Tag: Central Government

Central Government

  • National Research Foundation Bill: অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা

    National Research Foundation Bill: অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জাতীয় গবেষণা ফাউন্ডেশন (National Research Foundation Bill) তৈরির সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল সরকার। জাতীয় শিক্ষা নীতি অনুযায়ী দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির গবেষণায় নতুন দিশা-নির্দেশ করতে বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ন্যাশনাল রিসার্চ ফাউন্ডেশন বিল (NRF), ২০২৩ সংসদে পেশে অনুমোদন দিয়েছে। সংসদের আসন্ন বাদল অধিবেশনে এই বিল পেশ করা হবে।

    জাতীয় গবেষণা ফাউন্ডেশন বিল কী

    এই বিলটি (National Research Foundation Bill) সংসদে অনুমোদনের পর এনআরএফ প্রতিষ্ঠিত হবে, জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP)–এর সুপারিশ অনুসারে একটি নিয়ামক সংস্থা দেশে বৈজ্ঞানিক গবেষণার উচ্চস্তরীয় কৌশলগত দিক নির্দেশ করবে। এর জন্য ৫ বছরে (২০২৩-২০২৮) আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সমাজবিজ্ঞানের কোন ক্ষেত্রে, কোন বিষয়ের গবেষণায় কেন্দ্র কত টাকা ঢালবে, তা ঠিক করবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এই সংস্থাই। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার তরফে জানানো হয়েছে, পাঁচ বছরে গবেষণায় ৫০ হাজার কোটি টাকা খরচ করা হবে। এর মধ্যে ৩৬ হাজার কোটি টাকা আসবে বেসরকারি ক্ষেত্র, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প সংস্থা, অনুদান সংস্থার তরফ থেকে। ফলে দেশের, বিশেষত অর্থনীতির অগ্রগতির প্রয়োজন মাফিক গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া হবে। যে সব গবেষণায় সমাজের তেমন ‘লাভ নেই’, সেখানে অর্থ অপচয় বন্ধ হবে। 

    আরও পড়ুন: নিউমোনিয়ার প্রকোপ থেকে বাঁচতে শিশুদের মতো বয়স্কদেরও কি টিকা জরুরি?

    প্রযুক্তি ও শিল্প ক্ষেত্রের বিষয়ে গবেষণা

    তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর জানান, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্প ক্ষেত্রের উপযোগী বিষয়ে গবেষণায় জোর দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী পরিচালন বোর্ডের প্রধান হবেন। তাঁর সঙ্গে ১৫ থেকে ২৫ জন বিশিষ্ট গবেষক, শিক্ষাবিদ, পেশাদার থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টার নেতৃত্বে সংস্থার কার্যকরী পরিষদ কাজ করবে। তাঁরাই গবেষণার দিশানির্দেশে সিদ্ধান্ত নেবেন। বিজ্ঞান-প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহের বক্তব্য, এখন আইআইটি, আইআইএসসি-র মতো সংস্থাই গবেষণার সিংহভাগ অর্থ পায়। রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পায় মাত্র ১০%। নতুন ব্যবস্থায় (National Research Foundation Bill) সেই ছবি বদলাবে বলে তাঁর দাবি। তদিন গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়ে নির্ধারণ করত সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ বোর্ড। ২০০৮ সালে তৈরি এই সংস্থাও এবার মিশে যাবে ন্যাশানাল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তৎপর আইন কমিশন 

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তৎপর আইন কমিশন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালুর বিষয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন এবং আমজনতার মতামত জানতে চাইল কেন্দ্র। বুধবার আইন কমিশনের (ল’কমিশন) তরফে এ সংক্রান্ত  বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে মতামত জানাতে হবে নাগরিক নির্বিশেষে সরকারি সিলমোহরপ্রাপ্ত ধর্মীয় সংগঠনগুলিকে। 

    এক পরিবার এক আইন

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালু হলে সব ধর্মের মানুষ একই রকম পারিবারিক, বিবাহ ও উত্তরাধিকার সংক্রান্ত আইন মানতে বাধ্য থাকবেন। ওই আইন কার্যকর হলে মুসলিমদের পার্সোনাল ল’বোর্ডের কার্যত কোনও ভূমিকা থাকবে না। বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, সন্তান দত্তক নেওয়া থেকে সম্পত্তির উত্তরাধিকার চয়ন নিয়ে এক এক দেশে ধর্ম এবং জাতি নির্বিশেষে নিজস্ব আইন-কানুন রয়েছে। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হলে দেশের সমস্ত নাগরিককে একই পারিবারিক আইন মেনে চলতে হবে।

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি বিমানবন্দর, ১২টি মেডিক্যাল কলেজ! মোদি জমানায় এগিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারত

    নয়ের দশক থেকেই দেশে এই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) চালুর প্রস্তাব দিয়ে আসছে বিজেপি। এমনকি তাদের নির্বাচনী ইস্তেহারেও লাগাতার জায়গা পেয়ে এসেছে বিষয়টি। সামনে আসে খসড়া নীতিও। বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যেও ওই বিধি চালুর প্রস্তাব উঠতে দেখা যায়। ‘২৪-এর নির্বাচনের আগে সেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করতে নতুন করে তৎপর হল কেন্দ্র। জনমনে এ নিয়ে কী  ভাবনা, মতামত রয়েছে, তা জানতে তৎপর হল ২২তম আইন কমিশন। সরকারি সিলমোহর প্রাপ্ত ধর্মীয় সংগঠনগুলির মতামতও গ্রহণ করা হবে। তার জন্য সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হল। বুধবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। এখন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন আগ্রহী নাগরিক এবং ধর্মীয় সংগঠনগুলি। তার জন্য আইন কমিশনের ওয়েবসাইট https://lawcommissionofindia.nic.in/notice/uniform-civil-code-public-notice/-এ গিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে থাকা  ‘Click Here‘ অপশন বেছে নিতে হবে। অথবা ‘membersecretary-lci@gov.in‘ আইডি-তে ইমেল করতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, তিন তালাক, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পরে দেশ এ বার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি প্রণয়ন করতে চলেছে মোদি সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমকামীরা দৈনন্দিন জীবনে কী কী সমস্যায় পড়েন? জানতে কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    Same Sex Marriage: সমকামীরা দৈনন্দিন জীবনে কী কী সমস্যায় পড়েন? জানতে কমিটি গঠন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমকামী কিংবা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরা দৈনন্দিন জীবনে কী কী সমস্যায় পড়েন, তা বিবেচনা করার জন্য একটি কমিটি গঠন করবে কেন্দ্র। এলজিবিটিকিউআইএ প্লাস সম্প্রদায়ের ‘প্রকৃত মানবিক উদ্বেগগুলি’ খুঁজে বার করা হবে, বলে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে  (Supreme Court) জানান  কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। এদিন, সুপ্রিম কোর্টে সমলিঙ্গ বিবাহের (Same Sex Marriage) জন্য আইনি মর্যাদা চেয়ে আবেদনের শুনানি ফের শুরু হয়। শুনানির সময় কেন্দ্রের তরফে দেশের শীর্ষ আদালতকে এই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়।

    কমিটির নেতৃত্বে ক্যাবিনেট সচিব

    গত ২৭ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে সমলিঙ্গ বিবাহের (Same Sex Marriage) স্বীকৃতি নিয়ে শুনানি চলার সময়ে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় কেন্দ্রের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, সমকামী বিবাহকে বৈধ করার প্রশ্নে না গিয়েই কি সমকামী দম্পতিদের জন্য সামাজিক সুবিধা বাড়ানো যেতে পারে? সেই প্রশ্নের জবাবেই এই কমিটি গঠন করার কথা জানাল কেন্দ্র।  বুধবারের শুনানিতে কেন্দ্র শীর্ষ আদালতকে জানিয়ে দিল, সমকামী জুটিদের সামাজিক চাহিদা খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি গঠন করা হবে। ক্যাবিনেট সচিব ওই কমিটিকে নেতৃত্ব দেবেন।

    কমিটির দায়িত্ব

    বর্তমানে যৌথ ভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে কিংবা কোনও বিমা বা সঞ্চয়ী প্রকল্পে নমিনির নাম দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয় সমকামী এবং তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের। দৈনন্দিন জীবনে তাঁদের আর কী কী সমস্যায় পড়তে হয়, তা-ই খুঁজে দেখতে চাইছে কেন্দ্র। এদিনও সমলিঙ্গ বিবাহের বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে। তিনি দাবি করেন, সমকামী বিবাহের বিষয়ে ইউরোপীয় ঐক্যমত্য রয়েছে কথাটা ঠিক নয়। তাঁর কথায়,”৪৬টি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ৬টিতেই সমলিঙ্গ বিয়েকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: ময়নায় নিহত বিজেপি কর্মীর দেহের ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    আদালতের অভিমত

    আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, কমিটি গঠনের থেকেও অনেক বেশি কিছু করতে হবে। আইনের বদল দরকার। জবাবে সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্যতম সদস্য বিচারপতি হিমা কোহলি বলেন, “একবারে এক এক পা করেই এগোনো উচিত। শুনানি চলাকালীন কেন্দ্র এই কথা জানিয়েছে।” প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “সলিসিটর জেনারেল মেনে নিয়েছেন, দুটি মানুষের একসঙ্গে বসবাস করার অধিকার আছে এবং এই সামাজিক বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, পিএফ, বিমা ইত্যাদির সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। কাজেই, এটা আপনার জন্য এক ধাপ অগ্রগতি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Covid-19: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ! ছয় রাজ্যকে চিঠি দিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

    Covid-19: ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ! ছয় রাজ্যকে চিঠি দিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাড়ছে করোনা (Covid 19) সংক্রমণ! দেশের ছয় রাজ্যে চিঠি পাঠিয়ে সতর্কতা জারি করল কেন্দ্র। এই ছ’টি রাজ্যে করোনার সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই সঠিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে কেন্দ্রের তরফে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। ছয় রাজ্য হল মহারাষ্ট্র, গুজরাট, তেলেঙ্গনা, তামিলনাড়ু, কেরালা এবং কর্নাটক। 

    প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ

    সাড়ে চার মাস পর আবার দেশে  একদিনে করোনা রোগীর সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতা জারি করল কেন্দ্র। করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে, এরকম ৬টি রাজ্যকে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ (Rajesh Bhushan)। মূলত সংক্রমণ ঠেকাতে বিশেষ পদক্ষেপ করা এবং করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য় হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে।  এর আগে গত বছরের ১২ নভেম্বর দেশে করোনা রোগীর সংখ্যা উঠেছিল ৭৩৪। 

    আরও পড়ুন: মোদি জমানায় ভারতীয়দের মাথা পিছু আয় বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে, বলছে রিপোর্ট

    চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘‘এমন কিছু রাজ্য রয়েছে যেখানে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য এবং ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রয়োজনীয় পন্থা অবলম্বন করতে হবে। ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এখনও পর্যন্ত যা লাভ হয়েছে তা নজরে রেখেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’’চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ‘‘রাজ্যগুলিকে অবশ্যই কঠোর নজরদারি চালাতে হবে এবং যে কোনও ভাবে ভাইরাসের বিস্তারকে রোধ করতে হবে। প্রয়োজনে অনেক আগে থেকে পদক্ষেপ করতে হবে।’’উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে করোনা সংক্রমণের হার ০.০১ শতাংশ এবং করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার হার ৯৮.৮০ শতাংশ। এখনও পর্যন্ত ৪,৪১,৫৭,২৯৭ জন মানুষ করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mid Day Meal: এতদিনে চেতনা! মিড ডে মিল পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় দল আসার আগে সক্রিয় রাজ্য

    Mid Day Meal: এতদিনে চেতনা! মিড ডে মিল পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় দল আসার আগে সক্রিয় রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিড ডে মিল নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল। তার আগে পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নেমেছে রাজ্য সরকার। রাজ্যের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা। রবিবার সেই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে স্কুল শিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যেই প্রত্যেক জেলায় পৃথক ভাবে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সোমবার থেকে ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত এই প্রতিনিধিদল জেলা স্তরের বিভিন্ন মিড মে মিল কেন্দ্রে নজরদারি করতে যাবে।

    রাজ্যের দল

    নবান্ন সূত্রের খবর, আগামী ২০ জানুয়ারি, রাজ্যে এসে পৌঁছবেন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। মূলত, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রক কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রতিনিধিদের নিয়ে যে জয়েন্ট রিভিউ মিশন তৈরি করেছে, তার পরিদর্শন প্রক্রিয়া আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। এই দলের সদস্যেরাই বিভিন্ন জেলায় জেলায় গিয়ে মিড ডে মিল সংক্রান্ত পরিদর্শন সারবেন। তার ঠিক এক দিন আগেই শেষ হবে রাজ্যের প্রতিনিধিদের নজরদারি। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের সফর সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যের শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের ডেপুটি সেক্রেটারি দীপা আনন্দ। ওই চিঠিতে কেন্দ্র জানিয়েছে, ২০ তারিখ থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে। মোট ২৬টি বিষয়ে আলোকপাত করবেন তাঁরা। এই নজরদারিতে মিড ডে মিলের মান খতিয়ে দেখা হবে। যেখানে মিড ডে মিল তৈরি হয়, সেই হেঁশেলেও নজরদারি করা হবে।

    কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল যা যা দেখবে

    সম্প্রতি মিড ডে মিল পরিষেবা নিয়ে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে কেন্দ্রে নালিশ চিঠি ঠুকেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর চিঠির জেরেই যে, মিড ডে মিল পরিষেবা খতিয়ে দেখতে রাজ্যে প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে কেন্দ্র, তা-ও একপ্রকার নিশ্চিত।  প্রথমত, মিড ডে মিলের জন্য স্কুলগুলিকে যে অর্থ বরাদ্দ করছে রাজ্য, তা কতটা কাজে লাগানো হচ্ছে, গোটা প্রকল্পটি পরিচালনা করার জন্য রাজ্য, জেলা এবং ব্লক স্তরে কী ধরনের পরিকাঠামো আছে এ সবই খতিয়ে দেখবে এই দল। কী ভাবে খাদ্যদ্রব্য রাজ্যের কাছ থেকে স্কুলগুলিতে অর্থ বরাদ্দ পৌঁছয়, তার পদ্ধতি কী, তা-ও দেখা হবে এই প্রক্রিয়ায়। কীভাবে এই প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে কোনও বাধা ছাড়াই কার্যকর করা হয়, পরিদর্শনকারী দলের নজরে থাকবে সেটাও।

    আরও পড়ুন: গঙ্গা আরতি করতে হিন্দুদের কেন অনুমতি নিতে হবে? প্রশ্ন সুকান্ত মজুমদারের

    সম্প্রতি বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত বুধবার মালদহের চাঁচলের বিদ্যানন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিলের মজুত করা চালে মরা টিকটিকি এবং ইঁদুর দেখতে পান অভিভাবকেরা। অভিযোগ খতিয়ে দেখে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক, সাব-ইন্সপেক্টর অফ স্কুলস্ (স্কুল পরিদর্শক)কে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা দফতর। তাই মিড ডে মিল রান্নার ঘর বা স্টোরগুলি কীভাবে তৈরি হয়, তা পরিচ্ছন্ন রাখা হয় কি না, সেসব ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখবে এই পরিদর্শনকারী দল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Awas Yojana: রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল! প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    Awas Yojana: রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক দল! প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার দুর্নীতি খতিয়ে দেখাই লক্ষ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের দুই প্রতিনিধিদল। প্রাথমিক পর্যায়ে পূর্ব মেদিনীপুর এবং মালদায় যাবে তারা। দুই জেলায় গিয়ে নিয়ম মেনে বাড়ি দেওয়া হয়েছে কিনা তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় দল। বুধবার কেন্দ্রের তরফে চিঠি দিয়ে নবান্নকে একথা জানানো হয়েছে। নবান্নে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, ৩ জন করে ২টি দল চলতি সপ্তাহেই রাজ্যে পৌঁছবে। দলে থাকবেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের পদস্থ কর্তারা। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুর ও অপর দলটি মালদায় প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখবে। চিঠিতে জানানো হয়েছে, গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসাবে নির্বাচিতদের সঙ্গে কথা বলবেন তাঁরা। তাঁরা প্রকৃতই আবাস যোজনার ঘর পাওয়ার যোগ্য কি না তাও খতিয়ে দেখবেন। এমনকী এর আগে প্রকল্পের অধীনে নির্মিত বাড়িগুলির অবস্থাও পরীক্ষা করবে এই দল। নির্মান সামগ্রীর মানে কোনও আপস হয়েছে কি না খতিয়ে দেখবে তা-ও। নবান্নর তরফে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    শুভেন্দুর ট্যুইট

    কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ট্যুইটারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু লিখেছেন, গরিব মানুষদের যাঁরা বঞ্চিত করেছেন, তাঁদের জেলে পাঠানো দরকার।

    নবান্নকে চিঠি কেন্দ্রের

    পর্যবেক্ষক দলের আসার বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজ্যকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। আন্ডার সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং এই চিঠি পাঠিয়েছেন। নবান্নে পাঠানো চিঠি থেকে জানা যাচ্ছে, দুটি দল আসবে বাংলায়। একটি দল পূর্ব মেদিনীপুরে যাবে এবং দ্বিতীয় দল মালদা জেলায় মূলত আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখবে। পুরো পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকে তাঁরা রিপোর্ট জমা দেবেন। 

    আরও পড়ুুন: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    তিনজন করে সদস্য প্রতি দলে

    চিঠি থেকে জানা গিয়েছে, প্রতিটি দলে তিন জন করে সদস্য থাকবেন। একটি দলের দায়িত্বে থাকবেন গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের ডিরেক্টর শৈলেশ কুমার। সিনিরয়র স্ট্যাটিস্টিক্যাল অফিসার সুভাষ দ্বিবেদী এবং আন্ডার-সেক্রেটারি অনিলকুমার সিং নিজেও থাকবেন। এই টিম পূর্ব মেদিনীপুরের বিভিন্ন অংশে যাবে। অন্যদিকে,মালদার টিমের নেতৃত্বে থাকবেন মন্ত্রকের ডেপুটি সেক্রেটারি শক্তিকান্ত সিং। এছাড়াও থাকবেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার চাহাত সিং এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেকশন অফিসার গৌরব আহুজা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Medical Waste: রাজ্যে সঠিকভাবে নষ্ট করা হয় না মেডিক্যাল বর্জ্য, অভিযোগ স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে

    Medical Waste: রাজ্যে সঠিকভাবে নষ্ট করা হয় না মেডিক্যাল বর্জ্য, অভিযোগ স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিকা দেওয়ার পরে ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ কিংবা ফাঁকা ওষুধের প্যাকেট ঠিক মত নষ্ট করা হয় না। আর তার জেরেই সংক্রামক রোগের বাড়বাড়ন্ত। এমনি অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে। 

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফ থেকে রাজ্যকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। যেখানে টিকাকরণের পরে মেডিক্যাল বর্জ্য ঠিকমত নষ্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে ব্রুসেলা ভাইরাসের টিকাকরণের সময়ে মেডিক্যাল বর্জ্য নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে নষ্ট না করার জন্য রোগ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। প্রাণীবাহিত এই রোগ পশুপালক ছাড়াও, সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়াচ্ছে। মেডিক্যাল বর্জ্য নির্দিষ্ট নিয়মে নষ্ট না করার জেরেই এই বিপদ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ধরণের সংক্রামক রোগের টিকা দেওয়ার পরে যদি নির্দিষ্ট নিয়মে বর্জ্য নষ্ট করা না হয়, তাহলে তা খুব সহজেই সুস্থ মানুষের দেহে রোগ ছড়াতে পারে। তাই এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর্মীদের বাড়তি সতর্কতা নেওয়া অবশ্যই জরুরি। 

    দিন কয়েক আগে রাজ্যে এক ব্রুসেলা আক্রান্তের মৃত্যু আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বাসিন্দা বছর পঞ্চাশের শরদিন্দু ঘোষ ব্রুসেলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলেই পরিবারের অভিযোগ। জ্বর, ডায়রিয়ার মত উপসর্গ নিয়ে শরদিন্দু ঘোষ কলকাতা স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিনে ভর্তি ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, মৌখিকভাবে ব্রুসেলা আক্রান্ত জানানো হলেও ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে শুধু মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওর লেখা হয়েছে। যদিও স্বাস্থ্য দফতর এ নিয়ে কোনও কথা বলতে নারাজ।

    আরও পড়ুন: বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর নেজাল ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, জানালেন কোভিড টাস্ক ফোর্স প্রধান

    করোনা আবহে এই ধরণের গাফিলতি বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তারা জানাচ্ছেন, করোনা টিকাকরণের সাফল্য শুধু কতজনকে টিকা দেওয়া হল, তার উপরেই নির্ভর করে না। যদি টিকা দিতে গিয়ে কোনও রকম গাফিলতির জেরে রোগ ছড়ায় তাহলে আরও বিপদ বাড়বে। তাই স্বাস্থ্য দফতরের এদিকে নজর দেওয়া দরকার। তবে, শুধু করোনা নয়, যে কোনও টিকাকরণের পরেই এই ধরণের সতর্কতার সঙ্গে মেডিক্যাল বর্জ্য নষ্ট করতে হবে। 

    পাশাপাশি চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, করোনার মত ব্রুসেলা ভাইরাসের উপসর্গ। তাই ব্রুসেলা রোগ ছড়ানো আটকানো জরুরি। জ্বর, কাশি, গায়ে ব্যথা, ডায়রিয়ার মত একধরণের উপসর্গ দুটি রোগেই দেখা যায়। তাই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়তে পারে। স্বাস্থ্য দফতরের অসতর্কতার জেরেই মানুষের এই হয়রানি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

  • Supreme Court: ইসলাম, খ্রিস্টানে ধর্মান্তরিত দলিতদের তফসিলি আওতাভুক্ত করা যাবে না, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    Supreme Court: ইসলাম, খ্রিস্টানে ধর্মান্তরিত দলিতদের তফসিলি আওতাভুক্ত করা যাবে না, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলাম এবং খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া দলিতদের তফসিলি জাতির মর্যাদা দেওয়া হবে না। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) হলফনামা জমা দিয়ে একথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। মুসলিম এবং খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া ব্যক্তিদের সংরক্ষণের আওতায় আনার জন্য জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামালার শুনানির দিন কেন্দ্র এমন কথা জানিয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি চলতি নভেম্বর মাসের শেষের দিকে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল তাঁদের তফসিলি জাতির মর্যাদা দেওয়া হবে কিনা সে বিষয়েই স্পষ্ট জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। সুপ্রিম কোর্টে একটি হলফনামা পেশ করে এই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বলে, ‘খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামে কোনও অস্পৃশ্যতা নেই’। তার ফলেই তাদের সংরক্ষণের আওতায় ধরা হবে না।

    দলিত খ্রিস্টানদের জাতীয় পরিষদ এবং অন্যান্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে স্পষ্ট জানাতে বলেছিল। আর তারই পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল হলফনামা পেশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    আরও পড়ুন: তিন বছর আগে এদিনই রাম মন্দির নির্মাণের রায় দেয় শীর্ষ আদালত! জেনে নিন দ্বন্দ্বের শুরু থেকে শেষ

    সুপ্রিম কোর্টে কী জানাল কেন্দ্র

    কেন্দ্রীয় সরকার শীর্ষ আদালতকে (Supreme Court) হলফনামা পেশ করে জানিয়েছে, ১৯৫০ সালের সাংবিধানিক আদেশ অনুসারে তফসিলি জাতিদের জন্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হয়েছিল। আর ইসলাম বা খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের তফসিলি জাতিভুক্তরা কখনও অন্যায়ের শিকার হননি। অন্যায়ের শিকার যাতে না হন, তার জন্যই তাঁরা ইসলাম বা খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হয়েছেন বলে মনে করছে কেন্দ্র। এছাড়াও অস্পৃশ্যতার মত নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা খ্রিস্টান বা ইসলামি সমাজে প্রচলিত ছিল না বলেই এই দুই ধর্মকে সংরক্ষণের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র।

    উল্লেখ্য, ১৯৫০ সালের সাংবিধানিক আদেশ অনুসারে, শুধুমাত্র হিন্দু, শিখ বা বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের তফসিলি জাতিদের জন্য চাকরি এবং শিক্ষায় সংরক্ষণ নিশ্চিত করা হয়েছে। কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, সমস্ত ধর্মান্তরিত ব্যক্তিদের তাঁদের সামাজিক দিক না দেখেই যদি সবাইকে সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়া হয়, তবে এটি আইনের বিরুদ্ধে হবে ও আইনের অপব্যবহারও করা হবে। এতে তফসিলি উপজাতির অধিকারও কমে যাবে বলে কেন্দ্রের পক্ষে জানানো হয় (Supreme Court) ।

    সরকারের তরফে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামাজিক-রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণে ১৯৫৬ সালে বি আর আম্বেদকর স্বেচ্ছায় বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। এই ক্ষেত্রেও সংরক্ষণের আওতায় আনার অধিকার রয়েছে। তবে খ্রিস্টান এবং মুসলিমদের ক্ষেত্রে একই কথা বলা যায় না, কারণ এরা অন্য কারণেও তাঁদের ধর্ম পরিবর্তন করতে পারেন।

  • GST: সেপ্টেম্বরে জিএসটি বৃদ্ধি ২৬%, মাসিক সংগ্রহ ১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা

    GST: সেপ্টেম্বরে জিএসটি বৃদ্ধি ২৬%, মাসিক সংগ্রহ ১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেপ্টেম্বরে জিএসটি (GST) থেকে সরকারের আয় ১,৪৭,৬৮৬ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের (Ministry of Finance) তরফে এমনটাই জানানো হল। গত বছর সেপ্টেম্বরের তুলনায় এ বছর সংগৃহীত জিএসটি-র পরিমাণ ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, লাগাতার ছয় মাস জিএসটি থেকে মাসিক আয় ১.৪০ লক্ষ কোটি টাকার বেশি আয় হচ্ছে। মন্ত্রকের মতে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মোট সংগৃহীত জিএসটির মধ্যে কেন্দ্রীয় জিএসটি (CGST) ছিল ২৫,২৭১ কোটি টাকা ৷ রাজ্য জিএসটি (SGST) ৩১,৮১৩ কোটি টাকা এবং ইন্টিগ্রেটেড জিএসটি (IGST) ৮০,৪৬৪ কোটি টাকা (এর মধ্যে আমদানি পণ্য থেকে এসেছে ৮৫৬ কোটি টাকা) এবং সেজ ১০,১৩৭ কোটি টাকা (এর মধ্যে আমদানি পণ্য থেকে এসেছে ৪১,২১৫ কোটি টাকা)। অগাস্টে মোট জিএসটি (gst) রাজস্ব সংগ্রহ হয়েছে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৬১২ কোটি টাকা। জুলাই মাসে জিএসটির কারণে ভারতের রাজকোষে মোট ১.৪৯ লক্ষ কোটি টাকা এসেছে।    

    আরও পড়ুন: ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি, বাড়ল প্রত্যক্ষ কর সংগ্রহের পরিমাণ  

    সম্প্রতি, জিএসটি কাউন্সিল নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যের ওপরেই জিএসটি ধার্য করেছে। যা আগে করমুক্ত ছিল। এতে যে আখেরে দেশের অর্থনীতিতে সুফলই এসেছে, তার প্রতিফলন দেশের কোষাগারে স্পষ্ট। 

    এখন হোটেল রুমে ১০০০ টাকার কম হলেও এখন থেকে জিএসটি দিতে হয়। এছাড়াও, হাসপাতালের ঘরের ভাড়া ৫০০০ টাকার বেশি হলেও ৫% জিএসটি ধার্য করা হয়। প্যাকেটজাত খাবারের ওপরও ৫ শতাংশ জিএসটি আরোপ করা হয়েছে। অর্গানিক ফুডের ওপরেও ধার্য করা হয়েছে জিএসটি। আগে এই বিষয়গুলি করমুক্ত ছিল।   

    আরও পড়ুন: নয়া নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনও ভাড়াটের জিএসটির রেজিস্ট্রেশন থাকে, তবে তাঁকে ভাড়ার উপর জিএসটি দিতে হবে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • Free Ration: উৎসবের মরশুমে সুখবর, আরও তিনমাস বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের 

    Free Ration: উৎসবের মরশুমে সুখবর, আরও তিনমাস বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আগেই সুখবর দিল মোদি সরকার। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বিনামূল্যে রেশন (Anouncement of Free ration) দেওয়ার সময়সীমা আরও ৩ মাস বাড়াতে চলেছে কেন্দ্র সরকার (Central Government)। এই সিদ্ধান্তে সবুজ সংকেত দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। ২০২০ সালে করোনা অতিমারীর সময় এই বিনামূল্যে রেশন দেওয়া শুরু করেছিল ভারত সরকার। এই প্রকল্পে প্রান্তিক ও গরিব দেশবাসীকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক ব্যক্তি মাস প্রতি ৫ কেজি করে খাদ্য শস্য পান। 

    আরও পড়ুন: দুয়ারে রেশন প্রকল্প অবৈধ, সাফ জানাল হাইকোর্ট 

    আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর বিনামূল্যে রেশন প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা থাকলেও দেশজুড়ে আসন্ন উৎসবের কথা মাথায় রেখে এই প্রকল্পের মেয়াদ আরও ৩ মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার (PMGKAY) আওতায় প্রতি মাসে দেশের ৮০ কোটি মানুষ বিনামূল্যে রেশন পান। ২০১৩ সালের জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতায় ওই ৮০ কোটি উপভোক্তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্ধারিত কোটার আওতায় তাঁদের প্রাপ্য রেশন তাঁরা পেয়ে থাকেন। তারপরেও বিনামূল্যে অতিরিক্ত পাঁচ কেজি খাদ্যশস্য পান ওই উপভোক্তারা। 

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আরও ৩ মাস এই বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার ফলে সরকারের ওপর অতিরিক্ত ৪৫ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ হবে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, খরচ কমাতে অর্থমন্ত্রকের তরফে সরকারকে রেশনে দেওয়া খাদ্যশস্যের পরিমাণ কমানোর সুপারিশ করা হয়েছিল, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার বর্তমান পদ্ধতিতেই আরও ৩ মাস রেশন প্রকল্প চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক। অর্থমন্ত্রক জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে অন্যান্য সামগ্রীর ওপর ইতিমধ্যে অতিরিক্ত ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, এর পর রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত আর্থিক চাপ  অনেকটাই। অর্থমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, বিগত ২ বছরে এই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের মোট ২ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে।  

    করোনাভাইরাস অতিমারীর সময় প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার প্রকল্পটি চালু করা হয়। প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য (২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২০ সালের জুন) সেই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপর থেকে একাধিকবার প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। দ্বিতীয় দফা (২০২০ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর), তৃতীয় দফা (২০২১ সালের মে এবং জুন), চতুর্থ দফা (২০২১ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর), পঞ্চম দফা (২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের মার্চ) এবং ষষ্ঠ দফায় (২০২২ সালের মে থেকে সেপ্টেম্বর) খাদ্যশস্য দেওয়া হয়েছে। এবার সপ্তম দফায় আরও তিন মাস, ডিসেম্বর অবধি বিনামূল্যে খাদ্যশস্য দেওয়া হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share