Tag: Chess

Chess

  • Tania Sachdev: সোনা জিতেও মেলেনি সম্মান! দিল্লি সরকারের ভূমিকায় হতাশ ভারতীয় দাবাড়ু

    Tania Sachdev: সোনা জিতেও মেলেনি সম্মান! দিল্লি সরকারের ভূমিকায় হতাশ ভারতীয় দাবাড়ু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের দরবারে ভারতীয় দাবাড়ুদের এখন আধিপত্য। একের পর এক খেতাব অর্জন করে দেশের গৌরব বৃদ্ধি করছেন গুকেশ ডোম্মারাজু,প্রজ্ঞানন্দ রমেশবাবু, বৈশালী, তানিয়ারা। কিন্তু দিল্লি সরকার এই সমস্ত ক্রীড়াবিদদের পুরস্কৃত করার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ করছে না বলে এবার অভিযোগ করলেন ভারতের মহিলা দাবাড়ু তানিয়া সচদেব (Tania Sachdev)। সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্য সরকারের (Delhi) বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।

    তানিয়ার ক্ষোভ

    ভারতীয় দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বাধিক সাফল্য পেয়েছেন তামিলনাড়ুর দাবাড়ুরা। দক্ষিণ ভারতের এই রাজ্য থেকে একাধিক দাবাড়ু উঠে এলেও দিল্লি থেকে তেমন ভাবে দাবাড়ুরা উঠে আসছেন না। যার জন্য অবশ্য দিল্লি সরকারকেই দুষছেন তানিয়া সচদেব (Tania Sachdev)। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তানিয়া লেখেন, “২০০৮ সাল থেকে ভারতের হয়ে দাবা খেলছি। দাবাতে কৃতিত্বের জন্য দিল্লি সরকারের কাছ থেকে স্বীকৃতির অভাব দেখে আমি হতাশ। যে রাজ্যগুলি তাদের চ্যাম্পিয়নদের সমর্থন করে এবং তাদের জয় উদযাপন করে ওই রাজ্যগুলিই সরাসরি শ্রেষ্ঠত্বকে অনুপ্রাণিত করে এবং প্রতিভাকে তুলে ধরতে সক্ষম। দুঃখের বিষয়, দিল্লি এখনও এই পদক্ষেপ নিতে পারেনি।”

    তিনি আরও লেখেন, “২০২২ সালে চেস অলিম্পিয়াডে আমি ব্যক্তিগত এবং দলগত বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতেছিলাম। তারপর ২০২৪ সালের দাবা অলিম্পিকে সোনা জিতেছিলাম। ওই দিন থেকে এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনও সম্মান জানানো হয়নি। দিল্লি এবং ভারতকে গর্বের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করে এমন একজন হিসেবে আমি আশা করি আম আদমি পার্টি, অতিশী ম্যাম এবং অরবিন্দ কেজরিওয়াল স্যার তাঁদের দাবাড়ুদের গুরুত্ব দেবেন এবং সমর্থন করবেন”। উল্লেখ্য, অতিশী বর্তমানে দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chess World Record: বয়স সবে সাড়ে তিন! দাবায় বিশ্বরেকর্ড বিস্ময় প্রতিভা কলকাতার অনীশের

    Chess World Record: বয়স সবে সাড়ে তিন! দাবায় বিশ্বরেকর্ড বিস্ময় প্রতিভা কলকাতার অনীশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স সবে সাড়ে তিন পেরিয়েছে। তারই মধ্যে সাদা-কালো খোপে দাপট দেখাতে শুরু করেছে কৈখালির ছোট্ট অনীশ। কনিষ্ঠতম দাবাড়ু হিসাবে ফিডে রেটিং (Chess World Record) পেল বাংলার খুদে অনীশ সরকার। ভেঙে দিল ভারতেরই তেজস তিওয়ারির রেকর্ড। গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়ার ছাত্র অনীশ সরকার। এন্টালির সেন্ট জেমস স্কুলের লোয়ার নার্সারির এই পড়ুয়া। অঙ্কই তার ধ্যান-জ্ঞান। দাবার বোর্ড তার স্বপ্ন। ৩ বছরের জন্মদিনে মামা তাকে ভালবেসে দাবা উপহার দিয়েছিল। সেই দাবাই বদলে দিল ছোট মনের কল্পনা।

    কোন পথে বিশ্ব রেকর্ড

    দাবার (Chess World Record) বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, ফিডে রেটিং অর্জন করতে হলে কোনও ফিডে রেটিং প্রাপ্ত দাবাড়ুকে হারিয়ে এক পয়েন্ট পেতে হবে। তার জন্য সর্বোচ্চ ২৬ মাস সময় দেওয়া হবে, পাঁচজন দাবাড়ুর বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে অক্টোবর মাসে তিনজনের বিরুদ্ধে খেলেই সেই লক্ষ্য পূরণ করে ফেলেছে সাড়ে তিন বছর বয়সি অনীশ। গত মাসে রাজ্য স্তরের অনূর্ধ্ব ৯ এবং অনূর্ধ্ব ১৩ দুটি বিভাগের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল অনীশ। অনূর্ধ্ব ১৩ বিভাগে একটিও ম্যাচে জিততে পারেনি সে। অনূর্ধ্ব ৯ বিভাগে খেলতে নেমেও প্রথম ম্যাচে হারতে হয়। তবে সেখান থেকে দুরন্ত কামব্যাক খুদে অনীশের। পরপর দুই ম্যাচে ফিডে রেটিংপ্রাপ্ত দাবাড়ুকে চেকমেট করে সকলকে চমকে দেয় বাংলার দাবাড়ু। দুই পয়েন্ট পেয়ে ফিডে রেটিং অর্জন করা নিশ্চিত করে ফেলে সে। মাসের প্রথম দিনেই প্রকাশিত হয়েছে নভেম্বরের ফিডে রেটিং। দেখা যাচ্ছে, ১৫৫৫ পয়েন্ট রয়েছে অনীশের নামের পাশে। এত কম বয়সে আর কোনও দাবাড়ু ফিডে রেটিং অর্জন করতে পারেনি। সর্বকনিষ্ঠ হিসাবে ফিডে রেটিং পাওয়ার বিশ্বরেকর্ড এতদিন ছিল ভারতেরই তেজস তিওয়ারির দখলে। গত বছরই মাত্র পাঁচ বছর বয়সে ফিডে রেটিং অর্জন করেছিল সে।

    কোচের আশা

    ছাত্রের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বাংলার গ্র্যান্ডমাস্টার (Chess World Record) দিব্যেন্দু বড়ুয়া। প্রথমে নিজের অ্যাকাডেমিতে অনীশকে নিতেই চাননি দিব্যেন্দু। কারণ ৫ বছরের আগে তাঁর অ্যাকাডেমিতে ভর্তি হয় না। কিন্তু বারবার গুরুর পরীক্ষায় সফল হয় ছোট্ট অনীশ। দিব্যেন্দু বাধ্য হন তাকে সুযোগ দিতে। এখন অ্যাকাডেমিতেই দিনের ৭-৮ ঘণ্টা কাটে অনীশের। দিব্যেন্দু বললেন, “প্রথম দিন আমি পরীক্ষা নিয়েছিলাম, এখন সেই ছেলে আমাকে বিভিন্ন ঘুঁটি সাজিয়ে দিয়ে পরীক্ষা নেয়।” দিব্যেন্দু বললেন, “ও বিস্ময় বালক। মাত্র ক’মাস হয়েছে খেলছে। তাতেই বুঝিয়ে দিচ্ছে ও কতটা প্রতিভাধর। তবে ফিডে রেটিং পাওয়াটাই তো সব নয়। এখন অনেকটা পথ যাওয়া বাকি। অনীশ সেটা পারবে। ওর শেখার ইচ্ছা আছে। এখন ও জানতে চায় বিভিন্ন জিনিস। শিখতে চায়। আমাকে জিজ্ঞেস করে দাবা খেলার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন শব্দের মানে। ও হয়তো এখনই সবটা বোঝে না। কিন্তু বোঝার ইচ্ছেটা রয়েছে পুরো। দিনে সাত-আট ঘণ্টা অ্যাকাডেমিতে কাটায়। খেলা ছেড়ে উঠতে চায় না। আমি মাঝেমাঝে বাড়িতেও ডেকে নিই। আশা করছি আরও অনেক সাফল্য পাবে অনীশ।”

    আরও পড়ুন: ‘ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা’, জেনে নিন রবিবার ভাইকে টিকা পরানোর শুভ সময়

    গর্বিত মা-বাবা

    অনীশ এতই ছোট যে চেয়ার বসে ঘুঁটিতে হাত পায় না। চেয়ারের উপর হাঁটু মুড়ে বসে দাবা খেলতে হয়। উচ্চতা কম হলেও ইতিমধ্যেই আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু হয়ে গিয়েছে তাকে নিয়ে। মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম অনীশের। বাবা স্কুলে অঙ্কের শিক্ষক। মা গৃহবধূ। অনীশকে নিয়েই সময় কাটে মায়ের। নাম প্রকাশ্যে আনতে অনিচ্ছুক তাঁরা। ছেলের কৃতিত্বে উচ্ছ্বসিত হলেও চান না তাঁদের পরিচয় জানুক সকলে। নেপথ্যে থেকেই ছেলেকে এগিয়ে দিতে চাইছেন তাঁরা। অনীশের মা-এর কথায়, “অন্য কোনও খেলনার থেকে দাবাটাই মনে হয়েছিল বেশি সুরক্ষিত। ও তো খুব ছোট, কোনও কিছু পেলেই মুখে দেওয়া অভ্যেস। দাবার ঘুঁটিগুলো বড়, তাই মুখে দিলেও গিলে ফেলতে পারবে না। সেই কারণেই দাবা নিয়ে বসিয়ে দেওয়া হত ওকে। ইউটিউব দেখে দেখে খেলা শিখত। আমি খেলতে বসলে ওর সঙ্গে পাঁচ দানও খেলতে পারি না। দাবার প্রতি এই ভালবাসা দেখেই দিব্যেন্দু বড়ুয়ার কাছে নিয়ে যাই। ওঁর হাতেই তৈরি হচ্ছে অনীশ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • R Pragganandhaa: ডিং লিরেনকে হারিয়ে নরওয়েতে চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিস্ময় দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দ

    R Pragganandhaa: ডিং লিরেনকে হারিয়ে নরওয়েতে চ্যাম্পিয়ন ভারতের বিস্ময় দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের ধারা রইল অব্যাহত। সোমবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ডিং লিরেনকে হারিয়ে দিলেন ভারতের বিস্ময় দাবাড়ু আর প্রজ্ঞানন্দ (R Pragganandhaa)। নরওয়ের আর্মাগেড্ডনে বসেছে দাবা খেলার আসর। সেখানেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে মাত দেন প্রজ্ঞানন্ধা। রবিবার বিশ্বের দু’নম্বর ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রমতালিকার প্রথম দশে ঢুকে পড়েছিলেন প্রজ্ঞানন্দ।

    পিছিয়ে থেকেও জয় (R Pragganandhaa) 

    ক্ল্যাসিক্যাল পর্বে ম্যাচ ড্র রাখলেও, ফ্রান্সের গ্র্যান্ড মাস্টার দাবাড়ু আলিরেজার বিরুদ্ধে খেলতে নেমে শেষ রক্ষা করতে পারেননি প্রজ্ঞানন্দ (R Pragganandhaa)। ৯.৫ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় তিন নম্বরে নেমে গিয়েছিলেন ভারতীয় এই দাবাড়ু। পরে তিনি বলেছিলেন, “টাইব্রেকারে কয়েকটা ভুল করায় ম্যাচ হাত থেকে বেরিয়ে যায়। ক্ল্যাসিক্যাল গেমে আলিরেজা বেশ চাপে ফেলে দিয়েছিল দ্রুত কয়েকটা চাল দিয়ে। আমি মাথা ঠান্ডা রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি। তবে এই হার নিয়ে বেশি ভাবতে চাই না। এখনও আরও চার রাউন্ডের খেলা রয়েছে। সেজন্য নিজেকে তৈরি করে রাখতে হবে।”

    ধরাশায়ী লিরেন, কার্লসেন

    যে ডিং লিরেনকে ধরাশায়ী করেছেন ভারতীয় এই বিস্ময় দাবাড়ু, সেই লিরেন হেরেছিলেন ম্যাগনাস কার্লসেনের কাছেও। এই কার্লসেনকেও পরাস্ত করেন প্রজ্ঞানন্দ। ভারতের এই বিস্ময় প্রতিভা হারিয়েছেন ফ্যাবিয়ানো কারুয়ানাকেও। একের পর এক ‘বীর’ দাবাড়ুকে পরাস্ত করে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরে শেষমেশ জয়ের তাজ মাথায় ওঠে প্রজ্ঞানন্দর। প্রথমদিকে খানিক পিছিয়ে পড়লেও, ভুল করে ফেলেন ডিং লিরেন। সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগান প্রজ্ঞানন্দ। যার জেরে বিজয়মাল্য ওঠে তাঁর গলায়।

    আর পড়ুন: পুরুলিয়া গণনা কেন্দ্রে ঘোরফেরা করছে আই প্যাকের টিম! বিস্ফোরক জ্যোতির্ময়

    আর একটি হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে হিকারু নাকামুরা ম্যাগনাস কার্লসেনের কাছাকাছি চলে এসেছিলেন। পরে আর্মাগেডন খেলায় নিশ্চিত করেন তাঁর জয়। এভাবে কার্লসেন থেকে মাত্র অর্ধেক পয়েন্ট পিছিয়ে কমিয়ে দেন ব্যবধান (R Pragganandhaa)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • D Gukesh: দাবায় ইতিহাস! কনিষ্ঠতম হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে চ্যালেঞ্জ জানাবে ভারতের ডি গুকেশ

    D Gukesh: দাবায় ইতিহাস! কনিষ্ঠতম হিসেবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে চ্যালেঞ্জ জানাবে ভারতের ডি গুকেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে চ্যালেঞ্জ জানানোর যোগ্যতা অর্জন করলেন ভারতের ১৭ বছরের গুকেশ ডোম্মারাজু (D Gukesh)। বিশ্বের কনিষ্ঠতম হিসাবে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ডিং লিরেনকে এই বছর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে (Chess) চ্যালেঞ্জ জানাবেন তিনি।

    গুকেশের সাফল্য

    কানাডার টরন্টোয় ক্যান্ডিডেটস দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন  হলেন গুকেশ। শেষ রাউন্ডে কালো ঘুঁটি নিয়ে গুকেশ ড্র করেন আমেরিকার গ্র্যান্ডমাস্টার হিকারু নাকামুরার সঙ্গে। ফ্যাবিয়ানো করুয়ানা এবং ইয়ান নেপমনিয়াচির ম্যাচ ড্র হওয়ার ফলে গুকেশের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য ড্র-ই দরকার ছিল।  ১৪ রাউন্ডের প্রতিযোগিতার পর সোমবার ভোরে চ্যাম্পিয়ন হন গুকেশ। শনিবার ভারতীয় তারকা হারিয়ে দিয়েছিলেন ফ্রান্সের আলিরেজো ফিরউজা-কে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর গুকেশ বলেন, “ভাল লাগছে, স্বস্তি লাগছে। করুয়ানা আর নেপমনিয়াচির খেলা দেখছিলাম। তারপর আমার সেকেন্ড গ্রেগর গাজেভস্কির সঙ্গে একটু হাঁটতে বেরিয়েছিলাম। সেটা দারুন সাহায্য করেছে।” ক্যান্ডিডেটস দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে ৮৮,৫০০ ইউরো পুরস্কার মূল্য পেলেন গুকেশ (D Gukesh)।

    আরও পড়ুন: ‘বিজেপি একাই পেতে পারে ৩৫০টি আসন’, দাবি শীর্ষ অর্থনীতিবিদের

    আনন্দিত আনন্দ

    গুকেশের (D Gukesh) এই সাফল্যে আনন্দিত তাঁর মেন্টর কিংবদন্তি বিশ্বনাথন আনন্দ। তিনি বলেন, “কনিষ্ঠতম চ্যালেঞ্জার এখন গুকেশ। অভিনন্দন। আনন্দ অ্যাকাডেমির সবাই তোমার জন্য গর্বিত। যে ভাবে কঠিন পরিস্থিতিগুলোর মোকাবিলা করেছ তার জন্য ব্যক্তিগত ভাবে আমিও খুব গর্বিত। মুহূর্তটা উপভোগ কর।”

    বিশ্বনাথন আনন্দের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসাবে ক্যান্ডিডেটস দাবায় চ্যাম্পিয়ন হলেন গুকেশ। আনন্দ আরও বলেন,‘‘এই ১৭ বছরের ছেলেটা যে কী করতে পারে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারবেন না। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফল যা-ই হোক না কেন, গুকেশ (D Gukesh) যা করবে সেটাই ভারতীয় দাবার ইতিহাসে নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।’’ নিজের মেন্টর আনন্দকে আগেই ছাপিয়ে গিয়েছিলেন গুকেশ। ভারতের এক নম্বর দাবাড়ু হিসেবে নিজের ছাপ রেখেছেন গুকেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Chinsurah: জলন্ধরে অনূর্ধ্ব ১৭ দাবা প্রতিযোগিতায় প্রথম চুঁচুড়ার মৃত্তিকা, এবার পাড়ি ইতালিতে

    Chinsurah: জলন্ধরে অনূর্ধ্ব ১৭ দাবা প্রতিযোগিতায় প্রথম চুঁচুড়ার মৃত্তিকা, এবার পাড়ি ইতালিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবায় প্রশিক্ষণ শুরু সাত বছর বয়সে। বর্তমানে বয়স পনেরো। মাত্র আট বছরের প্রশিক্ষণে আটবারের বেশি জাতীয়স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছে চুঁচুড়ার (Chinsurah) কাপাসডাঙার বাসিন্দা মৃত্তিকা মল্লিক। আগামী নভেম্বরে ইতালিতে বিশ্ব যুব দাবা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে সে। কিন্তু সরকারি কোনও অনুদান নেই বলে অভিযোগ করলেন বাবা।

    কে মৃত্তিকা মল্লিক?

    চুঁচুড়ার (Chinsurah) ঘুটিয়াবাজার বিনোদিনী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী মৃত্তিকা। এবছর জলন্ধরে আয়োজিত অনূর্ধ্ব ১৭ দাবা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে সে। এই মাসের ১ মে থেকে ৯ মে পর্যন্ত আয়োজিত হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতা শেষ করে বৃহস্পতিবার ঘরে ফিরেছে সে। এই সাফল্যের উপর ভর করে আগামী নভেম্বরে ইতালিতে আয়োজিত বিশ্ব যুব দাবা প্রতিযোগিতায় সুযোগ করে নিয়েছে মৃত্তিকা। বাবা অরিন্দম পেশায় কেবল ব্যবসায়ী ও মা মীনাক্ষী গৃহবধূ। দুই মেয়ের মধ্যে ছোট মৃত্তিকা।

    খেলার প্রতি আকর্ষণ কীভাবে?

    ছোট থেকেই মৃত্তিকা নিজের পাড়ার (Chinsurah) কাকুদের তাস খেলা দেখতে ভালোবাসত। বুদ্ধিদীপ্ত খেলার প্রতি আকর্ষণ বুঝতে পেরেই ছোট মেয়েকে দাবার প্রশিক্ষণ শিবিরে ভর্তি করেন মৃত্তিকার বাবা-মা। শুরুতে মাত্র দু’বছরের প্রশিক্ষণ নিয়েই প্রথমবারের জন্য অনূর্ধ্ব ১৯ স্তরে ইতালিতে বিশ্ব যুব দাবা প্রতিযোগিতায় সুযোগ পায় মৃত্তিকা।

    খেলায় সাফল্য

    দেশীয় স্তরে তিনবার প্রথম হয়েছে মৃত্তিকা (Chinsurah)। ইতিমধ্যে তিনবার আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতায় সুযোগ পেয়েছে সে। তার মধ্যে এশিয়া যুব দাবা প্রতিযোগিতায় একবার করে রূপো ও ব্রোঞ্জ এবং অনূর্ধ্ব ১৪ বিশ্ব যুব দাবা প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান দখল করে। এরপর রয়েছে নভেম্বরে আরও কড়া চ্যালেঞ্জ। জলন্ধর থেকে ফিরেই তাই দাবার বোর্ডে মন দিয়েছে মৃত্তিকা। সামনের বছরই মাধ্যমিক পরীক্ষা। তাই দু’দিক সামলাতে চাপটাও অনেক বেশি। তবে আপাতত পড়াশোনা ঘণ্টা দু’য়েকই করতে পারছে সে। কারণ দিনের প্রায় ১৪ ঘণ্টা নতুন নতুন চাল খুঁজে বেড়ায় সে। যে করেই হোক ইতালিতে দেশের হয়ে বাজিমাত করাই এখন তার জীবনের লক্ষ্য।

    অবিভাবকের আশা

    বাবা অরিন্দমবাবু বলেন, মেয়ে আপাতত সপ্তাহে দু’দিন গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়ার কাছে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক স্তরে লড়াইয়ের জন্য আরও প্রশিক্ষণের দরকার। আর দাবাতে এই প্রশিক্ষণই ব্যাপক ব্যয়বহুল। তাঁর অভিযোগ, অন্য রাজ্যে দাবায় সরকারি অনুদান এলেও এ রাজ্যে (Chinsurah) তা আসে না বললেই চলে। তাই বহু বাঙালির প্রতিভা মাঝপথে নষ্ট হয়ে যায়। এখন এই আর্থিক অভাব কাটাতে মল্লিকার পাশে সরকার কতটা দাঁড়ায়, সেটাই দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Garry Kasparov: পুতিন বিরোধী স্বর তোলাই ভুল! বিশ্বখ্যাত দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভকে ‘জঙ্গি’ তকমা রাশিয়ার

    Garry Kasparov: পুতিন বিরোধী স্বর তোলাই ভুল! বিশ্বখ্যাত দাবাড়ু গ্যারি কাসপারভকে ‘জঙ্গি’ তকমা রাশিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবায় প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাসপারভ (Garry Kasparov)। ইউক্রেনে রাশিয়ার (Russia) সামরিক অভিযানের পর থেকে ভ্লাদিমি পুতিনের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন রুশ দাবাড়ু। এবার সেই কাসপারভকে জঙ্গি তকমা দিয়ে দিল ক্রেমলিন। রাশিয়ার আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা রসফিনমনিটরিং দাবার ওই গ্র্যান্ডমাস্টারকে জঙ্গি ও চরমপন্থীদের তালিকাভুক্ত করেছে। 

    কী বলছে পুতিন সরকার

    নিপীড়ন এবং প্রাণনাশের আশঙ্কায় ২০১৪ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করেন কাসপারভ (Garry Kasparov)। এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়ার (Russia) বিচারমন্ত্রক কাসপারভকে ‘বিদেশি এজেন্টদের’ তালিকায় যুক্ত করেছে। এবার কাসপারভকেও জঙ্গি তকমা দেওয়া হল। মনে করা হচ্ছে রাশিয়ার আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা এর পরে প্রাক্তন দাবা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কাসপারভের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ‘ফ্রিজ’ করে দিতে পারে। এই সংস্থা মূলত খেয়াল রাখে আর্থিক প্রতারণা সংক্রান্ত কোনও ঘটনা হচ্ছে কিনা। জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে কেউ আর্থিক সহায়তা করছে কি না এটাও দেখে ওই আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর সেই সংস্থাই এবার বড় পদক্ষেপ আনতে পারে গ্যারি কাসপারভের বিরুদ্ধে। 

    আরও পড়ুন: নারী দিবসে মোদি সরকারের উপহার, উজ্জ্বলা প্রকল্পে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি আরও ১ বছর

    কেন এই পদক্ষেপ

    আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে জন্ম কাসপারভের। সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত ছিল এই জায়গা। ২২ বছর বয়সে ১৯৮৫ সালে প্রথম বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হন কাসপারভ (Garry Kasparov)। কনিষ্ঠতম হিসেবে তিনি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের সিংহাসনে বসেছিলেন। ১৯৮৪ থেকে অবসর নেওয়া পর্যন্ত তিনি বিশ্বের এক নম্বর ছিলেন। রেকর্ড ২৫৫ মাস। ২০০৫ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার জন্য দাবা থেকে অবসর নেন। ষাট বছর বয়সী গ্যারি কাসপারভ প্রথম থেকেই ছিলেন ঘোর পুতিন বিরোধী। রাশিয়ার গণতন্ত্র নেই বলে একাধিকবার অভিযোগ করে সরব হয়েছিলেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের সময় কিয়েভের পাশে দাঁড়ানোর জন্য জানিয়েছিলেন আর্জি। পুতিন বিরোধী প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়নের এই মনোভাব মেনে নিতে পারেনি রাশিয়া। তাই কাসপারভের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ বলে অনুমান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • R Praggnanandhaa: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    R Praggnanandhaa: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৮ বছর। এর মধ্যেই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছেন। বিশ্বনাথন আনন্দের পর তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি এই কৃতিত্ব গড়লেন। যদিও জিততে পারেননি। কিন্তু ভারতীয়দের মধ্যে দাবা নিয়ে আগ্রহ তৈরি করার কাজটা করে ফেলেছেন রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। সোমবার সকালে বাইপাসের ধারে একটি পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তামিল তরুণ দাবাড়ু। সেখানেই বিশ্বকাপের শিক্ষা থেকে প্রিয় ক্রিকেটার একাধিক বিষয়ে নিজের মতামত জানালেন প্রজ্ঞানন্দ।

    মন ভাল করে সিনেমা

    দাবা ছাড়াও তাঁর পছন্দের বিষয় হল সিনেমা। দাবা থেকে বিরতি নিয়ে মন ভাল রাখার জন্য সব রকমের সিনেমা দেখেন বলে জানালেন প্রজ্ঞা। এছাড়া ক্রিকেটও দেখেন। ৩৬ মিনিটের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রজ্ঞানন্দ বললেন, “আমি ক্রিকেট দেখি। ভারতীয় দলের খেলা দেখতে ভাল লাগে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন আমার প্রিয় খেলোয়াড় কারণ ও দাবা খেলতে পছন্দ করে।”

    মা মানসিক জোর

    তিলোত্তমায় বসেছে দাবার সর্বভারতীয় আসর। বিগত কয়েকবছর ধরে এই প্রতিযোগিতার অন্যতম মুখ ছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ। কিন্তু চলতি বছরে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের থেকেও আর্কষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। বিশ্বকাপের সময় দেখা গিয়েছে, প্রজ্ঞার মা নাগালক্ষ্মী সব সময় তাঁর পাশে রয়েছেন। প্রজ্ঞা মনে করেন দাবা খেলতে গেলে, পরিবারের পাশে থাকাটা খুব প্রয়োজন। প্রজ্ঞানন্দ বললেন, “প্রতিপক্ষ হয়তো আমার মুখ দেখে বুঝতে পারে না, আমি চাপে আছি কি না। কিন্তু মা পারে। আমার মুখ দেখে মা বলে দিতে পারে ম্যাচের কোন সময় আমি একটু চিন্তিত। মায়ের পাশে থাকাটা আমার কাছে খুবই বড় একটা মানসিক জোর। প্রতিযোগিতা যখন চলে, সেই সময় আমার মাথায় দাবা ছাড়া আর কিছু থাকে না। মা সব কিছু সামলে নেয়। বাইরে খেলতে গিয়ে আমি যাতে ঘরের খাবার খেতে পারি, সেই ব্যবস্থাও করে মা। ভারতীয় খাবার খেতেই পছন্দ করি আমি।”

    আরও পড়ুন: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    এই তো সবে শুরু

    বিগত কয়েক বছরে উল্কার গতিতে উত্থান হয়েছে তাঁর। প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে সামনের সারিতে উঠে এসেছেন প্রজ্ঞা। তবে আত্মতুষ্টিকে নিজের মধ্যে জায়গা দিতে নারাজ তামিল তরুণ। তাঁর কথায়, ‘আমি মনে করি অনেক অনেক দূর যেতে হবে। এই তো সবে শুরু। আমি এসব নিয়ে ভাবছি না। কঠিন পরিশ্রম করছি। খেলার প্রতি ফোকাস করছি।’ একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘মানসিকভাবে ঠিক থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক দিক থেকে ভালো থাকতে হয়। একইসঙ্গে শারীরিক সুস্থতা প্রয়োজন । আক্রমণ এবং রক্ষণ দুটোই খেলার অঙ্গ। কিছু কিছু সময় বদল করতে হয় রণকৌশল।’ বিশ্ব ক্রমতালিকায় ১৯ নম্বরে উঠে এসেছেন প্রজ্ঞানন্দ। ভারতীয়দের মধ্যে তাঁর সামনে ডি গুকেশ (অষ্টম) এবং বিশ্বনাথন আনন্দ (নবম)। প্রজ্ঞানন্দ জানালেন তাঁর দাবা শেখার পিছনে বিরাট কৃতিত্ব রয়েছে আনন্দের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chess World Cup Final: এবার টাই-ব্রেক! কার্লসেনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গেমও ড্র প্রজ্ঞানন্দের

    Chess World Cup Final: এবার টাই-ব্রেক! কার্লসেনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় গেমও ড্র প্রজ্ঞানন্দের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবা বিশ্বকাপের (Chess World Cup Final) ফাইনালে প্রথম গেম গতকাল ড্র হয়েছিল। আজ, বুধবার দ্বিতীয় গেমেও ড্র করলেন আর প্রজ্ঞানন্দ ও ম্যাগনাস কার্লসেন। এদিন ৩০টি চালের পরই দ্বিতীয় গেম ড্র হয়ে যায়। আগামী কাল টাই ব্রেকের মাধ্যমেই চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত করা হবে। প্রজ্ঞানন্দের (Rameshbabu Praggnanandhaa) সামনে বিশ্বকাপ ফাইনাল জিতে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। অন্যদিকে প্রথমবার বিশ্বজয়ের স্বাদ পেতে চান কিংবদন্তী কার্লসেন। 

    বিশ্বজয়ই লক্ষ্য

    বৃহস্পতিবার যিনি জিতবেন, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি তিনি পেয়ে যাবেন ১ লক্ষ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কারমূল্য। ভারতীয় মুদ্রায় অঙ্কটা প্রায় এক কোটি টাকা। ২১ বছর আগে (২০০২ সালে) বিশ্বনাথন আনন্দ শেষ ভারতীয় হিসাবে দাবা বিশ্বকাপ জিতেছিলেন। তারপর থেকে আর কোনও ভারতীয় বিশ্বখেতাব জেতেননি। আগামী কাল দুটো টাই ব্রেকে মুখোমুখি হবেন প্রজ্ঞানন্দ ও কার্লসেন। ১৮ বছরের ভারতের বিস্ময় প্রতিভা কার্লসেনকে বেগ দিতে পারেন কি না তা দেখার অপেক্ষায় আপামত ভারতবাসী।

    শহরে প্রজ্ঞানন্দ

    দাবা বিশ্বকাপের (Chess World Cup Final) পরে কলকাতায় আসছেন রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। এই প্রতিযোগিতার পরেই কলকাতায় ‘টাটা স্টিল দাবা প্রতিযোগিতা’ খেলতে আসবেন প্রজ্ঞানন্দ। শুধু তিনি নন, দাবা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা চার ভারতীয় দাবাড়ুকেই দেখা যাবে প্রতিযোগিতায়। ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসাবে থাকবেন প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন আনন্দ। ৩১ অগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে হবে প্রতিযোগিতা। 

    আরও পড়ুন: ল্যান্ডারের ‘সফট ল্যান্ডিং’ নয়, বিজ্ঞানীদের চিন্তায় রেখেছে চাঁদের ধুলো! কেন?

    ওপেন ও মহিলা, দু’টি বিভাগই থাকবে। দু’টি বিভাগে আবার র‌্যাপিড ও ব্লিৎজ নিয়মে খেলা হবে। দু’টি বিভাগে ১০ জন করে প্রতিযোগী অংশ নেবেন। প্রজ্ঞানন্দ ছাড়াও বাকুতে দাবা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা ডি গুকেশ, বিদিত গুজরাতি ও অর্জুন এরিগাইসিও প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। ভারতের আর এক দাবাড়ু পি হরিকৃষ্ণও অংশ নেবেন প্রতিযোগিতায়। অর্থাৎ, ওপেন বিভাগে ১০ জনের মধ্যে পাঁচ জন ভারতীয়। বাকি পাঁচ জন বিদেশি দাবাড়ু। মহিলাদের বিভাগেও রয়েছেন ১০ জন প্রতিযোগী। সেখানে সব থেকে বড় মুখ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন চিনের ওয়েনজুন জু। ভারতীয়দের মধ্যে থাকছেন প্রজ্ঞানন্দের দিদি রমেশবাবু বৈশালী, কোনেরু হাম্পি, হরিকা দ্রোণাবল্লি, সবিথা শ্রী ও বন্তিকা আগরওয়াল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chess World Cup 2023: ইতিহাস প্রজ্ঞানন্দের! দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে সামনে কার্লসেন

    Chess World Cup 2023: ইতিহাস প্রজ্ঞানন্দের! দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে সামনে কার্লসেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে (Chess World Cup 2023) ১৮ বছরের রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ (R Praggnanandhaa)। দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে দাবা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেন। এর আগে ২০০০ এবং ২০০২ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বিশ্বনাথন আনন্দ এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। আজারবাইজানের বাকুতে বিশ্ব ব়্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বর দাবাড়ু ফাবিয়ানো কারুয়ানাকে টাইব্রেকে ৩.৫-২.৫ ব্যবধানে হারিয়েছেন ভারতীয় চেস খেলোয়াড়। ট্যুইট বার্তায় একথা জানিয়েছেন প্রজ্ঞার গর্বিত মেন্টর বিশ্বনাথন আনন্দ। তিনি লেখেন, “প্রাগ ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। টাইব্রেকে ফাবিয়ানো কারুয়ানাকে হারিয়েছে। এবার সামনে ম্যাগনাস কার্লসেন। কী দারুণ পারফরম্যান্স।” 

    কঠিন লড়াইয়ের পর ইতিহাস

    বিশ্বনাথন আনন্দের পর এই প্রথম ভারতের কোনও খেলোয়াড় ফাইনালে উঠলেন। ফাইনালে তিনি খেলবেন ম্যাগনাস কার্লসেনের বিপক্ষে। বিশ্বের তিন নম্বর কারুয়ানার বিরুদ্ধে প্রজ্ঞানন্দের লড়াই মোটেই সহজ ছিল না। রবিবার প্রথম দু’টি ক্লাসিক্যাল গেম ড্র হয়েছিল। ফলে সোমবার ম্যাচ গড়িয়েছিল টাইব্রেকারে। সেখানেই জিতে গেলেন ভারতের খেলোয়াড়। তিনি ৩.৫-২.৫ পয়েন্টে জিতেছেন।

    দাবা বিশ্বকাপ প্রথম আয়োজিত হয়েছিল ২০০০ সালে। এর পরে ফের এটি আয়োজিত হয় ২০০২ সালে। প্রথম দু’বারই এই বিশ্বকাপ জিতেছিলেন আনন্দ। কিন্তু তখন এটি বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ ছিল না। ২০০৫ সাল থেকে এটি বিশ্ব দাবা প্রতিযোগিতার অংশ হয়ে যায়। তার পর থেকে প্রতি দু’বছর অন্তর এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। কিন্তু ফাইনালে ওঠা তো দূর, কোনও ভারতীয় খেলোয়াড় সেমিফাইনালেও পৌঁছতে পারেননি। অবশেষে সেই আক্ষেপ মিটল।

    আরও পড়ুন: এশিয়া কাপের দল ঘোষণা করলো ভারত, ফিরলেন লোকেশ রাহুল, শ্রেয়স আইয়ার

    সামনে শুধুই কার্লসেন

    বিশ্বকাপে শেষ হাসি হাসতে হলে এই টিনএজার দাবাড়ুকে মোকাবিলা করতে হবে বিশ্বের এক নম্বর ম্যাগনাস কার্লসেনের (Magnus Carlsen)। একদিকে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অন্যদিকে ভারতের দাবার জগতের উঠতি প্রতিভা। অতীতে কার্লসেনকে হারিয়ে ‘অঘটন’ ঘটিয়েছেন টিনএজার প্রজ্ঞানন্দ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে সেই পারফরম্যান্সের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে হবে তাঁকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Praggnanandhaa Rameshbabu: বার বার তিনবার! বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু কার্লসেনকে ফের হারালেন প্রজ্ঞানন্দ

    Praggnanandhaa Rameshbabu: বার বার তিনবার! বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু কার্লসেনকে ফের হারালেন প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথমবার ৫ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু ম্যাগনাস কার্লসেনকে (Magnus Carlsen) হারিয়ে দেশ তথা গোটা বিশ্বকে অবাক করেছিলেন ভারতের ক্ষুদে গ্র্যান্ডমাস্টার রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ (Praggnanandhaa)। গত ছয় মাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার। ফের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেনকে হারালেন ভারতের তরুণ দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দ। ১৭ বছরের ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার প্রজ্ঞানন্দ এবার মায়ামিতে ক্রিপটো কাপে শেষ রাউন্ডে কার্লসেনকে হারালেন। যদিও ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের কাছে হারলেও প্রতিযগিতার চ্যাম্পিয়ন হলেন কার্লসেন। নির্ধারিত সময়ে স্কোর ২-২ ছিল। শেষ অবধি ব্লিৎজ টাইব্রেকারে জেতেন প্রজ্ঞানন্দ। নিজের হারে হতবাক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন (World Champion) কার্লসেন। 

    মাত্র ১০ বছরেই ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার হয়ে নজির গড়েছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। এ বছর মে মাসে এয়ারথিংস মাস্টার্স ব়্যাপিড চেস প্রতিযোগিতায় কার্লসেনকে হারিয়েছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। এবারের প্রতিযোগিতায় অনবদ্য শুরু করেছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। টানা চারটি ম্যাচে জিতেছিলেন। এর মধ্যে বিশ্বের ৬ নম্বর লেভন অ্যারোনিয়ানের বিরুদ্ধে ৩-১’র জয়ও রয়েছে। শুরুতে আলিরেজা ফিরোউজা, আরেক ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার অনিশ গিরি এবং হান্স নিয়েমানকে হারান প্রজ্ঞানন্দ। তাঁর জয়ের ধারা ধাক্কা পায় চিনের কোয়াং লিয়েম লি’র বিরুদ্ধে। পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে হারেন প্রজ্ঞানন্দ। ষষ্ঠ রাউন্ডে পোল্যান্ডের জান-কিজিস্টফ ডুডার কাছে টাইব্রেকারে হারেন। এই সময়ই পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েন প্রজ্ঞানন্দ।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের আবেদন মেনে ফিফার নিয়মকে মান্যতা শীর্ষ আদালতের! সিওএ বাতিলের নির্দেশ

    শেষের দিকে ভালো খেললেও পয়েন্টের বিচারে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি ভারতীয় দাবাড়ু। তাও মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধান। শেষ দিকে পর পর তিনটি গেম জিতলেও পয়েন্টের বিচারে দ্বিতীয় হন প্রজ্ঞা। প্রজ্ঞার পয়েন্ট ১৫। অন্য দিকে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্রতিযোগিতা জিতেছেন কার্লসেন। প্রজ্ঞার কাছে হারলেও প্রতিযোগিতা জিততে পেরে খুশি কার্লসেন। তিনি বলেছেন,’সারা দিন ধরে খুব খারাপ খেলেছি। তার পরেও জিতেছি। হারতে ভাল লাগে না। কিন্তু সব দিন সমান থাকে না।’ অন্য দিকে দ্বিতীয় হয়ে খুশি নন প্রজ্ঞা। আরও ভাল ফলের আশা করেছিলেন তিনি। ভারতের ১৭ বছরের দাবাড়ু বলেছেন,’আরও ভাল ফল হতে পারত। কয়েকটা ম্যাচ খারাপ খেলেছি। তবে সব মিলিয়ে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করা খারাপ ফল নয়।’

LinkedIn
Share