Tag: child

child

  • North 24 Parganas: বসিরহাটে খেলতে গিয়েই বিপত্তি, বোমায় হাত উড়ে গেল শিশুর

    North 24 Parganas: বসিরহাটে খেলতে গিয়েই বিপত্তি, বোমায় হাত উড়ে গেল শিশুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বল ভেবে খেলতে গিয়ে হাত উড়ে গেলে এক শিশুর। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট (North 24 Parganas) পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের গোলাবাগান এলাকায়। আহত শিশু চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র। শিশুর নাম ইউসুফ মণ্ডল। রবিবার সকাল ৮ টা নাগাদ এই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

    কীভবে ঘটল ঘটনা (North 24 Parganas)?

    রবিবার সকালে বাড়ির (North 24 Parganas) কাছেই একটি মাঠের ফাঁকা জায়গায় বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গেলে আচমকাই বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দের বিস্ফোরণে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন এবং দ্রুত আহত শিশুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হলে শিশুকে কলকাতায় আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা প্রবল ছিল বলে জানা যায়। শিশুর হাতের মধ্যে বোমাটি বিস্ফোরণ হলে গুরুতর আঘাতে একটি হাত কেটে বাদ দিতে হয়েছে। শিশুর পরিবার অত্যন্ত উদ্বেগজনক অবস্থায় রয়েছেন।

    পুলিশের ভূমিকা

    এই ঘটনার সম্পর্কে খবর দিলে স্থানীয় (North 24 Parganas) থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয়। এই ঘটনায় কে বা কারা মাঠে বোমা ফেলে রেখে গেছে, তা নিয়ে রীতিমতো তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গতকাল রাতেই এই বোমা এখানে ফেলা হয়েছে কিনা, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    বোমায় কতটা সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকেই জেলায় জেলায় প্রচুর বোমা-বারুদ উদ্ধারের কথা সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক সংঘর্ষের জন্য বোমা উদ্ধারের ঘটনার কথা উঠে আসে। ইতিমধ্যে বোমাচ-বারুদের বিস্ফোরণে প্রচুর মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন রাজ্যে। এই মাসের ১৫ই জুলাই মুর্শিদাবাদের সালারে বোমার আঘতে আহত হয়েছে দুই জন শিশু। সম্প্রতি নির্বাচন চলাকালীন কোচবিহারেও বোমার আঘাতে নিহত হয়েছে শিশু। কালিয়চক, জীবনতলা, ভাটপাড়া এলাকায় বোমার আঘাতে প্রাণ গেছে বেশ কিছু শিশুর। বসিরহাটে (North 24 Parganas) বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় তোপ দেগেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি প্রশ্ন করেন, “রাজ্যে এত বোমা-বারুদ কথা থেকে আসছে?”। পাশাপাশি পুলিশ, সিআইডি এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • North 24 Parganas: পাঁচ মাসের সন্তান বিক্রি দম্পতির, তীব্র উত্তেজনা খড়দায়

    North 24 Parganas: পাঁচ মাসের সন্তান বিক্রি দম্পতির, তীব্র উত্তেজনা খড়দায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পানিহাটি (North 24 Parganas) পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের গান্ধীনগর অঞ্চলে নিজের পাঁচ মাসের শিশুপুত্রকে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল বাবা ও মায়ের বিরুদ্ধে। খড়দা থানার পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত বাবা জয়দেব চৌধুরী, মা সাথী চৌধুরী ও ঠাকুরদা কানাই চৌধুরী বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে। ঘটনার কথা এলাকায় জানাজানি হতেই সাধারণ মানুষ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এলাকার মানুষের দাবি, এই ধরনের দম্পতিকে অঞ্চলে রাখা যাবে না।

    এলাকাবাসীর বক্তব্য (North 24 Parganas)

    সন্তান বিক্রির ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় (North 24 Parganas) বাসিন্দা পম্পা বিশ্বাস বলেন, অভিযুক্ত জয়দেবের স্ত্রীকে আগেও বলেছি বাড়িতে অচেনা, অপরিচিত মানুষের আনাগোনা চলে! পাড়ায় থাকো, এমন কাজ বন্ধ করো! কেন এইভাবে বাড়িতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কম বয়সী ছেলেমেয়েরা আসে! উত্তর মেলেনি। তবে পরিবার যে আর্থিক ভাবে খুব একটা স্বচ্ছল ছিল না তাও স্পষ্ট। নানান অসামাজিক কাজকর্মও চলত বলে জানিয়েছেন তিনি । তিনি আরও বলেন, গতকালই  শুনেছি টাকার জন্য নিজের সন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছে। পুলিশ এসে গ্রেফতার করেছে। আরেক বাসিন্দা কৃষ্ণা দত্ত বলেন, শুনে খুব খারাপ লেগেছে! কিন্তু নিজের কোলের বাচ্চাকে বিক্রি করে টাকা নিয়ে জীবন চালাতে হচ্ছে কেন? আমরাও গরীব মানুষ, কাজকর্ম করেই নিজেদের পেট চালাই। তাই বলে নিজের সন্তান বিক্রি! অত্যন্ত নিম্নরুচির কাজ। শাস্তি চাই। এলাকার প্রবীণ বৃদ্ধ সুকান্ত দে বলেন, এই ঘটনা দেখা তো দূরের কথা শোনাই পাপ। সন্তানের বাবা একটা কুলাঙ্গার। বাচ্চার বাবা-মা দুই জনেই দোষী। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের বাবা স্টেশন থেকে কষ্ট করে খাবার জোগাড় করে আনেন, আর ছেলে-বৌমা অপকর্ম করেন। অত্যন্ত লজ্জার ঘটনা। এলাকা থেকে চলে গেলেই ভালো।

    স্থানীয় পৌরপিতার বক্তব্য

    স্থানীয় (North 24 Parganas) পৌরপিতা তারক গুহ জানালেন, আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া এই পরিবারটির পাশে সব সময় দাঁড়িয়েছেন। তিনি আরও বলেন আমি এবং আমার পৌরসভা সব সময় সরকারি সাহায্য করতে প্রস্তুত। কিন্তু নিজের সন্তান বিক্রি করার মতো জঘন্য ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Autism: বাচ্চা একটু বেশিই মোবাইলের প্রতি আসক্ত? সময় থাকতে নজর দিন

    Autism: বাচ্চা একটু বেশিই মোবাইলের প্রতি আসক্ত? সময় থাকতে নজর দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনার বাচ্চার মধ্যে হঠাৎ কিছু পরিবর্তন নজর করছেন? দেখছেন, তার মধ্যে চঞ্চলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তার সমবয়সী বাচ্চার সাথে সে মেলামেশা করছে না, এমনকী কথা বলাও কমে গিয়েছে অনেকটাই। সব সময় যেন সে নিজের অন্য জগতে বিচরণ করছে? হঠাৎ এই ধরনের আচরণ দেখলে বুঝতে হবে, আপনার বাচ্চা অটিজমের (Autism) শিকার হতে পারে। আরও একটি বিষয় ইদানীং লক্ষ্য করা যায়, বর্তমানে বাচ্চারা একটু বেশিই মোবাইলের প্রতি আসক্ত। ফলে তারা এই মোবাইলে যে সব ভিডিও, ছবি দেখছে, সেগুলিকেই বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করছে। তার মস্তিষ্কে তৈরি হচ্ছে এক অন্য জগৎ। সবার সাথে মিলেমিশে থাকতে পারছে না। খেলাধুলো করার ইচ্ছা শেষ হয়ে যাচ্ছে। সারাদিন এই মোবাইলের মধ্যেই বুঁদ হয়ে থাকছে। চিকিৎসকের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই ধরনের রোগ ভার্চুয়াল অটিজম নামে পরিচিত।

    কী হয় এই অসুখে (Autism)?

    এই অসুখ নিয়ে অনেক গবেষণা করা হচ্ছে এখনও। বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এটি এক ধরনের নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার। এর প্রভাবে একটি বাচ্চার ব্যবহারে একগুঁয়েমি, চঞ্চল মনোভাব, কারও সাথে বেশি কথা না বলা, ইন্দ্রিয়গত সমস্যা ইত্যাদি লক্ষ্য করা যায়। অপরদিকে ভার্চুয়াল অটিজমের (Autism) প্রভাবে ঠিক ওই সমস্যাগুলিই থাকে। তার সাথে ছটফটে মনোভাব, কম কথা বলা, চোখে চোখ রেখে কথা না বলা ইত্যাদি থাকে। কিন্তু এর সাথে মোবাইল ফোনের একটি যোগসূত্র গবেষকরা খুঁজে পান। ভার্চুয়াল অটিজমের ক্ষেত্রে মোবাইলের নেশা সব থেকে বেশি প্রভাব ফেলে বাচ্চাদের ওপর।

    আর কী পার্থক্য আছে অটিজম (Autism) আর ভার্চুয়াল অটিজমের মধ্যে?

    সাধারণত, সমস্ত বাচ্চার মধ্যে সামাজিক সচেতনতা বোধ কম-বেশি থাকে। কিন্তু যে সব বাচ্চা অটিজমের (Autism) শিকার, তাদের সামাজিক সচেতনতা বোধ নেই বললেই চলে। তার আশপাশের পরিবেশগত উদ্দীপনা স্বাভাবিক থাকলেও তার প্রভাব কোনও ভাবেই বাচ্চার মধ্যে পড়ে না। অপরদিকে ভার্চুয়াল অটিজমের ক্ষেত্রে সামাজিক সচেতনতা বোধ বাচ্চাদের মধ্যে একটু হলেও বেশি। কিন্তু পরিবেশগত উদ্দীপনা এদের মস্তিষ্কে কোনও প্রভাব ফেলে না। তাই এদেরও অটিজমের শিকার হতে হয়।

    এর (Autism) থেকে মুক্তি পেতে কী করা উচিত?

    যদি আপনি সন্দেহ করেন যে আপনার বাচ্চা এই ভার্চুয়াল অটিজমের (Autism) শিকার, তাহলে দেরি না করে কোনও মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাচ্চার মোবাইল ফোনের ব্যবহার কমিয়ে দিন। তাছাড়াও চিকিৎসকের কাছে অকুপেশনাল থেরাপি ও স্পিচ থেরাপি শুরু করা উচিত। চারপাশের মানুষের সাথে যাতে সহজে মেলামেশা করতে পারে, তার জন্য আপনার বাচ্চাকে অবগত করুন। এতেই আপনার বাচ্চার ইন্দ্রিয়গুলির কার্য ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং মস্তিষ্কের বিকাশ ঘটবে খুব তাড়াতাড়ি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anganwadi Centre: টাকার অভাবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিশুদের খাবার বন্ধের মুখে! কোথায় জানেন?

    Anganwadi Centre: টাকার অভাবে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের শিশুদের খাবার বন্ধের মুখে! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গর্ভবতী মা ও শিশুদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া বন্ধের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে (Anganwadi Centre) সবজি ও ডিমের বিল বন্ধ রয়েছে। ফলে সমস্যায় অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। আপাতত পাড়ার দোকান থেকে সবজি ও ডিম বাকিতে নিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের খাবার দিচ্ছেন কর্মীরা। কিন্তু বিল না এলে তাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে জানালেন বালুরঘাটে জেলাশাসকের দফতরে ডেপুটেশন দিতে আসা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। পাশাপাশি দুই মাস ধরে নিজেদের বেতন পাননি বলে দাবি করেন তাঁরা। দুই মাস ধরে মাসিক বেতন না পাওয়ায় আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। এদিন বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাশাসকের দফতরের সামনে বকেয়া বেতন, ভাতা বৃদ্ধি, সবজি ও ডিমের বিলের টাকাসহ মোট ১২ দফা দাবিতে বিক্ষোভ দেখান সারা বাংলা অঙ্গনওয়াড়ি ও সহায়িকা কর্মীরা। বিক্ষোভ অবস্থানের পাশাপাশি এদিন সারা বাংলা অঙ্গ‌ন‌ওয়াড়ি ও সহায়িকা কর্মীদের পক্ষ থেকে ডেপুটেশন দেওয়া হয় জেলাশাসকের দফতরে।

    কী কী অভিযোগ জানালেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকারা? 

    সংগঠনের এক নেত্রী বলেন, সারা বাংলা অঙ্গনওয়াড়ি (Anganwadi Centre) কর্মী ও সহায়িকা সমিতির পক্ষ থেকে আজ আমরা ডেপুটেশন দিতে এসেছি। আমাদের দুই মাস ধরে বেতন দেওয়া হচ্ছে না। কেন্দ্র এবং রাজ্যে যারা সরকারে আছে, তারা কী অ্যালটমেন্ট করেছে, তা আমরা জানি না। কিন্তু আমাদের বারবার বলা হচ্ছে অ্যালটমেন্ট ঢোকেনি। সেই কারণেই আমরা ডিএম, এসডিও সহ সংশ্লিষ্ট দফতরে বিষয়টি জানানোর জন্য এসেছি। বেতন কেন বন্ধ হল, সবজি বিল কেন বন্ধ হল, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না। সবথেকে বড় কথা হল, আমাদের ওখানে ৩ থেকে ৬ বছরের শিশুরা আসে। তাছাড়া গর্ভবতী মা এবং প্রসূতিরাও আমাদের পরিষেবা নেয়। কিন্তু আজ আড়াই মাস হতে চলল, এখনও পর্যন্ত সবজি বিল আসেনি। সরকার কি চাইছে, বাচ্চারা, গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েরা অপুষ্টিতে ভুগুক? আজ শুধু আমাদের কথা ভেবেই আমরা এখানে আসিনি। এসেছি গরীব মানুষের কথা ভেবেও। মেয়েরা নিজেদের উদ্যোগে এতদিন চালিয়ে এসেছে। কিন্তু তাদের বেতনও তো আটকে গেছে। ফলে তারাও আর পরিষেবা দিতে চাইছে না। আমাদের দাবি, যাবতীয় বকেয়া টাকা মিটিয়ে দিতে হবে। না হলে সমস্ত কেন্দ্র আমরা বন্ধ করে দেবো।
    তিনি আরও বলেন, এর আগে আমরা ৩ তারিখে এসেছিলাম। তখন এডিএম সাহেব বলেছিলেন, আপনারা একটু ধৈর্য ধরুন। এক সপ্তাহ অপেক্ষা করুন। তাই আমরা ফের এসেছি আমাদের সমস্যার কথা জানাতে। যারা ধারে জিনিস দিয়েছে, তারা ভবিষ্যতে ফের দেবে কি না, জানি না। কারণ, আমাদের সম্পর্কে তাদের একটা অবিশ্বাসের জন্ম হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lungs Infection: তাপমাত্রার ওঠানামায় বাড়ছে ফুসফুসের বিপদ, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Lungs Infection: তাপমাত্রার ওঠানামায় বাড়ছে ফুসফুসের বিপদ, কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রার পারদের ওঠানামা বেশ চিন্তায় ফেলেছে বিশেষজ্ঞদের। সপ্তাহের শুরুতে যেখানে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির চৌকাঠ পেরিয়ে গিয়েছিল, এক ধাক্কায় তা অনেকটাই কমে গিয়েছে। তবে, কয়েক দিনের মধ্যে ফের শুরু হবে তাপপ্রবাহ, এমনই আশঙ্কা করছে আবহাওয়া দফতর! আর তাপমাত্রার এই ঘনঘন রকমফের বাড়াচ্ছে বিপদ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, গরমে অতিরিক্ত এসিতে থাকার কারণে ফুসফুসের নানা সংক্রমণঘটিত (Lungs Infection) রোগ বাড়ছে। তার উপরে আবহাওয়ার এই দ্রুত পরিবর্তন ভাইরাসঘটিত রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাপপ্রবাহের সময় মাথা ঝিমঝিম, ক্লান্তি বা পেশিতে টানের মতো সমস্যার পাশাপাশি জ্বর-সর্দি ও কাশির সমস্যাতেও অনেকেই ভুগছেন। বিশেষত শিশুরা মারাত্মকভাবে ভাইরাসঘটিত রোগের শিকার হচ্ছে। 

    বিপদ কোথায়? 

    শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরম থেকে বাঁচতে অধিকাংশ সময়ই শিশুরা এসি ঘরে থাকছে। আবার হঠাৎ করেই তারা এসি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের মতো তারা এসি বন্ধ করে, স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ধীরে ধীরে মানিয়ে নিয়ে বাইরে যাচ্ছে না। আর এতেই তাদের সর্দি-কাশি-জ্বর হচ্ছে। তাছাড়া, অতিরিক্ত এসি ঘরে থাকলে ফুসফুসের সংক্রমণের (Lung Infection) ঝুঁকি বাড়ে। কারণ, এসি ঘরে জানালা-দরজা বন্ধ থাকে। বদ্ধ পরিবেশ ও সূর্যের আলো ঢুকতে না পারায় ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কাশি দীর্ঘদিন থাকছে। 

    বিশেষজ্ঞরা কী জানাচ্ছেন?

    পালমনোলজিস্টদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েক মাস আগে রাজ্যজুড়ে অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপট ছিল। বহু শিশু অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল। কখনও মারাত্মক গরম, আবার একদিনের ব্যবধানেই কয়েক ডিগ্রি পারদ নেমে যাওয়া, সব মিলিয়ে এই পরিবর্তনের সঙ্গে দেহ মানিয়ে নিতে পারছে না। তাই শিশুদের দেহে ফের ভাইরাস সংক্রমণের (Lung Infection) ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে সর্দি-কাশির ভোগান্তি বেশি হবে বলেই আশঙ্কা করছে চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেক সময় বাচ্চাদের কাশি কমছে না। কাফ সিরাপ, এমনকী অ্যান্টিবায়োটিকও কার্যকর হচ্ছে না। 
    তবে শিশুদের পাশাপাশি বড়দের জন্যও এই আবহাওয়া বিপদ বাড়াচ্ছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানান, তাপপ্রবাহ সংক্রান্ত নানান শারীরিক সমস্যার পাশপাশি ভাইরাসঘটিত রোগে সংক্রমণও হচ্ছে। প্রাপ্তবয়স্কদের জ্বর ও ফুসফুসের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। 

    কীভাবে সতর্ক হবেন? 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শিশুদের এসি ঘরে রাখার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। ঘরের তাপমাত্রা কখনই মারাত্মক কম করা যাবে না। তাঁদের পরামর্শ, ২৪-২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে এসি ব্যবহার করতে হবে। অনেকেই গরমে ঘরের তাপমাত্রা ১৬-১৮ ডিগ্রি করে রাখেন। এটা শরীরের পক্ষে খুব ক্ষতিকর। দীর্ঘক্ষণ এসি ঘরে থাকা এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। কারণ, তাতে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে শরীর মানিয়ে নিতে পারছে না। ফলে, নানান রোগে দ্রুত আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। 
    শিশুদের কাশি বা সর্দির মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথাও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা। কোনও রকম অবহেলা বাড়তি বিপদ তৈরি করতে পারে বলেও তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। 
    শিশুদের ক্ষেত্রে আইসক্রিম কিংবা ঠান্ডা পানীয় খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ নজরদারি জরুরি বলেই মনে করছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা। কারণ, অনেকেই ঠান্ডা পানীয় নিয়মিত খায়। এরফলে ফুসফুসে সংক্রমণের (Lung Infection) ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: হাসপাতালে শিশু চুরিকাণ্ডে চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি, রাত পর্যন্ত সুপারকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ

    BJP: হাসপাতালে শিশু চুরিকাণ্ডে চাপ বাড়াচ্ছে বিজেপি, রাত পর্যন্ত সুপারকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ডের ভিতরে মায়ের কোল থেকে এক সদ্যোজাতকে চুরি করার অভিযোগ ওঠে এক মহিলার বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও এখনও নিখোঁজ হওয়া শিশুর খোঁজ মেলেনি। যা নিয়ে হাসপাতাল তথা শিলিগুড়ি শহর জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগে আন্দোলন শুরু করে বিজেপি (BJP)। বৃস্পতিবার রাত পর্যন্ত নিখোঁজ শিশু উদ্ধার এবং শিশুচোরকে  গ্রেফতারের দাবিতে বিজেপির স্থানীয় যুব মোর্চার নেতারা ওই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুপার ডাঃ সঞ্জয় মল্লিককে ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এই বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির (BJP)  শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি,  মাটিগাড়া -নকশালবাড়ি বিধায়ক আনন্দময় বর্মন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির ঘটনা নিয়ে সরব হন বিজেপি (BJP) বিধায়ক আনন্দময় বর্মন। তিনি বলেন, এই শিশু চুরির ঘটনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তথা রাজ্য সরকারের চূড়ান্ত গাফিলতির জন্যই হয়েছে। সবেতেই কাটমানির রমরমা। কোটি কোটি টাকা খরচা দেখিয়ে  বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তা কর্মীদের চুক্তির ভিত্তিতে হাসপাতালগুলিতে  নিয়োগ করা হচ্ছে।  হাসপাতালের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজও চলছে এধরনের চুক্তির কর্মী দিয়ে। এই কর্মী নিয়োগের জন্য যে পরিমাণ  টাকা খরচ দেখানো হয়, সেই অনুপাতে কর্মী নেওয়া হয় না। খরচের তুলনায় কম কর্মী দিয়ে কাজ করানো হয়। একারণেই উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিরাপত্তায় ফাঁকফোকর রয়েছে। সেই সুযোগেই প্রসূতি ওয়ার্ড থেকে শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে। প্রসূতি ওয়ার্ডে যেভাবে বহিরাগতরা অবাধে ঘোরাফেরা করে তাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও নজর নেই। প্রসূতি বিভাগের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কোনও সিসিটিভির ব্যবস্থা নেই। এ নিয়ে বারবার রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকে বলা হয়েছে। কোনও লাভ হয়নি। এই শিশুচুরির ঘটনায় হাসপাতাল সুপারের পদত্যাগ দাবি করছি।

    কী বললেন বিজেপি-র (BJP)  সর্বভারতীয় সহ সভাপতি?

    শুক্রবার দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে দিলীপ ঘোষ শিলিগুড়ি যান। সেখানে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি-র (BJP)  সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, এ রাজ্যে কয়লা চুরি, রেশন চুরি, গরুচুরি, চাকরি চুরির তালিকায় এবার শিশু চুরির ঘটনাও যুক্ত হল। এটা প্রত্যাশিত। কেননা রাজ্যের তৃণমূল সরকার চুরির উপর টিকে রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Guiness World Records: মাত্র চার বছর বয়সেই বই প্রকাশ করে কব্জায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

    Guiness World Records: মাত্র চার বছর বয়সেই বই প্রকাশ করে কব্জায় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জীবনে কিছু অর্জন করতে হলে বয়স যে কোনও বাধাই নয়, তা প্রমাণ করে দিল একটি ফুটফুটে বাচ্চা। বয়স মাত্র ৪ বছর ২১৮ দিন। কিন্তু এরই মধ্যে একটি আস্ত বই প্রকাশ হওয়ার পর তার হাজার কপি বিক্রিও হয়ে গিয়েছে। আর এমন দুর্লভ গুণের জন্যই সে অর্জন করেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড-এর মতো দুর্লভ সম্মান।
    আবু ধাবির শহিদ রাশিদ আল মেহেরি সব থেকে কম বয়সে বই প্রকাশ করার মতো দুর্লভ কৃতিত্ব অর্জন করেছে। পুরুষদের বিভাগে তাই তার দখলে চলে এসেছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। 
    হাতি এবং ভল্লুকের বন্ধুত্ব হওয়া নিয়ে লেখা ওই বই ইতিমধ্যেই আরব দুনিয়ায় সাড়া ফেলে দিয়েছে।
    শুধু এই বাচ্চাটিই নয়, অসম্ভব গুণের অধিকারী তার আট বছরের বড় বোন। যাবতীয় উৎসাহ সে পেয়েছে তারই ওই বোনের কাছ থেকে। বাইলিংগুয়াল বই প্রকাশ করে ইতিমধ্যেই সে একই ধরনের রেকর্ডের অধিকারী। এই বয়সে সে রীতিমতো একটি পাবলিশিং হাউসও চালায়। এক সাক্ষাৎকারে আবু শহিদ জানিয়েছে, সে তার বোনের সঙ্গে একসঙ্গে পড়াশোনা করে, লেখে, আঁকে এবং না জানি আরও কত কীই করে। এই বই লেখার পিছনে মূল অনুপ্রেরণা তার এই বোনই। বোনকে দেখেই তার মনে হয়েছিল, সেও কিছু করে দেখাতে পারে।

    তার লেখা বইয়ের মূল বিষয়বস্তুটা ঠিক কী ? 

    গল্পটা মূলত একটি ভল্লুক আর একটি হাতিকে নিয়ে। একটি হাতি ভল্লুককে দেখে ভেবেছিল সে বোধহয় তাকে খেয়ে নেবে। কিন্তু পরিশেষে দেখা গেল আদৌ তা হল না। দুজনের মধ্যে গড়ে উঠল নিবিড় বন্ধুত্ব।

    কী বলছে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড কর্তৃপক্ষ ? 

    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, তার এই সৃষ্টি রেকর্ড গড়ল কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয় ২০২৩ সালের ৯ই মার্চ। যদিও তখন সেই বইটির হাজার কপি বিক্রি হয়ে গিয়েছে। দুটি পশুর মধ্যে অভাবনীয় বন্ধুত্ব অসাধারণ মনে হয়েছে পাঠককূলেরও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: দু’ফোঁটার বদলে গোটা শিশি! শিশুকে পোলিও খাওয়ানো ঘিরে তোলপাড়

    Jalpaiguri: দু’ফোঁটার বদলে গোটা শিশি! শিশুকে পোলিও খাওয়ানো ঘিরে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’ফোঁটার বদলে গোটা শিশি! শিশুকে পোলিও খাওয়ানো ঘিরে তোলপাড়। গতকাল রবিবার দুই ফোঁটার বদলে পুরো শিশি পোলিও শিশুকে খাইয়ে দিল এক স্বাস্থ্য কর্মী। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে শিশুকে। ঘটনায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় জলপাইগুড়িতে (Jalpaiguri) তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঘটনা কোথায় ঘটল (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) মাল মহকুমার ক্রান্তি ব্লক এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। চার বছরের এক শিশুকে তার মা পোলিও খাওয়াতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। মূল অভিযোগ হল, কর্তব্যরত এক স্বাস্থ্য কর্মী এক শিশি পোলিও খাইয়ে দেয়। এরপর মা, তাঁর স্বামীকে ফোন করে বিষয়টি জানান। ইতিমধ্যে শিশুর জ্বর চলে আসে। বাবা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বাস্থ্য কর্মীদের জিজ্ঞেস করলে উত্তর পান শিশুর কিছুই হবে না। কিন্তু তত সময়ে মারাত্মক হয়ে ওঠে শিশুর অবস্থা। এরপর মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে শিশুকে ৪৮ ঘণ্টার জন্য ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক ভাবে একসঙ্গে অনেকটা পরিমাণে পোলিও খাওয়ানোর জন্য এই অসুস্থাতা বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

    পরিবারের বক্তব্য (Jalpaiguri)

    পরিবার সূত্রে শিশুর বাবা তপন রায় বলেন,“এক শিশি সমস্ত পোলিও খাওয়ানোর ফলে সঙ্গে সঙ্গে জ্বর চলে আসে আমার সন্তানের। স্বাস্থ্য কর্মীদের জিজ্ঞেস করলে ওরা বলে কিছুই হবে না। কিন্তু আমার সন্তান দারুণ ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর বেগতিক বুঝে মালবাজার (Jalpaiguri) হাসপাতালে নিয়ে যাই। দোষী ওই স্বাস্থ্য কর্মীদের কঠোর শাস্তি চাই।”

    থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের

    ঘটনায় ইতিমধ্যে ক্রান্তি থানার (Jalpaiguri) ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন শিশুর বাবা তপন রায়। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাক্তার অসীম হালদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সংবাদ মাধ্যমের ফোন ধরেননি। জেলা শাসক শামা পারভিন বলেছেন, “বিষয়টি নিয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।”

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Martial Art: ক্যারাটের দশটি প্যাঁচ শিখে উজ্জ্বল ক্লাস টু-এর বর্ণালী

    Martial Art: ক্যারাটের দশটি প্যাঁচ শিখে উজ্জ্বল ক্লাস টু-এর বর্ণালী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ছয়। আর এই বয়সেই ক্যারাটেতে ‘ব্ল্যাক বেল্ট’! চুঁচুড়া সেন্ট থমাস চার্চ স্কুলের ক্লাস টু-এর ছাত্রী বর্ণালী চন্দ। ক্যারাটের (Martial Art) যে প্যাঁচ, তাকে বলা হয় কাতা। মাত্র ছয় বছর বয়সেই বর্ণালী দশটি কাতা শিখে ফেলে দেশের মধ্যে ক্ষুদে ব্ল্যাক বেল্টের অধিকারী হয়েছে। পরিবার তো বটেই, তার এই অসামান্য সাফল্যে খুশি এলাকার মানুষজনও। স্বাভাবিকভাবেই সকলে চাইছেন, এই বিরল প্রতিভা যেন নষ্ট হয়ে না যায়।

    মাত্র ৩ বছর বয়সে প্রশিক্ষণ (Martial Art) শুরু

    চুঁচুড়ার কারবালা মোড় শুভপল্লি এলাকার বাসিন্দা সুজয় চন্দ এক সময় শৈশবকালে নিজেও ক্যারাটে শিখতেন। কিন্তু সাংসারিক চাপে বেশি দূর এগতে পারেননি। বর্তমানে ছোটখাট ব্যবসা করে মোটামুটি স্বচ্ছল তিনি। তাঁর দুই কন্যাসন্তান। বড়টি বর্ণালী, আর তার এক বছরের বোন রিতমা। নিজের যে সুপ্ত ইচ্ছা, সেটা মেয়ের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে চান তিনি। তাই খুব ছোট অবস্থাতেই মেয়েকে ক্যারাটে (Martial Art) ক্লাসে ভর্তি করে দেন। বাবার হাত ধরে মাত্র তিন বছর বয়স থেকে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ শুরু হয় বর্ণালীর, চন্দননগরের ক্যারাটে প্রশিক্ষক অমিতাভ ঘোষের কাছে। ফলে তাঁর ইচ্ছা খুব শীঘ্রই বাস্তবায়িত হয়েছে দেখে খুশি বাবাও।

    পুরস্কারের তালিকা দীর্ঘ

    সুজয়বাবু বলেন, করোনার সময় স্কুল ছুটি। তাছাড়াও সব কিছু বন্ধ থাকায় সুবিধা হয়েছে মেয়ের। ওর ইচ্ছা দেখে প্রতিদিন দুবেলা প্রশিক্ষণ (Martial Art) দিতে নিয়ে গেছি প্রিয়নগর মাঠে। একা একাই শিক্ষকের কাছে শিখত। ফলে অনেকটা বেশি সময় ধরে শিখতে পেরেছে। ইতিমধ্যেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস, ইন্টারন্যাশনাল কালামস গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড, ইন্টারন্যাশনাল বুক অফ রেকর্ডস, ওএমজি রেকর্ডস, আমেরিকা রেকর্ডস থেকে স্বীকৃতি মিলেছে বর্ণালীর। লিমকা বুক অফ রেকর্ডস এবং গিনেজ বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর জন্য আবেদন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mobile Phone: মোবাইলে আড়াই লাখের অর্ডার দিয়ে ফেলেছে মেয়ে! একরত্তিকে কী শাস্তি দিলেন মহিলা?

    Mobile Phone: মোবাইলে আড়াই লাখের অর্ডার দিয়ে ফেলেছে মেয়ে! একরত্তিকে কী শাস্তি দিলেন মহিলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র পাঁচ বছর। নাম লীলা ভ্যারিস্কো। আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস-এর বাসিন্দা সে। মায়ের সঙ্গে গাড়িতে চেপে ফিরছিল বাড়ি। চালকের আসনে বসে আছেন মা। আর মেয়ে পিছনে সিটে বসে মায়ের মোবাইল (Mobile Phone) নিয়ে খেলতে ব্যস্ত।

    কিন্তু কে জানত, মোবাইল (Mobile Phone) নিয়ে খেলতে খেলতেই মেয়ে এমন ভয়ঙ্কর কাণ্ড বাধিয়ে ফেলবে! ঘটনাটা তখনই জানতে পারেননি মা। পরে বাড়ি ফিরে যখন মোবাইলের নানা জিনিস ঘাঁটাঘুঁটি করে দেখছেন, তখনই তাঁর নজর আটকে গেল একটি নামী অনলাইন কেনাবেচা সংস্থার অ্যাপে।  এ কী কাণ্ড! তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে অর্ডার চলে গেছে ওই সংস্থায়। তাও আবার এক-দু টাকার অর্ডার নয়। ডলারে যার অঙ্ক চার হাজারের কাছাকাছি। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা। কিন্তু তিনি তো অর্ডার দেননি। তাহলে কী করে এমনটা হল। না, ধাঁধার মধ্যে তাঁকে বেশিক্ষণ থাকতে হয়নি। কিছুক্ষণের মধ্যই তিনি বুঝে যান, কী করে এমনটা ঘটেছে। ‘বাই নাউ’ বাটনে ক্লিক করে দিয়েছে তাঁর আদরের কন্যাসন্তানই। ব্যস, এবার হ্যাপা সামলাও।

    মোবাইল (Mobile Phone) কী অর্ডার দিয়েছে শুনবেন?

    বাচ্চাদের খেলনা ১০টি মোটরসাইকেল, একটি জিপ এবং মেয়েদের সাত নম্বর সাইজের কাউগার্ল জুতো। এসব দেখে তো মাথায় হাত মহিলার। রাতেই ফোন করে ফেললেন সংস্থার কাস্টমার কেয়ারে। কিন্তু তখন অনেকটা সময় দেরি হয়ে গিয়েছে। হলে অর্ডার করার সব জিনিস তখনই ক্যানসেল করা যায়নি। কারণ বেশ কিছু জিনিস ওই সংস্থা যখন ডেসপ্যাচ করে দিয়েছে। ভাবছেন, ওই মহিলা আদরের মেয়েকে দু’ঘা কষিয়ে দিয়েছেন, দিয়েছেন চরম শিক্ষা। কিন্তু না তেমনটা ঘটেনি। তিনি মেয়েকে কিছুই বলেননি। তাঁর মতে, তিনি তাঁকে শাস্তি দিতে চান না। এই ঘটনার পর ভবিষ্যতের জন্য সে চরম শিক্ষা পাক, সেটাই তিনি চেয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share