Tag: Chenab Bridge

Chenab Bridge

  • Vande Bharat Express: মেঘের ওপর দিয়ে ছুটবে বন্দে ভারত! এবার ট্রেনে চেপে কলকাতা থেকে সোজা কাশ্মীর?

    Vande Bharat Express: মেঘের ওপর দিয়ে ছুটবে বন্দে ভারত! এবার ট্রেনে চেপে কলকাতা থেকে সোজা কাশ্মীর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুব শিগগিরি জম্মু এবং কাশ্মীরেও চালু হতে চলেছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। আবার আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে কলকাতা থেকে সরাসরি কাশ্মীর রেল পরিষেবায় জুড়ে যাবে। এমনই একজোড়া সুসংবাদ দিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব(Ashwini Vaishnaw)।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    রবিবার জম্মু কাশ্মীরে চেনাব সেতুর পুজো করেন রেলমন্ত্রী। চলতি বছরের ডিসেম্বরে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারিতে এই ব্রিজ চালু হয়ে যাওয়ার কথা। তারপরেই বিশ্বের উচ্চতম রেলসেতু চেনাব রেলব্রিজের ওপর দিয়েই কাশ্মীর উপত্যকার বুক চিরে হাওয়ার বেগে ছুটবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। কার্যত মেঘের ওপর দিয়ে ছুটবে বন্দে ভারত। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, অপেক্ষা শুধুই উধমপুর-শ্রীনগর-বারমুল্লা রেল সংযোগের কাজ শেষ হওয়ার। যে গতিতে কাজ এগোচ্ছে তাতে অনুমান চলতি বছরের ডিসেম্বর কিংবা ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে।

    রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, ২০২৩-২৪ বছরেই কলকাতা থেকে কাশ্মীর সরাসরি রেল মানচিত্রে যুক্ত হবে। অন্যদিকে জানা গেছে, বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express) ট্রেনটির রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে বডগামে। উধমপুর-শ্রীনগর-বারমুল্লা রেল প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত হবে কাশ্মীর উপত্যকা। এই প্রকল্পের অধীনেই ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বিনিময়ে তৈরি হয়েছে চেনাব রেলব্রিজ, তা ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবীর মধ্যে উচ্চতম রেল সেতু। পাহাড়ের খাঁজে ধনুকাকৃতি এই ব্রিজটি তৈরি করা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এই প্রকল্পের কাজ ২০০৪ সালেই অনুমোদন পেলেও চূড়ান্ত খারাপ আবহাওয়ার কারণে কাজ শেষ হতে দীর্ঘ সময় লেগে গেছে। অবশেষে গত বছরের ১৩ অগাস্ট সেটির উদ্বোধন করা হয়।

    শনিবার চেনাব সেতু পরিদর্শন করে দেখেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এর আগে তীব্র গতির বাতাস, চূড়ান্ত কম-বেশি তাপমাত্রা, ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে সহনশীলতা এবং নদীর জলস্তর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সেতুটির সহ্যক্ষমতা পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। তবে এখনও মোটর ট্রলি এবং বোলেরো কাস্টমাইজড রেল অপারেশন পরীক্ষা বাকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, বিশ্বের এই ব্রিজ তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২৮ হাজার কোটি টাকা। এই রেল ব্রিজে মোট ১৭ টি পিলার রয়েছে। এই সেতু তৈরি করতে মোট ১৪৮৪ কোটি টাকার ইস্পাত ব্যবহার হয়েছে। এখন শুধু এই রেললাইন উদ্বোধনের অপেক্ষা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

     

  • Chenab Bridge: নৈস্বর্গিক চেনাব সেতুর ছবি প্রকাশ ভারতীয় রেলের, অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকদিনের

    Chenab Bridge: নৈস্বর্গিক চেনাব সেতুর ছবি প্রকাশ ভারতীয় রেলের, অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকদিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চেনাব সেতুর (Chenab Bridge) তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু হতে চলেছে এই আর্চ ব্রিজ। যদিও রেল লাইন বসানোর কাজ এখনও শুরু হয়নি। এটি উধমপুর-শ্রীনগর-বারমুল্লা রেল লিঙ্কের প্রকল্প। ২০২২ সালের শেষ নাগাদ এই সেতু চালু হয়ে যাবে বলে আশাবাদী কর্তৃপক্ষ। এই সেতুর অনবদ্য নির্মাণ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যে প্রথম দিন থেকেই এই সেতু আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সেতুর কিছু অসাধারণ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) শেয়ার করল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। মুহূর্তেই ভাইরাল সেই ছবি।

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে মুম্বই-আমেদাবাদ রুটে যাত্রা শুরু হতে পারে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের, কেমন হবে এই ট্রেনে যাত্রা?  

    ভারতীয় রেলের শেয়ার করা ছবিতে দেখা গিয়েছে, মেঘেদের ওপরেই স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে রয়েছে ওই সেতু। সেতুটি তৈরি করতে প্রায় ১৮ বছর সময় লেগেছে। এই রেল সেতুর উচ্চতা ৩৫৯ মিটার। ইতিমধ্যেই উচ্চতায় বিশ্ব রেকর্ড করেছে এই সেতু। মূলত, এই সেতুটি উধমপুর, শ্রীনগর, বারামুল্লা রেল সংযোগ প্রকল্পের একটি অংশ। যা দিল্লির কুতুব মিনারের থেকে পাঁচ গুণ বেশি উঁচু। ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ার থেকেও ৩৫ মিটার বেশি উঁচু এই সেতু। এই সেতুর মাধ্যমেই কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত জুড়ে যাবে ভারতীয় রেল নেটওয়ার্ক।

     

    সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চেনাব সেতু নির্মাণে মোট ১,৪৮৬ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ১,৩১৫ মিটার দীর্ঘ এই সেতু। প্রাকৃতিক ভাবে অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় এই সেতু তৈরিতে একাধিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এই সেতু নির্মাণে সবচেয়ে বড় প্রতিকূলতা ছিল আবহাওয়া। ওই এলাকায় কখনও কখনও ঘন্টায় ১০০-১৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়। সেই কারণেই এই সেতুটি এতটাই মজবুত করা হয়েছে যে তা প্রতি ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার গতিবেগের বাতাসও সহ্য করতে সক্ষম।

    আরও পড়ুন: প্যাসেঞ্জার ট্রেনের বেসরকারিকরণ নয়, জানালেন রেলমন্ত্রী   

    এই সেতুটির আয়ু ১০০ বছরেরও বেশি বলে অনুমান করছে সরকার। এই সেতুতে কখনও জং ধরবে না। কারণ সেতুটি স্ট্রাকচারাল স্টিল দিয়ে তৈরি। এটি মাইনাস ১০ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে। এছাড়াও, ভূমিকম্প ও বিস্ফোরণের ফলেও এই সেতুর কোনো ক্ষতি হবে না। যার ফলে সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনীও এটি ব্যবহার করতে পারবে। চেনাব সেতু তৈরির কাজ শুরু হয় ২০০২ সালে। কিন্তু ২০০৮ সালে এর কাজ বন্ধ হয়ে যায়। যা ফের ২০১০ সালে শুরু করা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share