Tag: Chandrayaan-3

Chandrayaan-3

  • Chandrayaan 4: ‘ওয়ান মিশন টু রকেট’! একযাত্রায় দু’দফায় উৎক্ষেপণ, চন্দ্রযান ৪ নিয়ে কী জানাল ইসরো?

    Chandrayaan 4: ‘ওয়ান মিশন টু রকেট’! একযাত্রায় দু’দফায় উৎক্ষেপণ, চন্দ্রযান ৪ নিয়ে কী জানাল ইসরো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ইতিহাস রচনা করেছে ভারত। ফের চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর বেশ কয়েক মাস কেটে গিয়েছে, এখন ‘চন্দ্রযান ৪’ (Chandrayaan 4) অভিযান নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে। তবে চতুর্থ চন্দ্রযান অভিযান আগের সব অভিযানের থেকে একেবারে আলাদা হতে চলেছে, বলে দাবি করল ইসরো। কারণ চাঁদের মাটি ছোঁয়া এবং সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফিরে আসার জন্য পৃথক ভাবে দু’দফায় মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হবে। 

    ‘চন্দ্রযান ৪অভিযানের লক্ষ্য

    চাঁদের বুক থেকে চাঁদের মাটি এবং পাথর পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে চলেছে ইসরো। এর আগে একমাত্র, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চিন চাঁদ থেকে চাঁদের মাটি ও পাথরের নমুনা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সফল হয়েছে। ন্যাশনাল স্পেস সায়েন্স সিম্পোসিয়ামে ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, এই অভিযানের একমাত্র লক্ষ্য, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য চাঁদের মাটি-পাথর সংগ্রহ করে পৃথিবীতে নিয়ে আসা। চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4) অভিযান হওয়ার কথা ২০২৮ সালে। এই অভিযান সফল হলে ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিক খুলে যাবে।

    চন্দ্রযান ৪ জটিল অভিযান

    এবার আর একটা রকেট নয়, পর্যায়ক্রমে দুই ধাপে দুই রকেটে চেপে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-৪ (Chandrayaan 4)। চন্দ্রযান ৪-এর পেলোডগুলি দুই ধাপে পাঠানো হবে চাঁদে। দুই ধাপে সেই পেলোডগুলি বয়ে নিয়ে যাবে দুই রকেট। ইসরো প্রধান জানিয়েছেন, এই প্রথমবার ইসরো একটি মিশনের জন্য দু’বার রকেট উৎক্ষেপণ করবে। চাঁদের পাথর ও মাটি (রেগোলিথ) নিয়ে ফিরবে পৃথিবীর বুকে চন্দ্রযান ৪। এলভিএম-৩ (সাবেক জিএসএলভি) এবং পিএসএলভি রকেট দু’টি চন্দ্র মিশনের পেলোডগুলি বহন করবে। আলাদা আলাদা দিনে উৎক্ষেপণ করা হবে রকেটগুলি। আগের তুলনায় অনেক জটিল প্রক্রিয়া বলেই দু’-দফায় উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। সবচেয়ে ভারী যে উৎক্ষেপণযান, এলভিএম-৩ ব্যবহার করে প্রথমে তিনটি উপাদান একত্রে রওনা দেবে, যেগুলি হল, প্রপালসন মডিউল, ডিসেন্ডার মডিউল এবং অ্যাসেন্ডার মডিউল। এই উৎক্ষেপণ চন্দ্রযান ৩ অভিযানের মতোই হবে। এর পর, পিএসএলভি উৎক্ষেপণযানে চাপিয়ে মহাকাশে পাঠানো হবে ট্রান্সফার মডিউল এবং রি-এন্ট্রি মডিউল। তবে কোনটির উৎক্ষেপণ আগে এবং কোনটির পরে, তা এখনও জানা যায়নি। 

    আরও পড়ুন: ‘‘এটা ট্রেলার দেখছেন, আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে’’, গুজরাটে মোদি

    কীভাবে কাজ করবে মডিউলগুলি

    আগের চন্দ্র মিশনগুলিতে ২-৩টি পেলোড থাকলেও চন্দ্রযান ৪-এ (Chandrayaan-4) থাকবে পাঁচটি পেলোড। পেলোডগুলি হল প্রপালশন মডিউল, যা চন্দ্রযান ৪-কে পথ দেখিয়ে চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবে। ডিসেন্ডার মডিউল, চাঁদে অবতরণ করবে এই পেলোডটি। এর কাজ চাঁদের মাটিতে ল্যান্ডারকে নামানো। অ্যাসেন্ডার মডিউল, চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ট্রান্সফার মডিউলে ফিরে আসতে সাহায্য করবে। ট্রান্সফার মডিউল এক কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে যাবে এই অংশ। সব শেষে রি-এন্ট্রি মডিউল, এই অংশ চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্যোদয়! বিক্রম, প্রজ্ঞানকে কবে জাগানোর চেষ্টা করবে ইসরো?

    Chandrayaan 3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্যোদয়! বিক্রম, প্রজ্ঞানকে কবে জাগানোর চেষ্টা করবে ইসরো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ভোর হলো, দোর খোলো’ বিক্রম! কাতর আর্জি ভারতবাসীর। কাজ শুরু করেছে ইসরোর বিজ্ঞানীরাও। চলছে চন্দ্রযান-৩-এর (Chandrayaan-3 Update) ল্যান্ডার বিক্রম এবং রোভার প্রজ্ঞানকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সূর্য উঠে গিয়েছে বুধবার। সূর্যের ক্ষীণ আলো এসে পড়েছে শিবশক্তি পয়েন্টেও। তবে সঙ্গে সঙ্গে বিক্রম বা প্রজ্ঞান কাউকেই জাগানো সম্ভব নয়। গত ১৫ দিন ধরে যে শীতল আবহাওয়ায় যন্ত্রগুলি অকেজো হয়ে পড়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার জন্য কিছুটা তাপের প্রয়োজন। এখনই সূর্য থেকে সেই তাপ মিলবে না। ইসরো জানিয়েছে, সূর্যালোকে বিক্রম এবং প্রজ্ঞানের ব্যাটারি রিচার্জ হবে। তার জন্যই অপেক্ষা করে আছেন ইসরোর আধিকারিকেরা। ব্যাটারি রিচার্জ সম্পূর্ণ হলেই আবার ল্যান্ডার এবং রোভারকে সক্রিয় করে তোলা যাবে বলে আশাবাদী ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    প্রাণ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ

    পৃথিবীতে যেমন ২৪ ঘণ্টায় একদিন হয়, এক চন্দ্রদিবস (Chandrayaan-3 Update) বলতে পৃথিবীর হিসেবে ১৪ দিনকে বোঝায়। পৃথিবীর হিসেবে ধরলে, ১৪ দিন চাঁদের উপর সূর্যের আলো পড়ে, তখন হয় দিন। তার পরের ১৪ দিন আবার ঘুটঘুটে অন্ধকার। তখন হয় রাত। পৃথিবীর হিসেবে ল্যান্ডার ‘বিক্রম'(Lander Vikram) এবং রোভার ‘প্রজ্ঞানে’ (Rover Pragyan) চন্দ্রপৃষ্ঠে পা রাখার ১২ দিন পর চাঁদে রাত্রি নামে। গোড়াতে ১৪ দিনের মাথায় ঘুম পাড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু সূর্যের অবস্থানের নিরিখে সময়ের আগে ঘুম পাড়ানো হয় তাদের। ইসরোর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, চাঁদের পিঠে সূর্যালোক পড়লেই শুক্রবার থেকে ইসরোর গ্রাউন্ড স্টেশনগুলি ল্যান্ডার ও রোভারের মডিউলগুলির এবং অন-বোর্ড যন্ত্রগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করবে। তবে প্রাণ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবুও দমতে নারাজ বিজ্ঞানীরা। আশার আলোর নিভু নিভু হলেও একেবারে নিভে কিন্তু যায়নি। এমনটাও হতে পারে, হয়তো বা জেগেও উঠল ল্য়ান্ডার ও রোভার, তবে কর্মক্ষম রইল না।

    আরও পড়ুন: আজ রাজ্যে আসছে প্রায় ৪ হাজার টন পদ্মার ইলিশ! বাজারে মিলবে কবে থেকে?

    প্রত্যাশার থেকে বেশি কাজ করেছে চন্দ্রযান-৩

    যদিও আশা করতে বাধা নেই। চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3 Update) প্রত্যাশার থেকে বেশি কাজ করেছে চাঁদের বুকে। মূল পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর ইসরো সিদ্ধান্ত নেয় ল্যান্ডার ও রোভারের আয়ু বাড়ানো যেতে পারে। তাই চাঁদের বুকে সমস্ত যন্ত্রের ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করে দেয় এবং সেগুলিকে স্লিপ মোডে রেখে দেয়। স্লিপ মোডের আগে ব্যাটারিগুলি ফুল চার্জ অবস্থায় ছিল। যেহেতু চার্জড আপ অবস্থাতেই স্লিপ মোডে পাঠানো হয়েছে চন্দ্রযান-৩-কে, তাই রাতের কঠিন ঠান্ডাতেও নিজেদের কিছুটা হলেও গরম রাখতে পারবে যন্ত্রগুলি, এমনটাই আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। যদি কোনও ভাবে জেগে উঠতে পারে চন্দ্রযান-৩ তবে ল্যান্ডার এবং রোভার কমপক্ষে আরও ১৪ দিনের জন্য (পৃথিবীর হিসেবে) চাঁদের বুকে একই ভাবে কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। ফের গুটি গুটি পায়ে চাঁদের বুকে হেঁটে বেড়াচ্ছে প্রজ্ঞান, স্বপ্ন সকল ভারতবাসীর।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: চন্দ্রযান ৩-এর যা খরচ, মমতা তার ৫৭ শতাংশ বিলিয়ে দিচ্ছেন পুজো কমিটিগুলিকে!

    Durga Puja 2023: চন্দ্রযান ৩-এর যা খরচ, মমতা তার ৫৭ শতাংশ বিলিয়ে দিচ্ছেন পুজো কমিটিগুলিকে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩ পাঠাতে কত টাকা খরচ হয়েছে, জানেন কি? তবে এটা জানলে অবাকই হবেন যে, চন্দ্রযান ৩ তৈরির যা বাজেট, তার ৫৭ শতাংশ মমতা বিলিয়েছেন পুজো কমিটিগুলিকে। দেশ যেখানে কম খরচে চাঁদে যান পাঠাচ্ছে, সেখানে রাজ্য সরকার এভাবে কোটি কোটি টাকা ডোল দিল স্রেফ ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে? বাজারে অন্তত এমনই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, প্রত্যেক দুর্গাপুজো কমিটিকে (Durga Puja 2023) দেওয়া হচ্ছে ৭০ হাজার টাকা করে। ইসরো এত কম খরচে চাঁদে চন্দ্রযান ৩ পাঠাল, অথচ এই রাজ্যে সাধারণ মানুষের করের টাকা খরচ হচ্ছে পুজোর ক্লাবগুলির পিছনে। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, দুর্গাপুজো কেবল উৎসব নয়! প্রচুর বিনিয়োগ এবং ব্যবসার সুযোগ রয়েছে, তাই এই অনুদান। পাল্টা রাজ্যের অনুদান বিতরণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। তারা বলছে, ক্লাবের নামে তৃণমূলের চোরেদের টাকা দিচ্ছে সরকার। এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়েছে রাজ্যে। বিরোধীদের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার অর্থ সঙ্কটের কথা বলছেন। তাহলে এই টাকা আসছে কোথা থেকে?

    মোট কত অনুদান দেওয়া হচ্ছে (Durga Puja 2023)?

    রাজ্যের সব দুর্গাপুজো কমিটির জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষ অনুদান ঘোষণা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, এই বছর প্রত্যেক দুর্গাপুজো কমিটিকে (Durga Puja 2023)  ১০ হাজার করে টাকা বৃদ্ধি করে, মোট অনুদান দেওয়া হবে ৭০ হাজার টাকা। অর্থ দফতরের হিসাব অনুযায়ী, কলকাতার ৪ হাজার সহ রাজ্যের মোট ৪০ হাজার পুজোর জন্য সরকারি কোষাগার থেকে এক কথায় বেরিয়ে যাবে ২৮০ কোটি টাকা। এছাড়া বিজ্ঞাপন ইত্যাদি বাবদ ৭০ কোটি ধরলে সব মিলিয়ে খরচের পরিমাণ হবে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। উল্লেখ্য চন্দ্রযান ৩ উৎক্ষেপণে খরচ হয়েছিল ৬১৫ কোটি টাকা। আর রাজ্যের পুজো কমিটিকে অনুদানের পরিমাণ ৩৫০ কোটি টাকা! ফলে সব মিলিয়ে হিসাব দাঁড়াচ্ছে চন্দ্রযান তৈরি করতে যত টাকা খরচ হয়েছে, তার ৫৭ শতাংশ টাকা মুখ্যমন্ত্রী খরচ করছেন পুজোর ক্লাবগুলির জন্য। অথচ রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা মিলছে না। তাই একে কটাক্ষ করছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশও। যে টাকায় ভারতের চন্দ্রযান ৩ চাঁদে পৌঁছেছে, সেই টাকার একটা বড় অংশ খরচ হচ্ছে উন্নয়নের জন্য নয়, ক্লাবগুলির জন্য। আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। এই বেলাগাম অনুদানে সরব হয়েছে বিজেপিও।

    তৃণমূলের চোরেদের পকেটেই টাকা দেওয়া হল!

    বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ইদ্রিশ আলির মতো মানুষরা ভারতের চন্দ্রযান ৩ উৎক্ষেপণ নিয়ে অবিবেচকের মতো মন্তব্য করেছেন। তাঁর কাছে চন্দ্রযান উৎক্ষেপণ মানে অর্থের অপচয় করা মাত্র। রাজ্য সরকার যে অর্থ অপচয় করে পুজো কমিটিগুলিকে দিতে চলেছে, তা তো সাধারণ মানুষের করের টাকা। রাজ্য সরকার এইভাবে সাধারণ মানুষের টাকা খরচ করতে পারে কি? রাজ্যে যেভাবে তৃণমূলের নেতারা টাকা চুরি করেছেন, এই পুজোর ক্লাবে অনুদান, কার্যত কিছু তৃণমূলের চোরেদের পকেটেই টাকা দেওয়ারই সমান। এছাড়াও বিজেপির কাউন্সিলার সজল ঘোষ বলেন, আমাদের সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো (Durga Puja 2023) বেশ বড় পুজো। লাখ লাখ দর্শনার্থীর সমাগম হয়। আমরা গত দুই বছর ধরে সরকারের এই অনুদান গ্রহণ করছি না।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NASA Lunar Mission: চন্দ্রযান ৩-এর পিছু পিছু! চাঁদের দক্ষিণ মেরু অভিযানে রোভার বানালো নাসা

    NASA Lunar Mission: চন্দ্রযান ৩-এর পিছু পিছু! চাঁদের দক্ষিণ মেরু অভিযানে রোভার বানালো নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও জাপানের পর চাঁদ জয় করতে রোভার পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই মিশনে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সাহায্যে নিচ্ছে ক্যাঙারু-কান্ট্রি (Australia Moon Mission)। অস্ট্রেলিয়ান স্পেস এজেন্সিকে সাহায্য করার আগে অবশ্য চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মহাকাশযান পাঠাতে চলেছে আমেরিকা। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই একটি রোভার তৈরি করেছে নাসা (NASA Lunar Mission)। আগামী বছরের শেষে সেটিকে পৃথিবীর উপগ্রহে পাঠানোর কথা। 

    নাসার পরিকল্পনা

    চন্দ্র অভিযানের জন্য নাসা যে যান তৈরি করেছে তাঁর নাম ভোলাটাইস ইন্সভেস্টটিগেটিং পোলার এক্সপ্লোরেশন রোভার বা ভাইপার (VIPER)। সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার জনসন স্পেস সেন্টারের ইঞ্জিনিয়াররা রোভারটির একটি প্রোটোটাইপ পরীক্ষা করেন। যা মোটের উপর সফল হয়েছে বলে নাসা সূত্রে খবর। মার্কিন মহাকাশ গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, ভারতের চন্দ্রযান ৩-র বিক্রম-র মতো একটি ল্যান্ডারে করে ভাইপারকে চন্দ্র পৃষ্ঠে পাঠানো হবে। এই মিশনের জন্য অ্যাস্ট্রোবোটিক নামের একটি বেসরকারি সংস্থা ওই ল্যান্ডার তৈরি করছে। সূত্রের খবর, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নামবেন মার্কিন নভোচারী। সেই মিশন শুরুর আগেই চন্দ্র পৃষ্ঠের ওই অংশে পৌঁছবে ভাইপার। সেখানকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করবে এই নভোযান। যা চাঁদে মানুষ পাঠানোর রাস্তাকে সহজ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা (NASA Lunar Mission)।

    অস্ট্রেলিয়ার অভিযান 

    অন্যদিকে, নাসার সাহায্যে চাঁদে অভিযান চালাতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া (Australia Moon Mission)। অজিদের পাঠানো রোভার চাঁদের মাটি সংগ্রহ করে পৃথিবীতে নিয়ে আসবে। সেই মাটি বিশ্লেষণ করবে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। চন্দ্র পৃষ্ঠ থেকে সংগৃহীত নমুনা থেকে অক্সিজেন তৈরির চেষ্টাও চালানো হবে বলে জানা গিয়েছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে হিমায়িত জল রয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চন্দ্র পৃষ্ঠের সেই জল আদৌ ব্যবহারযোগ্য? সূত্রের খবর, চন্দ্র মিশনে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজবেন অস্ট্রেলিয়ার জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। অস্ট্রেলিয় প্রশাসন জানিয়েছে, ২০২৬-এ চন্দ্র মিশনে রোভার পাঠাবে তারা।

    চন্দ্রযান-৩ কে অনুসরণ

    চাঁদের মাটিতে অবতরণ করতে বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশগুলি হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে, সেই জায়গায় ভারত এই মিশন সম্পূর্ণ করেছে মাত্র ৬১৫ কোটি টাকায়। ভারতের দেখাদেখি একইভাবে চাঁদের মাটি দখলে নেমেছে জাপান (Japan)। ভারতের মতোই তারা কোনরকম তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না, একেবারে ধীরস্থির ভাবে পৌঁছে যেতে চাইছে চাঁদের মাটিতে।  জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (JAXA) র পাঠানো মহাকাশযান চন্দ্রযান-৩ এর মতই পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে চাঁদের দিকে এগিয়ে যাবে। ভারত যে টেকনোলজি ব্যবহার করে বিশ্বকে কম খরচে চাঁদ জয়ের দিশা দেখিয়েছে সেই টেকনোলজি এবার ব্যবহার করছে জাপান।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্যের আরও কাছে পৌঁছল আদিত্য এল-১, জানাল ইসরো

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মিলল সালফার! রয়েছে অক্সিজেনও, জলের খোঁজে প্রজ্ঞান

    Chandrayaan-3: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মিলল সালফার! রয়েছে অক্সিজেনও, জলের খোঁজে প্রজ্ঞান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সালফার, অক্সিজেন, ক্যালসিয়াম, টাইটেনিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মতো ধাতু ও মৌল খুঁজে পেল চন্দ্রযান ৩-র (Chandrayaan-3) রোভার প্রজ্ঞান (Pragyan)। সেইসঙ্গে চন্দ্রপৃষ্ঠে আরও একাধিক যৌগের হদিশ মিলেছে বলে জানিয়েছে ইসরো। ট্যুইটার হ্যান্ডলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই খবর জানিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO)।

    কী কী খনিজের খোঁজ মিলল

    ভারতীয় মহাকাশ সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, চাঁদের (Chandrayaan-3) দক্ষিণ মেরুর কাছে রয়েছে সালফার। নিশ্চিত করেছে রোভার প্রজ্ঞান (Pragyan)। তারা আরও জানিয়েছে, সালফারের পাশাপাশি অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, লোহা, ক্রোমিয়াম, টাইটেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন, অক্সিজেনের অস্তিত্বও মিলেছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে। হাইড্রোজেনের খোঁজ চলছে। হাইড্রোজনের যদি সন্ধান পাওয়া যায়, তাহলে জলের উপস্থিতির বিষয়ে ধারণা পাওয়া যাবে। মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে ভারতীয় মহাকাশ সংস্থা ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, চন্দ্রযান ৩-র রোভার প্রজ্ঞানে ‘লেসার-ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কপি’ (সংক্ষেপে LIBS) আছে। যা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে চন্দ্রপৃষ্ঠে কী কী যৌগ আছে, সেটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে ‘লেজার-ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কপি’।

    আরও পড়ুন: ফুরিয়ে আসছে আয়ু, হাতের কাজ শেষ করতে ব্যস্ত প্রজ্ঞান

    চাঁদ নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ

    গত ২৪ অগাস্ট ভোরে ল্যান্ডার বিক্রম থেকে নেমে এসেছিল রোভার প্রজ্ঞান (Pragyan)। তার পর থেকে ছ’চাকা বিশিষ্ট এই যান চাঁদে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। সেকেন্ডে এক সেন্টিমিটার গতি প্রজ্ঞানের। তাতেই বাজিমাত করে চলেছে সে। প্রজ্ঞানে রয়েছে ‘লেজার-ইনডিউসড ব্রেকডাউন স্পেকট্রোস্কপি’ প্রযুক্তি। এটি হল একটি বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া। যা লেজার পালসের মাধ্যমে বিভিন্ন উপকরণের গঠন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে। বেঙ্গালুরুর ইসরোতে ইলেক্ট্রো-অপটিকস সিস্টেমের গবেষণাগারে এই প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে। চাঁদের মাটিতে ছ’দিন কাটিয়েছে প্রজ্ঞান। চাঁদের (Chandrayaan-3) দক্ষিণ মেরুর কাছে যে অংশে ল্যান্ডার বিক্রম অবতরণ করেছে, আগে অন্য কোনও দেশ সেখানে মহাকাশযান পাঠাতে পারেনি। ফলে ওই এলাকাটি পৃথিবীর বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা। প্রজ্ঞান যে তথ্য পাঠাচ্ছে, তা চাঁদ নিয়ে গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বলে জানিয়েছে ইসরো (ISRO)। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: “ইতিহাস গড়ে, ইসরো ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করল”! চন্দ্রযানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রাষ্ট্রপতি

    Chandrayaan-3: “ইতিহাস গড়ে, ইসরো ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করল”! চন্দ্রযানের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতের মুঠোয় চাঁদ-মামা! ঘড়ির কাঁটায় সন্ধ্যা ৬.০৪ বাজতেই ইতিহাস গড়ল ভারত। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করল ইসরোর তৈরি চন্দ্রযান-৩। ল্যান্ডার বিক্রমের সফল অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই ইসরোর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুভেচ্ছাবার্তায় তিনি বলেন, ‘আজ এমন একটি দিন, যেদিন ইতিহাস তৈরি হল। আজ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করেছে চন্দ্রযান-৩। ইসরোর বিজ্ঞানীরা শুধুমাত্র ইতিহাস গড়েছেন তাই নয়, সঙ্গে ভূগোলের আইডিয়া তৈরি করেছে। এটা দেশবাসীর কাছে এক গর্বের বিষয়। ইসরো এবং এই মিশনে যুক্ত সকল বিজ্ঞানীকে আমার তরফ থেকে শুভেচ্ছা জানাই’

    আবেগাপ্লুত নেতা-মন্ত্রীরা

    বিশ্ববাসীর সামনে নজির সৃষ্টি করল ভারত। চন্দ্রযান-৩ এর সাফল্যের পর এমনই অভিমত প্রকাশ করলেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। তিনি বলেন, ‘এটা একটা গর্বের বিষয় যে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরু জয় করল ভারত। আমি এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পেরে গর্বিত অনুভব করছি। ইসরোর টিম এবং সকল বিজ্ঞানীকে অসংখ্য শুচেচ্ছা’।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছনো বিশ্বের প্রথম দেশ ভারত। ঐতিহাসিক এই সাফল্যের পর অভিনন্দন জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ করেছে ল্যান্ডার বিক্রম। ভারতের বিজ্ঞানীদের কঠোর পরিশ্রমের জন্যই এই সাফল্য এসেছে। শুভেচ্ছাবার্তায় জানালেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণ চন্দ্রযান ৩-এর। এই সফল অভিযানের জন্য ইসরোর সকল বিজ্ঞানী ও ভারতীয়দের শুভেচ্ছা জানালেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: ‘ওয়েলকাম বন্ধু’! চন্দ্রযান ২-এর অরবিটারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ‘বিক্রম’-এর

    Chandrayaan-3: ‘ওয়েলকাম বন্ধু’! চন্দ্রযান ২-এর অরবিটারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ‘বিক্রম’-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিকল্পনা মতো চললে আর এক দিন পরেই চাঁদের পৃষ্ঠে পা রাখবে ইসরোর চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3)। ২৩ অগাস্ট, বুধবার সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ইতিহাস লিখবে ভারত। তার আগে চাঁদের কক্ষপথে চন্দ্রযান -৩ এর বিক্রমের সঙ্গে দেখা হল ২০১৯-এর চন্দ্রযান ২-এর অরবিটারের। তাদের সেই হঠাৎ দেখার পর ইসরো সামনে আনল কী কথা হল তাদের!

    ইসরোর ট্যুইট-বার্তা

    ইসরোর তরফে ট্যুইটে জানানো হয়েছে, ‘স্বাগত বন্ধু’, চন্দ্রযান-২-এর অরবিটারটি আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বাগত জানিয়ছে চন্দ্রযান-৩-এর (Chandrayaan-3) ল্যান্ডার মডিউলকে (LM)। দু’জনের মধ্যে দ্বিমুখী যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। ল্যান্ডার মডিউলে পৌঁছানোর জন্য এমওএক্স-এর কাছে এখন আরও রুট রয়েছে ৷ অবতরণ প্রক্রিয়া (ল্যান্ডিং ইভেন্ট) সরাসরি সম্প্রচার শুরু হবে বুধবার ৫টা ২০ মিনিটে।

    সেই কবে ২০১৯ সালে পৃথিবী ছেড়ে চাঁদের পথে পাড়ি দিয়েছিল চন্দ্রযান-২। সেই মিশন ব্যর্থ হলেও ১০০x১০০ কিলোমিটার কক্ষপথে আজও রয়ে গিয়েছে চন্দ্রযান ২-এর অরবিটার। চন্দ্রযান-২ অভিযানের সময় ইসরোর ডিরেক্টর ছিলেন কে শিবন। ওই অভিযানের দায়িত্বও ন্যস্ত ছিল তাঁর হাতে। শেষ মুহূর্তের গোলযোগে সে বার সফট ল্যান্ডিংয়ে ব্যর্থ হয়েছিল ভারত। একই সঙ্গে তিনি জানালেন, চন্দ্রযান-২-এর অভিজ্ঞতা থেকেই এবার এমন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে যাতে ব্যর্থতার সম্ভাবনা যতটা সম্ভব কমানো যায়। এজন্য অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সেই অতিরিক্ত ব্যবস্থাগুলিও দেশেই তৈরি, জানান কে শিবন।

    আরও পড়ুন: বুধবার সন্ধেয় চাঁদে পা ‘চন্দ্রযান ৩’-এর! কখন-কোথায় সরাসরি সম্প্রচার, জেনে নিন

    সতর্ক চন্দ্রযান-৩

    বুধবার চাঁদের পৃষ্ঠে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ অবতরণ করতে পালে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করার ইতিহাস তৈরি করবে ভারত। এছাড়াও সার্বিক ভাবে বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে অবতরণের নজির গড়বে ভারত। চাঁদে অবতরণের পর ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর ভিতর থেক বেরিয়ে আসবে রোভার ‘প্রজ্ঞান’। সেটি চাঁদের পিঠে ঘুরে ঘুরে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ সংগঠিত করবে। এদিন আরও একটি পোস্ট করেছিল ইসরো। তাতে দেখা যাচ্ছে, সঠিক এলাকায় সঠিক ভাবে অবতরণের জন্য তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে ল্যান্ডার। চাঁদের মাটিতে চারদিকে গর্ত, মাটি অসমান, বন্ধুর। যেখানে সেখানে পড়ে রয়েছে পাথর। চাঁদের মেরু লাগোয়া এলাকার এমনই ছবি প্রকাশ্যে এনেছিল ইসরো।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan-3: প্রপালশন মডিউল থেকে ছিন্ন হল চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম

    Chandrayaan-3: প্রপালশন মডিউল থেকে ছিন্ন হল চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের (Moon) কক্ষপথে প্রদক্ষিণ শেষ হওয়ার পর অবশেষে সফলভাবে চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর প্রোপালশন মডিউল থেকে আলাদা হল ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ (Lander Vikram)। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে একথা জানানো হয়। চাঁদের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার জন্য ল্যান্ডার বিক্রম ধন্যবাদ জানিয়েছে প্রপালশন মডিউলকে। এই প্রক্রিয়া যে সফল হয়েছে, জানানো হয়েছে এমনটাই। এরপর ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হবে ল্যান্ডারের গতি এবং তা অবতরণ করা হবে চাঁদের বুকে। আগামীকাল থেকেই এই কাজ শুরু হবে।

    কবে চাঁদে পা

    ২৩ অগাস্ট বিকেল পৌনে ছ’টা নাগাদ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণের কথা রয়েছে চন্দ্রযান-৩-এর (Chandrayaan-3) ল্যন্ডার ‘বিক্রম’-এর। পরিকল্পনা সফল হলেই আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর সফল ভাবে চাঁদের জমিতে মহাকাশযান অবতরণ করানোর তালিকায় নাম তুলে নেবে ভারত। একই সঙ্গে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে প্রথমবার পা পড়বে কোনও দেশের মহাকাশযানের। ভারতীয় সময় ১টা থেকে ১.৩০টার মধ্যে এই বিছিন্ন হওয়ার কাজটি হয়। চন্দ্রকক্ষে ম্যানুয়েভর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর প্রপালশন বিচ্ছেদের কাজটি শুরু হয়েছিল।

    কী বলছে ইসরো

    ইসরোর তরফে জানান হয়েছে বিক্রম ল্যান্ডার চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এর প্রপালশন মডিউল থেকে আলাদা হয়ে গেছে। এখন এটি দ্রুত চাঁদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ২৩ আগস্ট চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে বিক্রম ল্যান্ডার। প্রপালশন মডিউলটি এখন চাঁদের কক্ষপথে ঘুরবে। বিক্রম ল্যান্ডার, এখন চাঁদের দিকে এগোচ্ছে। ২৩ আগস্ট চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে বিক্রম ল্যান্ডার। চন্দ্রযান বর্তমানে চাঁদের শেষ কক্ষপথে রয়েছে। চন্দ্রযান-৩ চাঁদ থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা নাগাদ বিক্রম তার একক যাত্রা শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় গর্বিত নারীরা! প্রতিক্রিয়া মহিলা পাইলটের

    ইসরোর তরফে বলা হয়েছে, বক্স আকৃতির প্রপালশন মডিউলটিতে রয়েছে একটি অতিকায় সৌর প্যানেল ও একটি সিলিন্ডার। এর সঙ্গেই যুক্ত রয়েছে ল্যান্ডার বিক্রম ও রোভার প্রজ্ঞান। এদের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর প্রপালশন মডিউলটি কাজ করবে রিলে স্যাটেলাইট হিসেবে। এখন বিক্রম এগিয়ে চলেছে চন্দ্রপৃষ্ঠে সফট ল্যান্ডিং করতে। সেটি চাঁদের (Moon) মাটিতে নেমে পড়লে শুরু হবে প্রজ্ঞানের কাজ।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gaganyaan Mission: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Gaganyaan Mission: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশে ‘গগনযান’ (Gaganyaan) পাঠানো নিয়ে বড় ঘোষণা ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (Indian Space Research Organisation)। পরের বছরেরই অর্থাৎ ২০২৩ সালে গগনযান পাঠাবে ইসরো। এই প্রথমবার ভারতের প্রথম মানব মহাকাশযান মহাকাশে পাড়ি দেবে। এই মিশনে ভারতের তিনজন মহাকাশচারী থাকবেন। ২০২০ সালেই গগনযান পাঠানোর কথা ছিল, কিন্তু করোনার কারণে এটি বারবার পিছিয়ে দেওয়া হয়। এবারে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh) জানিয়েছেন যে, পরের বছরেই ইসরোর গগনযান মহাকাশে পাঠানো হবে। এই প্রথমবার মহাকাশচারী নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেবে গগনযান। গগনযানের প্রধান উদ্দেশ্যই হল পৃথিবার কক্ষপথে মানুষ পাঠানো। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবস পালন কর্মসূচিতে ‘গগনযান-২০২২’ প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।

    আরও পড়ুন: ফরাসি রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি ভারতীয় GSAT-24 উপগ্রহের

    ২০২৩ সালে গগনযান পাঠানোর আগে চলতি বছরেই তিনটি পরীক্ষামূলক যান পাঠানো হবে। এই তিনটি পরীক্ষামূলক যান হবে মানবহীন, তবে এতে একটি মহিলা রোবট পাঠানো হবে। এই ‘হাফ-হিউম্যানয়েড’ (মানব) রোবট ভ্যোমিত্র (Vyommitra) মহাকাশ থেকে ইসরোকে নানান তথ্য পাঠাবে। এছাড়াও জিতেন্দ্র সিং জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে, ইসরো একটি ‘স্পেস ডকিং পরীক্ষা’ চালাবে। দুটি পৃথকভাবে উৎক্ষেপিত মহাকাশযানকে যুক্ত করার প্রক্রিয়াকেই স্পেস ডকিং বলা হয়েছে। মহাকাশচারীদের সুবিধার জন্যে এবার মহাকাশে নিজস্ব মহাকাশ কেন্দ্র তৈরি করতে চায় ভারত। ২০২০ সালে ইসরোর (ISRO) চেয়ারম্যান কে সিভান (K Sivan) জানিয়েছিলেন, এই গগনযান মিশন শুরু হওয়ার পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যেই মহাকাশে ভারতীয়দের নিজস্ব স্পেস স্টেশন তৈরি করা হবে। যার ফলে ভারতীয় মহাকাশচারীরা পৃথিবীর নীচের দিকের কক্ষপথে ১৫-২০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারবে।

    আরও পড়ুন: সফলভাবে সিঙ্গাপুরের তিনটি উপগ্রহ কক্ষপথে স্থাপন করল পিএসএলভি-সি৫৩

    ২০২৩ সালে এই গগনযান পাঠানো ছাড়াও আরও দুটি মহাকাশযান পাঠানো হবে। চন্দ্রযান-৩ (Chandrayaan-3) এবং আদিত্য এল-১ (Aditya L-1) এই দুটি মহাকাশযানের একটি চাঁদের উদ্দেশ্যে ও অন্যটি সূর্যকে লক্ষ্য করে যাবে। আদিত্য এল-১ এটি ভারতের প্রথম সৌর মিশন হতে চলেছে। ২০২৩ সালে ইসরোর এই গগনযান মিশন যদি সফল হয়, তবে আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পর ভারতের নাম যুক্ত হবে। আমেরিকা, রাশিয়া, চিন ইতিমধ্যেই এই লক্ষ্য পূরণ করেছে। ২০২৩ সাল ভারতের মহাকাশবিজ্ঞানের ইতিহাসে এক নতুন নজির গড়ে তুলতে চলেছে। তাই ইসরোর বিজ্ঞানীদের প্রধান লক্ষ্যই হল মিশন ‘গগনযান’।

     

     

LinkedIn
Share