Tag: Chandranath Rath

  • Suvendu Adhikari PA Death: শুভেন্দুর পিএ মেরে কোন পথ ধরে আততায়ীরা? এসেছিল কোন দিক দিয়ে? প্রকাশ্যে এল প্ল্যান

    Suvendu Adhikari PA Death: শুভেন্দুর পিএ মেরে কোন পথ ধরে আততায়ীরা? এসেছিল কোন দিক দিয়ে? প্রকাশ্যে এল প্ল্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে হাড়হিম হত্যা! মধ্যমগ্রামে রাস্তার ওপর পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে খুন করা হল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে (Suvendu Adhikari PA Death)! গুলিবিদ্ধ হয়েছেন গাড়ির চালকও। পুলিশের দাবি এই খুন সুপরিকল্পিত। যে আবাসনের সামনে এই ঘটনা ঘটে সেই শুভম গার্ডেনিয়া আবাসনের সিকিউরিটি গার্ড জানান আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই আবাসনের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে সবটাই।

    কোন দিক দিয়ে এসেছে আততায়ীরা

    সিকিউরিটি গার্ড জানান, ১০টা থেকে ১০.১০টার মধ্যে হঠাৎই গুলি চলার আওয়াজ পান তিনি। তখন সিকিউরিটি ডেস্ক-এ বসে ছিলেন। এমন আওয়াজ শুনেই গেটের সামনে ছুটে যান তিনি। দরজা খুলে দেখতে পান কিছু একটা ঘটছে তাঁর অনতিদূরে। এরপর তড়িঘড়ি তিনি ছুটে এসে আবাসনের দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর চাঞ্চল্যকর দাবি করেন সিকিউরিটি। পুলিশের প্রাথমিক দাবি ছিল এই রাস্তা দিয়েই চলে যায় বাইক। কিন্তু ওই সুরক্ষাকর্মীর কথায়, এই রাস্তা দিয়ে দুটো বাইকের কোনও বাইকই যশোর রোডের দিকে যায়নি। সিকিউরিটির দাবি, বাইক দুটি ঢুকেছে যশোর রোড দিয়েই দোহারিয়ার দিকে। মনে করা হচ্ছে, যশোর রোড না ধরে ভিতরের ঘিঞ্জি এলাকা দিয়েই আততায়ীরা পালানোর পরিকল্পনা নেয়।

    গাড়ির দরজা খুলতেই…

    যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিহত চন্দ্রনাথের ফ্ল্যাটের খুব কাছেই। ওই এলাকার এক বিজেপি কর্মী  হত্যার প্রত্যক্ষ করেন। তিনি জানান, পথকুকুরকে খাওয়ানোর সময় তিনি গুলির আওয়াজ শুনেই ছোটেন। সুশান্ত সরকার নামে ওই বিজেপি কর্মী জানান, সেই মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল। তিনি জানান, সেখানে গিয়ে দেখেন একটি সাদা রঙের স্করপিও গাড়ির সামনে একটি ছোট গাড়ি আড়াআড়ি ভাবে দাঁড় করানো রয়েছে। ছোট গাড়ির ভিতরে কেউ ছিল না। তবে স্করপিওর ভিতরে একজন ব্যক্তি আতঙ্কিত অবস্থায় বসে কাঁদছিলেন এবং ভয়ে দরজা খুলতে সাহস পাচ্ছিলেন না। সুশান্ত জানান, তিনি সাহস জোগানোর পরে ওই ব্যক্তি গাড়ির দরজা খোলেন। এর পরেই গাড়ির ভিতরে রক্তাক্ত অবস্থায় আরও দুই ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সুশান্তর দাবি, এমনিই রাত ৮টার পরে একটু ফাঁকা থাকে ওই এলাকা। এখান থেকে এক মিনিটও লাগে না যশোহর রোড যেতে। আততায়ীরা একেবারে ঠান্ডা মাথায় সব প্ল্যান করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে দাবি তাঁর।

    পাশ দিয়েই চলে গিয়েছিল আততায়ীরা

    পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনাটি ঘটেছে রাত ১০ থেকে ১০.১৫-র মধ্যে। জানা যাচ্ছে, হামলার সময় গাড়ির সামনের সিটে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ ও তাঁর গাড়ির চালক। কিন্তু বিস্তারিত জানতে মধ্যমগ্রাম ও ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে নজর রেখেছে পুলিশ। এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। আদিত্য নামের ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘চন্দ্রনাথদার যে গাড়িটি ছিল সেটা আমাকে ক্রস করেছিল। বারাসাতের দিকে যাচ্ছিলাম এই পথে। সেই সময় আমাকে ক্রস করেই এগিয়ে যায় গাড়িটি। আমি চন্দ্রদার গাড়ি থেকে খুব বেশি হলে ১৫০ মিটার দূরে ছিলাম। আমার গাড়ি ওই ৪০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ছিল। ওঁর গাড়ি ৬০ এর কাছাকাছি ছিল কারণ আমার গাড়িকে ক্রস করে। হঠাৎ করেই দেখি গাড়ির গতি কমে যায়। পড়ে বুঝতে পারি সামনে একটা গাড়ি চলে আসে। এরপর একটি বাইক আমাকেও ক্রস করে ওই গাড়ির কাছে চলে যায়। ওই লোকটিই গুলি করে। একজন লোকই ফায়ার করেছিল। ওখানে আমার আর দাঁড়ানোর সাহস ছিল না। মাথায় হেলমেট ছিল বলে মুখ দেখতে পাইনি ওই বাইকারের।’

    পেয়ারাবাগানে অপেক্ষা

    তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনার পর বাইকটি দোহারিয়া শৈলেশ নগরের কাছে পেয়ারাবাগানে ওই গাড়িটির জন্য অপেক্ষা করছিল। এরপর চন্দ্রনাথ রথের গাড়ি ওই এলাকায় ঢুকতেই পেয়ারাবাগান থেকে রওনা দেয় গাড়িটি। এরপর পথ আটকে গাড়ি থেকে নেমে আসে দুষ্কৃতীরা। গুলি করার ধরন দেখে তদন্তকারীদের দাবি ওই আততায়ী শার্প শ্যুটার। তাঁকে ভাড়াটে খুনি হিসেবে নিয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অলিগলি না চিনলে বা আগে থেকে রেকি না করলে এমন নির্জন জায়গা বেছে নেওয়া সম্ভব নয়।

  • Model Code of Conduct: নির্বাচনী বিধিনিষেধের অবসান, চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ‘মডেল কোড অফ কনডাক্ট’ প্রত্যাহার করল কমিশন

    Model Code of Conduct: নির্বাচনী বিধিনিষেধের অবসান, চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ‘মডেল কোড অফ কনডাক্ট’ প্রত্যাহার করল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Assembly Election 2026) মহাযজ্ঞ সম্পন্ন হওয়ার পর দেশজুড়ে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে জনজীবন ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড। বৃহস্পতিবার ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) পশ্চিমবঙ্গসহ চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে ‘আদর্শ আচরণবিধি’ (Model Code of Conduct) প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছে।

    কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ (Model Code of Conduct)

    বিধিনিষেধ মুক্ত এলাকা

    পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছে তামিলনাড়ু, কেরালা, আসাম এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Bengal Assembly Election 2026) পুদুচেরি।

    স্বাভাবিক হবে প্রশাসনিক কাজ

    নির্বাচনী আচরণবিধি উঠে যাওয়ার ফলে এখন থেকে এই রাজ্যগুলোর সরকার (Model Code of Conduct) জনকল্যাণমূলক নতুন প্রকল্প ঘোষণা, উন্নয়নমূলক কাজে অনুমোদন এবং প্রশাসনিক রদবদল বা বদলির মতো কাজগুলো পুনরায় শুরু করতে পারবে।

    কমিশনের নির্দেশনা

    কমিশনের (Bengal Assembly Election 2026) পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোর মুখ্য সচিবদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, নির্বাচনের ফলাফল সরকারিভাবে গেজেটভুক্ত হওয়ার পর এখন আর নির্বাচনী আচরণবিধি বলবৎ রাখার প্রয়োজন নেই।

    প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর নজরদারি ছিল

    উল্লেখ্য, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে সরকারি (Model Code of Conduct) কর্মকাণ্ডে এক ধরনের বিধিনিষেধ নেমে এসেছিল। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর নজরদারি ছিল কমিশনের (Bengal Assembly Election 2026)। বিধানসভা ভেঙে দেওয়া এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরির মাঝে এই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার প্রশাসনিক গতিবিধি পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এর ফলে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ায় আর কোনও আইনি বা নীতিগত বাধা থাকল না। দ্রুত প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে কাজ শুরু করার পথ প্রশস্ত হলো।

  • Suvendu Adhikari: মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা আপ্ত সহায়কের দেহ, কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা আপ্ত সহায়কের দেহ, কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে গোহারা হেরেছে তৃণমূল। তার পরেও দাপট কমেনি গদি খোয়ানো, সদ্য ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের। যার ফের প্রমাণ মিলল বুধবার রাতে। এদিন গুলি করে খুন করা হয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) আপ্ত সহায়ককে। ওই রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়ার কাছে গাড়ি থামিয়ে চন্দ্রনাথ রথ নামের ওই আপ্ত সহায়ককে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি ছোড়া হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর (Chandranath Rath)।

    পিএ খুনে কাঠগড়ায় তৃণমূল (Suvendu Adhikari)

    জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে চন্দ্রনাথ (Chandranath Rath) যখন বারাসতের দিকে যাচ্ছিলেন, তখনই তাঁর গাড়ি থামিয়ে বাইক থেকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। গুলি বুকের বাঁদিকে লাগে। হার্ট এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে যায়। বিজেপি নেতা অর্জুন সিং, শঙ্কুদেব পন্ডার দাবি, মৃত্যু নিশ্চিত করতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পরপর গুলি করা হয়েছে চন্দ্রনাথকে। আপ্ত সহায়কের মর্মান্তিক পরিণতিতে মর্মাহত শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় তৃণমূলের দিকেই আঙুল তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। এবার ওই ঘটনায় মুখ খুললেন শুভেন্দু। রাতেই হাসপাতালে পৌঁছন তিনি। পরে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে চন্দ্রনাথ রথকে। তিনি বলেন, “দু’তিনদিন ধরে রেকি করে পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন ডিজিপি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। মর্মন্তিক ঘটনা। আমরা ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা শোকাহত। এই ঘটনার নিন্দা জানানোর মতো ভাষা আমাদের নেই। দিল্লি থেকে আমাদের সমগ্র নেতৃত্ব এই বিষয়ে খবর পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার মৃতের পরিবার এবং পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিভিন্ন নেতা এবং নব-নির্বাচিত বিধায়করা এখানে এসেছেন। তাঁরাও পরিবারের পাশে রয়েছেন। পুলিশ কিছু প্রমাণ পেয়েছে। তারা তদন্ত করবে।”

    মহাজঙ্গল রাজের ফল

    শুভেন্দু বলেন, “এটা ১৫ বছরের মহাজঙ্গল রাজের ফল… বিজেপি এখানে গুন্ডাদের নির্মূল করার কাজ শুরু করবে…”। দলীয় নেতা-কর্মীদেরও বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর আবেদন, কেউ যেন নিজের হাতে আইন হাতে তুলে না নেন। শান্তি বজায় রাখারও চেষ্টা করতে হবে। তিনি জানান, পুলিশের ওপর আস্থা রয়েছে তাঁদের। দোষীরা দ্রুত ধরা পড়বে বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে পুলিশের তরফে (Suvendu Adhikari)। ওই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্তও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শুভেন্দু জানান, কোনও একটা ক্লু পেয়েছে পুলিশ। সেটা ধরেই তদন্ত হচ্ছে। আততায়ীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

    কে এই চন্দ্রনাথ?

    শুভেন্দুর সঙ্গে চন্দ্রনাথের সম্পর্ক আট বছরের। তৃণমূলে থাকার সময় থেকেই ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল তাঁদের। পরে শুভেন্দুর ব্যক্তিগত থেকে রাজনৈতিক সব কাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন তিনি। শুভেন্দুর ফাইল বয়ে নিয়ে যাওয়া, তাঁর মিটিং-মিছিলের প্ল্যান করা – সবই করতেন চন্দ্রনাথ। বাংলায় নয়া সরকারের শপথ নেওয়ার আগেই দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গেল সেই চন্দ্রনাথের দেহ।

    প্রাক্তন বায়ুসেনা কর্মী চন্দ্রনাথের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পুলুপ এলাকার ঈশ্বরপুর ৫ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে। রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনে পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় যোগ দেন। দীর্ঘ ১৮ বছর চাকরি করার পর স্বেচ্ছাবসর নিয়ে কর্পোরেট সংস্থায় কাজ শুরু করেন। চন্দ্রনাথের পরিবারের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক বহু দিনের। শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে থাকাকালীন সময় থেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত পরিচয় ছিল। শুভেন্দুর মতোই চন্দ্রনাথের পরিবারও এক সময় তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাঁর মা হাসি রথ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ছিলেন। পরে তিনিও বিজেপিতে যোগ দেন।

    ২০১৯ সাল থেকে শুভেন্দুর আপ্ত-সহায়ক চন্দ্রনাথ

    ২০১৯ সালে শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার পর জলসম্পদ দফতরে চন্দ্রনাথকে আপ্তসহায়ক হিসেবে নিয়োগ করা হয়। পরবর্তীতে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিলে, তখন থেকেই তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারী হিসেবে কাজ করতে থাকেন চন্দ্রনাথ। ধীরে ধীরে তিনি শুভেন্দুর অন্যতম আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন। ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময় চন্দ্রনাথ নন্দীগ্রামেও সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী বিরোধী দলনেতা হওয়ার পর কলকাতায় তাঁর বিভিন্ন সাংগঠনিক ও ব্যক্তিগত কাজের তদারকির দায়িত্বও সামলাতেন চন্দ্রনাথ। চণ্ডীপুরের বাড়িতে বর্তমানে রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে মা হাসি রথ।

     

LinkedIn
Share