হাইকোর্টের গুঁতো! কেন্দ্রের কাছে আরও ৮০০ কোম্পানি বাহিনীর দাবি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের গুঁতোয় সম্বিত ফিরল রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (State Election Commission)! প্রথমে রাজ্যের ২২টি জেলায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Elections 2023) জন্য কেন্দ্রের কাছে চেয়ে পাঠানো হয়েছিল মাত্র ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার নেপথ্যেও ছিল হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের জোড়া ধাক্কা। কমিশন নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ার ‘চাল’ চালায় ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিরোধীরা। সেখানে আর এক প্রস্থ ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে।

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা 

    বুধবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহার উদ্দেশে বলেন, “আপনি চাপ নিতে না পারলে ছেড়ে দিন।” বৃহস্পতিবারও পঞ্চায়েত সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় বিচারপতি অমৃত সিনহা কমিশনের উদ্দেশে বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Elections 2023) কি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনার পদে কি তিনি (রাজীব সিনহা) এখনও বহাল আছেন? আমি বুঝতে পারছি না কী হচ্ছে!” তার পরেই কেন্দ্রের কাছে সব মিলিয়ে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। আগেই চাওয়া হয়েছিল ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বৃহস্পতিবার চেয়ে পাঠানো হল আরও ৮০০ কোম্পানি।

    সব বুথে বাহিনী নয়!

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথ হবে ৬১ হাজারেরও বেশি। রাজ্য নির্বাচন কমিশন চেয়েছে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্র এই পরিমাণ বাহিনী পাঠালেও, রাজ্যের প্রায় ৪০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যাবে না।বুধবারই কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছিল, ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Elections 2023) যে পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করা হয়েছিল, এবার সেই সংখ্যক কিংবা তার বেশি সেন্ট্রাল ফোর্স ব্যবহার করতে হবে। ২০১৩ সালে কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছিল ৮২০ কোম্পানি। তবে সেবার নির্বাচন হয়েছিল ৫ দফায়। এবার নির্বাচন হবে এক দফায়। তাই ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া অসম্ভব।

    আরও পড়ুুন: প্রার্থী বসে সৌদি আরবে, পঞ্চায়েতে তৃণমূলের হয়ে জমা পড়ে গেল মনোনয়ন!

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কেন্দ্রের কাছে ৮২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে এক ঢিলে দুই পাখি মারল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একদিকে যেমন হাইকোর্টের নির্দেশ মান্য করা হল, তেমনি অন্যদিকে রাজ্যের সব বুথে মোতায়েন করা গেল না বাহিনী। বিরোধীদের মতে, যা আদতে রাজ্যের শাসক দলকে ‘সুবিধা’ পাইয়ে দেওয়ার কৌশল মাত্র!

    এদিকে, বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Panchayat Elections 2023) দাবিতে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের রবীন্দ্রভবনে বিক্ষোভ দেখালেন ভোটকর্মীরা। তাঁদের দাবি, প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিতে হবে। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই দাবিতে প্রশিক্ষণ চলাকালীনই বিক্ষোভ দেখান ভোটকর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Panchayat Election 2023: জেলা পিছু এক কোম্পানি! ‘নামকাওয়াস্তে’ কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কমিশন

    Panchayat Election 2023: জেলা পিছু এক কোম্পানি! ‘নামকাওয়াস্তে’ কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশন জেলা প্রতি মাত্র এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ার পর কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রতি জেলায় মাত্র এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে। এর ফলে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে বিরোধীরা। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতও জানায়, সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে রাজ্যে ভোট করতে হবে। তারপরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর সেখানেই আপত্তি বিরোধীদের।

    ২২ জেলায় মাত্র ২২০০ জওয়ান

    এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে সাধারণত ১০০ থেকে ১০৫ জন সদস্য থাকেন। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজে লাগানো হয় কম-বেশি ৮০ জনকে। ধরে নেওয়া যাক, ১০০ জন জওয়ান থাকবেন প্রত্যেক কোম্পানিতে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের ২২ জেলায় মাত্র ২২০০ জওয়ান নিযুক্ত হবেন। এদিকে, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) হতে চলেছে মোট ৬১ হাজার বুথে। এরকম হলে মাত্র একজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের দায়িত্বে থাকতে পারে ২৮ টি বুথ! বিরোধীদের দাবি, এটা মোটেই যথেষ্ট নয়। তাই আবার আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। 

    বিজেপির দাবি

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘প্রতি জেলায় ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। আদালতের নির্দেশের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে ভোটে বুথ, সেক্টর, থানা, স্ট্রং-রুম এবং গণনা কেন্দ্রের দায়িত্বে যৌথ ভাবে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ। কোনও বাহিনীর বিরুদ্ধেই যাতে অভিযোগ না ওঠে, তাই এই সিদ্ধান্ত। তাই আদালতের নির্দেশ যাতে সঠিক ভাবে প্রয়োগ হয়, সেই দাবিই আমরা হাইকোর্টে জানাব।’’ রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘স্বেচ্ছাচারিতা, দখলদারি এবং নির্লজ্জতার বেনজির দৃষ্টান্ত রাজীব সিংহ। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার জনবিচ্ছিন্ন তৃণমূলকে বাঁচাতে চাইছেন। তবু আমরা বলছি যে, প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে তৃণমূলকে।’’ শমীকের সংযোজন, ‘‘নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী এনেও রাজ্য নির্বাচন কমিশনার তৃণমূলকে রক্ষা করতে পারবেন না। আর গোটা বিষয়টাই আদালতের নজরদারিতে হচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই মতো বাহিনী পাঠানোর নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র। এই ২২ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে বিএসএফের ৮, সিআরপিএফের ৬, এসএসবির ৪ এবং আইটিবিপির ৪ কোম্পানি। এই ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন যাতে সুষ্ঠু ভাবে হয় সেই জন্য এস সি বুদাকোটিকে নোডাল অফিসার হিসাবে রাজ্যে নিযুক্ত করেছে কেন্দ্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের! কমিশন, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    Panchayat Election 2023: সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের! কমিশন, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেখানেও মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। ধাক্কা খেয়েছে কমিশনও। দেশের শীর্ষ আদালতও বহাল রেখেছে হাইকোর্টের রায়। সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়কে স্বাগত জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    মঙ্গলবার বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ সাংগঠনিক জেলার দফতরে বসে তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামছে, তাই বাহিনীর কমান্ডান্টদের ওপরেও যাতে রাজ্য সরকার তাদের বসিয়ে রাখতে না পারে। এটা কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের সুপারিশে হচ্ছে না, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল। আমরা সেটা করাব। কারণ ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামটা হচ্ছে অমিত শাহ।”

    আক্রমণ কমিশনকে

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আইনজীবী মারফত যা খবর পেয়েছি, তাতে এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Panchayat Election 2023) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে আদালত। রাজ্য সরকারের কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আপত্তি থাকতে পারে, কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরোধিতার কারণ কী? তারা তো যত বেশি বাহিনী পাবে, তত নির্বিঘ্নে নির্বাচন করাতে পারবে। রাজ্য সরকার কোথা থেকে বাহিনী এনে দিল, তা দেখা তো তাদের কাজ নয়। আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মের ওপর নজর রাখব। দরকারে প্রতিদিন আদালতে লড়াই হবে।”

    এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও নিশানা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজে গোলমাল পাকিয়ে এখন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার হিসেবে যে তিনজনের নাম জমা পড়েছিল, তা নিয়ে রাজ্যপাল সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। তা না করে তিনি নিজে থেকে রাজীব সিনহাকে নিয়োগ করেছেন। যার ফলে এতগুলো মানুষের প্রাণ গেল।”

    এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

    তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার যাওয়ার আগেই আমি জানিয়েছিলাম, রাজ্যের মুখ পুড়বে। যা এদিন চূড়ান্ত হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পরেই প্রথমে এক গালে চড় খেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এবার সুপ্রিম রায়ে দু গালেই চড় খেয়ে লাল হয়ে ফিরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    আরও পড়ুুন: “পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী”! পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: আইনি চাপে কমিশন! আজ কি সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি?

    Panchayat Election 2023: আইনি চাপে কমিশন! আজ কি সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলার শুনানি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাধ-শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত  নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) জন্য গোটা রাজ্যের সব জেলাতেই কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে স্পর্শকাতর জেলাগুলিকে দ্রুত চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) মামলা করেছে রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশন (Election Commission) সূত্রের খবর, সোমবার শীর্ষ আদালতের অবকাশকালীন বেঞ্চে মামলাটির দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হতে পারে। যদিও ওই দিন মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে উঠবে কি না, তা নিয়ে ধন্দ রয়েই গিয়েছে। অন্যদিকে, একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট করতে হবে, মূলত এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সোমবার,  ওই মামলারও দ্রুত শুনানির আবেদন করতে পারে যৌথ মঞ্চ। 

    আদালত অবমাননা কমিশনের

    পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শনিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবার এই মামলার শুনানি না হলে আইনি চাপে পড়তে পারে কমিশন। গত বৃহস্পতিবার মোটামুটি রাত ৮টা নাগাদ হাই কোর্ট কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে। এই নির্দেশের পর ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে শনিবারই। এখনও কমিশনের তরফে বাহিনীর ‘রিক্যুইজিশন’ কেন্দ্রের কাছে পৌঁছয়নি। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী-আর্জি না জানিয়ে আদালত অবমাননা করেছে কমিশন, ধারণা আইনজীবীদের। 

    আরও পড়ুুন: “২৫ জুন ভারতের ইতিহাসে কালো অধ্যায়”, মন কি বাতের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর  দাবি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে (Sangrami Joutho Mancha)। কেন্দ্রীয় বাহিনী না পেলে ভোটের কাজ করবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। সোমবার এ নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে মেল করতে চলেছেন ভোট কর্মীরা। কয়েক লক্ষ মেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। একইসঙ্গে তাঁরা রাজ্য়পালেরও দ্বারস্থ হতে চলেছেন বলে খবর। মনোনয়ন জমার প্রথম পাঁচ দিনে হিংসার ঘটনাক্রম দেখে গত বৃহস্পতিবার সকালেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের ‘হুঁশিয়ারি’ দিয়েছিল হাই কোর্ট। তার পরেও মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিনে ভোটজনিত গোলমালেই দুষ্কৃতীদের হামলায় রাজ্যে কয়েক জনের মৃত্যু হয়। বেশ কয়েক জন গুরুতর জখমও হন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Vote 2023: পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নির্দেশ! সুপ্রিম দুয়ারে যাচ্ছে রাজ্য, কমিশন

    Panchayat Vote 2023: পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নির্দেশ! সুপ্রিম দুয়ারে যাচ্ছে রাজ্য, কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (High Court) কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Vote 2023) করানোর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যেতে চলেছে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন। উচ্চ আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম দুয়ারে (Supreme Court) দায়ের হতে চলেছে মামলা। শনি এবং রবিবার সুপ্রিম কোর্ট বন্ধ থাকবে। তাই ‘ই-ফাইলিং’ করার ভাবনাচিন্তা চলছে বলে নবান্নর একটি সূত্রের খবর। আগামী সোমবার এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।

    নবান্নর ভাবনা

    হাইকোর্টের নির্দেশ ছিল, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চাইতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে (State Election)। সেই নির্দেশের পর ২৪ ঘণ্টা অতিক্রান্ত। হাতে রয়েছে কেবলমাত্র শনিবার। তার মধ্যেই কেন্দ্রের কাছে বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। নবান্ন সূত্রে খবর, আইন অনুযায়ী পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Vote 2023) নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্যের উপর। দস্তুর হল, কোথায় কত পুলিশ লাগবে, নির্বিঘ্নে ভোট করাতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কী কী পদক্ষেপ করা দরকার, তা রাজ্যের কাছে জানতে চাইবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে নির্বাচনী নিরাপত্তার কাজ সম্পন্ন করবে কমিশন। অর্থাৎ, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত খুঁটিনাটি রাজ্য সরকারই কমিশনকে অবহিত করবে। এক্ষেত্রে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে রাজ্যকে এড়িয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছে। তাকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার ভাবনা রয়েছে নবান্নের।

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর গড়ে ফের ভাঙন, তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো যোগ দিলেন বিজেপিতে

    আদালতের নির্দেশ

    মনোনয়ন পর্বে লাগামছাড়া হিংসা ও গুলিতে চার জনের মৃত্যু নিয়ে বিরোধীরা দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর বৃহস্পতিবার রাজ্য জুড়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote 2023) করার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্টসে সময় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশ মেনে চলার কথাই বলেছিলেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করেনি কমিশন। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার যে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে তা আঁচ করে আগেই শীর্ষ আদালতে ক্যাভিয়েট দাখিল করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং কংগ্রেস সাংসদ আবু হাসেম খান চৌধুরী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: “সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করতে হবে”, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: “সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করতে হবে”, নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবল স্পর্শকাতর এলাকা নয়, রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন (Panchayat Election 2023) করতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। রায় পড়তে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, “স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করার বিষয়ে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সে ব্যাপারে কমিশন যা করার তা করেনি। সামগ্রিকভাবে অবাধ মনোনয়ন প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের যে বলিষ্ঠ ভূমিকা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেক্ষেত্রেও বড়সড় ফাঁক থেকে গিয়েছে। সেই কারণেই গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছে আদালত।” আদালত আরও জানিয়েছে, ভোটের কাজে যুক্ত সকলকে সরকারি আইকার্ড সঙ্গে রাখতে হবে। চাওয়া মাত্রই তা দেখতে হবে। পুলিশকর্মী, অবজার্ভার, ভোটকর্মী…প্রত্যেককে সঙ্গে আইকার্ড রাখতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা

    এদিন সকালেই রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) সংক্রান্ত একটি রায়ের অংশবিশেষ পুনর্বিবেচনার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্পর্শকাতর জেলাগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। যদিও রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানায়, তারা এখনও পরিস্থিতির মূল্যায়ন করেনি। তখনই বিরক্ত হয়ে বিচারপতি বলেন, “তাহলে কি গোটা রাজ্যকে স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেব? সেটা ভাল হবে?”

    আদালতের নির্দেশ

    এদিন সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে আদালতের নির্দেশ, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। এদিন আদালতকে (Panchayat Election 2023) রাজ্য জানিয়েছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তায় যাতে পুলিশবাহিনীর ঘাটতি না থাকে, তাই পড়শি রাজ্য থেকে পুলিশ বাহিনী আনানোর ব্যবস্থা করছে তারা। কিন্তু আলাদত সাফ জানায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে রাজ্যে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে কমিশনকে। আর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের খরচ জোগাবে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুুন: অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, পুলিশি এসকর্টে চলল গুলি, আইএসএফ কর্মী সহ মৃত ২

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ময়নায় নিহত বিজেপি নেতার বাড়িতে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী, কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    BJP: ময়নায় নিহত বিজেপি নেতার বাড়িতে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনী, কী বললেন পরিবারের লোকজন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ময়নায় নিহত বিজেপি (BJP) নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার পরিবারের সদস্যদের এবার নিরাপত্তা দেবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। আদালতের নির্দেশে বুধবার সকালেই ডিএসপি পদমর্যাদার এক আধিকারিক সহ দুজন আসেন পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে। কেন্দ্রীয় জওয়ানরা কোথায় থাকবেন, কীভাবে মৃতের পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়া হবে, সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এরপরই সন্ধ্যায় ১২ জন সিআইএসএফ জওয়ান বিজয়বাবুর বাড়িতে আসেন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কী বললেন নিহত বিজেপি (BJP) নেতার পরিবারের লোকজন?

    বিজয়কৃষ্ণের মেয়ে টুম্পা ভুঁইয়া বলেন, বাবার মৃত্যুর প্রায় দেড় সপ্তাহ পর বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা এসেছেন। এরজন্য তাঁদের ধন্যবাদ। কারণ, রাজ্য পুলিশের উপর আমাদের কোনও আস্থা নেই। বাবা খুন হওয়ার পর রাজ্য পুলিশ তদন্ত করে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। আরও অনেকেই এখন বাইরে রয়েছে। অভিযুক্তরা সকলে গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আতঙ্কে রয়েছি। এখন কেন্দ্রীয় বাহিনী আসায় কিছুটা হলেও সাহস পাচ্ছি। বিজয়বাবুর ছেলে রনজিৎ ভুঁইয়া বলেন, তদন্তভার কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে যতক্ষণ না দেওয়া হচ্ছে, আমাদের আন্দোলন চলবে। বাবাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

    প্রসঙ্গত, ১ লা মে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়নার বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোড়ামহল গ্রামের বিজেপির (BJP) বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে খুন করে একদল দুষ্কৃতী। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর স্ত্রী ও ছেলের সামনে থেকেই মারতে মারতে তুলে নিয়ে যায় বিজয়কৃষ্ণকে। উদ্ধার করার জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও পুলিশ সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়নি বলেই অভিযোগ তাঁর পরিবারের। শেষ পর্যন্ত বিজেপি নেতার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না থানার পুলিশ। ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে রাজ্য পুলিশের উপর অনাস্থা প্রকাশ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় নিহত বিজেপি (BJP) নেতার পরিবার। পুলিশের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট আদালত, বিজেপি নেতার পরিবারের লোকজনকে নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেয়। আদালতের সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ ই মে রাতে ময়নায় নিহত বিজেপি (BJP) নেতার বাড়িতে আসেন জওয়ানরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Home Ministry: কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বকেয়া টাকা চেয়ে রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    Home Ministry: কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য বরাদ্দ বকেয়া টাকা চেয়ে রাজ্যকে চিঠি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাহিনীর বকেয়া টাকা চেয়ে রাজ্যের উপর চাপ বাড়াল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Home Ministry)। লিখিত বার্তায় মন্ত্রক জানিয়েছে, বকেয়া থাকায় মূল অর্থের উপর জরিমানা ধার্য হয়েছে। ফলে এখন প্রায় ১৮৫২ কোটি টাকা মেটানোর কথা জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) বারবার নিশানা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে রাজ্যের যে বিপুল বকেয়া রয়েছে তা একবারও মুখে আনেননি মুখ্যমন্ত্রী।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চিঠি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Home Ministry) থেকে যে চিঠি নবান্নে এসেছে তাতে বকেয়া মেটানোর কথা লেখা রয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই খাতে রাজ্যের কাছে বকেয়া রয়েছে প্রায় ১৮০৬ কোটি টাকা। আর একই বছরে ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও বকেয়া হয়েছে প্রায় ২১ কোটি টাকা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নিয়ম অনুযায়ী, এই বকেয়া ৯০ দিনের মধ্যে মিটিয়ে না দিলে ২.৫% হারে জরিমানা করা হয়। তাতে প্রায় ৪৪ কোটি টাকা বাড়তি চেপেছে। ফলে বকেয়া টাকার অঙ্ক ১৮৫২ কোটি টাকাতে পৌঁছে গিয়েছে। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র–রাজ্য কোনও পক্ষই রকারি ভাবে মন্তব্য করতে চায়নি।

    আরও পড়ুন: ভিজল ডুয়ার্স! দক্ষিণবঙ্গে আজও চলবে তাপপ্রবাহ, সব জেলায় বৃষ্টি কবে?

    নির্বাচন, আইনশৃঙ্খলা-সহ একাধিক কারণে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন হয়ে থাকে। প্রায় সব ক্ষেত্রেই বাহিনী বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ রাজ্যের কাছে দাবি করে কেন্দ্র। রাজ্য প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য, রাজ্য নিজে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণত চায় না। নির্বাচন থাকলে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসে। এ রাজ্যে গত কয়েকটি নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক বাহিনী পাঠানো হয়েছিল। ফলে যে কর্তৃপক্ষ বাহিনী পাঠানোর সুপারিশ করেন, তাদেরই খরচের বিষয়টা দেখা দরকার। তা রাজ্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। সাম্প্রতিক কালে বাংলার বকেয়া নিয়ে বারবার সরব হয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল। কিন্তু রাজ্যকেও যে কেন্দ্রকে টাকা দিতে হবে তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (Home Ministry) চিঠিতে স্পষ্ট। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তারপর বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। সেখানে রাজ্যের পক্ষ থেকে এই বকেয়া মেটানো না হলে সেটা প্রচারের আলোয় আনা হবে, বলে দাবি বিরোধীদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share