Tag: Chabahar Port

Chabahar Port

  • India Taliban Officials Meet: আফগান ভূমে পাক হামলার নিন্দার পরেই আলোচনার টেবিলে নয়াদিল্লি-কাবুল

    India Taliban Officials Meet: আফগান ভূমে পাক হামলার নিন্দার পরেই আলোচনার টেবিলে নয়াদিল্লি-কাবুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে পাকিস্তান। তার জেরে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের। এই সুযোগটাকেই সুন্দরভাবে কাজে লাগিয়ে দিল মোদি সরকার (Modi Government)। বুধবার দুবাইয়ে আলোচনার টেবিলে বসলেন ভারত ও আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসনের প্রতিনিধিরা (India Taliban Officials Meet)। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সচিব বিক্রিম মিস্রির সঙ্গে বৈঠক হয়েছে আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির। উপস্থিত ছিলেন দু’দেশের উচ্চ পর্যায়ের একাধিক মন্ত্রী ও সরকারি আধিকারিক।

    আলোচনার টেবিলে ভারত-আফগানিস্তান (India Taliban Officials Meet)

    ২০২১ সালে তালিবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা পুনর্দখলের পরে এই প্রথমবার বিদেশের মাটিতে প্রতিনিধি পর্যায়ের এমন বৈঠক হল। এই বৈঠকের ঠিক দু’সপ্তাহ আগেই আফগানিস্তানের মাটিতে হামলা চালায় পাক বায়ুসেনা। এই হামলার দু’সপ্তাহের মাথায় কাছাকাছি এল ভারত ও আফগানিস্তান। সাউথ ব্লকের তরফে জানানো হয়েছে, এই বৈঠকে (India Taliban Officials Meet) আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে ইরানের চাবাহার বন্দর (Chabahar Port) থেকে পণ্য চলাচল পরিবহণ ও ক্রিকেট সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    ট্র্যাক-টু কূটনীতি

    প্রসঙ্গত, গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করলেও, এখনও রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃতি পায়নি আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। ভারত-সহ বিশ্বের সিংহভাগ দেশের সঙ্গেই তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। মোদি সরকারও (Modi Government) তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি (India Taliban Officials Meet)। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে নয়াদিল্লি-কাবুল কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই। এহেন আবহে মোদি সরকার ট্র্যাক-টু কূটনীতির মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছে আফগানিস্তানের শাসকদের সঙ্গে। বিপদের সময় পাশে থাকায় ভারত সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আফগানিস্তানের মন্ত্রী। দুই দেশই ভারত ও আফগানিস্তানের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের ওপর জোর দেন।

    আরও পড়ুন: তিরুপতি মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    ভারত-আফগানিস্তান কাছাকাছি চলে আসায় প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভারত ও আফগানিস্তানকে আলোচনার টেবিলে বসিয়ে (India Taliban Officials Meet) পাকিস্তানকে আরও একবার মাত দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার (Modi Government)। এর আগে আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্পের সময় ‘মানবিক সাহায্য’ পাঠিয়েছিল ভারত। এদিনের বৈঠকে সেজন্য নয়াদিল্লির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তালিবান প্রশাসনের মন্ত্রী। ২৫ ডিসেম্বর ভোরে আফগানিস্তানের পাকতিকা প্রদেশে হামলা চালায় পাক বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান। মৃত্যু হয়েছিল মহিলা, শিশু-সহ ৪৬ জন সাধারণ মানুষের। সোমবারই ওই হামলার নিন্দা করে বিবৃতি দিয়েছিল ভারত। তার ঠিক দু’দিনের মধ্যেই আলোচনার টেবিলে বসে গেল নয়াদিল্লি ও কাবুল (India Taliban Officials Meet)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chabahar Port: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই ভারত-ইরানের, জানুন বিশদে

    Chabahar Port: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই ভারত-ইরানের, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার (Chabahar Port) পরিচালনার জন্য আজ, সোমবার চুক্তি স্বাক্ষরিত হল ভারত ও ইরানের মধ্যে। চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে ইরানে গিয়েছিলেন জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। চুক্তি হল দশ বছরের জন্য। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া ও ইউরেশিয়ান সীমান্তের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ সুগম হল। 

    নয়া চুক্তি কীভাবে আলাদা? (Chabahar Port)

    ২০১৬ সালে যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে কেবল চাবাহার বন্দরের শাহিদ বেহেসিট টার্মিনালের অপারেশন করতে পারত ভারত। চুক্তি পুনর্নবীকরণ করতে হত ফি বছর। নয়া চুক্তি হল আপাতত ১০ বছরের জন্য। চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত এবার পুরো বন্দরের দায়িত্ব পেল। কারণ বন্দর বাড়াতেও অর্থ সাহায্য করেছে ভারত।

    বন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ কেন?

    ভারতের জাহাজমন্ত্রীর ইরান সফর এবং এই চুক্তির একটি বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। কারণ চুক্তিটি সম্পাদিত হল এমন একটা সময়, যখন ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, এই প্রথম ওভারসিজ একটি বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব নিল ভারত (Chabahar Port)।

    ভারত কীভাবে উপকৃত হবে?

    চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ায় ভারত বন্দরটি পরিচালনা করতে পারবে। শুধু তাই নয়, এই বন্দরটিকে ভারত যুক্ত করতে পারবে ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডরের সঙ্গে। যার জেরে পাকিস্তানকে এড়িয়েই আফগানিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার সঙ্গে অনায়াস হবে ভারতের যোগাযোগ। যেহেতু স্থলপথে আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ার সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যের পথে প্রধান অন্তরায় পাকিস্তান, তাই এই চুক্তি ভারতের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    কেন চাবাহার বন্দর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ?

    ভারত ও ইরান দুই দেশের কাছেই চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব অপরিসীম। ভারত এই বন্দর পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ায় একদিকে যেমন পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে ব্যবসা করতে পারবে ইরান, তেমনি অন্যদিকে পাকিস্তানকে এড়িয়ে একটা বাইপাস রুটও তৈরি হল। পাকিস্তানের গ্বদর বন্দর এবং চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের কাউন্টার ব্যালেন্স হিসেবে কাজ করবে চাবাহার বন্দর (Chabahar Port)।

    চাবাহার বন্দরের তাৎপর্য

    চাবাহার ইরানের প্রথম ডিপওয়াটার বন্দর। ওমান উপসাগরের মুখেই রয়েছে বন্দরটি। এর অবস্থান সিস্টান-বালুচিস্তান প্রভিন্সে। পাকিস্তানের গ্বদর বন্দরের উন্নয়ন করছে চিন। তারই অদূরে চাবাহার বন্দরের উন্নয়ন করছে ভারত।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    চাবাহার বন্দরের সঙ্গে ভারতের ইনভলভমেন্ট

    ২০০২ সালে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ খাতামির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হাসান রুহানির সঙ্গে আলোচনা হয় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রজেশ মিশ্রের। পরে খাতামি ভারত সফরে এসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজয়েপীর সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপের রোডম্যাপে স্বাক্ষর করেন (Chabahar Port)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chabahar Port Contract: নির্বাচন-পর্ব মিটলেই স্বাক্ষরিত হবে ভারত-ইরান চাবাহার বন্দর চুক্তি!

    Chabahar Port Contract: নির্বাচন-পর্ব মিটলেই স্বাক্ষরিত হবে ভারত-ইরান চাবাহার বন্দর চুক্তি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসান হতে চলেছে দীর্ঘ অপেক্ষার। রূপায়ণ হতে চলেছে ইরানের চাবাহার বন্দর চুক্তি (Chabahar Port Contract)। দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে আলোচনা চলছিল। শেষমেশ রাজি হয়েছে তেহরান (ইরানের রাজধানী)। বর্তমানে ভারতে চলছে লোকসভা নির্বাচন। এই পর্ব চুকে গেলেই স্বাক্ষরিত হবে চাবাহার বন্দর চুক্তি।

    চিনকে চাপে রাখার কৌশল! (Chabahar Port Contract)

    ভারতকে চাপে রাখতে বিভিন্ন দেশের বন্দরের দখল নিচ্ছে চিন। এর পরেই ভারতও উদ্যোগী হয় বিভিন্ন বন্দরের রাশ হাতে নিতে। ইতিমধ্যেই মায়ানমারের একটি বন্দরের রাশ হাতে নিয়েছে ভারত। ভারত-ইরান চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে চাবাহার বন্দরের রশিও চলে আসবে নয়াদিল্লির হাতে। জানা গিয়েছে, নির্বাচনের পর উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরানের ওই বন্দর পরিদর্শনে যাবে। চলতি বছরের মাঝামাঝি ওই দল যেতে পারে চাবাহার (Chabahar Port Contract) দর্শনে। চাবাহার বন্দর চুক্তির জল যে অনেক দূর গড়িয়েছে, তা জানিয়েছে ইরানও। ইরানিয়ান দূতাবাসের এক মুখপাত্র বলেন, “চুক্তি শেষ পর্যায়ে। ভারতীয় প্রতিনিধি দল কবে ইরান সফরে যান, আমরা সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছি। এই চুক্তির ফলে উভয় তরফই লাভবান হবে।”

    কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব যে খুব কম নয়, সে ইঙ্গিত মিলেছিল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথায়। ২০১৮ সালে ভারত সফরে এসেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রওহানি। তাঁর সেই সফরে ভারতের সঙ্গে ইরানের বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “চাবাহার বন্দর তৈরি হওয়ার পর আফগানিস্তানের মতো স্থলবেষ্টিত একটি দেশের সামনে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ এসে গেল।”

    আরও পড়ুুন: ‘দাদা’ ধরে চাকরি পাওয়াদের খুঁজে বের করতে মাঠে নেমে পড়ল সিবিআই

    প্রসঙ্গত, শত্রুদেশ পাকিস্তানকে এড়িয়ে ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে ভারতের ট্রানজিট রুট গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। সেই কারণেই চাবাহার বন্দরের রাশ হাতে নিতে চাইছে নয়াদিল্লি। এই সমুদ্রবন্দরটি বাড়ানো হচ্ছে সাড়ে ৮ কোটি মার্কিন ডলার ব্যয়ে। মনে রাখতে হবে, পাকিস্তানের গ্বদরে চিনের অর্থ সাহায্যে যে সমুদ্রবন্দরটি গড়ে তোলা হচ্ছে, সেখান থেকে চাবাহার বন্দরের দূরত্ব ৯০ কিলোমিটার। ভূকৌশলগতভাবে চাবাহার বন্দরের গুরুত্ব ভারতের কাছে অপরিসীম। ’২২ সালের বাজেটে তৎকালীন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এই বন্দরের উন্নয়নের জন্য বাজেট বরাদ্দ করেছিলেন ১০০ কোটি টাকা (Chabahar Port Contract)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chabahar Port: চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে বাণিজ্য চাই, কাবুলে তালিব সরকারের সঙ্গে বৈঠক ভারতের

    Chabahar Port: চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে বাণিজ্য চাই, কাবুলে তালিব সরকারের সঙ্গে বৈঠক ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করল নরেন্দ্র মোদির সরকার। সে দেশে (Chabahar Port) পালাবদলের পর এই প্রথম কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু করল নয়াদিল্লি। বিদেশমন্ত্রকের পাকিস্তান-আফগানিস্তান-ইরান বিষয়ক যুগ্মসচিব জেপি সিং সহ ভারতীয় কূটনীতিকদের একটি দল কাবুলে গিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে বৈঠক করেছে আফগানিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ওয়াকিল আহমেদ মুত্তাওয়াকিলের সঙ্গে।

    ভারতের ঘোষণা

    লক্ষ্মীবারে বৈঠক হলেও, সলতে পাকানোর কাজ শুরু হয়েছিল কিছু দিন আগেই। আফগানিস্তানকে ৫০ হাজার টন গম, ওষুধ, করোনার টিকা ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল ভারত। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, ভারতের এই পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে চিনা আগ্রাসনের চোখরাঙানি। প্রায় তিন সপ্তাহ আগেই আফগানিস্তানের তালিব সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা করেছিল চিন। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কার মতো আফগানিস্তানও যাতে ড্রাগনের খপ্পরে না পড়ে, তা-ই ত্রাণসামগ্রী দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে নয়াদিল্লি।

    চাবাহার বন্দরে (Chabahar Port) বাণিজ্যে আগ্রহী ভারত

    আড়াই বছর আগে আফগানিস্তানের দখল নিলেও, এখনও রাষ্ট্রপুঞ্জের স্বীকৃতি পায়নি আফগানিস্তানের তালিব সরকার। ভারত-সহ বিশ্বের সিংহভাগ দেশের সঙ্গেই স্বীকৃত কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই কাবুলের। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতের পদক্ষেপ কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক মহলের।

    তালিব সরকারের মুখপাত্র জানান, এদিনের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো, ট্রানজিট রুটের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, দুর্নীতি মোকাবিলা ও আইএস জঙ্গি দমনের মতো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি জানান, ইরানের চাবাহার বন্দরের (Chabahar Port) মাধ্যমে বাণিজ্য বাড়াতে চায় ভারত। সেই জন্যই কাবুলের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটানো প্রয়োজন বলে মনে করে ভারত।

    আরও পড়ুুন: চাকরির টোপ দিয়ে ‘মানব’ পাচার রাশিয়ায়, চক্রের খোঁজে ভারতজুড়ে সিবিআই তল্লাশি

    এক্স হ্যান্ডেলে আফগানিস্তানের তালিব সরকারের মুখপাত্র আবদুল কাহার বালখি লিখেছেন, “আজ, প্রজাতান্ত্রিক ভারতের বিদেশমন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি (আফগানিস্তান-ইরান-পাকিস্তান) জেপি সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে আইইএ-র বিদেশমন্ত্রী ওয়াকিল আহমেদ মুত্তাওয়াকিলের। বৈঠকে ভারত-আফগানিস্তান সম্পর্ক, অর্থনীতি, ট্রানজিট বিষয়, দেশে দুর্নীতি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।” তাঁর দাবি, আফগানিস্তানের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে ভারত আগ্রহী। তিনি বলেন, “সিং জানিয়েছেন, ভারত আফগানিস্তানের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে বাণিজ্যও বাড়াতে চেয়েছে ভারত (Chabahar Port)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Iran Relation: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই হল ভারত-ইরানের, জানেন এর গুরুত্ব?

    India Iran Relation: চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সই হল ভারত-ইরানের, জানেন এর গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গাঁটছড়া আরও শক্ত হল ভারত ও ইরানের (India Iran Relation)। ২০১৮ সালে ইরানের সঙ্গে ভারতের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৯টি। এর ঠিক ছ’বছর পরে সোমবার ইরানের চাবাহার বন্দরের উন্নয়ন নিয়ে সম্পাদিত হয়েছে আরও একটি চুক্তি। সম্প্রতি ইরান সফরে গিয়েছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

    চাবাহার বন্দর নিয়ে আলোচনা

    সেখানে ইরানের সড়ক ও আরবান ডেভেলপমেন্ট মন্ত্রী মেহরদাদ বাজরাপাসের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন জয়শঙ্কর। সেই বৈঠকেই চাবাহার বন্দরের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার পরাকাষ্ঠা তৈরি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইরানের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের এই বন্দরে ভারত যাতে কৌশলগত জলপথের সুবিধে পায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে ইরান ও ভারতের। ২০১৮ সালে ইরান-ভারত (India Iran Relation) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৯টি। সেই সময় বিদেশমন্ত্রী ছিলেন প্রয়াত সুষমা স্বরাজ। চাবাহার বন্দর নিয়ে চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, “চাবাহার বন্দর তৈরি হওয়ার পর আফগানিস্তানের মতো স্থলবেষ্টিত একটি দেশের সামনে যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়ানোর সুবর্ণ সুযোগ এসে গেল।”

    কী লিখলেন জয়শঙ্কর?

    ছ’বছর পরে যখন ইরানের সেই ছাবাহার বন্দর নিয়ে ইরান-ভারত চুক্তি সই হল, তখন বিদেশমন্ত্রীর ভূমিকায় জয়শঙ্কর। দু’ দিনের সফর সেরে যিনি সবে মাত্র ফিরেছেন দেশে। এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লিখেছেন, “তেহরানের সড়ক ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মেহরদাদ বাজরাপাসের সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। চাবাহার বন্দর নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পারস্পরিক সহযোগিতার মজবুত ভিত গড়তে বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডর নিয়ে মত বিনিময়ও হয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানে ক্ষেপণাস্ত্র হানা ইরানের, গুঁড়িয়ে দেওয়া হল জঙ্গি-ঘাঁটি

    জানা গিয়েছে, বাজরাপাস একটি জয়েন্ট ট্রান্সপোর্ট কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছেন জয়শঙ্করকে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতেই এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন ইরানের ওই মন্ত্রী। প্রসঙ্গত, গত বছর অগাস্ট মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কথা বলেছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট সঈদ ইব্রাহিম রাইসির সঙ্গে। সেখানেই দুই রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও ছাবাহার বন্দরের উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছিলেন (India Iran Relation)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Afghanistan: পাকিস্তানকে এড়িয়ে ইরানের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানে গম পাঠাচ্ছে ‘বন্ধু’ ভারত

    Afghanistan: পাকিস্তানকে এড়িয়ে ইরানের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তানে গম পাঠাচ্ছে ‘বন্ধু’ ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চরম খাদ্য সঙ্কটে তালিবান শাসিত আফগানিস্তান (Afghanistan)। ২০২১ সালে তালিবানের (Taliban) কাবুল দখলের পর থেকে ক্রমশই খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি। এই অবস্থায় আফগানিস্তানের (Afghanistan) পাশে দাঁড়াল নয়াদিল্লি। পাকিস্তানকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে আফগানিস্তানকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। মঙ্গলবার দিল্লিতে পাঁচ দেশের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, আফগানিস্তানে ২০ হাজার মেট্রিক টন গম পাঠানো হবে। তবে পাকিস্তান হয়ে নয়, এই গম যাবে ইরানের চাবাহার বন্দর দিয়ে। এর পাশাপাশি সেদেশের মহিলা ও সংখ্যালঘু-সহ সমস্ত মানুষের অধিকার রক্ষা করতে রাজনৈতিক পরিকাঠামোর উন্নতির দাবিও জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

    তালিবান দখলের পর ভারতের সহায়তা

    ২০২০ সালে, ভারত আফগানিস্তানে ৭৫,০০০ মেট্রিক টন গম পাঠানোর জন্য চাবাহার বন্দর ব্যবহার করেছিল। এরপর এবারে ফের ইরানের বন্দর ব্যবহার করে আফগানিস্তানে পাঠাতে চলেছে গম। একটি সরকারী বিবৃতি অনুসারে, আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে “আফগান জনগণের” জন্য ২০ হাজার মেট্রিক টন গম বিতরণের জন্য জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (UNWFP) সঙ্গে অংশীদারিত্ব ঘোষণা করেছে ভারত।

    মঙ্গলবার কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে ভারত। ভারত-মধ্য এশিয়ার যৌথ ওই বৈঠকেই নয়াদিল্লি ঘোষণা করে ভারতের তরফে ২০ হাজার মেট্রিক টন গম পাঠানো হবে আফগানিস্তানে। সেই সঙ্গেই আফগানিস্তানের প্রশাসনের আরও উন্নতি ঘটানোরও ডাক দিয়েছে ভারত। এর পাশাপাশি ভারত জোর দিয়েছে কোনওভাবেই যেন আফগানিস্তানকে জঙ্গিদের আশ্রয়, প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা কিংবা অন্য কোনও রকম কাজে ব্যবহার না করা হয়।

    পাকিস্তান হয়ে কেন পাঠানো হচ্ছে না গম?

    এর আগে পাকিস্তান হয়ে আফগানিস্তানে ত্রাণ পাঠাতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় ভারতকে। শোনা যায়, হাজার হাজার কেজি গম চুরি করছে পাকিস্তান। ভারত থেকে গম বোঝাই ট্রাকগুলি পাকিস্তান হয়ে আফগানিস্তানে প্রবেশ করে। কিন্তু নির্দেশ মত সেখানে গমের বস্তা না নামিয়ে ফেরার পথে অবৈধভাবে পাকিস্তানে প্রবেশ করে সেগুলি। আর সেখান থেকেই গম চুরি করে পাকিস্তান। পাকিস্তানের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। দেশটিতে খাদ্যসামগ্রী ও জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে ভারতের গম চুরি করছে দেশটি। এই খবর নয়াদিল্লির কাছেও পৌঁছেছিল।  তাই এবার পাকিস্তান হয়ে না গিয়ে ইরানের চাবাহার বন্দর দিয়ে আফগানিস্তানে গম পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।

    ভারতের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে তালিবানরা

    ভারত সেদেশের জনগণের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় তালিবানরা এর প্রশংসা করেছে। তালিবানের মুখপাত্র সুহেল শাহীন বলেছেন, “চাবাহার বন্দরের মাধ্যমে আফগান জনগণের জন্য ২০,০০০ মেট্রিক টন গম সরবরাহের জন্য আমরা এর প্রশংসা করি। এই ধরনের মানবিক পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে আস্থা বাড়ায় যা পারস্পরিক ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share