Tag: ceo

ceo

  • SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআর (SIR in Bengal)-এর খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরে তাতে কোনও ভুল বা আপত্তি থাকলে তা সংশোধন করার আবেদনের মেয়াদ ছিল ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই সময়সীমা আরও আরও ৪ দিন বাড়াল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তথ্য সংশোধনের আবেদন জানানো যাবে আগামী ১৯ জানুয়ারি, সোমবার পর্যন্ত। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে গোয়া, লাক্ষাদ্বীপ, রাজস্থান ও পুদুচেরিকে।

    কোন কোন দলের কত তরফে আবেদন

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, তালিকা সংশোধনের জন্য বিভিন্ন দলের তরফে এখনও পর্যন্ত কমিশনের কাছে মাত্র আটটি অভিযোগ জমা পড়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে তৃণমূলের তরফে। তালিকায় তিন জন ভোটারের নাম তোলার আবেদন জানিয়ে তৃণমূল ৩টি অভিযোগ জানিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, খসড়া তালিকা থেকে ওই সব ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সিপিএম দু’টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও বিজেপি একটি করে এবং বহুজন সমাজ পার্টির তরফে ১টি অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেক দলই তালিকায় নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছে। নাম বাদ দেওয়ার আবেদন কোনও দলের তরফেই জানানো হয়নি।

    পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সময়সীমা বৃদ্ধি

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর বিশেষ নিবিড় সংশোধনের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ওই তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। তবে ওই তালিকা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নয়। সেখানে ভুল থাকতে পারে। আপত্তি বা অভিযোগের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা আরও চার দিন বাড়ানো হল। সমস্ত অভিযোগ দেখে সেগুলি যাচাই ও সংশোধন করার পরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-কে চিঠি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে সময়সীমা বৃদ্ধির কথা।

  • Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার, অথচ পাসপোর্ট বাংলাদেশের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (Bengal SIR) চলছে। তাতেই উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। রাজ্যের সিইওর দফতর সূত্রে খবর, অন্তত ১৪ জন ব্যক্তি একই সঙ্গে ভারতীয় ভোটার পরিচয়পত্র (Indian Epic Cards) এবং বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করছে। অনুমান, ওই ১৪ জনই আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। এই তথ্যের ভিত্তিতেই রাজ্যের সিইও দফতর কলকাতার ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের কাছে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে।

    বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট (Bengal SIR)

    সম্প্রতি এফআরআরও, কলকাতা সিইও দফতরকে লিখিতভাবে জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের প্রত্যেকের কাছেই বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট রয়েছে। তারা সকলেই বৈধ ভিসায় পশ্চিমবঙ্গে এসেছিল। কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর আর বাংলাদেশে ফিরে যায়নি।পরবর্তীকালে তারা বেআইনিভাবে বিভিন্ন ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে, যার মধ্যে অন্যতম হল ভোটার পরিচয়পত্র। সিইও দফতরের এক সূত্রের খবর, এই ১৪ জনের নাম ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিতব্য চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার পাশাপাশি, আইন অনুযায়ী এই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, এই ১৪ জনকে রাজ্যের তিনটি জেলায় চিহ্নিত করা হয়েছে। এই জেলাগুলি হল উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া এবং পূর্ব মেদিনীপুর। এর মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলা বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া। যার জেরে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর নির্বাচনী ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নজরদারি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে (Bengal SIR)।

    জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কারবার

    গত এক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গজুড়ে ভুয়ো পাসপোর্ট ও জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরির একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, এই চক্রের মূল লক্ষ্য ছিল অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতীয় নাগরিকত্বের নকল নথি তৈরি করে দেওয়া (Indian Epic Cards)। তদন্তে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এই চক্রটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছিল এবং অত্যন্ত পরিকল্পিত চার ধাপের মাধ্যমে ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করা হচ্ছিল (Bengal SIR)। প্রথম ধাপে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে ঢোকার পর অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া বিভিন্ন গ্রামে। স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে তাদের গোপনে রাখা হত।

    কীভাবে চলত কারবার?

    দ্বিতীয় ধাপে স্থানীয় প্রশাসনের একাংশের সঙ্গে যোগসাজশে এই অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র এবং রেশন কার্ড বানানো হত। তৃতীয় ধাপে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ও রেশন কার্ডের ভিত্তিতে তৈরি করা হত আধার কার্ড ও প্যান কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় পরিচয়পত্র (Bengal SIR)। চতুর্থ তথা শেষ ধাপে এই সব নকল নথির ভিত্তিতে শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভুয়ো ভারতীয় পাসপোর্ট জোগাড় করে দেওয়া হত, যার মাধ্যমে তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অবাধে যাতায়াত করতে পারত বা বিদেশেও যাওয়ার চেষ্টা করত (Indian Epic Cards)। তদন্তকারী আধিকারিকদের মতে, এই ধরনের চক্র দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী রাজ্য হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের চক্র সক্রিয় থাকাটা উদ্বেগজনক বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Bengal SIR)। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন দালাল ও নথি জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং আগামী দিনে আরও বড়সড় নাম সামনে আসতে পারে বলে ইডি ও রাজ্য পুলিশ সূত্রে খবর (Indian Epic Cards)।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে এখনও ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিং-এ মেলেনি! কী হবে এদের, কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে এখনও ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিং-এ মেলেনি! কী হবে এদের, কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। এখন হিসেব-নিকেশের পালা। ফর্ম বিলি করার পর সংগ্রহ করার কাজও প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৬ কোটি ভোটারের ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ হওয়ার পথে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১৪ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। আর এবার সামনে এল আরও একটি হিসেব। কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ লক্ষ ভোটারের ম্যাপিং হয়নি। চলতি এসআইআর প্রক্রিয়ায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত রাজ্যে ৬ কোটির বেশি এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশন হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে সেগুলি ম্যাপিংয়ের আওতায় আনা হয়। তাতে দেখা যায় আপাতত রাজ্যের ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম শেষ এসআইআরের সঙ্গে ম্যাপিং করানো যাচ্ছে না।

    ম্যাপিং কী, কীভাবে হয়

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) নিয়ম হল, ২০০২-এর সমীক্ষার লিস্টের সঙ্গে নাম মেলাতে হবে। যদি কোনও ভোটার ২০০২-এর পরে ভোটার হয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে ওই সমীক্ষার লিস্টে থাকা বাবা-মা বা দাদু-দিদার নাম মেলাতে হবে। এটাই হল ম্যাপিং। সেই ম্যাপিং-এ ২৬ লক্ষ নাম মেলেনি বলেই জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ ৫ শতাংশের নাম মেলেনি। এ বছর প্রকাশিত সর্বশেষ ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০০২ সালে শেষ এসআইআর-তালিকা ইতিমধ্যেই মিলিয়ে দেখা হয়েছে। দুই তালিকায় কত জনের নাম অভিন্ন, দেখা হয় তা। সঙ্গে দেখা হয়, এখনকার ভোটার তালিকায় থাকা কোনও ভোটারের মা-বাবার নাম গত এসআইআরের তালিকায় রয়েছে কি না। এই মিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টরা চিহ্নিত হয়ে যান এমনিতেই। এবার ম্যাপিংয়ে অন্য রাজ্যকেও জুড়ে দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ২০০২ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজ্য ধরে ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে দেশে এসআইআর হয়েছিল। তখনকার তালিকায় কোনও ভোটার বা তাঁর পরিবারের নাম থাকলেও, পরে তাঁরা বাংলায় চলে আসেন। ফলে সেই সব ভোটারকেও ম্যাপিংয়ে আনা প্রয়োজন। কারণ, তাঁরাও দেশের নাগরিক। তাই বাংলার সঙ্গে অন্য রাজ্যের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা হয়েছে। সেখানেই এই ২৬ লক্ষের নাম উঠে এসেছে। তবে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। এখনও অনেক ডিজিটাইজেশনের কাজ বাকি। তাই সংখ্যাটা যে বাড়বে তা স্বাভাবিক।

    শুনানিতে ডাকা হবে ভোটারকে

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, নাম মিলছে না মানেই চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাবে এমনটা নয়। ২০০২-এর সঙ্গে ম্যাপিং না হলে শুনানিতে ডাকা হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে। তাঁকে প্রমাণপত্র বা যোগ্য ভোটার হওয়ার জন্য নথিপত্র জমা করতে হবে। তাতে যদি কমিশন সন্তুষ্ট হয়, তাহলে নতুন এসআইআর তালিকায় জায়গা পাবে ওই ভোটারের নাম, নাহলে নাম বাদ যাবে। কমিশনের বক্তব্য, যাঁদের তথ্য মিলেছে, তাঁদের আলাদা করে কোনও নথিপত্র বা প্রমাণ দাখিল করতে হবে না। কমিশনের দেওয়া আবেদনপত্র (এনুমারেশন ফর্ম) ভর্তি করলেই চলবে। যাঁদের নামের মিল বা সূত্র পাওয়া যাবে না, তাঁদের ক্ষেত্রে নথিপত্র-যাচাই করা হবে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজারেরও বেশি। তার মধ্যে বুধবার পর্যন্ত বিলি হয়েছে ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬৮ হাজারেরও বেশি ফর্ম। অর্থাৎ, প্রায় ৯৯.৮ শতাংশ। ডিজিটাইজেশন হয়েছে ৬ কোটি ১ লক্ষ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৭৮ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম।

  • SIR: দিল্লিতে সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জ্ঞানেশ কুমার, আলোচ্য বিষয় কি এসআইআর?

    SIR: দিল্লিতে সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জ্ঞানেশ কুমার, আলোচ্য বিষয় কি এসআইআর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা)-এর (SIR) পরেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছিল বিহারে। বাংলায়ও কি তা-ই হতে চলেছে? এমন প্রশ্নই পাক খাচ্ছে তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। কারণ সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে দু’দিনের বৈঠকে বসতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। বুধ ও বৃহস্পতিবার ওই বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

    এসআইআর (SIR)

    মাস সাতেক পরেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে যে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনও তৎপর, তা স্পষ্ট কমিশনেরই একাধিক পদক্ষেপে। গত সপ্তাহেই ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ের কাজ শেষ করতে জেলাগুলির আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এ রাজ্যে এসআইআর শুরুর আগে এই ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। কারণ জেলায় জেলায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকার পার্থক্য কতটা, তা জানা যাবে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সুবিধা হবে এসআইআরের ক্ষেত্রে। জানা গিয়েছে, যে সব রাজ্যের দুয়ারে নির্বাচন, সেগুলিতে আগেই এসআইআরের কাজ সেরে নিতে চাইছে কমিশন। সেই কারণেই এই বৈঠক বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। দু’দিনের বৈঠকের পর বাংলায় এসআইআর শুরুর ঘোষণা হবে কিনা, তা নিয়েও বাড়ছে জল্পনা।

    বাংলার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা

    হঠাৎ করেই সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে দু’দিনের জন্য নয়াদিল্লিতে আয়োজিত বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার চিঠি পাঠিয়ে কমিশন জানিয়েছে, দিল্লিতে ওই বৈঠক হবে বুধ ও বৃহস্পতিবার। সিইওদের সঙ্গে এই বৈঠকে থাকবেন রাজ্যের তাঁর দফতরের অন্য প্রবীণ আধিকারিকরাও। জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে বাংলার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। কারণ বিহারে এসআইআর (SIR) নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা। বিরোধীরা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হয়েছিল। যদিও কমিশনের সাফ কথা, “ভোটার তালিকা স্বচ্ছ করতেই এসআইআর প্রয়োজন।” তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি বিহারের মতো এ রাজ্যেও হবে এসআইআর? এ প্রশ্নের উত্তরে কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, দেশজুড়েই হবে এসআইআর। তবে যেসব রাজ্যে ভোট আসন্ন, সেগুলিতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শুরু হবে সমীক্ষার কাজ (SIR)।

LinkedIn
Share