Tag: Central Government

Central Government

  • Central Government: ১২টি নতুন শিল্প শহর গড়বে মোদি সরকার, মোট কর্মসংস্থান হবে ৪০ লাখ

    Central Government: ১২টি নতুন শিল্প শহর গড়বে মোদি সরকার, মোট কর্মসংস্থান হবে ৪০ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে শিল্প বিপ্লব আনতে উদ্যোগী মোদি সরকার (Central Government)। জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বা এনআইসিডিপি-এর তত্ত্বাবধানে নতুনভাবে দেশে তৈরি হতে চলেছে ১২টি শিল্প শহর বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি। এর জন্য বিনিয়োগ করা হবে ২৮,৬০২ কোটি টাকা। ‘বিকশিত ভারত প্রকল্প’-এর আওতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ১০ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এর পাশাপাশি ৩০ লাখ চাকরির জায়গা তৈরি হবে পরোক্ষভাবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল নিজের বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, ১২টি শিল্প শহর বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্টসিটি হবে দেশের শিল্প ক্ষেত্রের অন্যতম অলঙ্কার (Industrial Smart Cities)।

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী? (Central Government)

    এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Central Government) এই ১২টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি তৈরির বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে বলে নিজের পোস্টে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রচুর কর্মসংস্থানের জায়গা তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি প্রকল্পের আওতায় আসবে ১০টি রাজ্য এবং ৬টি শিল্প করিডর

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি প্রকল্পের আওতায় আসবে ১০টি রাজ্য এবং ৬টি শিল্প করিডর। পীযূষ গোয়েল আরও জানিয়েছেন, ১১টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর তৈরিরও ভাবনা চলছে। প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে দেশের পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ যুক্ত হবে ঠিক স্বর্ণ চতুর্ভুজের ধাঁচে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি, মাল্টি মডেল লজিস্টিক হাব, মাল্টি মডেল ট্রান্সপোর্ট হাব- এগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে কেন্দ্রের। জানা গিয়েছে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকাগুলিকে বিশ্বমানের গ্রিনফিল্ড স্মার্ট সিটি হিসেবে (Industrial Smart Cities) গড়ে তোলা হবে। বোঝাই যাচ্ছে, এই ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট শহরগুলি উন্নত পরিকাঠামোতে সজ্জিত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPSC: আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ইউপিএসসি পরীক্ষায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    UPSC: আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ইউপিএসসি পরীক্ষায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC)-কে আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন বা তথ্য যাচাইয়ের অনুমতি দিল কেন্দ্র। এবার থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় যেমন আধারের তথ্য লাগবে, তেমনই পরীক্ষা ও নিয়োগের সময়ও আধার কার্ড খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হবে। পূজা খেড়কর (Puja Khedkar) নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝেই ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাইয়ের নিয়মে বড় বদল আনল কেন্দ্র (Central Government)। 

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা

    নয়া নিয়ম অনুযায়ী, ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন করা হবে। ফলে, এবার থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় আধারের তথ্য দিতেই হবে পরীক্ষার্থীদের। এদিকে পরে পরীক্ষা ও নিয়োগের সময়ও আধার কার্ড খতিয়ে পরীক্ষা করা হবে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ইউপিএসসি-তে এবার আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের সময় আবেদনকারীর পরিচয় যাচাই করতে আধার অথেনটিকেশন করা হবে। এছাড়া পরীক্ষা ও নিয়োগের বিভিন্ন ধাপেও ই-কেওয়াইসি (e-KYC) পদ্ধতিতে প্রার্থীর পরিচয় যাচাই করা হবে। ইউআইডিএআই(UIDAI)-এর নিয়ম ও নির্দেশ মেনেই ইউপিএসসি (UPSC) এই ভেরিফিকেশন করবে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, আধার ভিত্তিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট অথেন্টিকেশন, ফেসিয়াল রেকগনিশন, ই-অ্যাডমিটের কিউআর কোড স্ক্যান, লাইভ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভিত্তিক সিসিটিভি সার্ভিসের ব্যবহার করা হবে এবার থেকে। 

    কেন এই নয়া নিয়ম

    সম্প্রতিই পূজা খেড়কর নামক একজন ট্রেনি আইএএস অফিসারের ভুয়ো নথি ও তথ্য দিয়ে ইউপিএসসি পাশ করা এবং প্রতারণা করে চাকরি পাওয়ার ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। পূজার প্রার্থীপদ বাতিল করে ইউপিএসসি। এই ধরনের ঘটনা যাতে আর ভবিষ্যতে না ঘটে তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট। কবে থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে তা এখনও জানানো হয়নি ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: লক্ষ্য উন্নত পরিষেবা প্রদান! লাদাখে পাঁচটি নতুন জেলা তৈরি করল মোদি সরকার

    Ladakh: লক্ষ্য উন্নত পরিষেবা প্রদান! লাদাখে পাঁচটি নতুন জেলা তৈরি করল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল লাদাখে (Ladakh) তৈরি করা হল পাঁচটি নতুন জেলা। সোমবার, জন্মষ্টামীর দিন নতুন জেলাগুলির নাম ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। এই নিয়ে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রধানমন্ত্রী মোদি লাদাখের মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নিজের ট্যুইট বার্তায়। প্রসঙ্গত, অমিত শাহের মন্ত্রকই লাদাখের প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। উন্নত পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশেই এমন সিদ্ধান্ত বলে নিজের পোস্টে জানিয়েছেন শাহ।

    লাদাখের (Ladakh) নতুন ৫ জেলার নাম

    ২০১৯ সালেই ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয় লাদাখকে। লাদাখের প্রশাসনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এত দিন লাদাখে দু’টি জেলা ছিল একটি লেহ এবং অপরটি কার্গিল। এ বার নতুন করে পাঁচটি জেলায় ভাগ করা হল লাদাখকে (Ladakh)। নতুন পাঁচটি জেলা হল- জানস্কার, দ্রাস, শাম, নুবরা এবং চাংথাং। অমিত শাহ জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ করার ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজে ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যাবে।

    অমিত শাহের পোস্ট লাদাখ নিয়ে (Ladakh)

    সমাজমাধ্যমে পোস্টে শাহ লিখেছেন, ‘‘উন্নত এবং সমৃদ্ধ লাদাখ গড়ার যে লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুসরণ করছেন, তার প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক লাদাখকে পাঁচটি জেলায় ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানস্কার, দ্রাস, শাম, নুবরা এবং চাংথাং নামের পাঁচটি জেলা লাদাখের (Ladakh) মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও ভালো ভাবে এবং আরও দ্রুত পৌঁছে দেবে। লাদাখের মানুষের জন্য অসংখ্য সুযোগ তৈরি করতে বদ্ধ পরিকর মোদি সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Health Ministry: ঔপনিবেশিকতার চিহ্ন! ডাক্তারদের সমাবর্তনে কালো পোশাক বাতিল কেন্দ্রের

    Union Health Ministry: ঔপনিবেশিকতার চিহ্ন! ডাক্তারদের সমাবর্তনে কালো পোশাক বাতিল কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের সমাবর্তনের পোশাক এবার থেকে বদলে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Union Health Ministry) শুক্রবারই এবিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে। ওই চিঠিতে কালো জামা এবং কালো টুপির বদলে সমাবর্তনে কোনও ভারতীয় পোশাক (Central Government) পরতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মোদি সরকারের ‘পঞ্চ প্রাণ’ কর্মসূচিরই অংশ হল এই নয়া নিয়মবিধি, এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিঠিতে। 

    ২০২২ সালের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রীর পঞ্চ প্রাণ কর্মসূচির ঘোষণা 

    পঞ্চ প্রাণ কর্মসূচি আসলে কী? ২০২২ সালের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পঞ্চ প্রাণের অন্যতম (Central Government) বিষয় ছিল, ভারতীয় সংস্কৃতিতে আস্থা এবং ঔপনিবেশিকতার চিহ্ন মুছে দেওয়া। প্রসঙ্গত, সমাবর্তনে কালো টুপি ও পোশাকের ভাবনা আসলে ব্রিটিশদের থেকে নেওয়া। এবিষয়েও উল্লেখ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে পাঠানো চিঠিতে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ডাক্তারি পড়ুয়াদের সমাবর্তনে যে ধরনের পোশাক পরার রীতি চালু রয়েছে, তা মধ্যযুগীয়। ব্রিটিশ শাসনের সময়কালকেই মনে করিয়ে দেয় ওই পোশাক। সমাবর্তনে এবার থেকে তাই উঠে যাচ্ছে কালো জামা এবং কালো টুপি, পরিবর্তে আসছে ভারতীয়।

    এই ধরনের পোশাকের উৎস হল মধ্যযুগের ইউরোপ জানাল স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Union Health Ministry)

    মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলিতে যে চিঠি গিয়েছে, তাতে লেখা হয়েছে, ‘‘স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Union Health Ministry) অধীনে থাকা মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের কালো পোশাক এবং কালো টুপি পরতে দেখা যায়। এই ধরনের পোশাকের উৎস হল মধ্যযুগের ইউরোপ। তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশরা তাঁদের উপনিবেশগুলিতে এই ধরনের পোশাক চালু করেছিলেন। ফলে এই রীতি আসলে ঔপনিবেশিকতার উত্তরাধিকারকেই বহন করে, যা বদলানো প্রয়োজন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Union Health Ministry) তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিভিন্ন মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ ভারতীয় পোশাকের নকশা তৈরি করবে। বিভিন্ন রাজ্যে সেই পোশাক বিভিন্ন রকম হতে পারে। স্থানীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী পোশাক নির্দিষ্ট করা হবে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Government: ভূমি সংস্কার, কৃষক-মহিলা উন্নয়নে রাজ্যগুলিকে ১০ হাজার কোটির অনুদান কেন্দ্রের

    Modi Government: ভূমি সংস্কার, কৃষক-মহিলা উন্নয়নে রাজ্যগুলিকে ১০ হাজার কোটির অনুদান কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দেশের অঙ্গ রাজ্যগুলির বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার নজর দিয়েছে। চলতি বছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ঘোষণা করেছিলেন চার শ্রেণির উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে। এগুলি হল— কৃষক, তরুণ, মহিলা ও গরিব। মোদি সরকারের বাজেটে দেখা যাচ্ছে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই চার শ্রেণিকেই। এর আগে, আগামী ৫ বছরের জন্য বিনামূল্যে ৮০ হাজার মানুষকে রেশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে মোদি সরকার।

    এবার, কেন্দ্রীয় সরকার জোর দিয়েছে, ভূমি সংস্কারে। পাশাপাশি, দেশের ৬ কোটি কৃষকের বিভিন্ন তথ্য নথিভুক্তকরণ এবং কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এই তিনটি বিষয়ে রাজ্যগুলির জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার। ভারতবর্ষের জিডিপির সবচেয়ে বড় অংশ আসে কৃষি ক্ষেত্র থেকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই বাজেটে (Budget 2024) এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার জোর দিয়েছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। অন্যদিকে, কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণের সিদ্ধান্তও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।  

    শহর ও গ্রামীণ এলাকার ভূমি সংস্কারে বরাদ্দ ১০,০০০ কোটি টাকা (Land Reform) 

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার ১০,০০০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করেছে শহর ও গ্রামীণ ভারতে ভূমি সংস্কারের জন্য। ইতিমধ্যে কীভাবে চলবে ভূমি সংস্কারের এই কাজ, তার জন্য নয়া নির্দেশিকাও জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই নির্দেশিকা সামনে এসেছে গত ৯ অগাস্ট। আর এ বিষয়ে দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বক্তব্য রাখেন সংসদে তাঁর বাজেট অধিবেশনের দিন অর্থাৎ গত জুলাই মাসের ২৩ তারিখে। গ্রামীণ ক্ষেত্রে ভূমি সংস্কারের (Land Reform) জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে, ‘ইউনিক ল্যান্ড পার্সেল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর’ (ULPIN) বা ‘ভূ-আধার’ নম্বর চালু করার বিষয়ে। এর পাশাপাশি, মহকুমা ভিত্তিক বিভিন্ন জমির মালিকানা নিয়েও সার্ভে ম্যাপ তৈরি করতে বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। শহর অঞ্চলে জিআইএস ম্যাপিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ল্যান্ড রেকর্ড (Land Reform) করতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যগুলিকে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে বলা হয়েছে সম্পত্তির রেকর্ড করার জন্য।

    ৬ কোটি কৃষকের নাম-তথ্য নথিভুক্তকরণ 

    অন্যদিকে, দেশের সমস্ত কৃষকদের নামসহ অন্যান্য তথ্য নথিভুক্তকরণের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে চলতি বছরের বাজেটে। এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে যাতে দেশের ৬ কোটি কৃষকের তথ্য সবসময় কেন্দ্রীয় সরকার রাখতে পারে। এর পাশাপাশি, তাঁরা যে জমিগুলিতে চাষ করেন তার নথিও সরকারের কাছে থাকবে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে। এর ফলে, দেশের কৃষি ক্ষেত্রে গতি আসবে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। একই সঙ্গে, এই ব্যবস্থা চালু হলে দেশের আসল ও নকল কৃষক বাছাই করা সহজেই সম্ভব হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় শুধুমাত্র অনুদান পেতেই অনেকে কৃষক সাজেন, কিন্তু কেন্দ্রীয় ভাবে দেশের চাষীদের সমস্ত তথ্য একজায়গায় থাকলে, দুর্নীতিও রোধ করা সম্ভব বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণে বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি

    অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার নজর দিয়েছে দেশের কর্মরত মহিলাদের অসুবিধাগুলিকে দূর করার জন্য। এই উদ্দেশ্যে পাঁচ হাজার কোটি টাকা মোদি সরকার বরাদ্দ করেছে কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণের জন্য। এনিয়ে চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনেই বক্তব্য রেখেছেন দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই কর্মসূচির বাস্তবায়নের ফলে মহিলাদের কাজের প্রতি বা কর্মক্ষেত্রের প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে। কেন্দ্রীয় সরকারে এই পরিকল্পনা অনুযায়ী বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার কর্মরত মহিলাদের হস্টেল বানানোর জন্য জমি দেবে অথবা জমি না থাকলে তা কেনার জন্য যে পরিমাণ অর্থ দরকার সেটা দেবে। এর পাশাপাশি, রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলকে অনুসরণ করার জন্য। এই ভাবেই হস্টেলগুলিকে চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারে নির্দেশে এই হস্টেলগুলির মালিকানা রাজ্য সরকারের হাতে রাখার কথাই বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত,  রাজ্যগুলির মধ্যে কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণের জন্য সবথেকে বেশি অর্থ পেতে চলেছে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ। কারণ বিভিন্ন তথ্য থেকে উঠে এসেছে সব থেকে বেশি মহিলা উত্তরপ্রদেশেই কর্মরত রয়েছেন। এখানে কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ করেছে ৩৮২ কোটি টাকা। অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের ঠিক পার্শ্ববর্তী রাজ্য মধ্যপ্রদেশ। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ করেছে ২৮৪ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে রয়েছে অসম, এখানে কেন্দ্র বরাদ্দ করেছে ২২৬ কোটি টাকা।

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দ

    এগুলি ছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকার আরও নানারকমের আর্থিক সহায়তা করছে রাজ্যগুলিকে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন—

    রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্থানগুলিকে উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র।

    পুরনো ট্র্যাক্টর বাতিল করে (নতুন কেনার ক্ষেত্রে), আর্থিক সহায়তা দানের জন্য কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ৩ হাজার কোটি টাকা।

    শিল্পায়নের জোয়ার আনতে রাজ্যগুলিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বরাদ্দ করেছে ১৫ হাজার কোটি টাকা।

    অন্যদিকে দিল্লি এনসিআর অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকার ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানের উন্নয়নের জন্য।

    বিভিন্ন গ্রামীণ ও শহুরে পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ করেছে ১৫ হাজার কোটি টাকা।
     

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar incident: আরজি কর-কাণ্ডের জের! রাজ্যগুলিকে ২ ঘণ্টা অন্তর রিপোর্ট পেশের নির্দেশ কেন্দ্রের

    RG Kar incident: আরজি কর-কাণ্ডের জের! রাজ্যগুলিকে ২ ঘণ্টা অন্তর রিপোর্ট পেশের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (R G Kar incident) হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় এবার নয়া নির্দেশ দিল কেন্দ্র। কলকাতার হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে ফুঁসছে গোটা দেশ। বিশেষত এই ঘটনার প্রতিবাদে আওয়াজ তুলেছে চিকিৎসক মহলও। একাধিক রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জটিল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই আবহে আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে।

    কী জানিয়েছে কেন্দ্র? (Central Government) 

    বর্তমানে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনার (R G Kar incident) প্রতিবাদে গোটা দেশ। এই পরিস্থিতিতে দেশের সব রাজ্যকে তাদের আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কে তথ্য দিতে বলল কেন্দ্র। রাজ্য প্রশাসনকে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে। দুঘণ্টা অন্তর সেই রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে পাঠাতে হবে। জানা গিয়েছে, ইমেল, ফ্যাক্স বা হোয়াট্‌সঅ্যাপের মাধ্যমে রিপোর্ট দিতে পারবে রাজ্য। এই রিপোর্ট যাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কন্ট্রোল রুমে। শুধু তা-ই নয়, যদি কোনও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে তবে তৎক্ষণাৎ তা কেন্দ্রকে জানাতে হবে। 

    আরও পড়ুন: জমি কেলেঙ্কারি মামলায় বিচার শুরুর সম্মতি রাজ্যপালের, বিপাকে সিদ্দারামাইয়া

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (R G Kar incident) 

    আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসক মহল থেকে শুরু করে পথে নেমেছেন সাধারণ মানুষ। দেশজুড়ে একাধিক হাসপাতালে কর্মবিরতির ঘোষণা করেছেন চিকিৎসকরা। অনেক জায়গায় মিছিল করার সময় পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে প্রশাসনকে। তাই এবার এই পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Central Government)।
    কেন্দ্রের এই নির্দেশকে স্বাগত জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে আরজি করের সামনে ভিড় নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে লালবাজার জানিয়েছে, ১৮ অগস্ট, অর্থাৎ শনিবার থেকে ২৪ অগস্ট, পরের সপ্তাহের শনিবার পর্যন্ত পাঁচ জন বা তার বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal: কোথায় বঞ্চনা? ইউপিএ’র তুলনায় মোদির আমলে বাংলার বরাদ্দ বেড়েছে ২১৮ শতাংশ!

    West Bengal: কোথায় বঞ্চনা? ইউপিএ’র তুলনায় মোদির আমলে বাংলার বরাদ্দ বেড়েছে ২১৮ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছরের বাজেটে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং বিহারের উল্লেখ থাকায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলি। তাদের বক্তব্য, সরকার জোট শরিকদের পাইয়ে দিতেই এমন বাজেট করেছে। বিরোধীরা ভুলে যাচ্ছে কোনও কোনও রাজ্যের কথা বাজেটে বলা হলেও তার অর্থ এই নয় যে অন্য কোনও একটি বিশেষ রাজ্যের দিকে নজর দেওয়া হয়নি বা ওই রাজ্যের অনুকূলে কোনও অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি। প্রসঙ্গত, ইউপিএ সরকারের ২০০৯-১০-এর অন্তর্বর্তী বাজেটে উত্তরপ্রদেশ ও বিহার–শুধুমাত্র এই দুটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। অথচ, সেই সময় পক্ষপাত নিয়ে কোনওরকম হইচই বা সমালোচনা করা হয়নি।
    এবারের বাজেটে বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal), ওড়িশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ‘পূর্বোদয়’ নামে এক বিশেষ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এই রাজ্যগুলি পূর্ব ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে। ঐতিহাসিকভাবে পূর্বাঞ্চলের এই রাজ্যগুলি উন্নয়নের দিক থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে।  রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ‘পূর্বোদয়’ কর্মসূচি নিয়ে কিছু বলছে না, অথচ পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চনার অভিযোগও তুলেছে। এমন অভিযোগ যে ভিত্তিহীন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে পরিসংখ্যানেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এইভাবে বিরোধীরা বিভেদকামী রাজনীতির আশ্রয় নিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ২০০৯-১৪ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ যা বরাদ্দ পেত, তা ২১৮ শতাংশ বেড়েছে ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে মোদি জমানায় (Modi Government)।

    চলতি অর্থ বছরে বাংলার (West Bengal) জন্য ৩৪,৬৮৪ কোটি টাকার সংস্থান

    পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি খাতে কেন্দ্রীয় সরকার নানাভাবে অর্থ বরাদ্দের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের অনুকূলে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের পরিমাণ যথেষ্ট বৃদ্ধি করা হয়েছে। মোট সংগৃহীত করের মধ্যে ৯৩,৮২৭.৭০ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গের বাজেট বরাদ্দ হিসেবে ধরা হয়েছে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে। চলতি অর্থ বছরে মঞ্জুরিকৃত অনুদান হিসেবে ৩৪,৬৮৪ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। মনে রাখতে হবে যে পশ্চিমবঙ্গে ইউপিএ মেয়াদকালের তুলনায়  বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে বেশ কয়েকগুণ। এনডিএ সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গের অনুকূলে রেকর্ড পরিমাণ বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। বর্তমান আর্থিক বছরে অর্থাৎ, ২০২৪-২৫ সালে পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র রেল প্রকল্প রূপায়ণে অনুমোদিত বরাদ্দের পরিমাণ ১৩,৯৪১ কোটি টাকা। ২০০৯-১৪ সময়কালে প্রতি বছর বরাদ্দের গড় পরিমাণ ছিল ৪,২৮০ কোটি টাকা। সেই অর্থে এবারের কেন্দ্রীয় বরাদ্দ তিনগুণ। ২০১৪-২৩ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ১,১০০ কিলোমিটার রেল সেকশন চালু হয়েছ, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ২০১৪-২৪ সময়কালে রেল প্রকল্প

    -১,২৬১ কিলোমিটার নতুন রেলপথ

    – ১,৫৭৬ কিলোমিটার রেল বৈদ্যুতিকীকরণ অর্থাৎ, প্রতি বছর গড়ে ১৫৮ কিলোমিটার যা কিনা ২০১৪ সালের গড় ৩২ কিলোমিটারের তুলনায় পাঁচগুণ বেশি।

    – ৪৪৩টি রেল ফ্লাইওভার ও আন্ডারব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে।

    -৪৩টি প্রকল্পের কাজ চলছে মোট ৪,৪৭৯ কিলোমিটার যার জন্য কেন্দ্র বরাদ্দ করেছে ৬০,১৬৮ কোটি টাকা।

    -১০০টি স্টেশনকে অমৃত স্টেশন রূপে চিহ্নিত করা হবে :

    পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রের বঞ্চনা, এ যে সর্বৈব মিথ্যা তত্ত্ব, তা পরিষ্কার নীচের পরিসংখ্যানে

    জনধন যোজনা

    সর্বভারতীয় স্তরে ৫২.৫ কোটি জন ধন অ্যাকাউন্ট রয়েছে (৫৬% মহিলা)

    পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) ক্ষেত্রে ৫ কোটিরও বেশি জন ধন অ্যাকাউন্ট (৫৭% মহিলা)

    পিএম মুদ্রা যোজনা

    সর্বভারতীয় স্তরে ২৮.৯ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, ৪৮.৬ কোটিরও বেশি সুফলভোগী (৬৮% মহিলা; ২৩% তফশিলি জাতি/তফশিলি উপজাতি)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২.৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি দেওয়া হয়েছে, ৪.৭ কোটি সুফলভোগী (৭৬% মহিলা; ২০% তফশিলি জাতি/তফশিলি উপজাতি)

    স্ট্যান্ড-আপ ইন্ডিয়া
     
    সর্বভারতীয় স্তরে ২.৩ লক্ষ উদ্যোগপতিকে ২৯,০০০ কোটি টাকারও বেশি দেওয়া হয়েছে (৭৮% মহিলা)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ১২,৮০০-রও বেশি উদ্যোগপতিকে ১,৩৬৬ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে (৭৪% মহিলা)

    পিএম স্বনিধি (যোগ্য রাস্তার হকারদের ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সহায়তা)

    সর্বভারতীয় স্তরে ৬৪ লক্ষেরও বেশি রাস্তার হকার সুফল পেয়েছেন (৪৪% মহিলা; ৪৩% অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি এবং ২২% তফশিলি জাতি/উপজাতি)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সুফল পেয়েছেন ১.৯২ লক্ষ রাস্তার হকার (৪৫% মহিলা; ৩% অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি এবং ১২% তফশিলি জাতি/উপজাতি)

    পিএম জীবন জ্যোতি বিমা যোজনা (বছরে ৪৩৬ টাকা প্রিমিয়ামে জীবন বিমা)

    সর্বভারতীয় স্তরে ২০.২ কোটি নাম নথিভুক্ত (৫৩% মহিলা)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ১ কোটিরও বেশি নথিভুক্ত (৫৮% মহিলা)

    পিএম সুরক্ষা বিমা যোজনা (বছরে ২০ টাকা প্রিমিয়ামে দুর্ঘটনা বিমা) 

    সর্বভারতীয় স্তরে ৪৪.৫ কোটি নথিভুক্ত (৫০% মহিলা)

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২.৯ কোটি নথিভুক্ত (৫৫% মহিলা)

    অটল পেনশন যোজনা (Modi Government) 

    সর্বভারতীয় স্তরে ৬.৫ কোটি গ্রাহক

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৫০ লক্ষেরও বেশি গ্রাহক 

    জল জীবন মিশন–সবার জন্য পানীয় জল

    সর্বভারতীয় স্তরে ১১.৭ কোটি নলবাহিত জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৮৭ লক্ষের মতো নলবাহিত জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে

    পিএম আবাস যোজনা

    সর্বভারতীয় স্তরে ২.৯৪ কোটিরও বেশি গৃহ নির্মাণে মঞ্জুরি

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৪৫.৬৯ লক্ষ গৃহ নির্মাণে মঞ্জুরি

    পিএম আবাস শহরাঞ্চল

    সর্বভারতীয় স্তরে ১.১৮ কোটি গৃহ নির্মাণে মঞ্জুরি

    পশ্চিমবঙ্গে ৬.৬৮ লক্ষ গৃহ নির্মাণে মঞ্জুরি 

    স্বচ্ছ ভারত মিশন

    সর্বভারতীয় স্তরে ১১ কোটিরও বেশি বাড়িতে শৌচালয় নির্মিত

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৮১.৯৪ লক্ষ বাড়িতে শৌচালয় নির্মিত

    স্বচ্ছ ভারত মিশন (শহরাঞ্চল)

    সর্বভারতীয় স্তরে ৬২.৮ লক্ষ বাড়িতে শৌচালয় নির্মিত

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ২.৭৮ লক্ষ বাড়িতে শৌচালয় নির্মিত

    আয়ুষ্মান ভারত
     
    সর্বভারতীয় স্তরে ৩৪ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী

    রাজ্য সরকার ২০১৯-এ এই প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়িয়েছে

    জন ঔষধি কেন্দ্র (৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত)

    সর্বভারতীয় স্তরে ১২,৬০০-রও বেশি কেন্দ্র

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৩৪২টি কেন্দ্র

    এলপিজি সিলিন্ডার–উজ্জ্বলা মিশন
     
    সর্বভারতীয় স্তরে উজ্জ্বলা সুবিধাভোগী ১০.৩২ কোটি

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ১.২৩ কোটি

    পিএম গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা

    সর্বভারতীয় স্তরে ৮০ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৬ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী

    পিএম কিষাণ-এর আওতায় সুফলভোগী

    সর্বভারতীয় স্তরে ৮.৭ কোটিরও বেশি কৃষক (২২% মহিলা) 

    পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে ৪২.৩৫ লক্ষ কৃষক (১৮% মহিলা)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal: মমতার ‘মিথ্যাচার’ ফাঁস! পাঁচ বছরে রাজ্য পেয়েছে ৫.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা!

    West Bengal: মমতার ‘মিথ্যাচার’ ফাঁস! পাঁচ বছরে রাজ্য পেয়েছে ৫.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা!

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

    কেন্দ্রের মোদি সরকার রাজ্যকে (West Bengal) বঞ্চনা করছে, এমন অভিযোগ তুলে প্রায়ই সরব হতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে একেবারে উল্টো কথা। দেখা যাচ্ছে, বিগত পাঁচ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে ৫.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গকে দিয়েছে কেন্দ্র। অর্থাৎ মোদি সরকারের তথ্য সিলমোহর দিচ্ছে মমতার মিথ্যাচার ও কেন্দ্রের উন্নয়নকেই, এমনটাই বলছে অভিজ্ঞ মহল।

    গ্রামোন্নয়নে বিপুল টাকা! (West Bengal)

    পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, খাদ্যে ৮০ হাজার কোটি টাকা এবং সারের ক্ষেত্রে ৩০ হাজার কোটি টাকার কেন্দ্রীয় ভর্তুকিতে উপকৃত হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গবাসী (West Bengal)। পরিসংখ্যানে আরও দেখা যাচ্ছে, বিগত ৫ বছরে ৯৩ হাজার ১৭১ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ উন্নয়নে। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গকে ১০০ দিনের কাজের ক্ষেত্রে দিয়েছে ১১,৭৯২ কোটি টাকা, যা একটি অর্থবর্ষে দেওয়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ অর্থ। উল্লেখ্য, গ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রতিবারই সর্বোচ্চ পরিমাণ টাকা পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এর পাশাপাশি স্বচ্ছ ভারত মিশনে বিগত পাঁচ বছরে দেওয়া হয়েছে ২,১৫১ কোটি টাকা। নগর উন্নয়নে দেওয়া হয়েছে ১৩ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। শুধুমাত্র শহরের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে ঘরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৫৯টি। 

    জনজাতি উন্নয়ন

    পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী জনজাতিদের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র বিগত ৬ বছরে বাংলাকে দিয়েছে ৮৩৪ কোটি টাকা। এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকার জনজাতি পড়ুয়াদের বৃত্তি প্রদান করেছে ২১ কোটি টাকারও বেশি। কেন্দ্রীয় সরকারের স্বীকৃত স্টার্ট আপ বিগত ৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গে তৈরি হয়েছে, ৪ হাজার ২৬টি, এর মধ্যে মহিলা পরিচালিত স্টার্ট আপের সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনায় পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া হয়েছে ৪১৫ কোটি টাকা।

    স্বাস্থ্যক্ষেত্রেও ঢেলে অনুদান  

    স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, বিগত পাঁচ বছরে ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত পাঁচ বছরে ইএসআইসি হাসপাতাল তৈরি হয়েছে দার্জিলিং, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। আয়ুষ্মান যোজনার অধীনে হেলথ অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়েছে ৩.২৪ কোটি। প্রধানমন্ত্রী জন ঔষধি প্রকল্পের মাধ্যমে অতি সুলভে উন্নতমানের ঔষধ প্রদানের কাজ চলছে বাংলায়। রাজ্যে এমন জন ঔষধি দোকান রয়েছে ৩৫৯টি। এই জন ঔষধির মাধ্যমে রাজ্যের মানুষের সাশ্রয় হয়েছে বিগত পাঁচ বছরে ১,১৪৬ কোটি টাকা। সম্প্রতি, ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কল্যাণীতে অবস্থিত এইম্‌সটি জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্যদিকে কেন্দ্রের অনুমোদিত কর্মসূচি হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) ১১টি মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনের বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে এই কলেজগুলি হবে বীরভূম (রামপুরহাট), কোচবিহার, ডায়মন্ড হারবার, পুরুলিয়া এবং রায়গঞ্জে (উত্তর দিনাজপুর)। দ্বিতীয় পর্যায়ে এই কলেজগুলি হবে বারাসত, উলুবেড়িয়া, আরামবাগ, ঝাড়গ্রাম এবং তমলুকে।

    বিপুল অর্থ কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়নে

    কৃষি ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, বিগত পাঁচ বছরে তিরিশ হাজার কোটি টাকার বেশি ভর্তুকি শুধুমাত্র সারে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ৮,৪৯২ কোটি টাকা মোদি সরকার রাজ্যকে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার অধীনে। এর পাশাপাশিকিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ১০ হাজার ৯৭২ কোটি টাকা মূল্যের ঋণ ধার্য করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্পদ যোজনায় ২৩০ কোটি টাকার সহায়ক অনুদান দেওয়া হয়েছে। বিগত ৬ বছরে ২৮৩ কোটি টাকা পশ্চিমবঙ্গকে দিয়েছে মোদি সরকার পশপালন ক্ষেত্রের উন্নয়নে। এর পাশাপাশি নীল বিপ্লব ও প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনায় ৭৮ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

    নারীশক্তির উন্নয়নে বিপুল টাকা

    নারীশক্তি উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গকে বিপুল অনুদান দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত ৬ বছরে নারীশক্তির বিকাশে পশ্চিমবঙ্গকে মোদি সরকার দিয়েছে ৫,৭৪৪ কোটি টাকা। ১৭১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে মিশন বাৎসল্য যোজনায়। অন্যদিকে মিশন সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ি ও পুষ্টি যোজনায় বাংলা পেয়েছ ৫,২৩৯ কোটি টাকা। মিশন শক্তি যোজনায় কেন্দ্র রাজ্যকে দিয়েছে ৩৩৪ কোটি টাকা। জল জীবন মিশনের দ্বারা প্রতি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। এই প্রকল্পে বিগত ছয় বছরে পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া হয়েছে ১৯,৫৯৫ কোটি টাকা। অন্যদিকে সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনার অধীনে রাজ্য থেকে ১৪ লাখেরও বেশি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) থেকে অটল পেনশন যোজনায় যুক্ত হয়েছেন ৪৮ লাখেরও বেশি মানুষ।

    ৭ লাখেরও বেশি আবেদন বিশ্বকর্মা যোজনায়, কেন্দ্রীয় বরাদ্দ বেলুর মঠেও

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনায় আবেদনপত্র সংগৃহীত হয়েছে ৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬৪টি, যার মধ্যে মহিলা আবেদনকারী সংখ্যা ২ লাখ ১২ হাজার ৫৩০ জন। কেন্দ্রীয় সরকারের স্ফূর্তি যোজনায় ১৯টি নির্বাচিত গোষ্ঠী পেয়েছে ৪৫.৪৫ কোটি টাকার কেন্দ্রীয় সহায়তা। এর পাশাপাশি ধর্মীয় স্থানের উন্নতিতেও নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বেলুড় মঠের উন্নয়ন প্রকল্পে কেন্দ্র সরকার বরাদ্দ করেছে ৩০.০৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর ‘ইন্ট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অফ হিউম্যানিটির’ তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

    উপকূল এলাকার বাসিন্দাদের জীবনের মানোন্নয়ন, উন্নয়ন পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও

    উপকূল এলাকার বাসিন্দাদের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র স্বদেশ দর্শন প্রকল্পে রাজ্যকে দিয়েছে ৬৭.৯ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে উপকূল এলাকার বাসিন্দাদের বিভিন্ন সুযোগসুবিধা বাড়ানো হবে। পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে রাজ্যকে বিপুল অর্থ বরাদ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। সড়ক পরিকাঠামো প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৫,৬৭৫ কোটি টাকা। ২,২১৬ কিলোমিটারেরও বেশি জাতীয় মহাসড়ক নির্মিত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। এর মধ্যে ভারতমালা পরিযোজনায় বারাণসী-রাঁচি-কলকাতা এবং খড়্গপুর-শিলিগুড়ি গ্রিনফিল্ড করিডর নির্মিত হচ্ছে। ভারতমালা পরিযোজনার প্রথম পর্যায়ের আওতায় পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) আনুমানিক ৩২,৯৩৭ কোটি টাকার মূলধনী ব্যয়ে ৮৭৪ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক নির্মাণের কাজ অনুমোদন করা হয়েছে। রেলওয়ে পরিকাঠামো উন্নয়নে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৯,৪৮৩ কোটি টাকা।

    সাগরমালা প্রকল্পে ১৬,৩০০ কোটি টাকা

    সাগরমালা প্রকল্পে দেওয়া হয়েছে ১৬,৩০০ কোটি টাকা। পশ্চিমবঙ্গের সামুদ্রিক পরিকাঠামো নির্মাণেও বিপুল টাকা দিয়েছে কেন্দ্র। বর্তমানে ৫৫৪৫.১ কোটি টাকা মূল্যের ৩৯টি প্রকল্পের কাজ চলছে সামুদ্রিক পরিকাঠামোর উন্নয়নে। এর মধ্যে রয়েছে হলদিয়া থেকে বারাণসী পর্যন্ত জাতীয় জলপথ তৈরি করার প্রকল্পও। যার দৈর্ঘ্য হল ১,৩৯০ কিলোমিটার। পণ্য সম্ভার পরিবহণে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দরেরও ক্ষমতা বেড়েছে। অন্যদিকে ৩৭৪.৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ফরাক্কায় নতুন নেভিগেশন লক গেট-এর উন্নয়নের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়েছে।

    ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও শিক্ষার উন্নয়নেও বিপুল টাকা

    রাজ্যের ঐতিহ্য সংরক্ষণেও ব্যাপক জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিগত পাঁচ বছরে ৫৮.১০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে গুরু-শিষ্য পরম্পরা প্রচারের ক্ষেত্রে। অন্যদিকে ৩৪.৩০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থাকে। বিজ্ঞানের প্রচারের জন্য ১৫.৬২ কোটি টাকা রাজ্যকে দিয়েছে কেন্দ্র। রাজা রামমোহন রায় লাইব্রেরি ফাউন্ডেশনে প্রদান করা হয়েছে ৫.০৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে তরুণ শিল্পীদের বৃত্তি দেওয়া হয়েছে ৩.০৯ কোটি টাকা। বারাকপুরে গান্ধী স্মারক সংগ্রহালয়ের উন্নতি প্রকল্পে প্রদান করা হয়েছে ১৬.৩২ লাখ টাকা। শিক্ষার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে ৬৪৯ কোটি টাকা কেন্দ্র রাজ্যকে দিয়েছে সমগ্র শিক্ষা প্রকল্পে। তফসিলি পড়ুয়াদের ৬৯ লাখ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। কৃষি প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য কেন্দ্রীয় সরকার দিয়েছে ১,৯১৬ কোটি টাকা।

    এতকিছুর পরেও মমতা বলছেন, রাজ্য বঞ্চিত!!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Electric Car: দেশ ছেয়ে যাবে ইলেকট্রিক গাড়িতে! প্রয়োজন ১২০০ কোটি, বললেন বিজ্ঞানী

    Electric Car: দেশ ছেয়ে যাবে ইলেকট্রিক গাড়িতে! প্রয়োজন ১২০০ কোটি, বললেন বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূষণ এবং তেল আমদানির খরচ কমাতে দ্রুত দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির (Electric Car) ব্যবহার বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র। গাড়ি শিল্পের একাংশের আশা, ২০৩০ সালের মধ্যে দুই, তিন ও চার চাকার যাত্রিবাহী বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারও উল্লেখযোগ্য জায়গায় পৌঁছবে। ২০৩০ সালে মোট গাড়ির ৩০% হবে বৈদ্যুতিক এমনই অনুমান বিশেষজ্ঞদের। এরই মধ্যে ভারত সরকারের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা অধ্যাপক অজয় ​​কুমার সুদ জানান, খুব শীঘ্রই পেট্রোল এবং ডিজেলে চলমান গাড়িগুলি হারিয়ে যাবে। তাঁর কথায়, ভারত সরকার যদি বৈদ্যুতিন গাড়ি রাস্তায় নামানোর জন্য ১২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে তাহলে পাঁচ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে, দেশে ইলেকট্রিক গাড়ি ছেয়ে যাবে।

    বিশেষজ্ঞের মত (Electric Car) 

    অধ্যাপক সুদ জানান, খুব শীঘ্রই ভারতে বৈদ্যুতিন যানবাহনগুলি পছন্দের মাধ্যম হয়ে উঠবে। সুদ বলেন, “২০২৪ সালের প্রথমার্ধে, ভারতে প্রায় ৯ লক্ষ বৈদ্যুতিক যানবাহন (Electric Car) বিক্রি হয়েছিল, কিন্তু ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৩০ শতাংশে চলে যাবে।” বৈদ্যুতিক যানবাহন সাশ্রয়ী এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠবে, বলে আশা সুদের। তবে এর জন্য প্রয়োজন চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে গবেষণা চালিয়ে যাওয়া। বৈদ্যুতিক যানের জন্য  ব্যাটারি প্রযুক্তিতে অগ্রগতির প্রয়োজন রয়েছে। অধ্যাপক সুদ বলেন, “সোডিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এবং অ্যালুমিনিয়াম-আয়ন ব্যাটারির উপর গবেষণা আশার সঞ্চার করেছে।” সস্তা, হালকা, নিরাপদ এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি তৈরি করাই ইলেকট্রিক যানের আসল চাবিকাঠি।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    বাজেটে অটো-মোবাইল ক্ষেত্র

    ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Union Budget 2024) পেশের সময় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ঘোষণা করেছেন যে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির দাম এবার কমানো হচ্ছে। এই লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি মূলত বৈদ্যুতিন গাড়ি (Electric Car) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। আর এই ব্যাটারির দাম কমে গেলে গাড়ির দামও অনেকটাই কমে যাবে। দেশে বৈদ্যুতিন গাড়ির চাহিদা বাড়াতে কেন্দ্র সরকার একের পর এক পদক্ষেপ করছে। এমনকী এই ধরনের বৈদ্যুতিন গাড়ির চাহিদা বাড়াতে সরকার একটি নতুন ইভি নীতিও ঘোষণা করেছে। এই নতুন ইভি নীতিতে কোনও বৈদেশিক সংস্থা যদি ৫০ কোটি ডলারের বেশি এই দেশের অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে বিনিয়োগ করে এবং ৩ বছরের মধ্যে দেশে কারখানা স্থাপন করে, তাহলে সেই সংস্থা সম্পূর্ণরূপে আমদানি করে ছাড় পাবে। প্রফেসর সুদ বলেন যে ভারতের অটোমোবাইল সেক্টর দেশের জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবে। বৈদ্যুতিন যানের ক্ষেত্রে বর্তমান আমদানি-নির্ভর পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে ভারতকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: ভারত-চিন সংঘাত! সীমান্তের পরিকাঠামো উন্নয়নে আগের থেকে বরাদ্দ বাড়ল ৩০ শতাংশ

    Budget 2024: ভারত-চিন সংঘাত! সীমান্তের পরিকাঠামো উন্নয়নে আগের থেকে বরাদ্দ বাড়ল ৩০ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত অর্থ বছরের থেকে ৩০ শতাংশ বেশি অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার (Budget 2024) চিন সীমান্তের পরিকাঠামোগত উন্নয়নে। বিগত ২-৩ বছরের তুলনায় এই বরাদ্দ দ্বিগুণের থেকেও বেশি ছাড়িয়েছে। প্রসঙ্গত, দুই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরেই (Budget 2024) ভারত সরকার চিন সীমান্তের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থার নির্মাণে ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। এই বরাদ্দ করা হয়েছে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনকে।

    সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহলের একাংশ

    এই সংস্থা সীমান্তে সড়ক নির্মাণের কাজ দেখাশোনা করে। ভারত-চিন সীমান্তের উত্তেজনার আবহে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। শুধু তাই নয় মঙ্গলবার বাজেট পেশ করার সময় সরকারের (Central Government) পক্ষ থেকে তা মেনেও নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগেই ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনকে বরাদ্দ করা হয়েছিল পাঁচ হাজার কোটি টাকা কিন্তু চলতি বছরের (Budget 2024) সেই পরিমাণ অনেকটাই বাড়ল বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহলের একাংশ।

    প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে ৬ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা (Budget 2024)

    বর্তমানে ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্য়ে সীমান্তে পরিকাঠামো উন্নয়নেই বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ৬,৫০০ কোটি টাকা। একথা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রসঙ্গত, ২০২০ সাল থেকেই ভারত-চিন সংঘাত দুই দেশের সামরিক এবং কূটনৈতিক মহলে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, তার পরের বছর থেকেই উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে সীমান্তে পরিকাঠামো তৈরির বরাদ্দ। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে সীমান্তে সড়ক পরিকাঠামোতে বরাদ্দ হয়েছিল ২,৫০০ কোটি টাকা, পরের অর্থবর্ষে ২০২২-২৩ সালে তা ৪০ শতাংশ বেড়ে হয় ৩,৫০০ কোটি টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে তা ফের ৪০ শতাংশ বাড়ে, বরাদ্দ করা হয় ৫ হাজার কোটি টাকা (Central Government)। চলতি আর্থিক বছরে ফের ৩০ শতাংশ বেড়ে হল ৬ হাজার ৫০০ কোটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share