Tag: Central Government

Central Government

  • DA Hike: দীপাবলির উপহার! ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্রের, রাজ্যের সঙ্গে ফারাক বেড়ে হল ৩৯ শতাংশ

    DA Hike: দীপাবলির উপহার! ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি কেন্দ্রের, রাজ্যের সঙ্গে ফারাক বেড়ে হল ৩৯ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগেই ৩ শতাংশ ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধি (DA Hike) করল কেন্দ্র। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন একথা ঘোষণা করা হল।  মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা তিন শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধিতে অনুমোদন দিয়েছে। মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণায় খুশি কেন্দ্রীয় সরকারের বর্তমান কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্তরা। এর আগে কেন্দ্রের ডিএ ছিল ৫০ শতাংশ। ৩ শতাংশ বেড়ে তা হল ৫৩ শতাংশ। ২০২৪-এর ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে চলেছে এই ডিএ।

    কীভাবে বাড়ে ডিএ

    ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি (DA Hike) পাওয়ায়, এখন কোনও এন্ট্রি-লেভেল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী যাঁর বেতন মাসে ১৮ হাজার টাকা, তিনি হাতে আরও ৫৪০ টাকা বেশি পাবেন। ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ায় একজন কর্মচারী জুলাই, অগাস্ট ও সেপ্টেম্বরের এরিয়ারও পাবেন। সাধারণত বছরে ২ বার ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। জানুয়ারি এবং জুলাই থেকে এই বর্ধিত ডিএ কার্যকর হয়ে থাকে। সাধারণত মার্চ ও সেপ্টেম্বর নাগাদ এই বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়ে থাকে। মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে কর্মচারীদের বাঁচানোর জন্যই কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্সের সঙ্গে সাযুজ্য বজায় রেখে ডিএ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির স্বপ্ন এক সন্ত্রাসমুক্ত, মাদকমুক্ত ভারত’, ভবিষ্যতের আইপিএসদের শাহ

    রাজ্য সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ

    কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধির (DA Hike) ফলে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে পার্থক্য বৃদ্ধি পেল অনেকটাই। এত দিন যে ব্যবধান ৩৬ শতাংশ ছিল, এখন তা বেড়ে ৩৯ শতাংশ হল। রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা এখন ১৪ শতাংশ হারে ডিএ পান। উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে শেষ বার ডিএ বৃদ্ধি হয়েছিল রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের। সেই বার ৪ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। দীর্ঘ দিন ধরেই কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন করছে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে গণ্য করার প্রয়োজন নেই, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা কেন্দ্রের

    Supreme Court: বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে গণ্য করার প্রয়োজন নেই, সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈবাহিক ধর্ষণকে (Marital Rape) অপরাধ হিসেবে গণ্য করার জন্য একাধিক আবেদন জমা পড়েছে শীর্ষ আদালতে (Supreme Court)। এই সমস্ত মামলার বিভিন্ন সময় শুনানিও হয়েছে, শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণও সামনে এসেছে। ঠিক এই আবহে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে হলফনামা জমা দেওয়া হল শীর্ষ আদালতে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার সাফ জানিয়েছে, ‘ম্যারিটাল রেপ’ বা বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ বলে গণ্য করার প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রের পর্যবেক্ষণ হল, ‘‘বিয়ে হওয়ার পর স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক থাকবে, এই প্রত্যাশা স্বামীর থাকতেই পারে, তার মানে এই নয় যে স্ত্রীকে কেউ তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করবে। তবে বিবাহিত না হলে ধর্ষণের অভিযোগে যে শাস্তি হয়, একজন স্বামীকে সেই শাস্তি দেওয়া ঠিক নয়। বিবাহিত মহিলাদের সুরক্ষার জন্য কেন্দ্র ইতিমধ্যেই একাধিক উপায় রেখেছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।’’

    বৈবাহিক সম্পর্কে সঙ্গীর কাছ থেকে যৌন সম্পর্ক নিয়ে কিছু প্রত্যাশা থাকেই

    কেন্দ্র শীর্ষ আদালতে (Supreme Court) আরও জানিয়েছে, যে কোনও বৈবাহিক সম্পর্কে সঙ্গীর কাছ থেকে যৌন সম্পর্ক নিয়ে কিছু প্রত্যাশা থাকেই। তাই বলে ইচ্ছের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে কোনওভাবেই জোর করতে পারেন না স্বামী। তবে এই কারণে ধর্ষণ আইনে শাস্তি দেওয়া কিছুটা বাড়াবাড়ি এবং সামঞ্জস্যহীন বলেই মনে করছে কেন্দ্র। বিবাহিত মহিলাদের উপর নিষ্ঠুর আচরণ বন্ধ করতে, গার্হস্থ্য হিংসা রুখতে আইন রয়েছে, যা যথেষ্ট সহায়ক বলে মত কেন্দ্রের।

    বিষয়টা আইনি ইস্যুর থেকেও বেশি সামাজিক

    এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে বর্তমানে যে ধর্ষণ বিরোধী আইন রয়েছে সেটাই যথেষ্ট। এই আইনে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার হলফনামায় উল্লেখ করেছে, ‘‘এই বিষয়টা আইনি ইস্যুর থেকেও বেশি সামাজিক। সমাজে এর সরাসরি প্রভাব রয়েছে।’’ তাই বৈবাহিক ধর্ষণকে (Marital Rape) যদি অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করতেও হয়, সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) সেটা করা ঠিক নয় বলেই মনে করছে কেন্দ্র। হলফনামায় কেন্দ্র বলেছে, ‘‘সব রাজ্য ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, বিয়ে হলেই একজন মহিলার মতামতের গুরুত্ব খর্ব হয় না, তবে বিবাহিত হওয়ার পরও এই ধরনের অভিযোগ উঠলে অন্যরকম প্রভাব পড়ে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Wage Hike: পুজোর আগে খুশির খবর, অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ন্যূনতম পারিশ্রমিক বাড়াল কেন্দ্র

    Wage Hike: পুজোর আগে খুশির খবর, অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ন্যূনতম পারিশ্রমিক বাড়াল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের ঠিক আগে বড় সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার। আধুনিক জীবনে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির দিকে নজর রেখেই অসংগঠিত ক্ষেত্রের (Unorganized Sector Workers) কর্মীদের ন্যুনতম দৈনিক মজুরি (Wage Hike) বাড়িয়ে দিল কেন্দ্র। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে যাঁরা দৈনিক কাজের ভিত্তিতে উপার্জন করেন, সেই শ্রমিকদের পারিশ্রমিক কিছুটা হলেও বাড়ল। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এই নতুন নিয়ম কার্যকরী হবে বলে জানা গিয়েছে।

    কী বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ভ্য়ারিয়েবল ডিয়ারনেস অ্যালাওয়েন্স বা পরিবর্তনশীল মহার্ঘ ভাতা (Wage Hike) পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মজুরি বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ কর্মী, লোডিং-আনলোডিংয়ের সঙ্গে যুক্ত, নিরাপত্তারক্ষী, সাফাইকর্মী, পরিচারিকা, খনি ও কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঝাড়ুদার, সাফাইকর্মী, নির্মাণ কর্মী, লোডিং-আনলোডিংয়ের কাজ করা অদক্ষ মজুরদের দৈনিক মজুরি বাড়িয়ে করা হল ৭৮৩ টাকা। অর্থাৎ মাসের মাইনে বেড়ে হল ২০,৩৫৮ টাকা। আধা-দক্ষ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি বেড়ে হবে ৮৬৮ টাকা। অর্থাৎ মাসে ২২,৫৬৮ টাকা। আবার করণিক, বন্দুক বা আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া নিরাপত্তা রক্ষী প্রমুখের দৈনিক ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে করা হয়েছে দিনে ৯৫৪ টাকা। অর্থাৎ মাসে ২৪,৮০৪ টাকা। আগ্নেয়াস্ত্রধারী নিরাপত্তা রক্ষী সহ অতি দক্ষ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি বাড়িয়ে করা হল দিনে ১,০৩৫ টাকা। অর্থাৎ মাসে ২৬,৯১০ টাকা।

    আরও পড়ুন: “ভারত অপ্রতিরোধ্য”, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ১০ বছর পূর্তিতে সাফল্যের খতিয়ান পেশ মোদির

    উপকৃত বহু শ্রিমক

    পরিবর্তনশীল মহার্ঘ ভাতায় (Wage Hike) দক্ষতার উপরে ভিত্তি করেই মজুরি বা পারিশ্রমিক কাঠামো ভাগ করা হয়। অদক্ষ (unskilled), অল্প দক্ষ (semi-skilled), দক্ষ (skilled) এবং অত্যন্ত দক্ষ (highly skilled) শ্রেণিতে ভাগ করা রয়েছে। এই শ্রেণির ভিত্তিতেই ন্যূনতম পারিশ্রমিকও স্থির করা হয়। উপভোক্তা মূল্য সূচক অনুযায়ী, সরকার বছরে দুবার ভ্যারিয়েবল ডিয়ারনেস আলাউন্স (VDA) সংশোধনের মাধ্যমে ন্যূনতম মজুরি বিবেচনা করে দেখে। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে এই মহার্ঘ ভাতা বাড়ানো হয়েছিল। ফের মজুরি বৃদ্ধির জেরে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক (Unorganized Sector Workers) উপকৃত হবেন। পুজোর আগে এই খবর প্রচুর শ্রমিকের মুখে হাসি ফোটাবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Government: বরাদ্দ ১৪ হাজার কোটি! কৃষক কল্যাণে ৭ বড় প্রকল্প মোদি সরকারের

    Central Government: বরাদ্দ ১৪ হাজার কোটি! কৃষক কল্যাণে ৭ বড় প্রকল্প মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষি ক্ষেত্রকে (Agriculture Sector) শক্তিশালী করতে বড় উদ্যোগ নিল মোদি সরকার। মোদি সরকারের (Central Government) মন্ত্রিসভায় একাধিক পদক্ষেপ করা হয় কৃষি ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করতে এবং একাধিক প্রকল্পে মোট ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয় কৃষকদের সার্বিক উন্নতিতে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে সাতটি বড় প্রকল্পের বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।

    ডিজিটাল এগ্রিকালচারের মাধ্যমে আধুনিক হবে কৃষি (Central Government)

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে লক্ষ্য রাখা হয়েছে— ডিজিটাল এগ্রিকালচার, খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি শিক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদী কৃষিফলনের ওপরে। ডিজিটাল এগ্রিকালচার মিশনের যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার এখানেই বরাদ্দ করা হয়েছে ২,৮১৭ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় কৃষি ক্ষেত্রকে আধুনিকীকরণ করা হবে এবং কৃষি ব্যবস্থা ভরপুর প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ডিজিটাল এগ্রিকালচার (Agriculture Sector) মিশনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় জোর

    অন্যদিকে, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government) বরাদ্দ করেছে ৩,৯৭৯ কোটি টাকা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় জোর দেওয়া হবে। কৃষি বিজ্ঞানের ওপর বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণাও করা যাবে এই প্রকল্পের আওতায়। কৃষি শিক্ষার ক্ষেত্রে মোদি সরকার বরাদ্দ করেছে ২,২৯১ কোটি টাকা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষি শিক্ষার বিষয়গুলির ওপর গবেষণা করার সুযোগ থাকছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষি শিক্ষায় জোর দিতে চাইছে মোদি সরকার।

    দীর্ঘমেয়াদি কৃষি ফলনে গুরুত্ব

    দীর্ঘমেয়াদি কৃষি ফলনের ওপরেও জোর দিয়েছে মোদি সরকার এবং এই ক্ষেত্রে ১,৭০২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের খাদ্য উৎপাদনকে বাড়াতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। অন্যদিকে সবজি, ফল এসবের বাগান, চাষ ইত্যাদির উন্নয়নে জোর দিয়েছে মোদি সরকার এবং এই ক্ষেত্রে বরাদ্দ করা হয়েছে ৮৬০ কোটি টাকা। দেশের কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রগুলির উন্নয়নে মোদি সরকার বরাদ্দ করেছে ১,২০২ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের কৃষি ব্যবস্থাতে প্রযুক্তির ভরপুর ব্যবহার করা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় ১,১১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার (Central Government)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Projects: মোদি সরকারের উপহার, নয়া ৩টি রেলপ্রকল্প পেল বাংলা

    Rail Projects: মোদি সরকারের উপহার, নয়া ৩টি রেলপ্রকল্প পেল বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য নরেন্দ্র মোদি সরকার বড় উপহার দিল। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা রাজ্যের জন্য নতুন তিনটি রেল প্রকল্পের ঘোষণা করে। এগুলি হল জামশেদপুর-পুরুলিয়া- আসানসোল (চান্ডিল- আনাড়া-দামোদর) তৃতীয় লাইনের প্রকল্প, বারগড়-নোয়াপাড়া নতুন লাইন প্রকল্প ও সরডেগা-ভালুমুডা ডবল লাইন প্রকল্প। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই প্রকল্পগুলি (Rail Projects) বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা সুসংহত ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

    এ নিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘এর ফলে যেমন একদিকে যাত্রী এবং পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সুবিধা হবে, তেমনি সার্বিকভাবে হাওড়া-মুম্বই এবং হাওড়া-দিল্লি করিডরকে আরও শক্তিশালী করে তোলা যাবে।’’ পাশাপাশি রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব আরও বলেন, ‘‘তৃতীয় লাইনের ফলে কার্বন নিঃসরনের পরিমাণ কমবে। সেটা যদি সবুজায়নের নিরিখে বিবেচনা করা যায়, তাহলে তিন কোটি নতুন গাছ বসানোর সমান।’’ এবিষয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেন প্রধানমন্ত্রী (Rail Projects)। লেখেন, এর ফলে উপকৃত হবে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্য ও সহজ হবে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ।

    জামশেদপুর-পুরুলিয়া-আসানসোল (চান্ডিল-আনাড়া-দামোদর) তৃতীয় লাইনের প্রকল্প

    এই প্রকল্পের (Rail Projects) আওতায় পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া এবং বর্ধমানে তৃতীয় লাইন তৈরির কাজ চলবে। এর পাশাপাশি, ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলাতেও এই প্রকল্পের কাজ হবে বলে জানা গিয়েছে। মোট ১২১ কিলোমিটার লাইন তৈরি হবে। এই প্রকল্পের আওতায় ৪২ লক্ষ কর্মদিবস তৈরি হবে বলেও জানা গিয়েছে। এর ফলে, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ের মতো রাজ্যও লাভবান হবে, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের। প্রকল্পে মোট খরচ ধরা হয়েছে ২,১৭০ কোটি টাকা।

    রেলমন্ত্রীর মতে, ‘‘তৃতীয় লাইনের ফলে যাত্রীদের যেমন যাতায়াতের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে, তেমনি পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও যথেষ্ট সুবিধা হতে চলেছে। যেহেতু দুর্গাপুর-আসানসোল-বার্নপুরে শিল্প হাব রয়েছে, তাই সহজে সেখান থেকে পণ্য নিয়ে আসা যাবে। এছাড়া পর্যটকরাও যথেষ্ট লাভবান হবেন। কারণ ওই অংশের মধ্যেই চুরুলিয়া, মাইথন বাঁধ প্রকল্প এবং কল্যানেশ্বরী মন্দিরের মতো জায়গা রয়েছে।’’

    বারগড়-নোয়াপাড়া নতুন লাইন প্রকল্প (Rail Projects)

    ওড়িশার ধানের ভান্ডার বলেই পরিচিত বারগড়। রেলমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘এই নতুন লাইন তৈরি হওয়ার পরে পশ্চিম এবং দক্ষিণ ভারতে সহজেই চাল পাঠানো সম্ভব হবে। এই প্রকল্পে বিনিয়োগ হবে ২৯২৬ কোটি টাকা।’’

    সরডেগা-ভালুমুডা ডাবল লাইন প্রকল্প

    এই প্রকল্প নিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, ‘‘ওড়িশার সরডেগা এবং ছত্তিশগড়ের ভালুমুডার মধ্যে ৩৭ কিলোমিটার ডাবল লাইন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১,৩৬০ কোটি টাকা খরচ হবে। ২৫ লক্ষ কর্মদিবস তৈরি হবে। হাওড়া-মুম্বই করিডরের ক্ষেত্রে ঝারসুগুড়া থেকে বিলাসপুর সেকশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সেকশনে (Rail Projects) এই নতুন প্রকল্প তৈরি হচ্ছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Central Government: ১২টি নতুন শিল্প শহর গড়বে মোদি সরকার, মোট কর্মসংস্থান হবে ৪০ লাখ

    Central Government: ১২টি নতুন শিল্প শহর গড়বে মোদি সরকার, মোট কর্মসংস্থান হবে ৪০ লাখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে শিল্প বিপ্লব আনতে উদ্যোগী মোদি সরকার (Central Government)। জানা গিয়েছে, ন্যাশনাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বা এনআইসিডিপি-এর তত্ত্বাবধানে নতুনভাবে দেশে তৈরি হতে চলেছে ১২টি শিল্প শহর বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি। এর জন্য বিনিয়োগ করা হবে ২৮,৬০২ কোটি টাকা। ‘বিকশিত ভারত প্রকল্প’-এর আওতায় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ১০ লাখ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। এর পাশাপাশি ৩০ লাখ চাকরির জায়গা তৈরি হবে পরোক্ষভাবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল নিজের বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, ১২টি শিল্প শহর বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্টসিটি হবে দেশের শিল্প ক্ষেত্রের অন্যতম অলঙ্কার (Industrial Smart Cities)।

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী? (Central Government)

    এনিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্টও করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা (Central Government) এই ১২টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি তৈরির বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছে বলে নিজের পোস্টে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রচুর কর্মসংস্থানের জায়গা তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি প্রকল্পের আওতায় আসবে ১০টি রাজ্য এবং ৬টি শিল্প করিডর

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের (Central Government) ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি প্রকল্পের আওতায় আসবে ১০টি রাজ্য এবং ৬টি শিল্প করিডর। পীযূষ গোয়েল আরও জানিয়েছেন, ১১টি ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডর তৈরিরও ভাবনা চলছে। প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে দেশের পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ যুক্ত হবে ঠিক স্বর্ণ চতুর্ভুজের ধাঁচে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কথায়, ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট সিটি, মাল্টি মডেল লজিস্টিক হাব, মাল্টি মডেল ট্রান্সপোর্ট হাব- এগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে কেন্দ্রের। জানা গিয়েছে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকাগুলিকে বিশ্বমানের গ্রিনফিল্ড স্মার্ট সিটি হিসেবে (Industrial Smart Cities) গড়ে তোলা হবে। বোঝাই যাচ্ছে, এই ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্মার্ট শহরগুলি উন্নত পরিকাঠামোতে সজ্জিত হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPSC: আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ইউপিএসসি পরীক্ষায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    UPSC: আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন ইউপিএসসি পরীক্ষায়, বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন (UPSC)-কে আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন বা তথ্য যাচাইয়ের অনুমতি দিল কেন্দ্র। এবার থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় যেমন আধারের তথ্য লাগবে, তেমনই পরীক্ষা ও নিয়োগের সময়ও আধার কার্ড খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হবে। পূজা খেড়কর (Puja Khedkar) নিয়ে চলা বিতর্কের মাঝেই ইউপিএসসি (UPSC) পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাইয়ের নিয়মে বড় বদল আনল কেন্দ্র (Central Government)। 

    কেন্দ্রের নির্দেশিকা

    নয়া নিয়ম অনুযায়ী, ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশন করা হবে। ফলে, এবার থেকে রেজিস্ট্রেশনের সময় আধারের তথ্য দিতেই হবে পরীক্ষার্থীদের। এদিকে পরে পরীক্ষা ও নিয়োগের সময়ও আধার কার্ড খতিয়ে পরীক্ষা করা হবে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ইউপিএসসি-তে এবার আধার ভিত্তিক ভেরিফিকেশনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের সময় আবেদনকারীর পরিচয় যাচাই করতে আধার অথেনটিকেশন করা হবে। এছাড়া পরীক্ষা ও নিয়োগের বিভিন্ন ধাপেও ই-কেওয়াইসি (e-KYC) পদ্ধতিতে প্রার্থীর পরিচয় যাচাই করা হবে। ইউআইডিএআই(UIDAI)-এর নিয়ম ও নির্দেশ মেনেই ইউপিএসসি (UPSC) এই ভেরিফিকেশন করবে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, আধার ভিত্তিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট অথেন্টিকেশন, ফেসিয়াল রেকগনিশন, ই-অ্যাডমিটের কিউআর কোড স্ক্যান, লাইভ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ভিত্তিক সিসিটিভি সার্ভিসের ব্যবহার করা হবে এবার থেকে। 

    কেন এই নয়া নিয়ম

    সম্প্রতিই পূজা খেড়কর নামক একজন ট্রেনি আইএএস অফিসারের ভুয়ো নথি ও তথ্য দিয়ে ইউপিএসসি পাশ করা এবং প্রতারণা করে চাকরি পাওয়ার ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। পূজার প্রার্থীপদ বাতিল করে ইউপিএসসি। এই ধরনের ঘটনা যাতে আর ভবিষ্যতে না ঘটে তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট। কবে থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হবে তা এখনও জানানো হয়নি ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তরফে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: লক্ষ্য উন্নত পরিষেবা প্রদান! লাদাখে পাঁচটি নতুন জেলা তৈরি করল মোদি সরকার

    Ladakh: লক্ষ্য উন্নত পরিষেবা প্রদান! লাদাখে পাঁচটি নতুন জেলা তৈরি করল মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল লাদাখে (Ladakh) তৈরি করা হল পাঁচটি নতুন জেলা। সোমবার, জন্মষ্টামীর দিন নতুন জেলাগুলির নাম ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। এই নিয়ে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রধানমন্ত্রী মোদি লাদাখের মানুষকে অভিনন্দন জানিয়েছেন নিজের ট্যুইট বার্তায়। প্রসঙ্গত, অমিত শাহের মন্ত্রকই লাদাখের প্রশাসন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। উন্নত পরিষেবা প্রদানের উদ্দেশেই এমন সিদ্ধান্ত বলে নিজের পোস্টে জানিয়েছেন শাহ।

    লাদাখের (Ladakh) নতুন ৫ জেলার নাম

    ২০১৯ সালেই ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয় লাদাখকে। লাদাখের প্রশাসনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, এত দিন লাদাখে দু’টি জেলা ছিল একটি লেহ এবং অপরটি কার্গিল। এ বার নতুন করে পাঁচটি জেলায় ভাগ করা হল লাদাখকে (Ladakh)। নতুন পাঁচটি জেলা হল- জানস্কার, দ্রাস, শাম, নুবরা এবং চাংথাং। অমিত শাহ জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ করার ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও সহজে ও দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যাবে।

    অমিত শাহের পোস্ট লাদাখ নিয়ে (Ladakh)

    সমাজমাধ্যমে পোস্টে শাহ লিখেছেন, ‘‘উন্নত এবং সমৃদ্ধ লাদাখ গড়ার যে লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুসরণ করছেন, তার প্রেক্ষিতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক লাদাখকে পাঁচটি জেলায় ভাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জানস্কার, দ্রাস, শাম, নুবরা এবং চাংথাং নামের পাঁচটি জেলা লাদাখের (Ladakh) মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা আরও ভালো ভাবে এবং আরও দ্রুত পৌঁছে দেবে। লাদাখের মানুষের জন্য অসংখ্য সুযোগ তৈরি করতে বদ্ধ পরিকর মোদি সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Union Health Ministry: ঔপনিবেশিকতার চিহ্ন! ডাক্তারদের সমাবর্তনে কালো পোশাক বাতিল কেন্দ্রের

    Union Health Ministry: ঔপনিবেশিকতার চিহ্ন! ডাক্তারদের সমাবর্তনে কালো পোশাক বাতিল কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের সমাবর্তনের পোশাক এবার থেকে বদলে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Union Health Ministry) শুক্রবারই এবিষয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা সমস্ত মেডিক্যাল কলেজে। ওই চিঠিতে কালো জামা এবং কালো টুপির বদলে সমাবর্তনে কোনও ভারতীয় পোশাক (Central Government) পরতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মোদি সরকারের ‘পঞ্চ প্রাণ’ কর্মসূচিরই অংশ হল এই নয়া নিয়মবিধি, এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে ওই চিঠিতে। 

    ২০২২ সালের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রীর পঞ্চ প্রাণ কর্মসূচির ঘোষণা 

    পঞ্চ প্রাণ কর্মসূচি আসলে কী? ২০২২ সালের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পঞ্চ প্রাণের অন্যতম (Central Government) বিষয় ছিল, ভারতীয় সংস্কৃতিতে আস্থা এবং ঔপনিবেশিকতার চিহ্ন মুছে দেওয়া। প্রসঙ্গত, সমাবর্তনে কালো টুপি ও পোশাকের ভাবনা আসলে ব্রিটিশদের থেকে নেওয়া। এবিষয়েও উল্লেখ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে পাঠানো চিঠিতে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ডাক্তারি পড়ুয়াদের সমাবর্তনে যে ধরনের পোশাক পরার রীতি চালু রয়েছে, তা মধ্যযুগীয়। ব্রিটিশ শাসনের সময়কালকেই মনে করিয়ে দেয় ওই পোশাক। সমাবর্তনে এবার থেকে তাই উঠে যাচ্ছে কালো জামা এবং কালো টুপি, পরিবর্তে আসছে ভারতীয়।

    এই ধরনের পোশাকের উৎস হল মধ্যযুগের ইউরোপ জানাল স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Union Health Ministry)

    মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলিতে যে চিঠি গিয়েছে, তাতে লেখা হয়েছে, ‘‘স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Union Health Ministry) অধীনে থাকা মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে পড়ুয়াদের কালো পোশাক এবং কালো টুপি পরতে দেখা যায়। এই ধরনের পোশাকের উৎস হল মধ্যযুগের ইউরোপ। তৎকালীন সময়ে ব্রিটিশরা তাঁদের উপনিবেশগুলিতে এই ধরনের পোশাক চালু করেছিলেন। ফলে এই রীতি আসলে ঔপনিবেশিকতার উত্তরাধিকারকেই বহন করে, যা বদলানো প্রয়োজন। স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Union Health Ministry) তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিভিন্ন মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠানের সমাবর্তন অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ ভারতীয় পোশাকের নকশা তৈরি করবে। বিভিন্ন রাজ্যে সেই পোশাক বিভিন্ন রকম হতে পারে। স্থানীয় সংস্কৃতি অনুযায়ী পোশাক নির্দিষ্ট করা হবে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Government: ভূমি সংস্কার, কৃষক-মহিলা উন্নয়নে রাজ্যগুলিকে ১০ হাজার কোটির অনুদান কেন্দ্রের

    Modi Government: ভূমি সংস্কার, কৃষক-মহিলা উন্নয়নে রাজ্যগুলিকে ১০ হাজার কোটির অনুদান কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে দেশের অঙ্গ রাজ্যগুলির বিভিন্ন ক্ষেত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার নজর দিয়েছে। চলতি বছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ঘোষণা করেছিলেন চার শ্রেণির উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে। এগুলি হল— কৃষক, তরুণ, মহিলা ও গরিব। মোদি সরকারের বাজেটে দেখা যাচ্ছে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই চার শ্রেণিকেই। এর আগে, আগামী ৫ বছরের জন্য বিনামূল্যে ৮০ হাজার মানুষকে রেশন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে মোদি সরকার।

    এবার, কেন্দ্রীয় সরকার জোর দিয়েছে, ভূমি সংস্কারে। পাশাপাশি, দেশের ৬ কোটি কৃষকের বিভিন্ন তথ্য নথিভুক্তকরণ এবং কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এই তিনটি বিষয়ে রাজ্যগুলির জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার। ভারতবর্ষের জিডিপির সবচেয়ে বড় অংশ আসে কৃষি ক্ষেত্র থেকে। তাই স্বাভাবিকভাবেই বাজেটে (Budget 2024) এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার জোর দিয়েছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ। অন্যদিকে, কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণের সিদ্ধান্তও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।  

    শহর ও গ্রামীণ এলাকার ভূমি সংস্কারে বরাদ্দ ১০,০০০ কোটি টাকা (Land Reform) 

    জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার ১০,০০০ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করেছে শহর ও গ্রামীণ ভারতে ভূমি সংস্কারের জন্য। ইতিমধ্যে কীভাবে চলবে ভূমি সংস্কারের এই কাজ, তার জন্য নয়া নির্দেশিকাও জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই নির্দেশিকা সামনে এসেছে গত ৯ অগাস্ট। আর এ বিষয়ে দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বক্তব্য রাখেন সংসদে তাঁর বাজেট অধিবেশনের দিন অর্থাৎ গত জুলাই মাসের ২৩ তারিখে। গ্রামীণ ক্ষেত্রে ভূমি সংস্কারের (Land Reform) জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটি রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে, ‘ইউনিক ল্যান্ড পার্সেল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর’ (ULPIN) বা ‘ভূ-আধার’ নম্বর চালু করার বিষয়ে। এর পাশাপাশি, মহকুমা ভিত্তিক বিভিন্ন জমির মালিকানা নিয়েও সার্ভে ম্যাপ তৈরি করতে বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়। শহর অঞ্চলে জিআইএস ম্যাপিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ল্যান্ড রেকর্ড (Land Reform) করতে বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাজ্যগুলিকে তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে বলা হয়েছে সম্পত্তির রেকর্ড করার জন্য।

    ৬ কোটি কৃষকের নাম-তথ্য নথিভুক্তকরণ 

    অন্যদিকে, দেশের সমস্ত কৃষকদের নামসহ অন্যান্য তথ্য নথিভুক্তকরণের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে চলতি বছরের বাজেটে। এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে যাতে দেশের ৬ কোটি কৃষকের তথ্য সবসময় কেন্দ্রীয় সরকার রাখতে পারে। এর পাশাপাশি, তাঁরা যে জমিগুলিতে চাষ করেন তার নথিও সরকারের কাছে থাকবে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে। এর ফলে, দেশের কৃষি ক্ষেত্রে গতি আসবে বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। একই সঙ্গে, এই ব্যবস্থা চালু হলে দেশের আসল ও নকল কৃষক বাছাই করা সহজেই সম্ভব হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় শুধুমাত্র অনুদান পেতেই অনেকে কৃষক সাজেন, কিন্তু কেন্দ্রীয় ভাবে দেশের চাষীদের সমস্ত তথ্য একজায়গায় থাকলে, দুর্নীতিও রোধ করা সম্ভব বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণে বরাদ্দ ৫ হাজার কোটি

    অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার নজর দিয়েছে দেশের কর্মরত মহিলাদের অসুবিধাগুলিকে দূর করার জন্য। এই উদ্দেশ্যে পাঁচ হাজার কোটি টাকা মোদি সরকার বরাদ্দ করেছে কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণের জন্য। এনিয়ে চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনেই বক্তব্য রেখেছেন দেশের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই কর্মসূচির বাস্তবায়নের ফলে মহিলাদের কাজের প্রতি বা কর্মক্ষেত্রের প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে। কেন্দ্রীয় সরকারে এই পরিকল্পনা অনুযায়ী বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার কর্মরত মহিলাদের হস্টেল বানানোর জন্য জমি দেবে অথবা জমি না থাকলে তা কেনার জন্য যে পরিমাণ অর্থ দরকার সেটা দেবে। এর পাশাপাশি, রাজ্যগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলকে অনুসরণ করার জন্য। এই ভাবেই হস্টেলগুলিকে চালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারে নির্দেশে এই হস্টেলগুলির মালিকানা রাজ্য সরকারের হাতে রাখার কথাই বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত,  রাজ্যগুলির মধ্যে কর্মরত মহিলাদের হস্টেল নির্মাণের জন্য সবথেকে বেশি অর্থ পেতে চলেছে যোগী আদিত্যনাথের উত্তরপ্রদেশ। কারণ বিভিন্ন তথ্য থেকে উঠে এসেছে সব থেকে বেশি মহিলা উত্তরপ্রদেশেই কর্মরত রয়েছেন। এখানে কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ করেছে ৩৮২ কোটি টাকা। অন্যদিকে, দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশের ঠিক পার্শ্ববর্তী রাজ্য মধ্যপ্রদেশ। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ করেছে ২৮৪ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে রয়েছে অসম, এখানে কেন্দ্র বরাদ্দ করেছে ২২৬ কোটি টাকা।

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বরাদ্দ

    এগুলি ছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকার আরও নানারকমের আর্থিক সহায়তা করছে রাজ্যগুলিকে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন—

    রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন স্থানগুলিকে উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র।

    পুরনো ট্র্যাক্টর বাতিল করে (নতুন কেনার ক্ষেত্রে), আর্থিক সহায়তা দানের জন্য কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ৩ হাজার কোটি টাকা।

    শিল্পায়নের জোয়ার আনতে রাজ্যগুলিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বরাদ্দ করেছে ১৫ হাজার কোটি টাকা।

    অন্যদিকে দিল্লি এনসিআর অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকার ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানের উন্নয়নের জন্য।

    বিভিন্ন গ্রামীণ ও শহুরে পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বরাদ্দ করেছে ১৫ হাজার কোটি টাকা।
     

     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share