Tag: Chandrayaan-3

Chandrayaan-3

  • ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে ভারতীয় নভোচারীকে অবতরণ করাবে ইসরো!

    ISRO: ২০৪০ সালের মধ্যেই চাঁদে ভারতীয় নভোচারীকে অবতরণ করাবে ইসরো!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ISRO)-এর চেয়ারম্যান এস সোমানাথের (S Somanath) মতে, “ভারত একটি উচ্চাকাঙ্খী মহাকাশ উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা করেছে। যার লক্ষ্য হল ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একজন নভোচারীকে অবতরণ কারনো।” উল্লেখ্য, ভারতই একমাত্র দেশ যা চন্দ্রযান ৩কে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফলভাবে ল্যান্ডিং করাতে পেরেছে। অত্যন্ত কম খরচে এই অভিযান চালিয়ে গোটা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে ইসরো।

    দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গিতে বাজেট অনুমোদন মোদির (ISRO)

    ইসরো কর্ণধারের এই ঘোষণায় যারপরনাই খুশি বিভিন্ন মহল। ভারতের মহাকাশ সেক্টরে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এবং অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য চলতি বছরকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার ইসরো (ISRO)-র প্রকল্পের জন্য ৩১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন করেছে। ফলে আগামী ২৫ বছর ধরে দেশের মহাকাশ প্রচেষ্টার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গির রোডম্যাপকে বাস্তবায়নের কাজ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুরা চলে যাচ্ছেন, মিনি পাকিস্তানে পরিণত হচ্ছে আলিগড়ের বানিয়াপাড়া!

    ২৫ বছরের জন্য একটি রোড ম্যাপের পরিকল্পনা

    ইসরো (ISRO) প্রধান সোমনাথ (S Somanath) একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, আমরা যে মিশনগুলি সম্পন্ন করেছি তাতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গির রোডম্যাপ বিরাট সহযোগী হয়েছে। আর তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই বছরটি আমাদের জন্য একটি দুর্দান্ত বছর ছিল। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মহাকাশ কর্মসূচির বিষয়ে আমাদের আগামী ২৫ বছরের জন্য একটি রোড ম্যাপ পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। এই রোডম্যাপের অংশ হিসাবে, ভারত ২০৩৫ সালের মধ্যে তার নিজস্ব মহাকাশ স্টেশন, ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন স্থাপন করবে। এর একটি পর্যায় সম্পন্ন করে করা হবে ২০২৮ সালের মধ্যে একটি স্পেস স্টেশন মডিউল চালু করার মাধ্যমে। আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ রূপে অপারেশনের মঞ্চ নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গির যদি চূড়ান্ত পরিণতি হয় তাহলে ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে একজন ভারতীয় মহাকাশচারীকে সফল ভাবে অবতরণ করানো যাবে।”

    ২৫০টির বেশি মহাকাশ স্টার্টআপ কাজ করছে

    ইসরো (ISRO) প্রধান সোমনাথ (S Somanath) আরও বলেন, “যখন আমরা দেশের স্বাধীনতার শততম বর্ষ উদযাপন করব, তখন একটি ভারতীয় পতাকা চাঁদে উড়বে এবং সেই সঙ্গে আমাদের দেশের মানুষও চাঁদে পৌঁছে যাবেন। একই ভাবে তাঁকে নিরাপদে আবার দেশের মাটিতে ফিরিয়েও আনাও হবে, আর এটাই আমাদের বিরাট কর্মযজ্ঞ হবে। তাই আমাদের লক্ষ্য হল ২০৪০ সাল। আগামী দিনে চন্দ্রযান ৪-সহ একাধিক প্রস্তুতিমূলক মিশন পরিচালিত হবে ইসরোর তরফ থেকে। স্পেস প্রোগ্রামে বৈজ্ঞানিক সাফল্য ব্যাপক ভাবে এসেছে। ২৫০টির বেশি মহাকাশ স্টার্টআপগুলি বর্তমানে উদ্ভাবনী শক্তির জোগানে কাজ করছে। ইতিমধ্যে অগ্নিকুল কসমস একটি তরল-চালিত সাব-অরবিটাল রকেট উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। মহাকাশে ব্যয় করা প্রতি টাকার খরচ বাড়িয়ে ২.৫২ টাকা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-4: ‘প্রজ্ঞান’-এর চেয়ে ১২ গুণ ভারী হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভার! জানাল ইসরো, আর কী কী পরিবর্তন?

    Chandrayaan-4: ‘প্রজ্ঞান’-এর চেয়ে ১২ গুণ ভারী হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভার! জানাল ইসরো, আর কী কী পরিবর্তন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান অভিযান ভারতের মহাকাশ গবেষণাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্য মহাকাশ বিজ্ঞানে ইসরোর মুকুটে নতুন পালক যোগ করেছে। এবার পালা চন্দ্রযান ৪-এর (Chandrayaan-4)। স্বাভাবিক ভাবেই আরও আধুনিক হতে চলেছে এই অভিযান। ইসরো (ISRO) সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান ৩-এর রোভার ‘প্রজ্ঞান’-এর চেয়ে ১২ গুণ বেশি হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভারের ওজন। 

    ওজন হবে ৩৫০ কেজি

    ইসরো জানিয়েছে, আনুমানিক ৩৫০ কেজি হবে চন্দ্রযান ৪-এর রোভারের ওজন। চন্দ্রযান ৪ অভিযানের (Chandrayaan-4) জন্য জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা-র সঙ্গে হাত মিলিয়ে কিছু কাজ সারতে চাইছে ইসরো (ISRO)। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো)-এর স্পেস অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারের (SAC) পরিচালক নিলেশ দেশাই বলেন, ‘‘চন্দ্রযান ৪ মিশনের রোভারটির ওজন হবে ৩৫০ কেজি, যা আগের রোভারটির চেয়ে ১২ গুণ বেশি।’’ তিনি আরও জানান, এর মাধ্যমে ভারতের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তন আসবে, যেখানে নতুন রোভারটি চন্দ্রপৃষ্ঠে আরও ব্যাপকভাবে অনুসন্ধান চালাতে সক্ষম হবে। চন্দ্রযান ৪ মিশনটি শুধু চাঁদে অবতরণ করবে না, বরং চাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েও কাজ করছে। এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা ভারতকে বিশ্বের এমন কয়েকটি দেশের তালিকায় স্থান দেবে, যারা এ ধরনের জটিল মহাকাশ কার্যক্রম সম্পাদন করতে সক্ষম।

    আরও পড়ুন: শুক্রযান, চন্দ্রযান ৪, গগনযান অভিযান ও মহাকাশ স্টেশন উদ্বোধনের সময়সূচি প্রকাশ ইসরোর

    চন্দ্রযান ৪-এ নতুন কী?

    রোভারটির ওজন বৃদ্ধির ফলে এটি আরও বড় বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করতে পারবে এবং এর অনুসন্ধান এলাকা হবে অনেক বড়। যেখানে প্রজ্ঞান রোভার ৫০০ মিটার x ৫০০ মিটার এলাকা আবিষ্কার করেছিল, নতুন রোভারটি প্রায় ১ কিলোমিটার x ১ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে গবেষণা চালাতে সক্ষম হবে। এছাড়াও দেশাই জানান, চন্দ্রযান ৩ দক্ষিণ মেরুর ৬৯.৩ ডিগ্রিতে অবতরণ করেছিল। ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর পেট থেকে বেরিয়ে সেখানে চাঁদের মাটিতে চাকা গড়িয়েছিল রোভার প্রজ্ঞানের। কিন্তু চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan-4) একেবারে ঠিক করা স্থানেই অবতরণ করবে ভারতের ল্যান্ডার। আর তা হবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর একদম ৯০ ডিগ্রি বিন্দু। দেশাই আরও বলেন, ‘‘যদি সরকারের অনুমোদন পাই, তবে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে মিশনটি বাস্তবায়ন করতে পারব।’’ তবে ইসরোর (ISRO) অপর এক সূত্রের খবর, এই অভিযান ২০২৭ সালের মধ্যেই করার চেষ্টা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: ২০২৪ সালের শেষেই মানব মহাকাশযান ‘গগনযান’-এর উৎক্ষেপণ হবে, জানালেন ইসরো প্রধান

    ISRO: ২০২৪ সালের শেষেই মানব মহাকাশযান ‘গগনযান’-এর উৎক্ষেপণ হবে, জানালেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম ‘মানব মহাকাশযান প্রোগ্রাম’ হিসেবে ‘গগনযান’ এবছরের শেষে উৎক্ষেপণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরো (ISRO) প্রধান ডক্টর এস সোমনাথ। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) চেয়ারম্যান বলেন, “২০২৪ সালের শেষ নাগাদ ভারতের প্রথম মানব মহাকাশযান মিশন গগনযান চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” একই সঙ্গে চন্দ্রযান-৪ নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেন তিনি। উল্লেখ্য, ভারতের চন্দ্রযান-৩ অভিযানে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে বিশ্ববাসীর নজর কেড়ে নিয়েছিল ভারত। এবার এই গগনযান নিয়েও ইসরো ব্যাপক আশাবাদী।

    মানুষকে নিম্ন আর্থ অরবিটে (LEO) পাঠানো হবে (ISRO)

    কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুতে স্পেস এক্সপোতে ভাষণ দেওয়ার সময় সোমনাথ (ISRO) বলেন, “গগনযান উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুতি আমাদের চূড়ান্ত পর্যায়ে। সব ঠিকঠাক থাকলে আমরা এই বছরের শেষেই অভিযানের জন্য পরিকল্পনা করেছি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা গগনযান প্রোগ্রাম সম্প্রসারণের অনুমোদন দিয়েছে। সেই সঙ্গে ভারতীয় মহাকাশ স্টেশনের উন্নয়ন সম্পর্কিত একাধিক প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।” যদিও ভারত সরকা ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে গগনযান অভিযান অনুমোদন করেছিল। এটি ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ছিল। এই কর্মসূচির অধীনে, মানুষকে নিম্ন আর্থ অরবিটে (LEO) পাঠানো হবে। একই ভাবে ভবিষ্যতে আরও মানব মহাকাশযান তৈরি করা হবে। মিশনটি কেবল মহাকাশে পৌঁছানোর চেষ্টাই করবে না, বরং আরও ব্যাপক ভাবে অনুসন্ধানের জন্য ভিত্তি তৈরির কাজ করবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরে ভারতে তিনটি আন্তর্জাতিক হাব গড়ে উঠবে, প্রত্যয়ী জ্যোতিরাদিত্য

    চন্দ্রযান-৪ মিশন নিয়ে কী বললেন?

    চন্দ্রযান-৩ মিশনে যে চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবিলা করা হয়েছিল, সেগুলির বিষয়েও ইসরোর (ISRO) মতামত বিনিময় করেছেন ইসরো প্রধান। তিনি বলেন, “মিশনের যন্ত্রাংশ ইসরো তৈরি করেছে। সামগ্রিক ভাবে চন্দ্রযান-৪ উপগ্রহের আকার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এখন পাঁচটি মডিউলের প্রয়োজন এবং এই জটিল অপারেশনের জন্য দুটি উৎক্ষেপণের প্রয়োজন হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর চন্দ্রযান-৪ মিশনের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। এই মিশনের মাধ্যমে ইসরো এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করবে, যা কার্যত চাঁদে সফল অবতরণ করার পরে পৃথিবীতে ফিরে আসার জন্য সক্ষম হবে। মিশনের সময় পৃথিবীতে চাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে আনবে। এরপর পরীক্ষাও করা হবে। মিশনের ফোকাস হবে ঝুঁকি না নিয়ে মানুষকে চন্দ্রে অবতরণ করা। সেই সঙ্গে পৃথিবীতে নিরাপদে ফিরে আসার জন্য মৌলিক প্রযুক্তি থাকবে সেখানে। বৈশ্বিক মহাকাশ শক্তির তালিকায় ভারতের স্থান আরও পাকাপাকি করতে কেন্দ্রীয় সরকার উচ্চাভিলাষী দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ করেছে। এই পরিকল্পনায় ২০৩৫ সালের মধ্যে ভারতীয় মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করা হবে এবং ২০৪০ সালের মধ্যে একজন ভারতীয় মানুষকে চাঁদে অবতরণ করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    Chandrayaan-3: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেখতে দেখতে অতিক্রান্ত এক বছর। ২০২৩ সালের ১৪ জুলাই ভারতের মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক সোনালি অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। এই দিনে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি জমিয়েছিল চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan-3)। সফল এই চন্দ্রাভিযান ভারতকে এক লহমায় মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে এলিট ক্লাসে উঠিয়ে দিয়েছিল। এই অভিযান দেশের মুকুটে যোগ করেছে নতুন পালক। 

    পুরানো সেই দিনের কথা 

    কোটি কোটি ভারতবাসী আশা-স্বপ্নের এক উড়ান হয়ে চাঁদকে ছুঁয়ে দেখার নেশায় ঠিক এক বছর আগে চাঁদের উদ্দেশে ছুটে গিয়েছিল চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। এরপর এক মাসের বেশি সময় পর পূরণ হয়েছিল আপামর ভারতবাসীর স্বপ্ন। ২৩ অগাস্ট সফল ভাবে চাঁদকে ছুঁয়ে দেখেছিল ভারতের চন্দ্রযান। বিশ্বের মধ্য়ে চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদ জয়ের খেতাব অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের মধ্যে প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয়ের পালক জুড়েছিল ভারতের মুকুটে। চন্দ্রযানের সাফল্যের পর বিশ্বের দরবারে ভারতের মহাকাশ গবেষণার কদর বহুগুণ বেড়েছে।

    সফল অভিযান কী দিল (Chandrayaan-3)

    চন্দ্রযান-২-এর ব্যর্থতার পর বেশ কয়েক বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে বিজ্ঞানীরা তৈরি করেছিলেন চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। ‘চাঁদের বাড়ি’ সব গল্প জানার জন্য তৈরি হয়েছিল ভারত।  চাঁদের বুকে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে নানা অজানা তথ্যের সন্ধান দিয়েছে চন্দ্রযান-৩। চন্দ্রযান-৩ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে আরও সমৃদ্ধ হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ চাঁদের মাটি ছোঁয়ার পর কাজে নামে রোভার ‘প্রজ্ঞান’। চাঁদের মাটিতে শুরু হয় তার পথ চলা। পরবর্তী দুই সপ্তাহে চাঁদের মাটিতে ১০০ মিটার পথ অতিক্রম করে সেটি। চাঁদের মাটিতে একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি, পৃথিবীতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠাতে শুরু করে। রোভার ‘প্রজ্ঞানে’র পাঠানো একাধিক তথ্য মহাকাশ গবেষণার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চাঁদের মাটির মূল উপাদানগুলিকে শনাক্ত করতে সফল হয় সে। চাঁদের মাটিতে সালফারের খোঁজ পায়। 

    আরও পড়ুন: নাসায় আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল এয়ার অ্যান্ড স্পেস প্রোগ্রামে ডাক পেলেন কাকদ্বীপের ঋত্বিকা

    জলের অণুর সন্ধান

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে আবিষ্কারটি করে রোভার ‘প্রজ্ঞান’, তা হল, চাঁদের মাটিতে জলের অণুর উপস্থিতি। ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযান তো বটেই, আগামী দিনে চাঁদে উপনিবেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখছেন বিজ্ঞানীরা, এই আবিষ্কার সেই কাজের সহায়ক হবে আগামী দিনে। চাঁদের ভৌগলিক ইতিহাস সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পৃথিবীতে পাঠিয়েছে চন্দ্রযান-৩। বিশেষ করে চাঁদের দক্ষিণ মেরুরু ভৌগলিক পরিবেশ সম্পর্কে অনেক কিছু জানা গিয়েছে। চাঁদের মাটিতে শিলার গঠন সম্পর্কেও তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: ‘নীল-সাদা পৃথিবী’ এবং ‘চাঁদের কলঙ্ক’ লেন্সবন্দি করল চন্দ্রযান-৩, ট্যুইট ইসরোর

    Chandrayaan-3: ‘নীল-সাদা পৃথিবী’ এবং ‘চাঁদের কলঙ্ক’ লেন্সবন্দি করল চন্দ্রযান-৩, ট্যুইট ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ অগাস্ট বিকাল ৫টা ৪৭ মিনিটে চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা রয়েছে ল্যান্ডার বিক্রমের। তারপর বিক্রমের পেটের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। গত ৬ অগাস্ট চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে  চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে গন্তব্যের ছবি তুলল চন্দ্রযান-৩, বৃহস্পতিবার সেই ছবি ট্যুইট করেছে ইসরো।

    ইসরোর ট্যুইটে জোড়া হয়েছে মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর ছবিও

    পাশাপাশি  ওই ট্যুইটে জোড়া হয়েছে পৃথিবীরও ছবি। জানা গিয়েছে, গত ১৪ জুলাই যখন মাটি ছেড়ে পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছেছিল চন্দ্রযান-৩, তখনই ছবিটি লেন্স বন্দি হয়।  ২৮ দিন আগেই শ্রী হরিকোটা থেকে রওনা হয়েছিল চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এবং পৌঁছেছিল পৃথিবীর কক্ষপথে। বর্তমানে চন্দ্রযান-৩ রয়েছে চাঁদের কক্ষপথে, চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা ঠিক ১৩ দিন পরেই। চাঁদের দেশের একেবারে সীমানায় চলে এসেছে চন্দ্রযান-৩। চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর তোলা ওই ছবিতে স্পষ্টভাবে চাঁদের গিরিখাত গুলি দেখা যাচ্ছে। যেগুলির নাম, এডিংটন, পিথাগোরাস, অ্যারিস্টারকাস, রমন। 

    চাঁদের কলঙ্কের ছবিও তুলেছে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)

    ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে চাঁদের পৃষ্ঠে থাকা ‘ওসিয়ানাস প্রোজেলেয়ারাম’।  চাঁদের কলঙ্ক নামে পরিচিত এই গিরিখাতকে বিজ্ঞানীরা ঝড়ের সমুদ্রও বলে থাকেন। প্রায় ৪০ লাখ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই ঝড়ের সমুদ্রের ছবি তুলেছে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এবং ছবিটি তোলা হয়েছে ল্যান্ডার হরাইজেন্টাল ভেলোসিটি ক্যামেরা থেকে। অন্যদিকে, ল্যান্ডার ইমেজার (এলআই) ক্যামেরায় পৃথিবীর ছবি তুলেছিল চন্দ্রযান-৩। কিন্তু চাঁদে যে অংশের ছবি চন্দ্রযান তুলেছে, ইসরোর বিজ্ঞানীরা বলছেন সেখানে অবতরণ করবে না ল্যান্ডার বিক্রম। চন্দ্রযান-৩ এর অবতরণ করার কথা একেবারে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। এবং এই অংশটি পৃথিবী থেকে দেখাই যায় না।  এখানেই জলীয় বরফ থাকতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা অনুমান করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চন্দ্রপৃষ্ঠের ১০০ কিমি উচ্চতা থেকেই শুরু হবে মিশনের সবচেয়ে কঠিন পর্ব, জানালেন ইসরো প্রধান

    Chandrayaan-3: চন্দ্রপৃষ্ঠের ১০০ কিমি উচ্চতা থেকেই শুরু হবে মিশনের সবচেয়ে কঠিন পর্ব, জানালেন ইসরো প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর প্রাথমিক গন্তব্য হল চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে। এরপরেই সব থেকে কঠিনতম পর্ব অপেক্ষা করছে। সোমবার একথা জানান ইসরো প্রধান এস সোমনাথ। চন্দ্রপৃষ্ঠের ১০০ কিলোমিটার উপরে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) থেকে নেমে আসবে ল্যান্ডার বিক্রম। ঠিক পাখির পালকের মতো। চন্দ্রপৃষ্ঠে তা অবতরণ করার পরে ল্যান্ডার বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে আসবে রোভার প্রজ্ঞান। অন্যদিকে, চাঁদের কক্ষপথে ঢোকার পর প্রথম ছবিও পাঠিয়েছে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। গত ১৪ জুলাই উৎক্ষেপণের পর, ২২ দিনের মাথায় ৫ অগাস্ট চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে চন্দ্রযান ৩, রবিবারই চাঁদের দেশের ছবি পাঠায় চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan 3) এবং তা ট্যুইটও করে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।

    ২৩ অগাস্ট বিকেল ৫টা ৪৭মিনিটে ল্যান্ডার বিক্রম চাঁদের মাটি ছোঁবে 

    ইসরো সুত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3), চাঁদের ১০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে প্রবেশ করবে ৯ থেকে ১৭ অগাস্টের মধ্যে।  সোমবার ইসরো প্রধান আরও জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত সব কিছু ঠিকঠাকই চলছে এবং চন্দ্রযান মিশন সফল হবে এ ব্যাপারে তিনি।  গত মাসের ১৪ জুলাই সফল ভাবেই উৎক্ষেপণ হয় চন্দ্রযান-৩, যত চাঁদের কাছে যাবে চন্দ্রযান-৩ ততই,  জটিল হতে থাকবে মিশন। এখনও পর্যন্ত ইসরোর ধারনা, ২৩ অগাস্ট বিকেল ৫টা ৪৭মিনিটে ল্যান্ডার বিক্রম চাঁদের মাটি ছোঁবে।

    মিশনের কঠিন পর্ব 

    এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ১০০ কিমি গন্তব্য পর্যন্ত আমরা কোনও রকম কঠিন পর্ব দেখছি না। কিন্তু তারপর থেকে পৃথিবীতে বসে ল্যান্ডারের অবস্থান নির্ণয় করাটা সঠিকভাবে খুব কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। এবং এই পরিমাপ যদি সঠিক হয় তখনই সফলভাবে বিক্রম ল্যান্ডার ল্যান্ড করতে পারবে চাঁদের দেশে। এ প্রসঙ্গে এস সোমনাথ আরও জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে চন্দ্রযান-২ মিশনও আংশিকভাবে সফল হয়েছিল। তিনি আরও জানান, চন্দ্রযান-২ এর পাঠানো ছবিগুলো চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এও ব্যবহার করা হচ্ছে, একদম সঠিক ল্যান্ডিং এরিয়া পরিমাপ করার জন্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চন্দ্রপৃষ্ঠের প্রথম ছবি পাঠাল চন্দ্রযান ৩, ভিডিও ট্যুইট ইসরোর

    Chandrayaan-3: চন্দ্রপৃষ্ঠের প্রথম ছবি পাঠাল চন্দ্রযান ৩, ভিডিও ট্যুইট ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের কক্ষপথে ঢোকার পর প্রথম ছবি পাঠাল চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan-3)। গত ১৪ জুলাই উৎক্ষেপণের পর, ২২ দিনের মাথায় ৫ অগাস্ট চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে চন্দ্রযান ৩, রবিবারই চাঁদের দেশের ছবি পাঠাল চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3) এবং তা ট্যুইটও করল ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো।

    ইসরোর ট্যুইট করা ভিডিও

    ইসরোর ট্যুইট করা ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, চারদিকে অন্ধকার এবং তার মধ্যে ধূসর রঙের একটি গোলক। চন্দ্রপৃষ্ঠের অংশ ধরা পড়ছে ছবিতে। দেখা যাচ্ছে চাঁদের মাটির এবড়ো খেবড়ো অংশ। এসব খন্দ হল চন্দ্রপৃষ্ঠে থাকা অজস্র আগ্নেয়গিরির মুখ (Crater)।

    মূল গন্তব্যে পৌঁছাতে এখনও অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে চন্দ্রযান ৩-কে 

    মূল গন্তব্যে চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan-3)-কে পৌঁছাতে এখন অনেকটাই পথ পাড়ি দিতে হবে।  চন্দ্রযান ৩-এর প্রাথমিক গন্তব্য হল চাঁদের দেশ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে। এখান থেকেই সফট ল্যান্ডিং করবে ল্যান্ডার বিক্রম। তারপর রোভার প্রজ্ঞানকে নিয়ে তার চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কথা। এখনও পর্যন্ত যা খবর, সবকিছু ঠিক থাকলে ২৩ অগাস্ট বিকাল ৫টা ৪৭ মিনিটে চাঁদের মাটি ছোঁবে ল্যান্ডার বিক্রম। ২০১৯ সালে ঠিক এই জায়গাতেই ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল ইসরোর চন্দ্রযান-২

    চন্দ্রযান ৩ মিশন সফল হলে, চাঁদের দেশে চতুর্থ নাম হবে ভারতের

    চন্দ্রযান ৩ মিশন যদি সফল হয়, তাহলে তা নিঃসন্দেহে ভারতের মহাকাশ গবেষণার মুকুটে নতুন পালক জুড়বে এবং আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে অবতরণ করার তালিকায় উঠে আসবে আমাদের দেশের নাম। গত ১৪ জুলাই ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রী হরিকোটা সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে সফল উৎক্ষেপণ হয়েছিল চন্দ্রযান ৩-এর। যাত্রা শুরুর ২২ দিন পরে চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan-3) চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করল চন্দ্রযান-৩, এবার চাঁদের দেশে পা রাখার অপেক্ষা

    Chandrayaan-3: চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করল চন্দ্রযান-৩, এবার চাঁদের দেশে পা রাখার অপেক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) চাঁদের সীমানায় ঢুকল। শনিবার সন্ধ্যায় কোনওরকম সমস্যা ছাড়াই চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করেছে চন্দ্রযান-৩, ইসরোর তরফ থেকে তা জানানো হয়েছে। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ কাটিয়ে আগেই চন্দ্রযান-৩ বেরিয়ে গিয়েছিল। এবার শনিবার চাঁদের কক্ষপথে ঢুকে পড়ল। ধীরে ধীরে চাঁদের দিকে এগিয়ে চলেছে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3), জানা গিয়েছে, চাঁদের কক্ষপথে ঘোরার সময় চন্দ্রযান-৩ এর গতি ক্রমশ কমে আসবে। প্রসঙ্গত, চাঁদের আকর্ষণ বল পৃথিবীর চেয়ে ৬ গুণ কম।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্য কেন অভিযুক্তের হয়ে কথা বলছে?”, উলুবেড়িয়া ধর্ষণকাণ্ডে প্রশ্ন হাইকোর্টের

    ২৩ অগাস্ট চাঁদের দেশে পা রাখবে প্রজ্ঞান

    জানা গিয়েছে,  চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর প্রাথমিক গন্তব্য হল চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার উপরে এবং তারপরেই সব থেকে কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করবে ইসরোর জন্য। এখনও পর্যন্ত যা ঠিক রয়েছে চলতি মাসের ২৩ তারিখ ঠিক সন্ধ্যা ৫টা ৪৭মিনিটে রোভার প্রজ্ঞানকে নিয়ে সফট ল্যান্ডিং করার কথা ল্যান্ডার বিক্রমের। ২০১৯ সালে ঠিক এই জায়গাতেই ব্যর্থ হয়ে গেছিল ইসরোর চন্দ্রযান-২।

    চন্দ্রযান-৩ মিশন সফল হলে, চাঁদের দেশে চতুর্থ নাম হবে ভারতের

    চন্দ্রযান-৩ মিশন যদি সফল হয় তাহলে তা নিঃসন্দেহে ভারতের মহাকাশ গবেষণার মুকুটে নতুন পালক জুড়বে। এবং আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে অবতরণ করার তালিকায় উঠে আসবে আমাদের দেশের নাম। প্রসঙ্গত, গত ১৪ জুলাই ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রী হরিকোটা সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে সফল উৎক্ষেপণ হয়েছিল চন্দ্রযান-৩ এর। যাত্রা শুরুর ২২ দিন পরে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করল।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে অশান্তির আঁচ! ৩৭০ ধারা রদের চতুর্থ বার্ষিকীতে ফের গৃহবন্দি মেহবুবা মুফতি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চন্দ্রযানে জুড়ল বাঙালি নাম! ক্যামেরা ডিজাইন করেছেন অনুজ নন্দী

    Chandrayaan-3: চন্দ্রযানে জুড়ল বাঙালি নাম! ক্যামেরা ডিজাইন করেছেন অনুজ নন্দী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগের চন্দ্রযানের কথা মনে আছে? ইসরোর বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রম করে শুরু করেছিলেন মিশন চন্দ্রযান ২। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের সেই অভিযানে, চাঁদের মাটি ছোঁয়ার কিছু আগেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রোভারটি। বছর চার আগের ব্যর্থতা দূরে ঠেলে শুক্রবার চাঁদের দেশে পাড়ি দিল চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। আর এই সফল অভিযানের অন্যতম অংশীদার বাংলাও। কারণ চন্দ্রযান-৩ ক্যামেরার ডিজাইন করেছেন ইসলামপুরের অনুজ নন্দী।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    ইসলামপুরের অনুজ নন্দী

    স্বাভাবিক ভাবেই এদিন উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের আশ্রমপাড়ার বাসিন্দা অনুজ নন্দীর বাড়িতে  খুশির মহল দেখা যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক অভিযানের সঙ্গে নাম জুড়ে গিয়েছে জেলার ছেলের। পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে ইসলামপুর হাইস্কুলে  পড়াশোনা শেষ করার পর রায়গঞ্জ কলেজে বিজ্ঞান নিয়ে স্নাতক হন অনুজ। এরপরই আর পিছনে তাকাতে হয়নি তাঁকে৷ বেঙ্গালুরুর ইসরোতে গত আট বছর ধরে কাজ করছেন এই বাঙালি বিজ্ঞানী। ছেলের কাজে গর্বিত কৃতী বিজ্ঞানীর মা সোমাদেবী আজ উচ্ছ্বসিত৷ তিনি বলেন, “একমাস আগেই ইসলামপুরের বাড়িতে এসেছিল। বেঙ্গালুরু থেকে আজ ফোনে সবটা জানিয়েছে। আমরা এখানে বসেই মোবাইল ফোনে চন্দ্রযান অভিযানের দৃশ্যের সাক্ষী থাকলাম।” 

    শুক্রবার ২ টো বেজে ৩৫ মিনিটে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেয় চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)

    শুক্রবার পূর্ব নির্দিষ্ট মাহেন্দ্রক্ষণ, দুপুর ঠিক ২ টো বেজে ৩৫ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে সফলভাবে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেয় চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। মাত্র ১৭ মিনিটে পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছনোর কথা। তবে চাঁদে পৌঁছতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে ইসরোর তৈরি চন্দ্রযানের। বিজ্ঞানীদের অঙ্ক বলছে, ২৩ বা ২৪ অগাস্ট উপগ্রহের মাটি ছোঁবে চন্দ্রযান-৩। আর চাঁদ অভিযানে ভারতের এই সাফল্যে নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণার জগতে বিশাল কীর্তি। এর আগে এমন কৃতিত্বের অধিকারী রাশিয়া, আমেরিকা, চিন। ভারত বসল চতুর্থ স্থানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: ‘চন্দ্রযান-৩’ প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে কত? আগের থেকে তফাৎ কোথায়?

    Chandrayaan-3: ‘চন্দ্রযান-৩’ প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত খরচ হয়েছে কত? আগের থেকে তফাৎ কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিস্থিতি সব ঠিক থাকলে চলতি মাসের ১৪ তারিখ মহাকাশের উদ্দেশে রওনা হবে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। এখনও পর্যন্ত ইসরোর তরফ থেকে এই দিনটিকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। তাই প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঐতিহাসিক দিনের সাক্ষী থাকতে চলেছে ভারত তথা সমগ্র বিশ্ব। চন্দ্রযান বহনকারী হেভিয়েস্ট স্পেস ক্র্যাফ্ট লঞ্চ হবে সেইদিন। এটিই ভারতের প্রথম হেভিয়েস্ট জিএসএলভি। এটি তৈরি করা হয়েছে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে। জানা গিয়েছে, যে রকেটের মাধ্যমে এটি উৎক্ষেপণ করা হবে, ইতিমধ্যে সেটি অ্যাসেম্বল করা হয়ে গিয়েছে।

    ভারতের ইতিহাসে পূর্বের কিছু চন্দ্র অভিযান

    ২০০৮ সালে ভারতের প্রথম চন্দ্র অভিযান শুরু হয় চন্দ্রযান-১ এর মাধ্যমে। সেই বছর চাঁদের কক্ষপথে এটিকে স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিল ইসরো। এর পর ২০১৯ সালের চন্দ্রযান ২ উৎক্ষেপণ করা হয়। কিন্তু উৎক্ষেপণের পর যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে নির্দিষ্ট কক্ষপথ থেকে সরে গিয়ে চাঁদের মাটিতে আছড়ে পড়ে সেটি। ফলে এটি অসফল থেকে যায়। আর এই অসফল প্রজেক্টকে সফল করার লক্ষ্যেই এখন পাখির চোখ চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)।

    এবারের চন্দ্রযানে (Chandrayaan-3) কী কী নতুন জিনিস যোগ করা হয়েছে?

    চাঁদের মাটিতে দক্ষিণ প্রান্তে সফলভাবে ল্যান্ড করানোর উদ্দেশ্যে চন্দ্রযান-৩ তে (Chandrayaan-3) থাকবে একটি ল্যান্ডার ও রোভার এবং একটি প্রোপালশান মডিউল। লঞ্চ ভেহিকেল মার্ক ৩-এর সঙ্গে ইতিমধ্যে জুড়ে দেওয়া হয়েছে চন্দ্রযান-৩ কে। এই চন্দ্রযানটির মোট ওজন চার হাজার কিলোগ্রামের কাছাকাছি। এর মধ্যে বিশেষভাবে প্রোপালশান মডিউলটিকে গবেষণার শীর্ষে রাখা হয়েছিল। কারণ চাঁদের কক্ষপথে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ল্যান্ডার ও রোভারটিকে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্য একমাত্র এই প্রোপালশান মডিউলের। এটির ওজন ২ হাজার ১৪৮ কিলোগ্রাম। রোভারটিকে সফলভাবে চাঁদের মাটিতে নামানোর কাজ করবে ল্যান্ডারটি। একটি ফর্মারের ভিতরে যুক্ত রয়েছে এই রোভারটি, যার ওজন ১ হাজার ৭৫২ কিলোগ্রাম।

    পূর্বের চন্দ্রযান ২ এর রোভারের সাথে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর রোভারের কী পার্থক্য রয়েছে?

    চন্দ্রযান-২ এর রোভারের সাথে বিশেষ কিছু পার্থক্য না থাকলেও এর কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। কোনও রকম যান্ত্রিক গোলযোগ এবং সমস্যার যাতে সম্মুখীন না হয়, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আগের থেকে রোভারটির কিছু যান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। প্রোপালশান মডিউলটির ৭৫৮ ওয়াট, ল্যান্ডার মডিউলটির ৭৩৮ ওয়াট এবং রোভারটির ৫০ ওয়াট শক্তি উৎপাদন করার মতো ক্ষমতা রয়েছে এবার (Chandrayaan-3)।

    কী উদ্দেশ্য এই চন্দ্রযান-৩ এর (Chandrayaan-3)?

    ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরোর তরফ থেকে জানা গেছে, চাঁদের মাটিতে বিনা সমস্যায় নির্বিঘ্নে এই চন্দ্রযানটিকে অবতরণ করিয়ে চাঁদ নিয়ে গবেষণার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। যেটি হতে চলেছে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বিভিন্ন উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে চাঁদের অজানা তথ্যকে সংগ্রহ করে পৃথিবীতে পাঠাবে এই চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)।

    সমগ্র প্রকল্পটিতে কত খরচ হয়েছে এখনও পর্যন্ত?

    ইসরোর তরফ থেকে ২০১৯ এর তথ্য অনুযায়ী এই সমগ্র প্রকল্পটির (Chandrayaan-3) জন্য যে অর্থায়নের অনুরোধ করা হয়েছিল, সেখানে উল্লেখ ছিল ৭৫ কোটি টাকা। যার মধ্যে যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামের জন্য বরাদ্দ ছিল ৬০ কোটি টাকা বা ৮.৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বাকি ১৫ কোটি রাজস্ব বহন বাবদ ধার্য করা হয়েছিল। ইসরোর সভাপতি কে সিভান জানিয়েছিলেন, এই সমগ্র অভিযানে খরচ হবে প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা, যা মার্কিন ৮৬ মিলিয়ন ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share