Tag: chairman

chairman

  • Padma Shri: পদ্মশ্রী পেলেন সত্যনারায়ণ নুওয়াল, কে তিনি জানেন?

    Padma Shri: পদ্মশ্রী পেলেন সত্যনারায়ণ নুওয়াল, কে তিনি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা তথা চেয়ারম্যান সত্যনারায়ণ নুওয়ালকে (Satyanarayan Nuwal) বাণিজ্য ও শিল্প ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী (Padma Shri) সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। গত বছরের মে মাসে পরিচালিত ‘অপারেশন সিঁদুরে’ ব্যবহৃত ‘নাগাস্ত্র’গুলি তাঁর সংস্থাই তৈরি করেছিল। তিনি সোলার ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস লিমিটেড (এসডিএএল)-এরও চেয়ারম্যান। এই সংস্থাটি সম্ভবত দেশের প্রথম এবং বৃহত্তম বেসরকারি সামরিক মানের বিস্ফোরক উৎপাদন কেন্দ্র। উল্লেখযোগ্যভাবে, এসডিএএল ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য বুস্টারও সরবরাহ করেছে।

    অসাধারণ অবদানের জন্য নির্বাচিত নুওয়াল (Padma Shri)

    শিল্প ও সমাজে অসাধারণ অবদানের জন্য নির্বাচিত নুওয়াল সাম্প্রতিক বছরগুলিতে মহারাষ্ট্রের বিদর্ভ অঞ্চল থেকে এই সম্মানপ্রাপ্ত একমাত্র ব্যবসায়ী। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এত বড় সম্মান পাব, তা আমি আশা করিনি। এই পুরস্কার দেশের প্রতি আমার দায়বদ্ধতাকেই আরও বাড়িয়ে দিল। প্রতিরক্ষা ব্যবসায় লাভই আমার মূল লক্ষ্য নয়।” প্রথম প্রজন্মের উদ্যোক্তা নুওয়াল নয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে কোল ইন্ডিয়া লিমিটেডকে বাণিজ্যিক বিস্ফোরক সরবরাহের মাধ্যমে অত্যন্ত সাধারণভাবে ব্যবসা শুরু করেন। সেই সময় তিনি একাই ভ্রমণ করতেন এবং অনেক সময় রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মেই অপেক্ষা করতেন। তবে ২০১০ সালে সামরিক মানের বিস্ফোরক উৎপাদন শুরু করার মাধ্যমে তিনি সফলভাবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে প্রবেশ করেন। ৭৪ বছর বয়সি নুওয়াল স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, “একটি বেসরকারি সংস্থার পক্ষে এটি ছিল সম্পূর্ণ নতুন ক্ষেত্র। সশস্ত্র বাহিনীর সরবরাহ সংক্রান্ত সমস্যার কথা আমি প্রায়ই শুনতাম এবং বুঝতে পারি যে দেশের আরও অংশগ্রহণকারীর প্রয়োজন। পরিস্থিতি বিচার করে আমরা দেশের প্রতিরক্ষায় সামান্য হলেও অবদান রাখার সিদ্ধান্ত নিই।”

    প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং

    চলতি মাসে এসডিএএল কারখানা পরিদর্শনের সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং নিশ্চিত করেন যে, ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানে সংস্থার ‘নাগাস্ত্র’ ড্রোন-সংযুক্ত লইটারিং মিউনিশন শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত আঘাত হেনেছে। সেই সময় নুওয়াল তাঁকে জানান, “আমেরিকা বা অন্য দেশে এক সঙ্গে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। কিন্তু আমাদের ‘ভার্গবাস্ত্র’ একসঙ্গে ৬০টি মাইক্রো-মিসাইল নিক্ষেপ করতে পারে। এমন ব্যবস্থা এখনও পৃথিবীর কোথাও নেই (Padma Shri)।” ভার্গবাস্ত্র একটি বহুস্তরবিশিষ্ট মাইক্রো-মিসাইলভিত্তিক অ্যান্টি-ড্রোন বা কাউন্টার আনম্যানড এরিয়াল সিস্টেম (C-UAS)। প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে ‘প্রলয়’ স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কেও জানানো হয়। সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “আমরা প্রলয়ের বহু মোটর তৈরি করি, তবে আমাদের সক্ষমতা রয়েছে পুরো ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের। সুযোগ পেলে মাত্র দু’মাসেই তা করা সম্ভব (Satyanarayan Nuwal)।” এছাড়া, এসডিএএল তৈরি করেছে ‘এসই-বেক্স-২’, যা পারমাণবিক বোমার পর সবচেয়ে শক্তিশালী উচ্চ-শক্তির বিস্ফোরক হিসেবে বিবেচিত এবং প্রচলিত টিএনটির তুলনায় দ্বিগুণ শক্তিশালী। সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ গোলাবারুদের ব্যবস্থা সরবরাহকারী প্রথম বেসরকারি সংস্থাও এটি। এর মধ্যে ছিল বহু-মোডের হ্যান্ড গ্রেনেড, যা পুরনো মডেলগুলির জায়গা নিয়েছে।

    রকেটের অর্ডার

    প্রথমদিকে সংস্থাটি পিনাকা রকেটের অর্ডার পূরণ করে সামরিক উৎপাদনে প্রবেশ করে। পরে এটি বহু-মোড গ্রেনেড তৈরি করে, যা কোনও বাণিজ্যিক সংস্থার দ্বারা নির্মিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিস্টেম। এরপর ধীরে ধীরে সংস্থাটি অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি ও ড্রোন উৎপাদনেও সম্প্রসারিত হয়। সম্প্রতি এসডিএএল নাগপুরের মিহান-এসইজেডে জমি কিনেছে, যেখানে রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর প্রযুক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে (Padma Shri)। ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী নুওয়ালের মোট সম্পদের পরিমাণ ৫.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ৪৬,৫০০ কোটি টাকা), যা তাঁকে ভারতের অন্যতম ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় জায়গা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর সংস্থা ব্যাপকভাবে স্বীকৃত এবং ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বিস্ফোরক উৎপাদনের সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রথম সংস্থাও এটি। অথচ এই বিশাল ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা রাজস্থানের ভিলওয়াড়ার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন (Satyanarayan Nuwal)। তাঁর বাবা ছিলেন সরকারি হিসাবরক্ষক, যিনি ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়িক দক্ষতা গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

    ফোর্বসকে দেওয়া সাক্ষাৎকার

    আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে দশম শ্রেণির পর নুওয়াল আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। পরে তিনি এক বছর মথুরায় তাঁর গুরুর সঙ্গে কাটিয়ে বিভিন্ন ছোট ব্যবসায় হাত দেন। ফোর্বসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “শিক্ষার চেয়েও ব্যবসা করার আগ্রহই আমার বেশি ছিল।” তিনি ফাউন্টেন পেনের কালি তৈরি, লিজিং ব্যবসা এবং পরিবহণ সংস্থা, এমন নানা উদ্যোগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাঁর বিয়ে হয়, ফলে দায়িত্ব আরও বাড়ে। পরিবার চালানোর তাগিদে ১৯৭৭ সালে তিনি মহারাষ্ট্রের চন্দ্রপুরে এক আত্মীয়ের সঙ্গে কাজ করতে যান। অর্থের অভাবে অনেক রাত তাঁকে রেলস্টেশনেও কাটাতে হয়েছে (Padma Shri)। সেখানে তাঁর পরিচয় হয় আবদুল সাত্তার আল্লাভাইয়ের সঙ্গে, যিনি একটি গানপাউডার ডিপোর মালিক ছিলেন এবং বিস্ফোরক ব্যবহারের লাইসেন্সধারী (Satyanarayan Nuwal)। নুওয়াল মাসিক এক হাজার টাকায় ডিপোটি ভাড়া নেওয়ার কথা বললেও সে অর্থ জোগাড় করা তাঁর পক্ষে কঠিন ছিল। পরে তাঁর সংস্থা কয়লা খনি থেকে বড় অর্ডার পেতে শুরু করে। ১৯৮৪ সালের মধ্যে এটি একটি কনসাইনমেন্ট এজেন্সিতে পরিণত হয় এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিস্ফোরক ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

    সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ

    ১৯৯৫ সালে নাগপুরে সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠা করা তাঁর জীবনের মোড় ঘোরানোর একটি অন্যতম সিদ্ধান্ত। ব্যাঙ্ক ঋণ ও সঞ্চয় মিলিয়ে ৬০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে তিনি স্লারি বিস্ফোরক উৎপাদন শুরু করেন এবং দ্রুতই বাল্ক বিস্ফোরক ও ডিটোনেটর উৎপাদন করতে শুরু করেন। এই সংস্থার অন্যতম প্রধান গ্রাহক হয় কোল ইন্ডিয়া (Padma Shri)। ২০০৬ সালে সংস্থাটি শেয়ারবাজারে আসে, তখন নিট মুনাফা ছিল প্রায় ১১ কোটি টাকা এবং বার্ষিক টার্নওভার ৭৮ কোটি টাকা। সেই অর্থ মূলত সম্প্রসারণে ব্যয় হয় এবং ১৩টি উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। পরে জাম্বিয়া, ঘানা, নাইজেরিয়া, তুরস্ক, তানজানিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ছ’টি কারখানা গড়ে ওঠে। দেশে ন’টি রাজ্যের ২৯টি শহরে সংস্থার ইউনিট রয়েছে। থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায়ও কারখানা তৈরি করা হয়েছে (Satyanarayan Nuwal)। পরবর্তী কালে এটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অস্ত্র ও বিস্ফোরক উৎপাদনের সরকারি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রথম বেসরকারি সংস্থায় পরিণত হয়। নুওয়াল বুঝেছিলেন যে গোলাবারুদ উৎপাদন দেশেই করতে হবে। তাই তিনি গ্রেনেড, মাঝারি ও বড় ক্যালিবারের গোলাবারুদ, উচ্চ-শক্তির বিস্ফোরক, প্রপেল্যান্ট ও ওয়ারহেড তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলেন।

    গোলাবারুদের এত বড় অর্ডার

    সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ প্রায় ৪৫০ কোটি টাকার মাল্টি-মোড হ্যান্ড গ্রেনেড সরবরাহের অর্ডার পায়, যা দু’বছরে সরবরাহ করার কথা। ভারতের প্রতিরক্ষা ইতিহাসে এই প্রথম কোনও বেসরকারি সংস্থাকে গোলাবারুদের এত বড় অর্ডার দেওয়া হয়। সান্দীপ মেটালিকসের চেয়ারম্যান সন্দীপ আগরওয়াল বলেন, “খনি শিল্পে বিস্ফোরক সরবরাহকারী হিসেবে শুরু করে নুওয়াল প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এমন সব ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন, যা আগে কোনও বেসরকারি সংস্থা করেনি। ২০১০ সালে তিনি এই ক্ষেত্রে বিনিয়োগ শুরু করেন, আর এখন এসে সংস্থা তার সুফল পেতে শুরু করেছে।” বর্তমানে সংস্থাটি প্রলয়, পিনাকা, আকাশ-সহ ডিআরডিও নির্মিত একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্পে ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বেসরকারি অংশীদার। পাশাপাশি এটি কঠিন রকেট মোটর ও প্রপালশন সিস্টেমের বড় সরবরাহকারী। একই সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা বজায় রেখে সোলার ইন্ডাস্ট্রিজকে বিশ্বমানের সংস্থায় রূপান্তর করার জন্য নুওয়াল সুপরিচিত। সমাজকল্যাণ, শিক্ষা ও সম্প্রদায় উন্নয়নে (Padma Shri) তাঁর নিরবচ্ছিন্ন অবদান দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে (Satyanarayan Nuwal)। পদ্মশ্রী সম্মান শুধু তাঁর পেশাগত সাফল্যের স্বীকৃতিই নয়, জাতি গঠনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারও প্রতিফলন।

  • Panihati: বৈঠকে ফের চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি, পানিহাটিতে তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    Panihati: বৈঠকে ফের চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি, পানিহাটিতে তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানিহাটি (Panihati) পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায়কে সরাতে তৎপর কাউন্সিলরদের একাংশ। দলীয় মিটিংয়ে কাউন্সিলরদের একটা বড় অংশ ফের চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি জানান। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলও একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি উঠল (Panihati)  

    একদিকে ভাগাড় সমস্যা, অন্যদিকে রাস্তাঘাট, নিকাশি, স্বাস্থ্য পরিষেবা সহ দৈনন্দিন পরিষেবা প্রদানে নাজেহাল অবস্থা পানিহাটি (Panihati) পুরসভার। পুর কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার কথা এখন পানিহাটির মানুষের মুখে মুখে ঘুরছে। পুরসভার পরিষেবা অব্যাহত রাখতে রবিবার সোদপুর সরকারি কোয়ার্টারে তৃণমূলের অফিসে দলের ৩৩ জন কাউন্সিলরকে নিয়ে বৈঠকে বসেন সাংসদ সৌগত রায় এবং বিধায়ক নির্মল ঘোষ। বৈঠকের শুরুতে কাউন্সিলরদের একটা অংশ পানিহাটি পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান মলয় রায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেন। অভিযোগ করেন, পুরসভা পরিচালনা করতে ব্যর্থ হচ্ছেন চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যান পরিবর্তনের দাবিও তোলেন তাঁরা। যদিও সৌগত রায় তাঁদের থামিয়ে দেন। সাংসদ তাঁদের উদ্দেশে বলেন, চাইলেই চেয়ারম্যান পরিবর্তন করা যায় না। তার নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে। প্রথমে দলকে সেটা জানাতে হয়। তারপর দল যদি মনে করে তবেই চেয়ারম্যান বদল সম্ভব। তখনই কাউন্সিলরদের তরফে কয়েকজন বলে ওঠেন দু-একদিনের মধ্যেই আমরা সেই চিঠি দলের কাছে পৌঁছে দেব। তাঁকে সামনে বসিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলের কাউন্সিলরদের একের পর এক উক্তিতে স্বভাবতই অস্বস্তিতে পড়েন চেয়ারম্যান। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে কাউন্সিলরদের বিরত করেন বিধায়ক নির্মল ঘোষ। এরপরই পুরসভা পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব এদিনের বৈঠক থেকে উঠে আসে।

    নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে

    নতুন কমিটিতে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, পাঁচ সিআইসি সদস্য সহ দলের দুই কাউন্সিলর প্রবীর ভট্টাচার্য এবং সম্রাট চক্রবর্তী রয়েছেন। এই দুজন আবার পানিহাটি (Panihati) শহর তৃণমূলের সভাপতি। দলীয় স্তরে ওই কমিটির তালিকা শীঘ্রই সাংসদ এবং বিধায়কের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে চেয়ারম্যানকে। নির্মল ঘোষ বলেন,  ‘পুরসভা যাতে ঠিকঠাকভাবে চলে তা নিয়ে এদিন আলোচনা হয়েছে। ভাগাড়, রাস্তাঘাট সহ একাধিক ইস্যু এদিন আলোচিত হয়েছে। চেয়ারম্যানের শারীরিক সমস্যার কারণে কাজ পরিচালনায় একটু সমস্যা হচ্ছে। তাই চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁর পছন্দ মতো কয়েকজনকে নিয়ে একটি কমিটি করার। ওই কমিটির তালিকা শীঘ্রই দিতে বলা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের সাথে আলোচনা করেই কাজ করতে বলা হয়েছে। যাতে পুরবাসী কোনও পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন’। 

    বৈঠকের বিষয়ে জানেন না দলের জেলা সভাপতি

    চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, ‘কিছু বিষয় নিয়ে নিশ্চিত আলোচনা হয়েছে। এটা দলের ভিতরের বিষয়। বাইরে কিছু বলব না’। তবে দলের ব্যাপার হলেও রবিবারের বৈঠকের বিষয়ে দমদম ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি তাপস রায়কে বিষয়টি না জানানোয় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এদিনের বৈঠকের বিষয়ে আমি কিছু জানি না। দলীয় ব্যাপারে  দলের জেলা সভাপতিকে নিশ্চিতভাবে জানানো উচিত ছিল। সৌগত রায়, নির্মল ঘোষ আমাকে কিছু জানাননি’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি! বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা

    Panihati: চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি! বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তৃণমূলের কাউন্সিলররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাউন্সিলারদের নজিরবিহীন প্রতিবাদে ভেস্তে গেল পানিহাটি (Panihati) পুরসভার বোর্ড মিটিং। শুক্রবার বিকেলে মিটিংয়ে উপস্থিত হওয়া শাসক দলের কাউন্সিলররা প্রকাশ্যে চেয়ারম্যানের নেতৃত্ব মানতে অস্বীকার করেন। তাঁরা বলেন, পুরসভা সঠিকভাবে চলছে না। চেয়ারম্যানকে সরাতে হবে। উচ্চ নেতৃত্ব আমাদের সঙ্গে না বসলে আমরা বোর্ড মিটিংয়ে অংশ নেব না। এরপর শাসক দলের কাউন্সিলররা হাজিরা খাতায় সই না করে বেরিয়ে যান। এই ঘটনায় সিঁদুরে মেঘ দেখতে শুরু করেছেন শাসক দলের জেলা নেতৃত্ব।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    পানিহাটির (Panihati) ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি করে কংগ্রেস ও সিপিএমের দখলে। বাকি তৃণমূলের। শুক্রবার ছিল বোর্ড মিটিং। সমস্ত পুরপ্রতিনিধির থাকার কথা থাকলেও তৃণমূলের ২৯ জন (পুরপ্রধান-সহ) এবং সিপিএম ও কংগ্রেসের দু’জন ছিলেন। দেখা যায়, একে একে সকলে এলেও বিধায়ক নির্মল ঘোষের পুত্র তথা চেয়ারম্যান পারিষদ তীর্থঙ্কর ঘোষ-সহ আরও তিন পুরপ্রতিনিধি, তাপস দে, স্বপন দাস ও সম্রাট চক্রবর্তী অনুপস্থিত। এদিন পূর্ব নির্ধারিত বোর্ড মিটিংয়ে পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসার ও ফিনান্স অফিসার সহ সমস্ত কাউন্সিলররা হাজির ছিলেন। কিন্তু, বৈঠকের শুরুতে শাসক দলের কাউন্সিলররা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রবীর ভটাচার্য নামে তৃণমূল বিধায়ক ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর প্রকাশ্যে পুরসভা সঠিকভাবে চলছে না বলে অভিযোগ তোলেন। অন্যান্য কাউন্সিলররা তাঁকে সমর্থন করেন। চেয়ারম্যানকে সরানোর দাবি জানিয়ে ২৮ জন পুরপ্রতিনিধি আলোচনাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। দাবি তুললেন, পুরপ্রধান বদল করতে হবে! কারণ, তাঁর নেতৃত্বে কোনও কাজই ঠিক ভাবে হচ্ছে না। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অন্দরে তীব্র জলঘোলা শুরু হয়েছে।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    শাসকদলের পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে তাঁর দলেরই পুরপ্রতিনিধিদের এ হেন অনাস্থা প্রকাশের ঘটনা শুক্রবার ঘটেছে পানিহাটিতে (Panihati)। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় তৃণমূলের কোর কমিটির সম্প্রসারণ করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কমিটিতে পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আর সেই নির্মলবাবুরই খাসতালুক বলে পরিচিত পানিহাটিতে এমন ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এ দিন ঘটনার পর থেকেই পানিহাটিতে জল্পনা চলছে, তা হলে কি সত্যিই পুরপ্রধান বদল করা হবে? যদিও বিষয়টি নিয়ে নির্মলবাবু কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান মলয় রায় বলেন, কোরাম গঠন না হওয়ায় এদিন বোর্ড মিটিং সম্ভব হয়নি। বিষয়টি দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে নতুন করে বোর্ড মিটিংয়ে দিনক্ষণ স্থির করা হবে।

    তৃণমূলের জেলা সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের দমদম-ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস রায় বলেন, সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের নিজের বিধানসভা এলাকার পুরসভার ঘটনা। তাই, দলের উচ্চ নেতৃত্ব বিষয়টি নিশ্চয়ই গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে প্রণামের জের! সুবল মান্নাকে সরাতে অনাস্থার অস্ত্রে শান তৃণমূলের

    Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে প্রণামের জের! সুবল মান্নাকে সরাতে অনাস্থার অস্ত্রে শান তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষীয়ান রাজনৈতিক নেতা শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) প্রণাম করার মাশুল এভাবে দিতে হবে, তা ভাবতে পারছেন না কাঁথি পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবল মান্না। তাঁকে পদ থেকে সরাতে পুরসভার একটি বড় অংশের কাউন্সিলরদের নিয়ে ইতিমধ্যে বৈঠকও সেরে ফেলেছেন শাসকদলের নেতারা। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Sisir Adhikari)

    কয়েকদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে সাংসদ শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) হাজির ছিলেন। সেখান সুবলবাবুও আমন্ত্রিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়ে তিনি সকলের সামনে শিশিরবাবুকে প্রণাম করে রাজনৈতিক ‘গুরু’ করে সম্বোধন করেন। এটা সামনে আসতেই জোর বিতর্ক তৈরি হয়। দলের পক্ষ থেকে প্রথমে তাঁকে শো-কজ করা হয়। পরে, তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। শুধু তাই নয় ইতিমধ্যেই দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকও করেছেন তিনি। কিন্তু, কোনও নির্দেশই নাকি টলাতে পারছে না সুবলবাবুকে। পদত্যাগ করা তো দূরের কথা, নিয়মিত অফিসে যাচ্ছেন এই তৃণমূল নেতা। তাই এবার কড়া পদক্ষেপের কথা ভাবা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সুবলবাবুর স্পষ্ট বক্তব্য, আমি রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়েছি। সেই বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে আমি বলেছি।

    অনাস্থার পথে দলীয় কাউন্সিলররা!

    কাঁথি পুরসভায় মোট কাউন্সিলরের সংখ্যা ২১। সুবল মান্নাকে নিয়ে তৃণমূল কাউন্সিলর রয়েছেন ১৭ জন। বৃহস্পতিবার তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পীযূষ পণ্ডা এক জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে ১৬ জন কাউন্সিলর হাজির ছিলেন। রাত সাড়ে ৯ টা নাগাদ শুরু হয় সেই বৈঠক, চলে রাত প্রায় ১১ টা পর্যন্ত। প্রত্যেকেই সুবলের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে সম্মত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শীর্ষ নেতৃত্বের সবুজ সংকেত মিললেই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হতে পারে। ফলে, সুবলকে সরাতে দলের অন্দরে জোর তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: ‘উন্নয়নের টাকায় মোচ্ছব করছে তৃণমূলের চেয়ারম্যান’, বিস্ফোরক দলীয় কাউন্সিলাররা

    Midnapore: ‘উন্নয়নের টাকায় মোচ্ছব করছে তৃণমূলের চেয়ারম্যান’, বিস্ফোরক দলীয় কাউন্সিলাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার চেয়ারম্যানের অপসারণ চেয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন দলেরই কাউন্সিলারদের একাংশ। বুধবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুর (Midnapore) পুরসভায়। পুরসভার চেয়ারম্যানের ঘরের সামনেই অবস্থানে বসেছেন তৃণমূলের কাউন্সিলাররা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে লোকসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের ছন্নছাড়া রুপ আরও একবার সামনে চলে এল।

     তৃণমূলের অর্ধেক কাউন্সিলার অবস্থানে! (Midnapore)

    মেদিনীপুর (Midnapore) পুরসভার ২৫টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছিল ২০টি আসন। ২০ জন কাউন্সিলারের মধ্যে এদিন ১০ জন কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের অপসারণ চেয়ে অবস্থানে বসেন। তৃণমূলের যে সমস্ত কাউন্সিলাররা বিক্ষোভ অবস্থানে বসেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মেদিনীপুর শহর তৃণমূল কংগ্রেসের শহর সভাপতি বিশ্বনাথ পাণ্ডব, শহর মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি মৌ রায়, তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরার স্ত্রী মৌসুমী হাজরা। অবস্থান বিক্ষোভ চললেও পুরপ্রধান সৌমেন খান আসেননি পুরসভায়। ফোনেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে, এদিন শুধু অবস্থান বিক্ষোভে শেষ নয়, পুর প্রধানকে অপসারণের দাবি তুললেন তাঁরা। পাশাপাশি, পুর প্রধানের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ সামনে এনেছেন তাঁরা।  

    চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ?

    কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মেদিনীপুর (Midnapore) পুরসভার পুরপ্রধান সৌমেন খানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তৃণমূলেরই ১০ জন কাউন্সিলার। তাঁদের বক্তব্য, সবার সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু, দেখা যাচ্ছে ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত শ্রমিক না দিয়ে সেই টাকা অন্য খাতে খরচ করা হচ্ছে। কাউন্সিলারদের প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণ করছেন। চেয়ারম্যানের আমলে আর্থিক দুরাবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে মেদিনীপুর পুরসভা। পুর প্রধানের স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত, ফান্ড কাউন্সিলারদের মধ্যে ঠিকমতো ভাগ না করা, উন্নয়নের অর্থে মোচ্ছব করা হচ্ছে। এছাড়া একাধিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তাঁরা। পুর চেয়ারম্যানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান কাউন্সিলারদের একাংশ। সেই কারণেই পুরসভার চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবি তুলেছেন তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে সকলে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন, শো-কজ করা হল তৃণমূল চেয়ারম্যানকে

    Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন, শো-কজ করা হল তৃণমূল চেয়ারম্যানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের অনুষ্ঠানে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা সাংসদ শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন করেন কাঁথি পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবলকুমার মান্না। প্রকাশ্য মঞ্চে তিনি শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) সম্বোধন করে কার্যত চরম বিপাকে পড়েছেন। কারণ, তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁকে শো-কজ করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sisir Adhikari)

    জানা গিয়েছে, ২১ ডিসেম্বর কাঁথির একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন কাঁথি পুরসভা তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবলকুমার মান্না। সেখানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কাঁথির বর্ষীয়ান সাংসদ তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari)। সুবলবাবু সকলের সামনে শিশিরবাবুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাবা, মা আমাকে জন্ম দিয়েছেন। এরপর রাজনীতিতে পথ চলা থেকে এই জায়গায় উঠে আসা সম্ভব হয়েছে গুরুদেব শিশির অধিকারীর জন্য। শুক্রবার সেই ভিডিও এবং প্রণাম করার ছবি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর নড়েচড়ে বসে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কাঁথির পুরপ্রধান সুবলকুমার মান্নাকে শো-কজ করেন কাথি সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডা। তারপরেই কাঁথির রাজনীতিতে শুরু হয় তোলপাড়।

    তৃণমূলের চেয়ারম্যান কী বললেন?

    শো-কজ প্রসঙ্গে সুবলবাবু বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের একটি স্কুলে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে গিয়ে দেখি শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) বসে রয়েছেন। আমি তো অসম্মান করতে পারি না।  আর  তিনি (তৃণমূলের জেলা সভাপতি) শো-কজ করার কে? আমাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শো-কজ করেছে, সেটা আমি জানিও না। চিঠি দিয়ে জানাবেন, তারপরে উত্তর দেওয়া হবে। মানুষকে মানুষ ভাবে না। কীভাবে বয়স্কদের সঙ্গে বলতে হয় তা তিনি জানেন না। 

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা বিজেপি নেতা অসীম মিশ্র বলেন, ‘দুজন প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। কাঁথির বর্ষীয়ান সাংসদ তথা অভিভাবক শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) কাঁথি পুরপ্রধান সুবল মান্না সৌজন্যতা জানিয়েছেন! এখানে কোনও রাজনীতি খোঁজার দরকার নেই। বয়স্ক রাজনীতিককে প্রণাম করছেন, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jhalda: ঝালদার পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়ল পুরভবনে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Jhalda: ঝালদার পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়ল পুরভবনে, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশ মেনে ৮ ডিসেম্বর পুরুলিয়ার ঝালদা (Jhalda) পুরসভায় আস্থা ভোট হওয়ার কথা ছিল। জেলা শাসকের উপস্থিতিতে এই ভোট করানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিংহ। সেই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছিলেন বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। এবার সেই ঝালদার পুরপ্রধান শীলা চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব জমা পড়ল পুরভবনে।

    কারা অনাস্থা প্রস্তাব আনল? (Jhalda)

    তৃণমূলে যোগ দেওয়া ঝালদার (Jhalda) পুরপ্রধান শীলা চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এবার অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন সাত পুরপ্রতিনিধি। সাত পুরপ্রতিনিধির সই করা অনাস্থা প্রস্তাবের চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে ঝালদার মহকুমাশাসক এবং পুরুলিয়ার জেলাশাসকের দফতরেও। সাতজনের মধ্যে শাসকদলের পাঁচ পুরপ্রতিনিধি। আর কংগ্রেসের দুই পুর প্রতিনিধি রয়েছেন। তপন কান্দু খুনে শাসক দলের একাংশ জড়িত রয়েছে বলে তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু অভিযোগ করেছিলেন। সেই পূর্ণিমাও এবার অনাস্থা প্রস্তাবে তৃণমূলের পুর প্রতিনিধিদের সঙ্গে হাত মেলানোয় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি পূর্ণিমা। তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য, যা বলার তা দলীয় নেতৃত্বই বলবেন। কংগ্রেসের পুরপ্রতিনিধি বিপ্লব কয়ালের বক্তব্য, সংখ্যালঘু হয়ে পড়ার পরে নৈতিকতার খাতিরে পুরপ্রধানের পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত ছিল। তিনি তা করেননি। হাই কোর্ট জানায়, আস্থা না থাকলে যা করণীয় সেটা পুরআইন অনুযায়ী করতে হবে। আমরাও সেটাই করেছি। অনাস্থাকারীদের অন্যতম ঝালদার প্রাক্তন তৃণমূল পুরপ্রধান সুরেশ আগরওয়াল বলেন, আলোচনা করেই পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে।

    পুরপ্রধান কী বললেন?

    অনাস্থা প্রসঙ্গে ঝালদা (Jhalda) পুরপ্রধান শীলা চট্টোপাধ্যায় বলেন, সাত জনের সই করা অনাস্থার একটি চিঠি পুরসভার অফিসে জমা পড়েছে বলে শুনেছি। এর বেশি কিছু আমি জানি না।

    পুর প্রধানকে সরাতে মামলা হয় আদালতে

    কংগ্রেস ও নির্দল জোটের সমর্থনে ঝালদা পুরসভায় শীলা পুরপ্রধান হলেও তাতে সিলমোহর দেয়নি রাজ্য সরকার। এনিয়ে আদালতে মামলা হয়। হাই কোর্ট জানিয়েছিল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত শীলার পুরপ্রধান পদে থাকতে সমস্যা নেই। ইতিমধ্যে শীলা ও চার কংগ্রেস পুরপ্রতিনিধি তৃণমূলে যেতেই সমীকরণ বদলায়। তৃণমূলের আদি পাঁচ পুরপ্রতিনিধি শীলাকে পুরপ্রধান হিসেবে মানতে নারাজ। শীলা সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন দাবি করে তৃণমূলের ওই পাঁচ পুরপ্রতিনিধি ও কংগ্রেসের দুই পুরপ্রতিনিধি তাঁকে পুরপ্রধান পদ থেকে সরাতে দু’টি পৃথক মামলা করেছিলেন। সেখানে সিঙ্গেল বেঞ্চের একটি রায়ের প্রেক্ষিতে ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার জানায়, পুরপ্রধানের প্রতি আস্থা না থাকলে পুরআইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Kalna: কাজের গতি থমকে গিয়েছে, দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের সিংহভাগ কাউন্সিলার

    Kalna: কাজের গতি থমকে গিয়েছে, দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের সিংহভাগ কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আস্থা নেই দলের সিংহভাগ কাউন্সিলারের। আর তাই চেয়ারম্যানকে সরাতে জোটবদ্ধ হয়েছেন দলের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলাররা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালনা (Kalna) পুরসভায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কালনা শহর জুড়়ে এই বিষয় নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কতজন কাউন্সিলার আনল অনাস্থা? (Kalna)

    দলীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা (Kalna) পুরসভার আসন সংখ্যা ১৮টি। এরমধ্যে ১টি আসনে সিপিএম জয়ী হয়েছে। বাকি ১৭ জন কাউন্সিলার তৃণমূলের। পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে দলের ১৪ জন কাউন্সিলার ক্ষুব্ধ। সকলে মিলে আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসেন। সেই সম্মিলিত চিঠি বুধবার ই মেল করে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, পুরসভায় পাঠিয়েছেন তাঁরা। যদিও সেই অনাস্থা সম্মিলিত চিঠি পুরসভায় জমা করতে গেলে কালনা পুরসভা কর্তৃপক্ষ তা নিতে অস্বীকার করে বলে বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের অভিযোগ।

    কেন অনাস্থা?

    কালনা (Kalna) পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলার সুনিল চৌধুরী বলেন, চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের আমলে কাজের গতি থমকে গিয়েছে। নেই উন্নয়ন। মিটিংয়ে যা সিদ্ধান্ত হয় তা পরে তিনি তা মানেন না। নিজের খেয়ালখুশি মতো অফিসে আসেন। কাউন্সিলারদের কথা শোনেন না। নিজের মতো যা খুশি করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ পুরসভায় এসে পরিষেবা পাচ্ছেন না। চেয়ারম্যানের জন্য দলের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। কাউন্সিলার হিসেবে আমরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। উন্নয়নমূলক কাজ করা যাচ্ছে না, তাতে মানুষের সমস্যা হচ্ছে। যার ফলে মানুষের কাছে আমাদের কথা শুনতে হচ্ছে। তাই আমরা সকলের ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছি।

    চেয়ারম্যান কী সাফাই দিলেন?

    কালনা (Kalna) পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত বলেন, শুনেছি কয়েকজন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব দাবি করেছে। কিন্তু সেই সংক্রান্ত কোনও কাগজ আমি হাতে পাইনি। কাগজ হাতে আসলে আমি বিষয়টি নিয়ে যা বলার বলব। সকলকে নিয়ে চলি। এখন কেন তাঁরা এই ধরনের কথা বলছেন জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: পুর-নিয়োগ দুর্নীতির তল্লাশিতে ১২ ঘণ্টা পার, আড়াই কোটির ফ্ল্যাটের হদিশ পেল ইডি

    ED: পুর-নিয়োগ দুর্নীতির তল্লাশিতে ১২ ঘণ্টা পার, আড়াই কোটির ফ্ল্যাটের হদিশ পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় বারাকপুর মহকুমা। বৃহস্পতিবার সাত সকালেই ইডি (ED) আধিকারিকরা বরানগর, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান এবং টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের বা়ড়িতে হানা দেন। সকাল থেকে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁদের বাড়িতে ইডির আধিকারিকরা জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তল্লাশি চালান। ১২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সেই তল্লাশি চলছে। কামারহাটির চেয়ারম্যান গোপাল সাহা, বরানগর পুরসভার চেয়ারম্যান অপর্ণা মৌলিক, টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী এবং কাঁচরাপাড়া পুরসভার এক কর্মী মীজানুর রহমানের বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় তাই ব্যাপক উত্তেজনা।

    অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে পুরসভায় নিয়োগ, তদন্তে ইডি (ED)

    কামারহাটি পুরসভায় অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ৩০০ কর্মীর নিয়োগ হয়েছিল। অয়নের বান্ধবী শ্বেতা চক্রবর্তীর নিয়োগও এই পুরসভায় হয়। এর আগে অয়নের সংস্থার মাধ্যমে চাকরি হওয়া ৩৩ জন কর্মীকে ইডি আধিকারিকরা ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বরানগর পুরসভায় অয়নের সংস্থার মাধ্যমে ২৮০ জনের নিয়োগ হয়েছিল। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পুর কর্মচারী ইউনিয়নের রাজ্য নেতা আশিস দে-র ছেলে বরানগর পুরসভায় নিয়োগপত্র পান। জানা গিয়েছে, চাকরি পাওয়ার পরও তিনি বীরভূমের বাড়িতেই থাকতেন। তৃণমূলের রাজ্য নেতার ছেলে বলে কারও তাঁকে ঘাঁটানোর সাহস ছিল না। এদিন ইডি হানা নিয়ে তৃণমূল নেতা আশিস দে-র বা তাঁর ছেলের সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এই পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে এর আগে ইডি আধিকারিকরা ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পান। জানা গিয়েছে, এই বরানগর পুরসভায় কামারহাটির তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের চাকরি হয়েছিল। একইভাবে কামারহাটি পুরসভায় বরানগরের তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের চাকরি হয়েছিল। এই নিয়োগে দুই পুরসভার চেয়ারম্যানদের ভূমিকা ইডি (ED) আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন। একইসঙ্গে টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী এবং কাঁচরাপাড়া পুরসভার কর্মী মীজানুর রহমানের নিয়োগ দুর্নীতিতে ভূমিকা খতিয়ে দেখতে ইডি দিনভর তল্লাশি চালায়। একজনের আড়াই কোটি টাকার ফ্ল্যাটের হদিশ পেয়েছে ইডি আধিকারিকরা। তবে, সংবাদ মাধ্যমের সামনে ইডি আধিকারিকরা মুখ খুলতে চাননি। 

    কামারহাটি পুরসভায় ভাইস চেয়ারম্যানকে জেরা করলেন ইডি (ED) আধিকারিকরা

    কামারহাটি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তুষার চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর চেম্বারে ঘন্টা দেড়েক জেরা করা হয়। তাঁর মোবাইলের কন্টাক্ট লিস্টে অয়ন নাম দেখেই সন্দেহের চোখে তাকান ইডি-র (ED) তদন্তকারীরা। জানতে চান, কে এই অয়ন? তুষারবাবু জানান, এটা অয়ন মিত্র। অয়ন শীল নয়। সল্টলেক স্টেডিয়াম সংলগ্ন এক রেস্তোরাঁর ম্যানেজার ছিলেন অয়ন মিত্র। এরপরে অয়ন শীল নিয়েও বেশ কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির তদন্তকারীরা। তারপরে তুষারকে পুরসভায় তাঁর নিজের ঘরে বসার অনুমতি দেওয়া হয়। এখনও এস্টাব্লিশমেন্ট ডিপার্টমেন্টে এবং পুরসভার অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার তমাল দত্তের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। ভাইস চেয়ারম্যান অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় কামারহাটি পুরসভায় ব্যাহত পরিষেবা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gate: রাজ্যে আরও একটি বিশ্ববাংলা গেট তৈরি হচ্ছে, কোথায় জানেন?

    Gate: রাজ্যে আরও একটি বিশ্ববাংলা গেট তৈরি হচ্ছে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ইতিহাস সমৃদ্ধ শহর বারাকপুর। মঙ্গল পান্ডের হাত ধরে ইংরেজদের বিরুদ্ধে সিপাহী বিদ্রোহের প্রথম সূচনা হয়েছিল এই পূন্যভূমিতে। এই সিপাহী বিদ্রোহ ছিল প্রথম স্বাধীনতার আন্দোলন। ঐতিহাসিক শহর বারাকপুরের নিজস্ব কোনও আইকোণ নেই। গত বছরই আগস্ট মাসে বারাকপুর স্টেশনের সামনে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ করে ১০০ ফুট উচ্চতার জাতীয় পতাকা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এবার নিউ টাউনের আদলে ব্যারাকপুর চিড়িয়ামোড়ে তৈরি করা হচ্ছে বিশ্ববাংলা গেট (Gate) । একইসঙ্গে সেখানে ঝুলন্ত রেস্টুরেন্ট তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যেই বারাকপুর শহরে এসে জায়গা পরিদর্শন করে যান রাজ্য হেরিটেজ কমিশনের কর্তা শুভাপ্রসন্ন ভট্টাচার্য। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী এবং বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস। তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী বলেন, বারাকপুর ঐতিহাসিক শহর। তাই, এই শহরের ঐতিহ্যকে তুলে ধরতেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এদিন এলাকা পরিদর্শন করে কোথায় উন্নয়নমূলক কাজ করা হবে তা খতিয়ে দেখা হয়।

    বারাকপুরের ইতিহাস তুলে ধরতে কী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে? Gate

    কয়েক বছর আগে বারাকপুর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerje) উত্স্যধারা প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে বারাকপুরের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রকল্পের কাজ খুব শীঘ্রই শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এবার তৃণমূল বিধায়কের উদ্যোগে বারাকপুর স্টেশনের সামনে থেকে ১৫ নম্বর রেল গেট পর্যন্ত ঘোষ পাড়া রোডের ধারে রেলের যে পাঁচিল রয়েছে, সেই পাঁচিলের দেওয়ালে বারাকপুরের ইতিহাস সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হবে। রং দিয়ে ছবি এঁকে ফুটিয়ে তোলা হবে। বিধায়ক কোটার টাকায় এই প্রকল্পের কাজ করা হবে।  এমনিতেই বারাকপুর স্টেশন থেকে ১৫ নম্বর রেল গেট পর্যন্ত রাস্তাটি অত্যন্ত খারাপ ছিল। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জল দাঁড়িয়ে যেত। যানবাহন চলাচলে চরম সমস্যা হত। কয়েক মাস আগে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে পূর্ত দপ্তরের পক্ষ থেকে রাস্তাটি ঢেলে সংস্কার করা হয়েছে। সঙ্গে পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাতও তৈরি করা হয়েছে। তৃণমূল বিধায়ক বলেন, এবার পাঁচিলের দেওয়ালে সুন্দর ছবি এঁকে বারাকপুরের ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হবে। বাইরে থেকে আসা মানুষ এই ছবি দেখেই বারাকপুরের ইতিহাস সম্পর্কে একটি সুন্দর ধারণা তৈরি হবে। পাশাপাশি বারাকপুর চিড়িয়ামোড়ে নিউ টাউনের বিশ্ববাংলার আদলে একটি বিশাল গেট(Gate)  তৈরি করা হবে। একইসঙ্গে সেখানে থাকবে ঝুলন্ত রেষ্টুরেন্ট। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের টাকায় এই কাজ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share