Tag: central forces

central forces

  • Assembly Elections 2026: ভবানীপুর ও ডায়মন্ড হারবারে টহল দিচ্ছে ‘মার্কসম্যান’! ভোটমুখী বাংলায় কাশ্মীর থেকে এল বুলেটপ্রুফ গাড়ি

    Assembly Elections 2026: ভবানীপুর ও ডায়মন্ড হারবারে টহল দিচ্ছে ‘মার্কসম্যান’! ভোটমুখী বাংলায় কাশ্মীর থেকে এল বুলেটপ্রুফ গাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন (Assembly Elections 2026)। পশ্চিমবঙ্গের ভোটে অশান্তি ঠেকাতে এবার জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বুলেটনিরোধক গাড়ি নিয়ে এল নির্বাচন কমিশন। বুধবার ডায়মন্ড হারবার ও ভবানীপুরের রুট মার্চেও এই গাড়ি দেখা গিয়েছে। দ্বিতীয় দফায় সীমান্তবর্তী বসিরহাট, বাগদা, দেগঙ্গা ও আমডাঙ্গা এলাকায় এই যান মোতায়েন করা হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটের সময় কোথাও গুলি চললে বা পাথর ছো়ড়া হলে এই গাড়ি ব্যবহার করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ কোনও ব্যক্তি (ভিআইপি) অশান্তির মধ্যে বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে আটকে পড়লেও এই গাড়ি তাঁকে উদ্ধার করতে কাজে লাগানো হবে। কোনও এলাকায় জমায়েত বেশি হলে এই গাড়ি থেকে ধোঁয়ার ব্যবস্থা করা হবে। ভবানীপুরে এই গাড়ির টহলদারি দেখতে রাস্তার পাশে রীতিমতো ভিড় জমে যায়।

    কী এই বুলেটপ্রুফ ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি

    কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফার ভোটে রাজ্যে ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় মোতায়েন করা হয়েছে বলে খবর। ডায়মন্ড হারবারে নামানো হচ্ছে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ব্যবহৃত ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি। ‘মার্কসম্যান’ (Marksman From Kashmir) মূলত একটি লাইট আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার, যা সেনা, আধাসামরিক বাহিনী ও পুলিশের জন্য তৈরি। শক্তিশালী বুলেটপ্রুফ সুরক্ষা এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বি-৬ স্তরের ব্যালিস্টিক প্রোটেকশন থাকায় ৭.৬২ মিমি পর্যন্ত গুলির আঘাত প্রতিরোধ করতে সক্ষম এই গাড়ি। এমনকি গ্রেনেড বিস্ফোরণের ধাক্কা থেকেও সুরক্ষা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে এর তলার অংশ।

    কী এই বুলেটপ্রুফ ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি

    জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বাংলায় আনা হয়েছে ওই গাড়ি, যার মাথায় মেশিন গান বসানোর জায়গাও রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি ব্যবহৃত হয়। এই গাড়ি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন। সম্পূর্ণ রূপে বুলেটপ্রুফ গাড়িটি। স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের গুলিও প্রতিরোধ করতে পারে। রাস্তার নীচে পোঁতা বিস্ফোরক থেকে যাত্রীদের রক্ষা করতে বিশেষ ভাবে তৈরি গাড়িটি। ৩৬০ ডিগ্রি নজরদারি চালাতে সক্ষম। চারপাশ পর্যবেক্ষণের জন্য রয়েছে ভিশন পোর্ট, ফায়ারিং স্লট। চড়াই-উতরাই পেরোতে সক্ষম গাড়িটি। গাড়িতে একসঙ্গে সাত-আটজন সওয়ার থেকে অভিযান চালাতে পারেন।

    কোথায় কোথায় নামল ওই বিশেষ গাড়ি

    বুধবার, বাহিনীর বিশেষ এই গাড়ির টহলদারি ভবানীপুর থানা থেকে শুরু হয়েছিল। তা পদ্মপুকুর, চক্রবেড়িয়া, শরৎ বোস রোড হয়ে হাজরায় গিয়ে শেষ হয়। খাকি রঙের চারচাকা গাড়িটি আদ্যোপান্ত বুলেটনিরোধক। মূলত সীমান্তবর্তী এলাকায় আধা সামরিক বাহিনী বা সিআরপিএফ এই ধরনের গাড়ি ব্যবহার করে থাকে। এই গাড়িগুলির নম্বরপ্লেটও জম্মু ও কাশ্মীরেরই। ভবানীপুরের পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারের সরিষায় ওই ‘মার্কসম্যান’ গাড়ি নিয়ে এরিয়া ডমিনেশনের কাজ শুরু করেন সিআরপিএফ জওয়ানরা। মূলত সন্ত্রাস অধ্যুষিত এলাকা, দাঙ্গাপ্রবণ এলাকা এবং ভিআইপি-দের নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণে ওই গাড়ি ব্যবহার করে ভারতীয় সরকার। এদিন গাড়ির পিছনে দুই জওয়ান ছিলেন। একজন রাইফেল নিয়ে ছিলেন উপরে। গাড়িটি গ্রেনেড হামলা সহ্য করতে পারে। কোনও ক্ষতি হয় না গাড়ির। একে-৪৭ থেকে গুলি চালালেও কিছু হয় না। গাড়ির ভিতরে বসে গুলি চালাতে পারেন জওয়ানরা। উপরে মেশিনগান বসানোর জায়গাও রয়েছে। গাড়ির ভিতর থেকেই নজরদারি চালানো যায়। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, হাই রিস্ক বা স্পর্শকাতর বুথগুলিতে ওই গাড়ি ব্য়বহার করা হবে। পাশাপাশি, মোতায়েন থাকবে সশস্ত্র বাহিনী। এদিন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার বিভিন্ন জায়গা এরিয়া ডমিনেশনে বেরোতে দেখা যায় সিআরপিএফ জওয়ানদের।

    শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ ভোটের স্বার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনী

    অনেক আগেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে তারা রুট মার্চ করছে। সঙ্গে রয়েছে পুলিশও। ভবানীপুরে বুধবার বিকেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুট মার্চ থেকে মাইকে প্রচার চালানো হয়। নির্ভয়ে সকলকে ভোট দিতে যাওয়ার আহ্বান জানায় বাহিনী। বলা হয়, ‘‘আপনারা সকলে সকাল সকাল ভোট দিন। নির্বাচন কমিশনের নিয়মাবলি মেনে চলুন। ভবানীপুর থানা, সিআরপিএফ এবং কমিশন সবসময় আপনাদের সঙ্গে আছে। যে কোনও সমস্যায় বা প্রয়োজনে থানায় ফোন করুন। আমরা কেবল একটি ফোনকলের দূরত্বে রয়েছি। আমরা সবরকম ভাবে সাহায্য করব।’’ কমিশন আগেই জানিয়েছে, যে কোনও মূল্যে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ ভোট নিশ্চিত করা হবে। কোনও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। তার জন্য এর আগে একাধিক তৎপরতা চোখে পড়েছে। এ বার কাশ্মীর থেকে বুলেটনিরোধক গাড়িও পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হল। খাস কলকাতায় সেই গাড়ি টহলদারি শুরু করে দিয়েছে। ভোটারদের আশ্বস্ত করা হচ্ছে গাড়ি থেকে।

    কোথায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় পশ্চিমবঙ্গে ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের ফল জানা যাবে আগামী ৪ মে। তার আগে জেলায় জেলায় প্রচুর পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।প্রথম দফার ভোটে ২ হাজার ৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, দার্জিলিংয়ে মোতায়েন থাকবে ৬১ কোম্পানি বাহিনী, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে যথাক্রমে ৭৭ ও ১৪৬ কোম্পানি বাহিনী, ইসলামপুর ও রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৬১ ও ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী, মালদায় ১৭২ কোম্পানি বাহিনী, জঙ্গিপুর ও মুর্শিদাবাদে ৩১৬ কোম্পানি,পূর্ব ও পশ্চিম, ২ মেদিনীপুরে ৪৪৪ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি, বীরভূমে ১৭৬ কোম্পান, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোতায়েন থাকবে ১২৫ কোম্পানি বাহিনী।

  • West Bengal Elections 2026: নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে বাংলায় হবে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে বাংলায় হবে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে এবার সব চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে (West Bengal Elections 2026) বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এমন এক রাজ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভোটার তালিকায় এসআইআর নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ দেখা গিয়েছে (Central Forces)।

    ২,০০০-এর বেশি কোম্পানি (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন কমিশনের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ব্যাপক কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং যে কোনও ধরনের অশান্তি রোধ করতে সাহায্য করবে।” প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২,০০০-এর বেশি কোম্পানি প্রয়োজন হতে পারে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছে। এই মোতায়েনের পরিমাণ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সেই নির্বাচনে ভোটের আগে এবং ভোটের সময় মোট প্রায় ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩৫০-৩৭০ কোম্পানি ছিল সিআরপিএফ। আধিকারিকদের মতে, এবার বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর কারণ হল আরও ভালো পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি নেওয়া, যাতে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া বিঘ্নহীন হয়।

    ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে নজরদারি

    বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজ্যের সব ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণ ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে নজরদারিতে থাকবে, যাতে আধিকারিকরা রিয়েল-টাইমে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। আধিকারিকদের মতে, এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে এবং ভোটারদের আস্থা বাড়বে (Central Forces)।আরও একটি বড় পার্থক্য রয়েছে ভোটগ্রহণের ধাপের সংখ্যায়। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। এবার নির্বাচন হবে মাত্র দু’দফায়। কর্তাদের ধারণা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতির জেরে নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ (West Bengal Elections 2026)।

     

  • Communal Violence: ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে হিন্দুদের উদ্দেশে মমতার ‘থ্রেট’, গত ১৫ বছর ধরে সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে

    Communal Violence: ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে হিন্দুদের উদ্দেশে মমতার ‘থ্রেট’, গত ১৫ বছর ধরে সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা আছি বলেই আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না-থাকি, কোনও দিন সেই রকম আসে, এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না, ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে দেবে একদম বারোটা বাজিয়ে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপপ্রচারে কোনও দিন ভুল বুঝবেন না।” দিন কয়েক আগে ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে কথাগুলি বলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, তাঁর এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট, নবান্নের গদি বাঁচাতে সাম্প্রদায়িকতার তাস খেলে দিলেন তৃণমূলেশ্বরী (Mamata Banerjee)। অবশ্য (Communal Violence) এই প্রথম নয়, ২০১১ সালে মমতা এবং তাঁর দল তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বারবার সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও হিংসার ঘটনা ঘটেছে। জনমানসে এটি রাজ্যের প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

    ম্লান পশ্চিমবঙ্গের সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ (Communal Violence) 

    দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গকে দেখা হত একটি সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ, বৌদ্ধিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক সহাবস্থানের আঙ্গিকে। কিন্তু গত এক দশকে, মমতা জমানায় ধারাবাহিক দাঙ্গা, হিংসাত্মক বিক্ষোভ এবং সংঘর্ষ বাংলার এই ভাবমূর্তিকে বারবার ক্ষতবিক্ষত করেছে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ধর্মীয় শোভাযাত্রা, রাজনৈতিক বিরোধ বা স্থানীয় উত্তেজনা থেকে শুরু হওয়া ঘটনাগুলি দ্রুতই সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের রূপ নিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলির একটি ঘটে ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে, মালদার কালিয়াচকে। এক বিরাট উন্মত্ত জনতা হিংসাত্মক তাণ্ডব চালায় স্থানীয় থানায়, গাড়িতে আগুন লাগায়, ধ্বংস করে সরকারি সম্পত্তি। তাণ্ডবের মাত্রা এতটাই তীব্র ছিল যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যত হিমশিম খেতে হয়।

    হাওড়ায় হিংসা

    ওই বছরেরই শেষের দিকে হাওড়া জেলার ধুলোগড়ে সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ায়। এলাকার বহু বাড়ি ও দোকানে আগুন লাগানো হয়, যার জেরে অনেক বাসিন্দাকে ভিটেমাটি ছেড়ে পালাতে হয়। কয়েকদিন ধরে চলা এই হিংসা নিয়ন্ত্রণে আনতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ শুরু হয় উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া ও বসিরহাটে, ২০১৭ সালে। উত্তেজনার আঁচ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, শুরু হয় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মতো হিংসাত্মক ঘটনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে জারি করা হয় নিষেধাজ্ঞা, মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    বঙ্গে অশান্তির আগুন

    এর ঠিক পরের বছরই ২০১৮ সালে, রাম নবমীর শোভাযাত্রায় হামলা হয় আসানসোল ও রানিগঞ্জ শিল্পাঞ্চলে। নতুন করে ছড়ায় হিংসার আগুন। বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের জেরে কয়েকজন নিহত হন, নষ্ট করা হয় বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি (Mamata Banerjee)। ২০১৯ এবং ২০২০ সালের শুরুতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA)-এর প্রতিবাদ জানানোর সময়ও পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা বহু জেলায় রেললাইন অবরোধ করে, ভাঙচুর করে রেলস্টেশনে, ট্রেনে লাগিয়ে দেয় আগুন। হিংসা এবং বিক্ষোভের জেরে বহু জায়গায় ক্ষতি করা হয় জনসাধারণের সম্পত্তির।

    নির্বাচনোত্তর হিংসা

    আর একটি বড় হিংসার ঘটনা ঘটে ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পর। তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয় ভোট-পরবর্তী হিংসা। বিভিন্ন জায়গায় বাড়িঘরে হামলা হয়, নষ্ট করা হয় সম্পত্তি, বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করা হয় বলেও অভিযোগ (Communal Violence)। বাংলার এই হিংসাই জাতীয় পর্যায়ে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। ঘটনাগুলির তদন্তে হস্তক্ষেপ করতে হয় আদালত ও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের বক্তব্য থেকে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের পর অনেক এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়, ঘরছাড়াও হতে হয়েছিল বহু মানুষকে।

    রামনবমীতেও হিংসার ছবি

    ২০২৩ এবং ২০২৪ সালেও রামনবমী উদযাপনের সময় হাওড়া, রিষড়া ও মুর্শিদাবাদে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটে। পাথর ছোড়া, তাজা বোমা নিয়ে হামলা এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে (Mamata Banerjee)। কোনও কোনও এলাকায় দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করলে প্রশাসন জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। সংঘর্ষের পর বিভিন্ন ভিডিও এবং প্রতিবেদনে দেখা যায়, ভাঙাচোরা গাড়ি, পুড়ে খাক হয়ে যাওয়া দোকান এবং শুনসান রাস্তাঘাটের ছবি। বারবার এই ধরনের হিংসাত্মক ঘটনার জের পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নানা সময় উঠে এসেছে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে। রাজ্য সরকারের সমালোচকরা দাবি করেন, স্থানীয় বিরোধকে সাম্প্রদায়িক হিংসার রূপ নেওয়া থেকে বাঁচাতে ব্যর্থ হয়েছে প্রশাসন। শুধু তাই নয়, সংবেদনশীল এলাকায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি বজায় রাখতেও পারেনি তারা।

    রাজনৈতিক উত্তেজনা

    রাজ্যে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক উত্তেজনাও পরিস্থিতিকে আরও ঘোরালো করে তুলেছে। রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য অনেক সময় সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনাগুলিতে ইন্ধন জুগিয়ে পরিবেশকে আরও বিষাক্ত করে তোলে। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ঐতিহাসিক তুলনাও টানা হয়েছে হুসেন শহিদ সুরাবর্দির সময়ের সঙ্গে। অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর শাসনকাল ১৯৪৬ সালের ‘ডায়রেক্ট অ্যাকশন ডে’-র ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসার স্মৃতি জাগিয়ে তোলে। সেই ঘটনা বাংলার ইতিহাসের অন্যতম অন্ধকারতম অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হয় (Mamata Banerjee) আজও। এই ঘটনার গভীর ক্ষত এখনও রয়ে গিয়েছে বাংলার সামাজিক কাঠামোয় (Communal Violence)।

     

  • Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের এখনও নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। তবে তার আগেই রাজ্যে আছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (Election Commission) সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকেই ধাপে ধেপে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) রাজ্যে ঢুকবে। যদিও ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা ছিল রাজ্যে। নির্ধারিত দিনের আগেই রাজ্যে বাহিনী ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৪৮০ কোম্পানি রাজ্যে আসবে।

    কোথায় কত বাহিনী (Election Commission)?

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতায় মোতায়েন করা হবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) ৷ একইভাবে মালদায় ১২ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট মিলিয়ে মোট ৩০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৯, বারাসতে ৬, বনগাঁ ৪, বসিরহাট ৭ এবং বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

    সবচেয়ে বেশি বাহিনী মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে মোট ৮ কোম্পানি করে জেলায় মোট ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ জেলাভিত্তিক বাহিনী মোতায়েনের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৷ হাওড়াতেও কমিশনারেট এবং পুলিশ জেলা মিলিয়ে ১৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট ১৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ হুগলি গ্রামীণ ও চন্দননগরে ৬ ও ৮ কোম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে ৷

    মালদায় ১২ কোম্পানি উত্তর দিনাজপুর ১১ কোম্পানি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি থাকবে৷ একইভাবে দার্জিলিং ও কোচবিহারে ৯ কোম্পানি করে বাহিনী থাকবে৷ পূর্ব বর্ধমানে আনা হচ্ছে ৮ কোম্পানি বাহিনী ৷ পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া ও বীরভূমে মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি ৷ পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আলিপুরদুয়ারে থাকবে ৫ কোম্পানি করে। সবচেয়ে কম ৩ কোম্পানি বাহিনী থাকবে কালিম্বং জেলায় ৷

    চূড়ান্ত তালিকার পর অশান্তির আশঙ্কা!

    এসআইআর-এর (Election Commission) কাজে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী তালিকা প্রকাশিত হবে। ভোটার তালিকাকে ইস্যু করে জেলায় জেলায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যের শাসক দল অবশ্য প্রথম থেকেই নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছে। অপরে কেন্দ্র সরকার এবং শাসক দল বিজেপির দাবি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই স্বচ্ছ ভোটার তালিকা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন চূড়ান্ত তালিকা ঘিরে নান জায়গায় অশান্তি এবং হিংসার ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন আঁচ করে বাহিনী (Central Forces) নিয়ে তৎপর হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত শুভেন্দুর, কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    Suvendu Adhikari: কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত শুভেন্দুর, কী বললেন বিরোধী দলনেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবারই হিংসা কবলিত মুর্শিদাবাদে (Violence Hit Murshidabad) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ। সেই কারণেই কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত জানান শুভেন্দু। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাজ্যপাল, মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের জন্য আমরা আবেদন করেছিলাম। আমি মুখ্যমন্ত্রীকেও অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তিনি শুনলেন না। তাই আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলাম। কলকাতা হাইকোর্টের প্রতি আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আদালতের এই সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই।”

    কী বললেন শুভেন্দুর আইনজীবী

    প্রসঙ্গত, শনিবার (Suvendu Adhikari) হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ওয়াকফ সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকায় ঘটা সংঘর্ষ ও তিনজনের প্রাণহানির ঘটনার প্রেক্ষিতে জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী অনীশ মুখার্জি। তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে, বিশেষত মুর্শিদাবাদে, হিংসা ছড়িয়ে পড়েছে। অধিকারী একটি জনস্বার্থ মামলার মাধ্যমে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “রাজ্যজুড়ে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ অপরিহার্য ছিল।”

    হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ

    হাইকোর্ট মমতা সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার উভয়কেই পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ এপ্রিল। আদালতের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “মামলাটি শুনানির পর আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে মুর্শিদাবাদে কেন্দ্রীয় বাহিনী অবিলম্বে মোতায়েন করতে হবে। রাজ্য প্রশাসন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সহায়তা করবে যাতে প্রাণহানি, আইন লঙ্ঘন বা কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে। এই জনস্বার্থ মামলাটি হাইকোর্ট গ্রহণ করেছে এবং ১৭ এপ্রিল এর আবার শুনানি হবে, যেখানে রাজ্য ও কেন্দ্র উভয়ই তাদের অবস্থান (Violence Hit Murshidabad) স্পষ্ট করে হলফনামা জমা দেবে।” এদিকে, পুলিশ জানিয়েছে, জেলায় ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন বিরোধী উত্তেজনার জেরে শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একাধিক যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। বর্তমানে (Suvendu Adhikari) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

  • Chhattisgarh: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিষ্ণু দেও সাই

    Chhattisgarh: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিষ্ণু দেও সাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা দেশ-বিরোধী শক্তিকে কড়া হাতে দমন করতে সেনাকর্মীদের সাহসিকতাকে বিশেষ ভাবে জোর দিয়েছেন তিনি। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে দৃঢ় করে নাগরিক জীবনকে নিরাপদ করাই যে রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রধান লক্ষ্য, সেই কথাও এদিন নিজের ভাষণে উল্লেখ করলেন এই মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘বাহিনীর ক্যাম্পে সময় কাটিয়েছি আমি’ (Chhattisgarh)

    গত ২৪ নভেম্বর, রবিবার ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) মাওবাদী দমনে সেনা জওয়ান এবং স্থানীয় প্রশাসনের কৃতিত্বকে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু (Vishnu Deo Sai)। নাগরিক সমাজের কাছে ভয়ের বাতাবরণকে মুক্ত করার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যে সরকার গঠনের পর থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে লড়াই করে যাচ্ছেন। মাওবাদী এবং নকশালদের নির্মূল করাই আমাদের প্রধান এবং একমাত্র লক্ষ্য। আমি নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছিলাম। তাঁরা ঠিক কোন পরিস্থিতি এবং কতটা ঝুঁকির মধ্যে অপারেশন করেন, সেই দিকে নজর রাখতে চেয়েছিলাম। এরপর আমি একটি বাহিনীর ক্যাম্পে সময় কাটিয়েছি। সেখানে আমি একটি বৃক্ষের চারা গাছও রোপণ করেছিলাম। আমার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত অভিনব ছিল। আমি তাঁদের স্যালুট জানাই, গত ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদীকে খতম করেছে বাহিনী।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    মাওবাদী দমনে জিরো টলারেন্স নীতি

    উল্লেখ্য গত ২২ নভেম্বর শুক্রবার, সুকমা (Chhattisgarh) জেলায় একটি সেনা অভিযানে কমপক্ষে ১০ জন মাওবাদীকে নির্মূল করা হয়েছে। সেনা কর্মীদের এই কাজেও ব্যাপক ভাবে প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ অত্যন্ত প্রশংসারযোগ্য। রাজ্য সরকার মাওবাদী দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বস্তার অঞ্চলের উন্নয়ন, শান্তি এবং সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার।” উল্লেখ্য আবার গত ২০ নভেম্বর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাওবাদী দমনের অগ্রগতির পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তিনি তারপর আশা প্রকাশ করে বলেন, “আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে রাজ্যজুড়ে চলা লাল সন্ত্রাস মুক্ত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    Manipur Clash: অশান্ত মণিপুরে আসছে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, উদ্ধার ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুনে পুড়ছে মণিপুর (Manipur Clash)। উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যে শান্তি ফেরাতে আরও ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। ৯০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে জওয়ান রয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৮০০ জন। সব মিলিয়ে মণিপুরে মোতায়েন করা হচ্ছে ২৮৮ কোম্পানি জওয়ান। মণিপুর সরকারের প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং বলেন, “অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে ঝুঁকিপূর্ণ, সংবেদনশীল, সীমান্তবর্তী এবং মিশ্র জনসংখ্যার এলাকাগুলিতে।”

    অশান্ত জিরিবাম (Manipur Clash)

    ৭ নভেম্বর থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মণিপুর। সব চেয়ে বেশি অশান্তি হচ্ছে জিরিবাম জেলায়। এই দফার গোষ্ঠী সংঘর্ষে এই জেলায় মৃত্যু হয়েছে ২০ জনের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪ নভেম্বর ফের লাগু হয়েছে আফস্পা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১৮ নভেম্বর সেখানে ৫০ কোম্পানি আধাসেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এবার পাঠানো হচ্ছে আরও ৯০ কোম্পানি সেনা (Manipur Clash)।

    কী বলছেন মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা?

    মণিপুরের নিরাপত্তা উপদেষ্টা কুলদীপ সিং জানান, এই জওয়ানরা এলাকার বাসিন্দাদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করবেন। প্রত্যেক জেলায় আলাদা করে কন্ট্রোল রুম ও কো-অর্ডিনেশন সেল খোলা হচ্ছে। আধাসেনার তালিকায় রয়েছে সিআরপিএফের পাশাপাশি থাকবে বিএসএফ, সেনা, অসম রাইফেলস, আইটিবিপি এবং সশস্ত্র সীমাবল। জানা গিয়েছে, যেসব অস্ত্রশস্ত্র লুট করা হয়েছিল, তার মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ানমার সীমান্তের পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাবে নিরাপত্তাবাহিনী। কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাহিনীকে।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র-ঝাড়খণ্ডে শুরু ভোট গণনা, দুই রাজ্যেই এগিয়ে বিজেপি জোট

    এর আগে প্রবীণ এক পুলিশ কর্তা বলেছিলেন, গত বছরের ৩ মে থেকে মণিপুর অশান্ত হওয়ার পর থেকে সব মিলিয়ে লুঠ হয়েছিল ৫ হাজার ৬৬৯টি উন্নতমানের অস্ত্র এবং লক্ষাধিক রাউন্ড বিভিন্ন ধরনের (Central Forces) গুলি। প্রধান নিরাপত্তা উপদেষ্টা জানান, জাতীয় তদন্ত সংস্থা এনআইএ তাদের কাছে হস্তান্তরিত সমস্ত মামলার তদন্ত শুরু করেছে (Manipur Clash)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Central Forces: শাহি-দরবারে আর্জি বিজেপির, উপনির্বাচনে রাজ্যে আসছে আরও ১৯ কোম্পানি বাহিনী

    Central Forces: শাহি-দরবারে আর্জি বিজেপির, উপনির্বাচনে রাজ্যে আসছে আরও ১৯ কোম্পানি বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ রাজ্যে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হয় না। বাম জমানা পেরিয়ে তৃণমূল আমলেও একই অভিযোগ করে আসছেন শাসক-বিরোধী নেতা-কর্মীরা। সুষ্ঠু নির্বাচন (By Polls) হলে বিরোধীদের জয়ের সম্ভাবনা বাড়ত। বিরোধীদের মুখে এমন দাবি হরবখত শোনা যায়। দুয়ারে রাজ্যের পাঁচ জেলার ৬ আসনে উপনির্বাচন। তার আগে, আরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) মোতায়েনের দাবি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে করেছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। তার পরেই এক লপ্তে বাড়িয়ে দেওয়া হল ১৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রথমে ছিল ৮৯ কোম্পানি। পরে ১৯ কোম্পানি বাড়ানোয় সব মিলিয়ে উপনির্বাচনে এ রাজ্যে মোতায়েন করা হচ্ছে ১০৮ কোম্পানি।

    শাহের কাছে দাবি (Central Forces)

    দিন তিনেক আগে রাজ্যে এসেছিলেন অমিত শাহ। বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচির সূচনা করতেই বঙ্গ সফরে এসেছিলেন তিনি। সেই সময় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর কাছে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের অনুরোধ জানান তিনি। তার পরেই জানা গেল, রাজ্যে উপনির্বাচন উপলক্ষে আসছে আরও ১৯ কোম্পানি বাহিনী।

    দুয়ারে উপনির্বাচন

    আগামী ১৩ নভেম্বর হবে উপনির্বাচন (Central Forces)। নির্বাচন হবে উত্তরবঙ্গের দুটি আসনে। একটি কোচবিহারের সিতাই এবং অন্যটি আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট। দক্ষিণবঙ্গের চারটি আসনেও হবে উপনির্বাচন। এগুলি হল, উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি ও হাড়োয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর এবং বাঁকুড়ার তালডাংলা কেন্দ্র। প্রথমে যে ৮৯ কোম্পানি বাহিনী আসার কথা ছিল, তার মধ্যে সিআরপিএফ ছিল ২৪ কোম্পানি, বিএসএফ ছিল ৩০ কোম্পানি, সিআইএসএফ ছিল ১২ কোম্পানি। ১০ কোম্পানি আইআইবিপি এবং ১৩ কোম্পানি এসএসবি। এখন যে ১৯ কোম্পানি বাড়ানো হয়েছে, তাতে থাকছে ৫ কোম্পানি সিআরপিএফ, ১০ কোম্পানি বিএসএফ, ২ কোম্পানি করে সিআইএসএফ এবং আইটিবিপি।

    আরও পড়ুন: “ঠাকুর সমাধিস্থ! কেবল চক্ষের বাহিরের কোণ দিয়া আনন্দধারা পড়িতেছে”

    প্রসঙ্গত, যে ছয় আসনে উপনির্বাচন হতে চলেছে, সেই কেন্দ্রগুলির বিধায়করা লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাংসদ হয়েছেন। তাই হচ্ছে অকাল ভোট। এই কেন্দ্রগুলির ৫টিতে জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। একটিতে ফুটেছিল পদ্ম। আরজি করকাণ্ডে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত হয়েছে ব্যাপক ক্ষোভ (By Polls)। সেই ক্ষোভ ইভিএমে প্রতিফলিত হলে পাশা উল্টে যাবে বলেই (Central Forces) ধারণা ভোট বিশেষজ্ঞদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • By Election: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই বাংলায় উপনির্বাচন, সব বুথে হবে ওয়েব কাস্টিংও

    By Election: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই বাংলায় উপনির্বাচন, সব বুথে হবে ওয়েব কাস্টিংও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ৬ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনেও (By Election) ১০০ শতাংশ বুথে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces)। পাশাপাশি, সব বুথেই থাকবে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থাও। এর আগেও রাজ্যের একাধিক উপনির্বাচনেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থেকেছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। চলছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। রাজ্যের এই ৬টি আসনের বিধায়করা চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে জয়ের পর বিধায়ক পদে ইস্তফা দেন। তার জেরেই এই আসনগুলিতে উপনির্বাচন হচ্ছে।

    কবে আসছে বাহিনী

    জাতীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আপাতত ৮৯ কোম্পানি বাহিনী (Central Forces) পাঠানো হচ্ছে। বাহিনীতে থাকছে ২৪ কোম্পানি সিআরপিএফ, ৩০ কোম্পানি বিএসএফ, ১২ কোম্পানি সিআইএসএফ। আইআইবিপি থাকবে ১০ কোম্পানি, এসএসবি থাকবে ১৩ কোম্পানি। চলতি মাসের ২৫ তারিখের মধ্যেই বাংলার ৬টি কেন্দ্রে পৌঁছে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগামী ১৩ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গে ৬টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন (By Election) রয়েছে। আসনগুলি হল তালড্যাংড়া, সিতাই, নৈহাটি, হাড়োয়া, মেদিনীপুর ও মাদারিহাট। এই আসনগুলির মধ্যে মাদারিহাট ছিল বিজেপির দখলে।

    আরও পড়ুন: ইএসআই হাসপাতালে আগুন, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু ১ রোগীর

    মেদিনীপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রক্রিয়া

    রাজ্যের অন্য় আসনগুলির সঙ্গেই মেদিনীপুর বিধানসভা উপনির্বাচনের (By Election) প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে ৷ সেই মর্মে শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়ন জমা নেওয়ার কাজ। এদিনই জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা সদর মহকুমা শাসক মধুমিতা মুখোপাধ্যায় জানান, এবারে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে প্রার্থীকে ‘নো ডিউস সার্টিফিকেট’ জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে মনোনয়ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া। চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক তৎপরতা এবং প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মেদিনীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৯১ হাজার ৬৪৩ জন। মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ১০০ জন। পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫৪২ জন। এবারে মোট ভোটগ্রহণ কেন্দ্র রয়েছে ৩০৪টি। মোট মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা দুটি। সেক্টর ২৫টি। পুরো বিধানসভায় ঘুরবে চারটি ফ্লাইং স্কোয়াড টিম। ওয়েব কাস্টিং, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ১০০ শতাংশ বুথে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: সপ্তম দফায় রাজ্যে ৯৬৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: সপ্তম দফায় রাজ্যে ৯৬৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তম দফায় রাজ্যে ৯৬৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ১৯০০টি কিউআরটি মোতায়েন করা হবে, বলে জানাল কমিশন। আগামী ১ জুন শনিবার সারা দেশে শেষ তথা সপ্তম দফা ভোট (Lok Sabha Election 2024)। ষষ্ঠ দফার ভোটে রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে কুইক রেসপন্স টিমের দেখা মেলেনি এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। তাই শেষ দফায় বাড়ানো হল সংখ্যা।

    কোথায় কত বাহিনী

    শনিবার, ভোট (Lok Sabha Election 2024) রয়েছে কলকাতা-সহ রাজ্যের ৯টি লোকসভা কেন্দ্রে। তালিকায় রয়েছে দমদম, বারাসাত, বসিরহাট, জয়নগর, মথুরাপুর, যাদবপুর, ডায়মন্ড হারবার, কলকাতা উত্তর এবং কলকাতা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে। এর মধ্যে রয়েছে একাধিক স্পর্শকাতর বুথ। তাই সপ্তম দফার ভোট সুষ্ঠুভাবে করার জন্য সতর্ক নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, মোট ১৯০০টি কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) থাকবে সপ্তম দফায়। এর মধ্যে কলকাতাতেই থাকবে মোট ৬০০টি  কিউআরটি। ৯৬৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে কলকাতায় মোতায়েন করা হবে ২৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বারাসাতে থাকবে ৮১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। বারাকপুরে মোতায়েন করা হবে ৮১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, বারুইপুরে থাকবে ১৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এ ছাড়াও সন্দেশখালির যে লোকসভার অন্তর্গত, সেই বসিরহাটে থাকবে ১১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, বিধাননগর কমিশনারেটে মোতায়েন করা হবে ৫৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ডায়মন্ড হারবারে রাখা হবে ১১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, সুন্দরবনের দায়িত্বে থাকবে ১১৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces)।

    আরও পড়ুন: সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট টিউশন বন্ধের নির্দেশ, সময় বেঁধে দিল হাইকোর্ট

    অশান্তি এড়ানো লক্ষ্য

    সপ্তম তথা শেষ দফা ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে ফের তিন পুলিশ আধিকারিককে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, যে ৯টি কেন্দ্রে আগামী শনিবার ভোট রয়েছে, তার মধ্যে বসিরহাট ও দমদম লোকসভা আসনের অন্তর্গত পুলিশ অফিসারদের বদলি করা হয়েছে। সুন্দরবনের পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও নলবথ, বসিরহাট পুলিশ জেলার অন্তর্গত মিনাখাঁর এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান এবং রহড়া থানার আইসি দেবাশিস সরকারকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, তিন পুলিশ আধিকারিককে ভোটের কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না। বিকল্প নাম চেয়ে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের কাছে। বুথ পাহারা এবং কিউআরটি-র পাশাপাশি নাকা তল্লাশিতেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে (Central Forces) ব্যবহার করা হবে। প্রশাসনিক বিশ্লেষকদের মতে, ষষ্ঠ দফার ভোটে কেশপুর, গড়বেতার কিছু এলাকায় গোলমাল হয়েছিল। সেখানে কিউআরটি দেরিতে পৌঁছন নিয়ে অভিযোগও উঠেছিল, তাই শেষ দফায় সতর্ক কমিশন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share