Tag: Cervical Cancer

Cervical Cancer

  • Cervical Cancer: সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ! সার্ভিক্যাল ক্যান্সার দূর করতে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাকরণ

    Cervical Cancer: সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ! সার্ভিক্যাল ক্যান্সার দূর করতে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে এইচপিভি টিকাকরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের (Cervical Cancer) বিরুদ্ধে টিকাকরণ (HPV Vaccination) শুরু হচ্ছে দেশে। জরায়ুমুখের ক্যান্সারে মৃত্যুহার কমাতে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের জন্য সারাদেশে বিনামূল্যে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাকরণ কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে ভারত সরকার। ‘স্বাস্থ্য নরী’ (Swastha Nari) মিশনের আওতায় এই উদ্যোগ দেশের মহিলাদের মধ্যে অন্যতম প্রতিরোধযোগ্য ক্যান্সারের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই টাকাকরণ কর্মসূচিতে দু’টি পৃথক ডোজের পরিবর্তে একটি মাত্র ডোজই দেওয়া হবে, যেমনটি অনুমোদন রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

    কাদের দেওয়া হবে এইচপিভি টিকা

    ১৪ বছর এবং তার ঊর্ধ্বে সব মেয়েদের এইচপিভি টিকা (HPV Vaccination) দেওয়া হবে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের ৮৫ শতাংশই মূলত এইচপিভি সংক্রমণ থেকে ঘটে। মহিলাদের শরীরের সর্বাধিক যে ধরনের ক্যান্সার বাসা বাঁধে, তাতে একেবারে দ্বিতীয় স্থানে সার্ভিক্যাল ক্যান্সার (Cervical Cancer)। প্রতিবছর সার্ভিক্যাল ক্যান্সারে আক্রান্ত হন ১.২৫ লক্ষ মহিলা, যার মধ্য়ে মারা যান ৭৫ হাজার। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এইচপিভি টিকা (HPV Vaccination) বাধ্যতামূলক টিকাকরণ কর্মসূচি নয়, বরং ইচ্ছের উপর নির্ভর করবে গোটা বিষয়টি। এইচপিভি ১৬, এইচপিভি ১৮-র বিরুদ্ধেই এই টিকাকরণ, যাতে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সার্বিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হয়। পাশাপাশি, এইচপিভি ৬ এবং এইচপিভি ১১-র বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা লক্ষ্য।

    কবে থেকে শুরু হবে টিকাকরণ কর্মসূচি

    দিল্লি সূত্রে খবর, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু হতে চলেছে। ২০২৭ সালের মধ্যে ২.৬ কোটি ডোজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এর মধ্যে ১ কোটি ডোজের জোগান দেবে টিকা-সহযোগী গাভী (Gavi)। আমেরিকার বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা মার্ক-এর তৈরি ‘গার্ডাসিল’ টিকা ব্যবহার করা হবে ভারতে। সরকারি সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট বয়সের মেয়েদের সিঙ্গল ডোজ দেওয়া গেলেই সুরক্ষা মিলবে বলে প্রমাণ মিলেছে।

    খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের দাম

    সরকারি সূত্রের খবর, এই কর্মসূচিতে ‘গার্ডাসিল’ (Gardasil) নামের কোয়াড্রিভ্যালেন্ট এইচপিভি টিকা ব্যবহার করা হবে। বর্তমানে খোলা বাজারে এই ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজের দাম প্রায় ৩,৯২৭ টাকা। ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য দু’টি এবং তার বেশি বয়সিদের জন্য তিনটি ডোজ প্রয়োজন হয়। তবে সরকারি এই বিশেষ অভিযানের অধীনে কিশোরীদের বিনামূল্যে এই টিকা দেওয়া হবে।

    এক ডোজেই মিলবে সুরক্ষা

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গাইডলাইন মেনে এবং ভারতীয় বিজ্ঞানীদের গবেষণার ভিত্তিতে সরকার জানিয়েছে, নির্দিষ্ট বয়সি কিশোরীদের ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিনের একটি ডোজই দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী সুরক্ষা দিতে সক্ষম। ‘ইউনিভার্সাল ইমিউনাইজেশন প্রোগ্রাম’-এর বাইরে এটি একটি বিশেষ ক্যাম্পেইন হিসেবে চালানো হবে।

    কেন ১৪ বছর বয়সকেই বেছে নেওয়া হলো?

    চিকিৎসকদের মতে, শরীরে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার আগেই যদি এই টিকা নেওয়া যায়, তবে তার কার্যকারিতা সর্বাধিক হয়। তাই ১৪ বছর বয়সকে এই টিকাকরণের জন্য আদর্শ সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভারতে প্রতি বছর প্রায় ৮০ হাজার মহিলা নতুন করে জরায়ুমুখের ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং প্রায় ৪২ হাজার জনের মৃত্যু হয়। এই টিকাকরণ কর্মসূচি চালু হলে মৃত্যুহার অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    সুরক্ষা ও আন্তর্জাতিক মান

    ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৫০ কোটি এইচপিভি ভ্যাকসিনের ডোজ দেওয়া হয়েছে। এর সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। ইতিমধ্যেই বিশ্বের ১৬০টি দেশে এই টিকাকরণ কর্মসূচি চলছে। এর মধ্যে ৯০টিরও বেশি দেশ এক ডোজের সময়সূচি অনুসরণ করছে। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি ডোজ প্রয়োগের মাধ্যমে টিকাটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণা অনুযায়ী, ভ্যাকসিনে অন্তর্ভুক্ত এইচপিভি টাইপের বিরুদ্ধে ৯৩ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা পাওয়া যায়। ভারত এই তালিকায় নাম লেখানোয় জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এক নতুন দিগন্ত খুলল।

    কোথায় কোথায় মিলবে টিকা

    প্রকল্পের সূচনা ঘটলে মেয়েদের যাতে টিকাকরণের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়, তার জন্য় অভিভাবক ও মা-বাবাদের আর্জি জানিয়েছেন আধিকারিকরা। তাঁদের মতে, যত শীঘ্র টিকা নেওয়া যাবে, তত বেশি প্রতিরোধ গড়ে তোলা যাবে সার্ভিক্যাল ক্যান্সারের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, আয়ুষ্মান আরোগ্য মন্দির, জেলা হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজে এইচপিভি টিকা নেওয়া যাবে। প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল অফিসারদের উপস্থিতিতেই টিকাকরণ চলবে। টিকাকরণের পরও পর্যবেক্ষণে থাকবেন সকলে, যাতে পরবর্তী পরিস্থিতির উপর নজর রাখা যায়। টিকার বিজ্ঞানসম্মত মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে ইতিমধ্যেই। সেই মতো নিজেদের সুপারিশের কথা জানায় ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসরি গ্রুপ অন ইমিনাইজেশন।

    কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যাণমূখী পদক্ষেপ

    জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী ‘হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস’ (এইচপিভি)। এর ২০০ রকম প্রজাতি রয়েছে, যার মধ্যে ১২টি ক্যানসারের জন্য দায়ী। বিশেষ করে এইচপিভি ১৬ ও এইচপিভি ১৮ জরায়ুমুখের ক্যানসারের কারণ। এইচপিভি ভাইরাস ঠেকাতে প্রতিষেধক দেওয়াই সবচেয়ে আগে জরুরি। তবে এইচপিভি টিকা কতটা কার্যকরী, তা আদৌ ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারবে কি না, এ বিষয়টি নিয়ে সংশয় ছিলই। সম্প্রতি ব্রিটেনের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেল্‌থ অ্যান্ড কেয়ার রিসার্চ’ (এনআইএইচআর) জানিয়েছে, জরায়ুমুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকা প্রায় ৯০ শতাংশ কার্যকরী হচ্ছে। শুধু সময়মতো টিকাটি নিতে হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ‘স্বাস্থ্য নারী’ (Swastha Nari) উদ্যোগের ফলে আগামী দিনে কয়েক লক্ষ কিশোরীকে এই মারণ ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

  • Poonam Pandey: ‘‘বেঁচে আছি…’’! ভিডিও-বার্তা ‘মৃত’ পুনমের, দিলেন মিথ্যে নাটকের ব্যাখ্যাও

    Poonam Pandey: ‘‘বেঁচে আছি…’’! ভিডিও-বার্তা ‘মৃত’ পুনমের, দিলেন মিথ্যে নাটকের ব্যাখ্যাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মৃত্যুর’ একদিন পর নিজের মারা যাওয়ার খবর ভুয়ো বলে শনিবার সোশ্যাল মিডিয়াতে হাজির হয়ে নিজেই জানালেন মডেল-অভিনেত্রী পুনম পাণ্ডে (Poonam Pandey)। ইনস্টগ্রামে পুনম বার্তা দিয়েছেন, সারভাইক্যাল ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোই ছিল তাঁর ভুয়ো মৃত্যুর ঘোষণার কারণ। এরপরই সোশ্যাল সাইটে ওঠে সমালোচনার ঝড়। কেউ বলেন, প্রচারের অন্য অনেক রাস্তা ছিল, এটাই পথ নয়। অনেকের মতে, এতে বিশ্বাসযোগ্যতা হারায়। অনেকে বলেছেন, এটা নিজের প্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়।

    কী বললেন পুনম

    শুক্রবার পুনম পাণ্ডের মৃত্যুর ভুয়ো খবর ছড়াতেই সমবেদনা জানিয়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত থেকে অনুপম খেরের মতো ব্যক্তিত্ব। পুনম বেঁচে নেই, বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তাঁর বন্ধু মুনাওয়ার ফারুকিও। অবশেষে নাটকে যবনিকা পতন। নিজেই প্রকাশ্যে এলেন পুনম (Poonam Pandey)। জানালেন তিনি ‘বেঁচে আছেন’। শনিবার বেলায় নিজের ইনস্টাগ্রাম থেকে ছোট্ট ভিডিওয় পুনম জানান, তিনি বেঁচে আছেন। নিজের মৃত্যুর ‘ফেক নিউজ’ ছড়ানোর জন্য সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনাও করলেন ৩২ বছর বয়সি পুনম। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Poonam Pandey (@poonampandeyreal)

    মৃত্যু নিয়ে তাঁর এই লুকোচুরির নেপথ্যে কারণ ছিল, বলে জানান পুনম (Poonam Pandey)। জরায়ু-মুখের ক্যানসার নিয়ে মহিলাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। মহিলাদের এই টিকার কী প্রয়োজনীয়তা সেটাই জানান পুনম। সম্প্রতি অন্তর্বতী বাজেট পেশের দিন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনও কিশোরী মেয়েদের জরায়ু-মুখের ক্যানসারে নিরাময়ের টিকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। যদিও পুনমের এই আচরণে মিশ্র প্রতিক্রিয়া মিলেছে সমাজ মাধ্যমে। সারভাইক্যাল ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা প্রচারের তাঁর এই পথকে সমর্থন করেনি কেউ। 

    আরও পড়ুন: দিঘার কাছে জুনপুটে হবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, শুরু হয়েছে তৎপরতা

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Poonam Pandey Death: সারভাইক্যাল ক্যান্সারে প্রয়াত পুনম পাণ্ডে! কী করে বাঁচবেন এই মারণরোগ থেকে?

    Poonam Pandey Death: সারভাইক্যাল ক্যান্সারে প্রয়াত পুনম পাণ্ডে! কী করে বাঁচবেন এই মারণরোগ থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিন আগেই সারভাইক্যাল ক্যান্সারে (Cervical Cancer) টিকাদানের কথা ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। আর শুক্রবার সকালেই এই মারণ রোগ কাড়ল নীল ছবির তারকা বিতর্কিত মডেল পুনম পাণ্ডের জীবন।  মাত্র ৩২-এই থেমে গেল পথচলা। একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টের মাধ্যমে পুনমের মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন তাঁর সহকারী। বৃহস্পতিবার রাতেই নাকি মৃত্যু হয় অভিনেত্রীর।

    কী হয়েছিল পুনমের

    পুনমের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল থেকেই তাঁর মৃত্যুর খবরটি শেয়ার করেন অভিনেত্রীর ম্যানেজার। তিনি জানান, পুনম সার্ভিকাল ক্যান্সার (Cervical Cancer) অর্থাৎ জরায়ুর ক্যান্সারে ভুগছিলেন। জনপ্রিয় মডেল ছিলেন পুনম। ২০১১ সালে একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ভারত বিশ্বকাপ জিতলে তিনি নগ্ন হবেন। তার পরেই চর্চায় আসেন পুনম। বি এবং সি গ্রেড ছবিতেই বেশি দেখা গিয়েছে তাঁকে। ভারতে মহিলাদের যে ধরনের ক্যান্সার বেশি হয়, তার মধ্যে জরায়ু-মুখের ক্যান্সার দ্বিতীয় স্থানে। দেশে প্রতি বছর অন্তত ১ লক্ষ ২০ হাজার মহিলা এই রোগে আক্রান্ত হন। বছরে কমপক্ষে ৭৭ হাজার মহিলার মৃত্যু হয় এই রোগে। চিকিৎসকেরা বলেন, অল্প বয়সে টিকা দিলেই এই ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই কমে। আর সেই কারণেই জরায়ু-মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    আরও পড়ুন: সারভাইক্যাল ক্যান্সার রুখতে কিশোরীদের টিকা, নির্মলার এই ঘোষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    কীভাবে চিনবেন সারভাইক্যাল ক্যান্সার

    চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের ক্যান্সার (Cervical Cancer) খুব সহজে ধরা পড়ে না। ভিতরে ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে। যখন ধরা পড়ে, তখন দেরি হয়ে যায়। তাই এই ক্যান্সারের লক্ষণগুলি জেনে রাখা জরুরি। ওজন কমে যাওয়া, তলপেটে ব্যথা, কোমরে একনাগাড়ে যন্ত্রণা— এই উপসর্গগুলি দেখা দিলে সময় নষ্ট না করে সোজা চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ২০ বছরের কমবয়সিদের মধ্যে এই রোগ দেখা যায় না। ৩৮ থেকে ৪২ বছর বয়সি মহিলাদের এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তবে বয়স ৬০-এর কোঠা ছুঁলেও হানা দিতে পারে এই মারণরোগ। তাই সাবধানতা জরুরি। রোজ প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, শাক-সবজি বেশি পরিমাণে খাওয়া, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এসব মেনে চলতেই হবে। যোনিতে কোনও রকম ব্যথা বা সমস্যা হলে কিন্তু ফেলে রাখবেন না। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cervical Cancer: সারভাইক্যাল ক্যান্সার রুখতে কিশোরীদের টিকা, নির্মলার এই ঘোষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    Cervical Cancer: সারভাইক্যাল ক্যান্সার রুখতে কিশোরীদের টিকা, নির্মলার এই ঘোষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সারভাইক্যাল ক্যান্সার  (Cervical Cancer) প্রতিরোধে উদ্যোগী কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তৃতায় এমনটাই জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি বলেছেন, ‘‘সারভাইক্যাল ক্যান্সার  প্রতিরোধের জন্য ৯ থেকে ১৪ বছরের কিশোরীদের টিকা দেওয়া হবে।’’ তাঁর এই ঘোষণায় খুশি চিকিৎসক মহল। এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ সংস্থাও। কিন্তু কেন এই উদ্যোগ? দেশে জরায়ু-মুখের ক্যান্সার বা সারভাইক্যাল ক্যান্সার একটা চিন্তার কারণ। মেয়েরা সবচেয়ে বেশি এই রোগের শিকার হন। তাই এর প্রতিরোধে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ।

    সারভাইক্যাল ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা

    দেশের নারীশক্তির উন্নয়নের জন্য বাজেটে অর্থমন্ত্রী একাধিক ঘোষণা করেন। তার মধ্যেই সারভাইক্যাল ক্যান্সারের  (Cervical Cancer) কথা উল্লেখ করেন নির্মলা সীতারামন। টিকা নিলে এই বিশেষ ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব। মেয়েদের ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সে সেই টিকা দিলে সবচেয়ে ভাল কাজ হয়। বাজেটে নির্মলা বলেন, সারভাইক্যাল ক্যান্সারের টিকাকরণে উৎসাহ দেবে কেন্দ্র। তবে কীভাবে সেই উৎসাহ দেওয়া হবে, কত টাকা বরাদ্দ করা হবে, সে নিয়ে এখনই কিছু বলা হয়নি। পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশের সময় এ নিয়ে ঘোষণা করা হতে পারে। 

    কী বলছেন চিকিৎসকরা

    এই ঘোষণায় খুশি বিশেষজ্ঞরা। চিকিৎসকদের মতে, এটি নিঃসন্দেহে ভাল উদ্যোগ। এরকম একটি পদক্ষেপ খুব জরুরি ছিল। কারণ তরুণীদের মধ্য়ে সারভাইক্যাল ক্যান্সারের (Cervical Cancer) সংখ্যা বাড়ছে। তাঁদের কথায়, একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে এই টিকা খুবই কার্যকরী। সারভাইক্যাল ক্যান্সারের প্রতিরোধে এটি খুব উপকারী টিকা। এই টিকা প্রাথমিকভাবে রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। সারভাইক্যাল ক্যান্সার এইচপিভি ভাইরাসের জন্য হয়। টিকাটি নিলে ভাইরাস সংক্রমণের হার অনেকটাই কমে যায়। বয়ঃসন্ধিক্ষণের সময় এই টিকা দেওয়া হলে তা সবচেয়ে কার্যকরী হয়। এই সময় দুটো ডোজ নিতে হয়।

    সারভাইক্যাল ক্যানসারের টিকা কেন জরুরি

    ভারতে মহিলাদের যে ধরনের ক্যান্সার (Cervical Cancer) বেশি হয়, তার মধ্যে এই জরায়ু-মুখের ক্যান্সার দ্বিতীয় স্থানে। দেশে প্রতি বছর অন্তত এক লক্ষ ২০ হাজার মহিলা এই রোগে আক্রান্ত হন। বছরে কমপক্ষে ৭৭ হাজার মহিলার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা বলেন, অল্প বয়সেই টিকা দিলে এই ক্যান্সারের সম্ভাবনা কমানো যায়। সেই কারণেই টিকা কর্মসূচি শুরু করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। আগেই স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছিল, তিন বছরের জন্য তিন দফায় এই কর্মসূচি চালানো হবে। অন্তত সাত কোটি টিকার জোগাড় হলেই কর্মসূচি শুরু হবে। বিভিন্ন সমীক্ষা অনুযায়ী প্রায় ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রেই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে এই ক্যানসার হয়। এই ভাইরাসকে আটকানোর টিকা নিলে এবং প্রতিরোধবিধি সম্পর্কে সচেতন থাকলে এই রোগটিকে নির্মূলও করা যায়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cervical Cancer Vaccine: জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা নিয়ে হাজির সিরাম, আজ থেকে শুরু হচ্ছে ট্রায়াল 

    Cervical Cancer Vaccine: জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা নিয়ে হাজির সিরাম, আজ থেকে শুরু হচ্ছে ট্রায়াল 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা শাস্ত্রে সাফল্যের মুখ দেখল ভারত। চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বড় বড় অবদান রাখল দেশ। সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (SII) এবং ডিপার্টমেন্ট অফ বায়োটেকনোলজি (DBT) জরায়ুমুখের ক্যানসারের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম দেশীয়ভাবে তৈরি কোয়াড্রিভালেন্ট হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস ভ্যাকসিন (QHPV) লঞ্চ করছে আজ। বৃহস্পতিবার এই বহুল প্রতীক্ষিত ভ্যাকসিনটির উদ্বোধন করবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং।  

    আরও পড়ুন: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন 

    ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন (NTAGI) কোভিড ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারপারসন ডাঃ এন কে অরোরা এ বিষয়ে বলেন, “ভারতে তৈরি এই ভ্যাকসিনের লঞ্চ এক গৌরবময় অভিজ্ঞতা। এটা ভেবেই ভালো লাগছে যে, এখন আমাদের দেশের মেয়েরা এই টিকা নিতে পারবেন।” তিনি আরও বলেন, “এই ভ্যাকসিন চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি এখন দেশেও সহজলভ্য হবে। আশা করা যায় এই টিকা চালু হওয়ার পর সরকার শীঘ্রই ৯-১৪ বছর বয়সী মেয়েদের টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করবে।”

    আরও পড়ুন: মাছ-মাংস-ডিমের চেয়েও বেশি উপকারী সয়াবিন, জানেন কেন? 
      
    ডাঃ অরোরা আরও বলেন, “এই টিকা জরায়ুর ক্যানসার (Cervical Cancer) প্রতিরোধ করে। ৮৫ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে টিকার অভাবে জরায়ুর ক্যানসারের সম্ভবনা বেড়ে যেত। কিন্তু এখন আর তা হবে না। যদি ছোট বাচ্চাদের এবং মেয়েদের আগেই এই টিকা দিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে তারা সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকবে এবং এর ফলে তাদের পরবর্তী ৩০ বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা কমবে। এই টিকা আবিষ্কারের ফলে ভারতের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলিও উপকৃত হবে।”

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্যানসার অন্যান্য ক্যানসারের থেকে অনেকটাই আলাদা। কারা এই রোগে ভবিষ্যতে আক্রান্ত হতে পারেন, তা আগে থেকেই বোঝা সম্ভব। এইচপিভি ভাইরাস শরীরে প্রবেশের প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর পর শরীরে দেখা দেয় এই ক্যানসার। ফলে সচেতন থাকলে এই ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব। টিকার মাধ্যমে এই রোগ হওয়া আটকানো যায়। তবে যৌন সংসর্গ শুরুর আগেই নারীদের এই টিকা নিয়ে নিতে হয়।  

    এত দিন সারভাইক্যাল ক্যানসারের টিকা হিসেবে পাওয়া যেত গার্ডাসিল ও সার্ভারিক্স। ওই দুই টিকাই আনতে হতে বিদেশ থেকে। এ বার জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা মিলবে দেশেই। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share