Tag: Central Team

Central Team

  • PM Awas Yojana: আবাস যোজনার রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় দল, কোথায় যাবে জানেন?

    PM Awas Yojana: আবাস যোজনার রিপোর্ট খতিয়ে দেখতে রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় দল, কোথায় যাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) উপভোক্তাদের নাম নথিভুক্ত নিয়ে কেন্দ্রীয় দলের (central team) সুপারিশ কতটা কার্যকর হয়েছে সে ব্যাপারে ৬ মার্চ অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট পেশ করেছিল রাজ্য সরকার। সেই রিপোর্ট কতটা সঠিক, তা খতিয়ে দেখতে রাজ্যে ফের আসছে কেন্দ্রীয় দল। ওই দলের সদস্যরা ঘুরে দেখবেন রাজ্যের দশ জেলা। এবার তাঁদের গাইড করবেন রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের আধিকারিকরা। দশ জেলার জন্য একজন করে অতিরিক্ত সচিব এবং যুগ্ম সচিব পদ মর্যাদার আধিকারিক দায়িত্বে থাকবেন।

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (PM Awas Yojana)…

    জেলাশাসকের সঙ্গে পরিদর্শনকালে কেন্দ্রীয় দলের সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন তাঁরাই। সম্প্রতি পঞ্চায়েত দফতর জেলাগুলিকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) উপভোক্তাদের নাম নির্বাচন নিয়ে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আগেও রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় দল। জেলাশাসক বা জেলা প্রশাসনের কর্তারাই তাঁদের সঙ্গে ছিলেন। ওই দলের সদস্যরা কিছু সুপারিশ করেছেন রাজ্যের কাছে। তা কার্যকরের পর তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছিল। সেই মতো ৬ মার্চ অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট পাঠায় রাজ্য।

    আরও পড়ুুন: ‘মানিকের জুতোয় পা গলাবেন না’, পর্ষদ সভাপতিকে বললেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    জানা গিয়েছে, এই দফায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ঘুরে দেখবেন মুর্শিদাবাদ, দুই মেদিনীপুর, আলিপুরদুয়ার, মালদহ, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলা। পক্ষকালের মধ্যে তাঁদের রিপোর্ট দিতে হবে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকে। রাজ্যের পঞ্চায়েত সচিবকে লেখা চিঠিতে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক জানিয়েছে, উপভোক্তা তালিকা নিয়ে অভিযোগের (PM Awas Yojana) ভিত্তিতে ন্যাশনাল লেভেল মনিটারিং দল কয়েকটি ক্ষেত্রে ত্রুটি নিয়ে রাজ্যকে কিছু সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছিল। যার ভিত্তিতে গত ৬ মার্চ রাজ্য পঞ্চায়েত দফতর অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট পাঠায়। এই রিপোর্ট কতটা সঠিক, তা দেখতেই কেন্দ্রীয় দলের এই সফর। জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শেষ থেকেই এই কেন্দ্রীয় দলের আধিকারিকরা যাবেন ওই দশ জেলায়।

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চলতি আর্থিক বছরে ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৮৮টি বাড়ি তৈরির জন্য ৮২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। রাজ্যের দাবি, উপভোক্তা তালিকা নিয়ে নানা অভিযোগের অছিলায় বারংবার কেন্দ্রীয় দল পাঠিয়ে বরাদ্দ টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • MGNREGA: দুর্নীতির তদন্ত করতে ফের রাজ্যে আসছে  কেন্দ্রীয় দল, কোথায় যাবে জানেন?

    MGNREGA: দুর্নীতির তদন্ত করতে ফের রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল, কোথায় যাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি দুর্নীতি (Scam)  নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। যা নিয়ে শাসক দলের নাস্তানাবুদ অবস্থা। এরইমধ্যে পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে। ১০০ দিনের প্রকল্পে বড় রকম আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দপ্তরে অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগের তদন্ত করতেই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল শুক্রবারই রাজ্যে আসছে।  সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। নতুন কে প্রার্থী হবে তা নিয়ে শাসক দলের মধ্যে এখন জল্পনা চলছে। এরইমধ্যে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকে ১০০ দিনের প্রকল্পের বিষয়টি সামনে আসতেই শাসক দলের পঞ্চায়েত স্তরের জনপ্রতিনিধিরা রীতিমতো বিড়ম্বনায় পড়বেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। কারণ, এই ব্লকের সব পঞ্চায়েতই তৃণমূলের দখলে রয়েছে। তাই, ১০০ দিনের প্রকল্পে দুর্নীতি হলে শাসক দলের উপর দায় চাপবে। তবে, ১০০ দিনের প্রকল্পের দুর্নীতির (Scam) অভিযোগে রাজ্যের একাধিক জেলার বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে রয়েছে। কাজ না করেই মাস্টার রোলে নাম তুলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বহু পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। এর আগেও কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল রাজ্যের একাধিক জেলায় পরিদর্শনে গিয়েছেন। প্রকৃত পক্ষে এই প্রকল্পে এলাকার মানুষ আদৌ সুবিধা পেয়েছেন কি না তা তাঁরা খতিয়ে দেখেছেন। তবে, এই দুর্নীতি নিয়ে যারা অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় টিম তদন্ত করতে আসায় তারাও খুশি।

    কেন্দ্রীয় টিমে কারা রয়েছেন? Scam

     প্রতিনিধি দলে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের অধিকর্তা মিনাক্ষী হুদা এবং তাঁর সঙ্গে দপ্তরের আরও একজন আধিকারিক রয়েছেন। শুক্রবার তাঁরা সকালেই কলকাতা পৌঁছবেন। সেখান থেকে তাঁরা মুর্শিদাবাদের উদ্দেশে রওনা দেবেন। ২২ মার্চ পর্যন্ত তাঁরা ১০০ দিনের প্রকল্পের দুর্নীতির তদন্ত করতে মুর্শিদাবাদ জেলায় থাকবেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। বেলডাঙা-২ ব্লক এই প্রকল্পের দুর্নীতির (Scam)  তালিকায় রয়েছে। জেলা শাসকের মাধ্যমে বিডিওকে এই তদন্তের কাজে সবরকমভাবে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। ফলে, এই ব্লকের যে সব পঞ্চায়েতে এই প্রকল্পে দুর্নীতি (Scam)  হয়েছে, সেই সব জায়গায় তাঁরা পরিদর্শনে যেতে পারেন। প্রয়োজনে তাঁরা এলাকার মানুষের সঙ্গে কথাও বলতে পারেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mid Day Meal: কোথাও আরশোলা, তো কোথাও ঝুল! মিড ডে মিল অব্যবস্থায় ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় দল

    Mid Day Meal: কোথাও আরশোলা, তো কোথাও ঝুল! মিড ডে মিল অব্যবস্থায় ক্ষুব্ধ কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপের পর এবার মিড ডে মিলের (Mid Day Meal) খাবারে পাওয়া গেল আরশোলা! মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার এক অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের মিড ডে মিলের খিচুড়িতে পাওয়া গেল আরশোলা! এই মুহূর্তে যখন মিড ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, ঠিক সেই সময় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।  

    ঘটনাটি ঘটেছে চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের কুঁয়াপুর পঞ্চায়েতের ধামকুড়িয়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। ওই স্কুলের এক পড়ুয়ার বাবা সুমনবাবুর অভিযোগ, তাঁর ছেলের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে কৌটোয় করে মিড ডে মিলের খিচুড়ি বাড়িতে নিয়ে যান। বাড়িতে গিয়ে কৌটো খুলতেই দেখ যায় খিচুড়ির মধ্যে আস্ত একটা আরশোলা (Mid Day Meal) পড়ে আছে! ওই অভিভাবক সঙ্গে সঙ্গে আরশোলা সমেত খিচুড়ি তিনি সঙ্গে সঙ্গে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে দেখান। সুমন রায়ের দাবি, তাঁর অভিযোগ পেয়ে ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সহায়িকা ও রাঁধুনি অন্যান্য শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিড ডে মিলের খিচুড়ি খেতে নিষেধ করেন। এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়ায় ধামকুড়িয়া এলাকায়।

    এদিকে পরিদর্শনে গিয়ে স্কুলগুলির রান্নাঘরের (Mid Day Meal) পরিস্থিতি দেখে হতাশ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। প্রতিনিধি দলের আসার কথা শুনে কর্মীরা অ্যাপ্রন, গ্লাভস পরে থাকলেও রান্নাঘরের বেহাল দশা। কারও হাতে আবার উলের গ্লাভল দেখে খুলে ফেলতে বললেন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের সদস্য। আজ, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের স্কুলে নজরদারির সময় এরকমই নানা ছবি উঠে এল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার, রাজবল্লভপুর রঙ্গিলাবাঁধ রামলার মেমোরিয়াল হাইস্কুলে গিয়ে দেখা গেল চালের প্যাকেটে ঝুল রয়েছে।

    এর আগে, উস্তির শেরপুর রামচন্ত্রপুর হাইসকুলে যান কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি (Mid Day Meal) দলের সদস্যরা। এখানেও, হাতে উলের গ্লাভস পরে, রান্না করতে দেখা যায় মিড ডে মিলের কর্মীদের। যদিও তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা সারা বছর একরম ভাবেই কাজ করে। এই গ্লাভসই দেওয়া হয় তাঁদের। মিড ডে মিলের নোডাল টিচারের কথায়, ব্লক থেকে আমাদের এগুলোই দেওয়া হয়েছে, তাই আমরা এগুলোই দিই। যেন রাতারাতি ভোল বদলে গিয়েছে রাজ্যের স্কুলগুলির।

    রাতারাতি ভোলবদল 

    এর আগে, সোমবার রাজারহাট এলাকার স্কুলে পরিদর্শন করতে গেলে কেন্দ্রীয় দল দেখতে পায়, যাঁরা রান্না করছেন, তাঁদের পরনে মাস্ক, টুপি, গ্লাভস, এমনকি অ্যাপ্রনও। স্কুলের রান্নাঘরও ঝাঁ-ঝকঝকে। কিন্তু মঙ্গলবারই সেই রান্নাঘরগুলির চেহারায় বিস্তর বদল এল। সেখানে পড়ুয়াদের জন্য খাবার তৈরির রান্নাঘরের মলিনতা চোখে পড়ল। অ্যাপ্রন, গ্লাভস, টুপি বা মাস্কের নামগন্ধ নেই কর্মীদের। সোমবার রান্নাঘর ও রন্ধনকর্মীদের অত্যুজ্জ্বল সাজসজ্জা যতটা আকস্মিক ও অস্বাভাবিক ঠেকেছিল, মহানগরীর অদূরের স্কুলে এ দিন যে-মলিনতা স্পষ্ট হল, তা-ও একই ভাবে অবাক করেছে।

    আরও পড়ুন: আইসিইটি- র আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন জ্যক সুলিভান এবং অজিত ডোভাল

    সোমবার আগাম জানান দিয়ে পরিদর্শনে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় দল (Mid Day Meal) । মঙ্গলবার সাড়ে ১২টায় রাজারহাটেরই থাকদাঁড়ি অবৈতনিক প্রাথমিক স্কুলের রান্নাঘরে পৌঁছে দেখা গেল, রান্নায় ব্যস্ত দুই কর্মীর অ্যাপ্রন, টুপি, গ্লাভসের বালাই নেই। কেন নেই, প্রশ্ন করায় কর্মীরা জানালেন, সবই রাখা আছে। ভাত হয়ে গেলে, ডিমের ঝোল রান্নার আগে অ্যাপ্রন আর গ্লাভস পরে নেবেন। তাহলে কী কেন্দ্রকে বোকা বানাতে চাইছে রাজ্য সরকার? আর তাতেই রাতারাতি স্কুলগুলির রান্নাঘরের ভোল বদল? এখন সেই প্রশ্নই মুখে মুখে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Mid Day Meal: ৮১ জন পড়ুয়ার জন্যে ৭ কিলো চাল! স্কুল পরিদর্শনে এসে অবাক কেন্দ্রীয় দল

    Mid Day Meal: ৮১ জন পড়ুয়ার জন্যে ৭ কিলো চাল! স্কুল পরিদর্শনে এসে অবাক কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৮১ জন পড়ুয়ার জন্যে মাত্র ৭ কিলো চাল। রাজারহাটের বনমালিপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (Mid Day Meal) পরিদর্শনে এসে হতবাক কেন্দ্রীয় দল। সোমবার বেলা ১২টার দিকে স্কুলে এসে পৌঁছন কেন্দ্রের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। স্কুলে পৌঁছেই কথা বলেন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে। এরপর ক্লাসরুমে পড়ুয়াদের সঙ্গেও কথা বলেন। এরপরেই সোজা রান্নাঘরে ঢুকে যান কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা। ঘুরে দেখেন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি। রান্নায় ব্যবহৃত সরঞ্জাম খতিয়ে দেখেন তাঁরা। 

    কী জানতে চায় কেন্দ্রীয় দল? 

    রান্নার পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা (Mid Day Meal) সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্নও করেন তাঁরা। কর্মীদের জিজ্ঞেস করেন, কবে তৈরি হয়েছে রান্নাঘর? কতজন কর্মী রান্না করেন? কী কী রান্না হয়? কী তেল ব্যবহার হয় রান্নার জন্য? রান্নার জল কোথা থেকে আনা হয়? আদৌ গ্লাভস পড়া হয় কী না, ইত্যাদি ইত্যাদি। চাল- মশলাও হাতে নিয়ে দেখেন তাঁরা।

    রাজ্যে মিড ডে মিল পরিস্থিতি খতিয়ে (Mid Day Meal) দেখতে এসে কেন্দ্রীয় পরিদর্শক দল সোমবার উত্তর ২৪ পরগনায় যায়। জেলার বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখার কথা তাঁদের। তার আগে দলটি বিকাশ ভবনে একটি বৈঠক করে। ৯ জনের দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন উত্তরাখণ্ডের জিবি পন্থ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টিবিজ্ঞানের অধ্যাপিকা অনুরাধা দত্ত।

    জেলায় পরিদর্শনে বেরোনোর (Mid Day Meal) আগে অনুরাধা দত্ত জানান, এটি রুটিন পরিদর্শন। দেশের প্রতিটি রাজ্যেই মিড ডে মিল পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে কেন্দ্রীয় দল। তিনি আরও জানান, মিড ডে মিলের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের যে ৩২টি সূচক আছে, সেগুলির ভিত্তিতেই সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হয়। 

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা প্রশ্ন (Mid Day Meal) করেন, “৮১ জন বাচ্চার জন্য মাত্র ৭ কেজি চাল কেন?” উত্তরে রাঁধুনি বলেন, “বাচ্চারা ১০০ গ্রাম ভাতও খেতে পারে না। নষ্ট করে। তাই অল্প করে রান্না করা হয়।” তুলনায় আলুর পরিমাণ বেশি থাকা নিয়ে রাঁধুনি জানান, পড়ুয়ারা আলু খেতে ভালবাসে।

    আরও পড়ুন: উদ্ধার কুন্তল-শান্তনুর ফোনের ডিলিট করা চ্যাট, জেরা করতে ফের ইডির তলব যুব তৃণমূল নেতাকে

    কেন্দ্রীয় দল আসার আগেই রাজ্য (Mid Day Meal) প্রশাসনের তরফে মিড ডে মিল রান্নায় নিযুক্ত ব্যক্তিদের নতুন অ্যাপ্রন, গ্লাভস দেওয়া হয়। এ বিষয়ে পরিদর্শক দলের প্রশ্ন, “সব দিন কি এগুলো পরে থাকেন?” কর্মীরা উত্তরে বলেন, “গ্লাভস পরলেও বাকিগুলো সব সময় পরা হয় না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     

     

     

  • Mid Day Meal: মিড ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় দল, আজ থেকেই শুরু পরিদর্শন

    Mid Day Meal: মিড ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এল কেন্দ্রীয় দল, আজ থেকেই শুরু পরিদর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার পর এবারে রাজ্যের স্কুল গুলিতে মিড-ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কলকাতায় এসে পৌঁছল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছন কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের ১১ জন সদস্য। কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকারের তরফে নির্বাচিত মোট ১১ জন আধিকারিক এবং সঙ্গে একজন ইউনিসেফের সদস্যকে নিয়ে যৌথভাবে মিড ডে মিলের পরিস্থিতি পরিদর্শন করা হবে। এই প্রতিনিধি দল পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে খতিয়ে দেখবে পরিস্থিতি। আজ সোমবার থেকেই রাজ্যের ৪ জেলায় মিড ডে মিল প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন তাঁরা।

    রাজ্যে ফের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

    অনেক দিন ধরেই রাজ্যে মিড ডে মিল নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রের অভিযোগ, রাজ্য সরকার এই প্রকল্পের বরাদ্দ টাকা ঠিক ভাবে ব্যবহার করছে না। এই প্রকল্পের টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার এক ট্যুইটে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, মিড ডে মিলের টাকায় বগটুইয়ে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিয়েছে রাজ্য সরকার। আবার বিগত কয়েকদিন ধরে রাজ্যের স্কুল গুলিতে মিড ডে মিলের গুণমান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলের অনেকেই। ফলে এবারে মিড ডে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে গতকাল রাজ্যে পৌঁছল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।

    আরও পড়ুন: বিজেপি ক্ষমতায় এলেই সিএএ লাগু! মালদার সভায় বিস্ফোরক সুকান্ত

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের ১১ জন সদস্য। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পুষ্টিবিদ অনুরাধা দত্ত। রয়েছেন ইউনিসেফের এক প্রতিনিধি। সঙ্গে থাকবেন রাজ্যের এক প্রতিনিধিও। ওই দলের সদস্যেরা কলকাতা বিমাবন্দর থেকে চলে যান নিউ টাউনের একটি হোটেলে। এক সপ্তাহ ধরে তাঁরা রাজ্যের চারটি জেলার বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে মিড-ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। আজ ওই পর্যবেক্ষকেরা যাচ্ছেন উত্তর ২৪ পরগনার কয়েকটি স্কুলে। পরের কয়েক দিন হাওড়া, উত্তরবঙ্গ এবং সব শেষে কলকাতার কয়েকটি স্কুলে তাঁদের ঘোরার কথা আছে।

    কোন কোন দিক খতিয়ে দেখবেন তাঁরা?

    এই প্রকল্পে কেন্দ্রের দেওয়া টাকা ঠিকমত খরচ করা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে দেখবেন তাঁরা। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকেরা খতিয়ে দেখবেন, নিত্যদিন যে খাবার স্কুলপড়ুয়াদের দেওয়া হচ্ছে, তা কতটা পুষ্টিকর। আর সেই জন্যই এক পুষ্টিবিশারদকে রাখা হয়েছে ওই দলের নেতৃত্বে। মিড ডে মিলের সঠিক চার্ট আছে কি না, মিড ডে মিলের জন্য প্রতিমাসে স্কুলের যে অর্থ বরাদ্দ করা হয় তার রেজিস্টার খাতা ঠিকঠাক আছে কি না, স্কুলের মিড ডে মিলের লোগো ঠিকঠাক আছে কি না, চাল, ডাল যেখানে রাখা হয় সেই জায়গা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন আছে কি না, খাবারের মান কেমন, ইত্যাদি বিষয় বারংবার খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। আবার কেন পড়ুয়াদের একটি অংশ খাবার খায় না, তা-ও দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share