Tag: Chhattisgarh

Chhattisgarh

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন মাওবাদী জঙ্গিদের করাল গ্রাসে থাকা ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বাস্তার বিভাগে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসছে। কয়েক দশক ধরে ‘লাল সন্ত্রাস’-এর সঙ্গে লড়াই করার পর, ছত্তিশগড়ের বাস্তার বিভাগের বিভিন্ন জেলার বেশ কিছু গ্রাম প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের (Republic Day Celebrations) জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ এতদিন তাঁদের ওপর যেকোনো জাতীয় অনুষ্ঠান পালনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

    ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Chhattisgarh)

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাস্তারের বিভিন্ন জেলার অন্তত ৪০টি গ্রামে প্রথমবারের মতো জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। গত এক বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Security Camps) স্থাপিত হওয়ার ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।

    বাস্তার বিভাগের বিজাপুর, দান্তেওয়াড়া, সুকমা এবং নারায়ণপুরের মতো চরম মাওবাদী প্রভাবিত জেলাগুলোর (Chhattisgarh) মোট ৫৩টি গ্রামে এবার প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হবে। এর মধ্যে ৪০টি গ্রাম এমন রয়েছে, যেখানে আগে কখনও কোনোদিন জাতীয় উৎসব পালন করা সম্ভব হয়নি। এই তালিকায় রয়েছে—

    • বিজাপুর: বেলনার, কোন্ডাপালি ও উল্লুর।
    • দান্তেওয়াড়া: পিল্লুর, দোডিসোমার ও কামলুর।
    • নারায়ণপুর: আনজাগর, জাতুর, বাইপেটা ও কোডনার।
    • সুকমা: পালাগুড়া ও নাগরাম।

    দশকের পর দশক ধরে চলা লাল সন্ত্রাস কাটিয়ে মাওবাদী বিদ্রোহের স্তিমিত হওয়া এবং এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে আসার এটি এক বড় প্রতিফলন। তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে বাস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী ১০০টিরও বেশি ক্যাম্প স্থাপন করেছে, যার ফলে উগ্রপন্থীদের প্রভাবাধীন এলাকাগুলোতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ সুদৃঢ় হয়েছে।

    এই ক্যাম্পগুলো কেবল নিরাপত্তার কাজে নয়, বরং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করতে এবং স্থানীয়দের কাছে সরকারি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো পৌঁছে দিতে সহায়ক হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনের নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতির ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সাহসের সঞ্চার হয়েছে, যার ফলে তাঁরা এখন নির্ভয়ে জাতীয় উৎসবে অংশ নিতে পারছেন।

    ২৯টি গ্রামে উত্তোলন হয়েছিল জাতীয় পতাকা

    পরিবর্তনের এই ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আরও স্পষ্ট হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাস্তার (Chhattisgarh)  অঞ্চলের ২৯টি গ্রামে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ২৪টিরও বেশি গ্রামে প্রথমবারের মতো তেরঙা পতাকা উত্তোলন (Republic Day Celebrations) করা হয়েছিল।

    নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের লক্ষ্য এখন স্কুল খোলা, ব্যাংকিং পরিষেবা চালু, মোবাইল টাওয়ার বসানো এবং রাস্তাঘাট নির্মাণের মাধ্যমে এই জনপদগুলোকে মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা। সম্প্রতি মাওবাদীদের এককালীন শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ‘জাগরগুন্ডা’-তে একটি ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু করা হয়েছে।

    উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক

    মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই সমাজমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, “জাগরগুন্ডায় (Chhattisgarh)  ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু হওয়া কেবল একটি ভবন স্থাপন নয়; এটি পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকনির্দেশনায় বাস্তারকে লাল সন্ত্রাসের ভয় থেকে মুক্ত করে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। ভারত সরকার আগামী মার্চ মাসের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আমরা এই লক্ষ্যেই কাজ করছি।”

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই মাওবাদী নিহত

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই মাওবাদী নিহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনী এবং মাওবাদী সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে এক সংঘর্ষে অন্তত দুই মাওবাদী (Two Maoists Kill) নিহত হয়েছে। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ভোরে বিজাপুর জেলার ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় মাওবাদীদের উপস্থিতিতে নির্দিষ্ট গোপন খবরের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী একটি যৌথ অভিযান শুরু করলে সশস্ত্র সংঘর্ষে শুরু হয়। এরপর পরস্পর গুলি বিনিময়ে দুই মাওবাদীর মৃত্যু হয়।

    মাঝেমধ্যে গোলাগুলি চলছে (Chhattisgarh)

    স্থানীয় প্রতিবেদন সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত দুই মাওবাদীর (Two Maoists Kill) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এনকাউন্টার স্থলে এখনও মাঝেমধ্যে গোলাগুলি চলছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে এই অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের কথা আরও জানা যাবে বলে অপেক্ষা করা হচ্ছে।

    ১,৫০০-এর বেশি মাওবাদী অস্ত্র ত্যাগ করে

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে সশস্ত্র মাওবাদী ক্যাডারদের নির্মূল করার লক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান পুরোদমে চলছে। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া বিদ্রোহ-বিরোধী অভিযানগুলোর ফলে মাওবাদী সংগঠনের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজু সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছে। কোটি কোটি টাকার মাথার দামে অভিযুক্ত বহু শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের খতম করা হয়েছে। আবার বহু মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পণ করে মূল ধারায় ফিরে এসেছেন।

    বস্তার (Chhattisgarh) অঞ্চলে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই জোরালো অভিযানের ফলে বিপুল সংখ্যক মাওবাদী সদস্য আত্মসমর্পণও করেছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২০২৫ সালেই রাজ্যে ১,৫০০-এর বেশি মাওবাদী অস্ত্র ত্যাগ করেছে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী বিদ্রোহ সম্পূর্ণ নির্মূল করার ঘোষণা করেছে।

  • Chhattisgarh: হিন্দু ধর্মে ফিরল ছত্তিশগড়ের ৫০টিরও বেশি পরিবার

    Chhattisgarh: হিন্দু ধর্মে ফিরল ছত্তিশগড়ের ৫০টিরও বেশি পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে ফিরলেন ছত্তিশগড়ের ৫০টিরও বেশি পরিবারের মোট ১০৪ জন সদস্য। বৃহস্পতিবার ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মহাসামুন্দ জেলার সারাইপালিতে স্বামী সুমেধানন্দ বৈদিক গুরুকুলে ওই পরিবারগুলি হিন্দুধর্মে ফিরে আসেন। তাঁদের হিন্দুধর্মে অন্তর্ভুক্ত করতে আয়োজন করা হয়েছিল এক অনুষ্ঠানের। ছত্তিশগড় বিজেপির রাজ্য ইউনিটের সহ-সভাপতি এবং সর্বভারতীয় ‘ঘর ওয়াপসি’ আন্দোলনের পুরোধা প্রবল প্রতাপ সিং জুদেও বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে এবং তাঁদের পা ধুয়ে সনাতন ধর্মে স্বাগত জানান।

    কখনওই বাংলা হতে দেওয়া হবে না (Chhattisgarh)

    অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও এক্স হ্যান্ডেলে  শেয়ার করে প্রবল প্রতাপ লেখেন, “ছত্তিশগড়কে কখনওই বাংলা হতে দেওয়া হবে না! গতকাল সারাইপালির মা রুদ্রেশ্বরীর পবিত্র ভূমিতে আমি ১০৪ জন ধর্মান্তরিত পরিবারের সদস্যের পা ধুয়ে সনাতন ধর্মে ফিরিয়ে এনে ‘ঘর ওয়াপসি’ সম্পন্ন করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি।” প্রবল প্রতাপ সতর্ক করে বলেন, “সারা দেশের জনসংখ্যাগত কাঠামো বদলে দেওয়ার একটি ষড়যন্ত্র চলছে।” তিনি বলেন, “ধর্মান্তরের ষড়যন্ত্র ভারতের সামগ্রিক জনসংখ্যাগত ভারসাম্য বদলে দিচ্ছে। ভারতের ৮০০টি জেলার মধ্যে ইতিমধ্যেই ২০০টি জেলায় হিন্দুরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছেন। এটি জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। দেশের চেয়ে বড় কিছু নেই, দেশকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। ধর্মান্তরই আজ দেশের সবচেয়ে বড় হুমকি। হিন্দু জনসংখ্যার এই পরিবর্তন দেশের জন্য এক গভীর সঙ্কট (Chhattisgarh)।”

    আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ

    তিনি এও বলেন, “আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে, আমাদের শ্রদ্ধেয় পিতা কুমার দিলীপ সিং জুদেওজি যে ‘জাতি গঠনের ঘর ওয়াপসি আন্দোলন’ শুরু করেছিলেন, আমরা তা আজীবন এগিয়ে নিয়ে যাব।” প্রবল প্রতাপ জানান, এই অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করা হয় মহর্ষি দয়ানন্দ মঠ ধর্মার্থ ট্রাস্ট, সারাইপালি-কাতাংপালিতে অবস্থিত স্বামী সুমেধানন্দ বৈদিক গুরুকুল এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে। পাঁচদিনব্যাপী ‘সঙ্গীতময় বৈদিক শ্রীরাম কথা ও বিশ্বকল্যাণ মহাযজ্ঞে’র অংশ হিসেবেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল (Chhattisgarh)।

  • Chhattisgarh: নতুন বছরের শুরুতেই নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য, ছত্তিশগড়ে খতম ১৪ মাওবাদী

    Chhattisgarh: নতুন বছরের শুরুতেই নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য, ছত্তিশগড়ে খতম ১৪ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের নতুন বছরে মাওবাদী দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরাট সাফল্য। ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ২টি পৃথক মাওবাদী-বাহিনী সংঘর্ষে ১৪ জন মাওবাদী (Maoist Security) নিহত হয়েছে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে রাজ্যের সুকমা ও বিজাপুর জেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

    লোকাল কমিটির সম্পাদক মাংডুও নিহত (Chhattisgarh)

    স্থানীয় জেলা প্রশাসনের সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ সুকমা (Chhattisgarh) জেলায় এক সংঘর্ষে ১২ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। একই ভাবে পার্শ্ববর্তী বিজাপুরে পৃথক সংঘর্ষে আরও দুইজন মাওবাদী (Maoist Security) নেতা নিহত হয়েছে। জেলা রিজার্ভ গার্ড পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানে ভোর ৫টায় বিজাপুরে এই সংঘর্ষ হয়। এদিনের অভিযানে মৃত মাওবাদীদের মধ্যে সুকমার কোন্টা লোকাল কমিটির সম্পাদক মাংডুও ছিল। অন্যদিকে, পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি ব্যাটেলিয়ন ১-দলের শীর্ষ নেতা কমান্ডার বরসা সুক্কু সহ বেশ কয়েকজন মাওবাদীরা আজ তেলঙ্গানা পুলিশের ডিজি শিবধর রেড্ডির কাছে আত্মসমর্পণ করার কথা।

    এখনও পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি মাওবাদী নিহত

    সুকুমার পুলিশ সুপার কিরণ চৌহান বলেন, “কোন্টা এরিয়া (Chhattisgarh) কমিটির অধীনে কর্মরত সমস্ত মাওবাদীকে (Maoist Security) নির্মূল করা হয়েছে। নকশাল, মাওবাদীদের মতো চরমপন্থী সংগঠনকে নির্মূল করতে কেন্দ্রের মাওবাদী অভিযানকে বাস্তবায়ন করার কাজ চলছে।” উল্লেখ্য ছত্তিশগড়ে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাজ্য এবং কেন্দ্রের যৌথ অভিযানে মাওবাদী ও সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গঠনের ডাক দিয়েছেন। যদিও ইতিমধ্যে ধাপে ধাপে অনেক মাওবাদী পুলিশ প্রশাসনের কাছে নিজেরা আত্মসমর্পণ করেছেন। ২০২৪ সাল থেকে একাধিক অভিযানে এখনও পর্যন্ত ৫০০ জনের বেশি মাওবাদী নিহত হয়েছেন। মাওবাদী প্রভাবিত এলাকায় সেনা এবং পুলিশ সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে ধর্মান্তরিত ব্যক্তির কবরকে ঘিরে বিতর্ক, পালিত হল বনধও

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে ধর্মান্তরিত ব্যক্তির কবরকে ঘিরে বিতর্ক, পালিত হল বনধও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ধর্মান্তরণ এবং কাঁকর জেলায় ধর্মান্তরিত এক ব্যক্তির কবর দেওয়া(দাফন)-কে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের (Burial Dispute) প্রতিবাদে ২৪ ডিসেম্বর, বুধবার রাজ্যজুড়ে পালিত হল বনধ। দিনব্যাপী ডাকা এই বনধে সমর্থন জানিয়েছে ছত্তিশগড় চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং কনফেডারেশন অব অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স।

    বনধ পালিত (Chhattisgarh)

    বনধের জেরে রাজ্যের অধিকাংশ এলাকায় দোকানপাট বন্ধ ছিল। সবজি বাজারও বসেনি। বন্ধ ছিল যান চলাচলও। যাঁরা বনধ ডেকেছেন, তাঁরা কাঁকর জেলায় একটি মিছিলও করেন। প্রশাসনের কাছে জমা দেন স্মারকলিপি। কাঁকর জেলার আমাবেড়া এলাকায় এক সরপঞ্চের (গ্রামপ্রধান) বাবার দাফনকে ঘিরে বড়সড় বিতর্ক শুরু হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর এই বনধের ডাক দেওয়া হয়। গত ১৬ ডিসেম্বর বাদে তেওদা গ্রামের সরপঞ্চ রাজমান সালাম গ্রামবাসীদের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করে গ্রামের সীমানার মধ্যেই তাঁরই একটি জমিতে তাঁর প্রয়াত বাবার দেহ দাফন দেন, যা থেকেই এই বিতর্কের সূত্রপাত।

    গ্রামের সীমানার মধ্যে ওই দাফনে বিতর্ক

    গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গ্রামের সীমানার মধ্যে ওই দাফন পঞ্চম তফসিলের অধীন নিয়মকানুন এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সংক্রান্ত প্রথাগত রীতিনীতির লঙ্ঘন। স্থানীয়রা সরপঞ্চের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তোলেন। অভিযোগ, সরপঞ্চ গ্রামবাসীদের হুমকি দিয়েও দাফন সম্পন্ন করেন। গ্রামবাসীরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন এবং দাফন করা দেহটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। মৃতদেহ দাফনের পরের দিন সকালে কবরের ওপর ইটের গাঁথুনি দেখতে পাওয়ার পর গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। ব্যাপক উত্তেজনা দেখা যায় গ্রামে। শেষ পর্যন্ত শুরু হয় সংঘর্ষ, পাথর ছোড়া। স্থানীয় দু’টি গির্জায় ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। এই সংঘর্ষে একাধিক ব্যক্তি জখম হন (Chhattisgarh)। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশকর্মীও ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন শেষ পর্যন্ত ১৮ ডিসেম্বর মৃত ব্যক্তির দেহ কবর থেকে সরিয়ে নেয়।

    উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি

    ২১ ডিসেম্বর এক সাংবাদিক সম্মেলনে সর্ব সমাজের পদাধিকারীরা ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানান। তাঁদের অভিযোগ, প্রশাসনের পদক্ষেপ ছিল বৈষম্যমূলক। তাঁদের দাবি, প্রশাসন প্রথমে গ্রামবাসীদের আবেদন নিতে অস্বীকার করে এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। এদিকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভকারীরা বলেন, বহিরাগতদের আক্রমণে স্থানীয় বাসিন্দারা জখম হয়েছেন। এতে প্রায় ২৪জন জখম হন।গ্রামসভার অনুমতি ছাড়াই ওই ব্যক্তির দাফন করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তাঁদের বক্তব্য, পঞ্চম তফসিলভুক্ত এলাকায় এই ধরনের অনুমতি বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি, অস্থায়ী গির্জাগুলির কার্যকলাপ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সর্ব সমাজের সদস্যরা হুঁশিয়ারি দেন, প্রশাসন যদি সর্ব সমাজের অধিকার ও সংস্কৃতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে সমাজকে রাস্তায় থেকে আদালত পর্যন্ত নিজের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হতে হবে।

    এর আগে সর্ব সমাজের সদস্যরা ধর্মান্তর ও কাঁকেরের দাফন দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে একদিনের বন্‌ধের কথা ঘোষণা করেছিলেন। সদস্যরা জানান, এটি এই ধরনের একমাত্র ঘটনা নয়, রাজ্যের অন্যান্য জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চল থেকেও একই ধরনের ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসছে। তাঁদের অভিযোগ, খ্রিস্টান মিশনারিদের সঙ্গে যুক্ত ধর্মান্তরকারী গোষ্ঠীগুলি পরিকল্পিতভাবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যার ফলে সমাজে অশান্তি ও বিভাজন তৈরি হচ্ছে (Burial Dispute)। এদিকে, সোমবার সরকার কাঁকের জেলার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অশোক কুমার রাখেচাকে। প্রাক্তন কাঁকের এসপি ইন্দিরা কল্যাণ এলেসেলারের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। ইন্দিরা কল্যাণ এলেসেলাকে ছত্তিশগঢ় সশস্ত্র পুলিশের সুরগুজা রেঞ্জের ডিআইজির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (Chhattisgarh)।

  • Chhattisgarh: আদিবাসী ও ধর্মান্তরিত খ্রীস্টানদের সংঘর্ষে উত্তাল ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের

    Chhattisgarh: আদিবাসী ও ধর্মান্তরিত খ্রীস্টানদের সংঘর্ষে উত্তাল ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) কাঙ্কের জেলায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিতদের মধ্যে সমাধি প্রথা নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ এবং উত্তেজনা তীব্রতর রূপ নিয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা একটি গির্জা ভাঙচুর (Vandalized Church) করে এবং এরপর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজন জেলার একটি গ্রামের শীতলা মাতা মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ঘটায়। দুই পক্ষের সংঘর্ষে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন (Chhattisgarh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা প্রথমে মন্দিরে (Chhattisgarh) প্রবেশ করে এবং এরপর প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ ইতিমধ্যে একটি মামলা নথিভুক্ত করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। তবে যে গ্রামে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে স্থানীয় ধর্মের লোকজন যে এই কাজের নেতৃত্ব দেননি এই বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে। যারা হামলা করেছে তাদের মধ্যে খ্রিষ্টান এবং অন্য ধর্মান্তরিতদেরকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দায়ের করা মামলায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

    গত ১৮ ডিসেম্বর, কাঁকের জেলার আমাবেদা (Chhattisgarh) এলাকার অন্তর্গত বাদেতেভদা গ্রামে আদিবাসী সম্প্রদায় এবং ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে সমাধি প্রথাকে কেন্দ্র করে বিবাদ ব্যাপক হিংসাত্মক রূপ নিয়েছিল। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ (Vandalized Church) হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চামরা রাম সালামের মৃত্যুর পর, পঞ্চায়েত প্রধান রাজমান সালাম, যিনি আবার খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তিনি উপজাতীয় রীতিনীতি উপেক্ষা করে তাঁর বাবাকে সকলের জন্য ব্যবহৃত জমিতে সমাহিত করেন। আর এখানেই বাধে বিরোধ। ভিন্ন ধর্মে ধর্মান্তিরতরা কেন আদিবাসীদের জায়গা দখল করবেন?

    প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন

    সমাধির খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এটিকে তাদের ঐতিহ্য এবং সামাজিক রীতিনীতির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করা হয়। তারা প্রশাসনের কাছে মৃতদেহটি কবর থেকে তোলার দাবিও জানান। এই দাবিতে দুই দিন ধরে বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল, কিন্তু কোনও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় এবং আন্দোলন ধীরে ধীরে হিংসাত্মক (Vandalized Church) হয়ে ওঠে।

    গ্রামের একটি গির্জায় (Chhattisgarh) আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে আশেপাশের এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ আমাবেদায় জড়ো হন। আনুমানিক ৩,০০০ জনেরও বেশি লোক জড়ো হয়েছিল, যার পরে আমাবেদায় আরেকটি গির্জাও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে পুলিশ কর্মী সহ ২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

  • Top Maoist Surrender: মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা! ছত্তিশগড়ে ১১ মাওবাদী সহ আত্মসমর্পণ সেন্ট্রাল কমিটির নেতা রামধের মাজ্জির

    Top Maoist Surrender: মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা! ছত্তিশগড়ে ১১ মাওবাদী সহ আত্মসমর্পণ সেন্ট্রাল কমিটির নেতা রামধের মাজ্জির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র নেতা-কর্মীদের বার বার মূলস্রোতে ফিরে আসার বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানিয়েছেন, দেশকে ২০২৬ সালেই মাওবাদী মুক্ত করবেন। তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বড় সাফল্য এনে দিল ছত্তিশগড়ের খৈরাগড়–ছুইখাদান–গণ্ডাই জেলা। আত্মসমর্পণ করল মোট ১২ জন মাওবাদী। এদের মধ্যে রয়েছে অন্যতম কুখ্যাত রামধের মাজ্জি, যার মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা। রামধের সেন্ট্রাল কমিটি সদস্য (CCM)। মাও-বিরোধী অভিযানে বিরাট সাফল্য পেয়েছে মধ্যপ্রদেশও। অস্ত্র থেকে সমাজের মূল স্রোতে ফিরেছেন মোস্ট ওয়ান্টেড ১০ জন মাওবাদী। যৌথভাবে যাদের মাথার দাম ছিল ২.৩৬ কোটি টাকা। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের উপস্থিতিতে সম্পন্ন হয় আত্মসমর্পণ কর্মসূচি।

    ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণ মাওবাদী নেতাদের

    বকরকাটা থানায় আত্মসমর্পণের এই ঘটনাকে এমএমসি (মহারাষ্ট্র–মধ্যপ্রদেশ–ছত্তিশগড়) জোনে মাওবাদী নেটওয়ার্কের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে তিন রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সামনে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকা রামধের মাজ্জি তার সহযোগী ডিভিশনাল কমিটি সদস্যদের সঙ্গে উপস্থিত হয়ে অস্ত্র সমর্পণ করেন। তার সঙ্গে আত্মসমর্পণ করেছে এসিএম রামসিং দাদা এবংএসিএম সুকেশ পোত্তমও। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে ছয়জন মহিলা মাওবাদীও রয়েছেন—লক্ষ্মী, শীলা, যোগিতা, কবিতা এবং সাগর। এছাড়া ডিভিশনাল কমিটি সদস্য ললিতা ও জানকিও আত্মসমর্পণ করেছে। উল্লেখযোগ্যদের তালিকায় আরও রয়েছেন ডিভিসিএম চান্দু উসেন্দি এবং প্রেম।

    মাওবাদী সংগঠনের কাঠামো ভাঙার ইঙ্গিত 

    পুলিশ সূত্রে খবর, এই মাওবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে মহারাষ্ট্র–মধ্যপ্রদেশ–ছত্তিশগড় বিশেষ জোনাল কমিটির এলাকায় সক্রিয় থাকলেও টানা নিরাপত্তা অভিযান ও সরকারি পুনর্বাসন কর্মসূচির চাপে তারা দুর্বল হতে শুরু করে। রামধের মাজ্জির আত্মসমর্পণকে তাই একটি ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে দেখছেন কর্মকর্তারা। তাদের মতে, তার সিদ্ধান্তের পর এমএমসি জোন কার্যত ভেঙে পড়েছে। বছরের পর বছর ঘন জঙ্গল ও দুর্গম এলাকায় ঘাঁটি তৈরি করে থাকা মাওবাদীদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান জোরদার হওয়ার ফলে সাম্প্রতিক সময়ে তাদের অবস্থান দুর্বল হয়েছে। উচ্চপদস্থ মাও নেতাদের এমন বড়মাপের আত্মসমর্পণ মাওবাদী সংগঠনের কাঠামো ভাঙার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

    মধ্যপ্রদেশে আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের

    মধ্যপ্রদেশের মান্ডলা জেলাকেও মাওবাদীমুক্ত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে মাওবাদীদের আত্মসমর্পণের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, ‘পুনর্বাসন পুনর্জীবন’ প্রকল্পের আওতায় চার মহিলা-সহ মোট ১০ জন মাওবাদী রবিবার বালাঘাটে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে মূল স্রোতে ফিরেছেন। এই সাফল্য সুশাসনের শক্তি, পোক্ত আইনি ব্যবস্থা ও উন্নয়নের উপর বিশ্বাসের সুফল।’ একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “মাওবাদীদের স্বাভাবিক জীবনে গত জানুয়ারি মাস থেকে লাগাতার প্রচার চালানো হচ্ছিল। অবশেষে তাঁরই সুফল মিলেছে। বর্তমানে দিনদোরি এবং মান্ডলা পুরোপুরি মাওবাদীমুক্ত। পাশাপাশি আরও জানান, “সরকারের ডাকে সাড়া দিয়ে হিংসার রাস্তা থেকে যারা ফিরে আসবে, সরকার তাঁদের পুনর্বাসনের জন্য একাধিক উদ্যোগ নেবে। আর যারা ফিরবে না, তাঁদের জন্য ভয়ংকর কিছু অপেক্ষা করছে।”

    মাওবাদীদের থেকে উদ্ধার বিপুল অস্ত্র

    জানা যাচ্ছে, যে ১০ জন মাওবাদী এদিন আত্মসমর্পণ করেন তারা মহারাষ্ট্র-মধ্যপ্রদেশ-ছত্তিশগড় জোনের শীর্ষ মাও-কমান্ডার। এদের যৌথ মাথার দাম ছিল ২ কোটি ৩৬ লক্ষ টাকা। আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছে মোস্ট ওয়ান্টেড কবীর ওরফে সোম। ওই ডিভিশনের সাব-জোনাল কমিটির সেক্রেটারি কবিরের মাথার দাম ছিল ৬২ লক্ষ টাকা। এছাড়াও আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে রয়েছেন মাও নেতা রাকেশ ওরফে মণীশ। এই নেতারও মাথার দাম ছিল ৬২ লক্ষ। আত্মসমর্পণের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্রও পুলিশের কাছে জমা দেন মাওবাদীরা। যে তালিকায় ছিল, একটি একে-৪৭, দুটি ইনসাস রাইফেল, দুটি সিঙ্গেল শট রাইফেল, একটি সেলফ লোডিং রাইফেল, ৭টি ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার সেলস, ৫টি ডিটোনেটর, ৪টি ওয়াকিটকি ও ১০০-র বেশি কার্তুজ।

  • Chhattisgarh: ভূপতি ও রূপেশের পর মাওবাদী নেতা রামধনও করতে পারেন আত্মসমর্পণ

    Chhattisgarh: ভূপতি ও রূপেশের পর মাওবাদী নেতা রামধনও করতে পারেন আত্মসমর্পণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) ভূপতি এবং রূপেশের পর বস্তারে অস্ত্র সমর্পণ করার সম্ভাবনা রয়েছে আরও এক শীর্ষ মাওবাদী নেতার। প্রধান নেতৃত্বদের মধ্যে মাওবাদী (Maoist) কমান্ডার রামধনের নিরাপত্তারক্ষীরা ইতিমধ্যে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করেছেন। ৩০-৪০ জন মাওবাদী অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করবেন বলে জানা গিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন আবুঝামাদ-সহ উত্তরের বস্তার অঞ্চল মাওবাদী প্রভাব মুক্ত হয়েছে।

    ২৫০ জনের বেশি কট্টর মাওবাদীর অস্ত্র সমর্পণ (Chhattisgarh)

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তার এবং মহারাষ্ট্রের গড়চিরোলি জেলা প্রশাসনের কাছে ২৫০ জনেরও বেশি কট্টর মাওবাদী অস্ত্র সমর্পণ করার পরই এই খবর আসে। তবে এই জেলা দীর্ঘদিন মাওবাদীদের কুখ্যাত শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। যেসব মাওবাদী (Maoist) নেতা আত্মসমর্পণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ছিলেন মাল্লুজুলা বেণুগোপাল রাও ওরফে ভূপতি। তিনি অবশ্য নিষিদ্ধ সিপিআইএম মাওবাদীর পলিটব্যুরো সদস্য এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। রূপেশ নিজেও উচ্চপদের মাওবাদী নেতা ছিলেন। তবে সেনাবাহিনীর মাওবাদী দমন অভিযান গত কয়েক মাসে বিরাট সাফল্য এসেছে। তবে উল্লেখ্যযোগ্য পদক্ষেপ হল মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ করিয়ে তাঁদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনা।

    রামধনের কর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ হয়েছে

    ভূপতি এবং রূপেশের আত্মসমর্পণের পর মাদ অঞ্চলে আরও এক প্রধান মাওবাদী নেতার অস্ত্র সমর্পণের ইঙ্গিত মিলেছে। সূত্রের খবর, মাওবাদীদের (Maoist) সিসিএম রামধনের কর্মীদের সঙ্গেও যোগাযোগ হয়েছে। খুব দ্রুত যে কোনও সময়ে অস্ত্রসমর্পণ করতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। এই কুখ্যাত নেতা রামধনের উত্তর বস্তার অঞ্চলে সক্রিয় ছিলেন এবং তাঁর মাথার দাম ছিল বিরাট অঙ্কের টাকা। তিনি কাঙ্কের জেলার পানখাঢঞ্জুরের কাছে মাহলা ক্যাম্পের (Chhattisgarh) কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

    উদ্ধার হয়েছিল অস্ত্র

    অক্টোবরেই ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) জগদলপুরে ১১০ জন মহিলা ক্যাডার এবং ৯৮ জন পুরুষ মাওবাদী (Maoist) আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মাওবাদী নেতা ছিলেন ভাস্কর ওরফে রাজমান মান্ডভি, রনিতা, রাজু সালাম, ধন্নু ভেট্টি। তাঁদের মধ্যে অনেকেই আবার দন্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটি, রতন এলম অঞ্চলিক কমিটির সদস্য। তাঁদের কাছে পাওয়া অস্ত্রগুলির মধ্যে ছিল ১৯টি একে-৪৭, ১৭টি এসএলআর রাইফেল, ২৩টি আইএনএসএ রাইফেল, একটি আইএনএসএএস এলএমজি, ৩৬টি ৩০৩ রাইফেল, চারটি কার্বাইন, ১১টি বিজিইএল লঞ্চার, ৪১টি বারো-বোর বা সিঙ্গেল শট বন্দুক এবং একটি পিস্তল।

  • Amit Shah: ‘মাওবাদীদের সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনার সম্ভাবনাই নেই’, সাফ জানালেন শাহ

    Amit Shah: ‘মাওবাদীদের সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনার সম্ভাবনাই নেই’, সাফ জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদীদের (Maoists) সঙ্গে কোনও ধরনের আলোচনার সম্ভাবনাই নাকচ করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের অস্ত্র সমর্পণ করে সরকারের আকর্ষণীয় আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসন নীতি গ্রহণ করতে হবে। ছত্তিশগড়ের বস্তার জেলার সদর জগদলপুরে অনুষ্ঠিত ‘বস্তার দুর্গা উৎসব’ ও ‘স্বদেশি মেলা’য় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “৩১ মার্চ, ২০২৬-কে মাওবাদী সমস্যার অবসানের সময়সীমা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।”

    কী বললেন অমিত শাহ? (Amit Shah)

    শাহ বলেন, “আমি আমার সমস্ত আদিবাসী ভাই-বোনেদের বলতে চাই, আপনারা আপনাদের গ্রামের তরুণদের বোঝান যেন তারা অস্ত্র ত্যাগ করে। তারা যেন হিংসার পথ ছেড়ে সমাজের মূলধারায় ফিরে আসে এবং বস্তার অঞ্চলের উন্নয়নের অংশীদার হয়।” মাওবাদীদের সতর্ক করে দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মাওবাদীরা যদি বস্তারে শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করে, তবে তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে সিআরপিএফ ও ছত্তিশগড়ের পুলিশের মতো নিরাপত্তা বাহিনী।” তিনি জানান, তিনি এখানে মা দন্তেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেছেন এবং প্রার্থনা করেছেন যাতে নিরাপত্তা বাহিনী আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে পুরো বস্তার অঞ্চলকে লাল সন্ত্রাস মুক্ত করার শক্তি অর্জন করে।

    অস্ত্র নামিয়ে রাখুন

    উল্লেখ্য যে, ২০২৩ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর ছত্তিশগড়ে মাওবাদবিরোধী অভিযান জোরদার হয়। গত বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনী একাধিক অভিযানে ৪৫০ জনেরও বেশি মাওবাদীকে হত্যা করেছে, যার বেশিরভাগই ঘটেছে বস্তার অঞ্চলে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ মাওবাদীদের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। আমি আবারও স্পষ্ট করে বলতে চাই যে ছত্তিশগড় ও কেন্দ্র – উভয় সরকারই বস্তার ও মাও-প্রভাবিত সমস্ত অঞ্চলের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আলোচনার মতো কী আছে? আত্মসমর্পণ ও পুনর্বাসনের জন্য আকর্ষণীয় একটি নীতি চালু করা হয়েছে। সামনে আসুন এবং আপনারা অস্ত্র নামিয়ে রাখুন।”

    উন্নয়ন যজ্ঞ চলছে

    তিনি আরও (Amit Shah) বলেন, “দিল্লির কিছু মানুষ বহু বছর ধরে ভুল তথ্য ছড়িয়েছেন যে মাওবাদ জন্মেছিল উন্নয়নের জন্য লড়াই হিসেবে। কিন্তু আমি আমার আদিবাসী ভাইদের বলতে এসেছি গোটা বস্তারকে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। এর মূল কারণই হল নকশালবাদ।” শাহ বলেন, “আজ ভারতে বিদ্যুৎ, পানীয় জল, রাস্তা, ঘরে ঘরে শৌচাগার, ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিমা এবং ৫ কেজি করে বিনামূল্যের চাল দেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছে গিয়েছে, কিন্তু বস্তার এমন উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে (Amit Shah)।”

    তিনি বলেন, “ছত্তিশগড় সরকার দেশের মধ্যে সর্বোত্তম আত্মসমর্পণ নীতি প্রণয়ন করেছে। এক মাসের মধ্যেই ৫০০ জনের বেশি আত্মসমর্পণ করেছে। সবারই আত্মসমর্পণ করা উচিত। একটি গ্রাম মাওবাদ মুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্য সরকার সেই গ্রামকে উন্নয়নের জন্য ১ কোটি টাকা দেবে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নরেন্দ্র মোদি সরকার গত ১০ বছরে ছত্তিশগড়কে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য ৪ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর পর মাওবাদ আপনার এলাকার উন্নয়নকে আর থামাতে পারবে না। তারা আপনাদের অধিকারও (Maoists) কেড়ে নিতে পারবে না (Amit Shah)।”

  • Maoist Killed in Chhattisgarh: আগামী মার্চেই মাওবাদী মুক্ত হবে দেশ, ছত্তিশগড়ে বাহিনীর সাফল্যকে কুর্নিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের

    Maoist Killed in Chhattisgarh: আগামী মার্চেই মাওবাদী মুক্ত হবে দেশ, ছত্তিশগড়ে বাহিনীর সাফল্যকে কুর্নিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনে ফের বড় সাফল্য় পেল নিরাপত্তা বাহিনী ৷ গুলির লড়াইয়ে নিহত মাওবাদী (Maoist Killed in Chhattisgarh) কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মনোজ। বৃহস্পতিবার, ছত্তিশগড়ের গারিয়াবন্দ জেলায় একটি অভিযানে আরও ৯ জন নকশালপন্থীকে খতম করেছে পুলিশ। মাওবাদী নেতা মনোজ অনেকের কাছে মোডেম বালাকৃষ্ণ নামেও পরিচিত ছিল। তার মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, মনোজ থেকে শুরু করে বালানা, রামচন্দর ও ভাস্কর-সহ একাধিক নাম ব্যবহার করে নানা ধরনের নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বালাকৃষ্ণ৷ তাকে খতম করা অবশ্য়ই নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে একটি বড় সাফল্য ৷ নিরপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)৷

    নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে খবর মেলে মইনপুর জঙ্গলে মাওবাদীরা ঘাঁটি গেড়েছে। রাতেই অভিযান শুরু করে পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মাওবাদীদের সঙ্গে শুরু হয় গুলির লড়াই। তখনই মোট ১০ জন মাওবাদী নিহত হয়। তার মধ্যেই অনেকেই প্রবীণ নেতা। যাদের অন্যতম হল কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মনোজ ওরফে মোডেম বালাকৃষ্ণ। যার মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। উল্লেখ্য, এদিনই খবর এসেছে যে ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ করেছে ১৬ মাওবাদী। বুধবার রাতে বস্তারের নারায়ণপুরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা।

    শাহি ফরমান

    নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৷ এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আবারও একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে ৷ কোবরা কমান্ডোদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন ছত্তিশগড় পুলিশের কর্মীরা ৷ তাতে ১০ জনের প্রাণ গিয়েছে ৷ এই তালিকায় ছিল মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য় মডেম বালাকৃষ্ণ ওরফে মনোজ ৷ তার মাথার দাম ছিল কোটি টাকা !’’ অমিত শাহ মনে করেন, এখনও যে সমস্ত মাওবাদীরা সন্ত্রাসের পথে আছে তাদের আত্মসমর্পণ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসা উচিত ৷ এদিন আরও একবার ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীদের সম্পূর্ণরূপে নিকেশ করার কথা মনে করিয়ে দেন তিনি ৷

    মাও দমনে তৎপর কেন্দ্র

    দেশে মাওবাদী কার্যকলাপ সম্পর্ণরূপে বন্ধ করতে ইতিমধ্য়েই তৎপরতা দেখিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্প্রতীক অতীতেও একাধিকবার জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত থেকে মাওবাদীদের অস্বিত্ব মুছে দেওয়া তাঁদের লক্ষ্য ৷ ঘোষণার পর থেকেই ছত্তিশগড় থেকে শুরু করে ঝাড়খণ্ডের মতো জায়গায় আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছে বাহিনী ৷ কখনও অভিযান করে মাওবাদীদের নিকেশ করা হচ্ছে, কখনও আবার তাঁদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে ৷ বহু মাওবদী ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণ করেছে ৷ বাকিরাও যাতে দ্রুত এই পথে হাঁটে তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার ৷

LinkedIn
Share