Tag: Chandrayaan 4

Chandrayaan 4

  • Chandrayaan 4: চাঁদ থেকে পাথর, মাটি সংগ্রহ করে ফিরবে পৃথিবীতে, কবে পাড়ি দিচ্ছে ‘চন্দ্রযান ৪’?

    Chandrayaan 4: চাঁদ থেকে পাথর, মাটি সংগ্রহ করে ফিরবে পৃথিবীতে, কবে পাড়ি দিচ্ছে ‘চন্দ্রযান ৪’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৭ সালে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেবে ‘চন্দ্রযান ৪’ (Chandrayaan 4)। ওই অভিযানে চাঁদের পাথর, মাটির নমুনা নিয়ে ফের পৃথিবীতে ফিরে আসবে মহাকাশযানটি। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং (Jitendra Singh)। একইসঙ্গে, ‘গগনযান’ (Gaganyaan Mission) ও ‘সমুদ্রযান’ (Samudrayaan Mission) মিশনের সময়ও ঘোষণা করেন তিনি। ফলে, আগামী তিন বছর ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞান ও গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সময় আসতে চলেছে (ISRO Future Projects)।

    চাঁদের পাথর-মাটি নমুনা সংগ্রহ

    জিতেন্দ্র জানান, চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4) অভিযানে প্রথমবার ব্যবহার করা একটি নয়, দুটি হভি লিফ্ট এলভিএম ৩ রকেট (LVM3 Rocket)। দুই ভারী রকেটে করে পাঠানো হবে এই মিশনের জন্য প্রয়োজন পাঁচটি বিভিন্ন অংশকে। সেগুলি দুটি ভাগে চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছে সেখানে জুড়বে। চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4) মিশনের লক্ষ্য হল চাঁদের থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফিরে আসা। অন্যদিকে, গগনযান অভিযান সম্পর্কে বলতে গিয়ে জিতেন্দ্র জানান, আগামী বছর মহাকাশে পাড়ি দেবে গগনযান। ওই মিশনে পৃথিবীর কাছাকাছি কক্ষপথে চার ভারতীয় মহাকাশচারীকে পাঠানো হবে। শুধু মহাকাশ নয়, সমুদ্রের গভীরেও বিশেষ অভিযান চালাবে ইসরো। সেটাও আগামী বছরেই। জিতেন্দ্র জানান, মিশন সমুদ্রযান-এর মাধ্যমে তিনজন বিজ্ঞানী বিশেষভাবে নির্মিত সাবমার্সিবল (ডুবো) ভেসেলে চেপে সমুদ্রের ৬ হাজার মিটার গভীরে গিয়ে গবেষণা চালাবেন। সিং বলেন, ‘‘বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষতার লক্ষ্যে দেশের এই অগ্রগতি বাকি বিশ্বের সঙ্গে ভারতকে একাসনে বসাবে।’’

    সমুদ্রযান অভিযানের গুরুত্ব অপরিসীম

    গত বছরের স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতায় সমুদ্রযানের কথা উল্লেখ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এদিন জিতেন্দ্র জানান, সমুদ্রযান অভিযানের প্রধান লক্ষ্য হল সমুদ্রতলের মূল্যবান সম্পদ এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের উন্মোচন করা যা আখেরে ভারতের অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত লক্ষ্যপূরণের জন্য অপরিহার্য। গগনযান মিশন নিয়ে বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, চলতি বছর এই অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসেবে দেশে তৈরি হিউম্যানয়েড রোবট ‘বিয়োমিত্র’-কে মহাকাশে পাঠানো হবে এবং আবার ফিরিয়ে আনা হবে। এর পর, সামনের বছর মানব-অভিযান সম্পন্ন করা হবে (ISRO Future Projects)।

    মোদি জমানায় মহাকাশ সেক্টরে বিপুল উন্নতি

    জিতেন্দ্র সিংয়ের মতে, মোদি জমানায় গত এক দশকে মহাকাশ সেক্টরে (India Space Sector) প্রভূত পরিমাণ উন্নতি করেছে ভারত। পরিকাঠামোগত হোক বা বিনিয়োগ এই ক্ষেত্রে ভারত ব্যাপকহারে অগ্রসর হয়েছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, ইসরো (ISRO) গঠন হয়েছিল ১৯৬৯ সালে। এর দুদশক পার করার পর ১৯৯৩ সালে দেশে প্রথম লঞ্চপ্যাড (রকেট উৎক্ষেপণের প্ল্যাটফর্ম) গড়ে তোলে ভারত। দ্বিতীয় লঞ্চপ্যাড নির্মাণ হয় ২০০৪ সালে। তিনি বলেন, ‘‘এখন ভারী রকেট উৎক্ষেপণের জন্য আমরা প্রথমবার তৃতীয় লঞ্চপ্যাড নির্মাণ করছি। পাশাপাশি, শ্রীহরিকোটার চাপ কমাতে এবং ছোট রকেট উৎক্ষেপণের জন্য তামিলনাড়ুর তুতিকোরিনে নতুন উৎক্ষেপণকেন্দ্র গড়ে তুলছি।’’

    দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে বিনিয়োগর জোয়ার

    বর্তমানে ভারতের মহাকাশ অর্থনীতির মূল্য প্রায় ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। এই গতিতে চললে, আগামী এক দশকে তা ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছতে পারে। আর তেমনটা হলে, মহাকাশ-শক্তিধর হিসেবে বিশ্বের হাতে গোনা দেশগুলির সঙ্গে একই সরণিতে চলে আসবে ভারত। এটা সম্ভব হয়েছে কারণ, মোদি জমানায়, এই মহাকাশ বিজ্ঞান ক্ষেত্রে বিনিয়োগে এগিয়ে এসেছে বহু বেসরকারি সংস্থাও। যার ফলে, এখন ভারতের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের জোয়ার চোখে পড়ছে (ISRO Future Projects)।

  • ISRO: শুক্রযান, চন্দ্রযান ৪, গগনযান অভিযান ও মহাকাশ স্টেশন উদ্বোধনের সময়সূচি প্রকাশ ইসরোর

    ISRO: শুক্রযান, চন্দ্রযান ৪, গগনযান অভিযান ও মহাকাশ স্টেশন উদ্বোধনের সময়সূচি প্রকাশ ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) তরফ থেকে শুক্রযান, চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4), গগনযান এবং মহাকাশ স্টেশন নিয়ে ছয়টি মিশনের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য ভারতের এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা লাগাতার অভিনব প্রয়োগের কৌশলকে বিশ্ববাসীর কাছে উপস্থাপন করে অনন্য নজির গড়ছে। ইতিমধ্যে চন্দ্রযান ৩, আদিত্য এল-১ মিশনের সাফল্যে নাসার কাছেও ব্যাপক প্রশংসার পাত্র হয়েছে ইসরো। আসুন এবার থেকে জেনে নিই ইসরো তার ভবিষ্যৎ কর্মসূচি কীভাবে পরিকল্পনা করেছে।

    শুক্রযান (Shukrayaan)

    শুক্রের রহস্য উন্মোচনের জন্য ইসরো (ISRO) শুক্রকে প্রদক্ষিণ করবে। এই কাজের জন্য একটি উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে শুক্রযানকে। এই যানকে ২০২৮ সালে উৎক্ষেপণ করা হবে। শুক্রযান সিন্থেটিক অ্যাপারচার রেডার এবং আল্ট্রাভায়োলেট ইমেজিং সিস্টেমের মতো উন্নত যন্ত্র দিয়ে সজ্জিত। শুক্রযান শুক্রের ঘন বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে খোঁজ খবর করবে। মূলত কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সালফিউরিক অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত ওই বায়ুমণ্ডলকে নিরীক্ষণ করবে। সেই সঙ্গে এই শুক্রের মিশনের মূল উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে একটি হল সক্রিয় আগ্নেয়গিরি সনাক্তকরণ করা এবং গ্রহের ভূতাত্ত্বিক কার্যকলাপের মূল্যায়ন করা। ইসরোর (ISRO) এই মিশনের পরিচালক নীলেশ দেশাই জানিয়েছেন, ভারত সরকার শুক্রযান উপগ্রহকে বিশেষ অনুমোদন দিয়েছে।

    চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4)

    প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে সফল সফট ল্যান্ডিং ঘটিয়ে ইসরো সারা বিশ্বে মান্যতা পেয়েছে। অবশ্য এই দক্ষিণ মেরুতে ভারত প্রথম সফল ভাবে অবতরণ করে বিশ্বের ক্ষমতাশীল দেশগুলির মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে। ইসরো (ISRO) এবার চাঁদের দক্ষিণ মেরুকে ফের লক্ষ্য করে জাপানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে অবতরণ করবে। এই অভিযানের মাধ্যমে চাঁদের (Chandrayaan 4) মাটি, পাথর এবং খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান করবে। এই মিশনের অভিপ্রায় শুধু অবতরণ নয় সেই সঙ্গে চন্দ্রযানকে পৃথিবীর মাটিতে ফিরিয়ে আনাও মিশনের প্রধান অঙ্গ। অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে এই অভিযানের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে। মিশনের পরিচালক দেশাই জানিয়েছেন, “যদি আমরা সরকারের ঠিকঠাক অনুমোদন পাই তাহলে আমরা ২০৩০ সালের মধ্যে মিশনটি সফল ভাবে কার্যকর করব। আমরা এই মিশন নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।”

    দ্বিতীয় মঙ্গলগ্রহ (Mangalyaan) অভিযান

    মঙ্গলগ্রহে অভিযানের জন্য ইসরো (ISRO) মঙ্গল অরবাইটার মিশনের অন্তর্গত দ্বিতীয় মঙ্গলযান তৈরির কাজ করছে বলে ইসরো জানিয়েছে। তবে শুধুমাত্র মঙ্গলগ্রহ প্রদক্ষিণ নয়, এই লালগ্রহকে পরিক্রমা করে পৃষ্ঠদেশে অবতরণ করার চেষ্টাও একটা প্রধান অঙ্গ। মিশনের পরিচালক দেশাই বলেছেন, “মঙ্গল মিশনের একটি অংশ হিসেবে শুধু কক্ষপথের উপর আমাদের নির্মিত উপগ্রহকে রাখব না। বরং কীভাবে ভূ-মণ্ডলের উপর অবতরণ করা হবে সেই চেষ্টাও করা হবে। এই গ্রহকে নিয়ে আরও অনেক গবেষণা এবং তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।”

    গগনযান (Gaganyaan)

    মহাকাশে মানুষ পাঠাবে ইসরো (ISRO)। গগনযান মিশনের এটি হবে একটি মাইলফলক মিশন। প্রথমে মানুষবিহীন ভাবে এই গগনযান পাঠানো হবে এরপর পরীক্ষামূলক সফলের মাধ্যমে মানুষবাহী মহাকাশযান পাঠানো হবে। এই মিশনের পরিচালক জানিয়েছেন, “আগামী ২ বছরের মধ্যে গগনযান পাঠানো হবে। মহাকাশের নানা অজানা তথ্য এবং খোঁজ পেতে এই মিশন ব্যাপক ভাবে কার্যকর হবে। তবে এই মিশনে দেশের জন্য সর্বাত্মক উৎসর্গ করা ভাবনাকে বিশেষ প্রধান্য দেওয়া হবে।”

    ইনস্যাট ৪ সিরিজ (INSAT 4)

    ইসরো (ISRO) মহাকাশযানের মধ্যে ইনস্যাট ৪ সিরিজের পরবর্তী উপগ্রহর উৎক্ষেপণ একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই মিশনে ভূমণ্ডলের আবহাওয়া, সমুদ্র সংক্রান্ত ক্ষমতার উন্নতি, দুর্যোগের পূর্বাভাস সহ একাধিক নানা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার করা হবে। এটি নতুন সেন্সর এবং অত্যাধুনিক স্যাটেলাইটের অঙ্গ।

    আরও পড়ুনঃ উপত্যকায় সন্ত্রাস দমনে আরও সক্রিয় কেন্দ্র, জম্মুতে স্থায়ী মোতায়েন এনএসজি-র বিশেষ দল

    মহাকাশ স্টেশন (Indian Space Station)

    ভারত সরকার একটি মহাকাশ স্টেশনের পরিকল্পনাকে অনুমোদন করেছে। তবে এটি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন থেকে আকারে কিছুটা ছোট হবে। ইসরোর (ISRO) এই মহাকাশ স্টেশনে ৫টি মডিউল থাকবে। প্রথম মডিউলটি ২০২৮ সালের মধ্যেই চালু হয়ে যাবে। সেই সঙ্গে ২০৩৫ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ স্টেশন চালু হয়ে যাবে বলে আশাপ্রকাশ করা হয়েছে।

    দূরবর্তী গ্রহ অন্বেষণ থেকে শুরু করে মানুষের মহাকাশযান অগ্রসর করা পর্যন্ত, প্রতিটি মিশন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় অর্থপূর্ণ অবদান রাখার জন্য ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিনিয়ত প্রতিফলিত হচ্ছে। বর্তমান ভারত সরকার এবং ইসরোর পরিকল্পনা আগামী দিনে ভারতকে মহাশক্তিধর রাষ্ট্র এবং বিকশিত ভারতের দিকে যে এগিয়ে নিয়ে যাবে তা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের একাংশ মনে করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 4: চন্দ্রযান ৪ অভিযানে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্র, অনুমোদন শুক্র অভিযানেও

    Chandrayaan 4: চন্দ্রযান ৪ অভিযানে ছাড়পত্র দিল কেন্দ্র, অনুমোদন শুক্র অভিযানেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩ সাফল্যের মুখ দেখেছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রেখে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে ভারত। এবার শুরু হয়ে গেল চন্দ্রযান ৪ এর প্রস্তুতি (Chandrayaan 4)। এ ব্যাপারে গত মার্চেই বার্তা দিয়েছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। বুধবার (Venus Mission) সেই প্রস্তাবে ছাড়পত্র দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে চন্দ্রযান ৪ কর্মসূচিতে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। শুক্রে মহাকাশযান পাঠানো এবং মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের প্রস্তাবও অনুমোদিত হয়েছে এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে।

    চন্দ্রযান ৪ উৎক্ষেপণ (Chandrayaan 4)

    ইসরো সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রযান ৪ উৎক্ষেপণ করা হবে দুটি ধাপে। প্রথমবার উৎক্ষেপণ করা হবে এলভিএম-৩, দ্বিতীয় দফায় পিএসএলভি। এতে পাঁচটি আলাদা আলাদা যান থাকবে। ভারতের এই মিশন সফল হলে আমেরিকা, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চিনের সঙ্গে এক পঙতিতে বসে যাবে ভারত। ইতিমধ্যেই জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সার সঙ্গে এ বিষয়ে সমঝোতা করেছে ইসরো।

    অভিযানের লক্ষ্য

    এই অভিযানের লক্ষ্য হবে চাঁদের মেরু অঞ্চল সহ বিভিন্ন এলাকায় জল ও বিভিন্ন খনিজ অনুসন্ধান করা। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন, চন্দ্রযান ৪ এর মাধ্যমে শুধু চাঁদের মাটিতে অবতরণই নয়, ইসরো সেখান থেকে মাটি ও পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে দেশে নিয়ে আসতে চায়। সেই পরিকল্পনাই করা হচ্ছে। ইসরো শুক্র অভিযানের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছিল সেই ২০১৮ সালে (Chandrayaan 4)। চন্দ্রযান ৩ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় হয়নি শুক্র অভিযান। এদিন সেই ‘ভেনাস অরবিটার’ কর্মসূচিও ছাড়পত্র পেয়েছে মন্ত্রিসভার। ছাড়পত্র পেয়েছে প্রথম দেশে তৈরি মহাকাশ যানে ভারতীয় নভঃচর পাঠানোর গগনযান প্রকল্পও।

    আরও পড়ুন: চাকরির বিনিময়ে জমি মামলায় লালু ও তাঁর দুই ছেলেকে তলব

    পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় যে কক্ষপথ রয়েছে ২০৩৫ সালের মধ্যে সেখানে তৈরি হয়ে যাবে ভারতের স্পেস স্টেশন। এই স্পেস স্টেশনে অ্যাস্ট্রোবায়োলজি ও মাইক্রোগ্র্যাভিটি সংক্রান্ত নানা গবেষণা করা হবে। চন্দ্রযান ৪ অভিযান ইসরোর কাছে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের। মহাকাশ প্রযুক্তিতে ভারত কতটা এগিয়েছে, যা জানা যাবে এই অভিযানেই। চাঁদের কক্ষপক্ষে নোঙর করা, চাঁদে ল্যান্ড করে নমুনা সংগ্রহ করা, সেখান থেকে বেরিয়ে আসা এবং ফের পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ভেদ করে (Venus Mission) এই গ্রহের মাটি ছোঁয়া, প্রতিটি পদক্ষেপই গুরুত্বপূর্ণ (Chandrayaan 4)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 4: ফের চন্দ্রাভিযান ভারতের! এবার কোথায় অবতরণ করবে মহাকাশযান?

    Chandrayaan 4: ফের চন্দ্রাভিযান ভারতের! এবার কোথায় অবতরণ করবে মহাকাশযান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর এবার চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4) এর পথচলা শুরু। ইসরোর এ যাবৎ কালের এটি সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রকল্প। চন্দ্রযান ৩ ঠিক যে জায়গায় অবতরণ করেছিল সেই শিবশক্তি পয়েন্টের কাছেই অবতরণ করবে চন্দ্রযান ৪।

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতেই (Chandrayaan 4) অভিযান

    জানা গিয়েছে চন্দ্রযান ৪ অভিযানে ল্যান্ডার মডিউল, অ্যাসেন্ডার মডিউল ও দুটি উৎক্ষেপণ যান থাকবে। নমুনা সংগ্রহ করতে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করবে চন্দ্রযান ৪। সেখান থেকে পাথর এবং চাঁদের মাটির নমুনা সংগ্রহ করবে চন্দ্রযান-৪এর রোভার। চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফেরত নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এবং তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবেন বিজ্ঞানীরা। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে যে নমুনা সংগ্রহ করা হবে তাতে জলের অণু আছে কি না, তাতে কী কী খনিজ রয়েছে, এছাড়াও চন্দ্রপৃষ্ঠের মাটির পারমাণবিক গঠন এবং ভবিষ্যতে চাঁদে উপনিবেশ গড়ে তোলা যায় কী না, সেসব দিকগুলি খতিয়ে দেখা হবে। এই অভিযানে চাঁদের মাটিতে ৩৫০ কেজি ওজনের একটি অত্যাধুনিক রোভার নামাবে ইসরো। যা অল্প সময়ের মধ্যে অনেকটা দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হবে। এখনও পর্যন্ত চাঁদের বৃহৎ আকারের গহ্বরে নামেনি কোন দেশের রোভার। চন্দ্রযান-৪’এর রোভারকে দক্ষিণ মেরুর গহ্বরে নামিয়ে তার উপরিভাগে অনুসন্ধান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে ইসরোর ।

    চন্দ্রপৃষ্ঠের নমুনা সংগ্রহ করবে রোভার

    প্রসঙ্গত প্রত্যাশিত সাফল্য পেয়েছিল চন্দ্রযান ৩। এই অভিযানের সাফল্যকে কুর্নিশ জানিয়েছে সারা বিশ্ব। রাশিয়া কিংবা আমেরিকার তুলনায় অনেক কম খরচে ইসরোর অভিযানে নয়া দিশা দেখিয়েছে সারা বিশ্বকে। এবার শুরু হয়েছে চতুর্থ চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি। ইসরো জানিয়েছে চন্দ্রযান ৩ ঠিক যে জায়গায় অবতরণ করেছিল সেই শিবশক্তির পয়েন্টের কাছাকাছি অবতরণ করবে চন্দ্রযান ৪’-এর (Chandrayaan 4) ল্যান্ডার। এক চন্দ্র দিবস চন্দ্রপৃষ্ঠে অনুসন্ধান চালাবে ওই রোভার।

    আরও পড়ুন: নতুন মাইলফলক ইসরোর, দেশীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি তরল রকেট ইঞ্জিনের সফল পরীক্ষা

    অর্থাৎ পৃথিবীর হিসেবে ১৪ দিন কাজ করবে সেই রোভার। ইসরোর এই অভিযান ঘিরে প্রত্যাশার পারদ বাড়তে শুরু করেছে। চন্দ্রযান ৩’-এর রোভার মোট ১৪ দিনের জন্য কাজ করলেও তাঁকে ফের ঘুম থেকে জাগানোর চেষ্টা হয়েছিল। এবার চেষ্টা হচ্ছে যাতে ১৪ দিনের টাইমলাইনের বেশি যেন চন্দ্রজান-৪’এর রোভার কাজ করতে পারে। ইতিমধ্যেই সেই ভাবনা চিন্তা শুরু করে দিয়েছে ইসরো। চন্দ্রযান ৩ চাঁদের বুকে যে কাজ শুরু করেছিল সেই কাজ এগিয়ে নিয়ে যাবে চন্দ্রযান ৪। চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে মাটি নমুনা সংগ্রহ করতে পারলে চন্দ্রপৃষ্ঠের নমুনা সংগ্রহকারী হিসেবে চতুর্থ দেশ হয়ে উঠবে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণের পরে ‘চন্দ্রযান-৪’ মিশনের প্রস্তুতি শুরু ইসরোর

    ISRO: দক্ষিণ মেরুতে সফল অবতরণের পরে ‘চন্দ্রযান-৪’ মিশনের প্রস্তুতি শুরু ইসরোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে ইসরোর (ISRO) চন্দ্রযান-৩ মিশন (ISRO)। এবার ভারতীয় মহাকাশ গবেষণার সংস্থার ভাবনা চন্দ্রযান-৪ নিয়ে। বুধবারই সন্ধ্যায় পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করেছে ল্যান্ডার বিক্রম। খুশিতে মেতে ওঠে গোটা দেশ। এরপরেই বিক্রম ল্যান্ডারের পেটের ভিতর থেকে রোভার প্রজ্ঞান বেরিয়ে আসে। বিক্রমের পেট থেকে রোভারকে বের করে আনতে কিছুটা সময় নিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। কারণ চাঁদের মাটিতে ধুলো ঝড় হয়েছিল বুধবার। তাই ধুলো লেগে ক্যামেরা বা যন্ত্রাংশের কোনও যাতে ক্ষতি না হয়, তাই এই সতর্কতা অবলম্বন করেন বিজ্ঞানীরা। প্রত্যাশা মতোই সেদিন গুটিগুটি পায়ে ল্যান্ডার বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে আসে রোভার প্রজ্ঞান। চন্দ্রপৃষ্ঠের গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে এই রোভার। চাঁদের বায়ুমণ্ডলের মৌলিক গঠন সহ একাধিক বিষয়ে তথ্য পাঠাচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে। ভারতের চন্দ্র জয়ের এই সাফল্যে বিশ্বনেতাদেরও শুভেচ্ছা পেয়েছে ইসরো (ISRO)। বিভিন্ন দেশের সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে শুধুই ভারতের চন্দ্রাভিযানের সাফল্য নিয়ে। এরই মধ্যে ইসরো শুরু করে দিল চন্দ্রযান-৪ মিশনের প্রস্তুতি।

    ইসরোর (ISRO) মিশন চন্দ্রযান-৪

    এবারে চন্দ্রাভিযানকে পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে পরিকল্পনা শুরু করল ইসরো (ISRO)। জানা গিয়েছে জাপানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জাক্সা বা জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির সঙ্গে কাজ করবে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নাকি একটি চূড়ান্ত চুক্তিও সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে।

    মিশনের নাম হবে লুপেক্স

    চন্দ্রযান-৪ মিশন ভারত এবং জাপানের যৌথ উদ্যোগের সম্পন্ন হবে। এই অভিযানের নাম হবে লুপেক্স অর্থাৎ লুনার পোলার এক্সপ্লোরেশন মিশন। এই মিশনে চাঁদের মাটি, ভৌগোলিক গঠন নিয়ে বিশ্লেষণ করবে দুই দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। খুঁজে দেখা হবে চাঁদে কি সত্যিই জল আছে! তবে এই মিশন শুরু হতো এখনো তিন বছর বাকি বলেই জানা গিয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে ইসরো (ISRO) এবং জাক্সার এই যৌথ মিশন সম্পন্ন হবেবলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 4: ‘ওয়ান মিশন টু রকেট’! একযাত্রায় দু’দফায় উৎক্ষেপণ, চন্দ্রযান ৪ নিয়ে কী জানাল ইসরো?

    Chandrayaan 4: ‘ওয়ান মিশন টু রকেট’! একযাত্রায় দু’দফায় উৎক্ষেপণ, চন্দ্রযান ৪ নিয়ে কী জানাল ইসরো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের মাটি ছুঁয়ে ইতিহাস রচনা করেছে ভারত। ফের চন্দ্রাভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর বেশ কয়েক মাস কেটে গিয়েছে, এখন ‘চন্দ্রযান ৪’ (Chandrayaan 4) অভিযান নিয়ে জোর প্রস্তুতি চলছে। তবে চতুর্থ চন্দ্রযান অভিযান আগের সব অভিযানের থেকে একেবারে আলাদা হতে চলেছে, বলে দাবি করল ইসরো। কারণ চাঁদের মাটি ছোঁয়া এবং সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ফিরে আসার জন্য পৃথক ভাবে দু’দফায় মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হবে। 

    ‘চন্দ্রযান ৪অভিযানের লক্ষ্য

    চাঁদের বুক থেকে চাঁদের মাটি এবং পাথর পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনতে চলেছে ইসরো। এর আগে একমাত্র, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া এবং চিন চাঁদ থেকে চাঁদের মাটি ও পাথরের নমুনা নিয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসতে সফল হয়েছে। ন্যাশনাল স্পেস সায়েন্স সিম্পোসিয়ামে ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, এই অভিযানের একমাত্র লক্ষ্য, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য চাঁদের মাটি-পাথর সংগ্রহ করে পৃথিবীতে নিয়ে আসা। চন্দ্রযান ৪ (Chandrayaan 4) অভিযান হওয়ার কথা ২০২৮ সালে। এই অভিযান সফল হলে ভারতের মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিক খুলে যাবে।

    চন্দ্রযান ৪ জটিল অভিযান

    এবার আর একটা রকেট নয়, পর্যায়ক্রমে দুই ধাপে দুই রকেটে চেপে চাঁদের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-৪ (Chandrayaan 4)। চন্দ্রযান ৪-এর পেলোডগুলি দুই ধাপে পাঠানো হবে চাঁদে। দুই ধাপে সেই পেলোডগুলি বয়ে নিয়ে যাবে দুই রকেট। ইসরো প্রধান জানিয়েছেন, এই প্রথমবার ইসরো একটি মিশনের জন্য দু’বার রকেট উৎক্ষেপণ করবে। চাঁদের পাথর ও মাটি (রেগোলিথ) নিয়ে ফিরবে পৃথিবীর বুকে চন্দ্রযান ৪। এলভিএম-৩ (সাবেক জিএসএলভি) এবং পিএসএলভি রকেট দু’টি চন্দ্র মিশনের পেলোডগুলি বহন করবে। আলাদা আলাদা দিনে উৎক্ষেপণ করা হবে রকেটগুলি। আগের তুলনায় অনেক জটিল প্রক্রিয়া বলেই দু’-দফায় উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। সবচেয়ে ভারী যে উৎক্ষেপণযান, এলভিএম-৩ ব্যবহার করে প্রথমে তিনটি উপাদান একত্রে রওনা দেবে, যেগুলি হল, প্রপালসন মডিউল, ডিসেন্ডার মডিউল এবং অ্যাসেন্ডার মডিউল। এই উৎক্ষেপণ চন্দ্রযান ৩ অভিযানের মতোই হবে। এর পর, পিএসএলভি উৎক্ষেপণযানে চাপিয়ে মহাকাশে পাঠানো হবে ট্রান্সফার মডিউল এবং রি-এন্ট্রি মডিউল। তবে কোনটির উৎক্ষেপণ আগে এবং কোনটির পরে, তা এখনও জানা যায়নি। 

    আরও পড়ুন: ‘‘এটা ট্রেলার দেখছেন, আমাকে আরও অনেক দূর যেতে হবে’’, গুজরাটে মোদি

    কীভাবে কাজ করবে মডিউলগুলি

    আগের চন্দ্র মিশনগুলিতে ২-৩টি পেলোড থাকলেও চন্দ্রযান ৪-এ (Chandrayaan-4) থাকবে পাঁচটি পেলোড। পেলোডগুলি হল প্রপালশন মডিউল, যা চন্দ্রযান ৪-কে পথ দেখিয়ে চাঁদের কক্ষপথে নিয়ে যাবে। ডিসেন্ডার মডিউল, চাঁদে অবতরণ করবে এই পেলোডটি। এর কাজ চাঁদের মাটিতে ল্যান্ডারকে নামানো। অ্যাসেন্ডার মডিউল, চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ট্রান্সফার মডিউলে ফিরে আসতে সাহায্য করবে। ট্রান্সফার মডিউল এক কক্ষপথ থেকে অন্য কক্ষপথে যাবে এই অংশ। সব শেষে রি-এন্ট্রি মডিউল, এই অংশ চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share