Tag: Child Death

Child Death

  • Nigeria school collapse: নাইজেরিয়ায় ক্লাস চলাকালীন স্কুল ধসে ২২ পড়ুয়ার মর্মান্তিক মৃত্যু! আহত বহু

    Nigeria school collapse: নাইজেরিয়ায় ক্লাস চলাকালীন স্কুল ধসে ২২ পড়ুয়ার মর্মান্তিক মৃত্যু! আহত বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। স্কুল চলাকালীন আচমকাই ভেঙে পড়ল ছাদ (Nigeria school collapse)। আকস্মিক এমন ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে ২২ জন পড়ুয়ার। শুক্রবার দুর্ঘটনাটি ঘটেছে আফ্রিকার সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যার দেশ নাইজেরিয়ার প্লেটু রাজ্যে। মৃতের পাশাপাশি আহতের সংখ্যাও বহু। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়াও অনুমান করা হচ্ছে ভেঙে পড়া ওই ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আটকে প্রায় একশোর কাছাকাছি পড়ুয়া। তাই জোর কদমে চলছে উদ্ধারকাজ। এই মুহূর্তে দুর্ঘটনাস্থলে রয়েছেন আটকে থাকা পড়ুয়াদের অভিভাবকরা। সকলেই প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধারকাজ শেষ করার আবেদন জানাচ্ছেন।        

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Nigeria school collapse)

    সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, শুক্রবার ক্লাস চলাকালীন আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ধসে পড়ে দোতলা স্কুলটি। সেসময় স্কুলে উপস্থিত ছিল প্রায় দুশোর কাছাকাছি ছাত্রছাত্রী। দুর্ঘটনার পরই ছুটে আসেন স্থানীয়রা। প্রথমে তারাই উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এরপরে খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২২ জন পড়ুয়ার। যাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই বয়স পনেরো কিংবা তার নিচে। মৃতের পাশাপাশি আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭০-এরও বেশি। আহতদের সবসরকম চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোকে কোনও নথি, অর্থ না নিয়ে দ্রুত চিকিৎসা শুরুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উদ্ধারকারীরা জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও একশোর কাছাকাছি মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। 

    কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল?    

    যদিও কি কারণে ওই স্কুল ধসে পড়ল তা এখনো নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। প্রশাসনের তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় গত তিন দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাত চলছে। তাই প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে ভারী বৃষ্টিপাতের জেরেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি (Nigeria school collapse) ঘটে। যদিও অন্যদিকে এই ঘটনায় স্কুলের দুর্বল পরিকাঠামোকেই দায়ী করছে স্থানীয় প্রশাসন। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলটি একটি নদীর তীরের খুব কাছে অবস্থিত। তাই এই দুর্ঘটনার পর সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে এই ধরনের সব স্কুল বন্ধ করে দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নেপালে পালাবদল! তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলিzয

    একের পর এক ঘটনা 

    যদিও এমন ঘটনা নাইজেরিয়ায় (Nigeria school collapse) প্রথম নয়। এর আগে ২০২১ সালে লাগোসে নির্মাণাধীন একটি বাড়ি ধসে কমপক্ষে ৪৫ জন নিহত হন। এছাড়াও গত ২ বছর ধরে নাইজেরিয়ায় একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে। বাড়ি তৈরির সুরক্ষা বিধি না মেনেই এইসব বাড়ি তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে সেদেশে। বিভিন্ন নির্মাণকারী সংস্থা দুর্নীতি করার জন্য নিম্নমানের সামগ্রি দিয়ে এগুলি তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছে সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Brain Eating Amoeba: শিশুদের পুকুরের জলে স্নান করানো নিয়ে কেন সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Brain Eating Amoeba: শিশুদের পুকুরের জলে স্নান করানো নিয়ে কেন সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংক্রমণের ভ্রুকুটি। মস্তিষ্কের সংক্রমণে (Brain Eating Amoeba) ফের শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কেরলে একের পর এক শিশুমৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে, বিপদ বাড়বে।

    কেন উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য মন্ত্রক?

    কেরলে তিন শিশুর রহস্যজনকভাবে মস্তিষ্কের সংক্রমণ থেকে মৃত্যু হয়েছে। পাঁচ বছর বয়সি একটি মেয়ে এবং ১৩ বছর বয়সি আরেক কিশোরীর মৃত্যুর পরে, সম্প্রতি ১৪ বছর বয়সি আরেক কিশোর মারা যায়। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ (Brain Eating Amoeba) থেকেই এই মৃত্যু হচ্ছে। সংক্রমণের জেরে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তার জেরে শরীরের নানান অঙ্গের জটিলতা তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি ওই ১৪ বছরের কিশোর এই উপসর্গ নিয়েই কেরলের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ওই হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানান, দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়েছিল। পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতিও হয়েছিল। কিন্তু তারপরে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। আর তার জেরেই ছেলেটি মারা যায়। এর আগে আরও দুই শিশু এক ভাবে মারা যায়। আর তার জন্যই উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা? (Brain Eating Amoeba)

    স্বাস্থ্য মন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যে এই নিয়ে সতর্কতা জারি করা জরুরি। শিশুরা এই সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। তাই মন্ত্রকের তরফ থেকে শিশুস্বাস্থ্যের দিকেও বাড়তি নজরদারি দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্কের এই সংক্রমণ এক ধরনের অ্যামিবা থেকে হচ্ছে। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, পুকুরের জল থেকেই এই সংক্রমণ হচ্ছে। পুকুর থেকেই ওই ব্যাকটেরিয়া নাকের মাধ্যমে মস্তিষ্কে প্রবেশ করছে। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ছে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমছে। আর হঠাৎ করেই প্রাণহানির মতো বিপদও ঘটছে। 
    চিকিৎসকদের পরামর্শ, শিশুদের বিশেষত পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের, আপাতত পুকুরের জলে (Pond Water) স্নান না করানোই ভালো। কারণ, এদের কতখানি সংক্রামক ক্ষমতা রয়েছে, সে বিষয়েও এখনও নিশ্চিত কিছু বোঝা যাচ্ছে না। তাই কয়েকটি বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া জরুরি বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। 

    ডুব সাঁতারে সতর্কতা

    ১০ বছরের উর্ধ্বে শিশুদের পুকুরে (Pond Water) স্নানের ক্ষেত্রে ডুব দিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু কিশোর-কিশোরী খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে। তারা স্নানের সময় দীর্ঘক্ষণ পুকুরের ভিতরে ডুবসাঁতার দেয়। এই ধরনের ব্যাকটেরিয়া (Brain Eating Amoeba) সহজেই নাকের মাধ্যমে তখন মস্তিষ্কে পৌঁছতে পারে। আর তার থেকেই বড় বিপদ ঘটতে পারে। তাই আপাতত এই ধরনের কাজ থেকে আপাতত বন্ধ রাখা উচিত। সুইমিং পুলে নামার ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য সতর্কতা জরুরি বলে মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। কপিতে উল্লেখিত দাবি, পদ্ধতি/ডায়েট পরামর্শস্বরূপ। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন ও সেই মতো পরামর্শ মেনে চলুন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Child Death: রেমাল দুর্যোগে হাসপাতালে বন্ধ জেনারেটর, দেওয়া গেল না অক্সিজেন-নেবুলাইজার, মৃত্যু সদ্যোজাতের!

    Child Death: রেমাল দুর্যোগে হাসপাতালে বন্ধ জেনারেটর, দেওয়া গেল না অক্সিজেন-নেবুলাইজার, মৃত্যু সদ্যোজাতের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেমালের তাণ্ডবে বাংলার উপকূলবর্তী একলা ব্যাপক দুর্যোগের কবলে পড়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের দিনেই সদ্যোজাতের শ্বাসকষ্ট শুরু হয়েছিল। সদ্যোজাতের শ্বাসকষ্টের সমস্যা হলে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাওয়া যায়নি কোনও ডাক্তার। একই ভাবে বিদ্যুৎ না থাকার জন্য চালানো যায়নি জেনারেটর। আর তাই অক্সিজেন ও নেবুলাইজার দেওয়া সম্ভব হয়নি। আর এর ফলে মৃত্যু হয় শিশুর (Child Death)। ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে। মৃত শিশুর নাম তুলিকা মোহতা। সুন্দরবন হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন মৃত শিশুর পরিবার।

    পরিবারের অভিযোগ (Child Death)

    সোমবার সকালে সাগরের খানসাহেব আবাদ এলাকার শিবশঙ্কর মোহতা এক মাসের নিজের সদ্যোজাত কন্যাকে ভর্তি করেছিলেন। তিনি বলেন, “হাসপাতলের এক কর্মী জানান দুর্যোগের কারণে বিদ্যুৎ নেই। অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব নয়। বাইরে থেকে অক্সিজেন কিনে আনতে বলেন, সঙ্গে এই কথাও জানানো হয় কিনে আনলেও দিতে সময় লাগবে। অনেক ডাকাডাকির প্রায় আধ ঘণ্টা পরে চিকিৎসক গিয়ে শিশুটির চিকিৎসা শুরু করে। এরপর অক্সিজেন এবং নেবুলাইজার দেওয়ার জন্য চালানো হয় জেনারেটর। কিন্তু ততক্ষণে আমার শিশুর মৃত্যু (Child Death) হয়ে যায়। বিনা চিকিৎসায় সন্তান মারা গেল আমার সন্তান।” ইতিমধ্যেই সদ্যজাত মৃত শিশুর পিতা লিখিত ভাবে অভিযোগ জানিয়েছেন হাসপাতালের সুপারের কাছে। ঝড়ের মধ্যে প্রশাসনের গাফিলতির জন্য মৃত্যু হয়েছে শিশুর। শিশুর মা কান্না করতে করতে এই অভিযোগ তোলেন। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলার পক্ষ থেকে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে মৃত্যুর তদন্ত যাবেন।

    আরও পড়ুনঃ বাংলা-হিন্দি-ইংরেজি ভাষায় ৮০টি কবিতা বলে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নাম তুলল কান্দির কন্যা

    স্বাস্থ্য আধিকারিকের বক্তব্য

    সাগর ব্লকের স্বাস্থ্য আধিকারিক অংশুমান বসু জানিয়েছেন, “ঘটনা খুবই দুঃখজনক, আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। তদন্ত করে দেখা হবে। যদি কেউ দোষী থাকেন তাহলে অবশ্যই শাস্তির জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করব।” আবার ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলা আধিকারিক জয়ন্ত সুকুল বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি বাচ্চাকে অক্সিজেন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নেবুলাইজারের গ্যাস দিতে দেরি হয়েছিল শুনলাম। এরপর শিশুর মৃত্যু (Child Death) হয়। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Howrah: এই বোধহয় উন্নয়ন! ভাঙাচোরা রাস্তায় টোটো উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত্যু শিশুর

    Howrah: এই বোধহয় উন্নয়ন! ভাঙাচোরা রাস্তায় টোটো উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, মৃত্যু শিশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে ভাঙা রাস্তা, অন্যদিকে টোটোর দৌরাত্ম্য। এই দুইয়ের জেরে মাঝেমধ্যেই বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটছে হাওড়া শহরে। প্রায় প্রতিদিনই জখম হচ্ছেন মানুষ। এবার স্কুল থেকে ফেরার পথে টোটো উল্টে রাস্তায় পড়ে গিয়ে মৃত্যু হল এক শিশুর। ওই টোটোতে চেপেই বাড়ি ফিরছিল বছর তিনেকের রূপক মালিক। টোটোটি চালাচ্ছিলেন তার দাদু গণেশ। হাওড়া পুরসভার (Howrah) ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাঁসখালি পোলের কাছে হরেকৃষ্ণ নগরে টোটোটি যখন ভাঙা রাস্তার উপর দিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় সেটি লাফাতে থাকে এবং উল্টে যায়। টোটো থেকে পড়ে জখম হয় ওই শিশুটি। তার মাথায় চোট লাগে। শিশুর দাদুর পায়ের হাড় ভেঙে যায়। স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা শুরু করা হলেও শেষ পর্যন্ত শিশুটির মৃত্যু হয়। 

    শোকাচ্ছন্ন পরিবার (Howrah)

    এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুটির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রূপক স্থানীয় একটি স্কুলে নার্সারিতে পড়াশোনা করত। বৃহস্পতিবার সকালে স্কুল থেকে টোটোয় চাপিয়ে নিয়ে আসছিলেন দাদু গণেশ। গনেশবাবু জানান, রাস্তা খারাপ থাকায় টোটো উল্টে যায়। গুরুতর জখম হন দু’জনেই। এরপর স্থানীয় বাসিন্দারা শিশু-সহ তার দাদুকে হাওড়া হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন। শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে সেখানেই মৃত্যু হয়। গণেশবাবু ওই হাসপাতালে (Howrah) চিকিৎসাধীন। শিশুর মৃত্যুতে শোকাচ্ছন্ন পরিবার। তারা রাস্তার বেহাল দশাকে দুষছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শিশুটির মাথায় হ্যামারেজ হয়েছিল। তার জেরেই মৃত্যু।

    টোটোর দৌরাত্ম্য কমেনি (Howrah)

    এদিকে হাওড়া শহরজুড়ে যত্রতত্র টোটোর দৌরাত্ম্য কমাতে হাওড়া সিটি পুলিশের পক্ষ থেকেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অনুমোদনহীন রাস্তায় এবং জাতীয় সড়কে বেপরোয়া টোটোর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই কয়েক দফায় অভিযান চালিয়ে কয়েক শত টোটো আটক করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ। তারপরেও কমানো যায়নি টোটোর দৌরাত্ম্য। অন্যদিকে তিন বছরের এই শিশুর মৃত্যুর জন্য স্থানীয় বাসিন্দারা ভাঙা রাস্তাকেই দায়ী করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, হাঁসখালি পোল সংলগ্ন  হরেকৃষ্ণ নগরের এই সিমেন্টের রাস্তা কয়েক বছর আগেই ভেঙে চৌচির হয়ে যায়। রাস্তার মাঝখানে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়। বাসিন্দারা হাওড়া (Howrah) পুরসভাকে বারবার জানালেও রাস্তা মেরামত করা হয়নি। মাঝেমধ্যেই এই রাস্তায় টোটো উল্টে দুর্ঘটনা ঘটে। এদিনও টোটো উল্টে গিয়েই ওই শিশুর মৃত্যু হয়।

    কী অভিযোগ বাসিন্দাদের? (Howrah)

    স্থানীয় বাসিন্দা সুজাতা সাধুখাঁ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এই বেহাল অবস্থা। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই বড় বড় গর্তে জল জমে থাকায় দুর্ঘটনা আরও বাড়ে। পাইপলাইন তৈরি বা অন্যান্য কাজে মাঝেমধ্যে রাস্তা খোঁড়া হয়। কিন্তু তারপর সেই রাস্তার মেরামত করা হয় না। ওই অবস্থাতেই পড়ে থাকে। ফলে সেই ভাঙা রাস্তা দিয়ে প্রাণ হাতে তাঁদের প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সুজাতা অধিকারী বলেন, ভাঙা রাস্তার কারণে একজন শিশু চলে গেল। এটা খুবই খারাপ লাগছে। টোটো উল্টে যাওয়ার পরেই শিশুটির মাথায় চোট লেগে। মাথা ফেটে রক্ত বেরতে থাকে। সেই অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। আর এক বাসিন্দা গোপালচন্দ্র বসু বলেন, দীর্ঘদিন রাস্তাটি (Howrah) ভাঙাচোরা, মেরামতির কাজও শুরু হয়েছে একদিকে। অন্যদিকে যে অংশটি বেশি ভাঙা, সেখান দিয়েই এদিন টোটো যেতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে।

    সাফাই পুর-প্রশাসকের

    হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, অনেক সময় জরুরি কাজের জন্য রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করতে হয়। এক্ষেত্রে কী হয়েছে, তা খোঁজ নিয়ে দেখবেন। তিনি বলেন, শিশুটির মৃত্যু খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তবে ৪৫ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে পুরসভার পক্ষ থেকে বেশ কিছু রাস্তা ইতিমধ্যেই মেরামত করা হয়েছে। এই রাস্তাটি কী অবস্থায় ছিল, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং পুরসভার পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malnutrition: নাবালিকা মায়ের জন্য অপুষ্টিতে শিশুমৃত্যু? কন্যাশ্রী আর আশাকর্মীরা কোথায়?

    Malnutrition: নাবালিকা মায়ের জন্য অপুষ্টিতে শিশুমৃত্যু? কন্যাশ্রী আর আশাকর্মীরা কোথায়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    রাজ্যে একাধিক শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।‌ বিশেষত মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল ‌কলেজে পর পর সদ্যোজাত শিশুমৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। তার জেরেই একাধিক প্রশ্ন উঠছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ খোদ জানিয়েছেন, জেলায় বাড়ছে নাবালিকা মায়ের সংখ্যা।‌ তার জেরেই শিশুমৃত্যু। আবার স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জানিয়েছেন, প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজনের শিশুর জন্ম হচ্ছে (Malnutrition)। আর তার জেরেই নবজাতকের দেহে নানান জটিলতা দেখা দিচ্ছে।‌ মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। আর এর পরেই রাজ্য জুড়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    কোন তিন প্রশ্ন জোরালো হচ্ছে? (Malnutrition) 

    শিশুমৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, নাবালিকা মায়ের সংখ্যা বাড়ছে কেন? আগে একাধিকবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, নাবালিকা মায়ের নিরিখে দেশের মধ্যে প্রথম সারিতে পশ্চিমবঙ্গ। কিন্তু রাজ্যের যুক্তি, নাবালিকা বিয়ে কমছে। কন্যাশ্রী রুখে দিয়েছে নাবালিকা বিয়ের সমস্যা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে পর পর শিশু মৃত্যুর ঘটনার পরে খোদ কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, জেলা জুড়ে বাড়ছে নাবালিকা মায়ের সংখ্যা। তাই শিশুমৃত্যু বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছেন, এই সমস্যা শুধু মুর্শিদাবাদ জেলার নয়। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, মালদা সহ একাধিক জেলায় নাবালিকা মায়ের সংখ্যা বাড়ছে। তাহলে প্রশ্ন, কন্যাশ্রী কি আদৌও কার্যকর হয়েছে?
    স্বাস্থ্য দফতরের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজন (Malnutrition) নিয়ে নবজাতকের সংখ্যা রাজ্যে বাড়ছে। তাই শিশুমৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, তাহলে কি রাজ্য সরকার আশাকর্মীদের ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারছে না? 
    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছেন, গর্ভবতী মহিলাদের জন্য কেন্দ্রের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। গর্ভাবস্থায় মা যাতে পুষ্টিকর খাবার খেতে পারে, তা সুনিশ্চিত করতেও একাধিক প্রকল্প রয়েছে। গর্ভবতীর বাড়ি গিয়ে আয়রন ট্যাবলেট ও ফলিক অ্যাসিড পৌঁছে দেওয়ার কথা প্রশাসনের।‌ আর এই কাজগুলোর দায়িত্বে থাকেন আশাকর্মীরা।‌ তাহলে মায়েরা ঠিকমতো পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছেন না কেন? কেন প্রয়োজনের তুলনায় কম ওজনের শিশুর জন্ম হচ্ছে (Malnutrition)? তাহলে প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব কি এর কারণ? 
    আবার প্রশাসনের অন্দরেই জানা যাচ্ছে, অসুস্থ নবজাতকদের অনেক ক্ষেত্রেই এক হাসপাতাল থেকে আর এক হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে।‌ দূরত্বের ধকল সহ্য করতে পারছে না একরত্তি। ফলে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে বাধ্য হচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, কবে রেফার রোগ থেকে মুক্তি পাবে সরকারি হাসপাতাল? জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ‌ খোলার পরেও‌ কেন‌ অসুস্থ শিশুকে নিয়ে মাইলের পর মাইল পাড়ি দিতে হচ্ছে?

    কী বলছেন প্রশাসনের কর্তারা? (Malnutrition)

    নাবালিকা মায়ের প্রসঙ্গে প্রশাসনের কর্তারা জানাচ্ছেন, এই সমস্যা সামাজিক, রাতারাতি মিটবে না। তাই এখনও নাবালিকা মায়েরা রয়েছেন। তবে, কন্যাশ্রী এই সমস্যা মোকাবিলা করতে সব চেয়ে বড় অস্ত্র। 
    আশাকর্মীরা‌ যথেষ্ট‌ সক্রিয় বলে সাফ জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। তাঁরা জানাচ্ছেন,‌ ডেঙ্গি হোক কিংবা গর্ভবতীদের বাড়িতে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড পৌঁছে দেওয়ার কাজ, যথেষ্ট সক্রিয় ভাবেই আশাকর্মীরা তা করছেন। সেই কাজে নজরদারিও রয়েছে। কিন্ত তার পরেও কেন বাড়ছে শিশুমৃত্যু, সেই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি (Malnutrition)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু! বাল্যবিবাহ এবং অপুষ্টিরই করুণ পরিণতি?

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু! বাল্যবিবাহ এবং অপুষ্টিরই করুণ পরিণতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর এই মৃত্যুর ঘটনার জন্য পরিবারের লোকজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নজরদারি অভাব বা গাফিলতির জন্য পর পর এই শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, এমনই দাবি মৃতের পরিবারের লোকজনের।

    শিশুমৃত্যুর তদন্তে কী উঠে এল? (Murshidabad)

    একের পর এক শিশুমৃত্যুর কারণ নিয়ে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ এবং জঙ্গিপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল একে অন্যের দিকে দায় ঠেলেছে। পরিস্থিতি দেখে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। শিশুমৃত্যুর কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছে স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি দল। তাতে উঠে আসে একটি তথ্য। দেখা যাচ্ছে, সদ্য সন্তান হারানো মায়েদের ঠিকানা আলাদা হলেও তাদের বেশির ভাগের মধ্যে একটি মিল, অপরিণত বয়সে বিয়ে এবং মা হওয়া। ১১ জন শিশুর মধ্যে সাত জনের মা নাবালিকা। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরী ৪৬০ গ্রাম ওজনের একটি সন্তানের জন্ম দেয়। জঙ্গিপুরের ১৭ বছর ৩ মাস বয়সি এক নাবালিকা যে সন্তান প্রসব করে, তার ওজন ছিল ৫১০ গ্রাম। শুধু এই দুই মা নয়, ২৪ ঘণ্টায় যে ১১ সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মায়েরা সবাই হয় নাবালিকা নয়তো সবে আঠারো পেরোনো। আসলে শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতে না দিতেই মেয়েদের পাত্রস্থ করার চল এখনও রয়েছে মুর্শিদাবাদের গ্রামগঞ্জে। বাল্যবিবাহ রুখতে কেন্দ্র এবং রাজ্যের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু মুর্শিদাবাদের গ্রামে গ্রামে গেলে দেখা যাবে বাল্যবিবাহের ছবি। বাড়ির মেয়েরা ভালো খাবার না পেয়ে অপুষ্টিতে ভোগেন। আর তারই ফলশ্রুতিতে অপুষ্টিজনিত সমস্যা নিয়ে শিশুদের জন্ম হয়। জন্মের পর থেকেই বিভিন্ন অসুখে ভুগে থাকে তারা।

    বাবা-মায়েরা কন্যাসন্তানের প্রতি যত্নবান নন

    গ্রামবাংলার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার কমিশনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য প্রসূন ভৌমিক বলেন, ‘আসলে এখনও বাবা-মায়েরা ছেলেদের প্রতি যতটা যত্নবান হন, কন্যাসন্তানের প্রতি ততটা নন। এই ভয়াবহ সামাজিক অভিশাপেই এক নাবালিকার অল্প বয়সে মা হতে হয়। প্রসবের সময় প্রাণের ঝুঁকি থাকে তাদের দু’জনেরই।’

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অমিত দাঁ বলেন,  আমাদের হাসপাতালে প্রচুর রেফার হচ্ছে। নার্সিংহোম থেকে শেষ মুহূর্তে রেফার করা হচ্ছে। আর ডাক্তার বা নার্সদের কোনও গাফিলতি রয়েছে কি না তা জানতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ১৬ থেকে ১৭ বছরের মেয়ে মা হচ্ছে। তার ফলে কম ওজনের সন্তানের জন্ম হচ্ছে। পাশাপাশি জন্মগত ত্রুটি নিয়ে সন্তানের জন্ম হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Disaster: মর্মান্তিক! জলের তোড়ে ভেসে আসা সেনাবাহিনীর মর্টার ফেটে মৃত্যু শিশুর

    Sikkim Disaster: মর্মান্তিক! জলের তোড়ে ভেসে আসা সেনাবাহিনীর মর্টার ফেটে মৃত্যু শিশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেসে আসা সেনাবাহিনীর মর্টার ফেটে মর্মান্তিক মৃত্যু হল একজনের। ঘটনায় কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে ক্রান্তি ব্লকের রাজাডাঙ্গা অঞ্চলে। মেঘভাঙ্গা বৃষ্টিতে সিকিমের সিংথামের সেনাবাহিনীর একটি ছাউনি পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় (Sikkim Disaster)। সেখানে থাকা সেনাবাহিনীর গোলাবারুদও জলের তোড়ে ভেসে যায়। যার মধ্যে বেশ কিছু মর্টারও ছিল। তার জেরেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা।

    হাতুড়ি দিয়ে খুলতে গিয়ে বিস্ফোরণ

    বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি থানা এলাকার বাকালি থেকে উদ্ধার হয় তিনটি মর্টার (Sikkim Disaster)। পাশাপাশি ক্রান্তি এলাকা থেকেও বেশ কয়েকটি মর্টার মেলে। স্থানীয় বাসিন্দারা কাঠ ধরতে গিয়ে সেগুলি দেখতে পেয়ে বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেগুলির মধ্য থেকেই একটিকে হাতুড়ি দিয়ে খুলতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় আইনুর রহমান নামে এক সাত বছরের শিশুর। আহত হন আরও কয়েকজন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের তড়িঘড়ি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের প্রায় প্রত্যেকের গোটা শরীর ঝলসে গেছে। জলপাইগুড়ি থেকে সঙ্গে সঙ্গে শিলিগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    শোকের ছায়া (Sikkim Disaster)

    ঘটনার পরই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। এরপরই ঘটনাস্থলে আসেন সেনাবাহিনীর পদস্থ আধিকারিক এবং জওয়ানরা। তাঁরা সেগুলিকে সেখান থেকে নিয়ে যান। ঘটনায় আতঙ্কের পাশাপাশি শোকের ছায় নেমে এসেছে গোটা রাজাডাঙ্গা এলাকায় (Sikkim Disaster)। অন্যদিকে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান পুলিশ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এলাকার বাসিন্দারা জানান, এমন ঘটনা যে ঘটবে সেটা তাঁরা বুঝতেই পারেননি। অবুঝ শিশু কাঠ ধরতে গিয়ে ওই বস্তুটি নিয়ে আসে। তার পরিণতি যে এমন হবে, সেটা তাঁরা আন্দাজ করতে পারেননি। ওই এলাকার কেউই আর কোনওদিন তিস্তা থেকে কিচ্ছু আনতে যাবেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Corona Virus: করোনায় ফের একের পর এক শিশুমৃত্যু! চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলে!

    Corona Virus: করোনায় ফের একের পর এক শিশুমৃত্যু! চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের করোনা (Corona Virus) ভাইরাসের চোখ রাঙানি! পর পর শিশুমৃত্যু। তাই উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা। এমনিতেই রাজ্যে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার দাপট অব্যাহত। তার মধ্যেই করোনার প্রকোপ চিন্তা বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট (Corona Virus)? 

    স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে রাজ্যে পর পর তিনজন শিশু করোনা (Corona Virus) আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন তিনেক আগেই বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে সাত মাসের শিশু মারা যায়। তারপরেই আরেকটি ন’মাসের শিশুর মৃত্যু হয়। এর পরে দিন দুয়েক আগে কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে আরেক শিশুর মৃত্যু হয়। এই তিনজনের ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে করোনা আক্রান্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 
    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, শিশুদের পাশপাশি ফের বয়স্কদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে ইতিমধ্যেই ১০-১২ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে অনেকের বয়স ষাট বছরের বেশি। তবে প্রত্যেকের কোমরবিডিটি রয়েছে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। 
    যে তিন শিশুর সম্প্রতি করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে, তাদের অন্যান্য শারীরিক জটিলতা ছিল বলেও দাবি করেছে স্বাস্থ্য ভবন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কিডনি ও নিউমোনিয়ার সমস্যায় ভুগছিল ওই তিন শিশু। কিন্তু রাজ্যে একদিকে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার দাপট। তার মধ্যেই করোনায় নতুন করে আক্রান্ত বৃদ্ধি বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    কাদের বাড়তি সতর্কতা (Corona Virus) জরুরি বলে পরামর্শ বিশেষজ্ঞ মহলের? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, সকলের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন থাকা জরুরি। কিন্তু পাঁচ বছরের কম বয়সিদের বিশেষ সতর্কতা জরুরি। কারণ, সম্প্রতি শিশুদের নিয়েই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়েছে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, জ্বর তিনদিনের বেশি থাকলে একেবারেই অবহেলা করা চলবে না। অনেক সময়েই জ্বর সামান্য কমলে, ফের জ্বর হচ্ছে। বার বার এমন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সর্দি-কাশি কিংবা বমির মতো উপসর্গ থাকলে বাড়তি নজরদারি জরুরি। তাছাড়া, যেসব শিশুদের কিডনি, হার্ট কিংবা ফুসফুসের কোনও সমস্যা রয়েছে, তাদের বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। কারণ, তাদের যেমন সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে, তেমনি আক্রান্ত হলে শারীরিক জটিলতাও বেশি হতে পারে। তাই জ্বর কিংবা সর্দি হলে একেবারেই বাইরে যাওয়া চলবে না। তাতে পরিস্থিতি আরও জটিল (Corona Virus) হতে পারে। এমনই জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Fever: বৃষ্টি শুরু হতে না হতেই বারাসতে ডেঙ্গির বলি ১, পুরসভার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ

    Dengue Fever: বৃষ্টি শুরু হতে না হতেই বারাসতে ডেঙ্গির বলি ১, পুরসভার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বৃষ্টি শুরু হতে না হতেই ডেঙ্গিতে (Dengue Fever) মৃত্যু হল বারাসত পৌরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রমোদ নগরের বাসিন্দা বছর ১৩র সায়নিকা হালদারের। গত ৩-৪ দিন ধরে জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল সায়নিকা। প্রথমে তাকে বারাসত হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আরজি কর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গত বুধবার মধ্য রাতে আরজিকর হাসপাতালেই মৃত্যু হয় বছর ১৩র সায়নিকা হালদারের। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কাউন্সিলরকে বলেও কোন কাজ হয়নি। দীর্ঘদিন ধরেই ড্রেনের অবস্থা খুব খারাপ, জল পাশ হয় না। আর তার ফলে বার বারই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে গোটা এলাকায়।

    পরিবার কী অভিযোগ করল (Dengue Fever)?

    পরিবারের আরও অভিযোগ, ভোট আসে ভোট যায়। কিন্তু কথা দিলেও সে কথা কোনওদিনই পূরণ করেনি কাউন্সিলর। এলাকার লোকজনের অভিযোগ, কয়েকবার কাউন্সিলরকে জানানো হয়েছে এই বিষয় নিয়ে। কেননা যেভাবে ওয়ার্ডে ময়লা জমে থাকে, কোনওদিনই তা পরিষ্কার করা হয় না। তাই এবার পরিবারের লোকজন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম যেই আসুক না কেন কারোর কোন কথা শোনা হবে না। কেননা ভোট আসলেই এদের দেখা পাওয়া যায়। আর ভোট চলে গেলে এরা কোনও কাজই করে না।

    কী জবাব দিলেন কাউন্সিলর (Dengue Fever)?

    এ বিষয়ে কাউন্সিলর জানান, ওয়ার্ড সব রকম ভাবে পরিষ্কার করা হয়। কোথাও কোন জমা জল থাকলে তা নির্মল বন্ধু ও নির্মল সাথী যাঁরা আছেন, তাঁরা এসে রোজই পরিষ্কার করে যান। পাশাপাশি কাউন্সিলর আরও বলেন, ওই বাচ্চাটির মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তবে ওয়ার্ডে যাতে আর কেউ আক্রান্ত না হয়, সে বিষয়টি এবার আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন বলে কথা দিয়েছেন তিনি। তবে বাস্তব চিত্রটা কিন্তু অন্যরকম ওই ২২ নম্বর ওয়ার্ডে। বিভিন্ন ড্রেনে কিন্তু জল আটকে রয়েছে এবং তার থেকেই যে ডেঙ্গির (Dengue Fever) বাড়বাড়ন্ত, তা কিন্তু এক প্রকার বলাই চলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliyaganj: বাবা পরিযায়ী শ্রমিক, তাই সন্তানের মৃতদেহ ফিরল ব্যাগে করে

    Kaliyaganj: বাবা পরিযায়ী শ্রমিক, তাই সন্তানের মৃতদেহ ফিরল ব্যাগে করে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরে ফের অমানবিকতার সাক্ষী রইল কালিয়াগঞ্জবাসী। টাকার অভাবে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে মৃত শিশুকে ব্যাগে করে শিলিগুড়ি থেকে কালিয়াগঞ্জে নিয়ে বাড়ী ফিরল মৃত শিশুর অসহায় বাবা। এই ঘটনা জানাজানি হতেই জেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    কি ঘটেছিল?

    কালিয়াগঞ্জ (Kaliyaganj) ব্লকের মুস্তাফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা অসীম দেবশর্মার স্ত্রী যমজ সন্তানের জন্ম দিয়েছিল। পাঁচমাস পর হঠাৎ দুই শিশু সন্তান অসুস্থ হয়ে পড়ে। গত রবিবার তাঁদের দুইযমজ সন্তানকেই কালিয়াগঞ্জ ষ্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হওয়ায় রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যথারীতি নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানেও অবস্থা খারাপ দেখে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় চিকিৎসার জন্য। এরপর অবশেষে শিলিগুড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় অসুস্থ শিশুদের। গত বৃহস্পতিবার এক শিশু সুস্থ্য হলে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসে অসীম দেবশর্মার স্ত্রী। পরে শিলিগুড়ি মেডিকেল কলেজেই আরেক যমজ সন্তানের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে শনিবার রাতেই মৃত্যু হয় যমজ সন্তানের। মৃত দেহ বাড়িতে নিয়ে যেতে পেশায় পরিযায়ী শ্রমিক অসীম দেবশর্মা অর্থের অভাবে কোনও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে পারেন নি। আর না পারায় মৃত ছেলেকে একটি ব্যাগের মধ্যে ভরে বেসরকারি বাসে করে প্রথমে রায়গঞ্জ পর্যন্ত পৌঁছান। পরে অপর আরেকটি বাসে চেপে কালিয়াগঞ্জে পৌঁছান। তারপর সন্তানের দেহ বাড়িতে নিতে স্থানীয় কাউন্সিলের সহযোগিতায় একটা অ্যাম্বুলেন্সে করে শেষপর্যন্ত কালিয়াগঞ্জ থেকে বাড়িতে ফেরেন। কালিয়াগঞ্জ থেকে বাড়ি পর্যন্ত অ্যাম্বুলেন্স পেলেও জোটেনি শিলিগুড়ি থেকে কালিয়াগঞ্জ পর্যন্ত রাস্তায়। দেবশর্মা বলেন, চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমার যেটুকু টাকা ছিল সব শেষ হয়ে গেছে। মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সের সাথে যোগাযোগ করতে গেলে অ্যাম্বুলেন্সের চালকরা অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়া ৮ হাজার টাকা দাবী করে। কিন্তু এমনিতেই চিকিৎসা বাবদ ১৬ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে আর অ্যাম্বুলেন্সের টাকা ছিল না, তাই বাসে করেই মৃত ছেলেকে নিয়ে কালিয়াগঞ্জ পর্যন্ত ফিরেছি। সন্তানের মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশের কাছে অ্যাম্বুলেন্স চাইলে শিলিগুড়ি পুলিশ কোন সাহায্য করেনি বলে অভিযোগ করেন দেবশর্মা বাবু।

    শাসক দলের মন্তব্য

    তৃণমূলের ব্লক (Kaliyaganj) সভাপতি নিতাই বৈশ্য বলেন ঘটনাটি খুবই দুঃখদায়ক। তবে পরিবারের লোকেরা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা নিতাম। আমারা কিছুই জানতাম না সংবাদ মাধ্যেম খবর পেয়েছি। আগামী দিনে প্রশাসনকে বলব মানবিকতার সঙ্গে যেন বিষয়গুলি দেখা হয়।

    শুভেন্দু অধিকারীর ট্যুইট

    এই ঘটনায় ট্যুইট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী

     

    প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের মন্তব্য

    এই ঘটনার খবর পেয়ে কালিয়াগঞ্জের (Kaliyaganj) বিজেপি কাউন্সিলর গৌরাঙ্গ দাস বলেন, এটা খুবই কষ্টদায়ক ঘটনা। ঘটনার খবর পেয়েই কোন রাজনৈতিক ভাবে নয় মানবিকতার খাতিরে একটি অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর ব্যবস্থা করেছি। তিনি বলেন অন্তত বাড়ী অবধি মৃত শিশুটিকে অ্যাম্বুলেন্স করে যেন নিতে পারে অসহায় বাবা। তবে এই ঘটনায় গৌরাঙ্গ বাবুর গরীব ও অসহায় মানুষের পরিষেবা না পাওয়ার জন্য সরকার প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। যে শিশু চলে গেলে পৃথিবী ছেড়ে তাঁকে তাঁর বাবার ব্যাগে করে ফিরতে হল! একটা বাহনও জুটল না এতটাই কি প্রশাসন অমানবিক! গরীব সাধারণ মানুষেরা কি সামজে অ্যাম্বুলেন্স পাবে না ? এই বলে অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করেন গৌরাঙ্গ বাবু। গোটা ঘটনাটা অত্যন্ত নির্মম এবং সেই সঙ্গে শোকের। প্রশাসন কবে মানবিক হয়ে উঠবে তাই এখন দেখার।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share