Tag: Chattisgarh

Chattisgarh

  • Chhattisgarh Encounter: সুকমায় রাতভর গুলির লড়াই, বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ১৬ মাওবাদী, জখম দুই জওয়ান

    Chhattisgarh Encounter: সুকমায় রাতভর গুলির লড়াই, বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম ১৬ মাওবাদী, জখম দুই জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) সুকমায় (Sukma) নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ফের খতম হল ১৬ জন মাওবাদী। এই নিয়ে চলতি বছর ১৩০ জনেরও বেশি মাওবাদী নিহত হয়েছে বিভিন্ন অভিযানে। এই সংঘর্ষে সামান্য আহত হয়েছেন বাহিনীর (Chhattisgarh Encounter) দুই জওয়ান। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এখনও তল্লাশি অভিযান জারি আছে বলে জানিয়েছেন বস্তার রেঞ্জের পুলিশ ইন্সপেক্টর জেনারেল সুন্দরজ পি সাইড।

    রাতভর গুলির লড়াই

    পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে তারা খবর পায় যে, সুকমা-দান্তেওয়াড়া জেলার সীমানায় উপমপল্লি কেরলাপাল এলাকায় জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে মাওবাদীদের (Chhattisgarh Encounter) একটি দল। সেই খবর পাওয়া মাত্রই শুক্রবার রাতে সিআরপিএফ, ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং পুলিশের যৌথবাহিনী ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযানে যায়। পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালাচ্ছিল বাহিনী। পুলিশ সূত্রে খবর, বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে জঙ্গলের ভিতর থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও। রাতভর গুলির লড়াই চলেছে। শনিবার ভোরেও গুলির লড়াই জারি ছিল। পুলিশের দাবি, এই সংঘর্ষে ১৬ জন মাওবাদী খতম হয়েছে। মাওবাদীরা সংখ্যায় কত জন ছিল সেই সংখ্যাটি স্পষ্ট হয়নি।

    অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার

    সুকমা হল বস্তার এলাকার সবথেকে দুর্ধর্ষ নকশাল উপদ্রুত এলাকা। অতীতে বহুবার এই এলাকায় মাওবাদী হামলা হয়েছে। শুক্রবার পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে কেরলাপাল এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে মাওবাদীরা (Chhattisgarh Encounter)। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে যৌথ অভিযান চালায় রিজার্ভ গার্ড বা ডিআরজি এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (Security forces)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার ভোর পর্যন্ত ১৬ মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহত মাওবাদীদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বাকি মাওবাদীদের খোঁজে জঙ্গলে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে বাহিনী। গত ১৯ জানুয়ারি থেকে ছত্তিশগড়, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা আন্তঃরাজ্য অভিযান চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। ইতিমধ্যেই সংঘর্ষে দুশোর বেশি মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে ওই তিন রাজ্যে।

    মাওবাদী মুক্ত ভারত

    উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারতকে মাওবাদী মুক্ত করার লক্ষ্য স্থির করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই আবহে বিগত বহু মাস ধরে ক্রমাগত মাও নিধন অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীগুলি। এই আবহে ২০২৪ সালে ছত্তিশগড়ে ২১৯ জন মাওবাদীকে মারা হয়েছিল। ২০২৩ সালে যে সংখ্যাটা ছিল মাত্র ২২, আর ২০২২ সালে তা ছিল ৩০। এদিকে ২০২৫ সালে আগের সপ্তাহ পর্যন্ত ১১৩ জন মাওবাদীকে খতম করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল সরকার। এছাড়া ১০৪ জন মাওবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৬৪ জন আত্মসমর্পণ করেছে।

    রেড করিডর এখন প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh Encounter) বস্তার বিভাগের বস্তার, দান্তেওয়াড়া, বিজাপুর, কাঙ্কের, নারায়ণপুর, কোন্ডাগাঁও এবং সুকমা মাওবাদী বিদ্রোহের কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত। ‘রেড করিডর’ নামে পরিচিত মাওবাদী বিরোধী অভিযানের জন্য এইসব এলাকায় হাজার হাজার বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিদ্রোহীদের পিছনে ঠেলে দিতে লগাতার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনী পূর্বের মাওবাদী নিয়ন্ত্রিত ৪ হাজার বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চল সহ ছত্তিশগড় এবং মহারাষ্ট্র-আবুঝমাড়-এ ১৭টি নতুন ক্যাম্প তৈরি করেছে।

    জওয়ানদের সাফল্য প্রশংসনীয়

    ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশ ‘মাওবাদী মুক্ত’ করার ঘোষণা আগেই করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০২৩ সালে বিজেপি ছত্তিশগড়ের ক্ষমতায় আসার পরে মাওবাদী দমনে যৌথ বাহিনীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক কিছু সূত্রের দাবি। তার পর থেকেই পুরো শক্তি কাজে লাগিয়ে মাওবাদী দমন অভিযান চলছে। বাহিনীর এই সাফল্যকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণ দেও সাই। তিনি বিবৃতি দিয়ে বলেন, ‘২০২৬–এর মধ্যে বস্তার ভয়মুক্ত হয়ে বাঁচবে, আমি নিশ্চিত। ছত্তিশগড়ে মাওবাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই প্রবল পরাক্রমে এগোচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহজি দেশ তথা ছত্তিশগড় থেকে ২০২৬ মার্চের মধ্যে মাওবাদ মুছে ফেলার যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনী তাতে একের পর এক সাফল্য অর্জন করছে। জওয়ানদের সাফল্য প্রশংসনীয়। তাঁদের সাহসিকতাকে স্যালুট জানাই।’

    মাওবাদীদের ঘরে ফেরার বার্তা

    তবে শুধু মাওবাদী দমন (Chhattisgarh Encounter) অভিযানই নয়, তাদের ঘরে ফেরার বার্তাও দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও ঘোষণা করেছেন, নতুন প্রকল্পে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসন, চাকরি, আর্থিক পুরস্কার এবং আইনি সুরক্ষা প্রদান করা হবে। মাওবাদী নেতাদের পদ অনুযায়ী সুবিধা প্রদান করা হবে নয়া পুনর্বাসন নীতিতে। রাজ্য কমিটি, আঞ্চলিক কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পলিটব্যুরোর সদস্যদের মতো উচ্চপদস্থ ক্যাডারদের এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হবে। যাঁরা লাইট মেশিনগান-সহ আত্মসমর্পণ করবেন, তাঁরাও পাবেন পাঁচ লক্ষ টাকা নগদ পুরস্কার। যে সব ক্ষেত্রে মাওবাদী ইউনিটের ৮০ শতাংশ সদস্য একসঙ্গে আত্মসমর্পণ করবেন, সেখানে দ্বিগুণ পুরস্কার প্রদান করা হবে। পুনর্বাসনের এই প্যাকেজে রয়েছে চাকরি এবং সন্তানদের শিক্ষায় সাহায্যও।

  • Chattisgarh: ‘বিজেপি ছাড়ো, নয়তো মরো’, ছত্তিশগড়ে দুই প্রাক্তন প্রধানকে হত্যা করে লিফলেট ছড়াল মাওবাদীরা

    Chattisgarh: ‘বিজেপি ছাড়ো, নয়তো মরো’, ছত্তিশগড়ে দুই প্রাক্তন প্রধানকে হত্যা করে লিফলেট ছড়াল মাওবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chattisgarh) দুজন প্রাক্তন প্রধানকে নৃশংসভাবে হত্যা করল মাওবাদীরা। জানা গিয়েছে, সে রাজ্যের বিজাপুর জেলায় এই হত্যালীলা চালিয়েছে মাওবাদীরা (Maoists)। দুজন নিহত প্রাক্তন প্রধানের নাম শুক্ল ফর্সা ও সুখরাম অভলাম। জানা গিয়েছে, বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং নিরাপত্তরক্ষীদের সঙ্গে এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজ করার জন্যই তাঁদেরকে হত্যা করে মাওবাদীরা। ওই দুই নেতাকে হত্যা করার পরে মাওবাদীরা তাঁদের নিহত শরীরের কাছে লিফলেট ছড়িয়ে গিয়েছে এবং সেখানে লেখা রয়েছে, ‘হয় বিজেপি ছাড়ো নয়তো মরো’।

    আরও পড়ুন: আগরতলা-কলকাতার ২ কূটনীতিককে জরুরি তলব করল বাংলাদেশ সরকার

    বুধবার সকালেই উদ্ধার হয় ওই দুই নেতার দেহ (Chattisgarh)

    প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার সকালেই (Chattisgarh) উদ্ধার হয় ওই দুই নেতার দেহ। এরপরই সারা জেলা জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। জানা গিয়েছে, পুরো একদিন ওই দুই নেতা নিখোঁজ ছিলেন। এদের মধ্যে শুক্ল ফর্সা দুটি ধাপে স্থানীয় বিলিয়াভূমি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। ২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব সামলেছেন। নিজের ব্লকের বিজেপির কিষাণ মোর্চার দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। অন্যদিকে, সুখরাম অভলামও ছিলেন প্রাক্তন গ্রাম প্রধান।

    অপহরণ করে খুন (Chattisgarh)

    চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার সন্ধ্যা বেলায় শুক্ল ফর্সাকে অপহরণ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা (Chattisgarh) জানিয়েছেন, যখন তিনি তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, তখন তিনজন মাস্ক পরা মাওবাদী (Maoists) তাঁকে সেখান থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপরই তাঁকে হত্যা করা হয়। অন্য আরেক নিহত নেতা সুখরাম, তাঁকে স্থানীয় কাদের গ্রাম থেকে গত ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় অপহরণ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, নিহত সুখরামকে দুজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় জঙ্গলে। পরবর্তীকালে কাদের গ্রামের কাছেই তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Encounter: ভোটের আগেই বড় সাফল্য বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম শীর্ষনেতা-সহ ২৯ মাওবাদী

    Chhattisgarh Encounter: ভোটের আগেই বড় সাফল্য বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম শীর্ষনেতা-সহ ২৯ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিয়রে লোকসভা ভোট। তার আগেই ছত্তিশগড়ে মাওবাদী দমনে (Chhattisgarh Encounter) বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। ১৯ এপ্রিল লোকসভা ভোটের প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে বস্তার জেলায়। তারই দুই দিন আগে সেখানে নাশকতার বড় পরিকল্পনা বানচাল করল সরকার। ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত অন্তত ২৯ জন মাওবাদী। শীর্ষ স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক আইকে এলেসেলা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মাওবাদীদের শীর্ষনেতা শঙ্কর রাও, যাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লক্ষ টাকা। এই সংঘর্ষে আহত হয়েছেন তিন জন জওয়ান। তবে তাঁরা এখন বিপদ মুক্ত।

    গত ১০ বছরে সবচেয়ে বড় অভিযান

    বস্তারের আইজি সুন্দররাজ পি জানিয়েছেন, গোটা জেলায় ৬০ হাজারের বেশি নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ছত্তীসগঢ়ে সংঘর্ষ (Chhattisgarh Encounter)। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা নাগাদ অভিযান শুরু হয়। শামিল ছিল জেলা রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে ছোটেবেটিয়া থানার অন্তর্গত এলাকায় যৌথ অভিযানে নেমেছিল ডিআরজি এবং বিএসএফ। জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি ছুটে আসে। পাল্টা গুলি ছোড়েন জওয়ানেরা। এখন পর্যন্ত ২৯ জন মাওবাদীর দেহ মিলেছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কাঙ্কের জেলায় সংঘর্ষ এখনও চলছে। নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। ঘটনাস্থল থেকে অসংখ্য একে-৪৭, তিনটি লাইট মেশিন গান-সহ একাধিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

    অতীতেও সফল অভিযান

    এই বছরে আরও এনকাউন্টার (Chhattisgarh Encounter) গতমাসেও এই জেলায় হওয়া এনকাউন্টারে এক মাওবাদী এবং এক পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়। ফেব্রুয়ারিতে কাঙ্কেরে আরও একটি এনকাউন্টারে তিন মাওবাদীর মৃত্যু হয়। গত নভেম্বরে সেখানে বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের সংঘর্ষ হয়। তবে একসঙ্গে এতজন মাওবাদীর মৃত্যু অনেক দিন পরে হল। আধিকারিকদের মতে, এই বছর এখনও পর্যন্ত কাঙ্কের সহ সাতটি জেলা নিয়ে গঠিত বস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৭৯ জন নকশাল নিহত হয়েছে। এদিনের অভিযানে নিহত মাওবাদীর সংখ্যা যদি ৩০ অতিক্রম করে, তবে এটি হবে বিগত ১০ বছরে বাহিনীর সবচেয়ে বড় অভিযান। এর আগে, গ্রেহাউন্ড কমান্ডোরা ২০১৬ সালে একটি অপারেশনে ৩০ জন নকশালকে খতম করেছিল। ২০২১ সালে অন্য একটি অপারেশনে, শীর্ষ নকশাল নেতা মিলিন্দ তেলতুম্বে সহ ২৫ জন নিহত হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: “মঙ্গল ভবন অমঙ্গল হারি”-অধর্মকে দূরে সরিয়ে ধর্মের স্থাপনাই হল রাম নবমী

    কড়া বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, মাওবাদীদের পুরোপুরি নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান (Anti Naxal Ops) চালিয়ে যাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘নকশালেরাই উন্নয়ন এবং শান্তির পথে সবচেয়ে বড় শত্রু। তারা যুবকদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে তাঁদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে।’’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সফল অভিযানের জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়ে এক্সে লিখেছেন, ‘‘নরেন্দ্র মোদি সরকারের আক্রমণাত্মক নীতি এবং নিরাপত্তা বাহিনীর প্রচেষ্টার কারণে নকশালপন্থা এখন একটি ছোট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। শীঘ্রই ছত্তিশগড়-সহ গোটা দেশ সম্পূর্ণ নকশাল মুক্ত হবে। আজ, ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে বিপুল সংখ্যক নকশাল নিহত হয়েছে। আমি সমস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের অভিনন্দন জানাই যাঁরা সাহসিকতার সঙ্গে এই অপারেশন সফল করেছেন। যাঁরা আহত হয়েছেন সেই সাহসী পুলিশকর্মীদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maoist: মাওবাদীদের মুখের মতো জবাব নিরাপত্তা বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম ৬

    Maoist: মাওবাদীদের মুখের মতো জবাব নিরাপত্তা বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে খতম ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদীদের (Maoist) মুখের মতো জবাব দিল নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার দু’পক্ষের গুলির লড়াইয়ে খতম ছয় সন্দেহভাজন মাওবাদী। জানা গিয়েছে, বুধবার ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলার চিকুরভাট্টি ও পুসবাকা গ্রামের জঙ্গলে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। শুরু হয় গুলির লড়াই।

    কী বলছেন পুলিশ কর্তা? (Maoist)

    বস্তার রেঞ্জের ইনস্পেক্টর জেনারেল সুন্দররাজ পি বলেন, “ওই এলাকায় মাওবাদীরা লুকিয়ে ছিল বলে বিশেষ সূত্রে খবর আসে। এর পরেই শুরু হয় অভিযানের প্রস্তুতি। সেখানে অভিযানের জন্য ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের ২২৯ ইউনিট এবং তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোবরা কমান্ডোদের পাঠানো হয়। শুরু হয় দু’পক্ষে গুলি বিনিময়। পরে এক মহিলা সহ ছ’জনের দেহ উদ্ধার করা হয়। সন্দেহভাজন মাওবাদীদের পরিচয় জানা যায়নি।” তাদের সঙ্গে অস্ত্র ছিল কিনা, তার খোঁজ করছে পুলিশ। ওই দুই জঙ্গলে আর কোনও মাওবাদী (Maoist) গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে কিনা, তা জানতে শুরু হয়েছে তল্লাশি।

    লোকসভা নির্বাচনে অশান্তি পাকানোর ছক!

    দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। এই দফায় নির্বাচন হবে মাও উপদ্রুত এই এলাকায়ও। এলাকাটি বস্তার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্বাচনে অশান্তি পাকিয়ে খবরের শিরোনামে আসতে চেয়েছিল মাওবাদীরা। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় তারা স্রেফ ছবি হয়ে গেল। এ মাসেরই প্রথম দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছিল এক মাওবাদী। সেবার মাওবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহনীর গুলির লড়াই হয়েছিল ছত্তিশগড়েরই কাকেঁড় জেলায়।

    সেবার ছোটেবেঠিয়া থানার হিদুর গ্রামের কাছের এক জঙ্গলে মাওবাদীরা লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। শুরু হয় অভিযান। দু’পক্ষে ব্যাপক গুলি বিনিময় হয়। খতম হয় এক মাওবাদী। শহিদ হয়েছিলেন বস্তার ফাইটার্সের কনস্টেবল রমেশ কুরেতি। মৃত মাওবাদীর কাছ থেকে সেবার পুলিশ উদ্ধার করেছিল একটি একে-৪৭ রাইফেল। এর আগে জানুয়ারি মাসে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশ সীমান্তের কাছে টেকালগুদিয়াম গ্রামে অপারেশন চালাতে গিয়ে শহিদ হয়েছিলেন সিআরপিএফের তিন জওয়ান। জখম হয়েছিলেন ১৪ জন। এবার অবশ্য খতম করা হয়েছে মাওবাদীদেরই (Maoist)।

    আরও পড়ুুন: ভূস্বর্গে আফস্পা প্রত্যাহারের ভাবনা, বিধানসভা ভোটই বা কবে? কী বললেন শাহ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Chattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাওবাদীরা খুন করল বিজেপি নেতাকে

    Chattisgarh: ছত্তিশগড়ে মাওবাদীরা খুন করল বিজেপি নেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chattisgarh) বিজেপি নেতাকে  বাড়ি থেকে টেনে বের করে নিয়ে খুন করল মাওবাদীরা। পরিবারের সদস্যদের সামনেই নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় বিজেপি নেতা নীলকান্ত কাক্কেমকে। জানা গিয়েছে, পরিবারের সঙ্গে একটি বিয়েবাড়িতে গিয়েছিলেন নীলকান্তবাবু, সেখান থেকে জোর করে টেনে নিয়ে এসে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয় তাঁকে।  এই ঘটনায় এখনও কাউকে আটক যায়নি বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    জানা গিয়েছে, ৫ ফেব্রুয়ারি একটি বিয়েবাড়িতে নিমন্ত্রিত ছিলেন বিজেপি নেতা নীলকান্ত বাবু। সেখানে হঠাৎই দুপুর তিনটে নাগাদ হাজির হয় তিন সশস্ত্র মাওবাদী। এরপর জোর করে বাড়ি থেকে টেনে বের করে পরিবারের সামনেই তাঁকে কোপানো হয়। নিহত নেতার স্ত্রী ললিতা দেবী জানিয়েছেন, বাড়ির সকলের সামনেই ধারাল অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করা হয় তাঁর স্বামীকে। 

    পুলিশ কী বলছে

    স্থানীয় থানা থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে ঘটে এই হত্যাকান্ড। সেখানকার এসিপি চন্দ্রকান্ত গাভার্না বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হচ্ছে, এই কাজ মাওবাদীদেরই। যদিও এখনও খুনিদের গ্রেফতার করা যায়নি। ঘটনার তদন্ত চলছে।” পুলিশের মতে, দীর্ঘ পরিকল্পনার পরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সময় ১৫০ জন মাওবাদীর একটি দল গোটা গ্রাম ঘিরে রেখেছিল। সাধারণ পোশাকেই এসেছিল তারা।

    বিজেপির মণ্ডল সভাপতি হিসেবে কাজ করছিলেন নীলকান্ত বাবু

    জানা গিয়েছে, মৃত নীলকান্ত বাবু দীর্ঘদিনের বিজেপি কর্মী। উসুর মণ্ডলের বিজেপি সভাপতি হিসাবে ১৫ বছর ধরে কাজ করছেন তিনি। সেখানে মিশনারিদের ধর্মান্তকরণের বিরুদ্ধে সোচ্চারও হতেন তিনি। স্থানীয় এক বিজেপি নেতা বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরেই মাওবাদীরা হুমকি দিচ্ছিল নীলকান্ত বাবুকে। তাঁর আরও অভিযোগ, “সমান্তরাল ভাবে দ্বিতীয় একটি সরকার চালাচ্ছে এখানে মাওবাদীরা। বেছে বেছে বিজেপি নেতাদের খুন করা হচ্ছে, তবে এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবেনা বলেও জানিয়েছেন ওই বিজেপি নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Chhattisgarh: ছত্তিসগড়ে ২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি! অবৈধ মদ ব্যবসায় ‘কিংপিন’ এক আইএএস অফিসার, দাবি ইডির

    Chhattisgarh: ছত্তিসগড়ে ২০০০ কোটি টাকার দুর্নীতি! অবৈধ মদ ব্যবসায় ‘কিংপিন’ এক আইএএস অফিসার, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্তত ২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। ছত্তিসগড়ে মদ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে এমনই দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বেআইনি মদ ব্যবসার (Illegal Liquor business) ‘কিংপিন’ হলেন ছত্তিসগড়ের (Chattisgarh) এক আইএএস অফিসার। শুধু তাই নয়, বেআইনি মদ ব্যবসার টাকা নির্বাচনে ব্যবহৃত হয়েছে বলেও অভিযোগ। একাধিক রাজনৈতিক নেতা এর সঙ্গে যুক্ত।

    অভিযুক্ত আইএএস অফিসার

    ইডি সূত্রে খবর, ছত্তিসগড়ের (Chattisgarh) অবৈধ মদ ব্যবসায় অভিযুক্ত ‘কিংপিন’ হিসাবে নাম উঠে এসেছে আইএএস অফিসার অনিল তুজেতার। গোটা ঘটনার মূলচক্রী হিসাবে উঠে এসেছে এক কংগ্রেস (Congress) নেতার ভাই আনোয়ার ধেবারের নাম। ইডি-র তদন্তে জানা গিয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত রাজ্যে মোট মদ বিক্রির প্রায় ৩০-৪০ শতাংশ হিসাববহির্ভূত অবৈধ মদ হিসাবে বিক্রি হয়েছে। সরকারি তালিকাভুক্ত মদ বিক্রি হলেও তার আয় সরকারি কোষাগারে জমা পড়েনি বলেই ইডির তদন্তে দাবি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ২ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে এই তিন বছরে। মূলত নির্বাচনের কাজেই ব্যবহার হয়েছে এই বিপুল অর্থ।

    আরও পড়ুুন: খেজুরির ৬১ বিজেপি কর্মীকে ঘরে ফেরানোর নির্দেশ হাইকোর্টের, দিতে হবে নিরাপত্তাও

    ইডি জানিয়েছে, সরকারি আধিকারিক, সাধারণ ব্যক্তি এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বদের সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট দ্বারা ছত্তিসগড়ের (Chattisgarh) মদ ব্যবসার বিশাল দুর্নীতি হয়েছে এবং ২ হাজার কোটির বেশি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। ছত্তিসগড়ের এই মদ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আনোয়ার ধেবার রায়পুরের মেয়র তথা কংগ্রেস নেতা আইজাজ ধেবারের দাদা। এই দুর্নীতির অভিযুক্ত ‘কিংপিন’ অনিল তুজেতা ২০০৩ সালের ব্যাচের আইএএস অফিসার। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে দাবি, কংগ্রেস নেতার ভাইয়ের সঙ্গে ১৪.৪১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে অভিযুক্ত আইএএস অফিসারের। বর্তমানে তিনি রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য দফতরের যুগ্ম সচিব। শনিবারই আনোয়ার ধেবারকে গ্রেফতার করেছে ইডি। অর্থ তছরুপ আইনের ধারায় তাঁকে ৪ দিনের ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chattisgarh: সাত সকালে ছত্তিশগড়ের ১৪ জায়গায় ইডি-র হানা, কেন জানেন?

    Chattisgarh: সাত সকালে ছত্তিশগড়ের ১৪ জায়গায় ইডি-র হানা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত সকালে ইডি-র (ED) হানা ছত্তিশগড়ে (Chattisgarh)। কয়লায় (Coal) শুল্ক সংক্রান্ত দুর্নীতিতে সোমবার রাজ্যের ১৪টি জায়গায় চলছে তল্লাশি। কংগ্রেসের একাধিক নেতা-মন্ত্রী ও তাঁদের সচিবদের অফিসেও সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। মুখ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের (Congress) ভূপেশ বাঘেল ঘনিষ্ঠ সঙ্গীর বাড়িতেও চলছে ইডির তল্লাশি। সম্প্রতি ছত্তিশগড়ে কয়লার ওপর শুল্ক সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ, রাজ্যে আমদানি করা কয়লার ওপর বেআইনিভাবে টন প্রতি ২৫ টাকা করে শুল্ক বাড়ানো হয়েছিল।

    ইডি সূত্রে খবর…

    ইডি সূত্রে খবর, শুধু ২০২১ সালেই সব মিলিয়ে মোট ৫৪০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা এবং আমলা এই চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত। এই মামলার তদন্তেই চলছে ইডির আভিযান। দুর্নীতির ওই টাকা কংগ্রেসের পার্টি ফান্ডে খরচ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। একাধিক বিধায়ক এবং আমলাও ব্যক্তিগতভাবে ওই টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। সেই টাকা কোথায় জমা রাখা হয়েছে কিংবা কীভাবে খরচ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে ইডি।

    জানা গিয়েছে, প্রদেশ কংগ্রেস (Chattisgarh) কমিটির কোষাধ্যক্ষ রামগোপাল আগরওয়াল, শ্রমকল্যাণ বোর্ডের সভাপতি সুশীল সানি আগরওয়াল, বিধায়ক দেবেন্দ্র যাদব, বিনোদ তিওয়ারি, কংগ্রেস মিডিয়ার মুখপাত্র আরপি সিং প্রমুখের বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি। কংগ্রসের এই নেতাদের বাড়িতে গিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও খতিয়ে দেখেন ইডি আধিকারিকরা। প্রসঙ্গত, এর আগে রাজ্যে বেশ কয়েকবার ইডি অভিযান চালালেও, এই প্রথম সরাসরি কংগ্রেস নেতাদের বাড়িতে হানা দিল ইডি। গত মাসেও ছত্তিশগড়ে অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেবার তল্লাশি চালানো হয় একজন আইএএস অফিসারের বাড়িতেও।

    আরও পড়ুুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    ২০২২ সালের অক্টোবর মাসেও ছত্তিশগড়ের কয়েকজন শীর্ষ নেতা, ব্যবসায়ী ও আমলার বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। মোট ৪০টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ ৪ কোটি টাকা, বিভিন্ন দামী সামগ্রী যার বাজারমূল্য কোটি টাকা এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তদন্তকারীরা। ছত্তিশগড়ের (Chattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল বলেন, আজ ইডি ছত্তিশগড় প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির কোষাধ্যক্ষ, দলের প্রাক্তন সহ সভাপতি এবং একজন বিধায়ক সহ দলের অনেক সহকর্মীর বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share