Tag: cgo complex

cgo complex

  • Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    Rituparna Sengupta: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির ঋতুপর্ণা! সঙ্গে অভিনেত্রীর হিসাবরক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (Rituparna Sengupta)। বুধবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতরে পৌঁছন অভিনেত্রী। যদিও ঋতুপর্ণা সিজিওতে (CGO Complex) পৌঁছনোর আগেই সেখানে পৌঁছন তাঁর হিসাবরক্ষক। ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু হিসাব সংক্রান্ত কাগজপত্র নিয়ে দফতরে পৌঁছছেন তিনি। এদিকে, এদিন অভিনেত্রীর সঙ্গে রয়েছেন তাঁর আইনজীবীরাও। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ যেখানে করা হবে সেখানে আপাতত আইনজীবীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলেই ইডি সূত্রে খবর।  

    কী কারণে তলব অভিনেত্রীকে? (Rituparna Sengupta)

    রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে ঋতুপর্ণার আর্থিক লেনদেনের তথ্য তদন্তকারীরা হাতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন এক ইডি আধিকারিক। যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে এই বিষয়ে সবিস্তারে কিছু জানায়নি ইডি। ওই সূত্র মারফত আরও জানা যায়, ওই অভিযুক্তের সঙ্গে প্রায় কোটির অঙ্কে আর্থিক লেনদেন হয়েছে একটি সংস্থার, যার প্রোপ্রাইটর হিসাবে নাম রয়েছে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার। সেই লেনদেন সম্পর্কে জানতেই ঋতুপর্ণাকে তলব করে ইডি।

    এ প্রসঙ্গে ঋতুপর্ণার (Rituparna Sengupta) হিসাবরক্ষক জানিয়েছিলেন, অভিনেত্রীর কাছে যে সমস্ত হিসাব চেয়েছিল ইডি, তা তিনি, অর্থাৎ হিসাবরক্ষকই দেখাশোনা করেন। তাই হিসাব বুঝিয়ে দিতে সুবিধা হবে বলে তিনি এসেছেন। অভিনেত্রীও পরে সিজিওতে (CGO Complex) আসবেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন হিসাবরক্ষক। সেই মতো কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিনেত্রী এসে পৌঁছন সিজিওতে।

    আরও পড়ুন: ১,৭৪৯ কোটি টাকায় নির্মিত নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাসের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলাতেও তলব করেছিল ইডি

    গত ৫ জুন সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে অভিনেত্রীকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু, অভিনেত্রী (Rituparna Sengupta) সেই সময়ে বিদেশে ছিলেন। তাই মেল পাঠিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর পক্ষে এখন সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) যাওয়া সম্ভব নয়। দেশে ফিরে এলে যোগাযোগ করার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। সেই মতো এবার হাজিরা দিলেন অভিনেত্রী। তবে উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতির আগে ২০১৯ সালে রোজভ্যালি মামলায় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময়ও ইডি-র দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Enforcement Directorate: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, রথীন্দ্রনাথ দে-কে সিজিওতে তলব ইডির

    Enforcement Directorate: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি, রথীন্দ্রনাথ দে-কে সিজিওতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজ্যের চারটি জায়গায় একশো দিনের কাজের দুর্নীতিতে তল্লাশি অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি (Enforcement Directorate)। মুর্শিদাবাদের রথীন্দ্রনাথ দে-র বাড়িতে চলে ব্যাপক তল্লাশি। সেই সঙ্গে সাত ঘণ্টা চলেছে টানা জেরা। ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদ্ধার হয়েছে। ফের তাঁকে আগামী শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই দিন সকাল ১০টায় হাজিরা দিতে হবে। উল্লেখ্য, রাজ্যে ১০০ দিনের কাজের দুর্নীতি নিয়ে ক্যাগ রিপোর্ট দিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু বক্তব্য, “তৃণমূল এখন ক্যাগ আতঙ্কে ভুগছে”।

    ইডি সূত্রে খবর (Enforcement Directorate)

    ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বেলডাঙা ১ ব্লকের বিডিও বিরূপাক্ষ মিত্র এই পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তুলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তখন অবশ্য রথীন্দ্র বেলডাঙা-১ এর সুজাপুর-কুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যণ্ট পদে কাজ করেছিলেন। উল্লেখ্য, এই অভিযোগের ভিত্তিত্বে তাঁকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এই সূত্র ধরেই তাঁর বহরমপুরের বাড়িতে মঙ্গলবার সারাদিন ব্যাপী চলে তল্লাশি। এবার বোন ইতি চট্টোপাধ্যায়কেও কলকাতায় সিজিও কমপ্লেক্সে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার হয়েছে তল্লাশি

    গতকাল মঙ্গলবার মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের মধুপুরের কালীবাড়ি এলাকায় রাজ্যের দুই সরকারি কর্মীর বাড়িতে ইডি (Enforcement Directorate) কর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একশো দিনের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত কর্মী এবং অপর ব্যক্তি হলেন মুর্শিদাবাদ জেলার মনরেগা প্রকল্পের বর্তমান নোডাল অফিসার সঞ্চয়ন পান।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    গতকাল ইডির (Enforcement Directorate) তদন্ত নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে শশী পাঁজা বলেছেন, “শুভেন্দু দিল্লিতে একাধিক মন্ত্রক এবং মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন। আলোচনার বিষয় সম্পর্কে কিছুই বলেননি। অথচ ঠিক পরের দিন থেকেই ইডি সক্রিয় হয়ে পড়েছে। আগামী দিনে কী ইডি পরিচালনা করবে? আসলে ২০২১ সালে বিধানসভায় হারার পর থেকেই বিজেপি  প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে।”    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Fake ED officer: ভুয়ো ইডির অফিসারের পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রতারণা! সিজিওতে এনে ব্যাপক মার

    Fake ED officer: ভুয়ো ইডির অফিসারের পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রতারণা! সিজিওতে এনে ব্যাপক মার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভুয়ো ইডির অফিসারের (Fake ED officer) পরিচয় দিয়ে বিয়ে করার চেষ্টা এক যুবকের। সেইসঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে যুবক। অভিযুক্তকে একেবারে হাতেনাতে ধরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সামনেই গণপ্রহার করল প্রতারণার শিকার মেয়ের পরিবার। অভিযুক্ত অবশ্য স্বীকার করেছে আগেও তিনটি পরিবারের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    অভিযুক্তের পরিচয় কী (Fake ED officer)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ন’মাস আগে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তরুণীর সঙ্গে আলাপ হয়। ভুয়ো ইডি অফিসার যুবকের (Fake ED officer) নাম প্রদীপ সাহা। নিজেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এরপর দুই পরিবারেরে মধ্যে সেই মতো কথাবার্তাও এগিয়ে যায়। অভিযুক্তের বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে।

    তরুণীর পরিবারের অভিযোগ

    ঘটনায় প্রতারিত তরুণীর অভিযোগ হল, “প্রদীপ নিজেক ইডির (Fake ED officer) তদন্তকারী অফিসার হিসাবে পরিচয় দিয়েছিল। ইতিমধ্যে বিবাহের কথা বলে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়েও নিয়েছে। এরপর তার আচরণে সন্দেহ হলে হাত-পা বেঁধে সোজা ইডির দফতর সিজিও-তে নিয়ে আসা হয় প্রদীপকে। সঙ্গে ছিলেন তরুণীর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু দফতরে আনার পর প্রদীপের পরিচয় জানা গেল, সে কোনও ইডির অফিসার নয়। এরপর শুরু হল বেধড়ক মারধর।”

    তরুণীর ভাইয়ের বক্তব্য

    তরুণীর ভাই দেবজিৎ সাহা জানিয়েছেন, “সাদি ডট কম ওয়েব সাইট থেকে আমাদের পরিবারের সঙ্গে আলাপ হয়। বিয়ের কথা ঠিক হলে বিয়ের জন্য কার্ড ছাপানো হয়। আমাদের পরিবারের কাছে প্রদীপ জানায় দুর্নীতির তদন্ত করে তার শরীর খারাপ, তাই চিকিৎসার জন্য টাকা প্রয়োজন। এরপর টাকার চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকে। কিন্তু পরে সংস্থার দফতরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, সেখানে প্রদীপ নামে কেউ কোনও বিভাগে কাজ করে না। এরপর তাকে উত্তমমধ্যম দেওয়া হয়। তার কাছ থেকে ভুয়ো কার্ড এবং ইডি (Fake ED officer) লেখা জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়।”

    প্রসঙ্গ ক্রমে জানা গিয়েছে প্রদীপকে এই প্রতারণার কাজে সহযোগিতা করছে তার মা এবং বোন। মূলত মোবাইলের অ্যাপের মধ্যমে সে এই কাজ করত বলে জানা গিয়েছে। নিজেকে অবশ্য নির্দোষ বললেও তাকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ আপাতত তদন্ত শুরু করেছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেলেও দেখা মিলল না শাহজাহানের

    Shahjahan Sheikh: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেলেও দেখা মিলল না শাহজাহানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দেওয়া সময় অতিক্রম করে গেল। দেখা মিলল না তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh)। সন্দেশখালিতে সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের আক্রমণের শিকার হতে হয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির তিনজন অফিসারকে। আজ ঘটনার ২৪ দিন পার হলেও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন না এই তৃণমূল নেতা। ইডির অনুমান বাংলাদেশে গাঢাকা দিয়েছেন।

    বাড়িতে নোটিশ দিয়েছিল ইডি (Shahjahan Sheikh)

    সন্দেশখালিতে দুবার অভিযান চালিয়েও ধরতে পারেনি তদন্তকারী অফিসারেরা। গত বুধবার তাঁর বাড়িতে এক কোম্পানি বাহিনী নিয়ে তল্লাশি করতে গিয়েছিল ইডি। কিন্তু খোঁজ মেলেনি শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh)। তদন্তকারী অফিসারেরা এই তৃণমূল নেতার বাড়িতে নোটিশ দিয়ে বলে আসেন, আগামী ২৯ জানুয়ারি সকাল ১১ টায় সল্টলেকের ইডির দফতরে হাজিরা দিতে হবে। সেইসঙ্গে পাসপোর্ট, ভোটার, আধার, ছবি সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু আজও সেই নির্ধারিত দিনে দেখা মেলেনি তৃণমূল নেতার। এমনকী তাঁর পক্ষাবলম্বন করে কোনও আইনজীবীরও দেখা মেলেনি এদিন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কেউ আসেননি বলে জানা গিয়েছে।

    না আসায় ইডির পদক্ষেপ কী হবে?

    শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) সত্যিই ইডির ডাকে আসবেন কি না এই নিয়ে সংশয় প্রথম থেকেই ছিল। তবে শাহজাহান ঘনিষ্ঠ মহলে খবর, এদিন সিজিওতে আসলেই গ্রেফতার হতে পারেন। আবার অন্যরকম ভাবে আত্মসমর্পণ করতেও পারেন শাহজাহান। ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তৃণমূলের এই নেতা না এলেও ইডি তদন্ত যেমন ভাবে চালাচ্ছে ঠিক তেমনি ভাবে চালাবে। এখনও পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে অনেক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। সেগুলি ভালো করে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সম্পত্তির কেনাবেচার ক্ষেত্রেও দুর্নীতি করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। ফলে অর্থ তছরুপের মামলায় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তবে তাঁর নিরুদ্দেশ সম্পর্কে ইডির অনুমান বাংলাদেশে গিয়ে গাঢাকা দিয়েছেন তিনি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম নিখোঁজ সম্পর্কে বলেন, “শাহজাহান (Shahjahan Sheikh) যা করেছে অন্যায় করেছে। আমি গণমাধ্যমে দেখেছি। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা করেছে অত্যন্ত অন্যায়।” এখন দল দূরত্ব তৈরি করছে কিনা তাই নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

    আবার বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর শাহজাহান সম্পর্কে বলেন, “এই তৃণমূল নেতা মায়নামারে পালিয়ে গিয়েছে।” মাঝে একটি অডিও বার্তা সামাজিক মাধ্যমে শোনা গিয়েছিল। তবে এই তৃণমূল নেতা কোথায় আছে সেটাই প্রশাসনের কাছে একটি বড় প্রশ্ন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: রেশন দুর্নীতির দায়ে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারকে তলব ইডি-র 

    Ration Scam: রেশন দুর্নীতির দায়ে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারকে তলব ইডি-র 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতির (Ration Scam) তদন্তে ধৃত তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর পরিবারের সদস্যদের তলব করেছিল ইডি। শুক্রবার তাঁর মা, মেয়ে ও ভাইয়ের স্ত্রী ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন।  সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় এজেন্সির (Central Agency) অনুমান, সপরিবারে রেশন দুর্নীতিতে জড়িত বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্য (Shankar Adhya)। 

    কেন তলব ইডি-র

    শঙ্কর আঢ্য তাঁর মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও ভাইয়ের নামে বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা খুলেছিলেন , বলে দাবি ইডি-র। রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইতিমধ্যেই ৯৫ বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থার হদিশ মিলেছে। ৬টি বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা শঙ্কর ও তাঁর পরিবারের নামে, বাকি সংস্থা ছিল ‘ভুয়ো নামে’, আদালতে জমা দেওয়া তালিকায় এই তথ্য জানিয়েছে ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট সূত্রে দাবি, যে সব মুদ্রা বিনিময় বা ফোরেক্স সংস্থার মাধ্যমে দুবাই ও বাংলাদেশে টাকা পাচার করা হয়েছে, তার মধ্যে একাধিক সংস্থা রয়েছে শঙ্কর আঢ্য ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, শঙ্কর আঢ্যর নিজের নামে যেমন রয়েছে এস আর আঢ্য ফিনান্স প্রাইভেট লিমিটেড, তেমনই তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্যর নামে রয়েছে অর্পণ ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড।

    আরও পড়ুন: ‘‘ব্যাগ গোছাতে শুরু করুন’’, ইডি হানায় খোঁচা শুভেন্দুর, ‘‘খেলা শুরু হয়েছে’’, কটাক্ষ দিলীপের

    কোন কোন সংস্থা পরিবারের নামে

    এদিন শঙ্কর আঢ্যকে মেডিক্যালের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। বেরোনোর সময় শঙ্কর তাঁর পরিবারের সদস্যদের তলব প্রসঙ্গে বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে যাকে খুশি ডাকতেই পারে এজেন্সি।’ তদন্তকারীদের অনুমান, কালো টাকা কীভাবে সাদা করা হবে, সেই ষড়যন্ত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল শংকর আঢ্যর। যাতে পরিবারের সদস্যদেরও যুক্ত করেছিলেন তিনি। শঙ্কর আঢ্যর পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না আঢ্যও এস আর আঢ্য ফিনান্স প্রাইভেট লিমিটেডের অংশীদার। শঙ্কর আঢ্যর ছেলে শুভ আঢ্য ও শ্যালক অমিত ঘোষের নামে রয়েছে শঙ্কর ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। মেয়ে ঋতুপর্ণা আঢ্যর নামে রয়েছে অর্পণ ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। ভাই মলয় আঢ্য ও মা শিবানী আঢ্যর নামে রয়েছে আঢ্য ফোরেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। ইডি সূত্রে দাবি, এভাবেই নিজের মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও ভাইয়ের নামে বিদেশি মুদ্রা বিনিময় সংস্থা খুলে বিদেশে টাকা পাচারের কারবার ফেঁদে বসেছিলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সহ সভাপতি। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা! ইডির দফতরে গিয়ে দাবি গোপাল দলপতির

    SSC Scam: মিথ্যে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা! ইডির দফতরে গিয়ে দাবি গোপাল দলপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির দফতরে হাজিরা দিলেন নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বহুল চর্চিত নাম গোপাল দলপতি। মঙ্গলবার দুপুর ২টো নাগাদ ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। মুখে নীল মাস্ক, চোখে চশমা, পরনে সাদা শার্ট। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাপস মণ্ডল। নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ বারবার অভিযোগ করেছিলেন, টাকা নেননি তিনি। এই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন গোপাল দলপতি। সেই গোপাল এবার নিজেই এলেন ইডির দফতরে বয়ান নথিভুক্ত করতে।

    গোপালের দাবি

    এদিন ইডি দফতরে ঢোকার আগে গোপাল বলেন,”আমি কারও কাছ থেকে কোনও টাকা নিইনি। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও চিনি না। আমার সঙ্গে কুন্তলের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন তাপসবাবু। কুন্তল আমার নামে যা বলছে সবই মিথ্যে ও ভিত্তিহীন।” গত ২১ জানুয়ারি কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারির পর তাঁর মুখেই প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে গোপাল দলপতির নাম। তার পর থেকে গোপালের খোঁজে ছিল ইডি। সোমবার নিজেই ইডি দফতরে ফোন করে বয়ান রেকর্ড করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। মঙ্গলবার তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলেন ইডির গোয়েন্দারা। এর পর জানা যায় তাপস মণ্ডলের মধ্যস্থতায় গোপালের খোঁজ পেয়েছে ইডি। মঙ্গলবার সেই তাপস মণ্ডলের সঙ্গেই ইডি দফতরে ঢুকলেন গোপাল।

    আরও পড়ুন: বিপুল জনসমাগম! নেতাইয়ের সভা থেকে মমতা-অভিষককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মুখোমুখি জেরা

    বছর খানেক আগে এক চিটফান্ড মামলায় দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করে গোপাল দলপতিকে। সেই থেকে তিহার জেলে বন্দি ছিলেন তিনি। জানা যায়, পরে অবশ্য জামিনে মুক্ত পান তিনি। ইডি সূত্রের খবর, গোপাল দলপতি, তাপস মণ্ডল ও কুন্তল ঘোষকে এবার মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। কী ভাবে কুন্তলের টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছত, এই তিন জনকে জেরা করে সেই ছবি স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকেরা। এদিন গোপালের বয়ান রেকর্ড করা হয়। তিনি যে বয়ান দেবেন সেটিকে সামনে রেখেই পরের দিকে কে সত্যি বলছেন সেটা জানার চেষ্টা করা হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Menoka Gambhir: হঠাৎ মধ্যরাতে আইনজীবীকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির মেনকা গম্ভীর! কেন?

    Menoka Gambhir: হঠাৎ মধ্যরাতে আইনজীবীকে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির মেনকা গম্ভীর! কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনটা ঘটার কথা নয়। তবু ঘটল। রবিবার রাত সাড়ে ১২ টার সময় ইডির দফতরে পৌঁছলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) শ্যালিকা (sister-in-law) মেনকা গম্ভীর (Menoka Gambhir)। কয়লা মামলায় (Coal scam) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে তলব করে ইডি (ED)। মধ্য রাতে সিজিও কমপ্লেক্সে স্বাভাবিক ভাবেই সেই সময়ে সিজিও-র মূল দরজায় তালা ঝোলানো ছিল। কর্তব্যরত জওয়ানদের মেনকারা জানান, এই সময়ে তাঁদের তলব করা হয়েছে। তারপর তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়। মেনকা এবং তাঁর আইনজীবী যান পাঁচতলায়। কিন্তু সেখানেও কেউ ছিলেন না। ফলে খানিকক্ষণ অপেক্ষা করে রাত একটা নাগাদ সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা।

    কিন্তু এত রাতে এই নাটকের মানে কী? স্বভাবতই যে কেউ বুঝতে পারবেন এত রাতে কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে না। এটা হয়ত বা যান্ত্রিক ত্রুটি। কী কোনওভাবে ভুলবশত হয়ে গিয়েছে। যদিও বা এই ধরনের ভুল কাম্য নয়। কিন্তু এই বিচিত্র সময়ে ডাকার কারণ আগেই চিঠি দিয়ে জানতে চাইতে পারতেন মেনকা। কিন্তু তিনি তা না করে নিজের আইনজীবী  সৌমেন মহান্তিকে নিয়ে রাতেই ইডির দফতরে যান। শুরু হয় নাটক। সংবাদ মাধ্যমকে ডেকে এই খবর দেওয়া হয়। এটা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ছোট করার জন্য পরিকল্পিত ভাবে করা হয়েছে, বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন: বাংলায় কালো টাকার পাহাড়! এবার ইডি হানা কোথায়?

    এর আগে শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা মেনকাকে ব্যাঙ্কক যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরেই আটকে দেয় ইডি। লুকআউট সার্কুলার থাকায় তাঁকে ফিরতে হয় কলকাতা বিমানবন্দর থেকে।  বিমানবন্দর সূত্রে খবর,মেনকা অভিবাসন দফতরের কাউন্টারে যাওয়ার পরই সেখানকার অফিসাররা তাঁকে ইডির লুকআউট সার্কুলারের কথা জানান।  এরপর তাঁকে প্রায় আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয় অভিবাসন দফতরের একটি ঘরে। অভিবাসন দফতর বিষয়টি জানায় দিল্লির ইডি দফতরে। তারপর কলকাতার ইডি দফতরের এক অফিসার পৌঁছে যান বিমানবন্দরে। আগামী সপ্তাহে কলকাতার ইডি দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে ইডির নোটিস ধরানো হয় মেনকাকে। ওই নোটিসেই সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ‘টুয়েলভ থার্টি PM’-এর বদলে কোনওভাবে ‘টুয়েলভ থার্টি AM’হয়ে যায়। 

    সূত্রের খবর, নোটিস পাঠিয়েও ইডির তরফে কারও না থাকাকে হাতিয়ার করে এবার পাল্টা আইনি লড়াইয়ে হাঁটতে পারেন মেনকা গম্ভীর। যদিও এ ব্যাপারে সোমবার পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। সময়ের গণ্ডগোলের জন্য আজ হয়ত হাজিরা দেবেন না মেনকা যদি না পাল্টা সমন জারি করা হয় এমনটাই জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী।

    এদিকে, ভুল সংশোধন করে সোমবার সকালে মেনকাকে নতুন সমন পাঠানো হয়। সেই মতো, দুপুর ১২টা ৪৩ মিনিটে সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালিকা। এদিন তাঁকে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। 

LinkedIn
Share