Tag: Chief Secretary of West Bengal

Chief Secretary of West Bengal

  • CV Ananda Bose: ‘কঠোর ব্যবস্থা নিন’! রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাহকে চিঠি বোসের

    CV Ananda Bose: ‘কঠোর ব্যবস্থা নিন’! রাজ্যের তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে শাহকে চিঠি বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য প্রশাসন এবং পুলিশের তিন প্রথম সারির আধিকারিকের বিরুদ্ধে ‘কঠোর পদক্ষেপ’ করার সুপারিশ জানালেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) এ নিয়ে চিঠি লিখেছেন সিভি আনন্দ বোস। নর্থ ব্লক সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিক, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় রয়েছেন রাজ্যপালের নিশানায়।

    কবে লিখলেন চিঠি (CV Ananda Bose)

    গত ৬ জুন এবং ২০ জুন শাহকে (Amit Shah) লেখা দু’টি চিঠিতে, রাজ্যপাল  (CV Ananda Bose) অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস (এআইএস)-এর অফিসারদের আচরণবিধি সংক্রান্ত শর্ত লঙ্ঘনের জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব বিপি গোপালিক, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল এবং ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে অভিযুক্ত করেছেন। সূত্রের খবর, এর আগে বিনীত গোয়েল এবং ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কে অপসারণের আর্জি জানিয়ে নবান্ন এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আইএএস, আইপিএস ক্যাডার নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তথা ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনেল অ্যান্ড ট্রেনিং (ডিওপিটি)-কে চিঠি লিখেছিলেন বোস। 

    কী লিখলেন চিঠিতে (CV Ananda Bose)

    ৬ জুন শাহকে (Amit Shah) পাঠানো চিঠিতে গোপালিক, বিনীত, ইন্দিরার নাম করে বোস (CV Ananda Bose) লিখেছেন, ‘‘এই অফিসারেরা নির্লজ্জ ভাবে সংবিধানিক কার্যপ্রণালী এবং বিশেষ করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। যদি ওই কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তা হলে ভুল বার্তা যাবে। যার ফলে পরিষেবার আরও অবনতি হতে পারে এবং এর ফলে জাতীয় স্বার্থের ক্ষতি হতে পারে।’’ ওই চিঠিতে গোপালিকের বিরুদ্ধে আইএসএস কার্যবিধি লঙ্ঘনের পাশাপাশি ‘দুর্নীতিতে সহায়তা করা এবং উৎসাহ দেওয়ার’ অভিযোগ এনেছেন বোস। এ প্রসঙ্গে চাকরি সংক্রান্ত দুর্নীতি, উপাচার্য নিয়োগে অনিয়ম এবং রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথা জানিয়েছেন শাহকে। ২০ জুনের চিঠিতে বিনীত এবং গোপালিকের নাম করে বোস তাঁর বিরুদ্ধে রাজভবনকাণ্ডে তদন্তের প্রসঙ্গ তুলেছেন। তাঁকে রাজ্য থেকে সরানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন।

    আরও পড়ুন: বাঁচতে হলে দূরে থাকুন! মৃত্যু-ঝুঁকি বাড়াতে পারে আলট্রাপ্রসেসড ফুড, বলছে গবেষণা

    কেন এই চিঠি (CV Ananda Bose)

    ঘটনার সূত্রপাত, সম্প্রতি রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) বিরুদ্ধে রাজভবনের এক মহিলা কর্মী শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছিলেন। কিন্তু সাংবিধানিক রক্ষাকবচ থাকায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের না করা হলেও মহিলার বয়ানের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালিয়েছিল  কলকাতা পুলিশ। ওই ঘটনায় কলকাতার পুলিশ কমিশনার এবং সংশ্লিষ্ট ডিসির বিরুদ্ধে ‘অল ইন্ডিয়া সার্ভিসেস’ (এআইএস)-এর অফিসারদের আচরণবিধি সংক্রান্ত শর্ত লঙ্ঘনে’র অভিযোগ এনেছেন রাজ্যপাল। অন্যদিকে মুখ্যসচিব গোপালিকের বিরুদ্ধে আইএসএস কার্যবিধি লঙ্ঘন এবং ‘দুর্নীতিতে সহায়তা করা এবং উৎসাহ দেওয়ার’ অভিযোগ এনেছেন বোস। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: এসএসসি-র প্রাক্তন কর্তাদের বিচার শুরুর অনুমতি কে দেবেন? মুখ্যসচিবকে জানাতে বলল হাইকোর্ট

    SSC Scam: এসএসসি-র প্রাক্তন কর্তাদের বিচার শুরুর অনুমতি কে দেবেন? মুখ্যসচিবকে জানাতে বলল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারও  আদালতে সুরাহা হল না, নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত এসএসসি কর্তাদের (SSC Scam) বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি কে দেবেন তা নিয়ে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এ বিষয়ে মুখ্য সচিব বিপি গোপালিকের মত জানতে চেয়েছেন। এ ব্যাপারে আইন কী বলছে! তা রাজ্যকে আদালতে জানাতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    নিয়োগ কর্তা কে?

    প্রসঙ্গত নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সুবীরেশ ভট্টাচার্য, শান্তি প্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র সরকার, অশোক সাহার মতো এসএসসির (SSC Scam) প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং সেক্রেটারিদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমোদন কে দেবেন তা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ধোঁয়াশা চলছে। আদালতের নির্দেশের পরেও নানা কারণ দেখিয়ে এদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্তই জানাননি মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকা। একাধিকবার কলকাতা হাইকোর্ট এ নিয়ে রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে। কিন্তু গত শুনানিতে অভিযুক্তদের এক আইনজীবী বলেন, ‘‘শান্তি প্রসাদ সহ বেশ কয়েকজনের নিয়োগ কর্তা রাজ্যপাল নিজে। এরফলে বিচার প্রক্রিয়া শুরুর অনুমতি দেওয়ার এক্তিয়ার মুখ্য সচিবের নেই।’’

    কী বলছেন সিবিআইয়ের আইনজীবী?

    এদিন মামলার শুনানিতে সিবিআইয়ের (SSC Scam) আইনজীবী ধীরাজ ত্রীবেদী দাবি করেন, ‘‘আইন অনুসারে সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর আবেদন মুখ্যসচিবের কাছেই পাঠাতে হবে। তিনি রাজ্যপালের কাছে সেই আবেদন পাঠাবেন।’’

    কী বললেন বিচারপতি?

    এর পর রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তকে আদালত বলে, ‘‘মুখ্যসচিব রাজ্যপালকে সুপারিশ করতে পারেন কি না তা তাঁকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে আইন ঠিক কী বলছে তা আদালতকে (SSC Scam) জানাতে হবে রাজ্যকে।’’ বিচারপতি বলেন, ‘‘এমনও হতে পারে, পদাধিকারবলে রাজ্যপাল এদের নিয়োগকর্তা হলেও বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর বিষয়টি মুখ্যসচিবের হাতে ন্যস্ত থাকতে পারে। মামলার পরবর্তী শুনানি ১১ জুন। ওই দিন মুখ্যসচিবকে আদালতে তাঁর জবাব জানাতে হবে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Case: সশরীরে হাজিরার হুমকি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেডলাইন

    Recruitment Case: সশরীরে হাজিরার হুমকি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ডেডলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Case) আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। যদি সময়মতো নির্দেশ না মানা হয়, তাহলে আদালত তাঁকে সশরীরে ডাকতে বাধ্য হবে বলে জানালেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। 

    কলকাতা হাইকোর্টের প্রশ্ন

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Case) সরকারি পদে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে চার্জশিট দিয়েছে সিবিআই। কিন্তু রাজ্য অনুমোদন না দিলে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। কেন রাজ্য সরকার এত দিন ধরে ওই অনুমোদন দানের প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রেখেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কলকাতা হাইকোর্ট। গত ২২ মার্চ অনুমতি দেওয়া বা না দেওয়া নিয়ে তিনি কী ভাবছেন তা মুখ্যসচিবকে জানাতে বলেছিল আাদলত। সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় আদালতকে জানান, “মুখ্যসচিব ভোটের কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। নির্বাচন ঘোষণা হয়ে যাওয়ার জন্য দেরি হচ্ছে।”  আদালতের থেকে আরও কিছু সময় চায় রাজ্য। 

    আরও পড়ুন: বাইরে তাপপ্রবাহ! সুস্থ থাকতে কী করবেন, কী করবেন না, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    কী বলল আদালত

    সরকারি আইনজীবী নির্বাচনের কথা বললেই ক্ষুব্ধ হয় আদালত। এরপরই বিচারপতি বাগচীর পর্যবেক্ষণ, গত দেড় বছর ধরে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি মুখ্যসচিব। সম্প্রতি নির্বাচন ঘোষণা হয়েছে। তিনি এতদিন কী করছিলেন প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। এতে বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। তদন্তের কাজ শ্লথ হচ্ছে। একটা সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার রিপোর্ট জমা দিতে না পারলে তাঁকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। নিয়োগ মামলায় (Recruitment Case) এর আগে সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দ্রুত শুনানির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এর আগে নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআইয়ের তদন্তের গতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন বিচারপতি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nabanna: কেন্দ্রীয় ওবিসি কমিশনের তলব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে, কেন জানেন?

    Nabanna: কেন্দ্রীয় ওবিসি কমিশনের তলব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ওবিসি কমিশনের অফিসে তলব করা হল রাজ্যের (Nabanna) মুখ্যসচিব বিপি গোপালিকাকে। কিন্তু হঠাৎ এমন তলব কেন? জানা গিয়েছে, গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর রাজ্য সরকার ৮৭টি জাতিকে ওবিসি হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। এই বিষয়টি জানতে পেরে জাতীয় ওবিসি কমিশন সেই সমস্ত শ্রেণির ব্যাপারে কিছু তথ্য জানতে চেয়েছিল। সূত্রের খবর, রাজ্য সরকার সেই শ্রেণিগুলোর কোনও তথ্যই কেন্দ্রীয় ওবিসি কমিশনের কাছে পাঠায়নি। অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় কমিশনকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে এই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল রাজ্য। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। ঠিক এই পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে তলব করা হল বলে জানা যাচ্ছে।

    কী জানা গেল কেন্দ্রীয় কমিশনের তরফে

    কেন্দ্রীয় ওবিসি কমিশনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অনেকটা সময় অতিক্রান্ত হলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Nabanna) তৈরি ওই তালিকা সংক্রান্ত এখনও কোনও তথ্য মেলেনি। যাদেরকে ওই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তাদের শিক্ষাগত অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও ওই শ্রেণির আর্থসামাজিক অবস্থা সংক্রান্ত কিছু প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হয়েছিল। রাজ্য সরকার এব্যাপারে কোনও তথ্যই পাঠায়নি কেন্দ্রীয় কমিশনে। প্রসঙ্গত, ৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্য সরকারের বাজেট অধিবেশন রয়েছে (Nabanna)। এবং সেদিনই ডেকে পাঠানো হয়েছে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মুখ্যসচিবকে। তবে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি যে রাজ্যের মুখ্যসচিব ওবিসি কমিশনের তলবে সাড়া দেবেন কিনা।

    চলতি বছরেই মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান গোপালিকা

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরেই নতুন মুখ্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পান বিপি গোপালিকা। হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর কার্যকালের মেয়াদ শেষে তাঁর জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। এর আগে বিপি গোপালিকা স্বরাষ্ট্রসচিবের দায়িত্ব সামলেছেন (Nabanna)। সেপ্টেম্বর মাসে যে সময়ে কমিশনের তথ্য চাওয়া হচ্ছে, সেই সময় মুখ্যসচিবের দায়িত্বে তিনি ছিলেন না। এখন দেখার বিষয় ৮ তারিখে বাজেট অধিবেশন ছেড়ে বিপি গোপালিকা সেখানে সশরীরে হাজিরা দেন কিনা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Bose: বেপাত্তা শাহজাহান, রাজ্যের মুখ্য ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে জরুরি তলব রাজ্যপালের, কী নির্দেশ দিলেন?

    CV Bose: বেপাত্তা শাহজাহান, রাজ্যের মুখ্য ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে জরুরি তলব রাজ্যপালের, কী নির্দেশ দিলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহের শুক্রবারই সন্দেশখালিতে ইডি অফিসারদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যেই এই হামলা নিয়ে কড়া বার্তাও শোনা গিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Bose) মুখে। দোষীদের গ্রেফতার করতেই হবে, বার বার এই বার্তাই দিয়েছেন রাজ্যপাল। সন্দেশখালির ঘটনার পরে কলকাতায় পা রেখেছিলেন ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন। রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকও করতে দেখা যায় তাঁকে। বৃহস্পতিবারই রাজভবনে তলব করা হয় রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে। সেই মতো এদিন বিকেলে রাজভবনে ঢুকতে দেখা যায় রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকা ও স্বরাষ্ট্রসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে।

    কেন শাহজাহান গ্রেফতার হল না

    জানা গিয়েছে, বিকেল ৫টা ২৫ মিনিট নাগাদ রাজভবনে (CV Bose) ঢোকে মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের গাড়ি। এরপর থেকে প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় রাজভবনে অতিবাহিত করেন তাঁরা। রাজভবন সূত্রের খবর, সন্দেশখালিতে ইডির উপর হামলার ঘটনায় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং রেশন দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়ে রাজ্যের দুই শীর্ষ সরকারি আমলাকে জরুরি ভিত্তিতে তলব করেছিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। রাজভবন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল বোস (CV Bose) তাঁদের থেকে জানতে চেয়েছিলেন, ‘‘এখনও কেন শাহজাহান শেখকে গ্রেফতার করা হল না? কবে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে?’’ জানা যাচ্ছে, মূলত বেশিরভাগ প্রশ্নই রাজ্যপাল করেন শাহজাহানকে কেন গ্রেফতার করা গেল না সে বিষয়ে।

    কোথায় শাহজাহান

    সন্দেশখালির ঘটনার পরেই বেপাত্তা শাহজাহান। তবে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে ঘটনার দিন নিজের বাড়িতেই ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, ইডি আধিকারিকদের ফোন রিসিভ করে তা কেটেও দেন শাহজাহান। তারপরেই মাত্র ৩ মিনিটে ২৮টি ফোন করেন শাহজাহান। শাহজাহানের কল লিস্ট চেক করে এমনটাই জানতে পেরেছে ইডি। শাহজহানের এত ফোনের পরেই তার বাড়ির সামনে ব্যপক ভিড় জমতে শুরু করে দুষ্কৃতীদের। পরবর্তী কালে শাহজাহানের মোবাইল লোকেশন সুন্দরবনের বিভিন্ন জায়গায় ঘন ঘন বদলাতে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: শিবপুর ও রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পেশ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর

    CV Ananda Bose: শিবপুর ও রিষড়ায় অশান্তি নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট পেশ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার শিবপুর এবং হুগলির রিষড়ায় অশান্তির ঘটনা নিয়ে রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট জমা দিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। মঙ্গলবার তাঁকে রাজভবনে ডেকে পাঠান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, এই বৈঠক পূর্ব নির্ধারিত নয়। শিবপুর এবং রিষড়ায় অশান্তির ঘটনার পর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গত শনিবার রাজ্যে এসেছিল তথ্যানুসন্ধানী দল (ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম)। সোমবার রাজভবনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (CV Ananda Bose) সঙ্গে বৈঠক করেন সেই টিমের সদস্যরা। রাজভবন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় টিমের সদস্যরা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক নেই। রাজভবন সূত্রে খবর, তারপরই রাজ্যের মুখ্যসচিবকে তলব করেন রাজ্যপাল।

    মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা

    রাজভবন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ রাজভবনে আসেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্য সরকারের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল। রামনবমীর মিছিলকে কেন্দ্র করে হাওড়ার শিবপুর ও হুগলির রিষড়ায় অশান্তির ঘটনা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য রাজনীতি। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছিল ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম। সোমবার রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সেই নিয়ে মুখ্যসচিবের সঙ্গে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) আলোচনা হয়।

    আরও পড়ুন: এই প্রথম! টেট দুর্নীতিতে ইডির দফতরে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিব রত্না চক্রবর্তী বাগচী

    ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম-এর সঙ্গে কথা

    গত শনিবার ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম-এর সদস্যরা গিয়েছিলেন রিষড়ায়। সেখানে তাঁরা ‘পুলিশি বাধা’র মুখে পড়েন বলে অভিযোগ। রবিবার তাঁরা রওনা দিয়েছিলেন হাওড়ার উদ্দেশে। সেখানেও তাঁরা পুলিশি বাধার মুখে পড়েন। সোমবার রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে দেখা করেছিলেন ওই দলের সদস্যেরা। প্রায় ১ ঘণ্টার কাছাকাছি সময় রাজভবনে ছিলেন তাঁরা। পরিস্থিতি ঠিক থাকলে তাঁদের ঘটনাস্থলে যেতে দেওয়া হত বলে মনে করছেন তাঁরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কেন ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share