Tag: CERT-In

CERT-In

  • NTA: এনটিএতে বড়সড় শুদ্ধি অভিযান, বরখাস্ত ৪৭ আধিকারিক, সাইবার নিরাপত্তা থেকে ফরেনসিক তদন্তে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ

    NTA: এনটিএতে বড়সড় শুদ্ধি অভিযান, বরখাস্ত ৪৭ আধিকারিক, সাইবার নিরাপত্তা থেকে ফরেনসিক তদন্তে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রবেশিকা পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থা ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-তে (NTA) বড়সড় প্রশাসনিক রদবদল শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পরীক্ষায় অনিয়ম, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং (Young Professionals) নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংস্থার ৪৭ জন আধিকারিক ও কর্মীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা, ফরেনসিক তদন্ত, পরীক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা এবং মূল্যায়ন গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ নেতৃত্ব গড়ে তুলে সংস্থাকে নতুনভাবে সাজানোর কাজও শুরু হয়েছে। শুক্রবার সরকারি সূত্রে এ খবর জানা গিয়েছে।

    বরখাস্ত বহু আধিকারিক (NTA)

    এই কঠোর পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে মেডিকেল শিক্ষায় ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা। ওই ঘটনার জেরে ৩ মে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা বাতিল করতে হয়, এবং প্রায় ২০ লক্ষ পরীক্ষার্থীকে ২১ জুন ফের পরীক্ষায় বসতে হয়। ঘটনার পর থেকেই এনটিএর ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয় এবং পরীক্ষা পরিচালনার স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সরকারি সূত্রের খবর, যাঁদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাঁদের শুধু অন্যত্র বদলি করা হয়নি বা দায়িত্ব থেকে সরানো হয়নি, সরাসরি চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তবে তাঁদের নাম, পদমর্যাদা বা নির্দিষ্ট অভিযোগ প্রকাশ করা হয়নি। অভ্যন্তরীণ তদন্ত এবং বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। পাশাপাশি বিভাগীয় তদন্তও চলবে। জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষায় ব্যর্থতার জন্য কার কী দায় ছিল, তা চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। আগামী দিনে আরও কিছু কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

    তৈরি হচ্ছে নয়া কাঠামো

    এনটিএর পুনর্গঠনের প্রথম পর্যায়ে চারজন জেনারেল ম্যানেজার নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় লোকসেবা কমিশনের ‘প্রতিভা সেতু’ পোর্টালের মাধ্যমে ১৬ জন তরুণ পেশাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার তদারকি করবে কে রাধাকৃষ্ণণের নেতৃত্বাধীন পর্যবেক্ষণ কমিটি। শিক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার এই কমিটির প্রথম বৈঠক হয়। নতুন জেনারেল ম্যানেজারদের তিন বছরের চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ করা হবে এবং তাঁরা সংস্থার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ পরিচালনা করবেন (Young Professionals)। নতুন কাঠামোয় মূল্যায়ন ও মনস্তাত্ত্বিক পরিমাপ সংক্রান্ত বিভাগের প্রধান প্রশ্নভাণ্ডার তৈরি, নম্বরের সামঞ্জস্য নির্ধারণ, প্রশ্নপত্রের মান নির্ধারণ, কম্পিউটারভিত্তিক অভিযোজিত পরীক্ষা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়ক মূল্যায়ন ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকবেন। অন্যদিকে পরীক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা বিভাগের প্রধান দেশের পাঁচশোরও বেশি শহর এবং বিদেশের নির্বাচিত পরীক্ষা কেন্দ্রগুলির সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দেখবেন। পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচন, অনুমোদন, পরিকাঠামো, পরীক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ-সুবিধা, পরীক্ষার দিন পরিচালনা এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁর ওপর থাকবে (NTA)।

    সংস্থার প্রধান তথ্য নিরাপত্তা আধিকারিক

    তথ্য নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান সংস্থার প্রধান তথ্য নিরাপত্তা আধিকারিক হিসেবে কাজ করবেন। সংস্থার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা, নেটওয়ার্ক, সফটওয়্যার, পরীক্ষার্থীদের তথ্যভাণ্ডার, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং তথ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত বিধি মেনে চলার বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে কম্পিউটার জরুরি প্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত জাতীয় সংস্থার নির্দেশিকাও কার্যকর করার দায়িত্ব তাঁর ওপর থাকবে। এছাড়া সতর্কতা, তদন্ত এবং ফরেনসিক বিভাগের প্রধান পরীক্ষায় অনিয়ম সংক্রান্ত তদন্তের নেতৃত্ব দেবেন। সংস্থার নিজস্ব ডিজিটাল ফরেনসিক সক্ষমতা গড়ে তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, গোয়েন্দা ব্যুরো, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ এবং সাইবার অপরাধ দমন শাখার সঙ্গে সমন্বয় করে তদন্ত পরিচালনা করবেন। সরকারি পরীক্ষায় অসাধু উপায় রোধে প্রণীত ২০২৪ সালের আইনের আওতায় এই তদন্তগুলি পরিচালিত হবে (Young Professionals)। ‘প্রতিভা সেতু’ পোর্টালের মাধ্যমে যে তরুণদের নিয়োগ করা হবে, তাঁরা সকলেই কেন্দ্রীয় লোকসেবা কমিশনের বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও, চূড়ান্ত মেধাতালিকায় স্থান পাননি। এই পোর্টালের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংযোগ ঘটানো হয় (NTA)।

    পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতিতেও বড়সড় পরিবর্তন

    মোট ১৬টি পদের মধ্যে ১২টি থাকবে অ্যাকাডেমিক গবেষণায়, দু’টি আইনি গবেষণায় এবং দু’টি অর্থ ও হিসাব বিভাগে। প্রথমে ২৪ মাসের জন্য নিয়োগ করা হবে। কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে সেই মেয়াদ বাড়িয়ে ৩৬ মাস পর্যন্ত করা যেতে পারে। সরকারের লক্ষ্য, অস্থায়ী কর্মীর ওপর এনটিএর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো। বর্তমানে সংস্থায় স্থায়ী পদের সংখ্যা ৩৯। এর মধ্যে মাত্র ২৪টি পদ পূরণ হয়েছে। অন্যদিকে চুক্তিভিত্তিক কর্মীর সংখ্যা ৭৩ এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত কর্মীর সংখ্যা ১২৪। এই ভারসাম্য বদলাতে চায় কেন্দ্র। রাধাকৃষ্ণণ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, মোট ১০টি কার্যকরী বিভাগে আগামী দিনে আরও নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ এবং অনুবাদকদেরও নতুন করে তালিকাভুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে (NTA)। পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতিতেও বড়সড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সাল থেকে নিট-ইউজি আর ওএমআর শিটে হবে না। পরিবর্তে সম্পূর্ণ কম্পিউটারভিত্তিক পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর ফলে যৌথ প্রবেশিকা (মেইন) এবং কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অভিন্ন প্রবেশিকা পরীক্ষার ধাঁচের সঙ্গে নিট-ইউজির সামঞ্জস্য তৈরি হবে (Young Professionals)।

    সংরক্ষিত থাকবে ডিজিটাল রেকর্ড

    সরকারের মতে, এই পরিবর্তনের ফলে প্রশ্নপত্রের হার্ড কপি পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন অনেকটাই কমে যাবে। একাধিক প্রশ্নসেট ব্যবহার করা সম্ভব হবে এবং প্রতিটি ধাপের ডিজিটাল রেকর্ড সংরক্ষিত থাকবে। তবে এজন্য নিরাপদ পরীক্ষা কেন্দ্র, আরও শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত ত্রুটি মোকাবিলায় অতিরিক্ত সুরক্ষা বলয় গড়ে তুলতে হবে। এছাড়া পরীক্ষার্থীদের নথিভুক্তিকরণ, পরীক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা, প্রযুক্তিগত পরিষেবা এবং গোপনীয় নথি সংরক্ষণের মতো ক্ষেত্রে আউটসোর্সিং ব্যবস্থাও নতুন করে পর্যালোচনা করছে কেন্দ্র। নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি সংস্থার দায়িত্ব স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হবে। নিরীক্ষা ও পটভূমি যাচাই আরও কঠোর করা হবে। সংবেদনশীল তথ্যের সঙ্গে যুক্ত সংস্থার সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনও ব্যর্থতা ধরা পড়লে আরও কঠোর শাস্তির বিধান কার্যকর করা হবে (NTA)।

     

  • CERT-In: এবার থেকে তথ্য জানার অধিকার আইনের বাইরে কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম

    CERT-In: এবার থেকে তথ্য জানার অধিকার আইনের বাইরে কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার থেকে তথ্য জানার অধিকার আইনের (২০০৫) আওতায় পড়বে না কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা CERT-In.। এটি হল একটি জাতীয় নোডাল এজেন্সি। এই এজেন্সি কম্পিউটারের মধ্যে থাকা বিভিন্ন তথ্যকে সুরক্ষিত রাখে এবং সাইবার অ্যাটাক থেকে রক্ষা করে।

    তথ্য জানার অধিকার আইনে (২০০৫) কোন কোন ক্ষেত্র পড়ে না

    প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে পাশ হওয়া আরটিআই অ্যাক্টের ৪ নম্বর ধারায় বলা রয়েছে, কোন কোন ক্ষেত্রে পাবলিক অথরিটি তথ্য দিতে বাধ্য থাকবে। ৮ নম্বর ধারাতে উল্লেখ রয়েছে সেই সমস্ত ক্ষেত্রগুলির, যেগুলি তথ্য দেওয়ার অধিকার আইনের আওতায় পড়বে না। এগুলি হল, সাধারণভাবে যে কোনও ব্যক্তিগত তথ্য (যদি তা দেশের বা সমাজের নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ না হয়), দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ হতে পারে এমন তথ্য, মন্ত্রিসভার বৈঠকের গোপন নথি, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের ক্রিয়াকলাপ ইত্যাদি।

    এবার এই তালিকায় জুড়ল কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা CERT-In.। কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম বা CERT-In ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের অধীনে কাজ করে। কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ছাড়াও আরও ২৬টি গোয়েন্দা সংস্থা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কর্মরত। যেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি), রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস উইং (র), ডাইরেক্টরেট অফ এনফোর্সমেন্ট (ইডি), ন্যাশনাল টেকনিক্যাল রিসার্চ অর্গানাইজেশন। এই সমস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিও তথ্য জানার অধিকার আইনের আওতায় পড়ে না।

    আরও পড়ুুন: “ইংরেজি বছরের শুরুতে মমতাকে ইডি-সিবিআই চা খেতে আমন্ত্রণ করবে” বিস্ফোরক দিলীপ

    ২০২২ সালে র‌্যানসামওয়ার অ্যাটাকের সময় তদন্ত করে CERT-In

    ২০০৫ সালে তথ্য জানার অধিকার আইন পাশ হওয়ার পর শেষবারের মতো সংশোধন করা হয়েছিল ২০১৬ সালে। সেখানে স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড সংস্থাগুলিকে তথ্য জানার অধিকার আইনের তালিকায় রাখা হয়নি। প্রসঙ্গত, CERT-In দেশের মধ্যে ঘটা গুরুত্বপূর্ণ সাইবার অ্যাটাকগুলির বিরদ্ধে তদন্ত করে। গত ২০২২ সালে ২৩ নভেম্বর র‌্যানসামওয়্যার অ্যাটাকের সময়ও এই সংস্থা তদন্ত শুরু করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Apple: হ্যাক হতে পারে অ্যাপল ওয়াচ, টিভি এবং ম্যাক! সতর্কবার্তা জারি কেন্দ্রীয় সংস্থার

    Apple: হ্যাক হতে পারে অ্যাপল ওয়াচ, টিভি এবং ম্যাক! সতর্কবার্তা জারি কেন্দ্রীয় সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাপল ওয়াচ (Apple Watch), অ্যাপল টিভি (Apple TV) এবং ম্যাক (iMac) ব্যবহারকারীদের জন্য দুঃসংবাদ। সম্প্রতি এই তিন প্রোডাক্টে বড় খামতি খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। যার ফলে আপনার ডিভাইসটিতে ম্যালওয়্যার ঢোকার পথ প্রশস্ত হতে পারে। 

    গোটা বিশ্বেই অ্যাপলের প্রোডাক্ট আভিজাত্য প্রদর্শনের মানদণ্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘড়ি, টিভি এবং ম্যাক তিনটিই অ্যাপেলের অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রোডাক্ট। ভারতে এই তিনটির মধ্যে সবচেয়ে বিক্রিত প্রোডাক্টটি হল ঘড়ি। স্বাস্থ্য সচেতন যারা, তাঁরা অনেকেই অ্যাপলের ঘড়ি ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন। ম্যাক কম্পিউটার এবং টিভিরও দিন দিন চাহিদা বাড়ছে। 

    আরও পড়ুনঃ আর নয় আইপড জানাল অ্যাপেল, স্মৃতিমেদুর নেটপাড়া

    ভারতীয় কম্পিউটার এজেন্সি রেসপন্স টিম (CERT-In) এবং ভারতীয় সাইবার সিকিওরিটি এজেন্সি (ICSA) এই প্রোডাক্টগুলির সমস্যার কথা উল্লেখ করে একটি সতর্কবার্তা জারি করেছে। সতর্কবার্তা অনুযায়ী, প্রোডাক্টগুলির এই খুঁতের সুযোগ নিয়ে দুর্বৃত্তরা খুব সহজেই আপনার ডিভাইসটিকে হ্যাক করতে পারবে। ডিভাইসটিকে একবার হ্যাক করতে পারলে তারা সেটা নিজেদের ইচ্ছেমতো ব্যবহার করতে পারবে। এভাবে গোটা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ ডিভাইসে বিনা বাধায় ঢুকে যেতে পারবে হ্যাকাররা। 

    আরও পড়ুনঃ আইফোন ১৪ ফোনে থাকছে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি? পড়ুন বিস্তারিত
     
    এই সমস্যার সমাধান করার জন্য একটি নতুন ব্যবস্থা করেছে অ্যাপেল কর্তৃপক্ষ। ডিভাইসটিকে আপগ্রেড করলে এই সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু তাতে বিশেষ কোনও লাভ হবে বলে মনে করছেন না বিশেষজ্ঞরা। কারণ ইতিমধ্যেই বহু ডিভাইস হ্যাক করা হয়ে গিয়েছে বলে আশঙ্কা তাঁদের। 

    অ্যাপল তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এবিষয়ে লিখেছে, “অ্যাপল তার ডিভাইসের সমস্যার বিষয়ে অবগত। আমরা জানি ইতিমধ্যেই এই সমস্যার সুযোগ নেওয়া হয়েছে।”

    সাইবার স্ক্রুটিনি বিশ্বে একটি বিশেষ নিয়ম রয়েছে। কোনও বিশেষজ্ঞ যদি কোনও কোম্পানির প্রোডাক্টে খুঁত পান, তাহলে সেটা গোটা বিশ্বকে জানানোর আগে প্রস্তুতকারক সংস্থাকে জানাতে হবে। যাতে তারা সেই সমস্যার সমাধানে পর্যাপ্ত সময় পান।

    হ্যাকারদের হাত থেকে বাঁচতে এই তিন প্রোডাক্টের ব্যবহারকারীদের নতুন সফটওয়্যারে ডিভাইসটিকে আপগ্রেড করার পরামর্শ দিয়েছে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ। 

    হ্যাকাররা (Hackers) একবার ডিভাইসটিতে প্রবেশের সুযোগ পেলে, তাদের কাছে আপনার সব তথ্য চলে যাবে। আর্থিক জালিয়াতি থেকে অন্য কোনও অপরাধ যে কোনওভাবে ব্যবহৃত হতে পারে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য। জাল ভোটার কার্ড, আধার কার্ড (Aadhaar card), প্যান কার্ডও তৈরি করা হতে পারে আপনার তথ্য ব্যবহার করে। এমনকি ডার্ক ওয়েবেও (Dark web) ছড়িয়ে পড়তে পারে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য।  

     

     

     

LinkedIn
Share