Tag: CEOs Forum

  • Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    Canada PM: টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার প্রধানমন্ত্রী (Canada PM) মার্ক কার্নি টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহ (এআই) বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত ও কানাডা কীভাবে (Tata Group) অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

    কার্নির বক্তব্য (Canada PM)

    এক্স হ্যান্ডেলে কার্নি লিখেছেন, “কানাডা ও ভারত—উভয়ই দ্রুত বিকাশমান অর্থনীতি, যাদের জ্বালানি, প্রযুক্তি ও এআই খাতে বড় উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান নটরাজন চন্দ্রশেখরন এবং আমি মুম্বইয়ে সাক্ষাৎ করেছি—আমাদের দুই দেশ কীভাবে এই ক্ষেত্রগুলিতে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে উভয় দেশের মানুষের জন্য অধিকতর নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেছি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে মার্ক কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভারতে সরকারি সফরে রয়েছেন। এটি প্রধানমন্ত্রী কার্নির প্রথম সরকারি ভারত সফর। কার্নি ২৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বইয়ে পৌঁছন। পরবর্তী দু’দিনে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেন এবং ভারতীয় ও কানাডীয় সিইও, শিল্প ও আর্থিক বিশেষজ্ঞ, উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ এবং ভারতে অবস্থিত কানাডীয় পেনশন ফান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন (Canada PM)।

    ভারত-কানাডা সিইও ফোরামে অংশ নেবেন দুই প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী কার্নির ১ মার্চ নয়াদিল্লিতে পৌঁছানোর কথা। ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে দুই প্রধানমন্ত্রী প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ পর্যন্ত অর্জিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুনে কানানাস্কিসে এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে জোহানেসবার্গে তাঁদের বৈঠকের ধারাবাহিকতার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা হবে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “দুই নেতা চলমান সহযোগিতার মূল ক্ষেত্রগুলি—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন, এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক—পর্যালোচনা করবেন (Canada PM)। এছাড়াও তাঁরা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করবেন।” প্রধানমন্ত্রী মোদি ও প্রধানমন্ত্রী কার্নি ভারত-কানাডা সিইও ফোরামেও অংশ নেবেন। উল্লেখ্য যে (Tata Group), দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ এক সময়ে এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

     

  • Canada: ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র সূচনা, কী বললেন কানাডার প্রতিনিধি?

    Canada: ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র সূচনা, কী বললেন কানাডার প্রতিনিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই উন্নত হচ্ছে ভারত-কানাডা (Canada) সম্পর্ক। শনিবার সূচনা হয় ‘কানাডা-ইন্ডিয়া ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’র। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলেজেস অ্যান্ড ইনস্টিটিউটস কানাডার (Canada India Talent) প্রেসিডেন্ট তথা সিইও প্যারি জনস্টন। তিনি একে ভারতের দক্ষতা ও উদ্যোগ মন্ত্রকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক প্রথম পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেন।

    জাতীয় স্কিল সেন্টার (Canada)

    জনস্টন জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে জাতীয় স্কিল সেন্টারগুলির উন্নয়নে সহায়তা করা হবে। প্রয়োগমুখী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষানবিশ বিষয়ে কানাডার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়া হবে, যাতে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কৃষি-খাদ্য খাত-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা উন্নয়ন পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তিনি বলেন, “এই উদ্যোগ আমাদের ক্ষেত্রে ভারতের দক্ষতা ও উদ্যোগ মন্ত্রকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় প্রথম পদক্ষেপ। আমরা জাতীয় স্কিল সেন্টারগুলির উন্নয়নে সহায়তা করব এবং প্রয়োগমুখী শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষানবিশ কর্মসূচির ক্ষেত্রে কানাডার দক্ষতা ভাগ করে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, এআই এবং কৃষি-খাদ্য ক্ষেত্রের ভারতীয় দক্ষতা পরিকল্পনাকে সমর্থন করব।” জনস্টন বলেন, “দু’সপ্তাহের মধ্যে আমরা ভারতে আসছি। কলেজ ও পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানের কর্তারা আইটিআই, বেসরকারি খাত ও সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন, যাতে যৌথভাবে একটি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা যায় (Canada)।”

    ইন্দো-কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বার

    এদিকে, ইন্দো-কানাডিয়ান বিজনেস চেম্বারের সিইও নাদিরা হামিদ দুই দেশের সম্পর্কের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “এখানে এসে এই সুন্দর সম্পর্ককে বিকশিত হতে দেখা সত্যিই আনন্দের। কিছু বছর চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে গিয়েছে, কিন্তু এখন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীই সম্পর্ক পুনর্গঠনে আগ্রহী। আমরা অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং আরও কাজ করতে চাই (Canada India Talent)।” বাণিজ্য সম্ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ভারত ও কানাডার মধ্যে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। হামিদ বলেন, “সিইপিএ পুনরায় আলোচনায় আনা হয়েছে এবং আমরা আশাবাদী যে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে সমাধান হবে। দুই দেশের হাইকমিশনার ও কূটনীতিকরা পুনর্বহাল হয়েছেন, যা ব্যবসায়িক কার্যক্রম সহজ করবে। নীতিগুলি পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে এবং বিনিয়োগ, সম্প্রসারণ ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে সংস্থাগুলির মধ্যে আস্থা বেড়েছে। এই আস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বার্তা স্পষ্ট—কানাডা এখানে দীর্ঘমেয়াদে থাকতে আগ্রহী এবং প্রধানমন্ত্রী সম্পর্ক পুনর্গঠনে অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন।”

    প্রযুক্তিগত সহযোগিতা

    অন্যদিকে, রেসপিরার লিভিং সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও রোনাক সুতারিয়া প্রযুক্তিগত সহযোগিতার প্রসঙ্গে বলেন, “আমরা মূলত বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও প্রশমন নিয়ে কাজ করি। টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা মডেলিং টুল তৈরি করছি। আইআইটি বম্বে এবং টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবেও কাজ করেছি। একটি (Canada) দিক হল দূষণ ও নির্গমন পর্যবেক্ষণ—এই প্রযুক্তি কানাডার জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা কানাডায় বায়ুগুণমান, দূষণ ও নির্গমন পর্যবেক্ষণে এই প্রযুক্তি প্রয়োগে সহায়তা করতে পারি। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে যৌথভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজও চলছে (Canada India Talent)।” শনিবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি মুম্বইয়ে একটি উদ্ভাবনী প্রদর্শনীতে অংশ নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    ভারত সফরে কার্নি

    চার দিনের ভারত সফরে আসা কার্নি ২ মার্চ নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করবেন। তাঁর সফরের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ভারত ও কানাডা ‘ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি’ চালু করেছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (রাষ্ট্রমন্ত্রী) জয়ন্ত চৌধুরী বলেন, “ভারত বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, গবেষণা সহযোগিতা গভীর করা এবং দক্ষতার চলাচল শক্তিশালী করতে কানাডার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত (Canada)।” তিনি বলেন, “ইন্ডিয়া-কানাডা ট্যালেন্ট অ্যান্ড ইনোভেশন স্ট্র্যাটেজি সময়োপযোগী এবং তা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এর চারটি স্তম্ভ—ভারতের অগ্রাধিকার খাতে কানাডীয় সক্ষমতা সংযোজন, জ্ঞান ও দক্ষতাকে অর্থনৈতিক ফলাফলে রূপান্তর, দুইমুখী চলাচল গভীর ও ভারসাম্যপূর্ণ করা, এবং দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্যতা প্রদর্শন—আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ (Canada India Talent)।” তিনি আরও বলেন, “আমরা এই অংশীদারিত্বকে শুধু শিক্ষা উদ্যোগ হিসেবে নয়, আমাদের যৌথ ভবিষ্যতে একটি যৌথ বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।”

    কার্নির প্রথম সরকারি সফর

    ২৭ ফেব্রুয়ারি কার্নি তাঁর প্রথম সরকারি সফরে মুম্বই পৌঁছান। ১ মার্চ তিনি নয়াদিল্লি পৌঁছাবেন এবং ২ মার্চ হায়দরাবাদ হাউসে প্রতিনিধি-স্তরের বৈঠকে অংশ নেবেন। দুই নেতা কানানাস্কিস ও জোহানেসবার্গে তাঁদের আগের বৈঠকের ভিত্তিতে ভারত-কানাডা কৌশলগত অংশীদারিত্বের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন (Canada)। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, কৃষি, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে পর্যালোচনা চলছে, তা নিয়েও আলোচনা হবে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হবে। দুই প্রধানমন্ত্রী ইন্ডিয়া-কানাডা সিইও ফোরামেও যোগ দেবেন। এই সফর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে (Canada India Talent)।

    এর আগে দুই প্রধানমন্ত্রী পারস্পরিক সম্মান, সংবেদনশীলতা, জনগণের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে গঠনমূলক ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হয়েছেন (Canada)। বিদেশমন্ত্রকের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আসন্ন বৈঠক দুই দেশের ইতিবাচক গতি ও ভবিষ্যতমুখী অংশীদারিত্বের যৌথ দৃষ্টিভঙ্গিকে পুনরায় নিশ্চিত করার সুযোগ দেবে।

     

LinkedIn
Share