Tag: central government employees

central government employees

  • Central Govt Employees: ১৫ মিনিটের বেশি দেরি হলেই অর্ধদিবস ছুটি কাটা! সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া নিয়ম কেন্দ্রের

    Central Govt Employees: ১৫ মিনিটের বেশি দেরি হলেই অর্ধদিবস ছুটি কাটা! সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া নিয়ম কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মীদের (Central Govt Employees) আরামে থাকার দিন শেষ। এবার থেকে অফিসে ১৫ মিনিট দেরিতে ঢুকলেই আধা দিনের জন্য ‘অনুপস্থিত’ ঘোষণা করা হবে সরকারি কর্মীদের। এই মর্মে নয়া নির্দেশিকা ( New Rule) জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই ক্ষেত্রে সরকারি কর্মীদের হাফ ডে-র ক্যাজুয়াল লিভ কাটা যাবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়। সম্প্রতি এক অর্ডার জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যে সমস্ত কর্মীরা (Central Govt Employees) দেরি করে অফিসে ঢুকছেন এবং যাঁরা নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে এবার কড়া হাতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ এবার থেকে নিজের সময় মতো অফিসের ঢোকার দিন শেষ। সম্প্রতি এক নির্দেশিকা জারি করে একাধিক বিষয়ে কর্মচারীদের রীতিমতো হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। 

    কী কী বিষয়ে নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র? ( New Rule) 

    কেন্দ্রীয় সরকারি অফিসগুলি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকে। রিপোর্ট বলছে, এবার থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে সরকারি কর্মচারী (Central Govt Employees) এবং আধিকারিকদের সংশ্লিষ্ট দফতরে ঢুকতে বলা হয়েছে। ১৫ মিনিট দেওয়া হয়েছে ‘গ্রেস টাইম’ হিসাবে। অর্থাৎ, দফতরে প্রবেশের সরকারি সময় সকাল ৯টা। সব চেয়ে দেরি হলে ৯টা ১৫ মিনিটের মধ্যে তাঁরা দফতরে ঢুকতে পারবেন। এর চেয়ে বেশি দেরি করা যাবে না। কর্মীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে উপস্থিতি নথিভুক্ত করাতে হবে নির্দিষ্ট দফতরে। অর্থাৎ, নিজ নিজ পরিচয়পত্র দফতরে ঢোকার সময়ে যন্ত্রের মাধ্যমে ‘পাঞ্চ’ করাতে হবে। তাতেই উপস্থিতি নথিভুক্ত হবে। ৯টা ১৫ মিনিটের পর কেউ নিজের কার্ড ‘পাঞ্চ’ করালে তাঁর পৌঁছতে দেরি হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে।
    এছাড়াও জারি করা নির্দেশিকায় ( New Rule) বলা হয়েছে, নিয়মিত হাজিরা পোর্টাল থেকে সব তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এবার থেকে সরকারি কর্মীরা (Central Govt Employees) অফিসে আসতে দেরি করলে তাদের আর্ধেক দিনের ক্যাজুয়াল লিভ কেটে নেওয়া হবে। মাসে দুবার দেরি করে আসার পরে ফের যদি দেরি হয়, তাহলে তখন থেকে এই সিএল কাটা শুরু হবে। তবে বৈধ কারণ দেখালে এক ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্বকে ছুট দেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অবশেষে অপেক্ষার অবসান! দক্ষিণবঙ্গে আগমন বর্ষার, ভারী বৃষ্টি কবে থেকে?

    কেন এই সিদ্ধান্ত? 

    আসলে সরকারি কর্মীদের (Central Govt Employees) অফিসে দেরি করে ঢোকা কিছুতেই আটকানো যাচ্ছে না। ম্যানেজাররা একাধিকবার কর্মীদের সতর্ক করলেও কে কার কথা শোনে! কোনও না কোনও অজুহাত লেগেই রয়েছে। আর এরফলে সমস্যায় পড়ছেন সাধারণ মানুষ। কর্মীদের দেরিতে আসা ও তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যাওয়া অভ্যাসে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অনেক কাজও বাকি রয়ে যাচ্ছে। তাই এবার অফিসে দেরি করে ঢোকা বন্ধ করতে এই কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Female Pension: নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কর্মরত মহিলারা পেনশনে নমিনি করতে পারবেন ছেলে বা মেয়েকে 

    Female Pension: নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কর্মরত মহিলারা পেনশনে নমিনি করতে পারবেন ছেলে বা মেয়েকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কর্মরত মহিলা কর্মচারীরা তাঁদের ছেলে ও মেয়েকে পারিবারিক পেনশনের জন্য মনোনীত করতে পারবেন।  কেন্দ্রের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি মহিলা কর্মচারীরা চাইলে নিজেদের পেনশনের ‘নমিনি’ করতে পারবেন নিজের সন্তান-সন্ততিকেও। নমিনি শুধু স্বামীকে করতে হবে এমনটা নয়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পেনশন সংক্রান্ত বিধি ‘সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিস রুলস ২০২১’-এ সোমবারই এই নতুন সংশোধন আনা হয়েছে। আর সংশোধনটি এনেছে পেনশন এবং পেনশন প্রাপক কল্যাণ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় দফতর (ডিওপিপিডব্লিউ)।

    কী বলা হয়েছে?

    সরকারি বিবৃতি অনুসারে, কেন্দ্র মহিলা কর্মীদের তাঁদের স্বামীর পরিবর্তে পারিবারিক পেনশনের জন্য তাদের ছেলে বা মেয়েকে মনোনীত করার অনুমতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, আগে মৃত সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগীর স্বামী অথবা স্ত্রীকে পারিবারিক পেনশন দেওয়া হত। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের অন্যান্য যোগ্য সদস্য পেনশন পেতে পারতেন। কিন্তু, এবার মহিলা কর্মীরা স্বামীর বদলে সন্তানকেও পেনশনের জন্য মনোনীত করতে পারবেন। তবে যেখানে দাম্পত্য কলহ চলছে, বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা চলছে বা গার্হস্থ্য সহিংসতা আইন, যৌতুক নিষেধাজ্ঞা আইন বা ভারতীয় দণ্ডবিধির মতো আইনের অধীনে মামলা চলছে, সেই পরিস্থিতিতেই এটা করা যাবে। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মহিলা পেনশন প্রাপক বা সরকারি মহিলা কর্মচারীদের এ জন্য একটি লিখিত অনুরোধ করতে হবে তাঁর অফিসের সর্বোচ্চ প্রধানকে। 

    আরও পড়ুন: সুরের মূর্চ্ছনা! মিশরীয় কন্যার দেশাত্মবোধক গানের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    কেন এই সংশোধন?

    মহিলাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কর্মী প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি জানান, এই সংশোধনীটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের যথাযথ এবং বৈধ অধিকার দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এব্যাপারে মহিলা কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই দাবি মেনে নিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার নতুন ঘোষণা করার পরে জিতেন্দ্র বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকার মহিলাদের সমানাধিকার দেওয়ার নীতিতে চলে। তাই দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা এই নিয়মে সংশোধন আনা হল।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 7th Pay Commission: কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের জন্য সুখবর! ১৮ মাসের ডিএ দেবে মোদি সরকার

    7th Pay Commission: কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের জন্য সুখবর! ১৮ মাসের ডিএ দেবে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলীর আগে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির পর কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের জন্য সুখবর। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার শীঘ্রই ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ও এইচ আর এ ভাতা বৃদ্ধি করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

    ১৮ মাস ডিএ বকেয়া (18 months DA arrears)

    কোভিডের কারণে কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মীরা ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত দীর্ঘ ১৮ মাস ডিএ বকেয়া পায়নি।দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীরা ডিএ বৃদ্ধির দাবী জানিয়ে আসছিল। অবশেষে কেন্দ্র সরকার ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিন কিস্তিতে এই ডিএ বকেয়াটি মেটাবে।

    লেভেল ৩ এবং লেভেল ১৩ ও ১৪ গ্রেড পে এর মাইনে বৃদ্ধি (Level 3,Level 13,14 Grade Pay Salary Hiked)

    বিগত দু বছর ধরে ডিএ বকেয়া ইস্যুটি মন্ত্রিসভার আলোচনা সূচিতে রয়েছে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, লেভেল ৩ গ্রেড পে কর্মচারীদের ডিএ বেড়ে ১১ হাজার ৮৮০ থেকে ৩৭ হাজার ৫৫৪ হতে পারে।
    এদিকে, লেভেল ১৩ ও ১৪ গ্রেড পে কর্মচারীদের ডিএ বেড়ে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ২২০ টাকা ও ২ লক্ষ ১৮ হাজার ২২০ টাকা হতে পারে। আলোচনা সাপেক্ষে তা বাড়তে পারে বলে জানা গিয়েছে। 

    ডিএ ৪ শতাংশ(Dearness Allowance Hike 4 Percent)

    সেপ্টেম্বরে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের ৪ শতাংশ পর্যন্ত ডিএ বাড়ানো হয়েছিল। ৩৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল।জানুয়ারি ২০২২ এর আগে কর্মীদের ডিএ ছিল ৩১ শতাংশ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৪ শতাংশে।
    এই ৪% ডিএ বৃদ্ধির ফলে দেশব্যাপী প্রায় ৬১ লক্ষ অবসরপ্রাপ্তদের পাশাপাশি প্রায় ৫০ লক্ষের বেশী সরকারি কর্মচারী উপকৃত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কয়লাপাচার কান্ডে ইডি তলব করল কলকাতা পুলিশের এসিপিকে 

    পরবর্তী ডিএ কবে বাড়তে পারে?(When Next DA will be increase)

    সরকারী কর্মীরা ২০২৩ সালের মার্চ মাসে পরবর্তী বর্ধিত ডিএ টি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী বেতন কমিশনের সুপারিশে কেন্দ্র ৩ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশ পর্যন্ত ডিএ বাড়াতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DA: ফের ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্রের! আরও তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    DA: ফের ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্রের! আরও তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা (DA) ফের বাড়ছে। ফলে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ পার্থক্যও ক্রমশ বাড়ছে। রাজ্যের ডিএ (DA) আন্দোলনের মাঝেই শুক্রবার কেন্দ্র সরকার আরও ৪ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির কথা জানাল।

    ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা কেন্দ্রের

    শুক্রবার ৪ শতাংশ হারে ডিএ (DA) বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর এই ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA) ৩৮ শতাংশ থেকে বেড়ে হল ৪২ শতাংশ। এরফলে জানুয়ারি থেকে বকেয়া ডিএ মার্চের শেষেই পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীরা। সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে ওই ডিএ বৃদ্ধির ফলে উপকৃত হবেন প্রায় এক কোটি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগী। ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে কেন্দ্রের খরচ হবে ১২ হাজার ৮১৫ কোটি টাকা।

    কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের ফারাক

    কেন্দ্রের এই ডিএ (DA) বৃদ্ধির ফলে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ -র ফারাক বেশ কিছুটা বাড়ল। বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। এনিয়ে একদফা কর্মবিরতি করা হয়েছে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হলে আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ানো হবে। এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া রাজ্যের পক্ষে সম্ভব নয়। 

    তোপ সুকান্তের

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার তোপ দেগেছেন। তিনি বলেন, “কেন্দ্র যখন ডিএ (DA) বাড়াচ্ছে তখন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা আবেদন সত্বেও সরকার তাতে কান দিচ্ছে না। বরং পাল্টা আক্রমণ করা হচ্ছে। মোদিজি কাজ করে দেখিয়েছেন। দিনের পর দিন বঞ্চিত হওয়ার জন্যই রাজ্যের কর্মচারীরা আন্দোলনে নেমেছেন।” কেন্দ্রের এই ঘোষণার ফলে  রাজ্য সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র তফাত হয়ে গেল ৩৬ শতাংশ। নয়া ঘোষণা অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৪২ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা। যেখানে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের এখনও ষষ্ঠ বেতন কমিশনের আওতায় ডিএ প্রদান করা হয়। তাও সেটা মাত্র ছয় শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: আর সাংসদ নন রাহুল গান্ধী! লোকসভার সদস্যপদ খারিজ করলেন স্পিকার ওম বিড়লা

    রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের হুঁশিয়ারি

    কেন্দ্রের ডিএ (DA) বৃদ্ধির কথা ঘোষণার পরই  রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা হুঁশিয়ারি দেন যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ডিএ দিতেই হবে। মহার্ঘ ভাতা আদায় করেই ছাড়বেন তাঁরা। আন্দোলনকারীরা জানান, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতনের অবক্ষয় হচ্ছিল। সেজন্য সর্বভারতীয় মূল্যসূচকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চার শতাংশ ডিএ (DA) বাড়ানো হয়েছে। অথচ পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাতে কোনও ভ্রূক্ষেপ করছে না। এই সরকারকে সম্পূর্ণ ডিএ দিতেই হবে। খেলা-মেলায় খরচ করে যাচ্ছে সরকার। সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে রাজ্য সরকার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share