Tag: Chandrababu Naidu

Chandrababu Naidu

  • PM Modi: “মোদির নেতৃত্বে ভারত হবে এক বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ”, বললেন চন্দ্রবাবু

    PM Modi: “মোদির নেতৃত্বে ভারত হবে এক বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ”, বললেন চন্দ্রবাবু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন আর শুধু ভারতের নেতা নন, তিনি এখন বিশ্বের নেতা।” দিন দশেক আগে কথাগুলি বলেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। আর শনিবার সেই চন্দ্রবাবুই জানিয়ে দিলেন, মোদির নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ভারতের ঠাঁই হবে এক কিংবা দু’নম্বরে।

    মোদির নেতৃত্ব (PM Modi)

    এদিন কড়াপা জেলার মাইডুকুরে একটি সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্যে এনডিএ ২৫টির মধ্যে ২১টি লোকসভা আসন জিতেছে, তা যেন ‘সঞ্জীবনী’ হয়ে উঠেছে। যদিও তেলেগু দেশম পার্টি এক কোটি সদস্যসহ একটি আঞ্চলিক দল, তবুও এটি সব সময় একটি জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে এসেছে।” তিনি বলেন, “আমরা আগেও ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে এনডিএর সঙ্গে কাজ করেছি।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমার কোনও সন্দেহ নেই যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত এক নম্বর বা দু’নম্বর অর্থনীতির দেশ হয়ে উঠবে। আমার লক্ষ্য হল তেলেগু জনগণকে বিশ্বব্যাপী এক নম্বর স্থানে দেখতে পাওয়া।”

    ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারে’র প্রশস্তি

    এদিন চন্দ্রবাবুর মুখেও ‘ডবল ইঞ্জিন সরকারে’র (PM Modi)  প্রশস্তি শোনা যায়। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব কেবলমাত্র ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ থাকার মাধ্যমে, যা রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় স্তরে দ্বিগুণ উন্নয়ন হার নিয়ে আসবে। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার পোলভারম সেচ প্রকল্পসহ একাধিক প্রকল্পের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশাখাপত্তনম স্টিল প্ল্যান্টের জন্য একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা আপনাদের এই বলে আশ্বস্ত করছি যে পোলভারম সেচ প্রকল্প আগামী দু’বছরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের জন্য ১২,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ডায়াফ্রাম ওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: ভুয়ো নথি ব্যবহার করে মুসিবুল হল প্রদীপ, একত্রবাস হিন্দু মেয়ের সঙ্গে, গ্রেফতার

    চন্দ্রবাবুর মুখে মোদি-স্তুতি শোনা গিয়েছে আগেও। কিছুদিন আগেই তিনি (Chandrababu Naidu) বলেছিলেন, “আমি সব সময় আপনার কাছ থেকে কিছু না কিছু অনুপ্রেরণা পাই। আপনার কাছ থেকে শিখি। আপনার নেতৃত্বে ভারত উন্নতির শিখরে পৌঁছবে। আমরা সবাই আপনার জন্য গর্বিত (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Temple:  তিরুপতি মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    Tirupati Temple: তিরুপতি মন্দিরে হুড়োহুড়ি, পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দিরে (Tirupati Temple) পদপিষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৬। গুরুতর আহতের সংখ্যা ১৫। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু। বৃহস্পতিবার আহতদের সঙ্গে দেখা করতে তিরুপতি যাচ্ছেন তিনি। 

    বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের সুযোগ (Tirupati Temple)

    বৈকুণ্ঠ একাদশীর দিন বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের সুযোগ পান ভক্তরা। তিরুপতি মন্দিরের বৈকুণ্ঠদ্বার দর্শনের জন্য আগে থেকে টিকিট কাটতে হয়। বুধবার সকাল থেকে ওই টিকিট জোগাড় করতে ভিড় করেন প্রচুর মানুষ। সন্ধ্যায় বৈরাগী পট্টিতা পার্কে টিকিট বিলির আগে কাউন্টারের সামনে অন্ততপক্ষে সাড়ে চার হাজার মানুষ ভিড় করেছিলেন। কাউন্টার খুলতেই শুরু হয়ে যায় টিকিট পেতে হুড়োহুড়ি। ভিড়ের চোটে মাটিতে পড়ে যান অন্তত ৬০ জন। অনেকে উঠে দাঁড়াতে পারলেও, পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় অন্তত ছজনের। মৃতের সংখ্যা আরও বড়তে পারে বলেই খবর। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। আহতদের উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর রামনারায়ণ রুইয়া হাসপাতালে (Tirupati Temple)।

    আরও পড়ুন: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনায় শোক জ্ঞাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, তিরুপতিতে পদদলিত হয়ে অনেক ভক্তের প্রাণহানির খবর শুনে আমি মর্মাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।

    শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার রাতে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে লেখা হয়েছে, ‘তিরুপতির (Tirupati Temple) ঘটনায় শোকাহত। নিহতদের পরিবারের পাশে আছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার সব রকম সাহায্যের জন্য প্রস্তুত (Andhra Pradesh)।’

    ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “তিরুপতির ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। নিহতদের পরিবারকে সমবেদনা জানাই। মৃতদের আত্মা শান্তি পাক। এই ঘটনা কীভাবে ঘটল, তা ভেবেই আমি হতবাক। আহতরা যাতে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন এই প্রার্থনা করছি।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati: তিরুপতি মন্দিরের বড় সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড থেকে বাদ অহিন্দুরা, প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক বিবৃতি

    Tirupati: তিরুপতি মন্দিরের বড় সিদ্ধান্ত, কর্মকাণ্ড থেকে বাদ অহিন্দুরা, প্রাঙ্গণে নিষিদ্ধ রাজনৈতিক বিবৃতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি (Tirupati) ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে যে কোনও রকমের কাজে আর নিযুক্ত থাকতে পারবেন না অহিন্দুরা। সোমবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তিরুপতি মন্দিরের পরিচালন সংস্থা। প্রসঙ্গত, তিরুপতি মন্দিরের পরিচালন সংস্থার নাম হল তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (টিটিডি)। এমন প্রস্তাব পাশ করার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের (Tirupati Temple) চেয়ারম্যান বিআর নাইডু। তবে এখনও পর্যন্ত সঠিক তথ্য জানা যায়নি, ঠিক কতজন অহিন্দু কর্মচারী সেখানে নিযুক্ত রয়েছেন। স্থানীয় একটি সূত্র ইতিমধ্যে সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেছে, মন্দিরের দৈনন্দিন ও প্রশাসনিক নানা রকমের কাজের জন্য অন্তত ৭,০০০ স্থায়ী কর্মচারী রয়েছেন। এই কর্মচারীদের মধ্যে অন্তত ৩০০ জন অ-হিন্দু সম্প্রদায়ের। প্রসঙ্গত, স্থায়ী কর্মী ছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি তিরুমালা মন্দিরের (Tirupati) ১৪ হাজার অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। প্রসঙ্গত, মন্দির কমিটি এও সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তিরুমালা পাহাড়ে কোনও রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া যাবে না।

    সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বেশিরভাগ কর্মচারী সংগঠন

    মন্দির কর্তৃপক্ষের পাশ করা প্রস্তাবে বলা হয়েছে, মন্দিরের অ-হিন্দু কর্মচারীদের হয় স্বেচ্ছাবসর নিতে হবে, না হলে তাঁদের অন্য সরকারি দফতরে বদলি করা হবে। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বেশিরভাগ কর্মচারী সংগঠনই। একটি কর্মচারী সংগঠনের মতে, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম-এর যে বিধির কথা এতদিন বলা হচ্ছিল, এতদিনে তা কার্যকর করা হল। প্রসঙ্গত, গত ৩১ অক্টোবরই তিরুমালা তিরুপতি (Tirupati Temple) দেবস্থানমের চেয়ারম্যান করা হয় বিআর নাইডুকে। তারপরেই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, গোটা মন্দিরের প্রশাসন হিন্দুদের দ্বারাই পরিচালনা করা হবে।

    সাম্প্রতিক লাড্ডু বিতর্ক (Tirupati)  

    প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তিনবার তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের আইনেও বদল করা হয়েছিল। সে সময় বলা হয়েছিল যে মন্দির পরিচালন করবেন হিন্দুরাই। কিন্তু এর পরেও বহু অহিন্দু সম্প্রদায়ের কর্মচারী মন্দিরের প্রশাসনিক নানা কাজে নিযুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এরপরে চন্দ্রবাবু নাইডুর সরকার ক্ষমতায় আসতেই ফের বিষয়টি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তারপরে আবার লাড্ডু বিতর্কে সংবাদ শিরোনামে এসেছিল তিরুপতি মন্দির। তেলুগু দেশম পার্টির নেতা চন্দ্রবাবু নাইডুর অভিযোগ, পূর্বতন জগন্মোহন রেড্ডি সরকারের আমলে প্রসাদী লাড্ডু বানানোর সময় ঘি এর সঙ্গে পশুর চর্বি মেশানো হত। এক্ষেত্রে গুজরাতের এক সরকারি ল্যাবরেটরির জুলাই মাসের রিপোর্ট উদ্ধৃত করেন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী। এরপরেই মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষার ইস্যুটি ফের সামনে চলে আসে।

    সংবিধানসম্মত সিদ্ধান্ত

    প্রসঙ্গত, তিরুমালা তিরুপতি (Tirupati) দেবস্থানমের এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অন্ধপ্রদেশ সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গতকাল সোমবারই প্রস্তাব পাঠানো হয়। মন্দির কমিটি যে প্রস্তাব পাশ করেছে সেখানে ভারতের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের ১৬(৫) অনুচ্ছেদই প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলি শুধুমাত্র সেই ধর্মেরই ব্যক্তিদের নিয়োগ করবে, যাঁদের ওই মন্দির প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা রয়েছে। এরফলে পবিত্রতা রক্ষা করা যায় ধর্মস্থানের।

    সম্প্রতি অন্ধ্রের হাইকোর্টের রায়

    জানা গিয়েছে, তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের (Tirupati Temple) এই বৈঠক সেখানকার অন্নময় ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রসঙ্গত, তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরকে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হিন্দু মন্দির হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রসঙ্গত, ওই বৈঠকের প্রস্তাব হাতে পেতেই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু ঘোষণা করেছেন, মন্দিরের সমস্ত অহিন্দু কর্মচারীদের স্বেচ্ছা অবসর স্কিম দেওয়া হবে অথবা তাঁদেরকে অন্য সরকারি বিভাগে স্থানান্তর করা হবে। প্রসঙ্গত, প্রায় প্রতিটি কর্মচারী সংগঠনই এই সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। তারা এক্ষেত্রে বলছেন যে অন্ধ্রপ্রদেশ এনডাউসমেন্ট অ্যাক্ট, টিটিডি অ্যাক্ট এবং ১৯৮৯ সালের একটি সরকারি আদেশের সঙ্গেও এই নির্দেশ সম্পূর্ণভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অন্ধ্র হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যে সমস্ত কর্মী কাজ করবেন, তাঁদেরকে ওই প্রতিষ্ঠানের যে বিশ্বাস সেটাকে মেনে চলতে হবে। মনে করা হচ্ছে, অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণে আরও ত্বরান্বিত হয়েছে মন্দির কমিটির এই সিদ্ধান্ত।

    সরছে বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে অ্যাকাউন্ট 

    একই সঙ্গে তিরুমালা তিরুপতি বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছে, মন্দিরের আর্থিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বেসরকারি ব্যাঙ্ক থেকে তাদের সমস্ত অ্যাকাউন্ট সরকারি ব্যাঙ্কে স্থানান্তর করা হবে। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত পরবর্তী বোর্ড মিটিংয়ে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মন্দির কমিটির কর্মকর্তারা।
    জানা গিয়েছে, বর্তমানে তিরুপতি মন্দিরের দেবতা দর্শন করতে দর্শনার্থীদের অপেক্ষা করতে হয় কুড়ি থেকে ত্রিশ ঘণ্টা। মন্দির কমিটি এই বিষয়টি নিয়েও বিবেচনা করছে বলে জানা গিয়েছে। আগামী দিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে অপেক্ষার সময় দুই থেকে তিন ঘণ্টা কীভাবে কমিয়ে আনা যায় তাও ভাবা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া যাবে না তিরুমালা পাহাড়ে 

    একইসঙ্গে ভারতবর্ষের গুরুত্বপূর্ণ এই মন্দিরে আধ্যাত্মিকতা এবং অরাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতেও উদ্যোগী হয়েছে মন্দির সমিতি। ঠিক এই কারণে সেজন্য বোর্ড আরও কতগুলি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিরুমালা মন্দিরে কোনও রকমের রাজনৈতিক বিবৃতি দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি মন্দির সমিতির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাঙ্গণে যে কোনও রাজনৈতিক দল তাদের অ্যাজেন্ডা যদি প্রচার করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    একইসঙ্গে, তিরুমালা মন্দিরের ব্রহ্মোৎসবে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীদের ভাতা ১০ শতাংশ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। তিরুপতি মন্দিরের আশেপাশের বাসিন্দারা প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গলবার বিশেষ দর্শন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrababu Naidu: চন্দ্রবাবুর দাবি সত্যি, পরীক্ষায় তিরুপতির প্রসাদী লাড্ডুতে মিলল পশুর চর্বির অস্তিত্ব

    Chandrababu Naidu: চন্দ্রবাবুর দাবি সত্যি, পরীক্ষায় তিরুপতির প্রসাদী লাড্ডুতে মিলল পশুর চর্বির অস্তিত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও রাজনীতি নয়, যা বলছেন তা সত্যি! তিরুপতির বেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের লাড্ডু নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইড়ুর (Chandrababu Naidu) অভিযোগকে মান্যতা দিল সরকারি ল্যাবরেটরি। চন্দ্রবাবুর অভিযোগ ছিল, ‘ওয়াইএসআর কংগ্রেসের শাসনকালে তিরুপতি মন্দিরের (Tirupati Temple) লাড্ডুতে পশুর চর্বি ব্যবহার করা হত।’ বেঙ্কটেশ্বর মন্দিরে লাড্ডু তৈরির সময় পশুর চর্বি মেশানোর কথা অস্বীকার করেছিল পূর্বতন সরকার। কিন্তু নিজের দাবিকে সত্যি প্রমাণিত করলেন চন্দ্রবাবু। তিনি ওই লাড্ডু গুজরাটের একটি সরকারি ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠান। ল্যাবরেটরির রিপোর্ট বলছে, তিরুপতির লাড্ডুতে ব্যবহার করা ঘিতে মাছের তেল, গরু ও শূকরের চর্বি মিলেছে। এই নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের সৃষ্টি হওয়ায় অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্র।

    কী বলছে ল্যাবের রিপোর্ট?

    গুজরাটের ন্যাশনাল ডেয়ারি ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের সেন্টার অফ অ্যানালাইসিস অ্যান্ড লার্নিং ইন লাইভস্টক অ্যান্ড ফুড (CALF) ল্যাবরেটরির একটি রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রসাদ তৈরির জন্য ব্যবহৃত ঘিতে “এস ভ্যালু” (S-value) নির্ধারিত সীমার বাইরে ছিল, যা নির্দেশ করে যে সেই ঘিতে বিদেশি চর্বি মেশানো হয়েছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, লাড্ডুতে ব্যবহার করা হয়েছে মাছের তেল, গরুর চর্বি এবং শূকরের চর্বি। এছাড়াও লাড্ডুতে সয়াবিন, সূর্যমুখী, অলিভ, রেপসিড, লিনসিড, গমের ভুসি, ভুট্টার ভুসি, নারকেল এবং পাম অয়েলের মতো বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ উপাদানও ব্যবহার করা হয়েছে।

    হতাশ ভক্তরা

    তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (TTD) দ্বারা পরিচালিত তিরুমালা ভেঙ্কটেশ্বর মন্দির অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুমালা পাহাড়ে অবস্থিত এবং এটি ভগবান বিষ্ণুর অবতার শ্রী ভেঙ্কটেশ্বরকে উৎসর্গ করা হয়েছে। এই মন্দিরটি হিন্দুদের মধ্যে অত্যন্ত পূজনীয় এবং বিশ্বজুড়ে ভক্তরা এখানে প্রার্থনা করতে আসেন। বিশেষ করে বিখ্যাত “লাড্ডু প্রসাদাম” এখানে ভক্তদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রতিদিন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ভক্তদের ঢল নামে এই লাড্ডু সংগ্রহের জন্য। সেই প্রসাদেই পশুর চর্বির কথা শুনে মাথায় হাত পড়েছে ভক্তদের।

    রিপোর্ট তলব

    লাড্ডু নিয়ে এই বিস্ফোরক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই তিরুপতি মন্দির কর্তৃপক্ষ একটি প্যানেল গঠন করেছেন। ওই প্যানেল ঘিয়ের গুণগত মান পরীক্ষা করে দেখবে। তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের এক্সিকিউটিভ অফিসার জানিয়েছেন, এই কমিটিতে চারজন থাকবেন। এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের রিপোর্ট দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: ভেঙে পড়া নৌসেনার সি-গার্ডিয়ান ড্রোন প্রতিস্থাপন করবে মার্কিন সংস্থা

    কী অভিযোগ

    বুধবার অমরাবতীতে এনডিএ বিধায়কদের বৈঠকে ছিল। সেই বৈঠকেই চন্দ্রবাবু বলেন, ‘‘তিরুমালা লাড্ডুও নিম্নমানের উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল…ঘিয়ের বদলে ওরা পশুর চর্বি ব্যবহার করেছিল।’’ এখানে ‘ওরা’ বলতে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের আমলের কথাই বলেছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, এখন খাঁটি ঘি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং মন্দিরে সবকিছু স্যানিটাইজ করা হয়েছে। ফলে সার্বিক গুণমান উন্নত হয়েছে। আবার একই সুরে জগন মোহন রেড্ডির সরকারকে তোপ দেগেছেন রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশ। তিনি বলেন, ‘‘তিরুমালার ভগবান ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দির আমাদের সবচেয়ে পবিত্র মন্দির। আমি অবাক হয়েছি যে ওয়াইএস জগন মোহন রেড্ডি প্রশাসন তিরুপতি প্রসাদে ঘিয়ের পরিবর্তে পশুর চর্বি ব্যবহার করেছে।’’

    তদন্তের দাবি

    বিজেপি অন্ধ্রের মুখপাত্র জি ভানুপ্রকাশ রেড্ডি এই বিষয়ে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর দাবি পূর্ববর্তী ওয়াইএসকে সরকার এই ঘটনার জন্য দায়ী। জগন মোহন রেড্ডি সরকার “স্পষ্টভাবে হিন্দু বিরোধী” এবং তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের তহবিলের অব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। তিনি ঘি সরবরাহের শৃঙ্খল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, গরু বেল্ট অঞ্চলে সমবায় সমিতিগুলিকে দরপত্র দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুর কাছে তিরুপতি লাড্ডু তৈরিতে ব্যবহৃত ঘিতে পশুর চর্বি থাকার অভিযোগে একটি “বিস্তারিত প্রতিবেদন” চেয়েছেন। এদিকে, খাদ্যমন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন তা গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। একটি বিশদ তদন্ত প্রয়োজন এবং অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tirupati Laddoo: পশুর চর্বি দিয়ে তৈরি লাড্ডু নিবেদন তিরুপতি মন্দিরে! উত্তাল অন্ধ্রের রাজনীতি

    Tirupati Laddoo: পশুর চর্বি দিয়ে তৈরি লাড্ডু নিবেদন তিরুপতি মন্দিরে! উত্তাল অন্ধ্রের রাজনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘিয়ের বদলে লাড্ডুতে মেশানো হতো পশুর চর্বি। সেই লাড্ডুই উৎসর্গ করা হতো দেবতাকে। এমনই অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরগরম অন্ধ্রপ্রদেশের রাজনীতি। তেলুগু দেশম পার্টি সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুর (Chandrababu Naidu) অভিযোগ, তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডু (Tirupati Laddoo) প্রসাদে মেশানো হতো পশুর চর্বি। ব্যবহার করা হতো নিম্নমানের উপাদান। এসবই হতো পূর্বতন জগনমোহন রেড্ডির নেতৃত্বাধীন ওয়াইএসআর কংগ্রেস সরকারের আমলে।

    লাড্ডুতে পশুর চর্বি!

    তিরুমালা মন্দিরের অধীশ্বর শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর। তাঁর প্রসাদমের তালিকায় রয়েছে লাড্ডুও। এই লাড্ডু তৈরি হয় খাঁটি ঘি দিয়ে। অভিযোগ, ওয়াইএসআর কংগ্রেস জমানায় এই লাড্ডুই তৈরি হয়েছিল ঘিয়ের বদলে পশুর চর্বি দিয়ে। লাড্ডু তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছিল নিম্নমানের উপকরণ। প্রতিদিন তিরুপতি মন্দির দর্শনে আসেন লাখ লাখ পুণ্যার্থী। প্রসাদ হিসেবে তাঁরাই নিয়ে যান লাড্ডু। সেই লাড্ডুতেই পশুর চর্বি ব্যবহার করা হতো জেনে, ব্যাপক শোরগোল পড়ছে অন্ধ্র-রাজনীতিতে।

    ‘গুণমান উন্নত হয়েছে’

    মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, “ওয়াইএসআর কংগ্রেসের সময় তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডুতে ঘিয়ের পরিবর্তে পশুর চর্বি ব্যবহার করা হয়েছিল। এখন খাঁটি ঘি ব্যবহার করা হচ্ছে। নিয়মিত স্যানিটাইজ করা হচ্ছে মন্দির। যার জেরে এখন গুণমান উন্নত হয়েছে।” ভগবানের প্রসাদে (Tirupati Laddoo) ঘিয়ের পরিবর্তে পশুর চর্বি ব্যবহার করা হয়েছে শুনে কার্যত আকাশ থেকে পড়েছেন চন্দ্রবাবু সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী নারা লোকেশও। তিনি বলেন, “তিরুমালার ভগবান ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দির আমাদের সব চেয়ে পবিত্র স্থান। ওয়াইএস জগন মোহন রেড্ডি প্রশাসনের সময় এই পবিত্র প্রসাদমে ঘিয়ের পরিবর্তে পশুর চর্বি ব্যবহারের খবর শুনে আমি হতবাক।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের অনুরোধ ফেরাল ভারত, মার্কিন মুলুকে হচ্ছে না মোদি-ইউনূস বৈঠক

    তিরুপতি শহরের ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের প্রসাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় শ্রীভরি লাড্ডু। প্রস্তুত হয় মন্দিরেরই হেঁসেলে। দেবতাকে নিবেদনের পর প্রসাদী লাড্ডু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ভক্তদের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন তিরুপতি মন্দির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম কর্তৃপক্ষ। ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের। সেই অনুষ্ঠানেও বিশেষ প্রসাদ হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল তিরুপতি মন্দিরের লাড্ডু। চন্দ্রবাবু নাইডুর (Chandrababu Naidu) তোলা অভিযোগের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস। দলের তরফে সাংসদ সুব্বা রেড্ডি বলেন, “চন্দ্রবাবু নোংরা রাজনীতি করছেন (Tirupati Laddoo)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrababu Naidu: ‘কথা’ রাখলেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় ফিরলেন চন্দ্রবাবু

    Chandrababu Naidu: ‘কথা’ রাখলেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় ফিরলেন চন্দ্রবাবু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবারকে অপমান করার অভিযোগে বিধানসভা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। সেদিনই বলেছিলেন, যেদিন মুখ্যমন্ত্রী হবেন, সেদিন ফিরবেন এই ভবনে। ‘কথা’ রাখলেন তিনি। বিধানসভায় ফিরলেন শুক্রবার, ৩১ মাস পরে এবং মুখ্যমন্ত্রী হয়েই। আড়াই বছরেরও বেশি সময় বিধানসভার বাইরে থাকার পর এদিন সভায় পা রেখেই খানিক আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন চন্দ্রবাবু। বিধানসভায় তাঁকে স্বাগত জানান তেলগু দেশম পার্টির বিধায়ক এবং জোটসঙ্গীরা।

    চন্দ্রবাবুর ‘প্রতিজ্ঞা’

    ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে আলোচনা চলছিল অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায়। এই সময় তৎকালীন শাসক দল ওয়াইএসআর কংগ্রেসের বিধায়কদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছিলেন চন্দ্রবাবু। সেই সময় আচমকাই জগন্মোহন রেড্ডির দলের বিধায়করা চন্দ্রবাবুর স্ত্রীকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ (Chandrababu Naidu)। প্রতিবাদে বিধানসভা ছেড়ে চলে যান। সজল চক্ষে বলে যান, “এর পর আমি আর কোনও অধিবেশনে যোগ দেব না। আবার যখন মুখ্যমন্ত্রী হব, তখন বিধানসভায় পা রাখব।” তৎকালীন বিধানসভাকে ‘কৌরবদের সভা’ বলেও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।

    প্রতিজ্ঞা পূরণ হওয়ায় বিধানসভায়

    উনিশের বিধানসভা নির্বাচনে অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্সিতে বসেছিলেন জগন্মোহন। চব্বিশের ভোটে পাশা উলটেছে দক্ষিণের এই রাজ্যে। বিজেপি এবং জনসেনা পার্টির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এই নির্বাচনে লড়েছিল টিডিপি। তাতেই উলটে যায় পাশার দান। ১৭৫ আসনের অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায় ১৩৫ আসনে জয়ী হয় টিডিপি। ২১টি আসনে জেতে জন সেনা পার্টি। রাজ্যের আটটি বিধানসভা কেন্দ্রে ফোটে পদ্ম। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন টিডিপি সুপ্রিমো। এই নিয়ে চতুর্থবার। শুক্রবার পা রাখেন বিধানসভায়।

    আর পড়ুন: রেশন দুর্নীতিতে ১০ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! আদালতে নয়া তথ্য ফাঁস ইডির

    প্রসঙ্গত, ১২ জুন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন চন্দ্রবাবু। সেদিন কৃষ্ণা জেলার গান্নাভারম বিমানবন্দরের কাছে কেসারাপল্লি আইটি পার্কে বিশাল মঞ্চে শপথ নিয়েছিলেন তিনি। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। আগামিদিনে অমরাবতীকেই রাজ্যের রাজধানী করা হবে বলেও ঘোষণা করেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের নয়া মুখ্যমন্ত্রী (Chandrababu Naidu)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chandrababu Naidu: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    Chandrababu Naidu: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে পাশে নিয়েই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ চন্দ্রবাবুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন তেলুগু দেশম পার্টির সুপ্রিমো এন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। শপথ গ্রহণ শেষ হতেই প্রধানমন্ত্রী মোদিকে প্রণাম করতে যান চন্দ্রবাবু। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। চন্দ্রবাবুর পিঠ চাপড়ে দেন তিনি। 

    শপথ অনুষ্ঠানে চাঁদের হাট

    বুধবার রাজধানী অমরাবতীর তথ্যপ্রযুক্তি পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শপথবাক্য পাঠ করেন চন্দ্রবাবু (Chandrababu Naidu)। উপ মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন অভিনেতা তথা জনসেনা দলের প্রধান পবন কল্যাণ। এ দিন বিজয়ওয়াড়ার কাছে মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সকালেই অন্ধ্র প্রদেশে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়করি ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। পাশাপাশি অভিনেতা রজনীকান্ত, সুপারস্টার চিরঞ্জীবী, তেলঙ্গানার প্রাক্তন রাজ্যপাল তামিলিসাই সৌন্দরারাজন উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যপাল এস আব্দুল নাজির শপথবাক্য পাঠ করান।

    চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী

    চতুর্থবারের জন্য বুধবার মুখ্য়মন্ত্রীর পদে শপথ গ্রহণ করলেন তিনি। এর আগে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন চন্দ্রবাবু। অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে একটানা ক্ষমতায় থাকার রেকর্ডও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। এর আগে ৮ বছর ২৫৬ দিন অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। অন্ধ্রপ্রদেশের বিধানসভায় ১৭৫টি আসনের মধ্যে ১৩৫টি আসনেই জয়ী হয়েছে টিডিপির নেতৃত্বে থাকা এনডিএ জোট। পবন কল্যাণের দল জনসেনা ২১টি আসন জিতেছে, বিজেপি ৮টি আসন জিতেছে। আজ মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডুর (Chandrababu Naidu) পাশাপাশি মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন পবন কল্যাণ। চন্দ্রবাবুর ছেলে তথা টিডিপি-র জাতীয় সাধারণ সম্পাদক নারা লোকেশও শপথ নেন।  মোট ২৩ জন মন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন। জনসেনা দল চন্দ্রবাবুর ক্যাবিনেটে ৩টি আসন পেয়েছে। মন্ত্রিসভায় তিনজন মহিলা, আটজন পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের নেতা, দুইজন এসসি, একজন এসটি এবং একজন মুসলিম রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি সারা, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে কারা?

    PM Modi: শপথ গ্রহণের প্রস্তুতি সারা, গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের দায়িত্বে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার, ৯ জুন সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর সঙ্গেই এদিন শপথ নেবেন আরও ৩০ জন মন্ত্রী। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই দিল্লিতে হাজির হয়ে গিয়েছেন নয়া মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য সদস্যরা।

    মোদির শপথ

    এদিন সন্ধে ৭টা ১৫ মিনিটে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিনই শপথ নেবেন গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দফতরের মন্ত্রীরাও। বাকি মন্ত্রীরা শপথ নেবেন কয়েকদিন পর। এদিন যাঁরা শপথ নেবেন, তাঁদের মধ্যে সংখ্যায় বেশি বিজেপি সাংসদরাই। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনতা দল ইউনাইটেড এবং চন্দ্রবাবু নাইডুর টিডিপির একজন করেও এদিন (PM Modi) শপথ নিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ হয়ে যাওয়ার পর শপথ নেবেন অন্য মন্ত্রীরা।

    পূর্ণমন্ত্রীর সংখ্যা

    জানা গিয়েছে, এবার পূর্ণমন্ত্রীর সংখ্যা হতে পারে ৮০-র কাছাকাছি। নয়া মন্ত্রিসভায় খুব কম সংখ্যক মন্ত্রীকেই দায়িত্ব দেওয়া হবে একাধিক মন্ত্রকের। নয়া মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, অর্থ ও বিদেশমন্ত্রকের রাশ বিজেপি নিজের হাতেই রাখবে বলে সূত্রের খবর। রেল, শিক্ষা, সড়ক ও পরিবহণ, আইন, তথ্যপ্রযুক্তি, স্টিল, কয়লা ও অসামরিক উড়ান মন্ত্রকের দায়িত্বও নিজের হাতে রাখবে বিজেপি। এঁরা সবাই শপথ নেবেন এদিনই। আরও কয়েকটি দফতরের মন্ত্রীরাও এদিন শপথ নেবেন। বাকি সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে পরে।

    আর পড়ুন: আজ ফের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন মহাত্মা গান্ধী, বাজপেয়ীকে

    বিজেপি সূত্রে খবর, এদিন সন্ধে ৭টা ১৫ মিনিটে শপথ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে হবু মন্ত্রিসভার সদস্যদের তাঁর বাসভবনে চায়ের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন মোদি। বিজেপির একটি সূত্রের খবর, দফতর অটুট থাকবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, সড়ক ও পরিবহণমন্ত্রী নীতিন গডকরির। স্বপদে বহাল থাকবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। উল্লেখ্য, এই দুজনই রাজ্যসভার সাংসদ। মন্ত্রী হতে পারেন রামবিলাস পাশোয়ানের ছেলে চিরাগ, জেডিএসের এইচডি কুমারস্বামী, আপনা দলের অনুপ্রিয়া প্যাটেল, আরএলডির জয়ন্ত চৌধুরী এবং হিন্দুস্তানি আওয়ার মোর্চার জিতন রাম মাঝিও (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Election Result: দিল্লিতে বৈঠকে বসছে এনডিএ, কারা উপস্থিত থাকছেন জানেন?

    Lok Sabha Election Result: দিল্লিতে বৈঠকে বসছে এনডিএ, কারা উপস্থিত থাকছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষণা হয়ে গিয়েছে অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election Result) ফল। এবার সরকার গড়ার তোড়জোড় করছে এনডিএ। আজ, বুধবার দিল্লিতে বৈঠকে বসছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উপস্থিত থাকবেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জনতা দল ইউনাইটেডের নীতীশ কুমারও। বিহারে লোকসভার আসন ৪০টি।

    কী বলছেন এনডিএ-র শরিকরা?

    তার মধ্যে নীতীশের দলের ঝুলিতে গিয়েছে ১২টি। পদ্ম ফুটেছে ১২টি কেন্দ্রে। রামবিলাস পাশোয়ানের লোক জনশক্তি দলের প্রধান চিরাগ পাশোয়ান জানান, তাঁর দলও যোগ দেবেন দিল্লিতে আয়োজিত এনডিএর বৈঠকে (Lok Sabha Election Result)। তিনি বলেন, “তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। তিনি দেশকে নিয়ে যাবেন এক নয়া উচ্চতায়। উন্নয়ন নিয়ে যেসব প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছেন, তা-ও পূরণ করবেন।” জন সেনা পার্টি সুপ্রিমো পবন কল্যাণ বলেন, “আমরা এনডিএ-র প্রতি পুরোপুরি দায়বদ্ধ। চন্দ্রবাবু নাইডু এনডিএতে থাকবেন কিনা, তা নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবনা চিন্তা করার জায়গাই নেই।”

    টিডিপির জয়জয়কার

    অন্ধ্রপ্রদেশে টিডিপির ঝুলিতে গিয়েছে ১৬টি আসন। জন সেনা পার্টির হাতে রয়েছে দুই কেন্দ্রের রশি। পদ্ম ফুটেছে তিনটি কেন্দ্রে। গত বার ওয়াইএসআর কংগ্রেস পেয়েছিল ২২টি আসন। এবার সেটা কমে দাঁড়িয়েছে ৪টিতে। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনও হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশে। সেখানেও জয়জয়কার টিডিপির। চন্দ্রবাবু নাইডুর দলের ঝুলিতে এসেছে ১৩৫টি আসন। পবন কল্যাণের জন সেনা পেয়েছে ২১টি আসন। বাকিরা পেয়েছে ১৭৫টি কেন্দ্রের রাশ। এই বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝুলিতে গিয়েছে ৮টি আসন।

    আর পড়ুন: নীতীশ এনডিএতেই, বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছেন দিল্লিও, জানিয়ে দিল দল

    এবার লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি এককভাবে পেয়েছে ২৪০টি আসন। সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। জেডিইউ, টিডিপি এবং জন সেনা-সহ এনডিএ-র বাকি দলগুলি মিলিয়ে এনডিএ-র ঝুলিতে গিয়েছে ২৯২টি আসন। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই জিতেছিল ৩০৩টি আসনে। সেবার বিজেপি এবং এনডিএ-র সম্মিলিত আসন সংখ্যা ছিল ৩৫৩টি। ২০১৪ সালে বিজেপি এককভাবে পেয়েছিল ২৮২টি আসন। এনডিএ পেয়েছিল ৩৩৬টি আসন (Lok Sabha Election Result)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrababu Naidu: দুর্নীতি মামলায় ১৪ দিনের জেল অন্ধ্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবুর

    Chandrababu Naidu: দুর্নীতি মামলায় ১৪ দিনের জেল অন্ধ্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই গ্রেফতার হয়েছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। রবিবার তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠাল বিজয়ওয়াড়া দুর্নীতি বিরোধী আদালত। প্রসঙ্গত, অন্ধ্রপ্রদেশের স্কিল ডেভেলপমেন্ট মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। শনিবার গ্রেফতারের পর মধ্যরাত পর্যন্ত তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন অন্ধ্রপ্রদেশের সিআইডি এবং পুলিশের আধিকারিকরা। রবিবার সকালে চন্দ্রবাবু নাইডুকে (Chandrababu Naidu) পেশ করা হয় আদালতে। রবিবার সন্ধ্যায় বিচারক তাঁকে (Chandrababu Naidu) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। জানা গিয়েছে, আদালত চত্বর থেকে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বিজয়ওয়াড়ার সিটের অফিসে, পরবর্তীকালে সোমবার ভোরে তাঁকে পাঠানো হয় রাজামুন্দ্রির জেলে।

    দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার চন্দ্রবাবু (Chandrababu Naidu) 

    অন্ধ্রপ্রদেশের স্কিল ডেভেলপমেন্ট দুর্নীতির তদন্ত করছে বর্তমানে সিআইডি। জানা গিয়েছে, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে চন্দ্রবাবু নাইডুর (Chandrababu Naidu) দুর্নীতির। শুক্রবারই অন্ধ্রপ্রদেশের নান্দিয়াল জেলাতে দলীয় কর্মসূচিতে ছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chandrababu Naidu)। এবং সেখানে ভ্যানিটি ভ্যানে তিনি বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। শনিবার ভোরে বিরাট পুলিশ বাহিনী এবং সিআইডি আধিকারিকরা গিয়ে ঘিরে ফেলে ওই ভ্যানিটি ভ্যান। সেসময় বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন টিডিপি সমর্থকরা, পরে শনিবারে সকাল ৬টা নাগাদ গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে (Chandrababu Naidu)।

    ৩৭১ কোটি টাকার দুর্নীতি

    দুর্নীতি মামলায় চন্দ্রবাবু নাইডুকে (Chandrababu Naidu) গ্রেফতার করার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন অন্ধ্রপ্রদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নাগার্জুন। সে সময় চন্দ্রবাবু নাইডুও (Chandrababu Naidu) আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি গ্রেফতার হতে পারেন। জানা গিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় সিআইডি আধিকারিকরা তাঁকে ২০টি প্রশ্ন করেন। কিন্তু তার একটিরও জবাব দিতে পারেননি অন্ধপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী (Chandrababu Naidu)। ৩৭১ কোটি টাকার এই দুর্নীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ হিসেবে বেশ কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটও চন্দ্রবাবু নাইডুর (Chandrababu Naidu) সামনে তুলে ধরেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ যদি প্রমাণিত হয় তাহলে অন্তত ১০ বছরের জেল হতে পারে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর। অন্যদিকে, চন্দ্রবাবুর (Chandrababu Naidu) গ্রেফতারির প্রতিবাদে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে তাঁর দল টিডিপি। তাঁদের বক্তব্য, জগনমোহন রেড্ডি সরকারের বিরুদ্ধে অপশাসনের অভিযোগ তোলার জন্য রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার চন্দ্রবাবু। যাবতীয় অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে ওয়াইএসআর কংগ্রেস।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share