Tag: Chhattisgarh

Chhattisgarh

  • Chhattisgarh: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিষ্ণু দেও সাই

    Chhattisgarh: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিষ্ণু দেও সাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদী নিকেশ, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা দেশ-বিরোধী শক্তিকে কড়া হাতে দমন করতে সেনাকর্মীদের সাহসিকতাকে বিশেষ ভাবে জোর দিয়েছেন তিনি। নিরাপত্তা এবং সুরক্ষাকে দৃঢ় করে নাগরিক জীবনকে নিরাপদ করাই যে রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রধান লক্ষ্য, সেই কথাও এদিন নিজের ভাষণে উল্লেখ করলেন এই মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘বাহিনীর ক্যাম্পে সময় কাটিয়েছি আমি’ (Chhattisgarh)

    গত ২৪ নভেম্বর, রবিবার ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) মাওবাদী দমনে সেনা জওয়ান এবং স্থানীয় প্রশাসনের কৃতিত্বকে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু (Vishnu Deo Sai)। নাগরিক সমাজের কাছে ভয়ের বাতাবরণকে মুক্ত করার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যে সরকার গঠনের পর থেকেই নিরাপত্তা বাহিনী মাওবাদীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে লড়াই করে যাচ্ছেন। মাওবাদী এবং নকশালদের নির্মূল করাই আমাদের প্রধান এবং একমাত্র লক্ষ্য। আমি নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটাতে চেয়েছিলাম। তাঁরা ঠিক কোন পরিস্থিতি এবং কতটা ঝুঁকির মধ্যে অপারেশন করেন, সেই দিকে নজর রাখতে চেয়েছিলাম। এরপর আমি একটি বাহিনীর ক্যাম্পে সময় কাটিয়েছি। সেখানে আমি একটি বৃক্ষের চারা গাছও রোপণ করেছিলাম। আমার অভিজ্ঞতা অত্যন্ত অভিনব ছিল। আমি তাঁদের স্যালুট জানাই, গত ১১ মাসে ২১০ জনের বেশি মাওবাদীকে খতম করেছে বাহিনী।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘মতাদর্শ আলাদা হতে পারে, দেশের স্বার্থ সবার ঊর্ধ্বে’’, বললেন লোকসভার অধ্যক্ষ

    মাওবাদী দমনে জিরো টলারেন্স নীতি

    উল্লেখ্য গত ২২ নভেম্বর শুক্রবার, সুকমা (Chhattisgarh) জেলায় একটি সেনা অভিযানে কমপক্ষে ১০ জন মাওবাদীকে নির্মূল করা হয়েছে। সেনা কর্মীদের এই কাজেও ব্যাপক ভাবে প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই (Vishnu Deo Sai)। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে বলেন, “নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ অত্যন্ত প্রশংসারযোগ্য। রাজ্য সরকার মাওবাদী দমনে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। বস্তার অঞ্চলের উন্নয়ন, শান্তি এবং সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা আমাদের সরকারের অগ্রাধিকার।” উল্লেখ্য আবার গত ২০ নভেম্বর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাওবাদী দমনের অগ্রগতির পর্যালোচনা করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তিনি তারপর আশা প্রকাশ করে বলেন, “আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে রাজ্যজুড়ে চলা লাল সন্ত্রাস মুক্ত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh Waqf Board: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    Chhattisgarh Waqf Board: শুক্রবারের ‘খুতবা’ দিতে হলে আগাম অনুমতি নিতে হবে, ছত্তিশগড়ের মসজিদগুলিকে নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নজিরবিহীন নির্দেশ ছত্তিশগড় ওয়াকফ বোর্ডের (Chhattisgarh Waqf Board)! তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শুক্রবার নমাজ আদায়ের সময় দেওয়া সমস্ত ধর্মীয় বক্তব্যের আগাম অনুমোদন করাতে হবে (BJP)। রাজনৈতিক অশান্তি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলেও জানিয়ে দিয়েছে ওয়াকফ বোর্ড। বোর্ডের চেয়ারম্যান সলিম রাজ একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলেন, “মসজিদে দেওয়া ভাষণ হওয়া উচিত কেবল ইসলামি শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে। বক্তৃতায় রাজনৈতিক বিষয় এড়িয়ে চলা উচিত।”

    কী বলছেন ওয়াকফ বোর্ড প্রধান? (Chhattisgarh Waqf Board)

    গত মাসেই ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন সলিম। তিনি রাজ্যে বিজেপি-র সংখ্যালঘু শাখার প্রধানও। হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। সলিম বলেন, “ধর্মীয় স্থানগুলোকে রাজনৈতিক আড্ডায় পরিণত করা উচিত নয়। রাজনীতি রাজনীতিবিদদের জন্য, আর খুতবা (ধর্মীয় বক্তব্য) শুধুমাত্র ইসলাম ও আল্লাহ্-র বার্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।”

    সরকার বিরোধী বক্তব্য

    জানা গিয়েছে, বোর্ড ৩ হাজার ৮০০টি মসজিদে এই নির্দেশ কার্যকর করার পরিকল্পনা করেছে। এটি শুরু হবে এই শুক্রবার থেকেই। সলিম জানান, এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে কিছু মসজিদে সরকার-বিরোধী বক্তব্যের অভিযোগ পাওয়ার পরে। এই অভিযোগ এসেছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে। সলিমের এই নির্দেশের কড়া সমালোচনা করেছে বিরোধী দলগুলি। এআইএমআইএমের পাশাপাশি কংগ্রেসও রয়েছে সমালোচকদের মধ্যে। এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি সলিমের এই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করেছেন।

    তাঁর দাবি, এটি (Chhattisgarh Waqf Board) সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে, যা ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেয়। তিনি বলেন, “ওয়াকফ বোর্ডের খুতবার আগে (Chhattisgarh Waqf Board) অনুমোদন নেওয়ার আইনি কোনও ক্ষমতা নেই। থাকলেও এটি অসাংবিধানিক হবে।” সমালোচনা করেছে কংগ্রেসও। তাদের বক্তব্য, এটি বাকস্বাধীনতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ। দলের মুখপাত্র সুশীল আনন্দ শুক্লা বলেন, “ওয়াকফ বোর্ড সম্পত্তি পরিচালনা করে। কিন্তু মসজিদে প্রদত্ত খুতবার বিষয়বস্তু নির্ধারণের কোনও ক্ষমতা তাদের নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘‘এক দশকে দেশের ২৫ কোটি মানুষের দারিদ্রতা দূর করা গিয়েছে’’, জি২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    বিজেপির মুখপাত্র তৌকির রাজার বক্তব্য, ধর্মীয় স্থানে অবাধ রাজনৈতিক বক্তব্য উত্তেজনা বাড়াতে পারে। কাশ্মীরের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “সেখানে ফতোয়া হিংসকে উৎসাহিত করেছে, যার ফলে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর আক্রমণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা নিশ্চিত করছি যে (BJP) মসজিদগুলি যেন রাষ্ট্রবিরোধী বা বিতর্কিত কার্যক্রমে ব্যবহৃত না হয় (Chhattisgarh Waqf Board)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
     
  • Chhattisgarh: ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ ছবিকে করমুক্ত ঘোষণা করলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই

    Chhattisgarh: ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ ছবিকে করমুক্ত ঘোষণা করলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোধরায় করসেবক ভর্তি ট্রেন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হিন্দি সিনেমা ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’-কে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) সরকার করমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি সরকারি বিবৃতি দিয়ে একথা জানানো হয়েছে।

     ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন? (Chhattisgarh)

    ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ ছবিকে করমুক্ত করার কথা ঘোষণা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই সিনেমাটি দেখা উচিত। কারণ কেবলমাত্র অতীতের অধ্যয়নই আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যত সম্পর্কে আরও ভালো দিক নির্দেশনা দিতে পারে। সিনেমাটিতে সংবেদনশীলতার সঙ্গে বেদনাদায়ক ঘটনাটি উপস্থাপন করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “এই সিনেমাটি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।  ইতিহাসের ভয়ঙ্কর সত্যকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সিনেমাটিতে বাস্তব ঘটনাটি তুলে ধরা হয়েছে।” প্রসঙ্গত, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত বিক্রান্ত ম্যাসি অভিনীত ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’-এর প্রশংসা করেছিলেন। এই সিনেমাটি ২০০২ সালের গোধরা ট্রেন-কোচ পোড়ানোর ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত। প্রধানমন্ত্রী একজন এক্স ব্যবহারকারীকে উত্তর দিয়েছিলেন, যিনি সিনেমাটির প্রশংসা করেছিলেন। তাঁকে ছবিটির ট্রেলারের একটি ভিডিও দিয়ে ট্যাগ করেছিলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “ভালো বলেছেন। এটা ভালো যে এই সত্য বেরিয়ে আসছে এবং সেটাও সাধারণ মানুষ দেখতে পাচ্ছে। একটি জাল বর্ণনা শুধুমাত্র একটি সীমিত সময়ের জন্য চলতে পারে। অবশেষে, সত্য সবসময় বেরিয়ে আসবে!”  

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    একতা কাপুর কী বললেন?

    সিনেমাটি ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি গোধরা স্টেশন (গুজরাট) এর কাছে সবরমতি এক্সপ্রেসের এস-৬ কোচ পোড়ানোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। অযোধ্যা থেকে ফিরে আসা কমপক্ষে ৫৯ হিন্দু ধর্মাবলম্বী এই ঘটনায় পুড়ে মারা গিয়েছিলেন, যার ফলে দাঙ্গা শুরু হয়েছিল। মর্মান্তিক ঘটনার সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ধীরাজ সারনা পরিচালনা করেছেন। শোভা কাপুর, একতা আর কাপুর, অমুল ভি মোহন এবং আনশুল মোহন প্রযোজনা করেছেন এই সিনেমাটি। ট্রেলার লঞ্চ ইভেন্টের সময় চলচ্চিত্র নির্মাতা একতা কাপুর ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’  (The Sabarmati Report) সম্পর্কে কথা বলেছেন এবং কেন তিনি গল্পটি মানুষের কাছে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। একতা বলেন, “সিনেমাটিতে মর্মান্তিক ঘটনা এবং এর উৎপত্তি সম্পর্কে অজানা তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে ফের বড় সাফল্য বাহিনীর, বস্তারের অবুঝমাড় জঙ্গলে খতম ৫ মাওবাদী

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে ফের বড় সাফল্য বাহিনীর, বস্তারের অবুঝমাড় জঙ্গলে খতম ৫ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে (Chhattisgarh) মাওবাদী দমন অভিযানে ফের বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। শনিবার সকালেই বস্তারের অবুঝমাড় জঙ্গলে জওয়ানদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ মাওবাদীর। নিহত মাওবাদীদের (Maoists) কাছ থেকে ৫টি স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তবে গুলির লড়াইয়ের জখম হয়েছেন দুই জওয়ানও। জানা গিয়েছে, বর্তমানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে রায়পুরে। প্রসঙ্গত, গত অক্টোবরের ৪ তারিখে বস্তারের জঙ্গলেই বাহিনীর গুলিতে নিহত হয় ৩১ মাওবাদী। গত ১ বছরে এই জঙ্গলে ১৯৭ জন মাওবাদী খতম হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    প্রথমেই এলাকা ঘিরে ফেলেন জওয়ানরা

    গোপন সূত্র মারফত, ওই জঙ্গলে (Chhattisgarh) মাওবাদীদের উপস্থিতির খবর পায় বাহিনী। সেই মতো শনিবার সকাল থেকেই অভিযান শুরু হয়। প্রথমেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেন জওয়ানরা। জানা যায়, এই সময়ই (সকাল ৮টা নাগাদ) গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। পাল্টা জবাব দিতে আরম্ভ করে নিরাপত্তা বাহিনীও। এই গুলির লড়াইয়েই ৫ মাওবাদী খতম হয়। অন্যদিকে, মাওবাদীদের (Maoists) ছোড়া গুলিতে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের (ডিআরজি) দুই জওয়ান জখম হন। তাঁদের কপ্টারে করে রায়পুরে নিয়ে যাওয়া হয়।

    আরও পড়ুনঃ সিঁদুর সরিয়ে মহিলাদের কপালে ক্রস, বিহারে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ মিশনারি

    কী বলছেন বস্তার রেঞ্জের আইজিপি পি সুন্দররাজ?

    বস্তার রেঞ্জের (Chhattisgarh) আইজিপি পি সুন্দররাজ এনিয়ে বলেন, ‘‘তল্লাশি অভিযান এখনও চলছে। মাঝে মাঝে জঙ্গলের ভিতর থেকে মাওবাদীরা গুলি চালাচ্ছে।’’ (প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত) তিনি সংবাদমাধ্যমকে আরও জানিয়েছেন, কাঙ্কের ও অবুঝমাড়ের উত্তরে জঙ্গলে মাওবাদীদের (Chhattisgarh) উপস্থিতি নিয়ে তাঁরা গোপন সূত্রে তথ্য পান। তারপরই অপারেশনে নামে ডিআরজি, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং বিএসএফ।

    টানা চার ঘণ্টা গুলির লড়াই চলার পরই মাওবাদীরা পিছু হঠতে থাকে

    জানা গিয়েছে, টানা চার ঘণ্টা গুলির লড়াই চলার পরই মাওবাদীরা পিছু হঠতে থাকে। তারপরেই সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় পাঁচজন মাওবাদীর দেহ। প্রসঙ্গত, অবুঝমাড়ের ওই জঙ্গলের আয়তন গোয়ার থেকেও বড়। একসময় এই ঘন জঙ্গল এলাকা মাওবাদীদের দুর্গ ছিল। এর অনেকটা অংশ বিজাপুর, দান্তেওয়াড়া এবং কাঙ্কের ও মহারাষ্ট্রর মধ্যে পড়ে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ghar Wapsi: ছত্তিশগড়ে ‘ঘর ওয়াপসি’, অন্য ধর্ম ত্যাগ করে ৩৫০ জন ফিরলেন সনাতন ধর্মে

    Ghar Wapsi: ছত্তিশগড়ে ‘ঘর ওয়াপসি’, অন্য ধর্ম ত্যাগ করে ৩৫০ জন ফিরলেন সনাতন ধর্মে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে অন্যান্য ধর্ম ত্যাগ করে ৩৫০ জন ব্যক্তি সনাতন ধর্মে ফিরে এসেছেন। উল্লেখ্য তাঁদের ধর্মান্তরিত করার জন্য বিভ্রান্ত করা হয়েছিল। সাময়িক ভাবে নিজের শেকড় থেকে বিছিন্ন হলেও সনাতন ধর্মের আধ্যাত্মিক শিকড়ের কারণে ‘ঘর ওয়াপসি’ (Ghar Wapsi) হয়েছেন। 

    ‘বাঁচো এবং বাঁচতে দাও’(Ghar Wapsi)

    রায়পুরের বিটি গ্রাউন্ডে রবিবার একটি সন্ত প্রবুদ্ধ জন সম্মলেনের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ ভারতের বিশিষ্ট ধর্মগুরু উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ধর্মগুরু এবং সন্ত সমাজের নেতারা ক্রমবর্ধমান হিন্দুধর্মের উপর বিধর্মী কূচক্রীদের আগ্রাসনের কথা তুলে ধরেন। সেই সঙ্গে ধর্মান্তকরণ এবং হিন্দু ধর্মের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এই কর্মযজ্ঞে ৩০০ জন সাধক সনাতন ধর্মের সেবায় দীক্ষা গ্রহণ করেন। অপরদিকে একই ভাবে আরও ৩৫০ জন, যাঁরা আগে অন্যধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছিলেন, তাঁরাও ‘ঘর ওয়াপসি’ করেন, অর্থাৎ পুনরায় আবার সনাতন ধর্ম (Ghar Wapsi) গ্রহণ করেন। এদিন অনুষ্ঠানে ধর্মগুরুরা বলেন, ‘বাঁচো এবং বাঁচতে দাও।’

    আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রের ভোটে প্রভাব ফেলছে অনুপ্রবেশকারী মুসলমানরা! বলছে সমীক্ষা

    হিন্দু ধর্মের পুনঃজাগরণ

    উল্লেখ্য, এই রাজ্যে ‘ঘর ওয়াপসি’ অনুষ্ঠানের ঘটনা আগেও হয়েছে। ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের জেলার রামনগরে এই মাসের শুরুতে আরও একটি অনুষ্ঠান হয়েছিল। সেখানে ৩ নভেম্বর মা ভুবনেশ্বরী জনকল্যাণ সমিতি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রায় ১১টি পরিবার হিন্দু ধর্মে ফিরে আসেন। একই ভাবে বলরামপুর জেলার কান্ডারি গ্রামে বনবাসী রামকথা এবং মহাযজ্ঞের সমাপনী অনুষ্ঠানে ৫০টির বেশি পরিবারের শত শত লোক সনাতন ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। এই কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আচার্য সদানন্দজি মহারাজ। তিনি এই অনুষ্ঠানে শ্রীরামের জীবনীর উপর আধ্যাত্মিক দর্শন সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। জানা গিয়েছে, মিথ্যা প্রলোভন, অসত্য কথন এবং দুর্বলতার সুযোগে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হয়। সম্প্রতি এই ঘটনাগুলিতে হিন্দুধর্মের যে পুনঃজাগরণ (Ghar Wapsi) ঘটেছে তা নিয়ে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ কীভাবে মাওবাদী-মুক্ত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, দেশ ২০২৬ সালের মধ্যেই মাওবাদী মুক্ত হবে। ছত্তিশগড়ে সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরে রাজ্য সরকারের প্রশংসা করেন তিনি। তিনি বলেন, “চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এই রাজ্যে ১৯৪ জন মাওবাদীকে খতম (Maoist-free) করা গিয়েছে। সেই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে মোট ৮০১ জন মাওবাদীকে। আত্মসমর্পণ করেছে ৭৪২ জন জঙ্গি।”

    সমাজের মূল স্রোতে ফেরার বার্তা(Amit Shah)

    সোমবার দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে মাওবাদী অধ্যুষিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী এবং আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিল ছত্তিশগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলঙ্গানা, মহারাষ্ট্র, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের প্রতিনিধিরা। মাওবাদীরা যাতে অস্ত্র ত্যাগ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসে, সেই জন্য বিশেষভাবে আবেদন রাখেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মনে করিয়েছেন উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব রাজ্যের প্রায় ২৩ হাজার জঙ্গি অস্ত্র (Maoist-free) ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে যোগদান করেছে।

    আরও পড়ুনঃ পুজোতে রোজই হালকা বৃষ্টির ইঙ্গিত কলকাতায়, আনন্দ মাটি হবে না তো?

    কী বললেন অমিত শাহ?

    গত শুক্রবার, ৪ অক্টোবর ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুর-দন্তেওয়ারা সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের ব্যাপক গুলির লড়াই হয়। আর তাতে ৩০ জন মাওবাদী মারা পড়ে। মৃত মাওবাদীদের কাছ থেকে একে ৪৭ সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকে এটা বিরাট সাফল্য। তাই রাজ্য সরকারকে বাহবা দিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “আমি ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী, ডিজিপি এবং পুরো টিমকে অভিনন্দন জানাই। চলতি বছরে ছত্তিশগড়ে ১৯৪ মাওবাদীকে নিকেশ করা হয়েছে। এ’বছরের জানুয়ারিতে রাজ্যে গিয়ে মাওবাদী দমনে কড়া পদক্ষেপের বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। গত ইউপিএ সরকারের তুলনায় নিরাপত্তা খাতে এবারে বাজটের পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাজেটের পরিমাণ ছিল ১১৮০ কোটি টাকা। আবার ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত এই বাজেট বৃদ্ধি করে করা হয়েছে ৩০০৬ কোটি টাকা। আগের সরকারের তুলনায় বাজেট বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৩ গুণ। একই ভাবে মাওবাদী (Maoist-free) দমনের পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজেও অর্থ ব্যয় করার কাজ চলছে।”  

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আলোচনার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ১০ বছরে ১৬৪৬৩টি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। বর্তমানে যা ৭৭০০-এ নেমে এসেছে। প্রায় ৫৩% হ্রাস পেয়ছে। একইভাবে, অসামরিক এবং নিরাপত্তা বাহিনীর মৃত্যু ৭০% কমেছে। হিংসার ঘটনায় রিপোর্ট দেওয়া জেলার সংখ্যা ৯৬ থেকে ১৬-এ নেমে এসেছে। সেখানেও ৫৭% হ্রাস পেয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: বস্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাওবাদী নেত্রী নীতি-সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত

    Chhattisgarh: বস্তারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাওবাদী নেত্রী নীতি-সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বস্তারে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর এক বিশেষ অভিযানে ৩১ জন মাওবাদী খতম হয়েছিল। এই মৃতদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত কুখ্যাত মাওবাদী নেত্রী সহ ২২ জনের দেহ শনাক্ত করা গিয়েছে। বস্তারের আইজি পি সুন্দররাজ জানিয়েছেন, এই মাওবাদী নেতাদের সন্ধান পেতে মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে রয়েছে মাওবাদী নেত্রী নীতি ওরফে ঊর্মিলা। ওই নেত্রী মাওবাদী স্পেশাল জোনাল কমিটির সদস্যও ছিল। একা তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ২৫ লক্ষ টাকা।

    একটানা ৪৮ ঘণ্টা মাওবাদীদের সঙ্গে লড়াই হয় বাহিনীর (Chhattisgarh)

    শুক্রবারে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুর থেকে দান্তেওয়াড়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকার অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলে যৌথ অভিযান চালায় এসটিএফ এবং ডিআরজির বাহিনী। একটানা ৪৮ ঘণ্টা মাওবাদীদের সঙ্গে লড়াই হয় জওয়ানদের। ওরচা এবং বারসুর থানার অন্তর্গত নেনথুর-থুলথুলি জঙ্গলে দুপক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই হয়। এই অভিযানে সিপিআই (মাওবাদী) শাখার পিএলজিএ অর্থাৎ পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মির মোট ৩১ জনকে খতম করা হয়। সেই সঙ্গে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণে আগ্নেয়াস্ত্র। তার মধ্যে রয়েছে একে-৪৭, ৭.৬২ এসএলআর, ইনসাস। একই ভাবে পাওয়া গিয়েছে প্রচুর বিস্ফোরক। উল্লেখ্য ছত্তিশগড় রাজ্য গঠন হওয়ার পর থেকে এই অভিযানে সব থেকে বড় সাফল্য এসেছে। অবশ্য এর আগে কাঙ্কের জেলায় এক অভিযানে ২৯ জন মাওবাদীকে নিকেশ করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুনঃ চেন্নাইয়ের মেরিনা বিচে এয়ার শো দেখতে ১২ লক্ষ মানুষের জমায়েত! প্রবল গরমে মৃত ৫

    জওয়ানদের এই সাফল্য প্রশংসনীয়

    সাম্প্রতিক সময়ে মাওবাদী দমন অভিযানে এটা অনেক বড় সাফল্য বলে জানিয়েছে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘জওয়ানদের এই সাফল্য প্রশংসনীয়। তাঁদের অদম্য সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই। ছত্তিশগড় থেকে নকশালবাদ শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। নকশালবাদ শেষ করেই আমাদের লড়াই থামবে। এর জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ অগাস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ হল মাওবাদীরা। ২০২৬ সালের মার্চের পর এদেশে মাওবাদী থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই এমন সাফল্য এল মাওবাদী দমনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে গুলির লড়াইয়ে খতম ৩০ মাওবাদী

    Chhattisgarh: বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর, ছত্তিশগড়ে গুলির লড়াইয়ে খতম ৩০ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাওবাদী দমন (Maoists) অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) নারায়ণপুর-দান্তেওয়াড়া সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে ৩০ মাওবাদী। এরপরে ওই এলাকা থেকে একে-৪৭ সহ একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে প্রশাসন। ছত্তিশগড় পুলিশের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক এনিয়ে বলেন, ‘‘ঠিক কত পরিমাণে অস্ত্র ও গোলা, বারুদ উদ্ধার করা হয়েছে, সেটা এখনই বিস্তারিতভাবে বলা সম্ভব নয়। শনিবার নিহত মাওবাদীদের পরিচয় জানার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।’’

    গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই অঞ্চলে অভিযানে নামে নিরাপত্তা বাহিনী

    জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই অঞ্চলে অভিযানে নামে নিরাপত্তা বাহিনী। সেই মতো ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) এবং স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) বৃহস্পতিবার মাওবাদী অভিযান শুরু করে। গোভেল, নিন্দুর থুলথুলি প্রভৃতি গ্রামে (Chhattisgarh) অভিযান চালানো হয়। এই সময়ে জঙ্গলে শুরু হয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মাওবাদীদের গুলির লড়াই। সেখানে নিরাপত্তা বাহিনী নিকাশ করতে সম্ভব হয় ৩০ মাওবাদীকে। তবে আরও বেশ কয়েকজন মাওবাদী (Maoists) গভীর জঙ্গলে চলে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তাদের খোঁজে প্রশাসনও অভিযান জারি রেখেছে।

    এই জঙ্গল (Chhattisgarh) পরিচিত অবুঝমাড়ের জঙ্গল নামে

    প্রসঙ্গত, এই জঙ্গল (Chhattisgarh) পরিচিত অবুঝমাড়ের জঙ্গল নামে। ছত্তিশগড় এবং মহারাষ্ট্রের মধ্যে বিস্তৃত এই জঙ্গল। এই এলাকাকে অনেকেই ‘অপরিচিত পাহাড়’ বলে অবিহিত করেন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ব্রিটিশ আমল থেকেই এখানকার প্রায় ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা কেউ কখনও জরিপ করেনি। ঠিক এই কারণেই এই ঘন জঙ্গল মাওবাদীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। বহু মাওবাদী নেতা এই জঙ্গলে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    কী বলছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    সাম্প্রতিককালে মাওবাদী দমন অভিযানে এটা অনেক বড় সাফল্য বলে জানিয়েছে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘জওয়ানদের এই সাফল্য প্রশংসনীয়। তাঁদের অদম্য সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাই। ছত্তিশগড় থেকে নকশালবাদ শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য। নকশালবাদ শেষ করেই আমাদের লড়াই থামবে। এর জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকার।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ অগাস্ট কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বড় চ্যালেঞ্জ হল মাওবাদীরা। ২০২৬ সালের মার্চের পর এদেশে মাওবাদী থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন অমিত শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মন্তব্যের পরেই এমন সাফল্য এল মাওবাদী দমনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chhattisgarh: সুস্থ জীবনে ফেরার আশায় দান্তেওয়াড়ায় আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের

    Chhattisgarh: সুস্থ জীবনে ফেরার আশায় দান্তেওয়াড়ায় আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) দান্তেওয়াড়া জেলায় রবিবার ৪ জন মাওবাদী, পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender) করেছে। এদের নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে ১৯৭ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করল। সুস্থ জীবনে ফেরার বাসনায় এরা সরকারি সাহায্য নিয়ে নিজেদের গ্রামে ফিরেছে। দান্তেওয়াড়া (Dantewada) পুলিশের প্রচার অভিযান, সরকারের সমর্থন এবং কেন্দ্রের মোদি সরকারের নানা নীতির জেরেই এই সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।

    কিসের ভিত্তিতে আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender)

    পুলিশ সুপার গৌরব রাই বলেছেন, রবিবার হুঙ্গা তমো ওরফে তমো সূর্য (৩৭) ও তার স্ত্রী আয়তি তাতি (৩৫) আত্মসমর্পণ করে। এদের প্রত্যেকের মাথার দাম ছিল ৮ লক্ষ টাকা। এরা ২০১৮ সালে ছত্তিশগড়-তেলঙ্গানা (Chhattisgarh) আন্তঃরাজ্য পামদে (বিজাপুর) জঙ্গলে নিরাপত্তা কর্মীদের উপর হামলায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্য দুই মহিলা মাওবাদী দেব ওরফে ভিজে এবং মাদভির মাথার দাম যথাক্রমে ৩ লক্ষ এবং ১ লক্ষ টাকা। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের (Maoists Surrender) প্রত্যেককে পুনর্বাসনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। পুলিশের ‘লন ভারাটু’ প্রচার অভিযানের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮০০ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে, বলে জানা যায়। সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও মাওবাদীদের হিংসার পথ ত্যাগ করার জন্য অনুরোধ জানান। 

    মাওবাদী দমনে নয়া নীতি

    প্রসঙ্গত, গত মাসেই মাওবাদী দমন বিষয়ে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাইয়ের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য সমন্বয় বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখানেই আভাস দেওয়া হয়, মাওবাদীদের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য এর মধ্যেই নানা পরিকল্পনা ছকতে শুরু করেছে কেন্দ্র। বৈঠকে অমিত জানিয়ে দেন, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে নির্মূল হবে মাওবাদীরা। এর জন্য আগামী দু’মাসের মধ্যেই মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ (Maoists Surrender) নীতিতে পরিবর্তন আনতে চলেছে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) সরকার। সূত্রের খবর, মাওবাদী-অধ্যুষিত এলাকায় পুনর্বাসন এবং তিন বছরের দক্ষতা-উন্নয়ন প্রশিক্ষণ শিবিরেরও (স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্স) ব্যবস্থা করতে পারে সরকার। নতুন আত্মসমর্পণ নীতিতে (Dantewada) মাওবাদী সংগঠনের রাজ্য কমিটি, আঞ্চলিক কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং পলিটব্যুরোর সদস্যদের মতো উচ্চপদস্থ ক্যাডারদের এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা এবং নিম্ন পদের ক্যাডারদের (Maoists Surrender) এককালীন তিন লক্ষ টাকা অনুদানও দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সরছে ছত্তিশগড়ের দিকে

    Weather Update: ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সরছে ছত্তিশগড়ের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্বল হয়ে ওড়িশা থেকে ছত্তিশগড়ের দিকে যাচ্ছে বঙ্গোসাগরের নিম্নচাপ (Weather Update)। এই রাজ্যেও বৃষ্টির ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়বে। নিম্নচাপের জন্য রাজ্যের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে রাজ্যের ৬ জেলায়। মঙ্গলবার কলকাতায় বৃষ্টি ভেজা ভোর দিয়ে শহরের দিন শুরু হয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মঙ্গল-বুধের দুদিনও আকাশ থাকবে মেঘলা। তবে জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর (Weather Update)

    উপগ্রহের চিত্র বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া দফতর থেকে বলা হয়েছে, নিম্নচাপটি (Weather Update) মধ্য-ওড়িশা হয়ে উত্তরে ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এই বঙ্গোপসাগরের উপরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ দুর্বল হলেও মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টিপাত হবে। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূমে বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে। আবার বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ জেলায়।

    উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টিপাত

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা এবং মাঝারি বৃষ্টিপাতের (Weather Update) সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার বজ্রবিদ্যুত-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বেশ কিছু জেলায়। কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি, মালদায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি। অপর দিকে বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ারেও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ রয়েছে দুর্নীতির তথ্যপ্রমাণ! ইডির হাতে এল সন্দীপ ঘোষের ল্যাপটপ, লুকানো ছিল কোথায়?

    ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে সতর্কতা

    পশ্চিম-মধ্য এবং উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপ (Weather Update) ছিল, তা গত ২৪ ঘণ্টায় ক্রমে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে এসেছে। গতি ছিল ঘণ্টায় সাত কিমি। সোমবারেই তার শক্তি অনেকটা ক্ষয় হয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার ছত্তিশগড়ের দিকে এগিয়ে যাবে। নিম্নচাপের কারণে সমুদ্রের উপর ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৫৫ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া বইছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশায় জারি করা হয়েছে সতর্কতা। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমুদ্র উপকূলে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share