Tag: champat rai

champat rai

  • Ayodhya Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ১১ জানুয়ারি, ঘোষণা ট্রাস্টের

    Ayodhya Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ১১ জানুয়ারি, ঘোষণা ট্রাস্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় প্রভু রামলালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Prana Pratishtha Anniversary) প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ধুমধাম করেই। হিন্দু গণনা পদ্ধতিতে বা ক্যালেন্ডার মতে, কুর্ম দ্বাদশীর দিনেই পড়েছে ওই শুভ মুহূর্ত। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি রামলালার প্রথম প্রাণ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এখন এই বিরাট আয়োজন এবং উৎসবকে পালন করতে অযোধ্যা নগরী আবার সেজে উঠবে। এই ঘোষণার পরই দেশ জুড়ে রামভক্তদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।

    প্রভু রামলালার ৫১ ইঞ্চি মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল (Ayodhya Ram Mandir)

    রাম মন্দির উদ্বোধনের প্রথম বর্ষপূর্তিতে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট ঘোষণা করে বলেছে, “প্রভু রামলালার (Ayodhya Ram Mandir) ৫১ ইঞ্চি মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বার্ষিকী (Prana Pratishtha Anniversary) পালিত হবে আগামী বছরের ১১ জানিয়ারি। পৌষ শুক্ল দ্বাদশী (কুর্ম দ্বাদশী) হিসেবে পালন করা হবে। হিন্দু ঐতিহ্য, আচার এবং পরম্পরা মতে এই দিনটি পালিত হবে।” উল্লেখ্য এদিন অযোধ্যার মণি রাম দাস সেনানিবাসে ট্রাস্টের একটি বিশেষ বৈঠক থেকে এই ঘোষণা করা হয়।

    প্রত্যকে রামভক্তের কাছে দিনটি স্মরণীয়

    উল্লেখ্য গত ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু শ্রী রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর মন্দির ভক্ত এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। সেই সময়ও শুভ মুহূর্ত চয়ন করা হয়েছিল ভারতীয় গণনা পদ্ধতি এবং হিন্দু শাস্ত্রের বিধি-বিধান অনুসারেই। ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) সাধারণ সম্পাদক, চম্পত রাই বলেছেন, “ভারতীয় পঞ্জিকা এবং হিন্দু রীতির উপর নির্ভর করে সব দিক বিবেচনা করে সামঞ্জস্য রেখে এবং বিস্তৃত আলোচনা করে এই দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষ (Prana Pratishtha Anniversary) পালন করা হবে। প্রাচীন ঐতিহ্যকে সম্মান এবং আমাদের সংস্কৃতির শিকড়ের সঙ্গে ভক্তদের সংযুক্ত করবে এই উদযাপন কর্মকাণ্ড। আমরা চাই প্রত্যকে রামভক্তের কাছে দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকুক।” উল্লেখ্য, বৈঠক সম্পন্ন হয় রামমন্দিরের মহন্ত নিত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে। মন্দিরের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ভারত সরকারের বিশেষ সচিব প্রকাশ লোখান্ডেও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।

    তীর্থযাত্রীদের স্থায়ী সুবিধা

    রামমন্দির (Ayodhya Ram Mandir) দর্শন করতে লক্ষ লক্ষ মানুষ আসছেন। ভক্তদের দর্শনকে আরও নিরাপদ এবং সুন্দর করতে ৯ মিটার চওড়া এবং ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্য স্থায়ী আচ্ছাদন নির্মাণ করা হবে। সারা বছরের রোদ, তাপ, ঝড় এবং বৃষ্টির মতো দুর্যোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করবে। এই নির্মাণটি উত্তর প্রদেশের স্টেট কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন এবং লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এল অ্যান্ড টি) দ্বারা পরিচালিত হবে। সম্প্রতি, মন্দিরের দক্ষিণ কোণে একটি বড় অডিটোরিয়াম, গেস্ট হাউস ও ট্রাস্টেের নতুন দফতরের উদ্বোধন করেন প্রধান পুরোহিত মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস।

    আরও পড়ুনঃ রান্নার গ্যাস থেকে ক্রেডিট কার্ড, ১ ডিসেম্বর থেকে একাধিক নিয়মে বদল, আগে জেনে নিন

    স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র

    মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ৩০০০ বর্গ মিটার জুড়ে একটি অত্যাধুনিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই কেন্দ্র আলট্রাসাউন্ড পরিষেবা সহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত করা থাকবে। স্থানীয় জনতা এবং দেশ-বিদেশ থেকে আগত তীর্থ যাত্রীরা সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তবে সপ্ত মন্ডল মন্দির (Ayodhya Ram Mandir), মন্দির কমপ্লেক্সের একটি মূল উপাদান। এটি মার্চ ২০২৫ সালের মধ্যে নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    পণ্ডিতদের প্রশিক্ষণ

    রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) পণ্ডিতদের জন্য একটি ছয়মাসের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। তাও সম্প্রতি শেষ হয়েছে। বৈদিক আচার, বিধি-বিধান মতে কিভাবে কাজ করা হবে সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় পণ্ডিতদের। নিযুক্ত পণ্ডিতদের সকলকে রোটেশন পদ্ধতিতে কাজ কারানো হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের স্বপ্ন সফল হচ্ছে, ৭৫ বছর বয়সেও নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন চম্পত রাই

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের স্বপ্ন সফল হচ্ছে, ৭৫ বছর বয়সেও নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন চম্পত রাই

    রামনগরী অযোধ্যা-এক

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: রাম রাজ্যের ধারণা ছোট থেকেই শুনে আসছি। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে অযোধ্যায় পা রাখতেই স্বচক্ষে দেখলাম রামের রাজত্ব। রামনগরীর প্রতিটি ইট থেকে সরযূ নদীর জল, সবটাই রামচন্দ্রময়। লঙ্কাজয়ের পর রামচন্দ্রের ঘরে ফেরার সময় অযোধ্যানগরী কেমন সেজে উঠেছিল, তা জানার উপায় নেই। তবে ২২ জানুয়ারি রামের মন্দিরে (Ram Mandir) ফেরার আগে উত্তেজনার পারদে যে ফুটছে অযোধ্যা, তা বোঝাই গেল। সব থেকে কর্মব্যস্ততা রয়েছে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর। নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন কর্তারা। মন্দির কমিটির তত্ত্বাবধানে গড়ে উঠেছে ‘তীর্থ ক্ষেত্র ভবন’। রাম মন্দির (Ram Mandir) থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে। সেখান থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে কড়া নিরাপত্তার বলয়।

    ৭৫ বছরের বৃদ্ধ চম্পত রাই। যুবক বয়স থেকেই যুক্ত রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে। বর্তমানে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্বে তিনি। পাশাপাশি গুরুদায়িত্ব রয়েছে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর। তিনি ট্রাস্টের সম্পাদক। সব কিছুই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার ভার তাঁর ওপরেই। সাদা ধুতি, খাদির পাঞ্জাবির ওপর শীত আটকাতে জ্যাকেট। কপালে তিলক আঁকা বৃদ্ধ হাতে মাইক নিয়ে শুরু করলে সাংবাদিক বৈঠক। পিছনে রামমন্দিরের ৭০ একর জায়গার ম্যাপ। চেয়ারে বসে ম্যাপ দেখাতে অসুবিধা হচ্ছিল, তাই উঠে দাঁড়ালেন সত্তরোর্দ্ধ বৃদ্ধ। চম্পত রাইয়ের নিঁখুত বর্ণনায় উঠে এল সামগ্রিক রাম মন্দির (Ram Mandir)। জানা গেল মন্দির তৈরি হচ্ছে জগদ্গুরু আদি শঙ্করাচার্যের ভাবনায়। কী সেই ভাবনা?

    জগদ্গুরু আদি শঙ্করাচার্যের ভাবনা

    হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থানে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন আদতে কেরলে জন্মগ্রহণ করা আদিগুরু শঙ্করাচার্য। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ রচনা থেকে দেবদেবীর স্তোত্রের সংকলন, সবটাই করেছিলেন তিনি। গীতার ভাষ্য তিনিই রচনা করেছেন। পূজা পদ্ধতি, আচার অনুষ্ঠানের বিধি ও নিয়মও লিখে গিয়েছিলেন তিনি। জগদ্গুরু শঙ্করাচার্যের ‘পঞ্চায়তন’ ভাবনার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠছে রাম মন্দির। ‘পঞ্চায়তন’ কথার আক্ষরিক মানে হল পাঁচ দেবদেবীর পুজো। হিন্দু ধর্ম অনুসারে, প্রতিটি ধর্মস্থানে বা মন্দিরে পাঁচ দেবদেবীর পুজোর বিধান দিয়ে গিয়েছিলেন জগদ্গুরু শঙ্করাচার্য। কোন পাঁচ দেবদেবী? এঁরা হলেন সূর্য, শঙ্কর, গণপতি, ভগবতী ও বিষ্ণু। ভক্তদের বিশ্বাস, এই পাঁচদেব দেবীর আরাধনা করলেই সম্পন্ন করা যায় সম্পূর্ণ পুজো। রাম মন্দিরেরও থাকবেন এই পাঁচ দেবদেবী। ভক্তদের বিশ্বাস মতে, রামচন্দ্র হলেন বিষ্ণুর অবতার। তাই রাম মন্দিরে আলাদাভাবে কোনও বিষ্ণু মূর্তি থাকবে না বলেই সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন চম্পত রাই। হিন্দু ধর্মের পবিত্র তীর্থস্থল ইতিমধ্যেই হয়ে উঠেছে অযোধ্যা।

    রাম মন্দিরে জগদ্গুরুর ছোঁয়া

    ২২ জানুয়ারি মন্দির উদ্বোধনের পর সেখানে প্রতিদিন গড়ে ৩ লাখ তীর্থযাত্রীর পা পড়বে বলে অনুমান মন্দির কমিটির। তাই সব দিক থেকেই নিঁখুতভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে রাম মন্দিরকে (Ram Mandir)। প্রাচীন ভারতের ধর্মগুরু শঙ্করাচার্যের ভাবনাই প্রতিফলিত হচ্ছে রাম মন্দিরে। হিন্দু ধর্মের প্রতিটি রীতিই পালন করা হচ্ছে মন্দির নির্মাণে। উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের মন্দিরের গঠন প্রণালীরও মেলবন্ধন দেখা যাবে রাম মন্দিরে। দেশের চার কোনায় চারটি মঠ স্থাপন করে গিয়েছিলেন শঙ্করাচার্য। চারধাম যাত্রায় প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পুণার্থী রওনা হন। তাঁদের সঙ্গে পরিচয় হয় শঙ্করাচার্যের ভাবনা ও ধারণার। এবার রাম মন্দিরেও মিলবে জগদ্গুরুর ছোঁয়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় রাম মন্দিরের উদ্বোধন, বললেন চম্পত

    Ram Temple: স্বাধীনতা দিবসের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয় রাম মন্দিরের উদ্বোধন, বললেন চম্পত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি ততটাই গুরুত্বপূর্ণ, যতটা ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট ছিল। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে জয় ও ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের এক লাখ সেনাকে বন্দি করার ঘটনার মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ রাম মন্দির উদ্বোধন।” কথাগুলি বললেন রাম (Ram Temple) জন্মভূমি ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই।

    চম্পতের দাবি

    তিনি বলেন, “রাম মন্দির গোটা দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হওয়ায় এখানকার মানুষ সন্তুষ্ট। এখানকার আশপাশের মানুষজন, সাধু, শিক্ষক থেকে শুরু করে অনেকেই এই রাম মন্দির আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন।” চম্পত বলেন, “১৯৮৩ সালের পর থেকে অবশ্য গোটা দেশের মানুষই জড়িয়ে পড়েছিলেন এর সঙ্গে। তার আগে বিষয়টি শুধুমাত্র অযোধ্যায়ই সীমাবদ্ধ ছিল। আর এখন গোটা দেশের শ্রদ্ধার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এটি (Ram Temple)।”

    অগাস্টের গুরুত্ব

    উল্লেখ্য, এই অগাস্ট যেমন স্বাধীনতার মাস, তেমনই ২০২০ সালের অগাস্ট মাসেই অযোধ্যায় রাম মন্দিরের শিলান্যাস করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৯ সালের অগাস্টেরই পাঁচ তারিখে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ করে মোদি সরকার। তিন তালাক রদে আইনও চালু হয়েছিল অগাস্টেই। 

    আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হবে রাম মন্দিরের। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেবদর্শন শুরু হবে তারও একদিন পর থেকে। এই রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট্রের সম্পাদক চম্পত। বহু বছর ধরে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে ১৫ অগাস্টের চেয়ে কোনও অংশেই কম গুরুত্বপূর্ণ নয় ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি।

    আরও পড়ুুন: অটল বিহারী বাজপেয়ীর জন্মদিনে দেশজুড়ে কর্মসূচি বিজেপির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে এ মাসেই অযোধ্যা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। ৩০ ডিসেম্বর অযোধ্যায় নয়া বিমানবন্দরের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধন করবেন অযোধ্যা রেলস্টেশনেরও। বিমানবন্দর থেকে রেলস্টেশনের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। এই পথেই এদিন রোড-শো করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গত, রাম মন্দির (Ram Temple) উদ্বোধন উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বহু অতিথি আসবেন অযোধ্যায়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও। তবে এদিন বিজেপির সহ প্রতিষ্ঠাতা লালকৃষ্ণ আদবানি ও প্রবীণ বিজেপি নেতা মুরলি মনোহর যোশীকে না আসার অনুরোধ জানিয়েছে রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share