Tag: central govt

central govt

  • Income Tax: আয়করে ছাড় বাড়তে চলেছে! নতুন বছরের বাজেট নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র?

    Income Tax: আয়করে ছাড় বাড়তে চলেছে! নতুন বছরের বাজেট নিয়ে কী ভাবছে কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে আমজনতাকে স্বস্তি দিতে আয়ের ওপর (Income Tax) করছাড় দেওয়ার কথা ভাবছে মোদি সরকার। সূত্রের খবর, মধ্যবিত্তের সুবিধায় বার্ষিক ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করেন এমন ব্যক্তিদের আয়ের ওপর করছাড় বাড়ানো নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক আলোচনা শুরু করেছে। আসন্ন বাজেটে আয়করে ছাড় দিয়ে সাধারণ রোজগেরে মানুষের হাতে খরচযোগ্য টাকার সংস্থান বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বাজেটে কর কমানোর কথা ঘোষণা করতে পারেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

    উপকৃত হবেন ১ কোটি করদাতা

    ২০২০ সালের, অর্থাৎ, নতুন কর (Income Tax) ব্যবস্থায় বাড়ি ভাড়া, বিমা বা কোনও বিনিয়োগের ওপর করছাড়ের সুবিধা পাওয়া যায় না। এই ব্যবস্থায় বার্ষিক ৩ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ হিসাবে কর ধার্য করা হয়। তার বেশি আয়ের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ হিসাবে কর নেওয়া হয়ে থাকে। কেন্দ্র আয়করে ছাড় দেওয়ার কথা বিবেচনা করলেও কতটা ছাড় দেওয়া হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি। ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট পেশ করার আগেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক সূত্রে খবর। আয়করের ওপর ছাড় দেওয়া হলে কেন্দ্রের কত রাজস্ব ক্ষতি হতে পারে সে বিষয়ে না জানালেও এক কর্তার দাবি করের হার কমানো হলে আরও বেশি সংখ্যক ব্যক্তি নতুন, অপেক্ষাকৃত সরল কর ব্যবস্থা বাছবেন। ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারিতে বাজেট পেশের সময় এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হলে প্রায় ১ কোটি করদাতা উপকৃত হবেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ডিএমকে পরাস্ত না হওয়া পর্যন্ত জুতো পরব না’’, সংকল্প তামিলনাড়ুর বিজেপি প্রধান আন্নামালাইয়ের

    নতুন করব্যবস্থায় ছাড়ের সম্ভাবনা

    ভারতীয় করদাতাদের (Income Tax) সামনে দুই কর ব্যবস্থার মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একটিতে বাড়ি ভাড়া এবং বিমার উপর কর ছাড় পাওয়া যায়। আর ২০২০ সালে আনা নতুন ব্যবস্থা, যেখানে করের হার সামান্য কম হলেও বিভিন্ন উপকরণে বিনিয়োগের ওপর কোনও ছাড় পাওয়া যায় না। সরকারি সূত্রের দাবি, কর কমলে বহু করদাতা নতুন ব্যবস্থায় শামিল হবেন। তবে এতে রাজকোষের কতটা ক্ষতি হবে তার ইঙ্গিত মেলেনি। একাংশের অবশ্য বার্তা, সরকার সর্বাধিক কর পায় বার্ষিক কমপক্ষে ১ কোটি টাকা রোজগেরেদের থেকে। তাঁরা ৩০% হারে কর দেন। কেন্দ্র আয়করে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় উপকৃত হবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cashless Treatment: পথ দুর্ঘটনায় আহতরা পাবেন ‘ক্যাশলেস’ চিকিৎসা! আসছে কেন্দ্রের বিশেষ স্কিম

    Cashless Treatment: পথ দুর্ঘটনায় আহতরা পাবেন ‘ক্যাশলেস’ চিকিৎসা! আসছে কেন্দ্রের বিশেষ স্কিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য এবার নয়া প্রকল্প আনতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য় ক্যাশলেস চিকিৎসা (Cashless Treatment) ব্যবস্থা আনার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর, আপাতত পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে সেটা আনা হবে এই নতুন প্রকল্প। প্রথম পর্যায়ে চণ্ডীগড় ও অসমে এই ব্যবস্থা কার্যকর করা হবে। এক্ষেত্রে কোথায় সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে সেটা বড় কথা নয়। এই ধরনের দুর্ঘটনা হলেই ক্যাশলেস চিকিৎসা প্রয়োগ করা হবে। 

    কী বললেন গড়কড়ি

    শুক্রবার লোকসভায় একটা লিখিত প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় সড়ক, পরিবহণ এবং হাইওয়ে মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানিয়েছেন, এই স্কিমের (Cashless Treatment) আওতায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্যাকেজের ব্যবস্থা থাকবে। আয়ুস্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রী জনআরোগ্য যোজনার আওতায় প্যানেলভুক্ত হাসপাতালে ট্রমা ও পলিট্রমা কেয়ারের বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা করা হবে। দুর্ঘটনার পর সর্বোচ্চ সাতদিন পর্যন্ত এই সহায়তা করা হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর তুঘলকি কাণ্ডে ৫০০ কোটির ক্ষতি টলিপাড়ার! তাও চুপ রাজ্য

    কীভাবে প্রকল্পের প্রয়োগ

    প্রতি বছর বহু মানুষের মৃত্য়ু হয় পথ দুর্ঘটনার কারণে। পথ দুর্ঘটনায় বেশিরভাগ মৃত্যু ঘটে চিকিৎসায় দেরি হওয়ার কারণে। এই বিষয়টির কথা মাথা রেখেই এবার সরকার শীঘ্রই পথ দুর্ঘটনায় ক্ষেত্রে ক্যাশলেস চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে চলেছে। অদূর ভবিষ্যতে পথ দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা ক্যাশলেস (Cashless Treatment) হতে চলেছে গোটা দেশে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nitin Gadkari) আরও জানিয়েছেন, এই প্রকল্প প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় পুলিশ, প্যানেলভুক্ত হাসপাতাল, রাজ্যের স্বাস্থ্য বিষয়ক এজেন্সি, ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার, জেনারেল ইনস্যুরেন্স কাউন্সিল— সকলে মিলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Niti Aayog: নীতি আয়োগের পুনর্গঠন, এনডিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হল

    Niti Aayog: নীতি আয়োগের পুনর্গঠন, এনডিএ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র সরকারের (Central Govt) তরফের নীতি আয়োগের (Niti Aayog) পুনর্গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন সুমন বেরি। লোকসভা নির্বাচন ২০২৪ শেষ হওয়ার দেড় মাসের মধ্যে নয়া সরকার মন্ত্রীপরিষদের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীকে নীতি আয়োগে অন্তর্ভুক্ত করেছে। অন্যদিকে সদস্যদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে নীতি আয়োগের। নয়া কমিটিতে যদিও এই নীতি আয়োগের পূর্ণ সদস্যে কোনও রদবদল হয়নি।

    নীতি আয়োগে জন ১৫ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য এবং গ্রামীণ বিকাশ মন্ত্রী শিবরাজ সিং (Niti Aayog) বিশেষ আমন্ত্রিত নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নীতি আয়োগের সদস্য হিসেবে শামিল হয়েছেন। কমিটির পূর্ণকালীন সদস্য হয়েছেন ভিকে সারস্বত, প্রফেসর রমেশ চন্দ্র, ডক্টর বিকে পাল এবং অরবিন্দর বিরমানি।

    আরও পড়ুন: এবার খোলা হবে পুরী জগন্নাথ মন্দিরের ‘ভিতর রত্নভান্ডার’, ঘোষিত হল দিনক্ষণ

    মন্ত্রী নিতিন গড়করি, এইচডি কুমারস্বামী, জিতেন রাম মাজি, রাজীব রঞ্জন সিং, ডক্টর বীরেন্দ্র কুমার, রামমোহন নায়ডু, জুয়েল ওরাম, অন্নপূর্ণা দেবী, চিরাগ পাসওয়ান, রাও ইন্দ্রজিৎকে (Central Govt) নীতি আয়োগে বিশেষ আমন্ত্রিত সদস্য করা হয়েছে।

    ২০১৫ সালে নীতি আয়োগের আত্মপ্রকাশ

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীতি আয়োগের নতুন কমিটিকে সিলমোহর দিয়েছেন। নীতি আয়োগে এবার এনডিএ সদস্যদের প্রচুর সংখ্যায় যুক্ত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত পরিকল্পনা কমিশনের নাম বদল করে ২০১৫ সালে নীতি আয়োগ (Niti Aayog) রাখা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • KGF: ধূলোয় উড়ত সোনা! কোলারে ফের সোনার খনি চালুর চিন্তা কেন্দ্রের

    KGF: ধূলোয় উড়ত সোনা! কোলারে ফের সোনার খনি চালুর চিন্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোনার ‘খনির শ্রমিক হয়েও কানাকড়ি নাই’! একদা সোনার আঁতুরঘর কর্নাটকের কোলার গোল্ড ফিল্ড (KGF) এখন শূন্য-মরুপ্রায়। যেখানে একদা সোনালি আভা চিকচিক করত সেখানে এখন শুধুই অন্ধকার। সোনার খনির লক্ষাধিক শ্রমিকের ঘরে এখন ‘নুন আন্তে পান্তা ফুরোয়’। কাজ নেই, খাবার নেই, জল নেই, জীবনধারণের নূন্যতম পরিষেবা পেতে তাঁদের যেতে হয় ১০০ কিলোমিটার দূরে বেঙ্গালুরুতে। ২০০১ সালে বন্ধ হয়েছিল সোনার খনি। কেটে গিয়েছে দু দশকের বেশি সময়। প্রতিদিন অবহেলাই সঙ্গী হয়েছে কোলারের। ক্ষমতায় এসেই কোলার নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছিল কেন্দ্রের মোদি সরকার। অবশেষে তা বাস্তব রূপ পেতে চলেছে। কোলারে ফের সোনার খনি চালু করার কেন্দ্রের প্রস্তাবে সায় দিয়েছে কর্নাটক (Karnataka) সরকার।

    কোলারে সোনার খনি নিয়ে প্রস্তাব

    সুপারস্টার যশের কেজিএফ (KGF) সিরিজের দুটি ছবি কর্নাটকের কোলারে অবস্থিত সোনার খনির উপর ভিত্তি করে তৈরি। সেখানকার অতীত ও বর্তমানের কিছু অংশ ফুটে উঠেছিল সিনেমায়। বাস্তবের সেই ‘সোনার শহর’-কে ভুলতেই বসেছিল মানুষ। এবার তার পুনরুত্থানের স্বপ্ন দেখছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। কোলারে সোনার খনি আবার নতুন করে চালু করার ভাবনাচিন্তা করছে কেন্দ্র। গত সপ্তাহে কেজিএফ-এর খনি নতুন করে খোলার কেন্দ্রীয় প্রস্তাবে সায় মিলেছে কর্নাটক সরকারের তরফে। পাশাপাশি কেজিএফ-এর হাজার একর জুড়ে থাকা ১৩টি খনি বর্জ্যের পাহাড় নিলামে তোলার প্রস্তাবেও সায় দিয়েছে ওই রাজ্যের সরকার। অনুমান করা হয়, কোলারে (KGF) এর ১৩টি বর্জ্য পাহাড়ে প্রায় ৩.৩০ কোটি টন নিষ্কাশিত বর্জ্য পড়ে রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, প্রতি এক হাজার বর্জ্যের পক্রিয়াকরণ করলে এক গ্রাম করে সোনা মিলবে।

    কোলার ঘিরে নতুন আশা

    কেজিএফের (KGF) খনিগুলি ‘ভারত গোল্ড মাইনস লিমিটেড’ (বিজিএমএল) সংস্থার মালিকানাধীন। বিজিএমএল একটি সরকারি সংস্থা, যা ১৯৭২ সালে কেজিএফে তৈরি করা হয়েছিল। তবে কেজিএফ খনির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই গুরুত্ব হারায় এই সংস্থা।সোনার অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ২০১৫ সালে কেন্দ্রের তরফে বিজিএমএল-সহ পুরনো খনিগুলি আবার চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সেই মতোই কেন্দ্রের তরফে কেজিএফ চালু করতে কর্নাটক সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠায় কেন্দ্র। কর্নাটকের (Karnataka) আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এইচকে পাতিল জানিয়েছেন, কেজিএফ খনি নতুন করে চালু হলে বিপুল সংখ্যক মানুষ চাকরির সুযোগ পাবেন। 

    আরও পড়ুন: বালিকা বধূ রূপা এখন ডাক্তার! মাত্র ৮ বছরে বিয়ে, দুই সন্তানের মা অবশেষে স্বপ্নপূরণ

    কীভাবে বন্ধ হল কোলার

    ১৮৭৫ সালে কোলারে সোনার খনি (KGF) গড়ে তোলে ব্রিটিশরা। ১৯৩০ সালে প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক কোলার গোল্ড ফিল্ডে কাজ করতেন। ১৯৫৬ সালে স্বাধীনতার পর কেন্দ্রীয় সরকার এটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একই সময়ে বেশির ভাগ খনির মালিকানা তুলে দেওয়া হয় রাজ্য সরকারের হাতে। কিন্তু ব্রিটিশরা বিপুল পরিমাণ সোনা দ্রুত তুলে নেওয়ায় ধীরে ধীরে কোলারে সোনার পরিমাণ কমতে থাকে। এককালে যেখানে এক টন আকরিক থেকে অন্তত ৪৫ গ্রাম সোনা পাওয়া যেত, সেখানে প্রতি টনে তিন গ্রাম করে সোনা মেলে। পরিকল্পনার অভাবে বিপুল পরিমাণ লোকসানের পর কর্নাটকের (Karnataka) কোলার গোল্ড ফিল্ড ২০০১ সালে বন্ধ হয়ে যায়। তরপর থেকে ভারতের উপর সোনার আমদানির বোঝাও বেড়ে যায়। এবার সেই খনির হৃত গৌরব ফেরানোর চেষ্টায় কেন্দ্র সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vicious Dogs Breeding: হিংস্র ২৩ প্রজাতির কুকুর পোষা নিষিদ্ধ! কেন্দ্রের নোটিস গেল সমস্ত রাজ্যে

    Vicious Dogs Breeding: হিংস্র ২৩ প্রজাতির কুকুর পোষা নিষিদ্ধ! কেন্দ্রের নোটিস গেল সমস্ত রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩টি ‘ভয়ঙ্কর’ প্রজাতির কুকুরের প্রজনন (Vicious Dogs Breeding) এবং বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কেন্দ্র। নাগরিক সংগঠন, পশু প্রেমী সংগঠনগুলির সঙ্গে কথা বলে সরকার জানিয়েছে, হিংস্র জাতের কুকুর বিক্রি, প্রজনন ও আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারগুলিকে এই মর্মে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বেশ কয়েকটি হিংস্র প্রজাতি যেমন- পিটবুল, রটওয়েলার, টেরিয়ার, ম্যাস্টিফ এবং তাঁদের ক্রস প্রজাতিগুলির উপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

    কেন এই নির্দেশ

    দিল্লি হাইকোর্টে এই বিষয়ে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল। সেই মামলার প্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছিল আদালত। কোন কোন প্রজাতির কুকুর ‘ভয়ঙ্কর’ এবং সেগুলি নিষিদ্ধ করা উচিত তা চিহ্নিত করার জন্য আদালতের নির্দেশে একটি প্যানেল গঠন করে কেন্দ্র। সেই প্যানেল জানায় ২৩টি প্রজাতির কুকুর ভয়ঙ্কর। এই কুকুরের প্রজাতিগুলি যে কেবল বিপজ্জনক তাই-ই নয়, এঁদের আক্রমণে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। পিটবুল নিয়ে বার বারই নানা অভিযোগ ওঠে। পিটবুলের হানায় আহত হয়েছেন এমন নানা ঘটনা রয়েছে। 

    কী বলেছে কেন্দ্র

    কেন্দ্রীয় মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন নাগরিক মঞ্চ, নাগরিকগণ এবং পশুকল্যাণ সংস্থাগুলির থেকে তাদের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে যে, বেশ কিছু প্রজাতির পোষ্য কুকুরের (Pet Dogs) প্রজনন এবং বিক্রি বন্ধ করা প্রয়োজন। পশুপালন মন্ত্রকের তরফে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই মর্মে চিঠিও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে যেন এ জাতীয় কুকুর পোষার লাইসেন্স, বিক্রির অনুমতি এবং জন্মরোধে (Vicious Dogs Breeding) ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। যাঁদের কাছে এই প্রজাতির কুকুর পোষ্য হিসাবে রয়েছে, সেই সব কুকুরের নির্বীজকরণের ব্যবস্থাও করাতে হবে।

    আরও পড়ুন: গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটল মেট্রো, নীল আলো জানান দিল ট্রেন নদীর তলায়

    কোন কোন প্রজাতি ‘ভয়ঙ্কর’ 

    বিভিন্ন প্রজাতির কুকুরকে ‘ভয়ঙ্কর’ (Vicious Dogs Breeding) বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্র যে তালিকা দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে— পিটবুল টেরিয়ার, আমেরিকান বুলডগ, রটওয়েলার, তোসা ইনু, আমেরিকান স্ট্র্যাফোর্ডশায়ার টেরিয়ার, ফিলা ব্রাসিলেইরো, ডোগো আর্জেন্টিনো, বোয়ারবোয়েল কাঙ্গাল, সেন্ট্রাল এশিয়ান শেপার্ড, ককেশিয়ান শেপার্ড। এ ছাড়াও রয়েছে, সাউথ রাশিয়ান শেপার্ড, টর্নিয়াক, সারপ্ল্যানিনাচ, জাপানিজ তোসা, আকিতা, ম্যাস্টিফ, রোজেশিয়ান রিজব্যাক, উল্ফ ডগ, ক্যানারিয়ো, আকব্যাশ ডগ, মস্কো গার্ড ডগ, কেন করসো এবং ব্যানডগ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Baal Aadhaar: শিশুর জন্যও আধার পরিচিতি! জানুন কীভাবে তৈরি করবেন ‘বাল আধার’?

    Baal Aadhaar: শিশুর জন্যও আধার পরিচিতি! জানুন কীভাবে তৈরি করবেন ‘বাল আধার’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নাগরিকদের পরিচয়পত্র এখন আধার কার্ড (Baal Aadhaar), কারণ আধার কার্ডে নাগরিকের পুরো নাম, স্থায়ী ঠিকানা, জন্মতারিখ সহ ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর থাকে। তবে শুধু প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যই নয়, শিশুদেরও আধার কার্ড হয়। এটি বাল আধার নামে পরিচিত। ভারতে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য এই আধার কার্ড তৈরি করা হয়।

    বাল আধার কার্ড কী

    আধারের নিয়ামক সংস্থা ইউআইডিএআই (UIDAI)-র ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বাল আধার (Baal Aadhaar) হল শিশুদের আধার কার্ড। নীল রঙের এই নথি শিশুদের পরিচয়পত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয়। পাঁচ বছর অবধি এই নথি আধার কার্ড হিসাবে ব্যবহার করা হয়। পরে সন্তানের পাঁচ বছর হলে, বায়োমেট্রিক তথ্য আপডেট করা হয়। আধার আইন ২০১৬-র ৩(১) ধারা অনুযায়ী, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের আধার নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক। শিশুরাও এর ব্য়তিক্রম নয়। যেহেতু পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের বায়োমেট্রিক সংগ্রহ করা সম্ভব নয়, তাই বাল আধার তৈরি করা হয়। 

    কীভাবে করবেন বাল আধার

    সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আধার কেন্দ্রে যেতে হবে। সঙ্গে নিতে হবে আধার কার্ড, ঠিকানার প্রমাণ এবং সন্তানের বার্থ সার্টিফিকেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি। এরপর আধার (Baal Aadhaar) কেন্দ্র থেকে একটি ফর্ম দেবে, সেই ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হবে। অভিভাবকের আধার নম্বরের বিশদ বিবরণ দিতে হবে, কারণ আধার নম্বরটি সন্তানের ইউআইডি-এর সঙ্গে লিঙ্ক করা হবে। এরপর অভিভাবকের ফোন নম্বর দিতে হবে যার আওতায় সন্তানের নীল আধার কার্ড জারি করা হবে। আগেই বলা হয়েছে, এই আধারে কোনও বায়োমেট্রিকের প্রয়োজন নেই, শুধুমাত্র আধার কেন্দ্রের আধিকারিকরা একটি ছবি তুলবেন। এরপর ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের পর অভিভাবকের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি মেসেজ আসবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে নীল আধার কার্ড জারি করা হবে। বিশেষ বিষয় হল, এর জন্য কোনও চার্জ নেওয়া হবে না।

    আরও পড়ুন: গর্ভদান আইনে পরিবর্তন আনল কেন্দ্র, কী বলা হয়েছে নতুন নিয়মে?

    বাড়িতে বসে বাল আধার

    প্রথমেই ইউআইডিএআই-র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://uidai.gov.in/ -এ ক্লিক করতে হবে। এরপর মাই আধার (Baal Aadhaar) সেকশনে যান। সেখানে বুক অ্যান অ্যাপয়নমেন্ট সেকশনে ক্লিক করুন। এবার চাইল্ড আধার অপশনে ক্লিক করুন। নিউ আধার অপশনে ক্লিক করে নিজের মোবাইল নম্বর ও ক্যাপচা বসান। ‘রিলেশনশিপ উইথ হেড অব ফ্যামিলি’ অপশনে গিয়ে চাইল্ড (০-৫ বছর) -এটি সিলেক্ট করুন। এবার শিশুর নাম, জন্মতারিখ ও ঠিকানা আপলোড করুন। শিশুর জন্ম সার্টিফিকেট ও নিজের আধার কার্ড আপলোড করুন। এবার অ্যাপয়ন্টমেন্ট বুক করুন। এরপরে নির্দিষ্ট তারিখে অভিভাবককে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে আধার কেন্দ্রে যেতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Farmers Protest: আপাতত স্থগিত কৃষকদের ‘দিল্লি চলো’ অভিযান, ৫ বছরের জন্য গ্যারান্টি কেন্দ্রের 

    Farmers Protest: আপাতত স্থগিত কৃষকদের ‘দিল্লি চলো’ অভিযান, ৫ বছরের জন্য গ্যারান্টি কেন্দ্রের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত ‘দিল্লি চলো’ অভিযান স্থগিত রাখল কৃষকরা (Farmers Protest)। রবিবার চতুর্থ দফায় কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এমএসপি নিয়ে কেন্দ্র একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে। সেই প্রস্তাবনা পড়া ও তা নিয়ে নিজেদের মধ্য়ে আলোচনা করার জন্য কিছু সময় চেয়েছে কৃষকরা (MSP Government’s New Plan)। কৃষকদের দাবি পূরণ না হলে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের অভিযান শুরু হবে। তবে কেন্দ্রের দাবি, নয়া পরিকল্পনায় কৃষকদের সবদিক ভাল করে দেখা হয়েছে, যা দেশের উন্নতিতে সাহায্য করবে।

    কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক

    ২০২০ সালের পর আবার ২০২৪, চার বছর পর ফের আন্দোলনে নেমেছেন কৃষকেরা (Farmers Protest)। পাঞ্জাব-হরিয়ানা সীমান্তে ট্র্যাক্টর নিয়ে বসে রয়েছেন হাজার হাজার কৃষক। রবিবার আন্দোলনকারী কৃষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গয়াল, কৃষি প্রতিমন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। কৃষকদের পক্ষে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। রবিবার রাত ৮টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হয় বৈঠক, চলে রাত ১টা অবধি। কৃষকদের তরফে প্রতিনিধি সারওয়াল সিং পান্ধের জানিয়েছে, আগামী ১৯ ও ২০ তারিখ কৃষকদের ফোরামে কেন্দ্রের এমএসপি নিয়ে প্রস্তাবনার আলোচনা করা হবে। সকলের সম্মতিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: উঠল রফতানি নিষেধাজ্ঞা, রমজানের আগেই বাংলাদেশ যাচ্ছে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ

    কেন্দ্রের নয়া পরিকল্পনা

    বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল জানান,  কেন্দ্রের তরফে পাঁচ বছরের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দিয়ে ডাল, ভুট্টা ও তুলা ফসল কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”মুগ, মসুর ও উরদ ডাল উৎপাদনকারী কৃষকদের সঙ্গে ন্যাশনল কোঅপারেটিভ কনজিউমার ফেডারেশন, ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কোঅপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার মতো সরকারি সংস্থাগুলি চুক্তি করবে। পাঁচ বছরের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কৃষকদের (Farmers Protest) কাছ থেকে এই ফসল কেনা হবে।” ফসল কেনার কোনও ঊর্ধ্বসীমা ধার্য করা হয়নি। সমগ্র ফসল কেনা-বেচার জন্য আলাদা একটি পোর্টাল তৈরি করা হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এছাড়াও ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণ বাড়ানো এবং চাষের জমি যাতে উর্বর থাকে, তার উদ্যোগও নেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: নিয়োগে নয়া রেকর্ড! আজ ৭০ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: নিয়োগে নয়া রেকর্ড! আজ ৭০ হাজারের বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে সপ্তম রোজগার মেলা অনুষ্ঠিত হল সারা দেশে। সারা দেশে যে দশ লক্ষ ছেলে মেয়েকে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হবে তার মধ্যে এদিন প্রায় ৭১ হাজারের বেশি প্রার্থীকে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয় দেশ জুড়ে। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে একইসঙ্গে এদিন রোজগার মেলার আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রত্যেক রাজ্যের চাকরি প্রার্থীদের নতুন চাকরির শুভেচ্ছা জানান। সরকার সর্বাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর একটি সামাজিক মিডিয়া পোস্টে এদিন বলা হয়েছে, “আমাদের সরকার দেশের তরুণ মেধাবীদের সর্বাধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এদিক দিয়ে কর্মসংস্থান মেলা নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় তৈরি করেছে।” 

    প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, “দেশের আর্থিক উন্নয়ন দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। খুব শ্রীঘ্রই আমাদের দেশ বিশ্বের তৃতীয় অর্থনৈতিক স্থানে পৌঁছে যাবে৷ অর্থনৈতিক বিকাশে আমাদের দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যাবস্থার সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে৷ এদিনের রোজগার মেলায় ব্যাঙ্কিং সেক্টর থেকে সবথেকে বেশি নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “একটা সময় ছিল যখন ব্যাঙ্কিং সেক্টর থেকে নামে বেনামে প্রভাবশালীরা মোটা টাকার লোন নিতেন। আবার সেই লোন শোধ করার জন্য আরেকটি লোন নিতেন। এভাবে ব্যাঙ্কিং সেক্টরকে নষ্ট করে দেওয়া হয়। কিন্তু বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই ব্যাঙ্কিং সেক্টরকে নতুন করে পুনর্জীবিত করে এই ধরনের দুর্নীতি বন্ধ করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: আর নয় চিনের রাস্তা, এবার ভারত থেকেই সোজা কৈলাস-মানস সরোবর! রুট চালু শীঘ্রই

    শহরে রোজগার মেলা

    কলকাতায় ন্যাশানাল অ্যাকাডেমি অফ ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড নার্কোটিকস (NACIN) এর উদ্যোগে এই রোজগার মেলার আয়োজন করা হয় উল্টোডাঙায় এন এ সি আই এন এর অফিসে। এখানে ব্যাঙ্কিং ছাড়াও ডাক বিভাগ, শুল্ক বিভাগ সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি বিভাগের ১৮২ জন ছেলে মেয়ের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়। এভাবে চাকরি পেলে দেশে বেকারত্ব কমবে।” এদিন সারা দেশ থেকে নির্বাচিত নতুন নিয়োগকারীরা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, রাজস্ব বিভাগ, আর্থিক পরিষেবা বিভাগ, পদ বিভাগ, স্কুল শিক্ষা বিভাগ, উচ্চশিক্ষা বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, কেন্দ্রীয় সরকারি খাতের উদ্যোগ, জলসম্পদ বিভাগ, কর্মী ও প্রশিক্ষণ বিভাগ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: নাগরিকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপত্তি জানাল কেন্দ্র

    Same Sex Marriage: নাগরিকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপত্তি জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহকে (Same Sex Marriage) স্বীকৃতি দিলে দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বলে মনে করে কেন্দ্র সরকার। সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তি, শহুরে অভিজাত শ্রেণির কিছু মানুষ সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পেতে সমলিঙ্গ বিবাহকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। 

    কেন্দ্রের অভিমত

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রের দাখিল করা হলফনামায় আরও জানানো হয়েছে যে, বিয়ে এমন একটা বিষয় যে তার সঙ্গে গ্রামীণ, আধা গ্রামীন এবং শহরের মানসিকতা ভিন্ন ভিন্ন। দেশে বিয়ে নিয়ে ভিন্ন ধর্মের ভিন্ন আইনও রয়েছে। সেখানে এই ধরনের বিয়ের কোনও স্থান ও স্বীকৃতি নেই। আদালত এই বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিলে প্রচলিত আইনগুলি ধাক্কা খাবে। গোটা বিষয়টি দেশের ক্ষতিসাধন করবে। তাই সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ তাঁরা যেন এই বিষয়টি সংসদের হাতেই ছেড়ে দেয়। আদালত এই নিয়ে যেন কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়। সমলিঙ্গের (Same Sex Marriage) মানুষদের অধিকার, সম্পর্কের স্বীকৃতি, সেই স্বীকৃতির আইনি অধিকার এই সব কিছু দেখা ও তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র দেশের সংসদের। সংবিধানের সপ্তম তপশিলের ৩ নম্বর তালিকার পঞ্চম স্থানে এই বিষয়ে সংসদকে পূর্ণ অধিকার দেওয়া আছে। সুপ্রিম কোর্ট সেই ধারাও লঙ্ঘণ করছে। সমলিঙ্গের বিয়ের বৈধতা বা স্বীকৃতির দাবি কখনওই মৌলিক অধিকার হতে পারে না, বলে মত কেন্দ্রের।

    বিবাহ একটি ‘অসমকামী প্রতিষ্ঠান’

    বিবাহকে চরিত্রগত দিক থেকে একটি ‘অসমকামী প্রতিষ্ঠান’ বলেও উল্লেখ করেছে কেন্দ্র। তাদের যুক্তি ভিন্ন দুই লিঙ্গের মানুষের মধ্যে বিবাহই এ দেশ সামাজিক ভাবে স্বীকৃত। এর অন্যথা কাম্য নয়। সুপ্রিম কোর্টে আসা সমলিঙ্গের বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে একাধিক পিটিশনের নিরিখে বিরোধিতার রাস্তায় হেঁটে নিজের অবস্থান জানিয়েছে জমিয়ত- উলেমা-ই-হিন্দ-ও। একটি ইন্টারভেনশন আর্জিতে এই ধর্মীয় সংগঠন জানিয়েছে, সমলিঙ্গের বিবাহ পরিবারের ব্যবস্থাপনাকে হামলা করে। এটি পশ্চিমী সংস্কৃতির আমদানি বলেও উল্লেখ করে সংগঠন।

    সুপ্রিম কোর্টের অবস্থান

    প্রসঙ্গত, এর আগে, সুপ্রিম কোর্ট, ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়েছে দেশে সমলিঙ্গের সম্পর্ক বৈধ। সেই সূত্র ধরেই এই বিবাহ যাতে মান্যতা পায়, সেই নিরিখেই আর্জি জমা পড়েছে। সমলিঙ্গ বিবাহকে স্বীকৃতি জানানোর দাবিতে শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সব মামলাগুলিকে একত্র করে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে মতামত জানাতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে আগেই নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল কেন্দ্র। সোমবারও তারা জানায়, এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত আইনবিভাগের, বিচারবিভাগের নয়। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার নিজাম প্যালেসে তলব! অভিষেককে নোটিস পাঠাল সিবিআই

    ইতিমধ্যেই এই মামলা শুনতে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই বেঞ্চে রয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এসকে কউল, বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি পিএস নরসীমহা। আগামী কাল, মঙ্গলবার মামলাটি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C V Ananda Bose: আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক! দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

    C V Ananda Bose: আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক! দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শুক্রবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের। বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা অধুনা উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের (Jagdeep Dhankhar) সঙ্গেও সাক্ষাত হতে পারে নয়া রাজ্যপালের। বৃহস্পতিবার বিকেলে হাতেখড়ি অনুষ্ঠান হয় রাজভবনে (rajbhawan)। এরপর রাতে দিল্লি যান রাজ্যপাল (Governor) সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। বিশ্বস্ত সূত্রে খবর,পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুয়ায়ীই রাজ্যপাল দিল্লি গিয়েছেন। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষবর্ধনের এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। 

    শুভেন্দুর সমালোচনা

    বৃহস্পতিবার, রাজভবনের প্রতীকী হাতেখড়ি অনুষ্ঠানের সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও এই অনুষ্ঠানে যাননি তিনি। তাঁর কথায়, “সরকার ভালো করলে রাজ্যপাল অবশ্যই সাথ দেবেন। কিন্তু, রাজ্যের নাটুকে মুখ্যমন্ত্রী (CM) রাজ্যপালকে বিপথে পরিচালিত করছেন। এই জায়গা থেকে রাজ্যপালের সরে আসা উচিত। আমি তাঁকে অনুরোধ করতে পারি। নির্দেশ তো দিতে পারি না। শুনলাম উনি দিল্লি যাচ্ছেন। নিশ্চয় অনেকের সঙ্গে কথা হবে। তাঁরাও হয়তো রাজ্যপালকে বলবেন । শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, রাজ্যপালের সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী জয়বাংলা স্লোগান লিখে দিয়েছেন। তিনি বলেন, রাজ্যপাল অত্যন্ত ভালো মানুষ। তাঁর সরলতার সুযোগ নিচ্ছেন এই মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যপালের কাছে অনুরোধ, অবিলম্বে সচিবালয় পরিষ্কার করুন।”

    বাংলায় হাতেখড়ি রাজ্যপালের

    বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ব্যস্ত ছিলেন রাজ্যপাল। সকালে রেড রোডে প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। এরপরই বিকেলে রাজভবনে ছিল বিশেষ অনুষ্ঠান। প্রজাতন্ত্র দিবসের বিকেলে চা-চক্র থাকে রাজভবনে। এবারও তার অন্যথা হয়নি। তবে এই চা-চক্রকে অন্য মাত্রা দেয় রাজ্যপালের বাংলা ভাষার হাতেখড়ি অনুষ্ঠান। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও শাসকদলের প্রতিনিধিরা ছিলেন। ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, বিজেপির তথাগত রায়, রাজ্যের একাধিক ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিত্বরা। ছিলেন আর্মির আধিকারিকরা। তিন শিশুর হাত ধরে বাংলায় হাতেখড়ি হয় রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের। এদিনের অনুষ্ঠানমঞ্চ থেকে বাংলায় কথাও বলেন রাজ্যপাল বোস।

    আরও পড়ুুন: জীবন কাটছে জেলখানায় বন্দিদের মতো! চিনের শিনজিয়াং প্রদেশে উইঘুর মুসলিমদের কী অবস্থা জানেন?

    রাজভবনের অনুষ্ঠানে এদিন আমন্ত্রিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তাঁকেও রাজভবনে দেখা যায়নি। তিনি জানিয়েছেন, বালুরঘাটে সরস্বতী পুজোয় মেয়ের হাতেখড়িতে ছিলেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও এই অনুষ্ঠানের কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘হাতেখড়ি তো বাচ্চাদের হয়। ঠাকুরের সামনে পুরোহিত হাতেখড়ি দেন। এখন হঠাৎ কার, কেন, কার সামনে হাতেখড়ি হচ্ছে, আমি বলতে পারব না। আর প্রথমেই ভুল মাস্টার ধরলে ভুলই শিখতে থাকবেন!’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share