Tag: Child selling

Child selling

  • Child Selling in Kolkata: শহরে শিশু বিক্রির ঘটনায় ধৃত ডায়গনস্টিক সেন্টারের কর্মী ও এক ‘মিডলম্যান’

    Child Selling in Kolkata: শহরে শিশু বিক্রির ঘটনায় ধৃত ডায়গনস্টিক সেন্টারের কর্মী ও এক ‘মিডলম্যান’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরে শিশু বিক্রির (Child Selling in Kolkata) ঘটনা সামনে আসতেই তৎপর কলকাতা পুলিশ। খাস কলকাতার বুকে চার লক্ষ টাকায় নিজের কন্যাসন্তান বিক্রির অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনায় তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হল কলকাতার বেনিয়াপুকুর এলাকার এক ডায়গনস্টিক সেন্টারের এক কর্মীকে। তাঁর বাড়ি মুর্শিদাবাদে। এ ছাড়াও নোনাডাঙা এলাকা থেকে মমতা পাত্র নামে এক ‘মিডলম্যান’-কেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত মহিলাকে এই শিশু কেনাবেচায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, বিক্রি হওয়া কন্যাসন্তানটির মা রূপালী মণ্ডল এবং পাটুলি থেকে গ্রেফতার হওয়া রূপা দাসের মধ্যে যোগসূত্র ছিলেন এই মমতা।

    নজরে বেহালার আইভিএফ সেন্টার

    শহরের বুকে জাঁকিয়ে শিশু কেনাবেচার (Child Selling in Kolkata) ব্যবসা চালাচ্ছে একটি চক্র। শিশুপাচার কাণ্ডে পুলিশের নজরে বেহালার বকুলতলার এক আইভিএফ সেন্টারও। পাচার চক্রের ধৃত দুই মহিলাকে নিয়ে সেই আইভিএফ সেন্টারে হানা দেয় আনন্দপুর থানার পুলিশ। সেখানকার কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে সূত্রের খবর। ২১ দিনের কন্যাসন্তানকে কেনার অভিযোগে ধৃত গৃহবধূ কল্যাণী গুহকে বুধবার বেহালার ওই আইভিএফ সেন্টারে নিয়ে গিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। কল্যাণীর সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় লালতি দে নামে আরও এক অভিযুক্তকে। বেহালার আইভিএফ সেন্টারে তল্লাশি চালানোর সময় বেনিয়াপুকুরের ওই ডায়গনস্টিক সেন্টারের খোঁজ পান তদন্তকারী আধিকারিকরা। এর পর বেনিয়াপুকুর গিয়ে ওই ডায়গনস্টিক সেন্টারে তল্লাশি চালিয়ে এক কর্মীকে আটক করা হয়। তদন্তকারীদের অনুমান, ডায়গনস্টিক সেন্টারের আড়ালে শিশু কেনাবেচায় ‘মিডলম্যানের’ ভূমিকা পালন করতেন তিনি। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। জিজ্ঞাসাবাদের পরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ওই ব্যক্তির নাম গোলাম অম্বিয়া।

    আরও পড়ুন: এবার থেকে জন্ম শংসাপত্রেই মিলবে সব নাগরিক পরিষেবা! বিল পাশ সংসদে

    আইভিএফ সেন্টারগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন

    পুলিশের অনুমান, শহরের (Child Selling in Kolkata) বুকে গডিয়ে ওঠা আইভিএফ সেন্টারগুলি শিশু কেনাবেচার বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। এই আইভিএস সেন্টার গুলির বৈধ কাজ পত্র রয়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তকারীরা আরও জানতে পারে, জানা গিয়েছে, জেলা থেকে শিশুদের পাচার করে এনে রাখা হত কলকাতার একটি জায়গায়। সেখানে ভাড়া বাড়িতে চলত শিশু বিক্রির চক্র। নিঃসন্তান দম্পতিদের সন্তান পাইয়ে দেওয়ার জন্য টোপ দেওয়া হত। মোটা টাকার বিনিময় সন্তান পাইয়ে দেওয়া হত। পুলিশ সূত্রে খবর, কল্যাণী গুহ নামে ওই মহিলা দীর্ঘদিন নিঃসন্তান থাকার কারণে একটি শিশুর খোঁজ করছিলেন। কলকাতায় পণ্যশ্রী থানার সাতগ্রাম এলাকায় ওই মহিলার একটি বাসস্থান আছে। দালাল মারফত তিনি রুপোলি মণ্ডলের খোঁজ পান। এরপরেই হয় টাকার রফা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Child Trafficking: আইভিএফ সেন্টারের আড়ালে শিশু বিক্রির চক্র! আনন্দপুরে পুলিশের জালে ৬ মহিলা

    Child Trafficking: আইভিএফ সেন্টারের আড়ালে শিশু বিক্রির চক্র! আনন্দপুরে পুলিশের জালে ৬ মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অর্থের লোভে ২১ দিনের কন্যাসন্তানকে বিক্রির অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। খাস কলকাতায় শিশু বিক্রির ঘটনার হদিশ মিলল। ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে নিজের শিশুকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল এক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার আনন্দপুর থানার নোনাডাঙা রেল কলোনি এলাকায়। এই ঘটনায় শিশু বিক্রির (Child Trafficking) একটি চক্রের খোঁজ পেল পুলিশ। আইভিএফ (IVF Centre) সেন্টারগুলোর আড়ালেই এই শিশু পাচারের চক্র চলত বলে অনুমান পুলিশের। টার্গেট করা হত নিঃসন্তান দম্পতিদের। ৪ থেকে সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা খরচ করলেই মিলবে সদ্যোজাত (Newborn), দেওয়া হতো এমন টোপ। 

    নিঃসন্তান গৃহবধূর কাছে কন্যাসন্তানকে বিক্রি

    পুলিশ জানিয়েছে, টাকার লোভে এক নিঃসন্তান গৃহবধূর কাছে কন্যাসন্তানকে (Child Trafficking) বিক্রি করে দেন অভিযুক্ত। তদন্তে নেমে ওই গৃহবধূকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই শিশুটিকে আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। আনন্দপুরের স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত মহিলা তিন জন শিশুকে নিয়ে নোনাডাঙ্গা রেল কলোনির একটি বাড়িতে একাই থাকতেন। তিন জনকেই সন্তান হিসাবে পরিচয় দিতেন তিনি। কিন্তু কয়েক দিন ধরেই তাঁর ২১ দিনের কন্যাসন্তানকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে স্থানীয়দের দাবি। এর পর সন্দেহ বাড়লে স্থানীয়দের কয়েক জন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তে নেমে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে এই ঘটনায় জড়িত আরও পাঁচ জনকে। জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি চালিয়ে ওই শিশুটিকে বেহালা থেকে উদ্ধার করা হয়।

    আরও পড়ুুন: প্রচারের হাতিয়ার স্থানীয় বিষয়, তৃণমূলের দুর্নীতি, রাজ্য বিজেপি নেতাদের ‘মার্গদর্শন’ মোদির

    আইভিএফ সেন্টারের আড়ালে পাচার চক্র

    পুলিশ সূত্রে খবর, এক নিঃসন্তান দম্পতি কয়েকদিন আগে আইভিএফ সেন্টারে যান। প্রথমে তাঁরা চিকিৎসকদের পরামর্শ নেন। তার পর, সেখানেই এক মহিলার সঙ্গে ওই দম্পতির পরিচয় হয়। ওই মহিলা দম্পতিকে জানান, ৪-সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ১০-২০ দিন বয়সি সদ্যোজাত শিশু তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এই কাজের জন্য অগ্রিম বাবদ ওই মহিলাকে কিছু টাকাও দেওয়া হয়েছিল বলে খবর। টাকা হাতে পেতেই তিনি দম্পতিকে জানিয়ে দেন, নিজেদের বাড়িতে তাঁরা থাকতে পারবেন না। এক বছরের জন্য বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র ভাড়া নিতে হবে। কোথায় ভাড়া নিতে হবে, সেটিও তিনি বলে দেবেন। এক বছর পর দম্পতির হাতে সদ্যোজাতকে তুলে দেওয়া হবে। বাড়ি ফিরে তাঁরা বলবেন, আইভিএফ প্রক্রিয়ায় চিকিৎসা করিয়েই এই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এভাবেই গোটা প্রক্রিয়া চলে। কিন্তু আনন্দপুরের ঘটনায় একটু গণ্ডগোল হয়েছিল। যাঁর শিশুকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ, তাঁর মায়ের কাছে সন্তানকে দেখতে না পেয়ে পড়শিরাই পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ আধিকারিকরা মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। প্রথমে তিনি কিছু স্বীকার করেননি, কিন্তু পরে সবটা প্রকাশ্যে আসে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share