Tag: Chargesheet

Chargesheet

  • Recruitment Scam: ‘‘দম থাকলে টাকা নিতে এসো’’! জীবনকৃষ্ণের মোবাইলে মিলল বিস্ফোরক তথ্য

    Recruitment Scam: ‘‘দম থাকলে টাকা নিতে এসো’’! জীবনকৃষ্ণের মোবাইলে মিলল বিস্ফোরক তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) মোবাইল ফোন থেকে মিলল বিস্ফোরক তথ্য।  পুকুরে উদ্ধার হওয়া সেই মোবাইলের তথ্য ঘেঁটে অবাক সিবিআই-এর গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে (CBI) দাবি করা হয়েছে, ২০২২ সালের অক্টোবরে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ঘেঁটে দেখা গিয়েছে, টাকা দিয়েও হয়নি কাজ, ফেরত চাওয়ায় চাকরিপ্রার্থীকে হুমকি দিয়েছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। জানা গিয়েছে, টাকা ফেরত চাইলে পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করানোর হুমকি দেন বড়ঞার বিধায়ক। টাকা ফেরত পেতে অনুরোধ জানালেই চাকরিপ্রার্থীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জীবনকৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে।

    কীভাবে মিলল মোবাইল

    চলতি বছরের ১৭ই এপ্রিল, মুর্শিদাবাদের বড়ঞার আন্দিতে, নিজের বাড়ি থেকে তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার (Recruitment Scam) করে সিবিআই। সেই সময়ই প্রমাণ লোপাটের জন্য়, নিজের ২টি মোবাইলই তিনি বাড়ির পাশের পুকুরে ফেলে দেন বলে অভিযোগ। পাম্পের সাহায্য জল ছেঁচে টানা প্রায় তিনদিনের চেষ্টায় পুকুরের কাদা পাঁক থেকে জীবনকৃষ্ণের মোবাইল দুটি উদ্ধার করেছিলেন তদন্তকারীরা। টানা প্রায় তিনদিন জলের তলায় থাকা এই মোবাইল দুটি থেকে আদৌ কোনও তথ্য উদ্ধার করা যাবে কী না, তা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন তদন্তকারীরা। তবে সূত্রের খবর, জীবনকৃষ্ণর দুটি মোবাইল থেকে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত একাধিক তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। 

    আরও পড়ুন: বাংলার গ্রামোন্নয়নে মোদি সরকারের বরাদ্দ ১ হাজার ৬০০ কোটি, ১০ দিনে টাকা পাবে রাজ্য

    কী রয়েছে চ্যাটে

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, চাকরি দেওয়ার জন্য টাকা নিয়েও শেষ পর্যন্ত যাদের চাকরি দিতে পারেননি সেই সব চাকরিপ্রার্থীদের (Recruitment Scam) সঙ্গে জীবনকৃষ্ণের কথোপকথনের একাধিক তথ্য রয়েছে ওই চ্যাটে। সেখানে টাকা ফেরতের অনুরোধ করেছেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। পাল্টা হিসেবে বিধায়কের তরফে কখনও ‘অর্ধেক টাকা ফেরৎ দেওয়ার আশ্বাস’, কখনও বা ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে এক পয়সা না দেওয়ার হুঁশিয়ারি’ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, চাকরি দেওয়ার জন্য কারও কাছ থেকে ১২ লক্ষ, কারও কাছে ১৮ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন বিধায়ক। এক গোয়েন্দা কর্তার কথায়, “এতদিন যা ছিল অভিযোগ, এবার সেটাই বলছে খোদ বিধায়কের মোবাইলের চ্যাট হিস্ট্রি!” সিবিআই সূত্রে পাওয়া এই হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট অনুযায়ী, চাকরিপ্রার্থী বলছেন, ‘‘স্য়র, আমার টাকার দরকার। চারদিক থেকে খুব চাপ আসছে।’’ উত্তরে জীবনকৃষ্ণ সাহা, বলছেন, ‘‘আমি অর্ধেক টাকা দিয়েছি। বাকি টাকার জন্য় ধৈর্য ধরতে হবে। বারবার ফোন করলে কিন্তু গ্রেফতার হতে হবে।’’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: চার্জশিটে অভিষেকের নাম! দুর্নীতির টাকায় বিপুল সম্পত্তি কালীঘাটের কাকুর, দাবি ইডির

    Recruitment Scam: চার্জশিটে অভিষেকের নাম! দুর্নীতির টাকায় বিপুল সম্পত্তি কালীঘাটের কাকুর, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কালীঘাটের কাকু’ ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর (Kalighater Kaku) বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে চলেছে ইডি। সুজয়ের বিরুদ্ধে কলকাতার নগর দায়রা আদালতে ১২৬ পাতার মূল চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। চার্জশিটে ইডি-র (ED) দাবি, এ পর্যন্ত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর ১১ টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। এই সব সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট, বিভিন্ন জায়গায় জমি। এই সমস্ত সম্পত্তিই কেনা হয়েছে কালীঘাটের কাকু, তাঁর স্ত্রী বাণী ভদ্র ও কাকুর নিয়ন্ত্রিত দুটি কোম্পানির নামে। নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) মামলায় ইডি-র চার্জশিটে, প্রথমবার উল্লেখ করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) নাম। 

    অভিষেক ঘনিষ্ঠ কালীঘাটের কাকু

    চার্জশিটের ২২ নম্বর পাতায় ইডি দাবি করেছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই কালীঘাটের কাকু। যুব তৃণমূলের তৎকালীন সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্থিক বিষয়গুলি দেখাশোনা করতেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। ২৬ নম্বর পাতায়, কালীঘাটের কাকুর বয়ানের একাংশ তুলে ধরেছে ইডি। চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র জানিয়েছেন, তিনি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের একজন কর্মী ছিলেন। ইডির চার্জশিটে কালীঘাটের কাকুর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সঙ্গে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর নিয়ন্ত্রণাধীন কোম্পানি এস ডি কনসালটেন্সির যোগ, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অফিস থেকেই এস ডি কনসালটেন্সির কাজকর্ম পরিচালনা এবং পরিবর্তে মোটা টাকা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্য়াকাউন্টে ঢোকার মতো একাধিক চাঞ্চল্য়কর দাবি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-তে জোর! কম্পিউটার-ল্যাপটপের আমদানিতে ‘নিষেধাজ্ঞা’ কেন্দ্রের

    চার্জশিটে ইডি-র দাবি

    ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগকাণ্ডে চাকরিপ্রার্থীদের (Recruitment Scam) কাছ থেকে তোলা অবৈধ টাকা সাদা করতে নামে-বেনামে একাধিক সম্পত্তি কিনেছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। ১২৬ পাতার চার্জশিটের ৮৩ নম্বর পাতায় বলা হয়েছে, সুজয়কৃষ্ণের নির্দেশে প্রায় আড়াই কোটি টাকা দিয়ে কলকাতার ভবানীপুরে একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন দেবরূপ চট্টোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। এই দেবরূপ হলেন সুজয়কৃষ্ণের মেয়ে পারমিতা চট্টোপাধ্যায়ের স্বামী। চার্জশিটে বলা হয়েছে, ফ্ল্যাটটি কিনতে জামাইকে দিবাকর খেমকা নামের এক ব্যক্তি এবং তাঁর অধীনস্থ সংস্থার কাছ থেকে প্রায় ২ কোটি ৬০ লক্ষ টাকার ঋণ পাইয়ে দিয়েছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। ইডির দাবি, ‘ওয়েলথ উইজার্ড’ নামের একটি সংস্থার কাছ থেকে আরও ৪৫ লক্ষ টাকা ঋণের বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন ‘কালীঘাটের কাকু’। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে সিবিআইয়ের চার্জশিটে ৪১ জনের নাম! জানুন কে কে সেই তালিকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Scam) মঙ্গলবার আসানসোলের বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দিল দিল সিবিআই (CBI)। ৪১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেই চার্জশিটে। সোমবারই বিনয় মিশ্র এবং লালা ওরফে অনুপ মাজির তিন সহযোগীর নামে বিশেষ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত।

    সূত্রের খবর, অনুপ মাজি ও বিকাশ মিশ্র ছাড়াও ৮ জন ইসিএল অফিসার, ৪ জন কয়লা মাফিয়া (জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ খারকা ওরফে নারায়ণ নন্দ, নীরদ মণ্ডল এবং গুরুপদ মাঝি), ১০ জন কোম্পানি ডিরেক্টর, ১৫ জন কয়লা কারবারির নাম রয়েছে চার্জশিটে। বিনয় মিশ্র ও রত্নেশ্বর ভার্মা দুজনেই পলাতক। তাদের নামেও চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই।

    গত শনিবার বিনয় মিশ্র সহ বেশ কয়েকজনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে চেয়ে আদালতে বিশেষ রিপোর্ট জমা দিয়েছিল সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, কীভাবে কয়লা মাফিয়ারা অবৈধভাবে কয়লা পাচার করত এবং কীভাবে তাদের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক চালু ছিল, সেই সমস্ত তথ্য এদিন আদালতে তুলে দেওয়া হয়। কয়লা পাচার কাণ্ডে একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে যে সব নথিপত্র সিবিআই-এর গোয়েন্দারা হাতে পেয়েছেন এবং যে সব তথ্যপ্রমাণ তাঁরা একত্রিত করেছেন, সেই সব কিছু সংশ্লিষ্ট চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: মহামারির পর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    কয়লা পাচার কাণ্ডে সিবিআই চার্জশিট জমা দিলেও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত চার্জশিট দেয়নি সিআইডি। এই দুর্নীতি নিয়ে সিবিআইয়ের সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডি। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় ২০ জনের এই তদন্তকারী দল। যার নেতৃত্বে রয়েছেন সিআইডির ডিআইজি। কয়লা কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৩০টির বেশি মামলার দায়ের হয়েছে। উল্লেখ্য, ইসিএলের পক্ষ থেকে কয়লা চুরি, দুর্নীতি–সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রথমে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদিকে বিনয় মিশ্র, রত্নেশ্বর ভার্মা, নীরজ সিং এবং অমিত সিংয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।

LinkedIn
Share