Tag: challenge

challenge

  • Suvendu Adhikari: “নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব”, মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দফতর থেকে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আগত নিপীড়িত হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টান, শিখ, পারসি ধর্মের মানুষেরা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিএএ-এর বিরুদ্ধে নিজের বিভ্রান্তিকর মতকে প্রচার প্রসার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ করছে বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই বার মমতাকে খোলা চ্যালেঞ্জ করে বলেন, “কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি ইস্তফা দেব।”

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সিএএ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপপ্রচার করছেন। সমাজে বিভ্রান্তি তৈরি করে আইনকে ভুল ব্যাখ্যা করছেন। এই নিয়ে তাঁকে তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ একই ভাবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “জাতীয় নিরপাত্তার বিষয় নিয়ে তৃণমূল নেত্রী রাজনীতি করছেন। আপনি তোষণের রাজনীতি করছেন। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে না চাইলে আপনার পাশে কেউ থাকবে না। সিএএ চালু হওয়ার পর কারোর নাগরিকত্ব গেলে আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেবো। না হলে আপনি দেবেন তো? সিএএ লাগু হয়েছে কাউর নাগরিকত্ব যাবে না।”

    উদ্বাস্তু মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে অপপ্রচার

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিরোধিতা করেছেন বলে মমতাকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। মমতা হাবড়ার সভা থেকে বলেন, “সিএএ-এর সঙ্গে এনআরসি যুক্ত। আপনারা আবেদন করলেই নাগরিকত্ব বাতিল হয়ে যাবে। এটা এনআরসির সঙ্গে সম্পর্কিত। আপনাদের ডিটেনশেন ক্যাম্পে নিয়ে যাবে। এই আবেদন করতে গেলে বারবার ভাববেন।” উল্লেখ্য মুখ্যমন্ত্রী নিজে কেন্দ্রের ইউপিএ সরকারের আমলে সংসদে রাজ্যের অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে পার্লামেন্টে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সিপিএম বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে রাজ্যে সরকার গড়ে, এই অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসার আগে উদ্বাস্তু মতুয়া নাগরিকদের নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বললেও, মা মাটির সরকার গঠনের পর নাগরিকত্ব নিয়ে একবারে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছেন বলে রাজনীতির একাংশের মানুষ মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘নির্লজ্জ, বেহায়া’! অভিষেকের চ্যালেঞ্জের জবাবে তীব্র আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

    BJP: ‘নির্লজ্জ, বেহায়া’! অভিষেকের চ্যালেঞ্জের জবাবে তীব্র আক্রমণ বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অভিষেক নির্লজ্জ বেহায়া। কয়লা, বালি চুরিতে নিজেকে বাঁচাতে ব্যস্ত। তাই ও চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছে না।” গতকাল প্রকাশ্য জনসভা থেকে বিজেপি সাংসদকে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন অভিষেক। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই ভাষাতেই পাল্টা আক্রমণ করলেন বিজেপি (BJP) সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

    কী ঘটেছে?

    উল্লেখ্য, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচার অভিযানে নেমেছে। তৃণমূলের তরফ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জেলায় প্রচার অভিযান শুরু করেছেন। গতকাল নদিয়ার হাঁসখালি ব্লকের বাদকুল্লা অনামি ক্লাবের মাঠে একটি প্রকাশ্য জনসভা করে তৃণমূল। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিজেপি (BJP) সাংসদ জগন্নাথ সরকারের নাম করে বলেন, চার বছর আগে রানাঘাট কেন্দ্রের মানুষ প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটে জগন্নাথ সরকারকে জিতিয়েছিলেন। কিন্তু এই চার বছরে তিনি কোনও উন্নয়ন করেননি। রানাঘাটবাসীর জন্য কোনও মন্ত্রীর সঙ্গে উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেছেন, এমন তথ্য কেউ যদি দিতে পারে, তাহলে আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি, আমি জীবনে আর রানাঘাটে পা রাখবো না।

    বিজেপি (BJP)  সাংসদের বক্তব্য

    গতকাল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রানাঘাটে সভার পর বিজেপি (BJP) সাংসদ জগন্নাথ সরকারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি অভিষেকের মতো বড় বড় বাতেলা মারি না। কয়লা চুরি থেকে শুরু করে বালি চুরির বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট আর হাইকোর্টে যেতে যেতে মাথা খারাপ হয়ে গেছে অভিষেকের। সেই কারণে চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছে না। রানাঘাটবাসীর উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে তিনি বলেন, অভিষেকের জানা উচিত ভারতবর্ষের কোনও কৃষক রেল তার মন্ত্রীর সঙ্গে কথা না বলে আনা যায় না।। আমি রানাঘাটে কৃষক রেল চালু করেছি। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ২০০০ লাইটের ব্যবস্থা করেছি রানাঘাট কেন্দ্রে। তার মূল্য কি কোনওদিন তৃণমূল হিসাব করে দেখেছে? অন্যদিকে তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য আমি যে গাড়ির ব্যবস্থা করেছি, তা তৃণমূলের কোনও সাংসদ আজ পর্যন্ত করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির সঙ্গে কথা বলে ফুলিয়ায় ৬০ কোটি টাকার প্রজেক্ট বাস্তবায়িত হতে চলেছে। তৃণমূলের কোনও সাংসদ এমন কাজ করতে পেরেছেন! পাল্টা চ্যালেঞ্জ করেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share